Author: bangladiganta

  • যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল

    যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল

    শীতকালীন ঝড়ের কারণে গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার জানিয়েছে, এই ভয়াবহ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে বিমান চলাচল।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উত্তর টেক্সাস ও ওকলাহোমা রাজ্যে ঝড়ের আঘাতে শনিবারই তিন হাজার ৪০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ডালাসের ফোর্ট ওর্থার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিমানবন্দর যেমন ডালাস লাভ ফিল্ড থেকে ফ্লাইট বাতিলের হার reach ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, ওকলাহোমা সিটির বিমানে আঘাত হানার ফলে সেখানে ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।

    রোববারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, বাতিলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬ হাজার ৪০০ এর বেশি হয়। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাবও আরও বিস্তৃত হয়। ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রবিবারের দিন প্রায় ৯০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, এবং উত্তর ক্যারোলিনার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭৩ শতাংশ ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি নজরে আসে।

    সোমবারের মধ্যে আরও সাত শতাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে, যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আগেই। তবে, আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর বিমান সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    অপরদিকে, দক্ষিণ-মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক তুষারপাত ও বিপজ্জনক বরফ পড়ছে, যা দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার মাইলের বেশি এলাকায় এই শীতকালীন ঝড়ের আঘাত হতে পারে। এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং নাশকতা এড়াতে জরুরি সতর্কতা জারি হয়েছে।

  • কোথা থেকে উন্নয়নের পথে কয়রা-পাইকগাছা

    কোথা থেকে উন্নয়নের পথে কয়রা-পাইকগাছা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত নির্বাচনকে ঘিরে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করছি। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। আপনাদের ভোটে ধানের শীষ প্রতীকে মনোযোগ দিন এবং মনিরুল হাসান বাপ্পীকে জয়যুক্ত করুন, যাতে আপনারা একটি উন্নয়নশীল এবং সুখী সমাজ পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনে এখনই সময় সমস্যা সমাধানের জন্য ভোট দেওয়ার। তিনি আরও বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য কল্যাণমূলক কাজ এবং ন্যায্যতার প্রতিষ্ঠা হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব এখানে অপরিসীম, যা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়নের জন্য এই এলাকাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে একটি সমৃদ্ধশীল অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। গতকাল শনিবার বিকেলে কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বৃহৎ নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করেন তিনি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ক ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত চলছে। স্বাধীনতার সময় যারা বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছিল, আজ তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ এসব চক্রান্ত মূলে উড়িয়ে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশী

    সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশী

    বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, একাত্তর এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চব্বিশের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে। এই অপপ্রচার প্রমাণ করে, বাংলাদেশ সম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নামে কিছু নেই, আমাদের একটাই পরিচয়—আমরা সবাই বাংলাদেশী। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ এই দেশের নাগরিক, এবং এটাই আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধন। গতকাল শনিবার বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত এক প্রার্থনা ও সনাতনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় সনাতনী ঐক্যজোট ডুমুরিয়া উপজেলার শাখা সংগঠনের আয়োজনে।

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার স্পষ্ট করেছেন, বাংলাদেশই আমাদের সকলের। পাহাড় থেকে সমতল, গ্রামের মানুষ থেকে শহরের ভোটার—সবাই এই দেশের অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, গত দীর্ঘ দিন ধরে আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভয় দেখিয়ে ভোটের রাজনীতিতে ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু, ৫ আগস্টের পরবর্তীতে দেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও সহিংসতার চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাতের আঁধারে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাড়ি পাহারা দিয়ে সেই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত থাকবে—এটাই ইতিহাসের প্রতিজ্ঞা।

    বিএনপি’র নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বললেন, তিনি গণতন্ত্রের মা, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় সংগ্রাম করেছেন। তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে কখনো আপোষ করেননি। ২৪শের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে, জনগণ স্বৈরাচারকে আর মেনে নেয় না।

    সমাবেশে উপস্থিত মতুয়া ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তুকু আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এবং ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচিত হলে, একটি কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। এভাবেই তারা মাথা উঁচু করে বসবাস করবে, কারো দয়ায় নয়, বরং নিজের নাগরিক গৌরবে।

    বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক প্রফুল্ল রায়ের সভাপতিত্বে, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতন ঐক্যজোটের আহ্বায়ক নিধ্যানন্দ মন্ডল ও ডুমুরিয়া মতুয়া মহাসংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব চন্দ্র মন্ডল সমাবেশের পরিচালনাকার্য সম্পন্ন করেন। এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু ও ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়াও অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা-৫ আসনের মোহাম্মদ আলী আসগর লবী। বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, ট্রাস্টি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ব্রজেন ঢালি, পরিতোষ বালা ও তপন সাহা প্রমুখ।

    প্রারম্ভিকভাবে গীতাপাঠ করেন জ্যোতি মন্ডল। সমাবেশে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের বিষয়ে সত্যতা

    যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের বিষয়ে সত্যতা

    বন্দি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে তাকে প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে الآن বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর জুয়েল হাসান সাদ্দামকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। Família বা তার পরিবার থেকে কোনো ধরনের প্যারোলের জন্য আবেদন করা হয়নি। বরং, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সময়ের অভাবে তারা ছেলে-মেয়েদের দেখার জন্য জেল গেটে মরদেহ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন, কোনো আবেদন করেনি।

    প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য যা বলছে, বন্দির স্ত্রীকে লিখিত চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং জেলি ছবিও দেখানো হয়েছে, সবই সত্য নয়। এইসব তথ্য যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।

    অতিরিক্ত জানিয়ে বলা হয়, প্যারোলে মুক্তির আবেদনও করা হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ ধরনের কোনো আবেদনের নথিপত্র নেই। পরিবার শুধু মৌখিকভাবে তাদের দিক থেকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে, মানবিক কারণে কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করেছে, যা সম্পূর্ণ ন্যায্য ও বিবেচনার মধ্যেও পড়ে।

    সার্বিকভাবে, এই তথ্যগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণাগুলি সত্য নয় এবং বিষয়টির বাস্তবতা বহুটা ভিন্ন।

  • খুলনায় চরমোনাই পীরের সমাবেশ ৮ ফেব্রুয়ারি

    খুলনায় চরমোনাই পীরের সমাবেশ ৮ ফেব্রুয়ারি

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার, খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর উপস্থিতি উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ সার্চ্চ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব ও খুলনা ৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ ইউনুস আহমাদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানমঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর ও খুলনা ৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ মাওঃ আব্দুল আউয়াল, উপদেষ্টা মুফতী মাহবুবুর রহমান, খুলনা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, জেলা সহ-সভাপতি ও খুলনা ১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওঃ আবু সাঈদ, মোঃ আবু গালিব, মহানগর সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হোসাইন, জেলা সেক্রেটারী এস এম রেজাউল করীম, নগর জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, ফেরদৌস গাজী সুমন, আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, নুরুজ্জামান বাবুল, মোঃ মঈন উদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর আগমন উপলক্ষে একটি বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যা খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

  • মন ভালো হয়ে গেছে: মঞ্জু বললেন, মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল চোখে গ্রহণ করছে

    মন ভালো হয়ে গেছে: মঞ্জু বললেন, মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল চোখে গ্রহণ করছে

    খুলনা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক এবং জনপ্রিয় দল, যার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দিতে পারছিলেন না, তাই এখন আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভোটের উৎসব ও আমেজ ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে। তারা চায়, জনপ্রিয় দল বিএনপি জিতবে। তিনি মনে করেন, ভোটের ব্যাপক ফলাফলের মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হবে কারণ মানুষের আস্থা বর্তমান। বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে জনস্বার্থে রাজপথে থাকছে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের রূপসা স্টয়ান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালিদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। তার চলে যাওয়ার পরও জনগণের স্মৃতি ও শোক এখনো গভীর থাকছে। তারেক রহমান ১৭ বছর পর বাংলাদেশে এসেছেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আসছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সকলের জন্য উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং ভোটের উৎসাহ ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান। নিরাপত্তার কোনো শঙ্কাও নেই।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, এড. মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নুরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আক্রাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেয়া ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মোজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা, নাজমা করিম সহ বিভিন্ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • গভর্নর বললেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে, বিনিয়োগ বাড়বে

    গভর্নর বললেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে, বিনিয়োগ বাড়বে

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আবার নতুন দিশা পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, যা বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। এর ফলে চলতি অর্থবছরে দেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

    বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর উল্লেখ করেন, দেশে তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। আগে যেমন অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হত, তেমনি তারল্যের অভাবও অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে এখন সেই চাপ হ্রাস পেতে শুরু করেছে। ব্যাংকগুলো অনেক আগে ঝুঁকি মেনে বেশি মুনাফা করছে, যা এখন পরিবর্তন হওয়া দরকার। এখন ব্যাংকগুলোর জন্য কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক ঋণগ্রহীতা খুঁজে বের করার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

    আহসান এইচ মনসুর আরো জানান, দেশের বৈদেশিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। বিশ্ববাজারে জ্বালানি এবং অন্যান্য পণ্যের দাম কমায় আমদানিতে চাপ কমে এসেছে।

    সুদের হার নিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এটি সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। টাকাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রির পাশাপাশি টাকা প্রবর্তনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আইএমএফের সহায়তার থেকেও বেশি। এছাড়াও বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা তারল্য বাড়িয়েছে।

    গভর্নর মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ধাক্কা কিছুটা প্রভাব ফেলেছে ব্যবসায়-আয়োজনে। তবে যাদের টিকে থাকার ক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনও গোষ্ঠী বা দল ভিত্তিক বৈষম্য হয় নি।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, শিগগিরিই সুদের হার কমানো উচিত নয়, কারণ এতে বৈদেশিক লেনদেন ও বিনিময় হার বিশৃঙ্খল হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে এবং সেটি ৫ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য রয়েছে। এর জন্য কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বৃহৎ ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, এবং আমদানি-রপ্তানির তথ্য। এখন পর্যন্ত গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সোমবার তা ১৭০ মিলিয়নেরও বেশি ডলার। এই বিশ্লেষণ অর্থনীতির তুলনা ও অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশকে উন্নত মানের অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের আয়-ব্যয়ের তথ্যের রিসিভেবল ম্যানেজমেন্ট শক্তিশালী করা, কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়ানো এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায় নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডেভেলপকৃত ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’-এর সাথে এপিআই (API) ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন করবে, যা তাদের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হবে। এর ফলে, ইতিমধ্যেই সংগৃহীত অর্থের তথ্য দ্রুততার সাথে ২০০টির বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগ্রহ ও উন্নতমানের পরিচালনা সম্ভব হবে। এই ডেটা নিপ্পন পেইন্টের এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP) সিস্টেমে রিয়েলটাইম প্রদর্শিত হবে।

    এই প্রযুক্তির সাহায্যে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের ট্র্যাকিং আরও সহজ হবে, অর্থের বিনিময় ও রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্ভুল হবে, এবং তাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হবে।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল সিএফএ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং এরিয়া হেড অব রিলেশনশিপ ইউনিট এস এম মুসা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে, নিপ্পন পেইন্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এই অংশীদারিত্বটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা উদ্যোগের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যা কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে তারা প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং আত্মবিশ্বাস জোরদার করবে, পাশাপাশি টেকসই ও সফল ব্যবসার জন্য তাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। এটি ব্র্যাক ব্যাংকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা তাদের প্রমাণ করে দেশের ব্যবসায়িক দুনিয়াকে আধুনিক, নিরাপদ ও স্বচ্ছ করতে তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের উচ্চ মানের সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকাকে ছাড়িয়ে গেছে, যা এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম।

    মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, বাজুসের একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। উল্লেখ করা হয়, নতুন এই মূল্যবৃদ্ধি ২১ জানুয়ারি বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি বলেছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে।

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের তথ্য প্রমাণ করে, গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি ওয়েবসাইটের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ৪৭৪৫ ডলার ছাড়িয়েছে।

    নতুন দাম অনুসারে, দেশীয় বাজারে উচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরির মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    সোনার দামে বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরির রুপার মূল্য এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮০০ টাকা।

  • চীনের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত: বিপদ না কি সম্ভাবনা?

    চীনের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত: বিপদ না কি সম্ভাবনা?

    ২০২৬ সালের মাত্র দুই সপ্তাহ পার হতেই চীনের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বিশ্বকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করেছে। ২০২৫ সালজুড়ে চলা শুল্ক যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেকের মনে সন্দেহের উদ্রেক হলেও, চীনের রপ্তানি বাড়ছে এবং উদ্বৃত্তের পরিমাণ রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। গত বছর চীনের বার্ষিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে বিশাল ১.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্ব ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই তথ্যের প্রকাশের পরই নিউ ইয়র্ক টাইমসে এক নিবন্ধে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন কর্নেল ইউনিভার্সিটি এবং ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের বিশ্লেষক ঈশ্বর প্রসাদ। তিনি বলেছেন, এই বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত এড়ানো এখন এক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ, যা ট্রাম্পের ধারার শুল্কের চেয়ে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।