Author: bangladiganta

  • ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ মোট ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচনের ফলাফলে ২৩টিতেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজোটের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাবির সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে তাদের নাম ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট, যার মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। একইভাবে, এসএম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট। প্রতিরোধ পর্ষদের প্রার্থী মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট, যারা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

    এছাড়া, এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মুহা. মহিউদ্দীন খান, যিনি ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছেন। ছাত্রদলের প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট। আরও ২০ পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা, যারা ১০ হাজার ৬৩১ ভোট পান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ইকবাল হায়দার ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম ৯ হাজার ৭০৬ ভোট লাভ করেন।

    অন্য পদে নির্বাচিতরা হলেন ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ (৯ হাজার ৬১ ভোট), ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসাইন (৭ হাজার ২৫৫ ভোট), কমন রুম, রিডিং রুম ও কাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা (৯ হাজার ৯২০ ভোট), মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া (১১ হাজার ৭৪৭ ভোট), স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এমএম আল মিনহাজ (৭ হাজার ৩৮ ভোট), ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (৯ হাজার ৩৪৪ ভোট)।

    এছাড়া, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না (১০ হাজার ৪৮ ভোট), সর্বমিত্র (৮ হাজার ৯৮৮ ভোট), আনास ইবনে মুনির (৫ হাজার ১৫ ভোট), ইমরান হোসেন (৬ হাজার ২৫৬ ভোট), তাজিনুর রহমান (৫ হাজার ৬৯০ ভোট), মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ (৫ হাজার ১৫), বেলাল হোসাইন অপু খান (৪ হাজার ৮৬৫ ভোট), রাইসুল ইসলাম (৪ হাজার ৫৩৫ ভোট), মো. শাহিনুর রহমান (৪ হাজার ৩৯০ ভোট), মোছা. আফসানা আক্তার (৫ হাজার ৭૪৭ ভোট) এবং রায়হান উদ্দীন (৫ হাজার ৮২ ভোট)।

    বাকি পাঁচ পদে জয়ী হয়েছেন অন্য প্রার্থীরা, যার মধ্যে সমাজসেবা সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবাইর বিন নেছারী; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী; সদস্য হিসেবে হেমা চাকমা ও উম্মু উসউয়াতুন রাফিয়া।

    প্রথম দফা ভোটগ্রহণ গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়, যাতে কোন বড় ধরনের ঘটনা ঘটে নি। এবারের নির্বাচনে আক্রান্ত প্রার্থীরা ৪৭১ জন। সাধারণ ছাত্র সংসদের ২৮ পদে প্রার্থী ছিলেন ৪৭১ জন, আর হল সংসদে ১৮টি পদে প্রার্থী ছিলেন ১৩ হাজার ৫ জন।

    বিপুল ভোটারসংখ্যা ছিলো ৩৯,৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ জন ভোটার ভোট দেন।

  • দেশে মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার এলো

    দেশে মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার এলো

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুদৃढ़ হলো, যেখানে দেশের গড় মাথাপিছু আয় এখন ২৫৯৩ ডলার। এটি প্রতিফলিত হয়েছে নতুন বিশ্বব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ার ২০টি দরিদ্র দেশের মধ্যে অন্যতম শীর্ষে থাকা জর্ডানের মাথাপিছু আয় ৪৬১৮ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশির। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম, যেখানে এর নির্ভরযোগ্য হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার। উল্লেখ্য, ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিছু সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার দেখিয়ে ছিল, যা এখনকার বাস্তব পরিসংখ্যানের সঙ্গে ততটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।বিশ্বব্যাংকের রিপোর্টে আরও দেখা গেছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের মাথাপিছু আয় এখন ২৬৯৩ ডলার, যা বাংলাদেশের তুলনায় মাত্র ১০০ ডলার বেশি। শ্রীলংকার ক্ষেত্রে, এই সংখ্যা প্রায় ৫৫০০ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে বেশি। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে তার মাথাপিছু আয় প্রায় ১৬৪০ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক হাজার ডলার কম।অন্যদিকে, এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম মাথাপিছু আয় যোগ্য আফগানিস্তান, যেখানে এই সংখ্যা মাত্র ৪১৩ ডলার। সততার সাথে জানা গেছে, দেশের অর্থনীতির সাম্প্রতিক অবস্থা উন্নতির পথে, তবে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আবার বৃদ্ধি

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আবার বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দর আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণের নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে। এই তথ্য জানানো হয় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে। নতুন দাম আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    প্রতিটি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দামে রয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা তখন সর্বোচ্চ দাম ছিল।

  • অর্থমন্ত্রী: জলবায়ু পরিবর্তনে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, মাত্র ২ বিলিয়ন পেলে যায় জান বাজি

    অর্থমন্ত্রী: জলবায়ু পরিবর্তনে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, মাত্র ২ বিলিয়ন পেলে যায় জান বাজি

    অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। তবে, দুঃখজনকভাবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আদায়ের সময় আমাদের জান বের হয়ে যায়। আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর), রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ নামে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দুটি ধরণের দুর্যোগের মধ্যে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কম নয় আর প্রকৃতি ও মানুষের ক্ষতি একসঙ্গে বাড়ছে। তরুণরা এগিয়ে আসছে জানিয়ে সেটি ইতিবাচক দিক, তবে শুধুমাত্র ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোক পাঠানো উপায় নয়। আগুন লাগলে সাধারণ মানুষই প্রথম এগিয়ে আসে, সেটা দৃশ্যমান। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়গুলো আরও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো প্রবল দুর্যোগপ্রবণ দেশে, জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, যেখানে আগামীতে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলার নিয়ন্ত্রণের আলোচনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংবাদ বেশি তুলে ধরতে হবে। জাপানের ছাত্ররা এ নিয়ে সচেতন, আমাদেরও এখন থেকে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই বিষয়টি বোঝানো দরকার। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ, এখানে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের প্রকোপ বেশি। এজন্য আমাদের মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতি আরও বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু, পানি বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যুসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বিষয়গুলো তুলে ধরার গুরুত্ব স্বীকার করেন অতিথিরা। আজকের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন, যারা ভবিষ্যতে জলবায়ু সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

  • স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে গেল

    স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে গেল

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এক নতুন নজির সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম দুই হাজার ৭১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা। এই আপডেটের মাধ্যমে স্বর্ণের দাম অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে, এটি এখন একেবারে ‘মূল্যবান’ থেকে যেন ‘মহামূল্যবান’ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য উল্লেখ করে। নতুন মূল্যู দাবি আজ সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৬৩ টাকা। তবে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রূপার দাম এখন এক ভরি জন্য নির্ধারিত ২ হাজার ৮১১ টাকা। অন্য ক্যারেটের জন্য যথাক্রমে, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম এক হাজার ৭২৬ টাকা।

  • অগাস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে অস্বস্তি রয়ে গেছে

    অগাস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে অস্বস্তি রয়ে গেছে

    গত আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, যা জুলাইয়ের তুলনায় কমেছে। তবে বেশ অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে খাদ্য বিভাগের মূল্যবৃদ্ধি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যমূল্য সূচক ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুলাই মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ এই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ০.২৬ শতাংশ কমেছে।

    তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। আগস্টে খাদ্য উপাদানের মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ বেড়েছে এবং বর্তমানে এটি ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। جولাই মাসে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বিবিএসের তথ্যমতে, জুলাই মাসে সার্বিকভাবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা আগস্টে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি প্রায় ০.৪৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    এছাড়াও, আগস্ট মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য বিষয়ক মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে এই হার ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) একটি অনুষ্ঠানে বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এটা এক রাতের কাজ নয়, সময় নেয়। চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আগস্টে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য ৫ শতাংশের নিচে মূল্যস্ফীতি রাখা।

  • ফখরুল জানান, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে শঙ্কা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে

    ফখরুল জানান, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে শঙ্কা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে

    অযাচিতভাবে কিছু রাজনৈতিক দল বর্তমানে জাতীয় নির্বাচনে অস্থিরতা এবং শঙ্কা সৃষ্টি করা চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, ‘আমরা কিছুটা উদ্বিগ্ন, তবে আমি বিশ্বাস করি তাৎক্ষণিক না হলেও সময় মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবং এই নির্বাচন জনগণের সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, আগামী সোমবার অনুষ্ঠিতব্য জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়েছে, এবং আমরা আশাবাদী এটি সফল একটি অনুষ্ঠান হবে। বড়ো কথা হলো, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং বক্তব্য রাখবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই সম্মেলন নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এছাড়া, জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সম্মেলনস্থল পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে যখন আওয়ামী লীগের কিছু নেতার ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। যোগাযোগের এই সময়, সম্মেলনস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের উপস্থিত দেখা যায়।

  • ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি

    ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার পথে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে চলেছে। বিশেষ করে নির্বাচনের নিয়ম ভাঙচুরের অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি জানান, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনে উপস্থিত থাকাকালে এই কথা বলেন।

    অভিযোগ রয়েছে, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বিশেষ কার্ড বা পারমিশন দেয়নি, ফলে তাকে মেয়েদের হলে অবস্থিত ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যেই তিনি বলেন, আমি এ ঘটনাকে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হওয়া ভোটের অংশ হিসেবে দেখছি এবং অভিযোগ করতে চাই না।

    প্রথম থেকেই অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল সমর্থিত পক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে তারা অনিয়মের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এই কেন্দ্রটিতে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন।

    প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকেরা বাইরে থেকেও ভোট প্রার্থী ও প্রচারপত্র বিলি করতে দেখা যায়। কিছু নারী ভোটার এই কার্যক্রমে আপত্তি জানিয়ে প্রতিবাদ করেন, কিন্তু আবিদুল ও তার সমর্থকরা দাবি করেন, তারা ভোট চাইছেন না; তারা মূলত প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন কারণ ভোটাররা এই নম্বরগুলো মনে রাখতে অসুবিধা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোটের জন্য প্রার্থনা বা ভোটার স্লিপ বিতরণ করতে পারবে না। এমনকি কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে এসব অনুমোদিত নয়।

    প্রতিপক্ষের অভিযোগের মাঝে দেখা গেছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্রের কাছেই বুথ ও টেবিল স্থাপন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমরা কোনো নিয়মভঙ্গের কাজ করিনি। আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে আছে।

    অতীতে এই নির্বাচনের সময় বিভিন্ন ধরণের অনিয়মের অভিযোগ ওঠলেও, এ ফালতু অভিযোগ ও গুজব থেকে মুক্ত থাকাই এখন সবচেয়ে প্রয়োজন। নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব ও সতর্কতা অবলম্বন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

  • সবকিছু এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: সাদিক কায়েম

    সবকিছু এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: সাদিক কায়েম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মনোনীত ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সাদিক কায়েম সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুন্দর রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কার্জন হলের চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, আমি সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি। সব কিছুই স্বাভাবিক ও সুবিন্যস্ত। যদি শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হয়, তবে আমি আশাবাদী যে আমরা জয়ী হব। এখন পর্যন্ত পরিবেশের সব কিছুকেই পজিটিভভাবে দেখছি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিচ্ছেন। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে আমি মনে করি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ফলাফল আসবে। এ ছাড়াও, এবারের নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেলে দলের মূল নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী, আপ বাংলাদেশ ও ইনকিলাব মঞ্চের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনের জন্য তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে মোট ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অবিরত চলবে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোটদানের জন্য লাইনে থাকা শিক্ষার্থীরাও ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশপথ সারা দিন বন্ধ থাকবে, যা আগামী বুধবার সকালের ৬টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

  • তারেক রহমানের আশঙ্কা: সহজভাবে নেওয়া ভুলের সংকেত

    তারেক রহমানের আশঙ্কা: সহজভাবে নেওয়া ভুলের সংকেত

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টি সহজভাবে নেয়া ভুল উদ্যোগ বলে মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেন, আমরা যদি সব কিছু সহজ করে ভাবি, তাহলে বিপদে পড়তে পারি। এক বছর আগে তিনি বলেছিলেন, আমাদের পরিস্থিতি সহজ নয়, বরং এটা জটিল একপ্রকার।
    সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে তিনি লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    তারেক রহমান জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও জাতীয় ঐক্য কমিশন বিষয়ে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে অংশগ্রহণ করেছে। তারা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দিয়েছে, তবে কিছু বিষয় নিয়ে মতান্তর থাকায় সেগুলো দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি বললেন, আসুন জনগণের ওপর বিশ্বাস রাখি, তাদেরই শেষ কথা। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য জনগণের আস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
    তিনি আরও বলেন, ‘দেশে জবাবদিহিতা, নির্বাচনী ব্যবস্থা সবকিছু একসময় ধ্বংস করে দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে লাখো প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করা হলেও, এখনও নানা ষড়যন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র ধুলোয় মিশে গেছে। শাসক দলের শোষণ, গুম, খুনের ঘটনা সাধারণ মানুষের জীবনে টানা একটি অন্ধকার যুগের শুরু করে।’
    তারেক রহমান স্মরণ করে, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যে স্বপ্ন দেখেছিল মানুষ, তা এখন অনেকাংশে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশে এখনো স্বৈরাচার চেষ্টার কোনও সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবনদান করেছে, তাদের আত্মত্যাগের বদলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন।
    বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গত ১৬ বছরে আমাদের দেশে বিভিন্ন রাজপথে রক্তপাত, আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছে সাধারণ জনগণ। জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা, নারীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা—সবই আমাদের চোখে পড়ে। কিন্তু শেষমেশ বিজয় দেশের মানুষেরই হয়, শোষকরা পালিয়ে যায়। দেশের মুক্তি ও স্বাধিকার অর্জনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের জায়গা অপ্রতিরোধ্য।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে নীতিও রয়েছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, অন্য দলগুলোরও নিজস্ব পরিকল্পনা ও নীতিসহ রয়েছে। কিন্তু দায়িত্বশীল রাজনীতির জন্য প্রয়োজন সবার মাঝে একত্রে কাজ করা। দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠন, কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করা, বেকার সমস্যা কমানো ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের বক্তব্য দিচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে, অবাঞ্ছিত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, স্বৈরাচার ফিরে আসার পরিবেশ তৈরি হবে, যা দেশের জন্য সঙ্গত হবে না। সবাইকেই দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে। সরাসরি বক্তব্যের পাশাপাশি যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।’
    প্রসঙ্গত, সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এখন যখন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তখনই দেশের শত্রুরা আবার ষড়যন্ত্র শুরু করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন করতে চায় তারা।
    তিনি আরও সাবধান করে বলেন, যারা ভোটের পথে বাধা সৃষ্টি করার চিন্তা করছে, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা—ভুল পথে চললে দেশের মানুষ উপকারী হবে না। জনমত ও গণতন্ত্র রক্ষা আমাদের দায়িত্ব।
    সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তিনি সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।