Category: অর্থনীতি

  • নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা

    নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী শ্রমিকরা কাছাকাছি ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকারও বেশি (প্রতি ডলার ১২২ টাকায় হিসেব করে)। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৮ হাজার ৪১৮ কোটি টাকার বেশি। এ সময়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে দেশে এসেছিল প্রায় ২.২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

  • সোনার দাম কিছুটা কমল, এক হাজার ৫০ টাকা হ্রাসে ভরি দরে বিনিয়োগে সুবিধা

    সোনার দাম কিছুটা কমল, এক হাজার ৫০ টাকা হ্রাসে ভরি দরে বিনিয়োগে সুবিধা

    দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর অবশেষে কিছুটা দাম কমেছে সোনার। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকায়। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা।

    বুধবার থেকে এই নতুন দরের কার্যকর হবে বলে বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশের বাজারে তেজাবি বা সূক্ষ্ম মানের সোনার দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি একটি স্বস্তির খবর। একদিকে দাম কমলেও, অলংকারের ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অতীতে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, এরপর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দরে ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দরে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা। এর আগে আরও দাম ছিল ২২ ক্যারেটের ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ এক হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন সব পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি আবশ্যিকভাবে যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী এই মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

    অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। আরও দেখা গেছে, ২১ ক্যারেটের রূপা ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • কাল বাজারে আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    কাল বাজারে আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    বাংলাদেশ ব্যাংক আগামীকাল বৃহস্পতিবার নতুন নকশার ৫০০ টাকার নোট বাজারে আনছে। এটি প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরে অন্যান্য ব্যাংকের অফিসে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নতুন নোটের ডিজাইনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি সামনে স্থান পেয়েছে, মাঝখানে পাতা, কলি এবং জাতীয় ফুল শাপলা এঁকেছে। আর নোটের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ছবি। নোটের জলছাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে। পুরো নোটে সবুজ রঙের আধিক্য দেখা যায়।
    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন সিরিজের অংশ হিসেবে এই নোট প্রথমবারের মত প্রকাশিত হচ্ছে। এতে স্বাক্ষর রাখছেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। নতুন সিরিজের মধ্যে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকার নোট মুদ্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে আসছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।
    নিরাপত্তার জন্য এই নোটে দশটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রঙ পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নোট ঘোরানোর সময় ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে বদলে যায়। এছাড়াও নোটে রয়েছে লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা, যা আলোতে দেখলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা স্পষ্ট দেখা যায়।
    দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত যোগ করা হয়েছে, যা স্পর্শে উঁচু মনে হবে। শহীদ মিনার, মূল্যমান সহ কিছু অংশ ইন্টিগ্লিও প্রিন্টে করা হয়েছে, যাতে সেটা স্পর্শে স্পষ্ট বোঝা যায়। এছাড়া, গোপনে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে ধরলে দেখা যায়। নোটের কাপড়ে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোতে দৃশ্যমান হয়।
    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরোনো চলতি কাগজের নোট ও কয়েন অবিরত চালু থাকবে। পাশাপাশি, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোটও তৈরি করা হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর মিরপুর থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর ও প্রবাহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় এখন থেকে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা বিদেশ থেকে পাঠানো সব ধরনের রেমিট্যান্সের সম্পূর্ণ খরচের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠানো হবে। এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের নিয়ন্ত্রণ ও খরচের বিষয়টি আরও স্বচ্ছ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সম্ভব হবে।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এ নির্দেশনা দেন। এর বাস্তবায়ন আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, প্রবাসীরা যেসব মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যেমন এক্সচেঞ্জ হাউস, ব্যাংক বা অন্যান্য উপায়, সেই সব লেনদেনের যাবতীয় তথ্য প্রতিদিনের ভিত্তিতে দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে। প্রতিটি লেনদেনের মধ্যে রয়েছে তারিখ, রেমিট্যান্সের প্রেরক ব্যাংকের বা হাউসের নাম, ব্যবহার করা উপকরণ, রেমিট্যান্সের অর্থ, বিনিময় হার, ফি বা চার্জ, ভ্যাট বা কর, অন্যান্য খরচসহ মোট খরচের বিশদ বিবরণ।

    এছাড়া, সংকলিত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানো যায়। বর্তমানে, ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ করছে, যার ফলে খরচ কিছুটা বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সমতা আনার জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি সাধন এবং প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানো। এর মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসের অপ্রতিরোধ্য প্রবাহ নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সোনার দাম আবারও বেড়েছে

    সোনার দাম আবারও বেড়েছে

    বাংলাদেশের বাজারে একবারের মতো আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতিটি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ১৫৭৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ১২ হাজার টাকাকে ছাড়িয়ে গেছে।

    শনিবার (১ ডিসেম্বর) বাজুসের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন দাম ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ানোর কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এখন ৪ হাজার ২২২ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের কেজি দাম ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

    তবে, অন্যদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা অবস্থানে রয়েছে।

  • নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

    নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ এভাবেই অব্যাহত রয়েছে। সদ্য বিদায় নেওয়া নভেম্বর মাসে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্স পৌঁছেছে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের আর্থিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবণতা নির্দেশ করে। এই পরিমাণ রেমিট্যান্সের মান বাংলাদেশী মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেব করে), যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৮ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা বেশি।

  • সোনার দাম কিছুটা কমেছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত

    সোনার দাম কিছুটা কমেছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত

    দেশের বাজারে কয়েক দফা দাম বৃদ্ধির পরে এখন কিছুটা কমেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা, যা এর আগে ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা।

    মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাজুস, যা বুধবার থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার মূল্য কমে গেছে। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা। এর আগে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রির সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরিতে পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • আগামীকাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    নতুন নকশার ৫০০ টাকার ব্যাংকনোট আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাজারে প্রবেশ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে এবং পরে অন্যান্য ব্যাংক শাখাগুলিতেও পাওয়া যাবে। নতুন নোটের ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয় ও আধুনিক। এর সামনের অংশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি রয়েছে, মাঝখানে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুল শাপলা এবং তার পাশে পাতার নকশা। পেছনে দেখা যাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রতিকৃতি। নোটের জলছাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা রয়েছে ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। পুরো নোটের রঙে সবুজের আধিক্য রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নতুন ৫০০ টাকা নোট ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ এই শীর্ষক সিরিজের অংশ। এই সিরিজে প্রথমবারের মতো এ ধরনের নোট মুদ্রণ করা হচ্ছে। এতে স্বাক্ষর হিসেবে থাকছে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের। অন্যান্য নতুন সিরিজের মতো এই সিরিজে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ এবং ২ টাকার নোটের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসে গেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন এই নোটে নিরাপত্তার জন্য ১০ ধরনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যোগ किया হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোটটি নাড়ালে ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে বদলে যায়। এ ছাড়া লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা স্পষ্ট দেখা যায়।

    অতিরিক্তভাবে, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত যোগ করা হয়েছে। নোটের শহীদ মিনার, মূল্যমানের কিছু অংশ স্পর্শে উঁচু মনে হবে। কিছু গোপন বিষয় যেমন ‘৫০০’ লেখা নির্দিষ্ট কোণে দেখা যায়। কাগজে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, যা আলোর আলাদা রঙে দেখা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়ে, নতুন এই ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো কাগজের নোট ও কয়েনগুলো এখনও চালু থাকবে। এছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোটও ছাপা হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর ও মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ কমাতে এবং এই প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন প্রবাসীদের পাঠানো প্রতিটি রেমিট্যান্সের বিস্তারিত তথ্য অত্যন্ত সঠিক এবং সময়মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠায়। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে এই উদ্যোগ লক্ষ্য করা হয়েছে।

    প্রবাসীদের বিদেশ থেকে এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্য কোনো মাধ্যমে পাঠানো প্রতিটি লেনদেনের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পৌঁছাতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুটি আলাদা ফর্ম বা ছক নির্ধারণ করেছে, যেখানে প্রতিদিনের লেনদেনের বিস্তারিত ১২টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা সার্কুলার আকারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর উদ্দেশ্য হলো, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের মতামত ও তথ্যের ভিত্তিতে দেশটির রেমিট্যান্স প্রবাহের খরচ ও সার্বিক অবস্থা বোঝা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণে আনা।

    বিশেষ করে দেখা গেছে, দেশগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর বিভিন্ন ব্যাংক বা এজেন্সি বিভিন্ন ধরনের ফি আরোপ করছে। তার পাশাপাশি কর বা ভ্যাটও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ব্যবস্থায় দেশের প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বৃদ্ধি পায়।

    সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিনের রেমিট্যান্সের বিস্তারিত তথ্য যেন দেশের সময়ের অনুযায়ী পরবর্তী দিনের দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়। এই তথ্যের মধ্যে থাকবে- রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যাংক বা এরচেঞ্জ হাউসের নাম, লেনদেনের উপকরণ ও পদ্ধতি, রেমিট্যান্সের পরিমাণ, রেমিট্যান্স ফি, বিনিময় হার, ভ্যাট ও অন্যান্য খরচ। পাশাপাশি, কোন মুদ্রায় রেমিট্যান্স পাঠানো হচ্ছে, টাকায় সম্ভাব্য খরচ ও ডলারে রেমিট্যান্সের হিসাবও বিস্তারিতভাবে জানানো প্রয়োজন।

    প্রথমত, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রেরণে আর্থিক খরচ কমানোর উপায় খুঁজে বের করবে। বর্তমানে দেশে প্রবাসীরা যখন তাদের রেমিট্যান্স পাঠায়, তখন ব্যাংকগুলো কোনো ফি নেয় না। তবে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো মাঝে মধ্যে বিনিময় হার পারিপার্শ্বিকতা ও বড় ফি আরোপ করে থাকেন। এই অনিশ্চয়তা কমানোর জন্যও এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেন সব পক্ষের জন্য ফেয়ার ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা হয়।

  • বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট: দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৬ কোটি মানুষ

    বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট: দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৬ কোটি মানুষ

    বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় একতৃতীয়াংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, দারিদ্র্যসীমার নিচে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংকের নতুন একটি প্রতিবেদনে, যা বুধবার প্রকাশিত হয়। তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসুস্থতা বা কোনো অপ্রত্যাশিত বিপর্যয় হলে এই মানুষগুলো আবারও দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনযাত্রায় ফিরতে পারে।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সেই সময়ে দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে উত্ত freedewassaqf০ত বর ndপইৃ0Ltেক ে? রבסაბিরেরো: ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাদের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, পয়ঃনিষ্কাশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলি সহজে পাওয়া গেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি ধীর হয়ে এসেছে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধি যথাযথভাবে সমতাসম্পন্ন হয়নি।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে পৌঁছেছে, এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে কমে ১৮.৭ শতাংশে নেমেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, যার ফলে ধনী ও দরিদ্রদের আয় বৈষম্য বেড়ে গেছে। গ্রামীণ এলাকাগুলো দারিদ্র্য হ্রাসে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা দেখিয়েছে, তবে শহরগুলোতে দারিদ্র্য কমানোর হার খুবই ধীর। ২০২২ সালের মধ্যে শহরে বসবাসকারী নাগরিকের প্রায় এক চতুর্থাংশ বাংলাদেশের জনসংখ্যা রয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্য হ্রাসে অনেকটাই সফলতা এসেছে। তবে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ায় শ্রম বাজারের পরিস্থিতি মনোভাবাপন্ন হয়েছে। বিশেষ করে যুবক, নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর জন্য কাজের সুযোগ কমে এসেছে। দেশের দরিদ্র ও ঝুঁকিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই গুরুত্বপূর্ণ সমাধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দরিদ্রবান্ধব জলবায়ু সহনশীল নীতি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞেরা। উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানো, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য আরও কাজের সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগ ও ব্যবসায় সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা, এগুলো হলো মূল কৌশল। এছাড়া, শক্তিশালী রাজস্ব নীতি ও কার্যকরী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তারা।

    বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক সার্জিও অলিভিয়েরি বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক বৈষম্য কমিয়েছে, বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে দরিদ্রবান্ধব মূল্য-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাসের গতি নতুন করে ত্বরান্বিত হতে পারে। ফলে, সবাই সমৃদ্ধির অংশীদার হিসেবে এগিয়ে আসতে পারবেন।