Author: bangladiganta

  • রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান বিলাল এরদোয়ানের

    রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান বিলাল এরদোয়ানের

    রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ছেলে, নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ান। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই তুরস্ক সরকার মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সংক্ষিপ্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে, সকাল পনেরো মিনিটের মধ্যে ঢাকা থেকে এ বিশেষ বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান তিনি ও তার ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ দলে ছিলেন জার্মানির প্রাক্তন ফুটবলার মেসুত ওজিলসহ টুরস্কের বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা।

    উখিয়া পৌছানোর পর প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান ও পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান। এরপর তারা উখিয়ার শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। তারা রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার ও সাধারণ মানুষের অসাধারণ সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

    মতবিনিময় সভা শেষে, নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ান ও তার প্রতিনিধি দল উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে যান। সেখানে তারা তুরস্কের পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতাল, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা টিআইকেএ’র মাল্টিপারপোজ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার পরিদর্শন করেন, এবং রোহিঙ্গাদের জন্য আয়োজিত একটি charity ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন।

    ফুটবল ম্যাচ শেষে, এই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করবেন। এক দিনের এই সরকারি সফরে, তারা রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন।

    সাক্ষরত দলে আছেন তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থার সভাপতি আব্দুল্লাহ এরেন, ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং অন্যান্য সরকারি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি।

    পরিদর্শন শেষে রাতে এই দলটি ঢাকায় ফিরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরটি রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক সমর্থন ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য দ্রুত সংস্কার কার্যকর করতে হবে। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, দেশের রাজনীতি দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচন মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে। এই দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই পরিবর্তনের ফলে জনগণের সরকারের প্রতি প্রত্যাশা আরও বেশি। তিনি গুরুত্বের সঙ্গে নির্দেশ দেন, নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে। বিশেষ করে, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আনয়ন ও আধুনিকীকরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    অপরাধ দমন ও আইনের শাসন আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন মুখ্য লক্ষ্য। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও নতুন জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হলে সঠিক পরিকল্পনা অপরিহার্য, বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ জন্য তিনি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সুপারিশ ও পরামর্শ জমা দিতে বলেন, যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

    মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সভার মাধ্যমে দেশের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

    প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক বিজয়ে তারেক রহমানকে শুভকামনা ও সফলতা কামনা করেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। এই সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, যা শক্তিশালী এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ট্রাম্পের চিঠিতে আরও বলা হয়, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়ন কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য উপকারি হবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে উন্নত সুরক্ষা ও প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমেরিকার উচ্চ মানের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়।

    অন্তর্বর্তীভাবে, ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি, যার মাধ্যমে উভয় দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় হবে।

  • ইসির নির্দেশ: ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করুন

    ইসির নির্দেশ: ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করুন

    সদ্য সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। এ নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। বিশেষ করে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন দেখানো ফুটেজগুলো পরবর্তী যাচাই ও প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ অফিস আদেশে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোর ফুটেজ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক। ভোটের আগের দিন ও দিনকার ভিডিও ফুটেজগুলো ভবিষ্যতে যথাযথ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য অফিসিয়ালভাবে জমা দিতে হবে।

    এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো, নির্বাচনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে ও কোনো অনিয়মের তদন্তে এই ফুটেজগুলো গুরুত্বপূর্ণ পন্থা হয়ে উঠবে। নির্বাচনে ফলের বিষয়ে বিতর্ক বা কোনও অভিযোগ উঠলে, এই ভিডিও প্রমাণই মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • সামাজিক সুরক্ষার জন্য ফ্যামিলি কার্ডে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

    সামাজিক সুরক্ষার জন্য ফ্যামিলি কার্ডে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

    সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনভাবেই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের অপেক্ষা তিনি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগরা অংশ নেয়।

    মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সমাজের দুর্বল ও হতদরিদ্র মানুষগুলোকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে, এটা যেন রাজনীতি বা কোনো পক্ষপাতিত্বের কারণে না হয়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহের সময় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা অসচ্চরিত্র ব্যক্তি যেন এর সুবিধা নিতে না পারে, সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। সম্প্রতি ঘোষণা দেন যে, এই কার্ড দেওয়া হলে চলমান ভাতা ও সুবিধাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    আবু জাফর মো. জাহিদ আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এই কার্ড দেওয়া হবে। তবে, কতজনকে প্রথম ধাপে এবং কোন জেলায় এই সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যেই সার্ভে চালানো হয়েছে এবং কিছু এলাকায় তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেন, তারা দ্রুত এই প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায় শুরু করতে চাইছেন। আসন্ন ঈদের আগে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু এলাকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কতটুকু দ্রুত ও কতটুকু সংখ্যক মানুষকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য এই কার্ড প্রদান করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কতজনকে কার্ড দেওয়া হবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি; তবে কিছু এলাকায় আগে থেকেই এই পরিকল্পনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমেই মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে ক্যাশ টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো জাতির অন্যতম দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সঠিক ও সময়োচিত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

  • অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন নুসরাত, যশ ও সায়ন্তিকা

    অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন নুসরাত, যশ ও সায়ন্তিকা

    টালিউডের জনপ্রিয় তারকা নুসরাত জাহান, অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত, রাজনীতিবিদ ও অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্রসহ বেশ কিছু স্বনামধন্য ব্যক্তির বাসভবনে রোববার ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে দ্রুত মোট চারটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।

    প্রাথমিক তদন্ত ও ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের অনুসারে, অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ হলো শিবরাত্রির পূজার সময় প্রদীপের অগ্নিসংযোগ। জানা যায়, ওই সময় বাসিন্দারা শিবপূজো পালন করে থাকেন এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন। কিন্তু, প্রদীপটি নিভিয়েই তারা নীচে নামেন, ভবনের মন্দিরে শিবপূজার জন্য। এই অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনায় পক্ষে বা বোঝা যায় যে, প্রদীপ থেকে আগুন লেগে ভবনের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

    ভবনের বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিশেষ করে, প্রিয় তারকা যশ ও নুসরাত, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং শুভ্রজিৎ মিত্রসহ অন্যরা প্রাণনাশের ঝুঁকি এড়াতে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। নুসরাত নিজে সাংবাদমাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং দমকলের চারটি ইউনিট অগ্নিনির্বাপণ কাজে সফল হয়েছে। সকলেই বর্তমানে নিরাপদে আছেন।

    শুভ্রজিৎ মিত্র এই ঘটনায় বলেন, আমাদের জানা মতে, পঞ্চম তলার এক বাসিন্দার ভবনের ঠাকুরঘরে শিবরাত্রির পূজা চলছিল। সেখানে প্রদীপ জ্বালিয়ে পুজো করা হচ্ছিল। সেই প্রদীপ নিভো না করে নীচে নামার সময় হয়তো বা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সম্ভবত, অগ্নিসংযোগের কারণেই এই ভয়ঙ্কর আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

  • ওই মন্তব্য: আমি বিবাহিত, আমি ডিভোর্সড নই—বুবলী

    ওই মন্তব্য: আমি বিবাহিত, আমি ডিভোর্সড নই—বুবলী

    চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি এখনও বিবাহিত এবং ডিভোর্সড নন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তিনি এই কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে সঞ্চালক সরাসরি প্রশ্ন করেন, তিনি কি আবার মা হতে চলেছেন। বুবলী এই প্রশ্নের জবাবে কোনও সরাসরি উত্তর দেননি, বরং ব্যক্তিজীবনের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলেন। তিনি বলেন, দর্শকদের নানা রকম ধারণা থাকতে পারে, একজন চলচ্চিত্রের নায়িকা হিসেবে তার পেশাগত জীবন যেমন আছে, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনও রয়েছে। দুইটাকে এক করে দেখা উচিত নয়।

    তিনি আরও বলেন, আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে কখনোই সাধারণ মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেননি। তবে যারা মিথ্যা তথ্য ছড়ায়, ভুয়া ভিডিও তৈরি করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে গুজব রটায়, তাদের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেছেন। তার মতে, এই ধরণের অপপ্রচার সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    মা হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে বুবলী বলেন, ‘আমি প্রেগন্যান্ট হচ্ছি কি হচ্ছি না—এটা কখন বলব বা বলব না, তা সম্পূর্ণ আমাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’ তিনি আরও বলেন, একজন বিবাহিত নারীর সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা থাকলেও মনগড়া গল্প বা গুজব তৈরিকে দুঃখজনক মনে করেন।

    দর্শকদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিজীবনের সীমা বজায় রাখা জরুরি। তার মতে, সিনেমা নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণযোগ্য, কিন্তু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। বলিউড, হলিউডের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে শিল্পীদের ব্যক্তিজীবনের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকা স্বাভাবিক।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানকে সঙ্গে বুবলী বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। ২০২০ সালের ২১ মার্চ তাদের ঘরে পুত্রসন্তান শেহজাদ খান বীর জন্ম নেয়। এরপর থেকে তাদের সম্পর্কে বিচ্ছেদের গুঞ্জনও উঠেছে।

  • অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি সম্প্রতি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে তার মানসল্য পরীক্ষা ও অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার তিনি তার ভক্তদের কাছে ফেসবুকে একটি পোস্ট করে অসুস্থতার খবর জানিয়ে দোয়া চেয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘আমাদের প্রিয় তানিয়া বৃষ্টি এখন শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। এই মুহূর্তে তার সম্পূর্ণ বিশ্রাম এবং চিকিৎসা দরকার। অনুরোধ করি, শুটিং বা কাজের বিষয়ে এখনো মোবাইল ফোনে বা খুদে বার্তায় যোগাযোগ না করে ধৈর্য্য ধরুন। সুস্থ হয়ে উঠলে ইনশাআল্লাহ নিজে থেকেই সবাইকে জানানো হবে। আপনারা সবাই দোয়া ও ভালোবাসাই আমাদের বড় শক্তি।’ শনিবার তিনি আরেকটি পোস্টে বলেন, ‘ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল। অনেক ভালোবাসি। কাল (রোববার) আমার জন্য মুখে অস্ত্রোপচার হচ্ছে, দোয়া করবেন।’ তার কথায় বোঝা যায়, রোববার দুপুরে তার মাথায় সফলভাবে অস্ত্রোপচার হয়। ঢাকার শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে এই অপারেশন সম্পন্ন হয়। অভিনেত্রী শিল্পী ঐক্য ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, অস্ত্রোপচারটি সফল হয়েছে। নির্মাতা সকাল আহমেদ বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপারেশন শুরু হয় এবং রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেষ হয়। চিকিৎসকরাও নিশ্চিত করেছেন যে, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং এখন তিনি পোস্টঅপারেটিভ কেয়ার ইউনিটে আছেন। তার জ্ঞান ফিরেছে বলে জানা গেছে। আগামীকাল সোমবার চিকিৎসকরা তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করতে পারেন। বেশ কিছু দিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তানিয়া। একবার বা দুবার না, তার মাথাব্যথা তীব্র হচ্ছিল, সাথে জ্বর ও ঠান্ডা লাগত। তখন তার পরিস্থিতি গুরুতর হলে উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর পরীক্ষায় জানা যায়, তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বেশ কিছু দিন ধরে তার এই সমস্যা চলছিল, যদিও তিনি সচেতন ছিলেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে এখনও চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

  • বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    নগ্নের দীর্ঘ নাটকীয়তার পর অবশেষে জামিন পেলেন বলিউডের প্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব। এই ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে দিল্লি হাইকোর্টে, যেখানে চেক বাউন্স মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলায় রাজপালের বিরুদ্ধে ৯ কোটি টাকার জন‍্য দায়ের করা হয় অভিযোগ, যা দীর্ঘ সময় ধরে জটিলতা ও টানাপড়েন চলতে থাকায় তিনি বেশ চাপের মধ্যে ছিলেন। অবশেষে আদালত তাকে জামিনের শর্তে মুক্তি প্রদান করে।

    আদালত নির্দেশ দেয়, রাজপালকে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জরিমানা বা জমা দিতে হবে। এই শর্ত পূরণ হলে তার জামিন কার্যকর হয়। আগের দিনগুলোতে এই অভিনেতা চেক বাউন্সের কারণে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং তিহার জেলে থাকতে হয়।

    এর মধ্যে বলিউডের কিছু তারকা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান, এমনকি নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি ও কেআরও তার প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতা দেখিয়েছেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, জামিন পাওয়ার পর তিনি সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। তবে, এই ভিডিওটি আসলে ২০১৮ সালের পুরোনো একটি ক্লিপ, যেখানে তিনি তিন মাস জেল জীবন কাটিয়েছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিও সৃষ্টি হয়েছে।

  • সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এই সময়টা বেশ অlasτη হয়ে উঠেছে। গত বছরে সালমান খানের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যার হুমকি প্রকাশ পেলে পুরো বলিউডে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে এই তারকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি জানা গেছে, সালমানের বোনের স্বামী ও অভিনেতা আয়ুষ শর্মাও হুমকি পেয়েছেন।

    এর মধ্যেই এক নতুন দুশ্চিন্তার খবর এসেছে। বলিউডের বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে যে, প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাঁকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সালমান নিজেই তার বাবাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে জানা গেছে যে, বার্ধক্যজনিত সমস্যা যেমন—বয়সের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে থাকাকালে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি এবং কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যান। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে যায়।

    উল্লেখ্য, বলিউডের স্বর্ণযুগে অন্যতম সফল চিত্রনাট্যকার ছিলেন সেলিম খান। জাভেদ আখতারের সঙ্গে মিলেমিশে লিখেছেন বহু জনপ্রিয় সিনেমা—যেমন শোলে, জানজির, দিওয়ার এবং ডনের মতো কালজয়ী সিনেমা। এই সিনেমাগুলোর মাধ্যমে তিনি বলিউডের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    সেলিম খানের অসুস্থতার খবর প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বলিউডের তারকারা ও অনুরাগীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।