বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধার ও সম্পদ সংযুক্ত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও সংযুক্ত করা হয়। এই তথ্য জানানো হয়েছে বুধবার জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার পরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। সভার মূল লক্ষ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদ্যমান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কিছু ধারা আধুনিক করার জন্য সংশোধন আনবেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কেসের ওপর নজর রাখা হয়। এই কেসগুলোতে এখন পর্যন্ত ১০৪টি মামলা দায়ের ও ১৪টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত এ যাবত ৪টি মামলার রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও বাইরেও ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ১১ কেসের বিরুদ্ধে ২১টি মল্টাইল অর্ডার (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দ্রুত চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর পাঠানো ও মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার। এগুলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়া প্যাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) দ্বারা ২০২৭-২৮ মেয়াদে বাংলাদেশের উপর মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন কার্যক্রম চালানো হবে। সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এই ইভ্যালুয়েশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন, ফাইন্যান্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা।
Author: bangladiganta
-

দেশের ইতিহাসে সর্বচ্চো সোনার দাম ভাঙল
দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আবারও বাড়ল। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা করে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। নতুন দাম আজ (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।
বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে কিছুটা কমেছে তেজাবি সোনার দাম। এই পরিস্থিতির ভিত্তিতে নতুন দামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৫ ডিসেম্বর টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই সময় ১ হাজার ৪৭০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা।
নতুন দাম অনুযায়ী, এখন দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের এক ভরি দাম হবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য সোনার দাম হবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা প্রতি ভরি।
অপরদিকে, দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩৬২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি রুপা ২ হাজার ৭৯৯ টাকায়।
-

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমার সম্ভাবনা জানুয়ারি থেকে
অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর পরিকল্পনা করেছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা যদি অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন পায়, তবে তা বাস্তবায়িত হবে। এরপর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করবে। সূত্র জানায়, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড় হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ স্বল্প অঙ্কের বিনিয়োগে বেশি ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগে কম মুনাফা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। একrepenবিনিয়োগে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে মুনাফা বেশি থাকবে, আর এর বেশি বিনিয়োগে হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ৩০ জুন সরকার জনপ্রিয়তাপূর্ণ সঞ্চয়পত্রের হার কিছুটা কমিয়ে দেয়, যার ফলে নতুন হার কার্যকর হওয়ার আগে এই প্রক্রিয়া চলবে। আইআরডি সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, কিন্তু যদি অর্থ বিভাগের সুপারিশ আসে, তাহলে পরিপত্র জারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে, পরিবারের সঞ্চয়পত্র এখনো বেশ জনপ্রিয়, যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা প্রদান করা হয়। পেনশনার সঞ্চয়পত্র, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিনমাসের ভিত্তিতে মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের হারও উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, এফডি, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে, বেসরকারি ব্যাংক সংগঠনের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার মনে করেন, হার কমলে বড় অঙ্কের সঞ্চয় সরকারি খাতে চলে যাওয়ার প্রবৃত্তি কমবে এবং অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরবে, যা ঋণ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে সরকার ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অতীতের অর্থবছরে এই ঋণ ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি।
-

এহসানুল হুদা দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন
বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘোষণা দেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
যোগদানের আগে এহসানুল হুদা বলেন, চরম এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা এসে দুই দলের সঙ্গে একত্রীকরণের পথে। তিনি আরো বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে বিএনপিতে যোগদান করেছি। ভবিষ্যতে বিএনপি ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে, দেশের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বললেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার বাস্তবায়নে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন, যেন দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারেন।
সাংবাদিকরা জানতে চান, দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করেছেন কিনা, এ বিষয়ে এহসানুল হুদা কিছুটা অবসরে থাকেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হ্যাঁ, দল বিলুপ্ত করে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেছেন।’ পরে এহসানুল হুদা মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন করেন, ‘এটা বলতে হবে?’ উত্তরে ফখরুল বলেন, ‘হ্যাঁ, আপনি দলের কোনও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ নেননি।’
অবশেষে, এহসানুল হুদা স্বীকার করেন, ‘হ্যাঁ, আমি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছি।’ এবং সাংবাদিকদের আরো জানিয়ে দেন, তিনি একা নন, তার সাথে দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। সবাই একসঙ্গে নতুন রাজনৈতিক ধারায় অগ্রসর হতে চাইছেন, এমনটাই জানিয়েছেন এই যোগদানকারীরা।
-

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: নিরাপত্তা ও জনসাগমের ব্যাপক প্রস্তুতি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য তার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। মাত্র দু’দিন পর তিনি দেশে ফিরছেন, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৭ বছর পর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য দলটি বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। দলের নেতারা সর্বোচ্চ জনসমাগম এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও সামরিক প্রস্তুতিতে জোর দিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে দলের নিজস্ব পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা মঞ্চ তৈরি শুরু হয়েছে, যাতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিতে পারেন। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের স্বাগত জানাতে রাজধানীতে Estimated ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিধানে কঠোর নির্দেশনা জারি হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা স্থান ও গুলশান পর্যন্ত বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা দলের শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। সেই সঙ্গে, কি তিনি সরাসরি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন নাকি ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি; তবে সম্ভবত তিনি আগে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতাল যাবেন। তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার জন্য বিশেষ ট্রেন ও চাস্তা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, তিনি ইতোমধ্যে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করেছেন। তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত ফ্লাইটটি ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় রওনা হবে। আশা করা হচ্ছে, ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১:৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। ফ্লাইটে থাকবেন তার পরিবারের সদস্যরা, যেমন তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান, পাশাপাশি তার মিডিয়া টিমের কয়েকজন সদস্য। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলীয় নিরাপত্তা টিমের প্রধান হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি নেতৃত্ব দেবেন সিকিউরিটি টিমের, যারা বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত তার নিরাপত্তার সব দিক দেখভাল করবেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বোচ্চ নেতাকর্মীরা বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তাদের অংশীদারিত্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও সতর্কতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তারেক রহমানের নিরাপত্তার জন্য কোনও বিশেষ ঝুঁকি এখনও স্পষ্ট নয়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার দেশে ফেরার পর তার চলাফেরা পুলিশের পাহারায় থাকবে। বাসভবন ও অফিসেও থাকবে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা স্তর। কাউকে অনুমতি ছাড়াই তার ধারে কাছেও যেতে দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা ও পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক তার নিরাপত্তা দেখবেন। তারেক রহমানের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে হাজারো পুলিশ সদস্য। আরও থাকবেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সোয়াট দল, বেম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের সদস্যরা। তিনি বিশেষ করে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন ও দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার পরিকল্পনা রয়েছে। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই সময়ে প্রস্তুতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে উপস্থিতির জন্য যেন কোন বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নেতারা জানান, এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জেলায দলীয় নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং মূল শহর ঢাকায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে। স্বেচ্ছাসেবক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারাদেশ থেকে দলীয় সমর্থকদের সমাগম বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক কাজে জন্য প্রস্তুতি সুনির্দিষ্ট ও সুসংগঠিত।
-

বিএনপির জোটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পেল 4 আসন
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম চারটি আসন পেয়েছে। দলটি প্রথমে পাঁচটি আসনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু বিএনপি তিনটি আসনে সম্মতি দেয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপারিশে আরও একটি আসন বাড়িয়ে মোট চারটি আসন করা হয়।
-

রুমিন ফারহানার কপাল পুড়ল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দ্রুত সামনে এসে পৌঁছালেও প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত হলেও বিএনপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে শেষ মুহূর্তে কাউকে প্রার্থী হিসেবে জানিয়েছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে দলের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিএনপির সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বড় ধরনের আঘাত পেলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ সময়ে এসে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিএনপি দেশের ২৭২টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনটি শুরু থেকেই ফাঁকা রাখা হয়। দলের অভ্যন্তরে ধারণা ছিল, এখানে রুমিন ফারহানার নাম অন্তত প্রকাশ পাবে। কিন্তু মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দলীয় এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রত্যাশা ভেস্তে যায়। বিএনপি জানান, আন্দোলনের শরিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তারা নতুন কোনও প্রার্থী দেবে না এবং এই আসনটি কার্যত তার শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অন্যদিকে, সরকার পক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে রুমিন ফারহানা তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এই আসন থেকে তিনি নির্বাচন করবেন। সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছেন। সম্প্রতি এক নির্বাচনী কর্মসূচিতে নিজের পরিকল্পনা প toutে তিনি বলেন, “আমি যা বলি, আমি তা–ই করি। সেটাই যদি ভাল হয় বা খারাপ হয়, আমার কিছু করার নেই। যদি সবাই আমার পাশে থাকেন, তাহলে আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়াই চালিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আমার বিশ্বাস, আমি আমার মনোনীত স্থানে থেকেই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”
-

নাহিদ ইসলামের কড়া মন্তব্য: এ ধরনের হামলা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সম্পাদক পরিষদ দ্বারা আয়োজিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যা ঘটছে, তা একেবারে পরিকল্পিত অপরাধ বলে মনে হয়। আমাদের সবার উচিত নিজেদের মত প্রকাশের পাশাপাশি এই ঘটনার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেওয়া। তিনি আরও বলেন, যারা ওই রাতে এই হামলা চালিয়েছে, তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। তাই সরকারের কাছ থেকে সঠিক তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করতে হবে। এর সাথে সঙ্গে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অন্যান্য সহিংস ঘটনাগুলোরও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাইয়ে যদি কেউ গণ-অভ্যুত্থানের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তবে আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব। মিডিয়ার উপরে এই ধরনের হামলার ঘটনা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা অপরিহার্য।
-

ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে দিল্লি ও শিলিগুড়িতে হামলার প্রতিবাদ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে নয়াদিল্লি এবং শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ভারতের হাইকমিশনারকে তলবের পর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ অকপটে এসব ঘটনাকে ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বলে উল্লেখ করে, সহিংসতা এবং ভীতিকর পরিস্থিতির জন্য ভারতের প্রতি তীব্র নিন্দা জানায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এসব ঘটনা কেবল কূটনীতিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, শান্তি ও সহনশীলতার মূল্যবোধের বিরোধী। সূত্রের ভাষ্য মতে, সকালে ৯টা ৪০ মিনিটে প্রণয় ভার্মা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের দপ্তরে প্রবেশ করেন। কিছু সময়ে ভেতরে থাকাকালীন তারা কারো কাছ থেকে আসা-যাওয়া করেন, এরপর তারা দ্রুত মন্ত্রণালয় থেকে বের হন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আশপাশে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনার পাশাপাশি ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্রে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর ভাঙচুরের ঘটনার বিষয়ে ভারতের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আরও বলা হয়, ভারতে থাকা বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের সামনের সহিংস বিক্ষোভের ঘটনাও আমরা অগ্রহণযোগ্য মনে করি। এই সব ঘটনায় গভীর তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। বাংলাদেশ এই বিষয়ে ভারতের দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছে, বিশেষ করে কূটনৈতিক কর্মী ও স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক দায়িত্ববোধ অনুযায়ী, ভারত সরকারকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড নিঃশঙ্কোচিতভাবে চলাচ্ছে এবং তাদের মর্যাদা সুরক্ষিত থাকে।
-

একনেকে ৪৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকার ২২ প্রকল্পের অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সম্প্রতি সভায় ২২টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার ৪১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বিভিন্ন খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশন ভবনে একনেকের সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেকের চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এটি চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সপ্তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮তম সভা।
বৈঠকের শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুমোদিত ২২টির প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬,৪১৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি সম্পদায়ন হবে ৩০,৪৮২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ হিসেবে মোট ১,৬৮৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যয় হবে ১৪,২৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে সড়ক ও মহাসড়ক উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় প্রশাসনিক অবকাঠামো, শিক্ষা, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, কৃষি ও সমাজকল্যাণ খাতে নানা প্রকল্প। এর মধ্যে অন্যতম হলো কর্ণফুলী টানেল থেকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের গাছবাড়িয়া পর্যন্ত সংযোগ সড়ক উন্নয়ন, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে।
বৈঠকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে ডুগডুগি ঘোড়াঘাট পর্যন্ত মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীও অনুমোদন পেয়েছে, যেখানে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে এখন মোট ৫৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
দক্ষিণে, ঢাকা কাঁচপুর থেকে সিলেট ও তামাবিল মহাসড়কের চারলেন উন্নয়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর প্রকল্পের মেয়াদ চতুর্থবারের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনীর অনুমোদন হয়েছে, যার ব্যয় এবার ৪০৪ কোটি ৪ লাখ টাকা।
নতুন প্রকল্প হিসেবে ঢাকা ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি স্থাপন, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এলাকা ভিত্তিক অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, মোংলা কমান্ডার ফ্লোটিলা অবকাঠামো উন্নয়ন, ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ, ও নার্সিং শিক্ষার উন্নয়ন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে হাজী মোহাম্মদ দনেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উন্নয়ন প্রকল্পের সংশোধনী পাস হয়েছে। সমাজকল্যাণে দুস্থ শিশুর জন্য প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
পানি সম্পদ খাতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলাসহ গঙ্গা–কপোতাাক্ষী সেচ প্রকল্প, সুরমা–কুশিয়ারা নদী উন্নয়ন ও জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সরকার অধিদফতর অন্তর্গত জলবায়ু সহনশীল জীবনমান উন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সম্প্রসারণ, কৃষি উন্নয়ন, আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশনের অবকাঠামো প্রকল্পের মতো অন্যান্য প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়।
এই যৌথ উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিক্ষা ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
