দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারো কমানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামের পতনের প্রেক্ষিতে দেশের স্বর্ণের দাম একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, সবচেয়ে উচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে এক হাজার ৩৫৩ টাকা। ফলে এখন এই স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। নতুন দামের এই কার্যকরী ঘোষণা শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে।
Category: অর্থনীতি
-

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও ছেঁড়াফাটা নোট বিনিময় বন্ধ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড বিক্রি, ছেঁড়াফাটা নোটের বিনিময়, পাশাপাশি সরকারি চালানসেবা এবং চালান-সংক্রান্ত ভাঙতি টাকা কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই সেবাগুলো কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
শুরুর হিসেবে প্রাথমিকভাবে দেশের বড় বড় শহরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিসগুলো—যেমন মতিঝিল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং সদরঘাট—এসব সেবায় বিরত থাকবে। তবে ব্যাংকগুলো যেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে এই পরিষেবাগুলো নিতে পারে, সে জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক শাখাগুলোর উপর তদারকি ও মনিটরিং বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো, সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতির ঘটনা। এ কারণে নিরাপত্তার দিক থেকে উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অন্য দেশগুলো এই ধরণের সেবা প্রদান করে না।
শিল্পক্ষেত্রের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও সার্ভার নিরাপত্তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায়, নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ জরুরি হয়ে পড়ে। এতে করে ব্যাংকের স্বচ্ছতা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
-

সোনার দাম আবারও কমলো বাংলাদেশে
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। এই পরিবর্তন অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমে নতুন মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। নতুন মূল্য আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে দেশের স্বর্ণশিল্পের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই তথ্য প্রকাশ করে। বাজুস জানিয়েছে, বাজারে তেজাবি বা উচ্চ মানের সোনার দামে এই পতন এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ১৫ নভেম্বর, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অন্যান্য মানের সোনার দাম ছিল যথাক্রমে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে সোনার মূল্য ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হয়, তবে গহনা ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির পার্থক্য হতে পারে।
তবে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। অন্যান্য মানের রুপার দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।
-

স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে
আন্তর্জাতিক এবং দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ (১৮ নভেম্বর) স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণের (বাক্সসহ) বিক্রয়মূল্য এখন হয় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগের মূল্য ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এছাড়া, স্মারক রুপার (বাক্সসহ) মুদ্রার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, এই মূল্য সমন্বয় দেশের ও আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের পরিবর্তনের কারণে করা হয়েছে। নতুন মূল্য আরোপের তারিখ হলো ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে দেশের জনগণ এবং মিডিয়াকে এই তথ্য প্রচারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের মূল্যও এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।
-

দুই দফা কমার পর সোনার দাম আবার বড়রকম বৃদ্ধি
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ ঘোষণা করেছে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। এর ফলে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৮৩৯ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, যা স্বাভাবিক জীবনের মানের সোনার দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায় পৌঁছেছে।
১৯ নভেম্বর বুধবার বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এ দাম আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার, সোনার দাম এক হাজার ৩৬৪ টাকা কমেছিল। অথচ মাত্র একদিনের মধ্যে তা দ্বিগুণ হয়ে ২ হাজার ৬১২ টাকা বেড়ে যায়। ফলে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি এখন ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাজারের ধারা। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশের একজন ক্রেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।
নতুন দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির মূল্যের ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
অপরদিকে, সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত।
-

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম হ্রাস, এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সাম্প্রতিক বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামে একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। দেশের স্বর্ণের বাজারে এখন থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ১,৩৫৩ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এ দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অতীতে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা দাঁড়িয়েছিল। তবে নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মান ও দামে প্রতিলিপি সংশোধনী ঘটে। এছাড়া, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও কমিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নতুন দামে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য ১,৩০৭ টাকা কমে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,১০৮ টাকা কমে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৯৪৪ টাকা কমে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগের সপ্তাহগুলোতে স্বর্ণের দাম ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০ নভেম্বর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬১২ টাকা করে বাড়িয়ে ২ লাখ ৯,৫২০ টাকা, অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম একইভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার, ১৯ নভেম্বর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ২ লাখ ৬,৯০৮ টাকা দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ১৬ নভেম্বর স্বর্ণের দাম আরও হ্রাস পেয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ Ghost ৮২৭ টাকা হয়েছে। একই সময়ে, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও সংশোধন হয়।
এসব সাম্প্রতিক পরিবর্তনের ফলে বাজারে স্বর্ণের মূল্য নিয়ন্ত্রিত ও স্বচ্ছভাবে নির্ধারিত হচ্ছে। তবে, রূপার দামের পরিবর্তন হয়নি, যার দাম এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতিতে ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
-

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা
বাংলাদেশ ব্যাংক শুক্রবার থেকে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা বন্ধ ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি, প্রাইজবন্ডের বিক্রয়, ছেঁড়াফাটা নোট বিনিময় ও সংশ্লিষ্ট পাঁচ ধরনের সেবা। এছাড়া, সরকারি চালানসেবা ও চালান-সংক্রান্ত ভাঙ্গতি টাকা কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথমে এই নিষেধাজ্ঞা দেশের মূল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন দফতরে কার্যকর হবে, যা আগামীকাল থেকে শুরু হবে। তারা জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যাতে নির্বিঘেœ এসব সেবা দিতে পারে, তার জন্য সার্বক্ষণিক তদারকি চালানো হবে। ব্যাংকগুলোতে নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত সংস্থা হিসেবে উচ্চ নিরাপত্তা পর্যায়ে কাজ করে। বিশ্বের অতি উন্নত দেশগুলো এই ধরনের সেবা সাধারণত দেয় না।
শুক্রবার প্রকাশিত এ সিদ্ধান্তের জন্য মূল কারণ হলো সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতি এবং এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, গ্রাহকদের জন্য এ ধরনের সেবা সীমিতকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
-

বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে впервые
দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব আয় দুর্বলতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন ব্যয়ের কারণে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ আজ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকার পুরোটাই ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা। এর ফলে ঋণের পরিমাণে অতীতের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।
বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।
অভ্যন্তরীণ ঋণও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, আর এখন তা বেড়ে হয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৈদেশিক ঋণের ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার মহামারির পর উন্নয়ন সহযোগী দেশের কাছ থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় প্রকল্পের জন্য ব্যাপক ব্যয়।
-

২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক
আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে বাংলাদেশে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছুটির তালিকা ঘোষণা করেছে, যা সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য। আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই তালিকা প্রকাশ করে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতের সুযোগে, ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন। মার্চ মাসে শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ব্যাংক Read More ১৯ থেকে ২৩ মার্চ তারিখে বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে ও পরে দুটি দিন—ঈদের দিন ও ঈদের পরের দুই দিন— ব্যাংক বন্ধ থাকবে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের দিন ২৬ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
চৈত্র সংক্রান্তি, বিশেষ করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পার্বত্য অঞ্চলের জন্য, ১৩ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার ছুটিতে ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল আজহার জন্য ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেসব দিন দুটির মধ্যে দুজন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে।
আশুরা, ২৬ জুন ও একদিনের জন্য ব্যাংক হলিডে—১ জুলাই। গাংঅভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট। জন্মাষ্টমী ৪ সেপ্টেম্বর। দুর্গাপূজা ২০ ও ২১ অক্টোবর। বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর। বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর। এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে ছুটি ছিল ২৪ দিন, ২০২৫ সালে ২৭ দিন—এবার তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ দিনে।
-

স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের বৃদ্ধি দেখা যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আজ স্মারক স্বর্ণ এবং রূপার মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পब्लিকেশন্স এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগের মূল্য ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একইভাবে, স্মারক রুপার মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যেটা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আন্তর্জাতিক ও বাজারের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে এই মুদ্রাগুলি বিক্রি শুরু হবে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। ব্যাংকটি দেশের জনগণ ও গণমাধ্যমকে এ তথ্য যথাযথভাবে প্রচার করতে অনুরোধ জানিয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের দেশের স্বর্ণের বাজারেও দাম বেড়েছে। বর্তমানে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী এই ধরনের রয়েছে: ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।
