Author: bangladiganta

  • খুলনায় বাসে তল্লাশি, ২৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক 1

    খুলনায় বাসে তল্লাশি, ২৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক 1

    খুলনার কৈয়া বাজারে পুলিশের পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। বুধবার দুপুরে নগরীর হরিণটানা থানা এলাকার কৈয়া বাজারের কাছে এ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ চালকের আসনে থাকা মিলন মন্ডল (৩৮), যিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার বাসিন্দা এবং বাবুল মাল এর ছেলে, তাকে আটক করে।

    পুলিশ জানিয়েছেন, ইয়াবাগুলির চালান মূলত মিয়ানমার থেকে সাগর পাথর দিয়ে ভারতীয় জেলেদের মাধ্যমে আসে সাগর পথে। এরপর সড়ক পথে এগুলি সরবরাহ করা হয় খুলনা ও ঢাকায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মিলন মন্ডলকে আটক করে। এর আগে এই রুট ব্যবহার করে বহু চালান পাচার হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, এটি খুলনায় সাম্প্রতিক সময়ের הגדולতম ইয়াবার চালান। উদ্ধারকৃত মাদক মোট সংখ্যার আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার পিস। তিনি আরও বলেন, আটক মিলন মন্ডলের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। তিনি বেদেও সম্প্রদায়ের সদস্য। এই চক্রের সঙ্গে কারা-কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, সাতক্ষীরা থেকে একটি মাদক চালান খুলনা হয়ে ঢাকায় যাবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কৈয়া বাজারে চেকপোস্ট বসায়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাতক্ষীরাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি গাড়ি থামানোর সংকেত দেয়। গাড়ি থামার পরে পুলিশ তার তল্লাশি শুরু করে। মিলন মালের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তার ব্যাগ তল্লাশি করে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • ডাকাত আতঙ্কে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছে দুবলার চরের পাঁচ হাজার জেলে

    ডাকাত আতঙ্কে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছে দুবলার চরের পাঁচ হাজার জেলে

    বনদস্যুদের কবলা ও আতঙ্কের কারণে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে সাগর ও সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন দুবলার চরের প্রায় পাঁচ হাজার শুঁটকিকরণ জেলেসহ শত শত সাধারণ জেলের দল। গত দুই দিনেও অপহৃত ২০ জন জেলের খোঁজ মেলেনি, আর এটা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত সোমবার রাতের দিকে বনদস্যুরা তাদের অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বনবিভাগের আয়-রোজগার কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    দুবলার জেলেগোষ্ঠীর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ বললেন, সুন্দরবন ও সাগরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বনদস্যুদের terror ও চেতনা বাড়ছে। এ কারণে তারা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে মাছ ধরা বন্ধ করে চরে অবস্থান নিয়েছেন। জেলেরা এখন চরে বসে অবসর কাটাচ্ছেন এবং মৌসুম শেষের আগে ঘর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি ভাবছেন।

    তিনি আরও বললেন, সুন্দরবনে চারটি দল সক্রিয় রয়েছে— জাহাঙ্গীর, সুমন, শরীফ ও করিম বাহিনী। এ দলগুলো বনদস্যুদের নামে পরিচিত, যারা খাটাখাটনি ছাড়াই বন ও সাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। উল্লেখ্য, তারা জেলেদের ধরে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে, কিন্তু টাকা দিতে না পারলে মারধর করে থাকে। গত সপ্তাহে চারজন জেলে দস্যুদের মারধরে গুরুতর আহত হয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য রামপালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সুন্দরবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলিষ্ঠ না থাকায় দস্যুরা প্রকাশ্যে বিচরণ করছে। গত ২০১৮ সালে তৎকালীন সরকার সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত ঘোষণা করেছিল, কিন্তু এখন আবার দস্যুরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে— এটা চরম উদ্বেগের বিষয়।

    অন্যদিকে, আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী বলেন, ‘আগে ছিলো, জলাধারে কুমির আর মাঠে বাঘ। এখন সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে, সাগরে গেলে ডাকাত।’ দস্যুদের তাণ্ডবের কারণে মাছ ধরা বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১৫ দিনেও অনেক জেলেকে দস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। বর্তমানে কমপক্ষে শতাধিক জেলে দস্যুদের আমলে আটক রয়েছে। গত সোমবার রাতে অপহৃত ২০ জনের সঙ্গে দস্যুরা যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর দিয়েছে, কিন্তু এ পর্যনতেও তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের জেলেপল্লী দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মিলটন রায় বলেন, দস্যু আতঙ্কের কারণে জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন, ফলে রাজস্ব ও আয় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আরও জানানো হয়, সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা বাজারের বেশ কিছু মুদি দোকানী— যেমন জালাল মোল্লা, আনোয়ার সওদাগর, রিপন হাওলাদার— বলেছেন, জেলেরা সুন্দরবনে না যাওয়ায় তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    অন্যদিকে, শরণখোলা রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার খবর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বনরক্ষীরা জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ চালাচ্ছেন।

  • খুলনা বিএনপি: মাহে রমজানে পবিত্রতা রক্ষা সবার দায়িত্ব

    খুলনা বিএনপি: মাহে রমজানে পবিত্রতা রক্ষা সবার দায়িত্ব

    রমজান এসেছে রহমত, বরকত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে। এই পবিত্র মাসে পবিত্রতা রক্ষা এবং তাকওয়া অর্জনের জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন ইসলামী মূল্যবোধের অনুসারীরা। গতকাল বুধবার খোলনাবাসীর পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা রমজানের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেল এক বিবৃতিতে এ কথা উল্লেখ করেছে। পবিত্র রমজানে একজন রোজাদার মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট করুণা ভিক্ষা করলে তিনি সন্তুষ্টচিত্তে বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। এই মাসে একজন প্রকৃত মুমিন ব্যক্তি সারাদিন সংযম পালন করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রতি সচেতন থাকেন। তাকওয়া ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য পবিত্র রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি আমলে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোরদার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রমজানের শিক্ষা অনুযায়ী হিংসা-বিদ্বেষ, অসংযম ও অশান্তি পরিহার করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। রমজানের সম্মানে অবৈধ কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য কর্তৃপক্ষকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইফতারি ও সেহরি সময়ের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা চালু রাখতে ও খুলনা মহানগরীকে যানজটমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানান হয়েছে। পাশাপাশি, অশ্লীলতা দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণসহ মজুদদার, মুনাফাখোর ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যক্রম নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়। এইসব কথা বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও অংশগ্রহণকারীরা, যেমন মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ অন্যরা। সকলের উদ্দেশ্য হলো, রমজানের পবিত্রতা সংরক্ষণে সবাই সচেতন এবং উদ্যোগী হোন যেন এই মাসের শিক্ষা বাস্তবায়িত হয়।

  • নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত

    নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত

    নগরীর লবণচরা থানার বান্দাবাজার এলাকার রহমানিয়া গলির সামনে দুর্বৃত্তের দ্বারা গুলিবর্ষণের ঘটনায় যুবক আয়নুল (৩০) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় তার শরীরের ডান হাঁটুর উপরে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়। আহত আয়নুল বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি স্থানীয় ভুতের আড্ডা পার্ক এলাকার বাসিন্দা আলমগীরের ছেলে।

    প্রত আন্দোলনের প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানিয়েছেন, বুধবার রাত ৮টার দিকে আয়নুল সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক সেই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার ওপর অর্ণমূল্যে গুলি চালায়। দুইটি গুলি তার ডান হাঁটুর ওপর জড়িয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুতই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    লবণচরা থানার এসআই খালিদ হাসান জানান, গুলিবিদ্ধ হওয়া আয়নুলের শরীরে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং তার অবস্থা খুবই সংকটজনক। তিনি বলেন, পুলিশ এখন ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা করছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

  • খুলনায় মাদক বিরোধের জেরে যুবক গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় মাদক বিরোধের জেরে যুবক গুলিবিদ্ধ

    খুলনা মহানগরীর মওলার বাড়ি খালপাড় বোর্ড ঘরের সামনে এক যুবককে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে। এই ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন।

    আহত যুবক ব্যক্তির নাম সোহেল ওরফে চেগা সোহেল, বয়স ২৮ বছর, তিনি শাহাদতের ছেলে। বর্তমানে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোহেল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে নগরীর বিভিন্ন থানায়। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে হামলা করে।

    খুলনা থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, ওই রাতেও সন্ত্রাসীরা সোহেলকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। একটি গুলি তার কোমরের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকদের অবস্থা গুরুতর দেখে অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ঘটনাস্থলে পুলিশ মোবাইল করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে।

  • বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী যাতায়াত ও আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা

    বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী যাতায়াত ও আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা

    আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী ও বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই সময়ে কোন ধরনের যাত্রী প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবেন না। একই সঙ্গে, এই তিন দিন বেনাপোল বন্দরে সমস্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে, যাতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই বিশাল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করে নির্বাচন সূচীতভাবে সম্পন্ন করতে চাইছে। বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, সীমান্তে নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাকিস্তানি, ভারতীয় ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের এই সময়ে চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি এএম শাখাওয়াত হোসেন।

    তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার পেট্রাপোল-বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে কোন যাত্রী চলাচল করতে পারবেন না। তবে, শুক্রবার সকাল ৬টার পর পুনরায় আইনানুগ নিয়মে যাত্রী চলাচল চালু হবে। এর আগে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে জরুরি অসুস্থতা থাকলে সাধারণত ইমিগ্রেশন খোলা থাকত, তবে এবার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

    অপরদিকে, বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রভাবশালী নির্দেশনায় ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরপর, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে আবারও বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

    সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান আরো বলছেন, নির্বাচনের জন্য সকল সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, ট্রাকচালক ও হ্যান্ডলিং কর্মীরা নিজের নিজস্ব এলাকার ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ফলে এই তিন দিন দখলকৃত পথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম থেমে থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শনিবার থেকে আবারও আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে, যেন ব্যবসা-বাণিজ্য বিঘ্নিত না হয়।

  • ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল টাকার নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা

    ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল টাকার নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা

    বাংলাদেশ ব্যাংক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাল টাকার নোটের ডিজাইন ও কনটেন্টের বিরুদ্ধে এবার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা বলেছে, আসল নোটের মতো কাগজ তৈরি করে তা প্রচারণায় ব্যবহার করা বা ভিডিও ও ছবিতে দেখানো আইনসঙ্গতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ।

    সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ছে যেখানে আসল নোটের ডিজাইন এবং আকারের অনুরূপ—কখনও আরও বড় আকারের—নমুনা নোট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

    আরও বলা হয়, বাজার বা উন্মুক্ত স্থানে আসল টাকার অনুরূপ কাগজ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ঘটনাও লক্ষ্য করা গেছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড জাল নোটের প্রচলন বাড়াতে সহায়ক হতে পারে এবং পুরো মুদ্রার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করে দিতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯(৬) অনুযায়ী, কেউ যদি এ ধরনের নথি, কাগজ বা বস্তু তৈরি, ব্যবহার বা বিতরণ করে যা প্রচলিত ব্যাংক নোটের সদৃশ এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তবে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তারা আরও সতর্ক করে বলেছে, ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা গুজবমূলক তথ্য প্রচার করলে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধের মুখোমুখি হতে পারে।

    শেষে, বাংলাদেশ ব্যাংক জনসাধারণকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, অননুমোদিত ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে এবং জাল নোটের প্রচলন রোধে সচেতন থাকার জন্য।

  • ভ্যাট রিটার্নের সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি

    ভ্যাট রিটার্নের সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় সীমা বাড়িয়েছে। এখন থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে জমা দিতে পারবে। এই সিদ্ধান্ত নেন রোববার রাতে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব ব্যারিস্টার মোঃ বদরুজ্জামান মুন্সীর স্বাক্ষরিত একটি আদেশের মাধ্যমে। পূর্বে, প্রতিষ্ঠানগুলো মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আগের মাসের বিক্রয় তথ্য দিয়ে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করত। তবে, পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সময়ের সরকারি ছুটি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে চলমান টেকনিক্যাল সমস্যা যেমন সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকায় এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়। এনবিআরের জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন না দিলে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও জরিমানার আর্থিক ক্ষতিও হতে পারে। তবে, সার্ভার সমস্যার কারণে করদাতাদের অযথা জরিমানা এড়ানোর জন্যই এই সময়ের বৃদ্ধি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার হলেও, অনেক প্রতিষ্ঠানই যথাসময়ে রিটার্ন দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে, সময়ের বৃদ্ধি উদ্যোগটি করদাতাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • নতুন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: পৃষ্ঠপোষকতামূলক অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: পৃষ্ঠপোষকতামূলক অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পৃষ্ঠপোষকতার ভিত্তিতে চলা অর্থনীতি কখনই এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, আমাদের অর্থনীতিতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আনতে হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিসের দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

    অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এখন খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এ জন্য আগে জরুরি হলো দেশ থেকে এই প্রতিষ্ঠানের অবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া। পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এই সমস্যার সমাধানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ করেন, এগুলো না থাকলে বড় বড় পরিকল্পনাগুলির ফলাফল কাঙ্ক্ষিত হবে না।

    নতুন অর্থমন্ত্রী পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা সবাইকে দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করে সুফল পেতে পারে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দরকার সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো বা ডিরেগুলেটেড পদ্ধতি চালু করা। বর্তমানে বাংলাদেশে অত্যধিক নিয়ন্ত্রণের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ভুল নিরসনে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিতে হবে এবং অর্থনীতি liberalize করতে হবে।

    অর্থনীতির লিবারলাইজেশন ও সমতুল্য সুযোগ তৈরির প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি। সবাই যেন সমান অধিকার পায়, অর্থনৈতিক সুবিধাগুলোর ভাগও যেন সবার মাঝে সমানভাবে পৌঁছে যায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি অঙ্গীকার করেন।

    অর্থমন্ত্রী হিসেবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।

  • নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, দেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর জন্য নতুন সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি বললেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ডেফার করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রথম দিনের অফিসের শুরুতেই সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইছে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনকে ডেফার করা, এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু হয়েছে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

    বাণিজ্য বিষয়ক সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের দাবি স্মরণ করে তিনি জানান, এলডিসি উত্তরণ পেছানোর বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রথম সপ্তাহে এই বিষয়ে একটি চিঠি দিতেও হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, আজ থেকেই এই উদ্যোগের কাজ শুরু করেছে সরকার।

    রপ্তানি ক্ষুদ্রতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো সংকুচিত। দেশের মোট রপ্তানি এর প্রায় ৮৫ শতাংশ নির্ভর করে একক একটি পণ্যের ওপর। এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে, নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে এবং নতুন পণ্য যুক্ত করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতকেও কার্যকর সহযোগিতা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের টি্যারিফ নীতিতে পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে খুব সীমিত সুযোগের মধ্যেই টিকে রয়েছে। তাঁর মূল্যায়নে, দেশের মার্জিন অব এরোর অনেক কম, ভুলের সুযোগ থাকলে তা খুবই সীমিত। ফলে, গত কয়েক মাসে দেখা মন্থর গতি থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য সরকার কৌশলী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    রমজানের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। রমজান মাস ও এর পরের সময়ের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং পাইপলাইনেও পর্যাপ্ত পণ্য আছে। ফলে, বাজার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    বিশেষ করে রমজান এলেই বাজারে সিন্ডিকেটের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, তিনি শুধু বক্তৃতা করতে চান না, বরং কাজের মাধ্যমে ফল দেখাতে চান। তার ভাষায়, “আমি সাউন্ড বাইট দেব না, ইনশাআল্লাহ কাজ করে দেখাব।”

    রমজানের শুরুতেบาง পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, মূলত এটি একচোট আপনিড়ির চাহিদার কারণে হয়। মানুষ সাধারণত পুরো মাসের বাজার একসঙ্গে কেনাকাটা করে, ফলে ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় এবং এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ে। তবে, এই দাম বৃদ্ধির স্থায়ী নয় বলে তিনি জানান।

    বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অনিশ্চয়তার মধ্যে বিনিয়োগ আসেনা। একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া বিনিয়োগ সম্ভব নয়। বিনিয়োগকারীরা তখনই পদক্ষেপ নেন যখন তারা নিশ্চিত থাকেন তাদের পুঁজি ও শ্রমের বিনিময়ে ভাল ফল পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, দেশের বড় একটি শ্রমশক্তি রয়েছে, প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি থাকায় দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। যদি এই পরিস্থিতি দ্রুত না কাটিয়ে ওঠা যায়, তবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় ক্ষতি হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রমজান মাসের শুরুকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারের জন্য এখন অন্যতম কাজ হচ্ছে রমজান সফলভাবে সামলানো। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সফল হওয়া একান্ত প্রয়োজন। এটা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং দেশের স্বার্থের বিষয়। এজন্য তিনি গণমাধ্যমসহ সকল সংশ্লিষ্টের সহযোগিতা চেয়েছেন। ভুল হলে তা সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক করারও অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।