Author: bangladiganta

  • গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা গ্রেফতার

    গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা গ্রেফতার

    ভারতের মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান ওরফে কেআরকে-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

    পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ওশিওয়ারা এলাকার এক আবাসিক ভবনে চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ক্যামেরা ও প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে মুম্বাই পুলিশ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, কেআরকে-কে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন যে, গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না।

    অভিনেতা জানায়, বন্দুকটি পরিষ্কার করার সময় সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, পরীক্ষা করতে বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি চালান। বাতাসের দিক পরিবর্তনের কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি পাশের একবস্তির ভবনে গিয়ে লাগে।

    কামাল আর খান বলিউডে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এর আগে, ২০২২ সালে এক যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি। সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তারকার বিরুদ্ধে কটাক্ষ এবং উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে মানহানি ও অন্যান্য আইনি মামলা চলমান রয়েছে।

  • সাকিবকে এখন থেকে জাতীয় দলের বিবেচনায় রাখা হবে

    সাকিবকে এখন থেকে জাতীয় দলের বিবেচনায় রাখা হবে

    বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের প্রায় সাত ঘণ্টা চলে ম্যারাথন মতবিনিময় সভার পর একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে হঠাৎ করেই আলোচনায় আসে সাকিব আল হাসানের বিষয়। জানা গেছে, বিসিবি এখন থেকে সাকিবকে জাতীয় দলে বিবেচনা করবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন বলেন, ‘বিসিবির নতুন করে ২৭ ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। যদি সাকিব সুস্থ থাকেন, ভালো পারফর্ম করেন, তবে তাঁকে হোম সিরিজ ও অ্যাওয়ে সিরিজ দুইটিই নির্বাচক প্যানেল বিবেচনায় নেবে।’

    অন্য এক বোর্ড সদস্য আসিফ আকবর বলেন, ‘সাকিব খেলবে, এটা আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে তার আইনি জটিলতা বিষয়টি এখনও সরকার দেখবে।’

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, ‘সাকিবকে ফেরানোর বিষয়টি সরকারি সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। তিনি জানিয়ে দেন, সাকিব দেশে অবসর নিতে চান। আর তিনি আমাদের দেশের অন্যতম বড় ব্র্যান্ড খ্যাতি সাকিব। তাই বোর্ড এই বিষয়টি উত্থাপন করেছে এবং আমরা সাকিবকে ফিরে পেতে আগ্রহী।’

    বিগত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অব্যাহত হারের প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, ‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেনি নিরাপত্তাজনিত অডেঙ্গা কারণে। সরকারের সঙ্গে সরকারী পর্যায়ের আলোচনা চলাকালীন সময়ে প্রথমত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা সেখানে যাননি। সরকার থেকে এখনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা না থাকায় বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা খেলতে যাচ্ছে না। এতথ্য সত্ত্বেও সত্যিই ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

  • ভারতে বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়নি গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে

    ভারতে বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়নি গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে

    ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যথাযথভাবে চেষ্টা করেছিল। শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) এবং বিসিবি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তে অটল থাকায় বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারছে না। বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর জানিয়েছেন, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ৩ জানুয়ারি মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২২ জানুয়ারি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সাংবাদিক সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এরপর গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর গোয়েন্দা রিপোর্টের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের নিজস্ব প্রশ্ন ছিল এই ব্যাপারে। তাদের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যেন ক্রিকেটার, সাংবাদিক, দর্শক বা অন্যান্য টেকনিক্যাল লোকজন নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিতে আছে। তাদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি যদি কোনো নাশকতামূলক ঘটনা ঘটে, সেই দায়দায়িত্ব আমরা নিতে পারি না। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

    তাদের ২১ দিন ধরে চলা আলোচনা শেষে বাংলাদেশ আইসিসির টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। দেশের চারটি মন্ত্রণালয়—তথ্য, পররাষ্ট্র, ক্রীড়া ও আইন—সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আসিফ আকবর জানান, ‘নিরাপত্তার হুমকির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে না। সরকার যখন আলোচনা করেছে, তখন সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইসিসি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হলেও, দেশের নিরাপত্তার বিষয়টি রাষ্ট্রের একার। তাই সব দিক দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    বিসিবির এই সিদ্ধান্তের পরনেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) নতুন সূচি তৈরি করেছে। বাংলায় বর্তমানে স্কটল্যান্ড ১৪ নম্বর র‍্যাঙ্কিংতে অবস্থান করছে। এখন তারা ‘সি’ গ্রুপে খেলবে, যেখানে সম্মিলিতভাবে যুক্ত হয়েছে ইতালি, নেপাল, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশ এই গ্রুপে অংশ নিতে না পারলেও, অন্যান্য দলগুলি এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় ধরে রেখেছে।

  • বিশ্বকাপ বয়কটের গুঞ্জন আবার মন্তব্য করলো পাকিস্তান, স্কোয়াড ঘোষণা

    বিশ্বকাপ বয়কটের গুঞ্জন আবার মন্তব্য করলো পাকিস্তান, স্কোয়াড ঘোষণা

    ডাবলিনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই সপ্তাহেরও কম সময় বাকি থাকলেও এখনও নানা নাটকীয়তা দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের পর, বাংলাদেশের প্রতি ‘অন্যায়’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে। এই বিষয়টি ক্রিকেটবিশ্বের আলোচনায় আসার পর,আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি), পাকিস্তান তাদের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

    আইসিসির ওই সিদ্ধান্তের পর, পিসিবির সভাপতির ভাষণ থেকে জানা যায়, “বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আইসিসির বোর্ড সভায়ও এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি। কোনো দ্বিমুখী নীতি থাকতে পারে না, যেখানে এক দেশ যখন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, অন্য দেশকে তার সম্পূর্ণ বিপরীত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধ্য করা হয়। পাকিস্তানের সরকার যা নির্দেশ দেয়, সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করব। এখন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে নেই। তিনি ফিরে এলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।”

    পিসিবির এই বক্তব্যের পর থেকেই ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অন্যদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানিয়েছে, “যদি পাকিস্তানও একই পথ অনুসরণ করে টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আইসিসি তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল, পাকিস্তান সুপার লিগে বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা বা এনওসি না দেওয়া, ও এশিয়া কাপ থেকে বাদ দেওয়ার মতো পদক্ষেপ।” এই ধরনের সম্ভাবনায় পাকিস্তান হয়তো তাদের অবস্থান বদলাচ্ছে, নাকি বয়কটের গুঞ্জনই তাদের কৌশল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

    আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি), পিসিবির নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ, সাদা বলের কোচ মাইক হেসন, ও অধিনায়ক সালমান আলি আগা এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেন। এই তালিকার বড় চমক হলো– হারিস রউফের হঠাৎ বাদ পড়া। গত কয়েকদিন ধরেই পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন ছিল যে, তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে। যদিও চলমান বিগ ব্যাশ টুর্নামেন্টে ডানহাতি এই পেসার সর্বোচ্চ ২০ উইকেট শিকার করেছেন। তবে, ফর্ম নিয়ে সমালোচনার মধ্যেও বাবর আজম বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন।

    নতুন এই স্কোয়াডে প্রথম কোনো আইসিসি ইভেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের দলে ডাক পেয়েছেন স্পিনার উসমান তারিক। অভিজ্ঞতার দিক থেকে, আছেন– বাবর আজম, আবরার আহমেদ, ফখর জামান, মোহাম্মদ নেওয়াজ, নাসিম শাহ, সাইম আইয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান ও উসমান খান। তরুণ ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন– ফাহিম আশরাফ, খাজা মোহাম্মদ নাফে, মোহাম্মদ সালমান mirza, ও শাহিবজাদা ফারহান। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পাকিস্তান ভারতের বাইরে, শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে।

  • বিশ্ব ক্রিকেটারদের ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক

    বিশ্ব ক্রিকেটারদের ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক

    আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে ক্রিকেটের জন্য খুবই দুঃখজনক বলেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠন বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই সংগঠনটি উল্লেখ করে, ক্রিকেটের বিভক্তি এড়িয়ে কিভাবে সবাইকে একত্রিত করে খেলার উন্নয়ন সম্ভব, তার ওপর জোর দেওয়া উচিত।

    পূর্বের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে, গতকাল শনিবার ২০ দলের অংশগ্রহণে চলমান বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো কন্ট্রোল করা শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ করলেও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার খুব কাছাকাছি সময়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

    ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মফাট এক বিবৃতিতে বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে প্রত্যাহার করা এবং তার ফলে এক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট দেশটির অনুপস্থিতি সত্যিই দুঃখজনক, খেলোয়ারদের জন্যও এটি অত্যন্ত হতাশাজনক।” তিনি আরো যোগ করেন, “আমরা চাই ক্রিকেট বিভক্তির জায়গা না থাকুক। খেলার নেতাদের প্রতি আহ্বান, তারা সংঘবদ্ধ থেকে খেলাটির ঐক্য রক্ষা করুন—সংস্থা, লিগ, খেলোয়াড় ও সবাই মিলেমিশে ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করুন।”

    এ ঘটনাটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটে বিদ্যমান টানাপোড়েনের চিত্রকেও উসকে দিয়েছে। ভারতের সাথে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পাকিস্তান কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজন করলে ভারতকে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার ব্যবস্থা করতে আইসিসিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।

    আগামী ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি শনিবার উল্লেখ করেন, “বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশে নেই। তিনি ফিরে আসলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।” মহসিন নাকভি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন।

    টম মফাট আরও বলেন, “খেলাটিতে কিছু চুক্তির মান না মানা এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে যথাযথ পরামর্শের অভাব স্পষ্টভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এটি বিশ্ব ক্রিকেটের পরিচালনামণ্ডলের গুরুতর সমস্যা প্রকাশ করছে।” তিনি সতর্ক করে দেন, “যদি এই সমস্যা সমাধান না হয়, তবে তা ক্রিকেটের ঐক্য, বিশ্বাস এবং ভবিষ্যতকেই দুর্বল করে দেবে।”

  • মালদ্বীপকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ

    মালদ্বীপকে ১৪ গোলে উড়িয়ে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ

    দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটসালের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশ। সাফি ব্যাংককের ননথাবুরি হলে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা ফুটসাল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দল অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করল। এই চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সামনে ছিল কঠিন প্রতিপক্ষ; তবে তারা তাদের দক্ষতা ও মনোবল দিয়ে সব প্রতিযোগীকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে, যেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল মালদ্বীপ, সেখানে তারা উন্নত ফুটবলের মাধ্যমে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় লাভ করে। শুরুতে এক গোল হজম করলেও দ্রুতই দলের খেলায় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে তারা টুর্নামেন্টের সেরা স্থান নিশ্চিত করে, আগে থেকেই তাদের জন্য সম্ভব ছিল যদি ড্র করতেও পারত। কিন্তু তারা জয় নিয়ে ট্রফি নিজেদের করে নেয়।

    পূর্বে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয় পাওয়ার পর, ভুটানের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে তারা দুর্দান্ত শুরু করে। এরপর একের পর এক শক্তিশালী দলের সঙ্গে জিতে তারা শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে যায়।

    নেপালকে ৩-০ গোলে, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২, এবং পাকিস্তানকে বিরাট ব্যবধানে ৯-১ গোলে পরাজিত করে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের ৮ গোলের জয় দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। ওই ম্যাচে দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন চারটি গোল করেন, এছাড়া নুসরাত জাহান দুটি এবং কৃষ্ণা রানী সরকারও গোল করে দলের জয়ের সাক্ষর রাখেন। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ৬-০ থাকতেই বাংলাদেশ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে রাখে।

    শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে, যেখানে সাবিনা খাতুন ও দলের অন্য ফুটবলাররা আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে সহজ জয় নিশ্চিত করে। অআক্রমণ আদানপ্রদান এবং স্পৃহা দেখিয়ে তারা এই টুর্নামেন্টে ভারত ও ভুটানের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের আগেকার অবস্থানকে বদলে দিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ সাফ উইমেনস চ্যাম্পিয়নশিপে দুইবার টানা শিরোপা জিতেছে।

    নতুন ফুটসাল ফরম্যাটে নিজেদের সামর্থ্য proved করে, দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের স্থান আরও উচ্চতর হয়েছে, যেখানে সাবিনা খাতুন ও তার দল বলছে, তারা এই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও দৃঢ়ভাবে করছেন।

  • পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৭

    পাকিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৭

    পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় দেরা ইসমাইল খান জেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার এ ঘটনা স্থানীয় নিরাপত্তা ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার এই হামলা ঘটে যখন এলাকার শান্তি কমিটির সদস্যরা বসেছিল। শান্তি কমিটিগুলি স্থানীয় বাসিন্দা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে গঠিত এবং বিশেষভাবে অঞ্চলটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় কাজ করে থাকে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় হামলাকারীরা একটি ভবনে ডিভাইস স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আদনান জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকজন আহত হন, তাঁদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, বিস্ফোরণস্থলে তিনজন নিহত হয়েছেন। এই হামলার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের উত্তরের সীমান্তবর্তী এই এলাকা জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান এবং তার সংশ্লিষ্ট গ্রুপ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টেটি) একের সাথে জড়িত বলে ধারণা রয়েছে। তালেবান নেতারা এই শান্তি কমিটিগুলিকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পাকিস্তানে বিভিন্ন সুন্নিপন্থি জঙ্গি গোষ্ঠীর মূল সংগঠনের रूपमा আছে পাকিস্তানি তালেবান, যারা ১৯৯৭ সাল থেকে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, আফগান তালেবান পাকিস্তানি এই গোষ্ঠীর সাথেও তারা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে, যদিও কাবুল এই অভিযোগ অস্বিকার করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনার পেছনে ভিন্ন নানা কারণ ও জঙ্গি কার্যকলাপের সংশ্লিষ্টতা বিশ্লেষণ চলছে।

  • আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন

    আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ৬১ জন

    আফগানিস্তানে সম্প্রতি প্রবল তুষারপাত এবং ভারী বর্ষণের ফলে কমপক্ষে ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত তিন দিনে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক এক্স (টুইটের মতো প্ল্যাটফর্ম) পোস্টে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএনডিএমএ) জানায়, শুধু গত তিন দিনেই দেশজুড়ে ৬১ জন নিহত এবং ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৪৫৮টি ঘর অর্ধেক বা পুরোপুরি ধ্বংসের শিকার হয়েছে।

    এএনডিএমএ জানিয়ে গেছে, এই দুর্যোগের ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ চলছে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশের পরিস্থিতি এই দুর্ঘটনায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানচিত্রে স্পষ্ট দেখা যায়।

    অতিরিক্ত তুষারপাতের কারণে কাবুলসহ বিভিন্ন প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, যেখানে বন্যা, ভূমিধস ও ঝড়ের কবলে বিদ্যমান ক্ষয়ক্ষতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন কঠিন হয়ে উঠছে।

    সূত্র: এএফপি

  • মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত

    মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আরও এক মার্কিন নাগরিক নিহত

    মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী মিনিয়াপোলিসে শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলে যখন শহরে ইমিগ্রেশন আওয়ামীভূতির বিরধ এবং ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলমান ছিল। এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে একই ধরনের গুলিতে রেনে গুড নামে এক অভিবাসন কর্মকর্তা নিহত হন।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নিহত ব্যক্তির নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি ৩৭ বছর বয়সী একজন মার্কিন নাগরিক ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নার্স ছিলেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনি মিনিয়াপলিসে থাকতেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অ্যালেক্স প্রেট্টি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজের জীবন হারিয়েছেন।

    নিহতের পরিবার বলেছে, তার বাবার নাম অ্যালেক্স প্রেট্টি, তিনি একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের নার্স। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনা চলমান উত্তেজনার মাঝে ঘটেছে, যেখানে শহরজুড়ে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছিল।

    অভিযোগ রয়েছে, এই গুলির ঘটনা ছিল পুলিশ ও ফেডারেল বাহিনীর এক তরফা হত্যাকাণ্ড। মিনিয়াপোলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেছেন, এটি কেবল অভিবাসন আইনের প্রয়োগের বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের রাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে চালানো একটি নিষ্ঠুর অভিযান। তিনি বলেন, এই ঘটনায় একজন আর প্রাণ হারাল।

    তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব আর বিচারের জন্য পুরো বিষয়টি রাজ্য সরকারের কর্তৃত্বে তদন্ত করা হবে।

    হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) মুখপাত্র ট্রিশিয়া ম্যাকলাফলিন জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসতে দেখেছেন। তাকে অবশ্যই নিরস্ত্র করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন তিনি সহিংস প্রতিরোধ করেন। সেই পরিস্থিতিতে কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, অ্যালেক্স প্রেট্টি রাস্তা দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের রাস্তার মাঝখানে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে একজনের হাতে থাকা পেপার স্প্রে ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই এক পুলিশ কর্মকর্তা তার দিকে গুলি চালান।

    পুলিশের মহাপরিদর্শক ব্রায়ান ও’হারা বলেছেন, অ্যালেক্স প্রেট্টির অস্ত্র বহনের বৈধ অনুমতি ছিল। মিনেসোটা আইন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করা বৈধ। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ও আশা প্রকাশ করেন যে, পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

    অপর দিকে, এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে ফেডারেল বাহিনীর বিরুদ্ধে slogans দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড ব্যবহার করে।

    মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আর কতজন মানুষ নিহত হবে, আর কতজন আহত হবে—এই সব আর চলতে পারে না। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান বন্ধ করতে হবে।

    অঞ্চলের প্রতিনিধি ইলহান ওমর এই ঘটনাকে ‘একটি নির্বাহী হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচারও মিনেসোটা থেকে আইসিই প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এই পুরো ঘটনার জন্য স্থানীয় নেতারা গভীর উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন।

  • ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস

    ট্রাম্পের কোণঠাসা হুমকি: কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের আভাস

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিলে কানাডার ওপর শত শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বিবৃতিতে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লক্ষ্য করে বলেন, “কানাডাকে ব্যবহার করে চীন তাদের সস্তা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেবে— যদি কার্নি এ বিষয়ে ভাবেন, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ দুঃখিত।” ট্রাম্পের আরও বক্তব্য ছিল, “যদি কানাডা চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব কানাডিয়ান পণ্যে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।” ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখ না করে তাকে ‘গভর্নর কার্নি’ বলে ডেকেছেন, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে তিনি তাকে দেশটির ক্ষমতা বলয়ে দেখছেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করে আসছেন। অন্যদিকে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক কানাডিয়ান মন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাঙ্ক এক্সে (মাইক্রোব্লগিং সাইট) শনিবার লিখেছেন, ‘চীনের সাথে মুক্ত বাণিজ্য করার জন্য তাদের কোন উদ্যোগ নেই।’ তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে চীনের সাথে যেসব চুক্তি হয়েছে তা মূলত শুল্কসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা সমাধানে সহায়ক। মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সরকার কাণ্ডারী হিসেবে কানাডার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, যার লক্ষ্য হলো দেশ ও দেশের বাহিরে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বে উন্নতি করা।’ ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি কানাডিয় পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়াও, সম্প্রতি তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা।