Category: অর্থনীতি

  • গভর্নর বললেন, রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    গভর্নর বললেন, রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, দেশের রাজনীতি যদি স্থিতিশীল থাকে, তাহলে অর্থনীতি আরও বেশি উন্নতি করবে। তিনি এই মন্তব্য করেছেন শনিবার (০৮ নভেম্বর) বেলা দেড়টার সময়, টাঙ্গাইলে ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির আয়োজিত এক আঞ্চলিক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময়। এই সেমিনারে তিনি মূলতพู口্যছিলেন গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের কাছে ব্যাংকের ব্যাংকের অর্থ সহজে পৌঁছে দেয়ার ওপর। তাঁরা এ উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চান। গেভর্নর আরও জানিয়েছেন, পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার জন্য বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক ইংল্যান্ডে আইনজীবী পাঠিয়েছে এবং বিভিন্ন গ্রুপের ক্লেমগুলো স্থির করার চেষ্টা চলছে। যদি এই প্রক্রিয়া সফল হয়, তাহলে দ্রুতই ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে: অর্থ উপদেষ্টা

    পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থনৈতিক পরিষদের সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের শেষে আজ রোববার (৯ নভেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আগামী সরকারকেই দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার এখন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করছে, যা পরবর্তী সরকার চালিয়ে যাবে।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলাপ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১৫ তারিখে তাদের সঙ্গে শেষ আলোচনা হবে, যেখানে তারা আমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, আইএমএফের বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম থাকায় অর্থনৈতিক গতি ধীর হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, বিশেষ করে করদাতাদের অনীহা and এনবিআর-এর দুই মাসের বন্ধ থাকা পরিস্থিতি মোকাবেলা।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করার প্রস্তাব এসেছে, যা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্য পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে আমরা এই সংস্কার ও কাজগুলো সম্পন্ন করব। এই সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং একটি সুন্দর প্যাকেজ হিসেবে পরবর্তী সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আগে আমরা যতটুকু সম্ভব কাজ করব, সবগুলোকে একত্রিত করে রাখতে চেষ্টা করব। সংস্কার কাজটি এককথায় শেষ করা সম্ভব নয়, কারণ এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা চাই এটা এমনভাবে প্যাকেজ করে দিতে যেন পরবর্তী সরকার সহজে চালাতে পারে।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, তিনি একটি ট্যাক্স রিকমেন্ডেশন কমিটি গঠন করেছেন, যেখানে স্বতন্ত্র ইকোনমিস্টরা অংশ নিয়েছেন, যারা ভবিষ্যতের জন্য নতুন পরামর্শ দেবেন।

    অন্যদিকে, পে-কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, এটি এখনই কিছু বলা কঠিন কারণ দেখার বিষয় আছে। ভবিষ্যতে নতুন সরকারের জন্য এর সুফল বা পরিবর্তন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অর্থনীতি-সংক্রান্ত অন্য এক সমস্যা, ব্যাংক সেক্টর, সম্পর্কে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সম্প্রতি এর উন্নতি শুরু হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অন্যান্য বিভাগগুলোও ধীরে ধীরে এগোবে।

    অর্থনৈতিক সচিবরাও আশা প্রকাশ করেন যে, এই সব উদ্যোগ ও সংস্কার আগামী সরকারের জন্য সহায়ক হবে।

    সর্বশেষে, তিনি বলেছিলেন, আইএমএফের ষষ্ঠ কিস্তি পেতে বরাবরই আমরা প্রস্তুত, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব বেশি জরুরি মনে হয় না। তারা আমাদের একটি রিভিউ করবে, যেখানে দেখা হবে আমাদের ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক স্থিতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তারা বিস্তারিত মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে দৌড়ে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে দৌড়ে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে, যা স্বর্ণশিল্প ও ক্রেতাদের জন্য সুখবিনোদন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা প্রকাশ করে জানিয়েছে, এবার তারা প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। এই মূল্যবৃদ্ধি মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্ণের দাম আরেক ধাপ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, আগের তুলনায় ওই দাম বেশি হবে।

    নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য দরে কিছুটা কম, যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    এর আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৮০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। তবে, নতুন মূল্য ধারাবাহিকভাবে বাজারে স্বর্ণের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবের কারণে আরও বাড়ছে।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ৪ হাজার টাকা

    এক লাফে স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ৪ হাজার টাকা

    একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বার দেশের সবচেয়ে মূল্যবান মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বেড়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির মূল্য এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয় সংস্থার স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর সভায়, যেখানে সব সদস্যের সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম এখন ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা। আরও জানানো হয়েছে, রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার প্রতি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ২২৩ টাকা প্রতিগ্রাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দামের এই পরিবর্তনগুলো পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যতে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের निर्धारित ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ কতা দিতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্যরা বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এবার সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে। এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায়। আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) এই বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে সংস্থাটি।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ গুলোর মধ্যে কিছু গাড়ি উচ্চ শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি হয়েছিল, যা নিয়ে চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস থেকে নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে নির্ধারিত হয়, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়, এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক ও কর পরিশোধের পর গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমস এই নির্দেশনা দেয়।

    প্রতিটি গাড়ির জন্য মোট শুল্ক-কর পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এই উচ্চ মূল্যের গাড়িগুলোর একক শুল্ক সর্বোচ্চ প্রায় ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আবার সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    উল্লেখ্য, এই শুল্ক-কর পরিশোধের নির্দেশনা সত্ত্বেও গাড়িগুলোর আমদানির জন্য নির্ধারিত টাকাগুলো পরিশোধ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু, কোনো নিলামকারী গাড়িগুলোর মূল্য যথাযথভাবে বিবেচনা করে বিড না করায়, এগুলো নিলামে বিক্রি হয়নি। পরবর্তীতে জনস্বার্থে এই গাড়িগুলোর ব্যবহার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে, এসব অতি মূল্যবান গাড়িগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযোজ্য সব শুল্ক ও কর পরিশোধ করে কোনও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় গাড়িগুলো খালাস করতে চাইলে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সেই গাড়িগুলোর শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট আইন নিয়ম অনুসরণ করে গাড়িগুলো খালাসে সহায়তা করবে।

    অবশেষে, এই শুল্ক-কর আদায়পূর্বক, গাড়িগুলো ভবিষ্যতে কাস্টমসের মাধ্যমে আমদানিকারকের অনুকূলে খালাস করে, এগুলো সরকারি যানবাহন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে ফেরত দেওয়া হবে।

  • দুর্বল পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন

    দুর্বল পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (বিআরও ২০২৫) অনুসারে দুর্বল পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকটি বলেছে, বঙ্গবন্ধু রেজল্যুশন আইন, ২০২৫ এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, যদি কোনও তফশিলি ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লিকুইডেশনের (পরিসমাপ্তি) আওতায় আসে এবং শেয়ারহোল্ডাররা রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে তাদের ক্ষতির পরিমাণে তারতম্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য একটি পেশাদার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেজল্যুশন প্রক্রিয়া শেষে কাজ করবে। এছাড়াও, সরকার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করতে বিশেষ ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী এই ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক এবং ওইসিডি’র মতামত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এসেছে। অধ্যাদেশে ব্যাংকের বিভিন্ন দাবিদার যেমন আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডারের অধিকার স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞ সংস্থা ‘ইকুয়েটর’ কর্তৃক পরিচালিত পরিদর্শন ও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমানে রেজল্যুশন প্রক্রিয়াধীন ব্যাংকগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে এবং তাদের নিট সম্পদ মূল্য (নিট অ্যাসেট ভ্যালু) ঋণাত্মক। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিসিএমসি) গত ২৪ সেপ্টেম্বর একটি জরুরি সভা করে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এই পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকের ক্ষতি বহন করবেন। রেজল্যুশন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন অংশীদার—শেয়ারহোল্ডার, দায়ী ব্যক্তি, অতিরিক্ত টিয়ার ১ মূলধনধারী, টিয়ার ২ মূলধনধারী এবং সাব-অর্ডিনেটেড ডেটহোল্ডার—সহ বিভিন্ন পক্ষের উপর ক্ষতি আরোপের ক্ষমতা রাখে। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ধারাসমূহ বিবেচনায় সাধারণ বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা সম্ভব নয়। তবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থে অর্থাৎ তাদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সূত্র: বাসস

  • গভর্নর বললেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনীতির উন্নতির মূল চাবিকাঠি

    গভর্নর বললেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনীতির উন্নতির মূল চাবিকাঠি

    দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, যদি রাজনৈতিক পরিস্থিতি সুসंगঠিত ও স্থিতিশীল থাকে, তাহলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও প্রবৃদ্ধিশীল হবে। তিনি আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির আয়োজনে টাঙ্গাইলের ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত এক আঞ্চলিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা জানান। এ অনুষ্ঠানে দেশের দরিদ্র গ্রাম্য জনগোষ্ঠীর মতো সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাংকের অর্থ সহজে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা চালানো হয়।

    গভর্নর আরও বলেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে। এর জন্য বিভিন্ন ব্যাংক ইংল্যান্ডে আইনজীবী পাঠিয়েছে এবং বিভিন্ন গ্রুপ অব কোম্পানিগুলোর ক্লেমগুলো দ্রুত প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টা চলছে। যদি এই উদ্যোগ সফল হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই কার্যকর ফলাফল দেখতে পাবো।

    আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানগণ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

  • পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আসন্ন সরকারের মাধ্যমে: অর্থ উপদেষ্টা

    পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আসন্ন সরকারের মাধ্যমে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব আসন্ন সরকারের ওপর থাকবে। তিনি আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, আইএমএফের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা আগামী ১৫ তারিখে হবে। এর আগে, আইএমএফের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা হয়েছে, যেখানে তারা বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশংসা করেছেন। ওরা ზოგ কিছু সুপারিশ করেছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানো জরুরি—এ বিষয়ে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত কম। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে—লোকেরা ট্যাক্স দিতে চায় না, এবং এনবিআর দুই মাস বন্ধ থাকায় সমস্যা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি। আইএমএফ আরও বলেছে, সামাজিক সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বেশি ব্যয় করতে হবে—এ বিষয়েও কাজ চলছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে আমরা যা কিছু করেছি, তা নিশ্চিত করব। সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং এগুলোর প্যাকেজিং করে আগামী সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ট্যাক্সের ব্যাপারে একটি আলাদা কমিটি কাজ করছে, যেখানে কিছু স্বতন্ত্র অর্থনীতিবিদ পরামর্শ দিচ্ছেন। হালকা করার জন্য, তিনি বলেছেন, পে-কমিশন সম্পর্কিত বিষয়গুলো এখনই বলা সম্ভব নয়; দেখছি কতদূর এগোতে পারে, সম্ভবত আগামী সরকারের জন্য তারা সিদ্ধান্ত নেবে। ব্যাংক সেক্টর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যেখানে ইতোমধ্যে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ধাপে ধাপে এগোবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। শেষ দিকে, তিনি উল্লেখ করেছেন, যেখানে আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে তিনি বলেছেন, এখন এ জন্য কোন জরুরি প্রয়োজন নেই। তারা অপ্রয়োজনীয় রিভিউ শেষ করেছে, তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সম্ভবত ফেব্রুয়ারির দিকে বিস্তারিত মূল্যায়ন করবে আইএমএফ।

  • এক দিনেই সোনার দাম সাড়ে চার হাজার টাকা বাড়াল বাজুস

    এক দিনেই সোনার দাম সাড়ে চার হাজার টাকা বাড়াল বাজুস

    আজকের দিনে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অবাক করার মতো ঘটনা। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা এবং দেশের বাজারের অস্থিরতার মধ্যে এই নতুন দাম কার্যকর হবে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দামে বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট হলমার্ক স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দামের জন্য নির্ধারিত মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। এখন ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম প্রতি গ্রামে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রাম।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগফল যোগ করে ক্রেতাদের মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। আরও উল্লেখ করা হয়, গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে। এই দামগুলি עד নতুন ঘোষণা এড়িয়ে চলবে এবং সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে।

  • দেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে

    দেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে দাম ঘোষণা করে জানিয়েছে যে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি আগের থেকে ২ হাজার ৫০৭ টাকা বেশি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত সোয়া রাতের মধ্যে এই নতুন দামের কার্যকরীতা শুরু হবে, যা আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি। এর ফলে, স্বর্ণের সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির কারণে এই মূল্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    নতুন দামে আরেকটু বিস্তারিত বললে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দরে ভরি প্রতি ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এদিকে, এর আগে, ১ নভেম্বর, বাজুস ঘোষণা করে ছিল যে, একই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ হাজার ৬৮০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।