Category: অর্থনীতি

  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ হ্রাস এবং এর সার্বিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীদের পাঠানো সব ধরনের রেমিট্যান্সের সাথে সম্পর্কিত খরচের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে।

    প্রবাসীরা সাধারণত বিদেশে থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে—যেমন এক্সচেঞ্জ হাউস ও অন্যান্য প্রক্রিয়া—রেমিট্যান্স পাঠান। বরাবরই দেখা যাচ্ছে, এই লেনদেনের খরচ এখন বাড়ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের কাছ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রতিদিনের বিস্তারিত তথ্য পরের দিন দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে। এই তথ্যগুলোর মধ্যে থাকবে রেমিট্যান্সের প্রেরণকারী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান, লেনদেনের উপকরণ, অর্থের সংগ্রহ পদ্ধতি, পরিমাণ, বিনিময় হার, ফি, ভ্যাট বা কর, অন্যান্য খরচসহ মোট খরচের বিস্তারিত বিবরণ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্যগুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানো যায়। বর্তমানে দেশে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের অর্থ তাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি স্থানান্তরের জন্য কোনো ফি নেয়া হয় না। তবে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো বিভিন্ন ভিন্ন মানদণ্ডে বিনিময় হার নির্ধারণ করে থাকে, যার ফলে খরচ বেড়ে যায়। এ জন্য বৈষম্য কমানোর জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    সার্কুলারে জানানো হয়, এই প্রক্রিয়া আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে প্রবাসীরা যাতে সহজে ও কম খরচে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে আরও দক্ষতার সঙ্গে সমর্থন করা সম্ভব হবে।

  • বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজারের অস্থির অবস্থা ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে। প্রতিদিন ৫০টি করে ইপির (আমদানি অনুমতি) প্রদান করা হবে, যার প্রতিটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ অগাস্ট থেকে যারা আমদানি অনুমতির জন্য আবেদন করেছেন, তারা কেবল পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। একজন আমদানিকারক একবারের জন্যই আবেদনের সুযোগ পাবেন। এটি যতক্ষণ না পুনরাদেশ দেওয়া হবে, ততক্ষণ এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    গত মাসের শুরুতে হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দাম ৪০ টাকার মতো বাড়ে এবং প্রতি কেজিতে দাম ওঠে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এক পর্যায়ে সরকার আমদানির অনুমতি দিলে দাম কিছুটা কমে যায়। ধীরে ধীরে দাম ১০৫ থেকে ১১0 টাকায় আর ফিরে আসে।

    সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত আছে এবং নতুন পেঁয়াজ শিগগিরই বাজারে আসবে। ফলে কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয় না। তবে এই সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়ে মজুতদার ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে, যার কারণে এখনো বাজারে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম ১১৫ থেকে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়, যা এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ টাকা বেশি।

    অন্যদিকে, টিসিবির হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এখনও পেঁয়াজের দর প্রায় ১০ শতাংশ কম। বাজারে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতায়যুক্ত পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

    পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির অনুমতি না দেওয়ার খবর পেয়ে দর বাড়ছে। মজুতদার ও কৃষক পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

    এর আগে, ৯ নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের বক্তব্যে জানানো হয়েছিল, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে যদি পেঁয়াজের দাম ওভার করে না, তবে আমদানি অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা বাজারের ওপর চোখ রাখছি। দেশের মজুত যথেষ্ট। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তবে যদি এই সময়ের মধ্যে দাম কমে না, তাহলে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘বর্তমানে সরকারের কাছে ২৮০০টির বেশি পেঁয়াজ আমদানির আবেদন রয়েছে। যার দশ শতাংশ অনুমোদন হলে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। তবে এই সময়ের মধ্যে দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, সেই জন্য সরকার এই বিষয় মনিটর করছে।’

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে কিছুটা কমে এসেছিল মূল্যস্ফীতি, কিন্তু নভেম্বর মাসে আবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। এর আগে অক্টোবরের হার ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের হিসাব বলছে, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। দুই মাস ধরেই ধারাবাহিকভাবে খাদ্যমূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি একটা বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

    বিবিএস উল্লেখ করেছে যে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর অর্থ, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে যায় না। এটি বোঝায় যে অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই নির্দিষ্ট মাসে দাম বাড়ার হার কিছুটা অল্প হয়েছে।

    অর্থনীতিতে দুই-তিন বছর ধরে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সমস্যা মোকাবেলার চেষ্টা চালানো হয়। একই সঙ্গে, এনবিআরও তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক-কর কমিয়ে দেয়, যাতে বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানি স্বাভাবিক রাখা যায়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪টি বৃদ্ধি পেল

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪টি বৃদ্ধি পেল

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় এই বছরের জুনে এই সংখ্যা বেড়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। এরপর গত তিন মাসে, অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে, আরও ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও জমা টাকার পরিমাণ অনেকখানি কমে গেছে। বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জুন শেষে ব্যাংকখাতে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। যেখানে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০-এ। অর্থাৎ, এখনও তিন মাসের মধ্যে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। একই সময়ে ব্যাংকে জমার মোট পরিমাণও সামান্য বেড়েছে। জুন শেষে জমার পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, আর সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা হয়েছে। ফলে, এই তিন মাসে জমার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। কোটিপতি অ্যাকাউন্টের প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, কোটিপতি মানে শুধুমাত্র ব্যক্তির হিসাব নয়। দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি, বেসরকারি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেট সংস্থারও কোটি টাকার বেশি আমানত থাকতে পারে। এক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক অ্যাকাউন্টও থাকতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারী ছিল মাত্র পাঁচ জন। এরপর বছরগুলোতে এই সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ১৯৭৫ সালে ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি অ্যাকাউন্ট, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি এবং ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি। ২০০১ সালে সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে এগোতে গিয়ে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে তা বেড়ে ১৯ হাজার ১৬৩টি। এরপর অনেকটা দ্রুত বাড়তে থাকে এই সংখ্যা। ২০২০ সালে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২১ সালে তা বেড়ে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬টি, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং চলতি বছর ২০২৪ সালে এটি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টিতে।

  • অচিরেই আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    অচিরেই আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট ইস্যু করবে। এই নোটটি প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে প্রচলন শুরু হবে এবং পরে অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখাগুলোতেও পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    নতুন নোটটির ডিজাইন সাধারণের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এর সামনের অংশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং মাঝে পাতা, কলি ও শাপলা ফুলের ছবি রয়েছে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার প্রতীক। পেছনে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক ছবি।

    নোটের জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা রয়েছে ‘৫০০’। পুরো নোটটিতে সবুজ রঙের আধিক্য দেখা যায়, যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নোটটি বাংলাদেশের ‘ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন সিরিজের অংশ। এটি প্রথমবারের মতো ইস্যু করা হচ্ছে এবং এতে স্বাক্ষর হিসেবে থাকছে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের। উল্লেখ্য, এই সিরিজের আওতায় ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ এবং ২ টাকার নতুন নোট মুদ্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন নোটের নিরাপত্তার জন্য আরও উন্নত বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোট নাড়ালে ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা প্রথমে সবুজ দেখায়, পরে নীল রঙে বদলে যায়। এছাড়া গায়ে লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়।

    দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত সৃষ্টি করা হয়েছে, যা স্পর্শে অনুভূত হয়। পাশাপাশি, শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ কিছু অংশ ইন্টাগ্লিও প্রিন্টে করা, যা স্পর্শে উঁচু মনে হবে। গোপনে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে দেখলে স্পষ্ট হয়। নোটের কাগজে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোর কাছে দেখা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো নোট ও কয়েনগুলো আগের মতোই প্রচলিত থাকবে। পাশাপাশি, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ অনুমোদিত নোট জাদুঘর ও মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহের জন্য উপলব্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি রেমিট্যান্স পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত খরচগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোপুরি ট্র্যাক রাখবে যে, দেশের প্রবাসীরা কিভাবে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন এবং এর সাথে জড়িত বিভিন্ন খরচের বিষয়গুলো।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে প্রতিটি রেমিট্যান্স লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, প্রেরণের তারিখ, ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের নাম, লেনদেনের উপকরণ, রেমিট্যান্সের অর্থের সংগ্রহের পদ্ধতি, টাকায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ও প্রণোদনার হিসাব, ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার, দান্দলা থেকে প্রেরিত ডলার রেমিট্যান্সের পরিমাণ, রেমিট্যান্স পাঠানোর মুদ্রা, ফি, ভ্যাট বা কর ও অন্যান্য খরচ, পাশাপাশি মোট খরচের বিবরণ।

    এই তথ্যগুলো প্রতিদিনের ভিত্তিতে পরবর্তী দিন সকাল ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর নিয়ম রয়েছে। এ ব্যাপারে কংক্রিট নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তরফে সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যা আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে কার্যকর হবে।

    বিশ্বব্যাংকও বর্তমানে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ মনিটরিং করছে। দেখা গেছে, খরচ বেড়ে যাচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি করছে। বিভিন্ন দেশের ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো রেমিট্যান্সের উপর বিভিন্ন ধরনের ফি আরোপ করছে, আর কিছু ক্ষেত্রে করও দিতে হয়। দেশের ব্যাংকগুলোও নানা সার্ভিস চার্জ আদায় করে থাকেন। এসব কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়ছে, যা কমানোর জন্য এই উদ্যোগ।

    ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে প্রতি লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে, যাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে। এর ফলে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এছাড়া, বর্তমানে দেশে প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স গ্রহণে ব্যাংকগুলো কোনো ফি নিচ্ছে না, যা কিছুটা খরচ কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি, বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো রেমিট্যান্সের বিনিময় হার নির্ধারণে একষট্টির মতো পার্থক্য করছে, যা সমতা আনার দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। এই সব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো আরো সুবিধাজনক এবং খরচ কমানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • পেঁয়াজের বাজার অস্থির, আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    পেঁয়াজের বাজার অস্থির, আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজারের অস্থিরতা কমানোর লক্ষ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। প্রতিদিন ৫০টি করে আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হবে, যার মধ্যে প্রতি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন থাকবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে যারা আমদানির জন্য আবেদন করেছেন, তারা কেবলই পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। একবারের জন্য একজন আমদানিকারক এই সুযোগ পাবেন। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পর্যায়ক্রমে কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না বাজারে স্থিতিশীলতা আসে। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। শুধু চার-পাঁচ দিনের ব্যবধানে এর দাম প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে যায়। কেজির দাম উঠে দাঁড়ায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এরপর সরকারের সিদ্ধান্তে আমদানি অনুমতি মিললে দাম কিছুটা কমে গিয়ে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নেমে আসে। গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন পেঁয়াজ শিগগিরই বাজারে আসবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ ছিল কৃষকের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে অতিরিক্ত আমদানি না করা। তবে এর ফলস্বরূপ মজুতদার ব্যবসায়ীরা সুবিধা নিচ্ছেন, ফলে আবার দাম বাড়ছে। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ টাকার বৃদ্ধি। তবে টিসিবির হিসাব বলছে, গত বছরের তুলনায় এখনও পেঁয়াজের দাম ১০ শতাংশ কম। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতাযুক্ত পেঁয়াজ এসেছে, যার দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকায় কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি ব্যবস্থা বন্ধের খবর বাজারে দাম বাড়ানোর কারণ। মজুতদার এবং কৃষকদের মধ্যে দাম বাড়ার ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রভাব পড়ছে। এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছিলেন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে দাম না কমলে সরকার আমদানির অনুমোদন দেবে। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমরা বাজারের ওপর তীক্ষè নজর রাখছি। দেশে প্রচুর পেঁয়াজের মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠবে, তবে যদি এই সময়ের মধ্যে দাম না কমে, তবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘বর্তমানে সরকারের কাছে ২৮০০-এর বেশি আবেদন রয়েছে পেঁয়াজ আমদানির। এর দশ-শতাংশ অনুমোদন হলে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি হয়ে যাবে, কিন্তু দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, তাই সরকার সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে কিছুটা কমে যাওয়ার পর, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর আগে অক্টোবর দেখেছিলাম ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ, আর গত বছরের নভেম্বরের হার ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ রোববার (৭ নভেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত ক্ষেত্রে এই হার হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। অর্থাৎ, দুই মাস ধরেই মূলত খাদ্য সামগ্রীর দাম কিছুটা বাড়ছে।

    গত তিন বছরে দেশে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সমস্যা চলছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হার ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

    বিবিএস আরও জানিয়েছে, গত নভেম্বরে দেশের গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মূলত মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম। এর মানে হচ্ছে, শ্রমিকের মজুরি একটু বেশি বাড়লেও, এই বৃদ্ধি পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বাজারে মূল্যের বৃদ্ধিতে।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে এই নয় যে, জিনিসপত্রের দাম পুরোপুরি কমে গেছে। এর মানে হলো এই ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় সাময়িকভাবে কিছু কিছু পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে বা উঠানামা করেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে, অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ। নানা নীতিমালা এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সমস্যা মোকাবেলা করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সুদের হার বাড়ানোর পাশাপাশি, বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক-কর কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর ফলে বাজারে তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি সহজতর হয় এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালানো হয়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের শেষে যেখানে মোট কোটিপতি আমানতকারী ছিল ১২১,৩৬২ জন, সেখানে এই সংখ্যা জুনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২৬,৫০৬ জন। এরপর সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪ জন নতুন কোটিপতি হিসাব খুলেছেন। এ সময়ে ব্যাংকে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে মোট ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে পৌঁছায়, যা মার্চের তুলনায় ৫৫ লাখের বেশি। এছাড়া, আমানত সক্রিয়ভাবে বেড়েছে, যেখানে জুনে মোট জমার পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, September শেষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায় পৌঁছায়। ফলে, এই তিন মাসে ব্যাংকে মোট ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বাড়ে।

    অন্যদিকে, কোটিপতি হিসাবের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়েছে। জুনে এই ধরনের অ্যাকাউন্ট ছিল ১২৭,৩৩৬টি, যা সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেড়ে ১২৮,৭০৫টিতে পৌঁছায়। অর্থাৎ, তিন মাসে নতুন কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ৭৩৪টি বৃদ্ধি পায়। আগের বছর মার্চে এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ১২১,৩৬২টি। অল্প সময়ের মধ্যে এই ধরণের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতের এই প্রবণতা পর্যবেক্ষকদের মনোযোগে এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কোটিপতি হিসাব মানে ব্যক্তিগত অর্থনীতির অংশ হলেও, এতে অনেক বেসরকারি, সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত। এক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একাধিক হিসাব রাখতে পারে। এছাড়াও, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টগুলোও এই তালিকায় ধরা হয়।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে মাত্র ৫ জন কোটিপতি আমানতকারী ছিল। পরে সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৫ সালে ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং ২০১০ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩ হাজারের বেশি হয়।

    বর্তমানে, সা¤প্রতিক বছরগুলোতেও কোটিপতি আমানতকারীদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। ২০২০ সালে এই ধরনের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩,৮৯০টি, ২০২১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬টি, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮৫টি এবং ২০২৪ সালে তা আরো বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি। এই বৃদ্ধির ধারায় ব্যাংকিং খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ শাখাটি যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়ে চলেছে।

  • সোনার দামে আবারো বৃদ্ধি

    সোনার দামে আবারো বৃদ্ধি

    বাংলাদেশে সোনার মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৭৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে ভালো মানের সোনার বাজারমূল্য দুই লাখ ১২ হাজার টাকার বেশি হয়ে গেছে।

    সোমবার (১ ডিসেম্বর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দরগুলো আগামী মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস বলছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ানোর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের সোনার দামের প্রভাব পড়েছে। বৈশ্বিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে এখন ৪ হাজার ২২২ ডলারের বেশি।

    নতুন দামের অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের এক ভরি দেকে ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দর ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

    এছাড়া, সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০০১ টাকার বেশি।