Category: অর্থনীতি

  • রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে: গভর্নর

    রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে: গভর্নর

    দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল। এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং অর্থনীতি আরও উন্নত করতে রাজনীতির শান্তি ও স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলে ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে আয়োজিত এমএফআই-ব্যাংক লিংকেজ সংক্রান্ত আঞ্চলিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    অর্থাৎ, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু থাকলে ও রাজনৈতিক অস্থিরता 없 থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া, গভর্নর উল্লেখ করেন, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার নিয়ে ইতোমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ইংল্যান্ডে আইনজীবী পাঠানো হয়েছে যাতে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া দ্রুত হতে পারে। তিনি জানান, বিভিন্ন গ্রুপ ও কোম্পানির ক্লেমের বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। সফলতা থাকলে, খুব শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এছাড়া, বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও অংশগ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ কত গুরুত্বপূর্ণ।

  • আসন্ন সরকারের জন্য পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে: অর্থ উপদেষ্টা

    আসন্ন সরকারের জন্য পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদদীন আহমেদ জানিয়েছেন যে, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার। তিনি আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত দুটি উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আইএমএফের সাথে চূড়ান্ত আলোচনা ১৫ তারিখে হবে। এর আগে ওরা আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক মনে করেছে। তারা আমাদের কিছু সুপারিশ দিয়েছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া, কারণ ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম। এ বিষয়ে আমরা সচেতন ও সচেষ্ট হচ্ছি। এছাড়াও, আইএমএফের আরেকটি রিকমেন্ডেশন হলো সামাজিক সুরক্ষার জন্য বাজেট কমানোর পরিবর্তে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্য পরিস্থিতির উন্নতিতে। নির্বাচনের তিন মাস আগে আমরা বর্তমান কাজগুলো সম্পন্ন করে পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে চাই। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশ চলমান রয়েছে ও পরবর্তী সরকারকে আমরা একটি শক্ত ভিত্তি দিয়ে যাবো। সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে, কারণ এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা এখনো বিভিন্ন সংস্কারমূলক প্যাকেজ তৈরি করছি যা পরবর্তী সরকারকে দেওয়া হবে। এছাড়া, তিনি জানিয়েছেন, ট্যাক্সের বিষয়ের জন্য বিশেষ একটি কমিটি আছে, যারা স্বাধীনভাবে সুপারিশ করবে। অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পে-কমিশনের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা এখন বলা সম্ভব নয়; এটি মূলত পরবর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত। ব্যাংক সেক্টরের জন্যও তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে, তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উন্নত হবে। আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদদীন আহমেদ বলেন, এই মুহূর্তে কোনও জরুরি প্রয়োজন নেই। ওরা আমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কিসের উপর সিদ্ধান্ত নেবে, তা পরে জানানো হবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ (১১ নভেম্বর) মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য বৃদ্ধি গত ১০ নভেম্বর রাতে ঘোষণা করা হয়েছে, যার কার্যকর হবে আজ থেকেই।

    নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ সংগ্রহের চাহিদা কিছুটা ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।

    অতীতের মূল্য বলে, ১ নভেম্বর এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা। অর্থাৎ, এক মাসের মধ্যে মূল্য বাড়ে প্রায় ৮ হাজার ৫০৭ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও উঠScholar/ভরমানে রেকর্ড করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের মূল্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করলেও, এটি স্বর্ণশিল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনেই স্বর্ণের দাম হঠাৎ করে বলি ৪ হাজার টাকা বেড়ে গেল

    একই দিনেই স্বর্ণের দাম হঠাৎ করে বলি ৪ হাজার টাকা বেড়ে গেল

    একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও লাফিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক লাফে ৪ হাজার ১৮৮ টাকা যোগ হয়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দাম ঘোষণা করেছে। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি ও দেশের বাজারে অস্থিরতা বিবেচনায়, আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ফলস্বরূপ, সব ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম প্রতি ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামগুলো হল: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া, বাজুস রুপার দামও সমন্বয় করেছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম প্রতি গ্রাম ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার জন্য নির্ধারিত দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রাম।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে, বিক্রয়মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান এবং অন্যান্য মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি আসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি আসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের প্রবিধান গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে, যা আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে।

    এনবিআর জানিয়েছে, এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রেও শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না, তা জানতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদের জবাবে বলা হয়েছে, গাড়িগুলো খালাসের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা সংবলিত নয় এবং আমদানিকারকদের স্বাভাবিক শুল্ক ও কর পরিশোধের মাধ্যমে এই গাড়িগুলো খালাস করতে হবে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকেই এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

    অতিরিক্ত শুল্ক ও কর পরিশোধের পরও, এসব গাড়ির মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চ মূল্যের এই গাড়িগুলোর একক শুল্কের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আর সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    সর্বশেষ, শুল্ক ও কর সম্পন্ন না হওয়ায় এবং নিলামের ক্ষেত্রে কোনো বিক্রেতা যৌক্তিক দামে বিড না করায়, এসব গাড়ি নিলামে বিক্রি হয়নি। সেক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ও জনস্বার্থ বিবেচনায় আন্তমন্ত্রণালয় সভাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করে এই স্মার্ট ও মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারের অন্য এক দপ্তরে হস্তান্তর করা হবে।

    শুল্ক ও কর ক্ষেত্রে যেকোনো সংশোধনী বা আনুকূল্য পাওয়া গেলে, ভবিষ্যতে গাড়িগুলোর খালাস প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। গার্ডগুলোর আমদানিকারক যদি শুল্ক ও কর পরিশোধ করে আইনানুগভাবে গাড়িগুলো খালাসের জন্য আবেদন করেন, তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস যথাযথ নীতিমালা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করে তাদের গাড়িগুলো সেই অনুযায়ী ছাড়পত্র দেবে।

    সর্বশেষে, এই গাড়িগুলো সম্পূর্ণ শুল্ক ও কর পরিশোধের মাধ্যমে আমদানিকারকদের কাছে খালাসের পর, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর ওই গাড়িগুলো নিয়ম মেনে ফেরত পাবে।

  • রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে: গভর্নর

    রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে: গভর্নর

    বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। এর পাশাপাশি, দেশের রাজনীতির স্থিতিশীল অবস্থা অর্থনীতির সুষ্ঠু উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে আঞ্চলিক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সেমিনারটি আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটি (এমআরএ) যাতে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে সহজে ব্যাংকের অর্থ পৌঁছে দেওয়া যায়। গভর্নর আরও জানান, দেশের অর্থ পাচারকারীদের টাকা ফেরত আনার জন্য ইতোমধ্যেই বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ইংল্যান্ডের আইনজীবীদের সহায়তায় তাদের সাথে কাজ করছে, যাতে পাচার হওয়া অর্থের ক্লেমগুলো আরও দ্রুত স্থাপন করা যায়। যদি এই প্রচেষ্টা সফল হয়, তাহলে ফলাফল ইতিবাচকভাবে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ আরো অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও এতে উপস্থিত ছিলেন, যারা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। উপস্থাপনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

  • আগামী সরকারই নেবে নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

    আগামী সরকারই নেবে নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থমন্ত্রী সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব আসন্ন সরকারকে প্রদান করা হবে। তিনি রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমার চূড়ান্ত আলোচনা ১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এই সংস্থার সাথে আমার সম্প্রতি জুমে কথাবার্তা হয়েছে, তারা জানিয়েছে আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তারা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেছে।

    তিনি বলেন, আইএমএফের কিছু সুপারিশ রয়েছে যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানো, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম হওয়ার বেশ কারণ রয়েছে, কারণ আমাদের নাগরিকরা ট্যাক্স দিতে চায় না এবং অ্যাইএমএফের কিছু সময় নষ্ট হওয়ারও কারণ আছে। এরপর, সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করার পরামর্শ রয়েছে, বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্য ক্ষেত্রে। তবে খাদ্য পরিস্থিতি বর্তমানে মোটামুটি ভালো।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে আমরা যতটুকু কাজ করেছি সেটাকে সংহত করব। সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে, যেহেতু এটি একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া। এই সংস্কারগুলো আরেকটি প্যাকেজিং করে আগামী সরকারের কাছে পৌঁছে দেব।

    তিনি উল্লেখ করেন, একজন স্বাধীন ইকনমিস্টের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে ট্যাক্সসংক্রান্ত রেকমেন্ডেশনের জন্য, যারা বিভিন্ন সুপারিশ দেবে।

    অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পে-কমিশনের ভবিষ্যত বিষয়ে। তিনি বলেন, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না, কারণ দেখা হবে কতদুর এগোতে পারে। আগামি সরকারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    ব্যাংক সেক্টর সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, এই ক্ষেত্রের পরিস্থিতি শুরু হয়েছে, বাকিগুলো ধীরে ধীরে সামাল দেওয়া হবে। এসব পদক্ষেপ আগামী সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার ব্যাপারে প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তারা দেখছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হয়। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনসহ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে, তারা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরো বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরো বেড়েছে

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন ঘোষণাে জানিয়েছে, প্রতি ভরির ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫০৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিউর গোল্ডের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম সামগ্রিকভাবে নতুন দরে নির্ধারিত হয়েছে।

    নতুন দামে, ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    এর আগে, ১ নভেম্বর এক আদেশে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৮০ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকায় নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বাড়ল

    এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বাড়ল

    এক দফাতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও প্রায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে এখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রাইজ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ উচ্চতর মূল্যে।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের একটি জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সবাই মতৈক্য পোষণ করেছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের বৃদ্ধি এবং দেশের কনজিউমার মার্কেটে অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন ক্যারেটে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা।

    এছাড়া, রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার প্রতি গ্রাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রাম ২২৩ টাকা।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, এই দামগুলো পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয় মূল্যতে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরির যোগ্যতা থাকতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান ও তৈরি পদ্ধতির ভিন্নতার জন্য মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হলো না উচ্চমূল্যের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পাবে

    নিলামে বিক্রি হলো না উচ্চমূল্যের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পাবে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি সরকারি ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই গাড়িগুলো আগে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করলেও, শুল্ক ও কর পরিশোধে অবহেলা এবং মূল্যবান থাকার কারণে এগুলোর ওপর নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিলামে গাড়িগুলোর দাবি করা মূল্য বিড না করায় এগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে, এসব বিলাসবহুল গাড়ি জনস্বার্থে সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য পরবর্তী পরিকল্পনায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।