Author: bangladiganta

  • নির্বাচনের রোডম্যাপ ঢালাও পরিকল্পনা ভঙ্গুর: তাহের

    নির্বাচনের রোডম্যাপ ঢালাও পরিকল্পনা ভঙ্গুর: তাহের

    নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত রোডম্যাপের ঘোষণা নিয়ে বিষদ মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেছেন, এটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপ্রয়োজনীয় ভঙ্গুর নকল পরিকল্পনা হতে পারে। আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালির বাজার ইউনিয়নে একটি নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।

    ডা. তাহের উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কোন আপত্তি নেই। তারা ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে, একটি স্বচ্ছ ও ন্যায্য নির্বাচন বাস্তবায়নের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান জরুরি। এর মধ্যে জুলাই চার্টার আইনের ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে এবং এর ভিত্তিতেই নির্বাচন পরিচালিত হতে হবে। তবে, এই বিষয়গুলো না করে নির্বাচন কমিশন ডিজাইনের নামে যেই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে তিনি মনে করেন একটি স্বচ্ছ নির্বাচন সফলতাকে হঠাৎ ভঙ্গুর করে ফেলতে পারে।

    তাহের আরও বলেন, আমরা সরকারি ও নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ সৃষ্টি করবো জুলাই চার্টার আইনের প্রতিফলন ও পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য। এছাড়া, পুরনো ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি ও নতুন প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতির মধ্যে একটা নির্ধারিত হওয়া পর্যন্ত রোডম্যাপের ঘোষণা দণ্ডনীয়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত প্রায়ই ভুল পথে পরিচালিত হয় এবং এজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়ার জন্য আহ্বান জানাবেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনগণ একমঞ্চে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কল্পনা করছে। যদি আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তবে দেশের জনগণ চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দুর্নীতি ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করবে। এই নির্বাচন থেকে আমরা একটি নতুন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি।

    এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মো মাহফুজুর রহমান। বক্তব্য দেন জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সহকারি সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমসহ আরও অনেকে।

  • দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন নৌবাহিনীর ১৯৯ সদস্য

    দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন নৌবাহিনীর ১৯৯ সদস্য

    দক্ষিণ সুদানের জুবা এবং মালাকাল এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফোর্স মেরিন ইউনিট (ব্যানএফএমইউ-10) এর ১৯৯ সদস্য এই মর্যাদাপূর্ণ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করেছেন। এর স্বীকৃতিতে গত বুধবার জুবাতে একটি বিশেষ মেডেল প্যারেডের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান (আনমিস)-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহান সুব্রামানিয়াম, যিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন। তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকদের সম্মানে এই মেডেল প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে আনমিসের হেডকোয়ার্টারের কর্মকর্তারা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।  

    মেডেল প্যারেডে ফোর্স কমান্ডার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করেন এবং তাদের সাহসিকতা ও দক্ষতার মাধ্যমে এতটুকু পরিবেশে শান্তিরক্ষা কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নীল নদে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেও তারা অপারেশন চালাচ্ছে, জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি পণ্যসমূহ পরিবহনে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। এছাড়াও নদীতে নিয়মিত টহল, উদ্ধার ও ডাইভিং অপারেশন, রেকি চালানো এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলির নদী পথ নিরাপদ করার জন্য মাঠে কাজ করছে তারা। তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রেসক্লাবকে এই কাজে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এই অবদান অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। বিশেষ করে, তারা আনমিসের একমাত্র মেরিন ফোর্স হিসেবে কাজ করছে, যেখানে দেশের দীর্ঘ ১৩১১ কিলোমিটারের নদী পথে বিভিন্ন সম্পদ ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারা ৭১টি লজিস্টিক অপারেশনের মাধ্যমে এই মিশনের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করছে। মোতায়েনের পর থেকে তারা দক্ষিণ সুদানের সরকারের সাথে কাজ করে দেশটির উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছে।”

    অন্যদিকে, উত্তাল ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ বানৌজা সংগ্রাম বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গৌরবময় ভূমিকা পালন করছে, দেশের পতাকা উড়িয়ে মহাদেশীয় ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রশংসিত হয়ে চলেছে।

  • নূর খান: এক হাজার আটশ’র বেশি গুমের অভিযোগ এখন পর্যন্ত

    নূর খান: এক হাজার আটশ’র বেশি গুমের অভিযোগ এখন পর্যন্ত

    গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের গুম কমিশন এখন পর্যন্ত ১৮০০ এর বেশি অভিযোগ পেয়েছে। এই অভিযোগের মধ্যে প্রায় ৩০০ ভুক্তভোগীর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে গুম দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘রিপ্রেশন টু রেভলুশন’ শীর্ষক আলোচনায় এই তথ্য জানিয়েছেন গুম কমিশনের সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী নূর খান।

    নূর খান বলেন, এই কমিশনের কাজ তদন্ত করা নয়। ফলে আমরা রিমান্ড বা গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নেই। আমাদের মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান। ভুক্তভোগী, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছি।

    তিনি আরও বলেন, যারা এই গুমের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন বা সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তাদের অনেককেই এখনো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কাজ চালিয়ে যাওয়া অনেক চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    নূর খান জানিয়েছেন,প্রায় ৩০০ ভুক্তভোগীকে ধরে নিয়ে কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাদের নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কিছু তথ্য পরিষ্কার হয়েছে। তবে গুমের শিকার ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের কারা নিয়ে গিয়েছিল, সে বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাঁক এখনো রয়ে গেছে।

    তনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে কমিশন তাদের কাজের একের কিছু অংশের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে পারবে। তবে, এক হাজার ৮০০ অভিযোগের সামগ্রিক প্রতিবেদন একযোগে দেওয়া সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

  • কাকরাইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে সহিংসতা, আইএসপিআর বলছে

    কাকরাইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে সহিংসতা, আইএসপিআর বলছে

    রাজধানীর কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক সহিংসতার পরিস্থিতি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ (৩০ আগস্ট) শনিবার একটি বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টায় কাকরাইলে দুই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কিছুজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা চালায়, কিন্তু পরিস্থিতি আরো গুরুতর হলে তারা সেনাবাহিনীর সহায়তা চায়। এরপর পুলিশ যখন মারাত্মক আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেকেরই আহত হন।

    আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত হয়ে স্থান ত্যাগের অনুরোধ জানিয়েছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে বারবার অনুরোধ উপেক্ষা করে কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও অশান্ত করে তোলে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আঘাতের পাশাপাশি রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা বাড়ানোর চেষ্টা করে। ইট-পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চলে।

    এছাড়াও, এই সহিংসতায় বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও সংলগ্ন এলাকা বজ্রাঘাতের মতো জনচলাচল ব্যাহত হয়, ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসুবিধা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধান ও বুঝাবুঝির সব প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে বেশ কিছুজনের দ্বারা হামলা চালানো হয়। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না আসায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়। এই ঘটনায় প্রায় ৫ জন সেনা সদস্য আহত হন।

    আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, সরকার সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সিদ্ধান্তের পুনর্ব্যক্তি করে জানিয়েছে যে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে তারা সব সময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত।

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে

    ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক চর্চার পথ প্রশস্ত করেছে। এই অভ্যুত্থান দেশের ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ একটি দৃষ্টান্তমূলক গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন, যিনি বলেন, আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চাই না। তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক মাজলি বিন মালিক বলেন, বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সরকার এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে খোলামেলা সংলাপ করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বিভিন্ন সংস্কার ও পরিবর্তন শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে যেকোনো দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক সিদ্ধার্থ ভারদারাজান মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ তার অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত ও বাংলাদেশে আরোপিত মার্কিন শুল্কের বিষয়েও বাংলাদেশের সফলতা দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরকে নির্দেশ করে। এই সমস্ত পরিবর্তন ও উন্নয়ন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে।

  • বিচার ও সংস্কারকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মান্যতা দেওয়া হবে না

    বিচার ও সংস্কারকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মান্যতা দেওয়া হবে না

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন—এ সবই বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় স্বার্থ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, বিচার ও সংস্কারকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভাজনের মাধ্যমে দেখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুক্রবার সকালে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

    জোনায়েদ সাকি বলেন, আমাদের জন্য নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি হচ্ছে সেই মাধ্যম যার মাধ্যমে আমরা বিচার এবং সংস্কার সম্পন্ন করতে পারি। নির্বাচন ছাড়া মানুষ অন্ধকারেই থাকবেন, অন্ধকারে থাকাকালীন অন্যায়ের মোকাবিলা করাও কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, তাই সবার উচিত এই বাস্তবতার স্বীকৃতি ও গ্রহণ করা। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে এবং এই মাধ্যমে আমরা যে সংস্কারের পথচলা শুরু করেছি, সেখানে একটি জাতীয় সনদ তৈরি হচ্ছে, যা বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেছেন, দ্রুতই দেশের আইনি বাধ্যবাধকতা ও সনদ বাস্তবায়নের জন্য ঐক্য গড়ে তুলতে হবে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ সুস্থ, স্বাধীন ও নিরপক্ষ হয়। এই পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য আন্দোলনকারী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তারা আগামী দিনগুলোতে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।

    জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন তারিকভাবে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিয়ে একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বা লাপেটের কোনো ঘটনা ঘটলে তা সমাধানে সম্মিলিতভাবে কাজ করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশেকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে জনগণের ভোটাধিকার, অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষিত থাকবে। অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যখন বাংলাদেশ সময়ের চাপে রয়েছে। ২০২৪ সালে জাতীয় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী শাসন পতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, এই শাসনব্যবস্থার একেবারে উচ্ছেদ হয়নি। তিনি বলেন, স্বৈরশাসন আর ফ্যাসিস্ট শাসন কেবল পতনের মাধ্যমে পরিবর্তন আসবে না, শাসনব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। ১৯৭২ সালের সংবিধান ১৯৭১ সালের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারেনি; বরং এটি ছিল স্বৈরতান্ত্রিক, যেখানে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত ছিল এক ব্যক্তির হাতে। এই স্বৈরাচারী কাঠামোতেই একের পর এক শাসন, হত্যা ও জুলুম চালানো হয়েছে। এই কারণে এখন জরুরি সংশোধনী ও কাঠামোগত পরিবর্তন।

    সাকি জানান, এখনো দেখা যায়, আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকরা গণঅভ্যুত্থান ও আত্মত্যাগের সত্যতা অস্বীকার করার চেষ্টায় লিপ্ত। তারা গণআন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে বিদেশি ও দেশীয় ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, অর্থের যোগান দিচ্ছে এবং বিভিন্ন অপতৎপরতা সৃষ্টি করছে। এর মধ্যে মব রাজত্ব কায়েম করতে কিছু গোষ্ঠী চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, একদিকে আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারিত্ব, অন্যদিকে দক্ষিণপন্থি উত্থানের সব ধরনের ষড়যন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খার বিরুদ্ধ।

    সাকি emphasizing গেছেন, জনগণের মূল চাওয়া একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেখানে অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত থাকবে। তিনি বলেন, অন্যায়ের পাশে দাঁড়াবেন না, কোনোভাবেই ফ্যাসিস্ট ষড়যন্ত্রে প্রশ্রয় দেবেন না। আইন ও গণতান্ত্রিক অধিকার বজায় রেখে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে, অন্যথায় নিজেদেরই ফ্যাসিবাদের শিকার হয়ে পড়তে পারেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে এবং অপশক্তি এই অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে পারবেন না।

    অন্তর্বর্তী সময়ে, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গণসংহতি আন্দোলন ২০০২ সালে ছাত্র, শ্রমিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংগঠনের যৌথ রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে যাত্রা শুরু করে, যার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা এবং বৃহত্তর স্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া। ২০০২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নানা গণআন্দোলনে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব দেওয়ার পর, ২০১৫ সালে তৃতীয় জাতীয় কাউন্সিলে গণসংহতি আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

  • জনপ্রিয় টিকটকারের দুঃখজনক মৃত্যু

    জনপ্রিয় টিকটকারের দুঃখজনক মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টিকটকার মালিক টেইলর এক মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। নর্থ ক্যারোলিনা রাজ্যের কনকর্ড শহর কর্তৃপক্ষ এ খবর নিশ্চিত করেছে। তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৮ বছর।

    কনকর্ড পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, গত ২০ আগস্ট ভোর সাড়ে ৭টার দিকে ল্যাপিস লেন এনডাব্লিউ-তে একটি দুর্ঘটনামূলক ঘটনার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশ দেখতে পায়, আক্রান্তের গাড়িটি উল্টে রাস্তার পাশের প্রায় ২০ ফুট গভীর খাদে পড়ে রয়েছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই গাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। কনকর্ডের ফরেনসিক বিভাগ ও ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম নিশ্চিত করেছে, টেইলর কোনও অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন না। তবে পুলিশ ধারণা করছে, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

    তার মৃত্যুতে তাঁর সামাজিক মিডিয়া পেজে দলের পক্ষ থেকে শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘যাঁরা তাঁকে চিনতেন, সবাই জানতেন তিনি সবাইকে হাসি ও আনন্দে ভরিয়ে তুলতেন। তিনি ছিলেন একজন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো।’

    শোকবার্তায় আরও লেখা হয়েছে, ‘তুমি আমাদের সঙ্গে খুব সামান্য ছিলে, কিন্তু তোমার স্মৃতি আমাদের মনে চিরকাল থাকবে। আমরা তোমাকে খুব মিস করব, তোমার আত্মা আমাদের অনুপ্রেরণা দেবে বলে আশা করি।’

    তাঁর মৃত্যู้ পরিবারের প্রতি ধৈর্য্য ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাঁদের প্রতি পরিবারের কৃতজ্ঞতাও জানানো হয়েছে, ותেকেও আশীর্বাদ ও প্রার্থনায় রাখতে সবাই অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • প্রিয় কমেডিয়ান রেজিনাল্ড ক্যারলকে গুলি করে হত্যা

    প্রিয় কমেডিয়ান রেজিনাল্ড ক্যারলকে গুলি করে হত্যা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রেজিনাল্ড ক্যারলকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২০ আগস্ট রাতে, যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যের সাউথহ্যাভেনে। এই শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    সাউথহ্যাভেন পুলিশ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বার্টন লেনে গুলির ঘটনায় তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ও চিকিৎসকরা দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত রেজিনাল্ড ক্যারলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

    এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে হত্যাকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি, ক্যারলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    রেজিনাল্ডের মৃত্যুতে তার সহকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তার বন্ধু-পরিবার ও অনুরাগীরা তার জন্য শোকস্তব্ধ হয়ে পোস্ট দিয়েছেন। এতে তার ভাই জোনাথন ক্যারলও প্রকাশ করেছেন গভীর দুঃখ ও সমবেদনা। রেজি ক্যারলের মৃত্যুর খবরে অনেকেই তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, যা তার পরিবারকে সাহস যোগাচ্ছে।

  • আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহি গ্রেফতার

    আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহি গ্রেফতার

    বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহিকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে নগরীর পোর্ট রোড এলাকার হোটেল রোডেলা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত অগ্নিসংযোগের অভিযান চলাকালে নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তল্লাশি চালানোর সময় হোটেল রোডেলায় একটি কক্ষে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া একজন পুরুষ ও টিকটকার মাহিয়া মাহি থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তাদের সঙ্গে আরও একজন তরুণীকে আটক করা হয়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মাহিয়া মাহি স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেও তার কাছে কোনও বৈধ পরিচয়পত্র দেখা যায়নি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘হোটেল রোডেলা থেকে দুই তরুণী ও একজন পুরুষকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়দিয়ে থাকা ব্যক্তিদের ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

  • জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নারীর অপহরণের অভিযোগ

    জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নারীর অপহরণের অভিযোগ

    সম্প্রতি ভারতের কোচির এনার্কুলাম এলাকায় একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, স্থানীয় এক বারে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় একটি নারী প্রযুক্তিবিদকে অপহরণ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এনার্কুলাম থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা হলেন মালয়ালাম সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেনন এবং তার তিন বন্ধু।

    ভারতীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বারে হাতাহাতি শুরু হওয়ার পর প্রতিশোধের অংশ হিসেবে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে একা রাস্তায় নিয়ে যান আলুভার বাসিন্দা প্রযুক্তিবিদ আলিয়া শাহ সলিম। তাকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে এবং মুখ বাঁধা অবস্থায় মারধর করা হয়। পরে, অপহরণকারী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সংঘর্ষের সময় শহরের উত্তর রেলওয়ে ওভারব্রিজের কাছে তাকে গাড়ি থেকে নামানো হয়। এরপর জোরপূর্বক উপায়ে তাকে বের করে এনে মারধর করা হয়।

    প্রাথমিক তদন্ত ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপহরণের সময় ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অভিযুক্তরা হলেন অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেনন, যিনি ২০১১ সালে পরিচালক বিনয়নের ‘রাঘাবন্তে স্বত্তম রাজিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে মালয়ালাম সিনেমায় অভিষেক করেন। তিনি ‘সুন্দরপান্ডিয়ান’, ‘কুট্টি পুলি’, ‘জিগারথান্ডা’ ও ‘মিরুথান’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় মালয়ালাম এবং তামিল সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    এখন পর্যন্ত, অভিনেত্রী সহ তার তিন বন্ধুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং অন্য অভিযুক্ত লক্ষ্মী মেনন আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং অপহরণের মূল ঘটনা উদঘাটনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।