Author: bangladiganta

  • যুক্তরাষ্ট্র-চীনও মোদিকে ভয় পায়, বাংলাদেশ নিয়ে চুপ থাকবেন না তিনি

    যুক্তরাষ্ট্র-চীনও মোদিকে ভয় পায়, বাংলাদেশ নিয়ে চুপ থাকবেন না তিনি

    ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে চুপ থাকবেন না—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এক হিন্দু নেত্রী। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও মোদিকে ভয় পায়। ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের কিশতওয়ারে হিন্দু সংগঠনগুলোর ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এই মন্তব্য করেন বিজেপি বিধায়ক ও জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা সুনীল শর্মা। এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন বিজেপি নেতারা। মূলত বাংলাদেশে এক হিন্দু শ্রমিকের হত্যাকাণ্ড ও অশান্তির বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। শর্মা বলেন, বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে চাইছে কিছু দেশের ষড়যন্ত্র।

    শর্মা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রধানমন্ত্রিকে ভয় পায়, কারণ তিনি বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের প্রতীক। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত যখন সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষমতা অর্জন করবে, তখন দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কিছু দেশ ওই শক্তিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

    বিক্ষোভকারীরা ডিসপাচারিজের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি তারা ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পাঠানোর পরিকল্পনা করেন। এছাড়া, তারা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও মুসলিম বিরোধী শ্লোগান দেন। এ কারণে বেশ কিছু দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল।

    শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশে হত্যার শিকার দিপুর কোন অপরাধ ছিল না। তিনি একজন হিন্দু। আমাদের প্রতিবেশী দেশের হিন্দু সংখ্যালঘুরা লক্ষ্যবস্তু হয়ে পড়ছে, আমাদেরও এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বললেন, ‘দুই কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেছে। বরং মিয়ানমার, পাকিস্তান থেকেও অনুপ্রবেশকারী এখানে এসেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকের পরিচয়পত্র রয়েছে যা দিয়ে তারা ভোটার হয়েছে।’

    শর্মা বলেন, হিন্দুরা তাঁদের সংস্কৃতি ও ধর্মকে ধরে রাখতে দিন দিন লড়াই করছে। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমরা মোঘল ও ব্রিটিশ আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়ে এখনও টিকে আছি। কি আমাদের মুছে ফেলতে পারবে? বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য জাতিসংঘ বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কেন চুপ রয়েছে?’

    বিজেপির এই নেতার দাবি, ২০২৬ সালের ভারতে নির্বাচন সামনে থাকায় বাংলাদেশে যে বিক্ষোভ হয়েছে তার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। তিনি বলছেন, ‘আমি নিশ্চিত মোদি চুপ থাকবেন না, সেটা পাকিস্তান বা বাংলাদেশ যেকোনো দেশই হোক।’

  • দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ ও হিংসাত্মক চেষ্টা

    দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ ও হিংসাত্মক চেষ্টা

    ইতোমধ্যে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হিন্দুত্ববাদী এক দল—বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরংসড়ি দল—বিক্ষোভের নামে প্রতিবাদ জানাতে এসে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তারা হাইকমিশনের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে, যা দেখে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে অভিযোগে লিপ্ত হলে পুলিশের লাঠিচার্জের মাধ্যমে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এই বিক্ষোভ শুরু হয়, তখন শত শত মানুষ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে জড়ো হয় একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানাতে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ায় পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত, তবে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অভিযান চালাচ্ছে। হাইকমিশনের নিরাপত্তার জন্য তিন স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পুলিশ ও প্যারামিলিটারি বাহিনী। এই বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু দাস নামের এক যুবকের নির্মম হত্যার ঘটনা, যা নিয়ে ভারতের হিন্দুত্ববাদী দলগুলো সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানায়। অপরদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে আবারো তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারের এক সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন ভারতের এই দূত, এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম তার সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সময়ের মধ্যে প্রণয় ভার্মা বেশ কয়েক মিনিটের জন্য মন্ত্রণালয় থেকেই অনুরোধে বেরিয়ে যান। উল্লেখ্য, এর আগে ১৪ ডিসেম্বরও তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়, যখন ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্যের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ভারতে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের এড়াতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়। ঢাকার এক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দিল্লি, কলকাতা ও অন্যান্য ভারতের শহরে বাংলাদেশের দূতাবাস ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

  • মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান আর নেই

    মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান আর নেই

    মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও পরিচিত মুয়াজ্জ বিদ শেখ ফয়সাল নোমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সৌদি আরবের দুটি পবিত্র মসজিদের প্রামাণ্য ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ভোরের ফজর আজানের পরে মসজিদে নববীতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    শেখ ফয়সাল নোমান দীর্ঘ বছর ধরে মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার সুমধুর আজান ও তার ধর্মপ্রাণ মনোভাব উত্তরকালের মুসলমানদের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে।

    তার মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনপ্রিয় খাদেমকে হারালো। ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ জানিয়েছে, শেখ ফয়সাল নোমান ১৪২২ হিজরিতে (২০০১ সালে) মসজিদে নববীতে মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই ঐতিহ্য বজায় রেখেছে; তার দাদা প্রথম মুয়াজ্জিন ছিলেন, এবং তার বাবা এই পেশায় ১৪ বছর বয়সেই যোগ দিয়েছিলেন।

    শেখ ফয়সাল নোমান ১৪২২ থেকে ১৪৪৭ হিজরি পর্যন্ত মোট ২৫ বছর ধরে মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে যান। তার এই অবদানের জন্য মুসলিম উম্মাহ অন্তরে গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।

  • বিএনপি সরকার গঠন করলে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে

    বিএনপি সরকার গঠন করলে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে

    বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সব সময় জনকল্যাণমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। বিএনপি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অধিকার, ন্যায্যতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে সারাদেশে কমপক্ষে এক কোটি মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তরুণ সমাজের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি এনে একটি উৎপাদনমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

    হেলাল আরও বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে and বা বিএনপি নির্বাচিত হলে, প্রতিটি মানুষের জীবন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি সরকারের মাধ্যমে রূপসা উপজেলাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত এবং নিরাপদ বসবাসের উপযোগী উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। পাশাপাশি, রূপসা-সেনেরবাজার ঘাটের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে নদী পারাপারের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রূপসার মাঝিদের শ্রম ও ঘামের মূল্য যেন কেউ নিঃস্বার্থভাবে হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য কড়া এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, রূপসার কৃষক, শ্রমিক, মাঝি, হকার—all যেন সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরিই হবে তাঁর অঙ্গীকার।

    গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পূর্ব রূপসা ট্রলার মাঝি ইউনিয়ন ও হকার্স ইউনিয়নের আয়োজনে, পূর্ব রূপসা মাঝিপাড়া এলাকায়, নৈহাটি ইউনিয়নের আব্বাসিয়া জামে মসজিদে ২নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে নৈহাটি ইউনিয়নের মেহেরুন্নচ্ছো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল কবীর সজল, জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আ: রশিদ, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা বিএনপি’র সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপি’র সদস্য এম এ সালাম, নেতা মো্লা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক বিকাশ মিত্র প্রমুখ।

    পাশাপাশি বিভিন্ন বিত্তশালী ও দলীয় নেতাকর্মী, ছাত্র-প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ও মিলিজুল সামতিকালীন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই এই আয়োজনে অংশ নেন, এবং জনগণের সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হবে

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আগামীদিনে বাংলাদেশ নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, গণতন্ত্রে অটল বিশ্বাস এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা দেশের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    গতকাল সোমবার বিকেল ৪টায় নগর বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত এক আনন্দ মিছিলের পূর্বসমাবেশে এই বক্তব্য রাখেন তিনি। এই কর্মসূচি দেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে, যা ২৫ ডিসেম্বর পালিত হবে।

    সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসন ক্ষীরিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একজন দূরদর্শী, শক্তিশালী এবং গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রয়োজন, এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম তিনি হচ্ছেন তারেক রহমান।

    নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিএনপি একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করে কাজ করে যাচ্ছে। তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। এই সংস্কার বাস্তবায়ন হলে গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে।

    বক্তারা জানান, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একটি নতুন আশার সঞ্চার করবে। দেশের মানুষ এখনই চায় নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে, এবং বিএনপি সেই সংগ্রামে উপস্থিত রয়েছে এবং থাকবে।

    এসময় বক্তৃতা করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কে. এম. হুমায়ুন কবির, হাফিজুর রহমান মনিসহ আরও অনেক বিশিষ্ট নেতা-কর্মী। সমাবেশ শেষে আনন্দ মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা, যেখানে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ নির্বাচন এবং তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে নানা স্লোগান দেন।

  • দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

    দেশপ্রেমিক শক্তিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

    আমাদের মহান দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার, যা অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, তা নস্যাৎ করে 古ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে একটি নতুন ফ্যাসিবাদী শৈলী প্রতিষ্ঠার চেষ্ঠা করছে। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমাদের এই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত অধিকারগুলো আমাদের কাছে অমূল্য। আমরা এই অধিকারকে বিনা লড়াইয়ে হারাতে দেব না। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছি এবং দেশের জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছি, এই ধারাবাহিকতায় আজ আবারও সব দেশপ্রেমিকের কাছে একত্র হয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় সদর থানার মোড়ে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি পিকচার প্যালেস মোড়ে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তৃতা করেন। দুপুর ১২:৩০ মিনিটে খুলনা প্রেসক্লাবে আমার দেশ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি, সেখানে কেক কেটে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    অপরদিকে, বাদ আছর (বেলা ৬টায়) ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির আয়োজনে নবপল্লী কমিউিটি সেন্টারে এক মতবিনিয়ম সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপি নেতা শওকত হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং এমরান হোসেন পরিচালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন সন্ধ্যায় বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এড. আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে ও ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদারের পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুগ্ম সচিব কামরুল হক নাসিব, ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, আব্দুর রহমান ও নাঈম মালিকসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।

    এছাড়াও, এই সকল কর্মসূচিতে অংশ নেন জননেতা আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদিকুর রহমান সবুজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার ও রবি। নেতাকর্মীরা বিশ্বাসী যে, ঐক্যই আমাদের দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করবে এবং অপশক্তির বিরুদ্ধে এই লড়াই ঐক্যবদ্ধভাবে চালিয়ে যেতে হবে।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যে নতুন, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একজন মানুষের নেতৃত্বে অগ্রসর হতে হবে— তিনি হচ্ছেন দেশের নেত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের বিকল্প কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।

    সোমবার বিকেলে পাবলা খানপাড়া বাসীর লোকজনের সঙ্গে, ৫নং ওয়ার্ড, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র আয়োজনে আয়োজিত এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বকুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে। এখন তারা পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। তারা এক এমন বাংলাদেশ চায় যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সেই স্বপ্ন সফল করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বই সবচেয়ে কার্যকর এবং বাস্তবসম্মত। তিনি আহ্বান জানান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশের নেত্রী তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে। বকুল বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, এটি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও দেশের ভবিষ্যত রক্ষার প্রবল পদক্ষেপ। ধানের শীষে ভোট মানে মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের পক্ষে ভোট।

    খান জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ও আলোচকরা जैसे মাওলানা মুফতি নূর মোহাম্মদ, খন্দকার আলমগীর কবির, মোঃ খায়রুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম পিয়াস, আলহাজ্ব ইসরাফিল সরদার, সরদার রফিকুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরীফ খান, আছিয়া খাতুন আশা, শাহিন আজাদ খান মিঠু প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার প্রস্তাব দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। এই সংস্কার বাস্তবায়নে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তারা ভবিষ্যতে বিএনপির সকল কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • খুলনায় যুবকের দুহাত কেটে নিলো সন্ত্রাসীরা

    খুলনায় যুবকের দুহাত কেটে নিলো সন্ত্রাসীরা

    খুলনার বটিয়াঘাটা দারোগাভিটা এলাকার সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবককে দুই হাতের কব্জি কেটে ফেলা হয়েছে। আহত যুবকের নাম আক্তার আলী মোল্লা। তিনি জানান, আজ সকাল ৮টার দিকে নগরীর গল্লামারি সেতু থেকে মোটরসাইকেলে করে দুইজন পরিচিত সন্ত্রাসী তাকে নিয়ে যান বটিয়াঘাটা থানার দারোগাভিটার বিলের মাঝখানে। এর আগে থেকেই সেখানে আরও চারজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছিল। সন্ত্রাসীরা তাকে ৪ হাত-পা বাধা অবস্থায় চাপাতি দিয়ে দুই হাতের কব্জি কেটে দেয়। কিছু সময় পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে সকাল ১০টায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত আকতার আলী বলেন, এই সন্ত্রাসীদের সাথে তার পূর্ব পরিচয় রয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। তিনি মনে করেন, সন্ত্রাসীরা বিভ্রান্ত হয়ে মনে করেছিলেন, তিনি জানাবেন পুলিশকে মাদক ব্যবসার বিষয়টি, তাই এই বর্বরতা ঘটানো হয়েছে। আক্তার আলী মোল্লা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বাসিন্দা ও দিন আরামবাগ এলাকার চানণ আলী মোল্লার ছেলে।

  • সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    আগামি বছর নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দিয়ে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা বিশিষ্ট করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭টাকা। এর আগে সেই দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে সোনার দাম নতুন এই রেটে নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের কর্মকর্তারা।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য পড়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দাম এখন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা।

    অতীতে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়ে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

    সঙ্গে অন্যান্য স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা। এর আগে, এই দামগুলো ছিল যথাক্রমে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    চলতি ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (গতকাল, সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে।