চাঁদাবাজমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা গড়ার অঙ্গীকার রকিবুল বকুলের

খুলনার পবিত্র মাটিতে যদি জনগণের ভোটে তিনি নির্বাচিত হন, তবে সেখানে কোনো চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীর স্থান থাকবে না—এমন শক্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।

বুধবার বিকেলে পাবলা সবুজ সংঘ মাঠে অনুষ্ঠিত পথসভায় বকুল বলেন, গত কয়েক বছরে খুলনাবাসী নানাভাবে শোষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-মালরক্ষাও বিঘ্নিত হয়েছে। এ অবস্থা বদলে দিতে তিনি সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেবেন এবং চাঁদাবাজদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেবেন বলে সংকল্প ব্যক্ত করেন।

পাবলা সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বকুল আরও বলেন, জনগণের আস্থায় নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারলে তিনি একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা উপহার দেবেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীককে শান্তির প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এই প্রতীক জয়ী হলে সাধারণ মানুষের অধিকার পুনরায় ফিরে আসবে।

বকুল অভিযোগ করেন, খুলনার সম্পদ লুটে খাওয়া এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শাসন করার পেছনে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাত রয়েছে। এই অনিয়ম থামাতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেনোর আহ্বান জানান তিনি।

তিনি জানান, তার মূল লক্ষ্য খুলনার প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায় শান্তি ফিরিয়ে আনা। নির্বাচিত হলে কোনো দলীয় পরিচয় নিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা জমি দখল করতে পারবে না—এমন কড়া হুশিয়ারিও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শাহীন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মুশাররফ হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির, পাবলা সবুজ সংঘের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, খুলনা মহানগর জাসাসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু এবং পাবলা সবুজ সংঘ মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ.এ. রহিম।

আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ মতলেবুর রহমান, মিতুল, প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলী সহ দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী।