Author: bangladiganta

  • হত্যাচেষ্টার মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    হত্যাচেষ্টার মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আজ সোমবার (তারিখ অনুযায়ী) ঢাকার একটি আদালত গ্রেপ্তার দেখেছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা ওই হত্যা-চেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

    আদালতে আসামি ফাহিমকে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন। শুনানির পর আদালত তাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো ও আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

    ঘটনার আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে আটক করে। পরে তারা তাকে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে; এরপর তাকে গুলশান থানায় পাঠানো হয়। ৩০ মার্চ গুলশান থানা তাকে মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।

    ব্যবস্থাপনা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর বছিলা এলাকায় র‌্যাব কোয়ার্টারের সামনে মিছিল চলাকালীন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মিছিলে গুলিবর্ষণ হয়। এতে একজন নাগরিক মাসুদ হোসাইন আহত হন ও হাসপাতালে ভর্তি হন; পরে বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তার অপারেশনও হয়।

    গত বছরের ২৪ আগস্টও আলোচনায় এসেছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিম; তখন বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে আটক করে যাত্রাবাড়ীর এক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর খবর উঠে আসে। সেই ঘটনাসহ গত বছরের জুলাইয়ে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের প্রতি তার অবস্থানের কারণে ফাহিমের নাম বিভিন্নবার আলোচনা ও বিতর্কে এসেছে।

  • পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলায় সাময়িক রেহাই পেলেন সালমান খান

    পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলায় সাময়িক রেহাই পেলেন সালমান খান

    পানমশলা বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলা মামলায় সম্প্রতি সাময়িক রেহাই পেলেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। একের পর এক শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও এখন রাজস্থান হাই কোর্টের স্থগিতাদেশে তিনি নির্দিষ্ট একটি হাজিরা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশন-২-এর কাছে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ ছিল সালমানের। ওই নির্দেশের ওপর রাজস্থান হাই কোর্ট স্থগিতাদেশ জারি করেছে, ফলে সে দিনের জন্য তাকে হাজিরা দেয়ার বাধ্যবাধকতা উঠেছে।

    এই মামলা দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল। বাদিয়ালের অভিযোগ, একটি পানমশলা বিজ্ঞাপনে কাজ করার ফলে পণ্যগুলোকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ ও ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, অথচ বাস্তবে তা নয়—ফলশ্রুতিতে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিজ্ঞাপন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন ওই পণ্যের প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এরপরও পরে জয়পুর ও কোটার মতো শহরে বিলবোর্ডসহ বিজ্ঞাপন দেখা যাওয়ার পর কমিশন মনে করে তাদের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, এবং সেই কারণেই মামলাটি হয়ে ওঠে তীব্র। কখনও শুনানিতে তার অনুপস্থিতি, কখনও বিজ্ঞাপনের প্রচার—এসব মিলিয়ে আদালত রেকর্ডে কড়া পদক্ষেপও নিয়েছিল।

    এদিকে খবরটি আসার সময়ে সালমান তাঁর নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন; শুটিং ইতোমধ্যেই শেষ বলে জানা গেছে। পুলিশি নির্দেশনা ও আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সেটাই এখন নজরকাড়া বিষয়।

  • কুয়াকাটা সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণে চার দিন ইন্টারনেট ধীরগতি বা বিঘ্নের সতর্কতা

    কুয়াকাটা সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণে চার দিন ইন্টারনেট ধীরগতি বা বিঘ্নের সতর্কতা

    আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ইন্টারনেট সেবাতে ধীরগতি বা আংশিক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ নিয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-5 (SMW5)-এর কনসোর্টিয়াম ‘S.1.5.1 Shunt Fault Repair’ শীর্ষক একটি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর ফলে ওই ক্যাবলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরমুখী সার্কিটগুলো সাময়িকভাবে প্রভাবিত হবে।

    বিএসসিসিএলের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমটি ৯ এপ্রিল রাত ১০টা থেকে ১৩ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৩ দিন ৮ ঘণ্টা চলবে। এটি Traffic Affecting হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকরা ইন্টারনেটের ধীরগতি বা আংশিক সেবা বিঘ্নের মুখোমুখি হতে পারেন।

    তবে বিএসসিসিএল নিশ্চিত করেছে যে, অন্য সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-4 (SMW4)-এর মাধ্যমে সেবা আগের মতোই অব্যাহত থাকবে এবং কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক সেবা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

    গ্রাহকরা প্রয়োজনবোধে তাদের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং সম্ভাব্য ব্যাহত পরিষেবার জন্য ধৈর্য ধরা অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • শিক্ষামন্ত্রী: সারা দেশে ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই

    শিক্ষামন্ত্রী: সারা দেশে ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই

    শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সারা দেশে মোট ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এসব গ্রামে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা নেওয়ার উপযোগী শিশুদের সংখ্যা প্রায় পৌনে তিন লাখ—সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি ২৭৬,৫১৩ জন।

    আজ জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন (ফেনী-২) যে প্রশ্নটি করেছেন, তার উত্তর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই এবং সমস্যা সারা দেশ জুড়ে বিস্তৃত।

    বিভাগভিত্তিক বিবরণে মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকায় ৭১৭টি গ্রামে, চট্টগ্রামে ৮১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, রংপুরে ৩৭টি, খুলনায় ৩৪১টি, বরিশালে ৪৫টি, সিলেটে ২৬০টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

    একই সংসদী পর্বে জামায়াতে ইসলামী দলীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাভুক্ত মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪ হাজার ৫৯টি প্রতিষ্ঠানে এখনও সরকারি অর্থায়নে ভবন নির্মাণ করা হয়নি। তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে সুবিধাবঞ্চিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন করছে।

    মন্ত্রী এসব তথ্য উপস্থাপন করে বললেন যে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যালয় বিস্তারের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সরকারের উদ্যোগ ও বাস্তবিক পরিকল্পনা কত দ্রুত ফল দেবে—এটি সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।

  • মির্জা ফখরুলের সতর্কবার্তা: কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন ছড়াতে চাইছে

    মির্জা ফখরুলের সতর্কবার্তা: কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন ছড়াতে চাইছে

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষকে ফেরার পথ দেখতে দেওয়া যাবে না; পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং তা রুখে দিতে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে তিনি সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে ত্যাগ করার আহ্বান জানান এবং মত দেন, ঘৃণা নয়—মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হওয়া উচিত আমাদের চলার মূল শক্তি।

    ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষকে ধারণ করার এক অনন্য উদাহরণ। এখানে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধধর্মের অনুসারীরাও মিশে আছে এবং দীর্ঘকাল ধরে এই ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে। অতীতেও ধর্মভিত্তিক বিভাজন প্রচেষ্টা দেখেছে দেশ; সেসব থেকে সবাইকে উঠেপড়ে পরিত্রাণ পেতে হবে বলেও তিনি জোর দিয়ে মন্তব্য করেন।

    খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আগামীতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চান—and বলেন যে দেশের উন্নয়নের জন্য সামনে অনেক কাজ রয়েছে, সেগুলো সফল করতে সবাইকে একভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়ন দাবিতে ১১ দলীয় জোট চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়ন দাবিতে ১১ দলীয় জোট চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংশোধন পরিষদ আহ্বান ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট দেশজুড়ে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মগবাজারে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও উপহাস করছে এবং সংবিধান সংশোধনের প্রসঙ্গে নির্বাচনের আগে দলগুলোর মধ্যে যে ঐকমত্য ছিল তা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় ফ্যাসিবাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং যারা জনদুর্ভোগ তুলে ধরে সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এমন নব্য ফ্যাসিবাদকে যে কোনো মূল্যে রুখে দেবে ১১ দলীয় ঐক্য, যোগ করেন তিনি।

    আন্দোলনের সূচি সম্পর্কে মামুনুল হক জানান, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে এক সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল, ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সমাপনী হিসেবে ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে একটি জাতীয় সেমিনার আয়োজন করা হবে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারই বিরোধীদলকে রাজপথে নামতে বাধ্য করে তুলছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ডে দেশ হতবাক এবং বিস্মিত, গণভোটের রায়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট কার্যত স্থগিত রয়েছে, অথচ সংসদে এক একজন ব্যক্তির আচরণকে ভিত্তি করে বিএনপি সংবিধান নিয়ে সংকট তৈরি করছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলের বক্তব্য আটকে দেওয়া হচ্ছে এবং যারা দিল্লির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে তাদের ‘রাজাকার’ বলে কটাক্ষ করা হচ্ছে। তিনি শেষ করে বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • লোকসানে ১৭ ব্যাংক, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে

    লোকসানে ১৭ ব্যাংক, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে

    দেশের ব্যাংক খাতে ২০২৪ সালের আর্থিক সংকট ও পরবর্তী সময়ের অস্থিরতার প্রভাবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় বড়ভাবে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়ে ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে সিএসআর খাতে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা—আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তফসিলে ২০২৪ সালের সিএসআর ব্যয় ছিল ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে এই ব্যয় ছিল ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ এবং ২০২২ সালে ১,১২৯ কোটি টাকা। ফলে দুই বছরের ব্যবধানে সিএসআর ব্যয় প্রায় ৫১৩ কোটি টাকা অথবা ৪৫ শতাংশের বেশি কমেছে। গত এক দশকে ২০২৫ সালের এই ব্যয়ই সর্বনিম্ন—এর আগে ২০১৫ সালে সিএসআর ব্যয় ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা; সেই তুলনায় এবার খাতে প্রায় ১৮২ কোটি টাকা বা ৩৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম জনায়, যা খাতে নতুন নিম্নমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

    খাতের লোকজন ও বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পরবর্তী সরকার বদলের প্রভাব ব্যাংকিং সেক্টরে বড় ধাক্কা দিয়েছে। একই সময়ে কিছু ব্যাংকের অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় কাগজে–কলমে দেখানো মুনাফার বিপরীতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র সামনে এসেছে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ায় প্রকৃত লোকসানের হিসাব স্পষ্ট হয় এবং বিশেষ করে শরিয়াভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক বড় ধাক্কায় পড়েছে। দুর্বল কিছু ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকার একাধিক ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

    ব্যাংকারদের একাংশ মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনও সিএসআর ব্যয় কমানোর প্রধান কারন। আগে রাজনৈতিক সরকার থাকাকালে নানা পর্যায় থেকে অনুদান বা সহায়তার চাপ থাকাত—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে ব্যাংকগুলোর ব্যয় করানোর অনুরোধ ছিল। ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের পর এসব চাপ অনেকটাই কমে যায়, ফলে ব্যাংকগুলো এবার বেশি সতর্কতা নিয়ে সিএসআর প্রকল্প বাছাই করছে।

    অন্যদিকে অর্থনীতিবিদদের বক্তব্য, সিএসআর খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। রাজনৈতিক চাপ বা অনিয়মের কারণে অনেক সময় এই অর্থ অনুৎপাদনশীল খাতে চলে যায়, যা সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার একটি নির্দিষ্ট অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে বলা হয়েছে: এর মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষা, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বাকি ২০ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যয় করার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি—৩৬ শতাংশ—ব্যয় হয়েছে ‘অন্যান্য’ খাতে; শিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ২৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ, আর পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে কেবল ১০ শতাংশই ব্যয় করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে ১১টি ব্যাংক সিএসআর খাতে একটাও টাকা ব্যয় করেনি। শূন্য ব্যয়কারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে: জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

    আরও উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে লোকসানে থাকা ১৭টি ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে: জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। এর মধ্যে ছয়টি লোকসানভোগী ব্যাংক সত্ত্বেও সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করেছে—রয়েছে এবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

    সংক্ষেপে, ব্যাংক খাতের আয় ও মুনাফা সংকট, রাজনৈতিক পরিবেশ অনিশ্চয়তা এবং স্বচ্ছতার অভাব মিলিয়ে সিএসআর খাতে ব্যয়ে বড় ধাপ কমেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সঠিক বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা না থাকলে সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রকৃত লক্ষ্য ক্ষুন্ন হতে পারে—এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ফিরলেও সিএসআর কার্যক্রমকে পুনরায় গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

  • সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি

    সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোনার দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দর বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি মাথায় রেখে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেটের মূল্যও নিম্নরূপ নির্ধারিত হয়েছে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

    সোনার সাথে সাথে রুপার দামও বেড়েছে। রুপার প্রতি ভরি দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৮৯০ টাকা। এর মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার মূল্য ৩ হাজার ৬১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলিতে সতর্কতা তীব্রতর

    যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলিতে সতর্কতা তীব্রতর

    যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মাঝেই উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও সীমান্ত ও আকাশসীমায় অস্থিরতা রয়ে গেছে।

    কুয়েত

    দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও নির্বিচারে উড়ানো ড্রোনগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

    বাহরাইন

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সারাদেশে সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজিয়েছে। জনসাধারণকে দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং জরুরি সেবাসমূহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    সৌদি আরব

    বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আগাম সতর্কতা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সম্ভাব্য বড় ধরনের আঘাতের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত

    কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা হুমকির মাত্রা অত্যন্ত ‘উচ্চ’ বলে জানিয়েছে এবং জনসাধারণকে ঘরের ভেতর অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে, যাতে কোনো সম্ভাব্য হুমকি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।

    কেন সতর্কতা বাড়ল

    যৌথভাবে দুই সপ্তাহকালীন যুদ্ধবিরতির ওপর জন্মানো সমঝোতা থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চূড়ান্ত নির্দেশ না পাওয়ার কারণে অনিশ্চয়তা কমে না। উপসাগরীয় দেশগুলো এই অনিশ্চয়তা থেকে হওয়া প্রক্সি হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার আশঙ্কা করে সতর্কতা বাড়িয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু সেই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই নিরাপত্তাজনিত সতর্কবার্তা ছড়িয়ে পড়ায় ছড়াছড়ি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা ত্রুটিহীন নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন যাতে নাগরিক নিরাপত্তা বজায় রাখা যায়।

  • শেহবাজের এক্স পোস্ট কি তাঁরই লেখা? ফোর্বসের সন্দেহ

    শেহবাজের এক্স পোস্ট কি তাঁরই লেখা? ফোর্বসের সন্দেহ

    মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস প্রশ্ন তুলেছে যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের এক্স (পুরনো টুইটার) পোস্টগুলো কি তিনি নিজে লেখেন নাকি বাইরে থেকে কেউ লিখে দেন। ফোর্বস তার প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, vulnerability বা কূটনৈতিক আলোচনায় সময় বাড়ানোর আহ্বান-ভিত্তিক এক পোস্টে শেহবাজ মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন যে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি স্থগিত রেখে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে দুই সপ্তাহ সময় বাড়ানো হোক। তিনি লিখেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দৃড়ভাবে এগোচ্ছে এবং তা সম্ভবত অচিরেই ফলপ্রসূ হবে।

    ফোর্বস নথিপত্রের একটি খসড়া অনুলিপি প্রকাশ করেছিল। ওই অনুলিপি প্রকাশের পরেই পোস্টটির লেখকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং ড্রপ সাইট সাবস্ট্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফোর্বসকে বলেন, পোস্টটি সম্ভাব্যভাবে শেহবাজ নিজে লিখেছেন বলে মনে হচ্ছে না। তিনি বিশেষ করে লক্ষ্য করেছেন যে পোস্টে শেহবাজের নামের নিচে যে হ্যান্ডেল ব্যবহার করা হয়েছে—@CMShehbaz—তা এবং কিছু টোনাল বৈশিষ্ট্য সাধারণত পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী বা তাঁদের অফিসের স্বভাবসুলভ নয়। তিনি আরও সন্দেহ প্রকাশ করেন যে পোস্টটি যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের কোনো পক্ষ থেকে লেখা হতে পারে।

    অন্যান্য ব্যবহারকারীরাও খসড়া পোস্টটি পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের লেখা নাও হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ফোর্বস জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    ফোর্বসের প্রতিবেদন সূত্র: ফোর্বস।