Author: bangladiganta

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় গোটা দেশ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদির সহকর্মীরা, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা প্রবল। প্রত্যক্ষদর্শীরা হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি তুলেছেন।

    এরই মধ্যে হাদিকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। হুমকিদাতা ইতোমধ্যে চমকের ফোন নম্বর ফাঁস করেছে এবং বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে বলেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে আমার স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমি মেরে ফেলার হুমকি পাচ্ছি। তারা জানে না, হাদি আমার জন্য এক প্রিয় নাম। আমি মৃত্যুভয়ে ভুগিনা। আমি পৃথিবীতে এসেছি, যার জন্য আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞ, আর আমার জীবন কতদিন থাকবে, সেটার জন্য আমি ভীত নই।’

    এই হুমকি দেওয়া হয়েছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে শরিফুল ওসমান বিন হাদিকেও এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হুমকি পাঠানো হয়েছিল।

    অনন্য মামুন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অতীতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম ওর নাম লিখতে, কিন্তু এখন বলা যায়, অনন্য মামুন — দ্য পিম্প। আমি খুশি থাকুক, ও যেন ভালো থাকে। এবং ওর কোনো ফিল্ম যেন কেউ প্রডিউস না করে। যদি করে, সেটা ওর নিজস্ব দায়িত্ব।’

    বান্না ও চমককে যেন কেউ কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা না করে, এ বিষয়েও হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকিদাতা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাসে লিপ্ত, তাদের যদি কেউ মিডিয়ায় কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা করেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে করুন। তবে সেটা নিজের দায়িত্বে করতে হবে। এই নব্য রাজাকারদের কাজে ব্যবহার হলে আপনারা নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন, এর দায় কেউ নেবে না।’

    চমক ও বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করতে আইটি টিমের মাধ্যমে তাদের সকল এক্সেস মনиторিং করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে তাদের অবস্থান ও কার্যক্রমের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানানো হয়েছে।

  • অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অনুরাগীরা অনেক বেশি উত্তেজিত হয়ে সাধারণত তাঁদের পছন্দের তারকাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ছুটে আসেন। কেউ কেউ আবার ফ্রেমে বন্দি হওয়ার সময় প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীর উপর হাত দিয়ে স্পর্শ করতে চান। তবে কিছু মানুষ সীমা অতিক্রম করে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এরই মধ্যে দক্ষিণী তারকা অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সাথে ঘটে গেছে এক নিন্দনীয় ঘটনা।

    ঘটনাটি ঘটে তেলুগু সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর উপজেলার ঘটনা গতকাল বুধবার রাতের। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রভাসের সঙ্গে নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চ শেষে বেরোনোর সময়ে নিধি হেনস্তার শিকার হন। ভক্তরা নিরাপত্তা উপেক্ষা করে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে যায়, অনেকেই পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। সেই সঙ্গে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে কেউ কেউ নিধির গায়ের ওড়না ধরে টান টানের চেষ্টা করছে।

    নেত্রীরা অবশ্য এই পরিস্থিতিতে বেশ বিপাকে পড়েছেন। তাকে গাড়িতে উঠতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জবরদস্ত থাকলেও ভিড়ের কারণে তিনি খুবই অসুবিধায় পড়েছেন।

    অভিনেত্রীর এই ঘটনায় অনেক নেটিজেনই ক্ষুব্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘মানুষের দলে হায়নার মত আচরণ করছে। পুরুষরা কি করে একজন মহিলাকে এভাবে হয়রানি করতে পারে? ঈশ্বর যেন তাদের সবাইকে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দেন।’

    নিধি আগরওয়াল তেলুগু ছবির জনপ্রিয় নায়িকা। তিনি বলিউডে পদার্পণ করেন ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে, যেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন টাইগার শ্রফ। সবশেষ বড় পর্দায় তাকে দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া শনিবার (২২ ডিসেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, কয়েকদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ব্লুজ, পপ এবং সফট রক সংগীতের একজন জাদুকর। চার দশকের ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন এবং বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য সঙ্গীতের মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশেষ করে তার ক্রিসমাস সংগীত ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৮৬ সালে লেখা এই গানটি বর্তমানে বড়দিনের অন্যতম প্রিয় সংগীতের তালিকায় পরিণত হয়েছে। তখন তার হাতে কোনো রেকর্ডিং চুক্তি ছিল না, এমনকি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছিলেন। পরে ২০১৬ সালে তার স্ট্রোক হয়। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তার সংগীতপ্রেম ম্লান হয়নি। জীবনের শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত ছেড়ে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ অনুরাগে মনোনিবেশ করেছিলেন।

    তার মৃত্যু সংগীত জগতের জন্য গভীর শোকের। তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জোয়ান এবং দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন। এই মহান শিল্পীর মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশের স্বার্থে সৌদি আরবের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি

    বাংলাদেশের স্বার্থে সৌদি আরবের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি

    বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে ক্রিকেটার ও কোচ নিয়োগ করে সেই দেশের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ওমানসহ আরও কিছু দেশ এই পথে এগোতে চাইছে। এরই অংশ হিসেবে সৌদি আরবও ক্রিকেটের প্রসার ঘটানোর পরিকল্পনা করছে, যেখানে বাংলাদেশ থেকেও কিছু ক্রিকেটার ও কোচ নেওয়ার প্রস্তাব ছিল। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সৌদি আরবের এ ধরনের প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই মাস আগে সৌদি আরব আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমি সেই সময়ই তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। তারা পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগের ক্রিকেটার ও কোচ পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, নিজের দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে অন্য দেশে ক্রিকেটার বা কোচ পাঠানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান রাখার জন্য ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। ক্রিকেটেও তারা দ্রুত অগ্রসর হতে চাইছে, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই পথ অনুসরণ করেছিল।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি সৌদি আরব বিসিবির কাছে খেলোয়াড় পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশি ক্রিকেটের নিয়ম মানতে না চাওয়া ও দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিসিবি এই বিকল্পে রাজি হয়নি।

    বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে সৌদি আরবের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। লিভ গলফ, ফর্মুলা ওয়ান, এবং ২০৩৪ ফিফা বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দেশটি বিপুল বিনিয়োগ করেছে। এখন তারা ক্রিকেটেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চেষ্টা করছে। আইসিসি ও এসিসির সহযোগিতায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটের নতুন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দেশটি।

  • ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

    ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

    অভিষেকের পর থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলাদেশের দল টানা দুইবার এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে। তবে এইবারের আসরে তাদের মনের আশা ভঙ্গ হয় সেমি ফাইনালে, যেখানে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে হার মানেন জুনিয়র টাইগাররা। চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ফাইনালে ওঠা পাকিস্তান বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেলো এবং ভারতের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে ১৯১ রানের জয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা প্রত্যাশা তৈরি করল।

    দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রান তোলে। দলের হয়ে প্রখ্যাত ব্যাটসম্যান সামির মিনহাস ১৭২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে পাকিস্তানের জয়ের ভিত শক্ত করেন। ভারতের জন্য নিশ্ছিদ্র এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৬ ওভারে ১৫৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

    ভারতের শুরুটা ভালো ছিল না। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক থাকলেও বেশিক্ষণ টিকে থাকেননি। মাত্র ১০ বলে ২৬ রান করে ছয়টি চার ও একটি ছক্কার মাধ্যমে ধরা পড়েন। এর পরে মিডল অর্ডারে অবিজ্ঞান কুন্ডু ও কনিশ চৌহানরা চেষ্টা করলেও ইনিংসটি বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত।

    অপ্রত্যাশিত এই বড় ব্যবধানে হেরে যায় ভারত, যেখানে বড় সংগ্রহের জন্য তারা হতাশ। অবশ্য শেষের দিকে খিলান প্যাটেল ও দীপেশ দেবেন্দ্র কিছুটা লড়াই করে দেখান। খিলান ২৩ বলে ১৯, আর দীপেশ ১৬ বলে ৩৬ রান করেন, যা কিছুটা হলেও হারের ব্যবধান কমিয়ে দেয়।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংস শুরু হয় ধীরগতিতে। প্রথম উইকেট পড়ার পর উসমান খান ও সামির মিনহাস মুহূর্তের জন্য দলকে স্বস্তিতে এনে দেন। উসমান খান ৭৯ বলের মধ্যে ৯২ রান করেন এবং মিনহাস তার সতীর্থ আহমেদ হুসেইনের সাথে ১২৫ বলে ১৩৭ রান যোগ করেন, যা উল্লেখযোগ্য। মিনহাস ৭১ বলে ১২ চার ও ৪ ছয়ে ১৭২ রান করে আউট হন। এই অসাধারণ সেঞ্চুরির পর পাকিস্তান বড় সংগ্রহের পথে এগোতে থাকে। এরপর আহমেদ হুসেইন ৫৬ রানে আউট হলেও পাকিস্তান ৩০২ রান করে ৪৩ ওভারে। শেষ দিকে, শফিক ও সাইয়াম ২০ বলে ২০ রান যোগ করে দলকে ৩৪৭ রানে পৌঁছে দেন, যা এশিয়া কাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ স্কোর। দীপেশ দেবেন্দ্র তিনটি উইকেট নেন, হেনিল প্যাটেল দুটির দেখা পান। চূড়ান্তভাবে পাকিস্তান এই জয়ে ৮ উইকেট হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।

  • ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে বলিষ্ঠ জয় দুবাইয়ের

    ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে বলিষ্ঠ জয় দুবাইয়ের

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দারুণ দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। রোববার 자신의 সপ্তম ম্যাচে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে তিনি অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। মাত্র ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট শিকার করে তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এই পারফরম্যান্সের জন্য দলের জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছেন তিনি।

    আবুধাবির শেখ জায়েদের স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় গালফ জায়ান্টস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজ, তবে প্রথম ওভারে তিনি কিছুটা খারাপ করেন এবং ১৩ রান দেন। এরপর ১৪তম ওভারে আবারো বল হাতে নেন ফিজ, তখনই তিনি ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেন। মুশফিকের প্রথম বলেই চার মারেন জেমস ভিন্স, তবে পরের বলটি ওয়াইড হয়। দ্বিতীয় বলের মোকাবেলায় ভিন্স সাজঘরে ফিরে যান, ৩৪ বলে ৩৬ রান করে তিনি ক্যাচ দিয়ে আউট হন।

    পরের ওভারে স্ট্রাইক পান কাইল মায়ার্স। মোস্তাফিজের অফ কাটার বলটি খেলতে গিয়ে ভিন্সের মতোই আউট হন আফগান ব্যাটার আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ২৬ বলে ৪৩ রান করে তিনি বোল্ড হয়ে যান। এরপর তিনি এক অসাধারণ ডেলিভারিতে আরও একটি উইকেট তুলে নেন, ডান হাতি ডিকসনের ব্যাটের বাইরের কানা দিয়ে। বাবার মতো মেজাজে থাকায় এই ডেলিভারিটি অসাধারণ ছিল।

    মোস্তাফিজ নিজে ৩ ওভার বল করে ৩৪ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। শেষ পর্যন্ত গালফ জায়ান্টস সবকিছু হার মানিয়ে ১৫৬ রান করে অলআউট হয়। সেই রান টপকাতে নেমে দুবাই দ্রুত শুরু করে এবং ৪ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় লাভ করে। ম্যাচের সেরা পারফরমার্স হিসেবে তিনি পুরস্কার পান। এই জয়ে মোস্তাফিজের দক্ষতা আবারও প্রমাণিত হলো, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জয় করে নিল।

  • রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন

    রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন

    রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা আদর্শ যুব সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে একান্ত উত্তেজনাপূর্ণ ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্ব, যার সাথে সম্পৃক্ত ছিল পুরস্কার বিতরণি ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান। রবিবার বিকেলে এই উৎসবমুখর আয়োজনটি স্থান পেয়েছিল বামনডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে।

    ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় রূপসার কাজদিয়া শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ এবং মোল্লাহাট মানিক স্মৃতি একাদশ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় শুরুতেই আধিপত্য দেখায় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ। প্রথম ৪ মিনিটের মধ্যেই খেলোয়াড় মিরাজ (৭ নম্বর জার্সি) এবং লিপু (১০ নম্বর জার্সি) পরপর দুটি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন।

    এরপর মানিক স্মৃতি একাদশের ১১ নম্বর জার্সিধারী শহিদুল একটি গোল করে ম্যাচে কিছুটা ঝাঁঝ যোগ করেন। ম্যাচের শেষ সময়ে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলাটি জমাট বোঝায়, তবে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জয় লাভ করে শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ। এই জয়ে তারা টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গৌরব অর্জন করে।

    খেলা পরিচালনা করেন রেফারি শেখ কামাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও মুক্তার হোসেন মিঠু। ধারাভাষ্য দেন মুস্তাহিদুর রহমান মুক্ত।

    খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল কবীর সজল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আঃ রশিদ, আরিফুর রহমান, শেখ আনিসুর রহমান আনিস এবং মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক অধ্যাপক খান আহমেদুল কবীর (চাইনিজ) এবং সাবেক মেরিন অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ আবুল মাসুম।

    ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ হালিম মোল্যার সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা মোল্লা দুরুল হুদা ও মোঃ রেজাউল্লাহ সরদারের যৌথ পরিচালনায় এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হুমায়ূন কবীর, ঘাটভোগ ইউনিয়ন সার্চ কমিটির সদস্য এস এম আঃ মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, সাইফুল ইসলাম পাইক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবর শেখ, মোস্তফা শেখ, জিন্নাত শেখ, আরিফ মোля, আবুল কাশেম কালা, মহিতোষ ভট্টাচার্য প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের শেষতালে বিশেষ দোয়া করা হয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে, যেখানে সৃষ্টিকর্তার কাছে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার জন্য প্রার্থনা করা হয়।

  • মেসি ভারত সফরে কত টাকা খরচ করেছেন জানা গেল

    মেসি ভারত সফরে কত টাকা খরচ করেছেন জানা গেল

    ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পেছনে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার কারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি)-এর জেরায় তিনি জানান, অনুষ্ঠানের সময় অতিরিক্ত ভিড়, অপ্রত্যাশিত স্পর্শ ও বিশৃঙ্খলার কারণে বিশ্ববিখ্যাত এই ফুটবল তারকা নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ত্যাগ করেন।

    সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে দত্ত বলেন, ‘মেসি পিঠে হাত দেওয়া বা জড়িয়ে ধরা একদমই পছন্দ করেন না।’ তিনি আরো বলেন, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই বিদেশি নিরাপত্তাকর্মীরা আয়োজকদের সতর্ক করেছিলেন এই বিষয়ে।

    দত্তের ভাষ্য অনুসারে, মাইক দিয়ে বারবার দর্শকদের সংযত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হলেও কেউ ততটা মনোযোগ দেয়নি। ‘যেভাবে মেসিকে ঘিরে ভিড় সৃষ্টি হয়েছিল, সেটা তাঁর জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ছিল,’ জানান তিনি।

    অতিথি অতিথিদের মধ্য থেকে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে অনুষ্ঠান শেষে মেসির কাছাকাছি দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ছবি তোলার সময় মেসির কোমরে হাত রেখেছেন। এই দৃশ্যের কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন অরূপ বিশ্বাস। পরে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজের পদ থেকে অব্যাহতি নেন।

    তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কতজন মানুষ মাঠে প্রবেশের অনুমতি পেল এবং কীভাবে এত বিশাল সংখ্যক দর্শক স্টেডিয়ামের ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হয়। দত্ত দাবি করেছেন, প্রথমে স্টেডিয়ামে মাত্র ১৫০টি গ্রাউন্ড পাস ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু এক ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি’ স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পর সেই সংখ্যা তিনগুণে বৃদ্ধি পায়। তিনি অভিযোগ করেন, এই ব্যক্তির হস্তক্ষেপের কারণে পুরো অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ভেঙে যায় এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতি অসুবিধায় পড়ে।

    দত্তের আরও দাবি, ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি মাঠে প্রবেশের পর সকল পরিকল্পনা বদলে যায়, যার ফলে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এ বিষয়ে পুলিশ এখন তদন্ত করছে যে, পাসের সংখ্যা বাড়ানো কি ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণ ছিল।

    অতিরিক্তভাবে, শতদ্রু দত্ত জানিয়েছেন, মেসির ভারত সফরের মোট খরচ ছিল প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে মেসির পারিশ্রমিক ৮৯ কোটি টাকা, যা ছিল মূল খরচ। এছাড়া, ভারত সরকারকে কর হিসেবে দেওয়া হয় ১১ কোটি টাকা। এই সব খরচের মধ্যে ৩০ শতাংশ আসে স্পনসরদের কাছ থেকে, অন্য ৩০ শতাংশ আসে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে।

    অর্ধশতকের বেশি টাকা দত্তের কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেছে, যেখানে তিনি ডলার ও টাকা পেয়েছেন। শুক্রবার তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ হয়েছে। দত্ত অভিযোগ করেছেন, তার এই অর্থের উৎস হলো কলকাতা ও হায়দরাবাদের মেসি ইভেন্টের টিকিট বিক্রি ও স্পনসরদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ। তবে, তদন্তকারীরা এখনও এই দাবির সত্যতা যাচাই করছে।

    সল্টলেক স্টেডিয়ামে হাজার হাজার দর্শক উচ্চমূল্যের টিকিট কিনেছিলেন, কিন্তু বিনোদনের সময় খারাপ পরিস্থিতির কারণে অনেকের দর্শনীয় স্থান দেখা সম্ভব হয়নি। ভিড়ের বিশৃঙ্খলার কারণে কিছু দর্শক ক্ষুব্ধ হয়ে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালায়।

    এই ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দলে রয়েছেন পীযূষ পাণ্ডে, জাভেদ শামিম, সুপ্রতিম সরকার এবং মুরলিধর। তারা বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যর্থতা, অনুমতিপত্র লঙ্ঘন, এবং আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা। এই সব বিষয় এখন এসআইটির তদন্তের আওতায়।

  • মমতার হুঁশিয়ারি: বাংলায় হাত দিলে দিল্লি কেড়ে নেব

    মমতার হুঁশিয়ারি: বাংলায় হাত দিলে দিল্লি কেড়ে নেব

    ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা আসার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতির মাঝে সোমবার কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের কর্মীসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও শক্ত ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি যেমন বলেছেন, ‘‘বাংলায় হাত দিলে দিল্লি আমরা কেড়ে নেব।’’ একদিকে তিনি বিজেপির উদ্দেশ্যে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘‘বিজেপি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, সো-called ‘টোটাল অটোক্র্যাসি’ চলছে। ইতিমধ্যেই ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি হিন্দু।’’ মমতা অভিযোগ করেন, এএসআইআরের দীর্ঘ প্রক্রিয়া হলেও তা স্বল্প সময়ে কার্যকর করা হচ্ছে বলে জনমনে সন্দেহ বিরাজ করছে। তিনি পুরো প্রক্রিয়াটিকে ‘ব্লান্ডার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘‘এটা পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয়, পরিকল্পনা ছাড়া। বিজেপির মানসিকতা তাদের নিজের মতে সিদ্ধান্ত নেওয়া, যা সম্পূর্ণ অগোছালো।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপির দাবি তাদের আরও দেড় থেকে দুই কোটি নাম বদলাতে হবে।’’ বিজেপিকে চ্যালেঞ্জের মুখে তুলে মমতা সরাসরি বলেন, ‘‘বাংলায় জেলার লড়াই করুন, বাংলায় লড়াই করলে ওদের দিল্লিও কেড়ে নেব। চাইলে আমি নিজেও রেহাই দেব না, কিন্তু আমি শুধু মানুষের কথাই বলব।’’এছাড়া, ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য বাস্তবপ্রায় কাজ হলেও, এর কোনও প্রভাব ভোটের ফলাফলে পড়বে না বলে ঘোষণা দেন মমতা। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন দিন দিন নির্দেশনা পাল্টে যাচ্ছে, ইতিমধ্যে অন্তত ২২ থেকে ২৪ বার নীতি পরিবর্তন হয়েছে। এর ফলে অবৈধ ভোটাররা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখবেন—বাদ পড়া ভোটাররা বাস্তবে আছেন কি না। যদি কোনও ভুল পাওয়া যায়, তাহলে তারা যেন যথাযথভাবে অভিযোগ জানাতে পারে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। ভুক্তভোগী ভোটারদের সহযোগিতা করতে দলীয় প্রতিনিধি, বিধায়ক ও কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে, এএসআইআরের খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটার বাদ গেছে বলে জানা গেছে। ফলে, এই প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রাথমিকভাবে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকছে।

  • অবৈধ ১৯ অভিবাসীকে বাংলাদেশের পথে পাঠাল আসাম পুলিশ ও বিএসএফ

    অবৈধ ১৯ অভিবাসীকে বাংলাদেশের পথে পাঠাল আসাম পুলিশ ও বিএসএফ

    আসামের পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ১৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। তাদেরকে আসামের নগাঁও ও কার্বি আংলং জেলা থেকে আটক করা হয়। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই অভিযাকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য এক ধরনের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া যেন শেষ না হয়, তার জন্য নিশ্চিত করে বলা হচ্ছে, তারা যেন জীবনের নতুন পথে ফিরে যায়। এ খবর জানিয়েছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল টাইমস অব ইন্ডিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্সে (টুইটার) তিনি এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ভারত থেকে তারা উধাও হয়ে গেছে, আবার নিজেদের নরককূপে ফিরে গেছে।’ এছাড়া তিনি এও উল্লেখ করেছেন, ‘বার্তা স্পষ্ট—আসামে অবৈধভাবে থাকার কোনো সুযোগ নেই, শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত।’ অভিযানে যুক্ত কর্মকর্তারা জানান, আসামের জনসংখ্যা ও নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন অবৈধ বসতি উচ্ছেদের অংশ হিসেবে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। তাঁদের মতে, এই কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ আসামকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য এক সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। কর্মকর্তারা আরও বলেন, এই অভিযান আসামের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এটি সরকারের অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান পরিষ্কার করে।