Category: অর্থনীতি

  • ২০২৬ সালে মোট কতটি দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানা গেল

    ২০২৬ সালে মোট কতটি দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানা গেল

    আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ব্যাংকগুলোর জন্য মোট ২৮ দিন ছুটি থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছুটির তালিকা বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) প্রকাশ করেছে, যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই তালিকা প্রকাশ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা এবং প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

    নতুন এ তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতে, যার জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি একদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মার্চ মাসে শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বন্ধ রাখবে। ঈদুল ফিতরের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদের আগের দুই দিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের দুদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যাতে এই সময়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিনও অন্তর্ভুক্ত।

    এরপর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এ ছাড়াও, চৈত্র সংক্রান্তির জন্য রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য এক দিন বন্ধের ব্যবস্থা থাকবে ১৩ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষের দিন, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে মাসে ১ মে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি অন্তর্ভুক্ত আছে।

    জুলাই মাসে আশুরার জন্য ২৬ জুন এবং ১ জুলাই ব্যাংক হলিডে থাকবে। ৫ আগস্ট গৌরবময় গণঅভ্যুত্থানের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। একইভাবে, ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের নির্দেশনা অনুযায়ী এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকের ছুটি ছিল ২৪ দিন, ২০২৫ সালে ২৭ দিন। আর ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ালো মোট ২৮ দিন।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার মূল্য বেড়েছে

    স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার মূল্য বেড়েছে

    আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ঊর্ধ্বগতিénের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একইভাবে, স্মারক রুপার মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের দামের পরিবর্তনের কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য কার্যকর হবে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণ ও গণমাধ্যমকে এই তথ্য প্রচারে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

    অপর দিকে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।

  • একদিনে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা

    একদিনে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা

    একদিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দামে ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের বৃদ্ধির কারণে এবং দেশের বাজারে চলমান অস্থিরতা বিবেচনায়, এই দাম আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। বাজুস আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব ধরনের ক্যারেটে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকায়। বাজুস আরও জানিয়েছে, রুপার দামেরও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম প্রতি গ্রাম নির্ধারিত হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রাম। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দাম বহাল থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির তারতম্য হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পেতে যাচ্ছে

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পেতে যাচ্ছে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১২ নভেম্বর) এক বিশেষ আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ওঠে—বিশেষ করে বিলুপ্ত এই সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানি করেছিলেন কিনা। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস থেকে এর ব্যাপারে নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে জানা যায়, এই গাড়িগুলোর খালাসের জন্য কোনো শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়; বরং আমদানিকারকদের সাধারণ হারে শুল্ক ও কর দিতে হবে। গত বছর ৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, শুল্কমুক্ত এই ৩১টি বিলাসী গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এক গাড়ির সর্বোচ্চ শুল্ক পরিশোধের হার ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আর সর্বনিম্ন শুল্ক ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    এ কারণে, সব শুল্ক ও কর পরিশোধের পরও গাড়িগুলো আমদানিকারকরা খালাস করেনি। এ কারণে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুসারে, এই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু নিলামকারীরা জোথযুক্ত মূল্য বিড না করায় গাড়িগুলোর বিক্রি সম্ভব হয়নি। কম দাম হওয়ার কারণে মেয়াদকালের মধ্যে বিক্রি সম্ভব হয়নি বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর এই বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়, যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এসব অতি মূল্যবান গাড়িগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে।

    অন্যদিকে, ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা নিয়ম মেনে সব শুল্ক ও কর পরিশোধ করে এসব গাড়ি খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ ও আইন অনুসারে কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এর মাধ্যমে গাড়িগুলো আইনানুগভাবে খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুল্ক ও কর আদায় সম্পন্ন হলে, এই গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ফলে, এই বিলাসবহুল যানবাহনগুলো সরকারি কাজে ব্যবহৃত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকায়

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকায়

    দেশের বাজারে কয়েক দফা দাম বৃদ্ধির পর হঠাৎ করে সোনার মূল্য আবার লাফিয়ে কমে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ ঘোষণা করেছে যে, এবার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, যা আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় বাজারে সোনার চাহিদা ও বিক্রয় পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকায় দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের ভরি এখন ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির বা ঐতিহ্যবাহী গহনা জন্য ভরি মূল্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, এর আগে ১৩ নভেম্বর এই মূল্য ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা (সেরা মান), ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ওপর সরকার দ্বারা নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন, মান ও ভরাটের প্রকৃতি অনুযায়ী মজুরির দরে ভিন্নতা আসতে পারে।

    বিরতির পরও রূপার দামে কোনও পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানুন

    ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানুন

    আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে সারাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো কত দিন বন্ধ থাকবে, তার বিস্তারিত তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ছুটির দিনগুলো দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য একযোগে কার্যকর হবে।

    আজ রোববার (১৬ নভেম্বর), বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই ছুটির তালিকা প্রকাশ করে এবং সেটি সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। প্রথম সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হবে শবে বরাতের দিন, যেখানে ৪ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২১ ফেব্রুয়ারির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এরপর, ১৭ মার্চ শবে কদর উপলক্ষে ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ, অর্থাৎ পাঁচ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনও রয়েছে। ঈদের দিন, ঈদের আগের দুদিন ও ঈদের পরের দুদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তারপর, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    চৈত্র সংক্রান্তি বিশেষভাবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য, ওই দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলা নববর্ষের উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল, মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন রয়েছে।

    আশুরা, ব্যাংক হলিডে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), জন্মাষ্টমী, দুর্গাপূজা, বিজয় দিবস, বড়দিন ও আরও কিছু দিবসের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে ছুটির দিন ছিল ২৪, ২০২৫ সালে ২৭ দিন, এবং আগামী ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে মোট ২৮ দিন।

  • সরকারের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    সরকারের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প ও অর্থনীতির চাহিদার কারণে সরকারের ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথমবারের মতো, বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগএর ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, বৈদেশিক ঋণের আনুপাতিক অংশ বাড়ছে। সেটি এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এখন বেড়ে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    পরিসংখ্যান বলছে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ঋণের থেকে দ্বিগুণেরও বেশি। এই ঋণ বৃদ্ধি বা কারণ হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, করোনার মহামারির পর উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় প্রকল্পে বেশকিছু ব্যয়।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, সম্প্রতি স্বর্ণের দাম মোট ২ হাজার ৫০৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এই দাম পরিবর্তন সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যা আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে, ফলে সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ၃৮ হাজার ৯৪২ টাকায়। এর আগে, অর্থাৎ ১ নভেম্বর, বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৮০ টাকা করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল, যা ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক দিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির খবর এল। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশের বাজারের অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সব ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট শালীন স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ধার্য করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য হলো ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্যে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা। বাজুস এও জানিয়েছে, রুপার দামেরও সামঞ্জস্য করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে প্রতি গ্রাম ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রামে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দামই কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান ও ধরনে অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাবেক ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন জনস্বার্থে ব্যবহারের জন্য সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই গাড়িগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছিল, তবে এই বিষয়টি এখন শুল্ক ও কর পরিশোধের বিলম্বের কারণে নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

    আজ, বুধবার (১২ নভেম্বর), এক বিশেষ আদেশে এনবিআর উল্লেখ করে, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে না এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিকহারে শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, পণ্য খালাসের জন্য শুল্কায়ন এবং কর পরিশোধের নিয়মাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

    শুল্কেই আমদানি করা এই ৩১ গাড়ির মোট শুল্ক এবং করের পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক গাড়ির সর্বোচ্চ শুল্কের পরিমাণ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    শুল্ক-কর সম্পন্ন হওয়ার পরও, গাড়িগুলোর মূল্যায়ন ও নিলামে অংশগ্রহণকারী কেউ বিড না করায় বিক্রি সম্ভব হয়নি। ফলে, আপাতত এই গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি না করে আশু প্রয়োজনে সরকারের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, অতি মূল্যবান এই গাড়িগুলোর ব্যবহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করার জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    অতঃপর, ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকগণ যথাযথ শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গ্লাসগুলো আইনানুগভাবে খালাস করেন, তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস শুল্কায়ন ও মূল্য নির্ধারণের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাতে অনুমতি দেবে। এরপর, শুল্ক ও করের সম্পূর্ণ পরিশোধের পর গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত দেওয়া হবে।