Author: bangladiganta

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও গুরুত্বপূর্ণ স্তরে পৌঁছেছে। বুধবার দিনের শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী (বিপিএম৬) রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত রোববার এর পরিমাণ ছিল গ্রস রিজার্ভে ৩০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী ২৫ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।

    গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে, বাংলাদেশ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে ২ মার্কিন ডলার পরিশোধের পর তার রিজার্ভ কমে যায়। এর ফলে গ্রস রিজার্ভ হয় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী সেই সময়ে ছিল ২৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

    অপর দিকে, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি, রপ্তানির আয় বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণের অবদান সাধারণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলস্বরূপ, গত জুন শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ পৌঁছেছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার—যা গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, ২০২৩ সালের মার্চের শুরুতে, রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেই সময়, বিপিএম৬ অনুসারে রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। এবং, ২০২৩ সালের জুনে এই হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভের মাইলফলক ছিল ২০২১ সালের আগস্টে, যখন এটি ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এরপর এটি ধারাবাহিকভাবে কমে যেতে থাকে, এবং ২০২৩ সালের জুলাই শেষে তা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। তবে, সরকারের বিভিন্ন ধরনের নীতি, অর্থ পাচারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং হুন্ডি প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে দেশের প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

  • ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপির খুশি

    ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপির খুশি

    আরেকজন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আোরণের জন্য রোডম্যাপের ঘোষণা দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্তটি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। সালাহউদ্দিন জানান, সময়মতো এই রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও একই ধরনের নির্দেশনা ছিল। তারা আশাবাদী, এই রোডম্যাপ অনুসারে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সদৃশ, সংগ্রামী নাগরিকশিক্ষিত ও দায়বদ্ধ সরকার রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হবে।

  • নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে কিছু দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে কিছু দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে গুজব ও ধোঁয়াশা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যদি কোনও সংশয় থাকে, তাহলে আসুন তার সমাধান ও আলোচনা করি। কোনওভাবেই ঐক্য ভাংগার চেষ্টা চলবে না; বরং আলোচনা ও গণতান্ত্রিক পথ দিয়ে এই বিভেদের অবসান ঘটাতে হবে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, ভবিষ্যতে যেন কেউ গুমের শিকার না হন তার জন্য আমরা সবাই সংগ্রাম করছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তিনি বলেন, যদি জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে সরকারে বসাতে চায়, তাহলে আমরা গুম, অপহরণ ও অপ্রকাশিত অভিযোগের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমাদের লক্ষ্য এমন এক বাংলাদেশ গড়া যেখানে কোনো নাগরিক গুমের শিকার হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।

    শনিবার, ২৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন আরো বলেন, আমি ভাগ্যবান যে আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারছি, কারণ আমার অনেক সহকর্মী সেই সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের দোষত্রুটির জন্য তারা কোনও অনুশোচনা করেনি। উল্টো তারা বিচারাধীন আন্দোলনকারীদের অপরাধী বলে প্রচার করছে। এরপরও কি জনগণ তাদের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেবে? মানুষ কি কখনো ক্ষমা করবে? তারা ক্ষমা চায়নি।

    তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে ধোঁয়াশা ছড়াচ্ছে, আলোচনার মাধ্যমে এসব সময় দুঃশিস্য দূর করতে হবে। একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করেই এই বিভাজন কাটিয়ে উঠতে হবে। কোনোভাবেই ঐক্য নষ্ট করতে দেয়া যায় না।

    আলোচনা সভায় হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর তো গুমের শিকার কয়েকজন ফিরে আসলেও, আরও অনেকের খোঁজ এখনো মেলেনি। তারা আশার আলো দেখিয়েছিলেন যে, সরকার গুমেরাদের ফেরত আনবে বা তথ্য দিয়ে বিচার শুরু করবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কিছুই হয়নি।

    গুম থেকে ফিরে আসা শায়রুল ইসলাম বলেন, তিনি ২০১৭ সালের মার্চে গুম হওয়া এক ব্যক্তির পরিচয়। তিনি জানায়, আরও চারজনের সঙ্গে তিনি গুমে ছিলেন। দুইজন ফিরে এলেও, তিনজন এখনও আটকে রয়েছেন। ফিরে আসার পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্রের মামলায় সাজা হয়, যা এখনো বহাল। তিনি অজ্ঞাত জেলখানায় থাকায় এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি দাবি করেন, তার গুমের সময়কার সাক্ষী তিনি, কিন্তু পরবর্তীতে গুমকারীরা এখনও সরকারি চাকরিতে বহাল আছেন।

    ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির আন্দোলন চলাকালে, রাজধানীর মুগদা থানার শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান কাজলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। তার ছেলে সজল বলেন, তার বাবার দোকান ছিল। একদিন পুলিশ তুলে নিয়ে যায়, তারপর বিভিন্ন থানায় মামলা, কারাগার এবং হাসপাতালের মধ্য দিয়ে তার বাবার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, বাবার মৃত্যুর আগে তিনি জানান, কয়েকদিন ধরে কিছুই খেতে পারেননি, এবং পুলিশ তাঁকে নির্যাতন করেছে।

    সজল কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, বাবাকে তুলে নেওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। বাবার মৃত্যুর এক ঘণ্টা আগে তিনি শেষবারের মতো বাবার সঙ্গে দেখা করেন। তার থাকায় তিনি যান হৃদরোগ হাসপাতালে, যেখানে বাবাকে মৃত অবস্থায় পেয়ে থাকেন। তিনি বলেন, বাবার উপর নির্যাতন চালানো হয়েছে, যা আমরাও একসময় বুঝতে পারি।

  • নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে ভাবনা: তাহেরের অভিযোগ দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

    নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে ভাবনা: তাহেরের অভিযোগ দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

    আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালির বাজার ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, নির্বাচনের জন্য ঘোষণা করা রোডম্যাপটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি নয়, বরং এটি একটি ভণ্ডুলের নীল নকশা। তিনি মন্তব্য করেন, নির্বাচনকে ঘিরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সুরাহা প্রয়োজন থাকলেও এটির প্রতি নজর না দিয়ে নির্বাচনের পথে যে নকশা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটিই মূলত দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অংশ। তাহের বলেন, “আমরা জানি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কোনো আপত্তি নেই। আমরা ১৫ ফেব্রুয়ারির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে হলে জুরি চার্টারকে আইনগত ভিত্তি দিতে হবে এবং এর ভিত্তিতে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। সেইসঙ্গে, নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তা জাল ও অপ্রতিষ্ঠিত। এর মাধ্যমে একটি শক্তিশালী দুর্নীতির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে আমার ধারণা।” তিনি আরও জানান, তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করবে জুলাই চার্টার রিফান্ড এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন কার্যকর করার জন্য। তাহের আরো বলেন, “অবস্থা বিবেচনায়, পুরনো সিস্টেম বা নতুন পদ্ধতি—দুটোতেই সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত রোডম্যাপ ঘোষণা করা উচিত নয়। এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমাদের জনগণ একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তবে দেশের দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ, ভারতীয় আধিপত্যবাদকারী শক্তি ও চাঁদাবাজ বিরোধী আওয়ামী দল বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যেখানে সত্য, ন্যায় ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হবে।” এ সময় বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মো মাহফুজুর রহমান, জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেম প্রমুখ।

  • উদারপন্থার রাজনীতি থেকে উগ্রবাদে পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি, মির্জা ফখরুল বললেন

    উদারপন্থার রাজনীতি থেকে উগ্রবাদে পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি, মির্জা ফখরুল বললেন

    দেশে উদারপন্থী ও মধ্যপন্থী রাজনীতি থেকে উগ্রবাদী ভাবধারার দিকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বর্তমানে দেশে একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, যার লক্ষ্য হলো উদারপন্থা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে বদলে দিয়ে উগ্রবাদী রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা। এটি দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে বলে তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের একে অন্যের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে যাতে উদারপন্থা ও গণতন্ত্রের মানস62ে টিকে থাকা সম্ভব হয়।

    তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকুক, বিভিন্ন চিন্তাভাবনা থাকুক, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা খুবই উদ্বেগজনক। জনগণ বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে এবং প্রশ্নে তুলছে—বVoting হয় তো? এমন শঙ্কা ও হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, নির্বাচন হবে অবশ্যই এবং এ সম্পর্কে ঘোষণা সময়মতো দেওয়া হবে। নির্বাচন না হলে বা বন্ধ হলে দেশের জন্য বড় বিপদ সৃষ্টি হবে এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে বোঝানো হচ্ছে যেন আবার ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। বিদেশেও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তাই দ্রুত ও সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি, যার মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে পারব বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।সংবাদ অনুষ্ঠানে তিনি এই সব বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

  • সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশ বড় বিপদে পড়বে: আবদুল্লাহ তাহের

    সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশ বড় বিপদে পড়বে: আবদুল্লাহ তাহের

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তাহলে দেশ মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়ে যাবে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজিত এক আলোচনার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তাহের বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসে বলেছিলো যে তারা দেশের সংস্কার করবে। জনগণও সেই পরিবর্তনের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় কিছু দল নোট অফ ডিসেন্ট দেখাচ্ছে। এর মানে কি, তারা সংস্কার চায় না? বর্তমানে নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই সংস্কার প্রক্রিয়া বাধা পাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা ওই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে মান্যতা দিয়েছি, তাই প্রত্যাশা করি সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। তাহের আরও বলেন, রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে, তবে নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে स्पष्टতা দরকার। আমরা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে আছি। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা চাই না দেশের ইতিহাসে অন্ধকার সময় ফিরে আসুক। যারা এই পদ্ধতির বিরোধিতা করছে, তারা কেন্দ্র দখল ও ভোট জালিয়াতির পরিকল্পনা করছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যর্থ হলে দেশ মহাখাজখাঁঁর দিকে এগিয়ে যাবে। তাহের বলেন, যারা পিআর পদ্ধতি চান, আসুন আলোচনা করি। দেশের দরকার এমন নির্বাচন ব্যবস্থা যা সাধারণের জন্য গ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নির্বাচন তারিখ নিয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই, তবে সংস্কার শেষ না করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা উচিত নয়। নির্বাচন যদি বিলম্বিত হয় বা প্রতিবন্ধকতা থাক যায়, তা দ্রুত সমাধান করতে হবে।

  • বিচার ও সংস্কারকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝুঁকিতে ফেলা হবে না বললেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা

    বিচার ও সংস্কারকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝুঁকিতে ফেলা হবে না বললেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন—এগুলো এখন বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তিনি বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, বিচার ও সংস্কারকে কোনোভাবেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে দাঁড় করানো গ্রহণযোগ্য হবে না। শুক্রবার সকালে, গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দেশের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জোনায়েদ সাকি আশাবাদী, নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের সংগ্রাম ও সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তিনি বললেন, বিচারকে সামনে রাখতেই হলে নির্বাচনের মাধ্যমে সচ্চুর ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, জাতীয় সনদ প্রতিষ্ঠা জরুরি, যার আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়নের জন্য সবাই মিলিয়ে দ্রুত এ বিষয়ে ঐকমত্য অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে আন্দোলনকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থাগুলোর মধ্যে একত্রিত হয়ে একটি মতৈক্য গড়ে তুলতে হবে, যাতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত হয়।

    আন্দোলনকারীরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করবে, যা নির্বাচনী পরিবেশের কোনও বিঘ্ন দেখা দিলে তা প্রতিরোধে সক্ষম হবে। তিনি emphasizing that, ‘অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন মানেই আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে এগিয়ে যাওয়া। সত্যিকার পরিবর্তন এটাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের সময় যখন বাংলাদেশের পরিস্থিতি মনোকষ্টে ভুগছে, তখন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটলেও, পুরো ব্যবস্থা পরিবর্তন ছাড়া চূড়ান্ত সমাধান সম্ভব নয়।’

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান মূলত স্বৈরতান্ত্রিক ছিল এবং ক্ষমতা একেকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। এর ফলে ঘটে পুনঃপুন স্বৈরশাসন, হত্যাকাণ্ড ও ফ্যাসিস্ট রাজনীতি। তাই, দেশের শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য সাংবিধানিক কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার অবিলম্বে সংস্কার দরকার।

    জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীরা গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, অর্থায়ন ও নাশকতা চালিয়ে বিচার বা সংস্কার প্রক্রিয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, কিছু গোষ্ঠী পুরোনো স্বৈরাচারী কায়দায় নিজেদের ইচ্ছেমত চাপিয়ে দিতে চাইছে, যা জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে।

    তিনি বলেন, জনগণ চায় একটি এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যেখানে তাদের অধিকার ও মর্যাদার সুরক্ষা রয়েছে। কোনো অন্যায় বা ফ্যাসিস্ট ষড়যন্ত্র তারা বরদাশ্ত করছেন না, বরং তা রুখে দেওয়ার জন্য সবাই সাহস নিয়ে দাঁড়াতে হবে, תוך জনস্বার্থে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার বজায় রেখে। তিনি আশাবাদী, বাংলাদেশের মানুষ দ্রুত এগিয়ে যাবে, আর কোনও অপশক্তি এ অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।

    উল্লেখ্য, গণসংহতি আন্দোলন ২০০২ সালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংগঠনের সমন্বয়ে সূচনাপ্রাপ্ত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের শক্তি সংগঠিত করে বৃহত্তর স্বার্থে আন্দোলন চালানো। গত বছর তা উপজেলা পর্যায়ে গণসংহতি আন্দোলনের একক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

  • দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন নৌবাহিনীর ১৯৯ সদস্য

    দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন নৌবাহিনীর ১৯৯ সদস্য

    দক্ষিণ সুদানের জুবা ও মালাকাল এলাকায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট (ব্যানএফএমইউ-১০) এর ১৯৯ জন সদস্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করেছেন। এ সুন্দর মুহূর্তের উদযাপন হিসেবে গত বুধবার জুবায় এক বিশাল মেডেল প্যারেডের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএন মিশন ইন সাউথ সুদান (আনমিস)-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহান সুব্রামানিয়াম, যিনি এই অর্থে তাদের প্রশংসা করেন এবং শান্তিরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও নাবিকদের এই স্বীকৃতি প্রদান করেন। এ ছাড়াও আনমিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    ফোর্স কমান্ডার শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করে বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে এবং সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তারা অত্যন্ত সাহসিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। নীল নদের এই বিপরীত পরিবেশে জাতিসংঘের জন্য জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যসমূহ নিরাপদে পরিবহন করার পাশাপাশি নদী পথে নিয়মিত টহল, রেকি অপারেশন, উদ্ধার অভিযান, ডাইভিং ও অন্যান্য কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। দক্ষিণ সুদানে আনমিসের একমাত্র মেরিন ফোর্স হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োজিত রয়েছে, যেখানে তারা নীল নদের দীর্ঘ ১৩১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ৭১টি লজিস্টিক অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মোতায়েনের পর থেকে তারা দেশ ও দেশের জনগণের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে। পাশাপাশি উত্তাল মহাসাগরে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পরিবেশের শান্তি ও নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক ভূমিকা পালন করে চলেছে।

  • নূর খানের অভিযোগ: এক হাজার আটশ’র বেশি গুমের অভিযোগ

    নূর খানের অভিযোগ: এক হাজার আটশ’র বেশি গুমের অভিযোগ

    গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে গঠিত হয়েছে একটি অন্তর্বর্তী সরকারী গুম কমিশন। এখন পর্যন্ত তারা মোট এক হাজার ৮০০-এর বেশি অভিযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ জনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে গুম দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘রিপ্রেশন টু রেভলুশন’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এই তথ্য জানান গুম কমিশনের সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী নূর খান। তিনি জানান, এই কমিশনের তদন্ত একান্তভাবে তথ্য সংগ্রহের ওপর কেন্দ্রীভাবিত, তাদের কোনো রিমান্ড বা গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা নেই। আমরা শুধু ভুক্তভোগী, সাংবাদিক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কাজ করছি। নূর খান আরও উল্লেখ করেন, যারা এই গুমের নির্দেশ দিয়েছেন এবং জড়িত ছিলেন, তাদের অনেকেই আজও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, যা কাজ চালিয়ে যাওয়াকে কঠিন করে তুলছে। তিনি জানান, ৩০০ জনের বিষয়ে হয়েছে কিছু স্পষ্ট তথ্য, কিন্তু জানানো হয়নি কোথায় রাখা হয়েছিল তাদের। এছাড়া, কাউকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল কারা এবং তারপর কোথায় নিয়ে গেছে, তার সম্পর্কে কিছু ফাঁক রয়ে গেছে। তিনি আগামী ডিসেম্বরে তাদের কাজের একটি অংশের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, তবে একদিকে সমস্ত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন একবারে দেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

  • কাকরাইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে সহিংসতা: আইএসপিআর এর বিস্তার সংक्षিপ্ত বিবরণ

    কাকরাইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে সহিংসতা: আইএসপিআর এর বিস্তার সংक्षিপ্ত বিবরণ

    রাজধানীর কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক সহিংস পরিস্থিতি, যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বর্ধমান রাতের বিভ্রান্তির এই ঘটনায় গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা রাত ৮টার দিকে কাকরাইল এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ওই সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা ধীরে ধীরে দাঙ্গার রূপ নেয়। সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় তারা সেনাবাহিনীর সহায়তা मागে। পুলিশ তখন সংঘর্ষে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করলেও, এরপর তারা মারামারি ও ইট-পাটকেল পুঁতে আঘাত হানে και একাধিক স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টাও করে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, জনদুর্ভোগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। আইএসপিআর জানিয়েছে, শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে অনুরোধ করে, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে। তবে কিছু নেতাকর্মী এই অনুরোধ উপেক্ষা করে মারামারি চালিয়ে যায় এবং আরও সহিংসতা সৃষ্টি করে। তারা পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায়, রাতে মশাল মিছিলের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে। সংঘর্ষে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও আগুন ধরানোর চেষ্টা চলে, যা নিশ্চিতজনের জীবন ও সম্পদকে হুমকির মুখে রাখে। এর ফলে, বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষ চরম বিপর্যয়ে পড়েন এবং চলাচল বিপর্যস্ত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বেশ কিছু সময় চেষ্টা করলেও, সংঘর্ষ চলাকালীন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেলে সেনাবাহিনী बल প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। আজকের এই সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন। আইএসপিআর আরও জানায়, বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের মারামারি ও মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনী এই সিদ্ধান্তের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে mọi কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। দেশের মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সবসময় বদ্ধপরিকর এবং তারা জনগণের স্বার্থে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে দৃঢ় মনোবল রাখে।