Category: অর্থনীতি

  • সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে সোনার দাম জোরদারভাবে বেড়ে গেলো, যা বিভিন্ন পর্যায়ে ছিলো অস্থিরতা ও পরিবর্তনের সাক্ষ্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঘোষণা করেছে, সোনার মূল্য একрыгেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে যা কিছু কমানো হয়েছিলো, তার পরিমাণ ছিলো সর্বোচ্চ এক হাজার ৩৬৪ টাকা প্রতি ভরি। কিন্তু মাত্র একদিনের মধ্যেই, অর্থাৎ মঙ্গলবারের কমানোর পরদিনই, দাম আবার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে—অর্থাৎ ২১২৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন আড়াই লাখের বেশি, নির্দিষ্টভাবে বললে দুই লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা প্রতি ভরি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাজারেও তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামের বৃদ্ধির প্রভাব। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ১০০ ডলার ছুঁই ছুঁই করছে। এর ফলে, দেশের বাজারে সোনার মূল্য সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকা অনুযায়ী, শ্রেষ্ঠ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা। এর পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার এক ভরি দাম এখন ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    যদিও সোনার দামের এই বড় পরিবর্তনের মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা। এই পরিবর্তনগুলো দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

  • সোনার দাম আরও কমলো

    সোনার দাম আরও কমলো

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকায়, যা আগে ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অর্থাৎ, এক ভরি সোনার দাম কমেছে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আজ থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা উচ্চমানের সোনার দামে এই কমতি দেখা গেছে। তাদের মতে, বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৫ নভেম্বর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। একই সময়ে অন্যান্য মানের সোনার দামে ছিল: ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের উপর অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হতে হবে। তবে গহনা তৈরির ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার মূল্য এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্য বৃদ্ধি শেষে হঠাৎ করে সোনার দাম এসে পড়েছে অন্যরকম এক পরিস্থিতিতে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরে কমে হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা, যা পূর্বে নির্ধারিত ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এই দাম পরিবর্তন আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের মতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা সর্বোচ্চ মানের সোনার দামটি কমে যাওয়ায়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দামে সবচেয়ে ভালো মানের বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। একই সাথে, ২১ ক্যারেটের দামে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দামে এখন ইয়াকটা ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা। এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার রেট এখন প্রতি ভরি ১৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ নভেম্বর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, ২১ ক্যারেটে ছিল দুই লাখ ৪ হাজার, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার মূল্য ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মিনিমাম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির বিভিন্নতা থাকতে পারে।

    অপরদিকে, সোনার দাম কমলেও রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য দামের হার ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    দীর্ঘ দিন ধরে বাজেটে আয় কম থাকায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কারণে বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো মোট ঋণের পরিমাণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়, যেখানে জানানো হয়, জুন শেষে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকায়। যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা, অর্থাৎ প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি।

    বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৪৪.২৭ শতাংশ। বিগত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণের বৃদ্ধির হার অভ্যন্তরীণ ঋণের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার মহামারির পর থেকে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো থেকে প্রাপ্ত বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, এবং মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো বড় বড় প্রকল্পে ব্যাপক খরচের কারণেই এই ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

  • ২০২৬ সালে ব্যাংক বন্ধের দিন কত থাকবে জানা গেল

    ২০২৬ সালে ব্যাংক বন্ধের দিন কত থাকবে জানা গেল

    আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে, মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে, যা বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ছুটির দিনগুলোর সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) এই ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে, যা সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতের দিন ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় শবে কদর, সেই দিনও ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর উদযাপনে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে ঈদের আগে ও পরে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যার মধ্যে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছিল।

    অন্যদিকে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে। চৈত্র সংক্রান্তি উৎসবের জন্য রাঙামাটিসহ কয়েকটি পার্বত্য জেলার জন্য ১৩ এপ্রিল বিশেষ ছুটি ঘোষণা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের শুভ সূচনা হিসেবে ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার জন্য ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    ঈদুল আজহার জন্য ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধের দিন থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে। এছাড়া, ২৬ জুন আশুরার উপলে ও ১ জুলাই ব্যাংক ছুটি থাকবে। অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো হলো, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দিন, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী, ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন, এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রীালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের ওপর ভিত্তি করে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে মোট ২৪ দিন ছুটি ছিল এবং ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২৭ দিন। আর ২০২৬ সালে এটি আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দিন হবে।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রূপার মুদ্রার দাম বাড়ল

    স্মারক স্বর্ণ ও রূপার মুদ্রার দাম বাড়ল

    আন্তর্জাতিক ও দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণের (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয়মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পাশাপাশি, স্মারক রূপার (বাক্সসহ) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, এর আগে এই দাম ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের দামের ওঠানামার কারণে এই মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। এই নতুন দাম ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকে এ তথ্য সঠিকভাবে প্রচার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের বাজারে ভরি প্রতি স্বর্ণের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ভরি প্রতি ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • সোনার দাম আবার কমলো

    সোনার দাম আবার কমলো

    দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের নির্ধারিত দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এই নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে গেলে, সামগ্রিক অর্থনীতির পরিস্থিতির বিবেচনায় এই মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। গত ১৫ নভেম্বরের নির্বাচিত দামে দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যতে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনা ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির শতাংশে ভিন্নতা থাকতে পারে।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হয় ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে। এই নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) একটি বিশেষ আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, এ গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস নির্দেশনা চায়। এর জবাবে জানা যায়, বিলুপ্ত সংসদ সদস্যদের ওই গাড়িগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় খালাস হয় না এবং আমদানিকারকদেরকে স্বাভাবিক শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়ি খালাস করতে হবে। গত বছর ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমসকে এমন নির্দেশনা দেয় এনবিআর।

    শুল্ক-কর বাবদ মোট ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করেছে গাড়িগুলোর আমদানিকারী। এই উচ্চ মূল্যের গাড়িগুলোর একক শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    তবে সব শুল্ক-কর পরিশোধ সত্ত্বেও, গাড়িগুলোর আমদানিকারকরা এগুলো খালাস করেননি। তাই আইন অনুযায়ী, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুসারে, গাড়িগুলোর নিলাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নিলামের সময় কোনো ক্রেতা তাদের যৌক্তিক মূল্য প্রস্তাব না করায় গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি জনস্বার্থ বিবেচনায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এই অতি মূল্যবান গাড়িগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করা হবে।

    এক্ষেত্রে, ভবিষ্যতে আমদানিকারকরা সব শুল্ক-কর পরিশোধের মাধ্যমে আইনানুগভাবে গাড়িগুলো খালাস করতে পারলে, চট্টগ্রাম কাস্টমস তাদের নির্ধারিত মূল্য থেকে শুল্কায়ন করে গাড়িগুলো তাদের হস্তান্তর করবে। এরপর গাড়িগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি যানবাহন বিভাগে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হবে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকা

    দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর হঠাৎ করে সোনার দাম কমলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতাদের জন্য এই তথ্য কার্যকর হবে আগামীকাল রোববার থেকে।

    বর্তমানে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা ভালো মানের সোনার মূল্য কমেছে। ফলে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির ভিত্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রস্তুত সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুসের তথ্যমতে, এই দামসমূহের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরির যোগ দিতে হবে। তবে ডিজাইন এবং মানের পার্থক্য অনুযায়ী মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে।

    অন্যদিকে, রুপার দামের মধ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম রয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা প্রতি ভরি।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    বাংলাদেশের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

    দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজস্ব আয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যয় বেড়ে চলায়, বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, জুন মাসের শেষে এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছরের মধ্যে ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি। এটি মূলত দেশের অর্থনীতি বিভিন্ন দিক থেকে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে বাধ্য করছে।

    বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা হয়েছে, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত অর্থবছরের ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকার থেকে বেড়ে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ দেশের অভ্যন্তরীন ঋণের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাকালীন মহামারির পর দেশীয় ও বৈদেশিক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক ব্যয় ও সহযোগী দেশগুলো থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা এই ঋণবৃদ্ধির মূল কারণ। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রোরেল, মতিরবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এবং অন্যান্য বড় প্রকল্পগুলো রয়েছে, যার জন্য অর্থের প্রয়োজন পড়েছে।