থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছি আদালত। সম্প্রতি একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর তা জনসম্মুখে আসে, যেখানে তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলে উল্লেখ করেন। এই ফোনকলে তার সেনা বাহিনীর সমালোচনা এবং বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে ১৫ জুনের ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি তিক্ততর হয়ে উঠে। এই ফোনকলের রেকর্ড ভাইরাল হলে দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতে দেশটির সেনাবাহিনী ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হয় পেতোংতার্নকে। তিনি তখন দাবি করেন, তিনি দেশের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সরকারের প্রতি অবমূল্যায়ন, দেশের স্বার্থের সাথে আপোষের অভিযোগ উঠেছে। গত ১ জুলাই আদালত তার প্রধানমন্ত্রীর পদ স্থগিত করে দেয়, যদিও তিনি বর্তমানে সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকে মোট পাঁচজন থাই প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
Author: bangladiganta
-

জামায়াতের সরকার গঠন হলে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেছেন, একটি দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে সেই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির উপর। এজন্য একটি নির্বাচিত সরকার এর নানা দিকের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবসায়ী এবং বণিজ্য পরিবেশ মানোন্নয়ন করা, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে, নিরাপদে এবং স্বাধীনভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। কিন্তু আমাদের দেশে তার বিপরীত দৃশ্যপট দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী লাভের লোভে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারি করে জিনিসপত্রের কৃত্রيم সংকট সৃষ্টি করছে, যার কারণে দাম বাড়ছে। তবে সৎ ও নৈতিক মানুষ এ ধরনের কাজ করতে পারে না। জামায়াতে ইসলাম চায়, এইদেশের নৈতিকতাসম্পন্ন উজ্জ্বল ব্যক্তিরা ব্যবসায় উদ্যোক্তা হোক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ব্যবসায়ীদের উপর চলে অবিরাম চাঁদাবাজি, কখনও কখনও চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীদের নিপীড়ন, তাদের পাথরের আঘাতে হত্যা এমন ঘটনাগুলো চরম বর্বরতা ও জাহেলিয়াতকেও হার মানায়। আমরা এ ধরনের বর্বর সমাজ চাই না। ভবিষ্যতে আল্লাহর রহমত ও আপনাদের ভালোবাসায় জামায়াত যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তবে ব্যবসায়ীরা পূর্ণ নিরাপদে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন। আর চাঁদাবাজি, অপপ্রচার, অরাজকতা আর অব্যাহত হিংস্রতাকে আর মোকাবেলা করতে হবে না। তিনি ব্যবসায়ী সমাজকে একত্রিত হয়ে এই দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ফুলতলা বাজারের গামছা চান্দিনায় ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ শাহজাহান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারি সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, জেলা সদস্য মাস্টার শেখ সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও জন প্রতিনিধি। এর পাশাপাশি, ডুমুরিয়া উপজেলায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার শুক্রবার দিনব্যাপী জনসংযোগ এবং ভোটার সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। হাসানপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুল মাঠে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফিরোজ আহম্মেদ গাজী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন হেদায়েত হালদার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কার্যপরিষদ সদস্য এড. আবু ইউসুফ মোঃ নামে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
-

সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল বিএসফ
সাতক্ষীরা সীমান্তে এক গুরুত্বপূর্ণ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক বাংলাদেশের ১৫ নাগরিককে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন বিএসএফ। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বাংলাদেশের সীমান্তের তলুইগাছা এলাকায় জিরো লাইনে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে বিজিবি তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করে। এই ঘটনাটির সূচনা হয় বৈধ পথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের জন্য আটক হওয়ার পর, তারা স্বেচ্ছায় ভারতের বিএসএফের ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন।
অটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুদের পাশাপাশি পুরুষরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম ও পরিচয় রয়েছে — মোঃ সেকেন্দার হোসেন (৩৩), মোঃ আব্দুলাহ গাজী (৩৮), ঝর্ণা খাতুন (৩৮), মোছাঃ নাজমা বিবি (৩৩), মাহেরা আক্তার (৬), নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মিনা (১৩), মাফুজা খাতুন (৩৪), তানিয়া সুলতানা (১০), মাফুজ রহমান (২), মর্জিনা বেগম (৪৪), হাসিনা খাতুন (১০), রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।
বিজিবির সঙ্গে নিশ্চিত হওয়া যায়, মঙ্গলবার রাত থেকে এই ১৫ জন সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে আটক হয়। এরপরই তাদের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা সর্ম্পকে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই পরবর্তীতে আত্মসমর্পণ করে ভারতীয় সেনাদের কাছে। বিভিন্ন স্থান থেকে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছিলেন, তবে ভারতীয় পুলিশ পুলিশের ব্যাপক ধড়পাকড়ের কারণে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
অফিসিয়ালসূত্র বলছেন, এই প্রত্যর্পণে তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার ও বিএসএফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, ও তাদের উপস্থিতিতে এই স্থানান্তর সম্পন্ন হয়। রাতের আনুষ্ঠানিকতার পর আটকদের কয়েকজনের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, বাকিদেরও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক জানান, এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যে, আটক ১৫ জনকে বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই সম্পন্নের পর ১৪ জনকে পরিবারের কাছে দিয়ে দেয়া হয়েছে, বাকি একজনের পরিবারের লোক আসলে তাকে আইনের হাতে থাকবে।
-

খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের বিদায়ী সংবর্ধনা
খুলনা জেলা প্রশাসক ও প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বদলির কারণে খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের আয়ব্যবস্থা নেন ক্লাবের সদস্যরা। অনুষ্ঠিত হয় এক আয়োজক অনুষ্ঠান, যেখানে সদস্যরা বিভিন্ন বক্তব্য ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে এই বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আক্তার হোসেন, ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও কৌশিক দে, পাশাপাশি অন্য সদস্যরা, যেমন মোঃ এরশাদ আলী, মোঃ রাশিদুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোস্তফা জামাল পপুলু, ইহতেশামুল হক শাওন, কে এম জিয়াউস সাদাত, আব্দুর রাজ্জাক রানা, ও মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
অতিরিক্ত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ যেমন আহমদ মুসা রঞ্জু, কাজী শামীম আহমেদ, এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমী, নাজমুল হক পাপ্পু, মোঃ কামরুল হোসেন মনি, ও অন্যান্য সাংবাদিক ও সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, এবং শেষে তাকে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই সংবর্ধনা হয়ে উঠেছিল তার পরিষেবার জন্য ধন্যবাদ জানানো এবং দোয়া করেছিলেন সবাই তার সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতার জন্য।
-

রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা প্রত্যাহার দাবি
খুলনার আঠারোবেঁকী নদীর তীরে রূপসার নেহালপুর মিস্ত্রিপাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তা দীর্ঘ সময় ধরে দখল করছে মেঝুরির বেশ কয়েকটি ইটভাটা, যার ফলে এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মেসার্স এমএনএস ব্রিক্সস নামের একটি ইটভাটার মালিক এই রাস্তার অধিকাংশ অংশ কেটে নিজের ইটের পট (মাটি দিয়ে তৈরি ইটের ব্যবসা) তৈরির জন্য ব্যবহার করছে। এতে ঐতিহ্যবাহী এই রাস্তা দুঃখজনকভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে। এলাকাবাসীর দাবি, এইরাস্তার অবিলম্বে দখল মুক্ত করে সাধারণ জনগণের চলাচলের জন্য পুনর্স্থাপন করা জরুরি। বৃহত্তর জনস্বার্থে কাজ না হলেই কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুমকি দিয়েছেন ক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা।
নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে রামনগর, কচুয়া এবং অন্যান্য গ্রাম থেকে নেহালপুর খেয়াঘাটে আসা যায়। সেই বছরের পর বছর ধরে সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি অবৈধ দখলে থাকায় সাধারণ মানুষ চলাচলে খুবই দুর্ভোগে পড়েছেন। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই পুরাতন রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে এমএনএস ব্রিক্সসের মালিকের স্বার্থে জবরদখল করা হয়েছে। মনোযোগ না দিলে ভবিষ্যতেও সমস্যা লাগামছাড়া থাকবে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।
অভিযুক্ত এমএনএস ব্রিক্সসের ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, পাঁচ বছরের জন্য ইটভাটা পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে তাদের। তিনি বলেন, সরকারি রাস্তা দখলে রাখার বিষয়টি নতুন নয়, তবে সরকার চাইলে আবার রাস্তা মুক্ত করে দিতে পারবে। অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে জানানো হয়েছে, এই রাস্তা জেলা পরিষদের বলে, এবং এটি বিভিন্ন গ্রামের মানুষের নিয়মিত চলাচলের জন্য ব্যবহৃত। ভাষ্যকাররা বলছেন, রাস্তার দখল ও অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য কোনো ধরনের নিয়মবহির্ভূত কাজ চালিয়ে যাওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তার রিক্তা বলেন, দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, এই সরকারি রাস্তাটি অবিলম্বে উদ্ধার না হলে তাদের মানববন্ধন ও কঠোর আন্দোলন আসন্ন।
-

তুহিনের ভাষ্যে: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারো সক্রিয়
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তিগুলি আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন গোপন বৈঠক এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার মাধ্যমে তারা দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সব শক্তি সবসময়ই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত ও ভিন্ন পথে পরিচালিত করার পাঁয়তারা করে আসছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্রটি আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ভেতর অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার নীলনকশা করছে। তিনি বলেন, এই স্বতন্ত্রশক্তি কখনো গণতন্ত্র বা মানুষের অধিকারকে সমর্থন করেনি। তাদের ষড়যন্ত্র জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জোয়াদ্দার জলি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার বিএনপি সভাপতি কে.এম হুমায়ুন কবির, মোস্তফা আলম, শেখ হাফিজুর রহমান, রিপন তরফদার, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, নাজমুস সাকিব, মাহবুবর রহমান লিটু, সৈয়দ আজাদ হোসেন, মোঃ আলী মিঠু, কেএম বেলাল হোসেন, শেখ বেলাল, নাজমুন নাহার শিখা, জামিলা খাতুন, মোঃ ইব্রাহীম, শিল্পী আক্তার, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ নাজমুল হোসেন, নওফেল বিন মাহবুব, সাইফুল ইসলাম হাইসাম, মেহেদি হাসনাত আবির, সৌমেন সাহা ও আরও অনেকে।
-

বাংলাদেশে ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে সরকার
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মাধ্যমে ব্যাপক পরিমাণে বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগের প্রস্তাবনা সংগ্রহ করছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা জানিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত মোট ১.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ বিনিয়োগের প্রস্তাবনা পৌঁছেছে। এই তথ্যটি আজ (২৮ আগস্ট) রাজধানীর প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটির ৫ম সভায় জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রাপ্ত এই বিনিয়োগের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছয়শত ছুরাশি বা ৪৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর পাশাপাশি স্থানীয় বিনিয়োগের পরিমাণ ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবং যৌথ বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে মোট ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।
বিডার প্রতিনিধির মতে, এ পর্যন্ত মোট ২৩১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা মোট প্রস্তাবনার প্রায় ১৮ শতাংশ। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের স্তরে এই রূপান্তরের হার গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের কাছাকাছি।
এছাড়াও, বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমানোর জন্য নানা উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি কন্টেইনার জটলা পড়ে থাকলেও, বর্তমান সরকারের উদ্যোগে গত দুই মাসে এক হাজারের বেশি কন্টেইনার নিলামে বিক্রি হয়েছে।onikনা বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় নিলাম কার্যক্রম আরও দ্রুত করা হচ্ছে। আগামী মাসে আরও ৫০০ কন্টেইনারের নিলাম কার্যক্রম চলবে ও পণ্য হস্তান্তরের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ বিজনেস পোর্টাল (বিবিপি) চালু করার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়, যা বেজা, বেপজা, বিসিকের পরিষেবাগুলোকে একসঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই প্রজেক্টের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়। আগামির মাসের প্রথম সপ্তাহে এর সফট- লঞ্চের পাশাপাশি সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ পুরোপুরি প্ল্যাটফর্মটি চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালানো হয়েছে।
-

ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না ‘নগদ’, এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞাপন আসছে
মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) খাতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করতে সরকার নগদ নামের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মকে বেসরকারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা এমএফএস খাতে আরও বেশি কার্যক্রম এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে চাই। এ জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে আমরা নগদকে বেসরকারি করণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং বিনিয়োগকারীদের এ বিষয়ে আনছি। বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিটে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘অর্থাৎ, সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যেই এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে।’ গভর্নর জানান, বর্তমানে ডাক বিভাগের অধীনস্থ নগদকে সেখানে থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে কারণ ডাক বিভাগের এখন এটি পরিচালনার সক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, ‘নগদের প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে একটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে নিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি।’ গভর্নর আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুনভাবে নগদকে গড়ে তুলতে পারলে এটি এমএফএস খাতে একজন প্রতিযোগী হিসেবে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। সূত্র: শীর্ষনিউজ।
-

এনবিআর চেয়ারম্যানের মন্তব্য: ন্যূনতম কর বাস্তবায়ন কালো আইন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান ন্যূনতম করের আইনকে একে একে কালো আইন বলে মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে এক হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘করপোরেট কর এবং ভ্যাটে সংস্কার: এনবিআর এর জন্য একটি বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক সংলাপে এ মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ন্যূনতম কর নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, এবং এটা নিশ্চিতভাবেই একটা কালো আইন। আমাদের দেশের ব্যবসায়িক স্থিতি বিবেচনায়, করের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত মুনাফা। কিন্তু আমরা মিনিমাম করের মাধ্যমে সেটি না করে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি করছি। সমস্যা হলো, এই বিধানগুলো যদি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করি, তবে দেশের কর আহরণ কমে যেতে পারে। তাই বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজ হয়। এই বছর আমরা ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিতে সক্ষম হয়েছি, কারণ ব্যবসায়ীদের সুবিধা না দিলে রাজস্ব সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ে।
সংলাপে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিপিডির সিনিয়র গবেষক মোঃ তামিম আহমেদ। তিনি উল্লেখ করেন, করছাড়ের বিষয়ে প্রবণতা বৃদ্ধির ফলে কর-জিডিপি অনুপাত ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বড় জনগোষ্ঠী ও বড় কর্মীবাহিনী থাকলেও ব্যাপক করছাড়ের কারণে কর আদায়ের হার সন্তোষজনক নয়।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন সময় করছাড়ের মাধ্যমে কিছু খাতকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কর মুক্ত রাখা হয়, যা প্রকৃত উন্নয়ন ও রাজস্ব উন্নয়নে অন্তরায়। ফলে, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির জন্য এই অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।
অন্যদিকে, তিনি বলেন, ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়ছে, কারণ দেশের প্রাপ্যটা যথাযথ রাজস্ব সংগ্রহ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বোঝা বাড়বে। গত বছরের তুলনায় গতবছর কর-জিডিপি অনুপাত আরও কমে গেছে, যা মাত্র ৬ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের উন্নয়ন ও ঋণ পরিশোধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কর আহরণ আরও জোরদার করতে হবে।
নতুন আরেক প্রকল্পের কথা বলছিলেন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় এনবিআরকে স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল করা হচ্ছে। এর ফলে, ভ্যাট রিটার্ন ও কর রিটার্ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে, এবং অডিটের মানও উন্নত হবে। বর্তমানে অডিটের ম্যানুয়াল পদ্ধতিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে একই ব্যক্তি বারবার অডিটের আওতায় না পড়ে। ভবিষ্যতেই অটোমেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে অডিট পরিচালনা করা হবে, যা করদাতাদের জন্য সুবিধাজনক।
কর জাল ও করদাতা অটোমেশন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, করের পরিধি বাড়ানো গেলে কর হার ও ভ্যাট হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়বে। করদাতাদের জন্য রিফান্ডও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
সংশ্লিষ্ট গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ৮২ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন, বর্তমান করহার অযৌক্তিক ও ব্যবসার জন্য বড় বাধা। একই সঙ্গে, প্রায় ৭৯ শতাংশ ব্যবসায়ী কর কর্মকর্তাদের জবাবদিহির অভাবকে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কর প্রশাসনে দুর্নীতিও তাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত এই জরিপে আরও দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ ব্যবসায়ী নিয়মিত কর দাবির জন্য কর কর্মকর্তাদের দায়িত্বে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। বেশিরভাগই অভিযোগ করেন, কোনো ব্যাখ্যা বা পূর্বাভাস ছাড়াই কর আরোপ করা হয়।
ভ্যাটের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু সমস্যা উঠে এসেছে। অংশগ্রহণকারী ৭৩.৫ শতাংশ ব্যবসায়ী বলেছেন, জটিল ভ্যাট আইন ও অস্পষ্ট নীতিমালা তাদের জন্য বড় বাধা। পণ্য ও সেবার শ্রেণিবিন্যাসে জটিলতা, কর কর্মকর্তাদের সীমিত সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতায় উঠানামা ও উচ্চ ব্যয় এসব বিষয়েও তারা উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী, ঢাকাসহ আশপাশের জেলাসহ মোট ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানে এই জরিপ চালানো হয়।
-

প্রায় তিন বছরে দারিদ্র্য ২৮ শতাংশে বাড়লেও খাবারের খরচ ৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি এখন খুবই উদ্বেগজনক মোড় পাওয়া গেছে। তিন বছরের ব্যবধানে দেশের দারিদ্র্যের হার বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ, যা আগের সরকারের হিসাব অনুযায়ী ২০২২ সালে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) একটি সাম্প্রতিক জরিপে। ‘ইকনোমিক ডায়নামিকস অ্যান্ড মুড অ্যাট হাউজহোল্ড লেবেল ইন মিড ২০২৫’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে এই ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে গবেষণার বিশদ কারিগরিত্ব তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিলুর রহমান। এই গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের অতি দারিদ্র্যের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে এটি ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, আর ২০২৫ সালে এসে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর অর্থ, গত তিন বছরে দেশের দারিদ্র্য ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং এখনো প্রায় ১৮ শতাংশ পরিবার কোনও কারণে দ্রুত গরিব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এই গবেষণা মে মাসে ৮,۰৬۷ পরিবারের ৩৩,২০৭ জনের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।
