Author: bangladiganta

  • হায়দরাবাদে মেসির জন্য বিশেষ আলাদা মুহূর্ত

    হায়দরাবাদে মেসির জন্য বিশেষ আলাদা মুহূর্ত

    ভারত সফরের প্রথম পর্যায়ে কলকাতায় ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার পর এবার হায়দরাবাদে দেখা গেল এক অন্যরকম চিত্র। এ শহরে মেসির উপস্থিতিতে পুরো পরিবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ ও মুগ্ধকর। রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের দারুণ আয়োজন সবাইকে আকৃষ্ট করে, যেখানে দর্শকদের মধ্যে ছিল বিপুল উৎসাহ। আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি দর্শকদের চমকপ্রদ শৈল্পিক ফুটবল প্রদর্শন করেন, তার বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল গ্যালারিতে পাঠিয়ে সবাইকে আনন্দে ভাসিয়ে দেন। তিনি দর্শকদের স্বাগত জানিয়ে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বার্তা দেন। মূলত ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’ এর অংশ হিসেবে স্টেডিয়ামে পৌঁছান মেসি, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন ইন্টার মায়ামির সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল ও লুইস সুয়ারেস। সেখানে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ চলছিল, যেখানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডিও কিছুক্ষণ খেলেন। এই সময় মেসি, সুয়ারেস ও ডি পল ভিওআইপি থেকে খেলা দেখেন, মাঠে নেমে দুই দলের খেলোয়াড়দের সাথে করমর্দন করেন, অটোগ্রাফ দেন এবং সবাইকে ছবি তোলার সুযোগ দেন। তিনি খেলোয়াড়দের সাথে বলও আদান-প্রদান করেন। ম্যাচ শেষে জয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন মেসি এবং সংক্ষিপ্ত ভাষণে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, হায়দরাবাদে থাকতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত। ডি পলও এই সন্ধ্যাকে খুবই বিশেষ বলে অভিহিত করেন, এবং ভবিষ্যতে আবারও বিশ্বকাপ জিততে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আসরে যোগ দেন, এবং মেসি তেলেঙ্গানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডি ও রাহুল গান্ধিকে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের দশ নম্বর জার্সি উপহার দেন। এরপর স্টেডিয়াম থেকে বিদায় নেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

    এর আগে কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতি ঘিরে কিছু বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, মাত্র ২০ মিনিট তিনি স্টেডিয়ামে ছিলেন, কিন্তু দর্শকদের এক বড় অংশ তাকে দেখতে পাননি। জনসাধারণের মধ্যে হতাশা ও উত্তেজনা তৈরি হলে কিছু ক্ষণের মধ্যে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও খবর হলো। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের মাধ্যমে উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকেও আটক করা হয়।

    কলকাতা ও হায়দরাবাদের পর মেসির ভারতীয় সফর শেষ হওয়ার পথে রয়েছে— যেখানে শেষ হবে তার এই বিশেষ পর্ব, মুম্বাই এবং দিল্লিতে দর্শকদের সঙ্গেই তার যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

  • রূপসা অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    রূপসা অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    রূপসা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন শহিদ মনসুর স্মৃতি সংসদের আয়োজনে অনিয়মিতভাবে চলমান ৬ষ্ঠ অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ রোববার বিকেলে কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এই ম্যাচে স্বাগতিক দল শহিদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ও বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘ মুখোমুখি হয়। প্রথমার্ধের শুরু থেকেই উভয় দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে উৎসাহী হলেও কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে, খেলা ড্র থেকে গড়িয়ে ট্রাইব্রেকারে যেতে বাধ্য হয়। ট্রাইব্রেকারে স্বাগতিক দলের গোলরক্ষক, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বসুন্ধিয়া গ্রামের সন্তান আরিফুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে শহিদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ৩-০ গোলে বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘকে পরাজিত করে। এর মাধ্যমে তারা প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে যাওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই আসরটি স্পন্সর করেছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মা জাহেদা জান্নাত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ক্রীড়া সংগঠক এইচ এম মাসুদুল ইসলাম। খেলায় বিশেষ পারদর্শিতার জন্য বিজয়ী দলের ৮ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় আনিস “ম্যান অব দ্য ম্যাচ” নির্বাচিত হন। খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি সুমন রাজু, আজিজুর রহমান ও আলী আকবর। কোয়ার্টার ফাইনাল উদ্বোধন করেন ক্রীড়া সংগঠক ও দৈনিক সময়ের খবর এর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ অধ্যাপক আহমেদুল কবির চাইনিজ। টুর্নামেন্টের আয়োজক মাফতুন আহমেদ রাজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম কামরুজ্জামান টুকু, ক্রীড়া সংগঠক ও মা জাহেদা জান্নাত ফাউন্ডেশনের সভাপতি এইচ এম মাসুদুল ইসলাম, পাশাপাশি অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। একাধিক রাজনৈতিক ও ক্রীড়া নেতা, সাংবাদিক ও সংগঠকের উপস্থিতিতে এই ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

  • মেসিকে ভারতে আনার প্রহসন: শতদ্রু দত্ত ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে

    মেসিকে ভারতে আনার প্রহসন: শতদ্রু দত্ত ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে

    আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসির বাংলায় আগমনের খবরে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ব্যাপক উন্মাদনা ছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে মেসিকে আনতে কলকাতায় এসেছিলেন মূল পরিকল্পনাকারী শতদ্রু দত্ত। তবে নিষ্ঠুর অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে তিনি তার পরিকল্পনা শেষ হতে পারেনি। অনুষ্ঠানের দিনই সিআইএসএফ ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শতদ্রু। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) তাকে বিধাননগর মহাকুমা আদালতে হাজির করা হয়, যেখানে আদালত তাকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। আদালতে হাজিরের সময়ই বিজেপির কর্মীরাই বিক্ষোভ দেখায়, যারা শতদ্রুর বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে শুরু করে।

  • থাইল্যান্ডে কারফিউ জারি

    থাইল্যান্ডে কারফিউ জারি

    দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রাত প্রদেশে সম্প্রতি কারফিউ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত সীমান্ত অঞ্চল কুরা, কোহ কং এবং অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় কম্বোডিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘর্ষের কারণে। খবর রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এই সংঘর্ষের সূত্রপাত গত সপ্তাহে এবং এর ফলে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

    উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা একটি সেতু ধ্বংস করেছে কারণ দাবি করে যে, কম্বোডিয়া ওই সেতু ব্যবহার করে ভারী অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। অন্য দিকে, কম্বোডিয়া অভিযোগ করে, থাইল্যান্ড বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে।

    কারফিউটি নতুন করে কার্যকর করা হচ্ছে কোহ কং প্রদেশের পাঁচটি জেলায়। তবে পর্যটন কেন্দ্র অর্থাৎ কোহ চ্যাং ও কোহ কুড এই কারফিউর আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়াও, আগে থেকেই ত্রাত প্রদেশে কারফিউ চলছিল, যা এখনো বহাল রয়েছে।

    গত সোমবার থেকে এই সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। একদিকে, এই সীমান্তে ভারী অস্ত্রের গোলাবারুদ ব্যবহৃত হয়েছে, যা আগস্টের পর সবচেয়ে তীব্র লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেদিন দুই দেশের সেনারা একে অন্যের মোকাবেলায় কঠোর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, জুলাই মাসে পাঁচ দিনের এই সংঘর্ষে মে’মাসে শান্তির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    একই সময়ে, গত শুক্রবার ট্রাম্প থাইল্যান্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চান্ভিরাকুল এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারা সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধের বিষয়ে একমত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে, শনিবার অনুতিন ঘোষণা দেন, ‘আমাদের ভূমি ও জনগণের প্রতি হুমকি এখনও বিদ্যমান থাকায় লড়াই বন্ধ হচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি শান্ত হলে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ এই মুহূর্তে চলমান সংঘর্ষ ও উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হামলায় অন্তত ১০ নিহত

    অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হামলায় অন্তত ১০ নিহত

    অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতেও ভয়ঙ্কর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আরও এক ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যার দিকে এলোপাতাড়ি গুলির মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    দেশটির পুলিশ একথা জানিয়ে বলেছে, বন্ডি সমুদ্র সৈকতের এই ঘটনাতে নিহতের মধ্যে একজন হামলাকারীও রয়েছেন, বাকি সবাই সাধারণ মানুষ। আহতদের সংখ্যা ১২ জনের বেশি। আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে অনেকই গুরুতর। গুলির পর ঘটনাস্থলে পৌঁছানো বেশকিছু পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটক করা হয়েছে একজন হামলাকারীকে।

    নিউ সাউথ ওয়েলস অ্যাম্বুলেন্স বিভাগের এক মুখপাত্র বলেন, গোলাগুলির পরে ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই ঘটনা দেখিয়ে বলেছেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, ‘জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’

    এবিসি নিউজের প্রচারিত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রক্তাক্ত বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে মাটিতে পড়ে থাকতে। দেশের জনপ্রিয় এই সমুদ্রসৈকতে ঘটনার সময় অনেক মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা হ্যারি উইলসন বলেন, ‘আমি অন্তত ১০ জনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছি, চারদিকে রক্তের দাগ ছড়িয়ে রয়েছে।’

    উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী হামলার এই ঘটনায় বিশ্বে শোকের ছায়া পতিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নেতারা এর নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের শাস্তির দাবি করেছেন। همچنین, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, হনুকা উৎসবের প্রথম মোমবাতি জ্বালানোর জন্য সমুদ্র সৈকতে যাওয়া ইহুদি জনগোষ্ঠীর ওপর এই জঘন্য হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।

    অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকত বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং দর্শনীয় পর্যটক কেন্দ্র। সাধারণত গরমের সময় রাতে এটি হাজার হাজার পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ থাকে। এই ঘটনার পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    সূত্র: এবিসি নিউজ, রয়টার্স।

  • অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি প্রত্যাখ্যান করলো ভারত

    অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি প্রত্যাখ্যান করলো ভারত

    ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয় এবং সেখানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কিছু বিষয়ে ভারতের উদ্বেগও প্রকাশিত হয়। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার দুপুরে একটি বিবৃতি দিয়ে এই দাবিগুলোর স্পষ্টতই প্রত্যাখ্যান করে। তারা জানায়, ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস নোটের বক্তব্যগুলো পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত। ভারতের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত সবসময়ই বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য সমর্থন দেয়। তারা উল্লেখ করে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো অপতৎপরতা চালানোর জন্য ভারত তার ভূমি ব্যবহার করবে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করে, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

  • সুদানে শান্তি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় অভিযোগ ও সতর্কতা, জাতিসংঘের বিবৃতি

    সুদানে শান্তি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় অভিযোগ ও সতর্কতা, জাতিসংঘের বিবৃতি

    সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় বিশ্ব মানবতার জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এই হামলা সম্পূর্ণ অসাংবাদিকতা এবং এটি যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

  • ভারত জানিয়েছে ৩৬ বাংলাদেশিকে নাগরিকত্ব

    ভারত জানিয়েছে ৩৬ বাংলাদেশিকে নাগরিকত্ব

    ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় দেশে নতুনভাবে ৩৬ জন বাংলাদেশিকে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ওড়িশা রাজ্যে ৩৫ জন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নতুন নাগরিকদের হাতে নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন স্থানীয় সরকার নেতারা। এসময় ওড়িশা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি বলেন, সিএএ আইনটি মূলত নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের জন্য এক নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের প্রতীক। সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানায়, ২০১৯ সালে প্রণীত এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে আগত ৩৫ জন অভিবাসীকে গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) নাগরিকত্বের সনদ দেওয়া হয়। এর ফলে ওড়িশায় এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫১ জনে। বর্তমানে রাজ্যটিতে আরও প্রায় ১ হাজার ১০০ আবেদনপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ওড়িশার জনশুমারি দপ্তর জানায়, সদ্য নাগরিকত্ব পাওয়া ৩৫ জনের সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া বিধি অনুসারে, বাংলাদেশের, পাকিস্তানের ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার অমুসলিমরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে প্রবেশ করলে তাদের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই নিয়ম অনুসারে, ওড়িশায় নতুন করে আরও অনেকের নাগরিকত্ব স্বীকৃতি পেয়েছে। অন্যদিকে, একই আইনের আওতায় প্রথমবারের মতো আসামে এক বাংলাদেশি নারী ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। শ্রীভূমি জেলার বাসিন্দা ৪০ বছর বয়সী ওই নারী ২০০৭ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন। শিলচরের সাবেক ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের সদস্য ও আইনজীবী ধর্মানন্দ দেব জানান, চিকিৎসার জন্য শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার সময় তার সঙ্গে একটি যুবকের পরিচয় হয়। পরে তাদের বিবাহ হয় এবং তিনি ভারতের বলেই বসবাস শুরু করেন। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। যদিও তার পরিবার এখনো বাংলাদেশের চট্টগ্রামে থাকে, নারীর দীর্ঘদিন ধরে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগ্রহ ছিল। অবশেষে, সিএএর বিধি কার্যকর হওয়ার পর তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। ধর্মানন্দ দেব আরো বলেন, নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ৫(১)(সি) ও ৬বি ধারার অধীনে নিবন্ধনের মাধ্যমে তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ করে এবং সাত বছর ধরে ভারতে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নিবন্ধনের মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করতে পারেন।

  • বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের Shীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আমাদের কাছে জীবন্ত। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন, তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছি। এই মহান অবদানকে কেউ ভুলতে পারে না এবং তা ভূলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি চক্রান্ত চলছে; একটি দল এই ষড়যন্ত্রে জড়িত। আজকের দিনেও বিএনপি অঙ্গীকার করছে, বাংলাদেশের স্বাধীকার ও সার্বভৌমত্বকে কেউ হারাতে দেবে না। অনেকেই ৭০ এর গণঅভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করে থাকেন, কিন্তু বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছে যে স্বাধীনতাযুদ্ধের সাথে এইসব অভ্যুত্থানের তুলনা চলে না। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট ও মাফিয়া সরকারকে পতন ঘটানো হয়েছে, যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত। এই অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই, কারণ সেই সংগ্রামই আমাদের দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম ভিত্তি। মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু সভাপতিত্বে রোববার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি হয়েও বলেন, আপনারা সবাই ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। তিনি বলেন, যদি আপনি সেই সময়ে সংগ্রাম না করতেন, তাহলে আজও হয়তো আমাদের দেশ পরাধীন থাকত। একই দিন তিনি চন্দনীমহলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে জেলা বিএনপির শেক আব্দুর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, সেতারা বেগম, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রশিদ, মৃণাল হালদার, মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন, মনির কমান্ডার, ইদ্রিস হাওলাদার প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাইফুর রহমান মিন্টু, মোজ্জামেল শরীফ, নাজমুল মোল্লা, মনির মোল্লা, কুদরতি এলাহি স্পিকার এবং অন্যান্য উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং নিজেদের মধ্যে বিভেদ না থাকে, তবে জাতীয়ভাবে যে কোনও ধরনের সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা সম্ভব। এ মন্তব্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও ঢাকা-৮ এর সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনাটি জুলিও অভ্যুত্থান নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অংশ। এই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করার জন্য সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওসমান হাদির ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ, যার পেছনে বড় শক্তি কাজ করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনটিকে বাধা দেত্তয়া। এই হামলা গুরুত্বপূর্ণ সিম্বলিক বার্তা দেয়, তারা নিজেদের শক্তির প্রদর্শন করতে চাইছে এবং নির্বাচনসহ সব ধরনের পরিস্থিতি ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই চক্রান্তগুলোকে সবমিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
    শুক্রবার সকাল ১১টায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন মঞ্জু। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যাংক শাখা ও প্রতিষ্ঠানেreeting সহ অারও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিববাড়ি মোড় এলাকার অগ্রনী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, কমার্সিয়াল ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, মিডল্যান্ড ব্যাংক ও বীমা অফিসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ছোট বয়রা খ্রিস্টান পাড়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড় দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো দেশ, সমাজ ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখা। হিংসা-বিদ্বেষ ও সহিংসতা এড়িয়ে সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়-অবিচার প্রতিরোধে সকলের প্রয়োজন।
    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় দায়িত্বশীল। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
    এ সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন এবং আরও অনেকে।