Author: bangladiganta

  • শাহরুখ-দীপিকা বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    শাহরুখ-দীপিকা বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    বলিউডের কিংখ্যাত তারকা শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাড়ুকোনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো, এই দুই তারকা হুন্ডাই গাড়ি কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, আর সেই কারণে তারা কোম্পানির খারাপ গাড়ির মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং এর সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    রাজস্থানের ভরতপুরের বাসিন্দা কীর্তি সিং কর্তৃক বিষয়টি জানানো হয়, তিনি ২০২২ সালের জুন মাসে একটি হুন্ডাই আলকাজার গাড়ি কিনেছিলেন। পুলিশ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগে বলা হয়েছে, গাড়িটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রুটি তৈরি করে বিক্রি করা হয়েছে, যাতে করে ক্রেতার জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। কীর্তি সিং আরও জানিয়েছেন, গাড়ি কিনার সময় তিনি ব্যাংক ঋণ করেছিলেন, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই গাড়িতে নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। বহু বার অভিযোগ করেও সমস্যা সমাধান হয়নি, যা তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে।

    অভিযোগের ভিত্তিতে কীর্তি সিং আদালতে অভিযোগ করেন এবং মথুরা গেট থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়। তিনি বলেন, গাড়ির ত্রুটির ক্ষতি লুকানোর জন্য কোম্পানি দুর্ব্যবহার করছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়টি হলো, অভিযোগকারীর অভিযোগ যে, শাহরুখ খান ১৯৯৮ সাল থেকে হুন্ডাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। দীপিকা পাড়ুকোন সম্প্রতি ২০২৩ সালে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, এই দুজন তারকার দায়িত্বে থাকা ব্র্যান্ডের খারাপ গাড়ির প্রকৃতি ও বিপণন প্রচারণার জন্য তারা মামলার শিকার। পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার সত্যতা খুঁজে বের করার জন্য কাজ করছে।

  • খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ

    খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল। এ সুখবরের পর খেলা শেষে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম। বুধবার দুপুর ১২টায় তিনি তাঁর কার্যালয়ে এসব ফুটবল তারকার সাথে আলোচনা করেন এবং ট্রফিসহ তাদের উৎসাহ দেন।

    জেলা প্রশাসক দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অর্জন খুলনার জন্য সত্যিই গৌরবের। তিনি আরও উল্লেখ করেন, খেলা মন এবং শরীরকে সক্রিয় রাখে, তাই সকলকেই আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে যেন এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। আন্তরিক শুভকামনা জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, ১৯ আগস্ট বিকেলে মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে খুদে ফুটবলারদের মূল মঞ্চে অবদান রেখে এসেছে।

    খুলনা দলের খেলোয়াড়রা মধ্যে রয়েছেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল। উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এভাবে খেলার ধারায় অগ্রগতি ও উন্নতিতে খুলনা জেলা তরুণ ফুটবলারদের চেতনা আরও জোরদার করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বিখ্যাত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী অংশ নেয়। অনূর্ধ্ব ১৭ বয়সের বালিকা বিভাগে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয় এবং বালক বিভাগে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি তাদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ করে দেয়। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমবে এবং তারা আরও সুস্থ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিণত হবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি উল্লেখ করেন, যারা বিতর্ক করে তারা ভালো ছাত্র হয়, আর যারা খেলাধুলায় মনোযোগ দেয়, তারা সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়তে সক্ষম হয়। অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মঈনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক জেলা পরিসংখ্যান অফিসের প্রতিনিধিগণ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    চট্টগ্রামে নতুন একটি আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোতে বিকেন্দ্রীকরণ ও উন্নয়নকে প্রচারকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসার ও নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। যদি এই আঞ্চলিক কাঠামো সফল হয়, তবে জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটাররা তাদের প্রতিভা প্রকাশের জন্য নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ের সুযোগের বাইরে থাকেন।

    হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আঞ্চলিক ক্রিকেট চালু হলে এখানকার খেলোয়াড়রা নিজেদের লিগ ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা করতে পারবে, যা অবশেষে অনেক প্রতিভার উন্মোচন করবে। ঢাকায় সব কিছুর সুযোগ থাকলেও দেশের অন্যান্য অংশে পর্যাপ্ত সুযোগ এখনও আসেনি। এটি সবার জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। অনেক প্রতিভাবান তরুণ আছেন, যারা এখনো সুযোগ পায় না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে, হিডেন প্রতিভাবানরা আর হিডেন থাকবেন না। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলা উপভোগ করতে সক্ষম হবে।’

    অন্যদিকে, আকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টটি দ্রুত আয়োজন করেছি। এটা সিজন না, তবে এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতের জন্য একটা দিকনির্দেশনা তৈরি করলাম।’

    তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনো একসঙ্গে খেলেনি। এই আয়োজনটি শুধু চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও গৌরবের বিষয়।

    বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার লক্ষ্যে স্কুল ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেওয়ার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয়ভাবে হয়, কিন্তু আঞ্চলিক ক্রিকেটের সঙ্গে সিঙ্ক্রোনাইজ করলে এটি আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র নয়, প্রতিটি জেলায় ক্রিকেটের নিজস্ব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য।

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদ সবাই এখনো স্কুলেই রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব কীভাবে এই প্রতিভাদের সঠিক পথে ডেকে আনা যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।’

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ইনজুরি থেকে ফিরে এক ম্যাচ খেলেই আবারও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ইন্টার মায়ামির অর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করেছিলেন। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) লিগস কাপের সেমিফাইনাল মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো তাকে ফেরা করতে সতেজভাবে প্রেরণা দেন। যেখানে বিতর্কিত এক পেনাল্টি সহ জোড়া গোল করে মায়ামির ফাইনাল নিশ্চিত করেন মেসি।

    ভোরের আলোয় ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারিয়ে দেয়। তবে প্রথমে এগিয়ে ছিল সফরকারী অরল্যান্ডো। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। ম্যাচে বল দখলে তাদের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো; ৫৯ শতাংশ পজিশন এবং ১৪ শট নিয়ে তারা ৬টি লক্ষ্য স্থাপনে সক্ষম হয়। বিপরীতে, অরল্যান্ডো ১১ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে ছিল।

    প্রথমার্ধের শেষের দিকে, ১৮ গজ দূর থেকে মারকো পাসালিচের শটে বল জালে জড়িয়ে অরল্যান্ডো প্রথম লিড নেয়। এই লিড ম্যাচের ৭৭ মিনিট পর্যন্ত থাকলেও, তখনই ঘটে বড় পরিবর্তন। তখন মায়ামির ডিফেন্ডার তাদেও আলেন্দে বড় ভুল করেন; তিনি ব্রেকালোর জার্সি ধরে টানলেও টিভি রিপ্লেতে তা স্পষ্ট ছিল না। এর জন্য ব্রেকালো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়া হয়। এরপর থেকেই অরল্যান্ডো ১০ জনের ফুটবল খেলতে বাধ্য হয়।

    ৬৭ মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান মেসি। সতীর্থ জর্দি আলবার সঙ্গে বল কানেকশনের পর, চতুর্থ কোণের মধ্যে বল নিচে নিয়ে মাটি কামড়ানো শটে গোল করেন তিনি। এই গোলটি অরল্যান্ডো গোলরক্ষককে বিচলিত করে দেয়। এরপর, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, সেগোভিয়া দলের তৃতীয় গোলটি করেন, যেখানে লুই সুয়ারেজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তিনি গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

    এই ৩-১ গোলের জয় শুধু লিগস কাপের ফাইনালই নিশ্চিত করেনি, বরং এটি ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের জায়গাও করে দেয়। আগামী ৩১ আগস্ট ফাইনালে মেসি-সুয়ারেজদের প্রতিপক্ষ হতে পারে এলএ গ্যালাক্সি বা সিয়েটল সাউন্ডার্স এফসি।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে, প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীর এসকে এএস স্টেডিয়ামে, যেখানে খেলা হবে খুলনা এবং চট্টগ্রাম দলের মধ্যে। এটি চলবে περίπου তিন সপ্তাহ ধরে, যাতে প্রতিদিন দুইটি করে ম্যাচ থাকছে। প্রথম দুই রাউন্ডের ম্যাচগুলো সম্পন্ন হবে রাজশাহীর পরে বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এবং তারপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই আসরে মোট ১৩ রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার দল প্লে-অফে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের বড় এক মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যতের ক্রিকেট তারকারা উঠে আসার সুযোগ পাবেন।

  • ইসরায়েলের হামলায় ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী নিহত

    ইসরায়েলের হামলায় ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী নিহত

    ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাউই এক ডাকা এলোপাতাড়ি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ হামলা ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট), যখন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেশটির রাজধানী সানা densely ধ্বংসের বর্বরতা চালায়।

    ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সানার এক অ্যাপার্টমেন্টে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে, যেখানে বিদ্রোহী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ইয়েমেনের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম, যেমন আল-জুমহুরিয়া, জানিয়েছে, আহমেদ আল-রাহাউইসহ ওই হামলায় আরও কয়েকজন বিদ্রোহী নেতা নিহত হয়েছেন।

    অপর একটি সংবাদমাধ্যম এডেন আল-ঘাদ জানায়, নিহতের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা রয়েছেন। এদিকে, ইসরায়েলির হিব্রু ভাষার সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সম্প্রতি হুতিদের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর পরিচালিত হামলার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকেও লক্ষ করে আলাদাভাবে আঘাত হানা হয়েছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই হামলা চালানো হয়, যদিও হামলার স্থানটি আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। তবে, হামলার প্রকৃত হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেননি।

    ২০১৫ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নেওয়ার পরে, ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা দেশটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এর ফলে তখনকার প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসু হাদি সৌদি আরবের শরণার্থী হয়ে যান এবং হুতিদের সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব কোয়ালিশন ইয়েমেনে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালালেও, হুতিদের প্রতিরোধে তারা সক্ষম হয়নি। এখনো তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে সানাকে ধরে রেখেছে।

    প্রধানমন্ত্রী রাহাভি হুতিদের প্রতিষ্ঠিত সরকারের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ফিলিস্তিনের গাজা অত্র বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে, যেখানে হুতিরা নিয়মিত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই, গতকাল ইসরায়েলি হামলায় এই রাষ্ট্রের নেতা প্রাণ হারালেন, যা গোটা অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কা।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

  • ভারত নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে অভিযোগ

    ভারত নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে অভিযোগ

    নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। এই প্রতিবেদনে জানা গেছে, কমপক্ষে ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন, যেখানে তারা বলেছেন, দিল্লি থেকে তাদের আটক করে নৌবাহিনীর জাহাজে করে সাগরের মাঝে ছেড়ে দেওয়া হয়। এইসব নিপীড়িতরা এখন আবারও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি, কারণ তারা জানে না আবার কবে তারা স্বজনদের সাথে মিলিত হতে পারবে বা কোন পরিস্থিতির মুখে পড়বে। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের এই অবহেলা রোহিঙ্গাদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই ঘটনাগুলোর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছে।

    নুরুল আমিন নামে একজন রোহিঙ্গা বলছেন, গত ৯ মে তিনি বর্তমানের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন, যেখানে তিনি জানতে পেরেছেন তার পরিবারের চারজনসহ তাকে ভারতের সরকার ফেরত পাঠিয়েছে। তারা বহু বছর ধরে প্রাণভয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসেছিলেন, যেখানে বর্তমানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে জাতিগত গোষ্ঠী ও প্রতিরোধ বাহিনী জোরালো লড়াই চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ এক অজানা অপূর্ণতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

    দিল্লিতে বসবাসরত ২৪ বছর বয়সী আমিন মনে করেন, “আমার বাবা-মা ও স্বজনেরা কী দুঃখ-কষ্টে আছেন, তা আমি কল্পনাও করতে পারি না।” বিবিসির অনুসন্ধানে জানা গেছে, তাদেরকে দিল্লি থেকে বিমানে করে বঙ্গোপসাগরের এক দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে নিয়ে শেষে আন্দামান সাগরে ছেড়ে দেওয়া হয়, যদিও লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়েছিল। পরে তারা সাঁতরে তীরের কাছে ফিরে আসে। এখন তারা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি, কারণ এরই মধ্যে তারা অত্যাচার, নিপীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার।

    জন নামে একজন রোহিঙ্গা জানান, “আমাদের হাত পেঁচানো, চোখ ও মুখ ঢেকে জাহাজে তুলে নেওয়া হয়, তারপর সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়।” তিনি ও তার সাম্প্রতিক ভুক্তভোগীর স্বজনরা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নুরুল আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “মানুষকে কোনওভাবেই এভাবে সমুদ্রে ফেলে দেয়া যায়? মানবতা কোথায়?

  • গাজা সিটি ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিণত, নিহতের সংখ্যা এখন ৬৩,০০০ ছাড়ালো

    গাজা সিটি ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিণত, নিহতের সংখ্যা এখন ৬৩,০০০ ছাড়ালো

    গাজা উপত্যকার বড় শহর গাজা সিটিকে দখলদার ইসরায়েল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা সেখানে এই মুহূর্তে প্রাথমিক হামলা চালাতে শুরু করেছে। সাথে সাথে তারা জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে গাজা সিটিতে ত্রাণ সহায়তার জন্য আর কোনো বিরতিও দেওয়া হবে না। আইডিএফের মুখপাত্র আভিচায় আদ্রি এক টুইটে লিখেছেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি না। আমরা গাজা সিটিতে প্রাথমিক অভিযান শুরু করেছি। উপকণ্ঠে শক্তিশালী আক্রমণে আমরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে আছি।’ এর আগে, গাজায় কৌশলগত বিরতি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে ইসরায়েলি সেনারা বলেছে, ‘আজকের (শুক্রবার) সকাল ১০টার পর থেকে গাজা সিটিতে আর কোনো শান্তির্ত্ব আলোচনা চলবে না। এখন থেকে গাজা সিটি একেবারেই এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।’ এই ঘোষণার পর, গত মাসে আন্তর্জাতিক চাপের কারণে ইসরায়েল স্বল্প সময়ের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৌশলগত বিরতি দেয়। জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থাদের অনুরোধে তারা এই বিরতিকে কিছুটা সময়ের জন্য স্থগিত করে। তবে আগস্টের শুরু থেকেই ইসরায়েল গাজায় বিভিন্ন স্থানে বোমা বর্ষণ ও হামলা চালাতে শুরু করে, শহরটির উপকণ্ঠে ট্যাংক অবস্থান নেয়। এর ফলে, প্রতিদিনই হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়িয়েছে। শুক্রবারের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামলায় আরও কমপক্ষে ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২৪৪ জন। এখন পর্যন্ত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের মধ্যে গাজায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩,০২৫ জনে। নিহতের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা হাসপাতালে অনাহর, অপুষ্টি ও যুদ্ধের কারণে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে, অক্টোবরে মৃত্যুর সংখ্যা এখন ৩২২ জনে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে ১২১ জনই শিশু। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাহায্য চাইতে এসে ২৩ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। মোট সহায়তা চাওয়া থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ২,০২৩ জন নিহত ও ১৬,২২৮ জন আহত হয়েছেন। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ২৭ মে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই আলাদা কিছু ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রাণহানি হয়। সূত্র: আল জাজিরা।

  • পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপির হামলা ও সংঘর্ষ

    পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপির হামলা ও সংঘর্ষ

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পেছনে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল কারণ হিসেবে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার প্রয়াত মাকে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও সূত্রে দেখা যায়, দুই দলের কর্মীরা দলীয় পতাকার ডন্ডা দিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালাচ্ছেন। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। পুরো ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক নিন্দা জানিয়েছে কংগ্রেস।

    ঘটনার সূচনায়, অভিযোগ উঠেছে যে, ভোটের প্রচার চলাকালে দরভাঙ্গায় এক কংগ্রেস কর্মী প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশালীন মন্তব্য করেন, যা ধরা পড়ে ভিডিওতে। এর ঠিক পরে বিজেপি থানায় এফআইআর দায়ের করে এবং কংগ্রেস নেতাদের ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।

    দরভাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে যে, মামলার নথি ঢুকানো হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

    বিহারেও এই ঘটনা নিয়ে উত্তজনা দেখা দিয়েছে। পাটনায় বিজেপি আজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। অন্যদিকে, কংগ্রেস কর্মীরাও মঞ্চে উঠে প্রতিরোধ প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও, এখনও পুরো এলাকা উত্তেজনাপূর্ণ রয়ে গেছে।

    আবার, কলকাতার জাতীয় কংগ্রেসের সদরদপ্তর বিধান ভবনের সামনে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিজেপি। সেখানে অভিযোগ ওঠে, কিছু বিজেপি সমর্থক কংগ্রেস কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। নেতৃস্থানীয় বিজেপি নেতাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন ব্যানার-পোস্টার ছেড়ে দেওয়া হয়।

    এমনকি, রাহুল গান্ধীর ছবিসহ বিভিন্ন ব্যানারও সেখানে দেখা গেছে। এ ঘটনার পক্ষে প্রদেশ কংগ্রেস নিন্দা জানিয়েছে এবং এন্টালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, “রাজনীতিতে দেউলিয়া না হলে এ ধরনের কাজ কেউ করে না। দেশের স্বার্থে কংগ্রেস চেষ্টা করছে; কিন্তু বিজেপি আমাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে আকাশে ভাসছে। তারা এই ধরনের কাজ করছে যখন দপ্তর ফাকা ছিল। আমরা প্রশাসনের কাছে ডেম্যান্ড করছি, দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

    বিহার কংগ্রেসের নেতা অশুতোষ অভিযোগ করেন, ঘটনাগুলির মদদ দিচ্ছে রাষ্ট্রক্ষমতা। তিনি বলেন, “নীতীশ কুমার ভুল করেছেন, আমাদের জবাব দিতে হবে।”

    অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, “মায়ের অপমানের বদলা বাংলার প্রতিটি সন্তান নেবে। আমরা অবশ্যই এর জবাব দেব।”

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়ে লিখেছেন, “রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের রাজনীতি নিচে নেমে গেছে। একজন গরিব মায়ের ছেলে ১১ বছর ধরে দেশ চালিয়ে যাচ্ছে, যা মানা যায় না। প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে এই ভাষা লজ্জাজনক এবং গণতন্ত্রের জন্য কলঙ্ক।”

    বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেন, “এ ধরনের অশালীন আক্রমণ চরম অগ্রহণযোগ্য। রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।”

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রয়াত মাকে অবমাননা করা অনুচিত। আমি এর কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”