খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাচীন বাংলার চিরন্তন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ। এই বর্ষবরণের উৎসব আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জীবন্ত ও সমুজ্জ্বল করে তোলে। নিজস্ব সংস্কৃতির ধারাকে ধরে রেখে বিকশিত করাই আমাদের ফরজ, যাতে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আরও গভীররূপে রূপান্তরিত হয়। কেসিসি প্রশাসক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে সবাইকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগের বছর যেখানে নানা দুঃখ-বেদনা আর ব্যর্থতা এলো, সেখানে নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা হোক নতুন স্বপ্ন, উৎসাহ ও প্রাণবন্ত আবেগে জীবন শুরু করা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন বছরের প্রতিটি দিন হবে সাফল্য ও সচ্ছলতার প্রতীক, যা সকলের জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসবে।
Author: bangladiganta
-

বাংলাদেশে ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকার বেশি
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে দেশে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে দুই লাখ কোটি টাকা। বিশেষ করে রপ্তানির তুলনায় আমদানি এতটাই বেশি হয়েছে যে, এর ফলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে এসেছে। দেশের আমদানি বেশি হওয়ার জন্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, যা গত কিছু সময়ে ব্যাপকভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি, আমদানি আরও বাড়ছে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা এবং খেজুরের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অধিক চাহিদার কারণে। অন্যদিকে, একই সময় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে আসায় বাণিজ্য ঘাটতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম আট মাসে দেশের ব্যবসায়ীরা চার হাজার ৬১৭ কোটি ডলার (প্রায় ৪৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার) পণ্য আমদানি করেছেন, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশের বেশি বেশি। তবে, এই সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। অর্থাৎ, আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে বৈষম্যই মূল কারণ that the প্রথম আট মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে একই সময়ে রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। তারা মনে করছেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে দেশের আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। না হলে অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের পণ্য আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, এই সময়ে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এই পার্থক্যই বোঝায় কেন বাণিজ্য ঘাটতিতে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘটেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমানে দেশের করেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স সামান্য ঋণাত্মক থাকলেও, ধারাবাহিক বড় ঘাটতি হলে এটি অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। এর পাশাপাশি, সামগ্রিক লেনদেন (অর্থাৎ ওভারঅল ব্যালান্স) ভালো অবস্থায় রয়েছে। এই সময়ের সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৩ কোটি ডলার, যা গত বছরে একই সময় ছিল ঋণাত্মক ১১৫ কোটি ডলার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রথম আট মাসে তারা ২২০৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ শতাংশ বেশি।
অপর দিকে, দেশি ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) কিছুটা বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে এফডিআই দাঁড়িয়েছে ১০৬ কোটি ডলার, যা চলতি অর্থবছরে কমে এসেছে ৮৭ কোটি ডলারে। তবে, শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ (পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট) গত কয়েক মাসে নেতিবাচক অবস্থায় গিয়ে পড়েছে। প্রথম আট মাসে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে, যা আগের অর্থবছরেও একই ধারা অব্যাহত ছিল। -

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম পড়তে শুরু করেছে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সোমবার বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় এক সপ্তাহের最低 স্তরে এসে দাঁড়িয়েছে। এই খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
বিশ্লেষকদের ধারণা, শক্তিশালী ডলারের চাপের কারণে এই পতন ঘটছে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আবারও বাড়ছে। একই সঙ্গে চলতি বছর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাও কমে গেছে। এর ফলে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম আবারো চড়াই-উতাড়াই শুরু হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে প্রায় প্রতি আউন্স ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দিন শুরুর সময় এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে নেমেছিল। জুনের ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়েছে এবং তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠেছে। এসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবরও রয়েছে। এই সব কারণেও স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা দেখা যেতে পারে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি আলোচনার ব্যর্থতা যুদ্ধবিরতির আশা কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ডলার ও তেলের দাম বাড়ছে, যা স্বর্ণের ওপর আবারও চাপ সৃষ্টি করছে।
২৮ ফেব্রুয়ারির পরে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১% এর বেশি কমেছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা স্বর্ণের চাহিদা বাড়ায়, তবে উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শক্তিশালী ডলার থাকায় অন্যান্য মুদ্রাধারীরা ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। ওয়াটারার মন্তব্য করেন, যখন তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠছে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখছে, যা স্বর্ণের পারফরম্যান্সকে দুর্বল করে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ জ্বালানির উচ্চ মূল্য স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি বাধা দিতে পারে। এছাড়া, মুদ্রানীতিতে শিথিলতার সুযোগ কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ আরও বাড়ছে।
-

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনলো
বাংলাদেশ ব্যাংক সুদহার নির্ধারণে আরও বেশি স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নতুন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত এক সার্কুলারে এই তথ্য জানানো হয়। সার্কুলারে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন ধরনের ঋণচুক্তি, বন্ড, ডেরিভেটিভসসহ অন্যান্য ফাইন্যান্সিয়াল পণ্য ও চুক্তিতে সুদের হার নির্ধারণে একটি কার্যকর, গ্রহণযোগ্য এবং বাজারভিত্তিক বেঞ্চমার্কের প্রয়োজন দীর্ঘ দিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে, প্রকৃত আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট নির্ধারণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই রেটের নাম হলো ‘বাংলাদেশ ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট’ (বিওএফআর) এবং ‘ঢাকা ওভারনাইট মানি মার্কেট রেট’ (ডিওএমএমআর)। সার্কুলারে আরও জানানো হয়েছে, এই রেফারেন্স রেটগুলো প্রতিদিনের কার্যদিবসে নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। রেট নির্ধারণের পদ্ধতিও ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই অনুসরণ করতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বাজারে আরও বেশি নমনীয়তা ও আন্তর্জাতিক মানের পরিষেবা নিশ্চিত হবে।
-

দেশের রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেলো
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন মোট ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯,৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার।
এর আগে, ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪,৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার, এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯,৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ বা প্রকৃত মজুতের পরিমাণ নির্ণয় করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বিয়োগ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে সেটিই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়।
-

ছেঁড়া-ফাটা নোট না বদলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত
দেশজুড়ে ছেঁড়া, ফাটকা, ত্রুটি সম্পন্ন ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নেয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণ মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে যে, সব তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ছেঁড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং একই সঙ্গে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো দর্শনীয় ও নিরাপদ নগদ লেনদেনে সবসময় ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোটের ব্যবহার কমানো। এবার এর জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে এখনও ছেঁড়া বা ময়লাযুক্ত নোটের আধিক্য রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ ও নির্ধারিত কাউন্টার থেকে বিনিময় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। গ্রাহকদের কাছে সেই ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বদলে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশও জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংকের শাখা এ ধরনের পরিষেবা দিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি করে বা উদ্যোগ নেয় না, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা, যেহেতু এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। বোঝা যাচ্ছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের সুবিধার পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
-

ইডেন কলেজ, গোপালগঞ্জ ও অন্যান্য কলেজের ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মেয়াদ শেষে চলে গেছে ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, গোপালগঞ্জ জেলা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটি। শনিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সহ-সভাপতির পদমর্যাদার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উল্লেখিত সব কলেজ ও জেলার কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় তা কার্যত বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয় যে, শিগগিরই এসব ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।
এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নতুন কমিটি তৈরির জন্য প্রস্তুতিসভা শুরু হয়েছে এবং দ্রুত নতুন নেতাদের নেতৃত্বে এসব সংগঠন পুনর্গঠন হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।
-

নাহিদ: আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই একত্রিত আছি। এটি কোন এক দলের বিষয় নয়, কোন জোটের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও গণঅভ্যুত্থান রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। জুলাই মাসে শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না, এই দাবি নিয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো।
রোববার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায়, যেখানে শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিলেন তিনি, এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা হয়তো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সবাইকে পুরোপুরি পাশে রাখতে পারিনি, তবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে গেছি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ও সরকার বিভিন্ন বড় বড় কথা বলছে, আমরা চাই, তারা সত্যিই জুন মাসে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবং দেশের সংস্কারের জন্য কতটা কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে তা দেখতে।
নাহিদ বলেন, ‘জুলাই অধিদফতর ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠন হয়। তারা কিছু কাজ বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে তাদের অনীহাও দেখা যাচ্ছে।’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আপনাদের মধ্যে যারা উপস্থিত, সবাই হয়তো পুরো কথাটি বলতে পারেননি, কিন্তু প্রত্যেকের মধ্যেই স্পিরিট অনুভব করেছি। আমরা আবারো একত্রিত, রাজপথে উঠার জন্য প্রস্তুত। ইনশাহআল্লাহ, আপনিও প্রস্তুত।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘রাজপথের আন্দোলনে আপনারা সন্তান হারিয়েছেন, কেউ পা বা হাত হারিয়েছেন। এবার আপনি শুধু আমাদের জন্য দোয়া করুন, সবাই একসাথে থাকুন। আমাদের লক্ষ্য হবে নতুন বাংলাদেশ ও সংস্কার প্রতিষ্ঠা। বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তি, বিদেশি বা দেশের পরাশক্তি, যারা আগের মতো বাঁধা সৃষ্টি করতে চায়; তাদের পরাজিত করেই ছাড়ব।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান।’
-

আন্দোলন শুরু হয়েছে, সফলতা আনার প্রস্তুতি চলছে: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে সত্যিকার অর্থে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই আন্দোলনকে ধীরে ধীরে সফলতার পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই কথাগুলো তিনি সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সংকটের মুখোমুখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন।ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই এক ছোট গল্পের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। গল্পে তিনি দড়ি টানা পাখার উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন বিচারক একটি হত্যা মামলার রায় দিলেন, কিন্তু তার রায়ে একদিকে পরস্পরবিরোধী কথা থাকায় পরিস্থিতি অন্ধকারে ঢাকা হয়। পরে জানা যায়, পেছন থেকে দড়ি টানার কারণে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই গল্পের মাধ্যমে তিনি বুঝাতে চান, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তের পেছনে অদৃশ্য ও অন্তর্ধানশীল শক্তি কাজ করছে।তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে, বিশেষ করে সংসদে যারা আসীন রয়েছেন, তাদের মধ্যে কে দড়ি টানে? দড়ি কোথা থেকে টানা হয়? এর জবাব জনগণই দেবে। জামায়াতের আমির সরকারের দ্বৈত নীতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, একদিকে গণভোট হারাম, অন্যদিকে হালাল; গণভোটের ব্যাখ্যাও দ্বৈত। তার ভাষায়, কখনও অর্ডারের গোস্ত হারাম, আবার কখনও হালাল। তিনি সংসদে এই বিষয়ে বারবার আলোচনা করেছেন, কিন্তু তাদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেষ্টাও করা হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের রায়ের জন্য তিনি ও তার দল সব কিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত।তিনি বর্তমান সংসদকেও ‘জুলাই প্রোডাক্ট’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, ‘জুলাই নেই, তবে আমরা আছি; জুলাই আছে, তবে সরকার ও বিরোধী দল রয়েছে। এই জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অভিমতই চূড়ান্ত, এবং দেশের পুনরুদ্ধার নিশ্চিত। যেহেতু গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছা পূরণ হবে, বাংলাদেশে এই দিনের জন্য জীবন দেওয়ার জন্যও তিনি প্রস্তুত।’নিজেদের সংসদে ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি জানান, তারা এর আগে থেকেই বলেছিলেন যে তারা সুবিধা নেওয়ার জন্য যাচ্ছে না। তারা বাধ্য হয়েই কিছু সুবিধা নেবে, তবে অবৈধ কোনোTHING করবে না। নীতিতে অটল থাকবেন বলে দৃঢ়তা প্রকাশ করেন।প্রসঙ্গত, তিনি বলেন, এই গণআন্দোলন শুধু শিক্ষিত ছাত্র বা রাজনীতিবিদদের উদ্যোগ নয়, এর পেছনে রয়েছে শ্রমিক, যুবক ও সাধারণ মানুষ। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনেক শহীদ পরিবারের বাড়িতে গিয়ে দেখেছেন, তাদের মধ্যে ৬২ শতাংশই শ্রমিক। এই আন্দোলন মূলত ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে; পরিবর্তনের স্বপ্ন আর সাম্যের জন্য রাস্তায় নামছিল তারা।সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বাংলাদেশ) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির। তিনি উল্লেখ করে বলেন, আন্দোলনের শুরু আসলে জনগণের রায়ের ভিত্তিতে। সরকার ও সংসদের অশুভ নীতিগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য এই আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, এই সংগ্রাম ক্ষমতার ভাগ ভাগের জন্য নয়, বরং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্বার্থে।তিনি জনগণকে আহ্বান জানান, আসুন সবাই একযোগে এই আন্দোলনে অংশ নিন, কারণ এটি দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলন শক্তিশালী হলে, দেশের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক চেতনা আবার ফিরে আসবে এবং ফ্যাসিবাদ ও অন্ধকারের আওয়াজ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সাহস ও ধৈর্যের সাথে এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য সকলের প্রতি পক্ষে আহ্বান জানান।
-

সংস্কার না করলে বিএনপি সরকার সংকটে পড়বে: নাহিদ
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার পরিষদ না করার জন্য সরকার নিজেদের জন্য বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং এর পরিণতি কঠিন বা অপ্রত্যাশিত হতে পারে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য। এই অনুষ্ঠানে তিনি সংগঠনের বক্তব্য ব্যক্ত করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশে দুটি মূল প্রশ্ন উঠে এসেছে। এক দিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি ছিল ফ্যাসিবাদের অবসান, অন্য দিকে বিএনপি দাবি করেছিল নির্বাচন বাস্তবায়নের। তবে আমরা সংস্কারের জন্য গণপরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছিলাম। এরপর বিএনপি এই আলোচনা অংশ নিয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে তারা এখন বুঝিয়ে দিচ্ছে, গণপরিষদ নয়, সংস্কার পরিষদ দরকার।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি artificially বা কৃত্রিমভাবে বিরোধ তৈরি করছে এবং জুলাই সনদ ও জুলাই আদেশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কারণ, তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলের ইশতেহারে পরিণত করেছে। এ কারণে সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব নয়, যার কারণে মূলত গঠনতান্ত্রিক সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তা এসেছে। এই দাবিটি ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়েছে, কিন্তু এখন বিএনপি কথার বরখেলাপ করে গণভোটের ফলাফলকে অমান্য করছে।
নাহিদ বলেন, গণভোটের গণরায়কে অগ্রাহ্য করার পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে। তিনি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এখন আমাদের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা দরকার। জাতীয় স্বার্থ কি করে রক্ষা করা যায়, তা ভাবনায় আনতে হবে। হামে মতো মহামারি, জ্বালানি সংকট, এই সব দুর্যোগ মোকাবেলা নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা প্রয়োজন। গত ১৬ বছর ধরে এই সংকট ও সংস্কারের কথাই বলতে হয়েছিল, কিন্তু তা এখনও সমাধান হয়নি। এ সবের জন্য বিএনপি দায়ী এবং তাদের এই পরিণতি ভোগ করতেই হবে। এর ফলাফল সহজ হবে না।
সংকটের সমাধানে দ্রুত সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সরকারকে দ্রুত সংবিধানে সংস্কার আনতে হবে। এই ব্যবস্থায় যদি উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তবে দেশের ভবিষ্যত আরও বিপর্যস্ত হতে পারে। জাতীয় ঐক্য রক্ষা করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপে পরিণত হবে।
সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বক্তাদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
