Author: bangladiganta

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পৃষ্ঠপোষকতা ঘোষণা

    নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পৃষ্ঠপোষকতা ঘোষণা

    নারী ক্রিকেটের দ্রুত অগ্রগতি এবং জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এর জ্বলজ্বলে উদাহরণ হল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর জন্য রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্ত নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ ও ধর্মীয় আকর্ষণ বৃদ্ধি পাওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ, যা খেলার এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।

    আগামি বছর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের জন্য মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ১০৮ কোটি। এটি ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি, যেখানে প্রাইজমানি ছিল প্রায় ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ডলার। এই পরিবর্তন নারীদের ক্রিকেটে বিনিয়োগের মহত্ত্ব এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাবকে নির্দেশ করে, যেখানে নারী ক্রিকেট এখন শুধু খেলাধুলা নয়, বড় পরিসরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তির ব্যাপারেও এসেছে নতুন সংযোজন। এবার মোট ১২টি দল অংশ নেবে, যা এর আগের চেয়েও বেশি এবং প্রতিযোগিতা আরও জমজমাট ও চ্যালেঞ্জিং করে তুলবে। এর ফলে অনেক নতুন দেশের নারী ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন।

    আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তা বলেন, “নারী ক্রিকেটের বিকাশ এখন দ্রুত। দলসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানি আমাদের বৈশ্বিক ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করবে। বিনিয়োগের এই অগ্রগতি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে আরও উপস্থিতি বৃদ্ধি করবে এবং বিশ্বমঞ্চে তাদের প্রভাব বিস্তৃত করবে।” তিনি আশা করেন, এই বিশ্বকাপ দর্শকদের সংখ্যা ও সম্প্রচারের দিক থেকেও নতুন রেকর্ড গড়বে।

    বিশ্বকাপের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আইসিসি লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ট্রফি ট্যুর শুরু করেছে। এই ট্রফি নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে প্রদর্শিত হওয়ার পর মে মাসজুড়ে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহর লিডস, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, ব্রিস্টল, সাউথ্যাম্পটন ও লন্ডনে ভক্তদের জন্য দেখার সুযোগ থাকবে। এর ফলে টুর্নামেন্টের উত্তেজনা আরও বেড়ে যাবে।

    ২০২৬ সালের ১২ জুন থেকে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক England শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে। মোট ৩৩টি ম্যাচ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ফাইনালটি হবে বিশেষ গুরুত্বসহকারে। এই মহাযজ্ঞের মাধ্যমে নারী ক্রিকেট নতুন উচ্চতায় উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধের ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধের ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক এই অবরোধের ঘোষণা দেয়। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে জানানো হয়, যেকোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের সঙ্গেও এই অবরোধ কার্যকর হবে। অর্থাৎ, ইরানের বন্দরের দিকে যেসব জাহাজ যাচ্ছে বা আসছে, তাদের সবাইকে আটকানো হবে।

    তবে আশ্চর্যজনকভাবে, শুধুমাত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের বন্দরে প্রবেশের ক্ষেত্রে এই অবরোধের প্রভাব পড়বে না। সেন্ট্রাল কমান্ড এক্সে (মাইক্রো ব্লগিং সাইট) এক পোস্টে জানিয়েছে, “ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আড়াই আরব সাগরে অবস্থানরত সব দেশের পতাকাবাহী জাহাজের বিরুদ্ধে এ নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে।”

    তিনি আরও জানিয়েছেন, “অ_permissions ছাড়া অবরোধ এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে বা সেখানে থেকে বের হলে তা আটক করা, পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা বা জব্দ করা সম্ভব। তবে এই অবরোধ শুধু ইরানের বন্দরের জন্য নয়, অন্যান্য বন্দরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।”

    এদিকে, এই মার্কিন একতরফা অবরোধের জবাবে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। তার এক মুখপাত্র বলেছেন, “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, কোনও বন্দরই নিশ্চিন্ত থাকবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “মার্কিন সরকারের এই কার্যক্রম অযৌক্তিক এবং সামুদ্রিক দস্যুতা হিসেবে গণ্য হবে।” গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটির দাবি, তাদের শত্রুরা এই রুট দিয়ে আর চলাচল করতে পারবে না।

    বিশ্বের মোট ২০ শতাংশ জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দিয়ে সরবরাহ হয়। উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের তেল ও গ্যাসের আউটপুট হরমুজের মাধ্যমে রপ্তানি করে থাকে। এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্লেষকরা।

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানে পাকিস্তানের পুরো প্রচেষ্টা অব্যাহত: শেহবাজ শরীফ

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানে পাকিস্তানের পুরো প্রচেষ্টা অব্যাহত: শেহবাজ শরীফ

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে তারা সম্পূর্ণ আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি সোমবার ফেডারেল মন্ত্রিসভার সদস্যদের সামনে এক আবেগপূর্ণ ভাষণে এই কথা বলেন। মূলত, গত শনিবার ইসলামাবাদে উভয় দেশের আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি, তবে এই আলোচনাকে তিনি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। শেহবাজ শরীফ বলেন, ‘আজও যুদ্ধবিরতি চলছে। আমি যখন এই ভাষণ দিচ্ছি, তখনও অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য আমাদের পুরো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’  তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদ আলোচনায় পাকিস্তানের উদ্যোগে এই আলোচনা সম্ভব হয়েছে এবং এটি দেশের জন্য শান্তির পথে বড় এক দীর্ঘমেয়াদী সুযোগ। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস দেখলে বোঝা যায় যে অসলো চুক্তি, জেনেভা চুক্তি ও গুড ফ্রাইডে চুক্তির মতো মহলেও অনেক মাস বা বছর লেগেছে বিষয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায়।’  শেহবাজ শরীফ আশ্বাস দেন, এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি মুখোমুখি বসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি পাকিস্তানের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন, ‘দুই দিনের আলোচনা চলাকালে ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধিদল ২১ ঘণ্টা একসাথে আলোচনা করেন, যা প্রথমবারের মতো এমন দৃশ্য দেখা গেল। আমি এর নেপথ্য সাক্ষী।’  প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের নেতৃত্ব প্রাত্যহিক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, যার ফলশ্রুতিতে এখনো যুদ্ধবিরতিটি টিকে আছে। এ জন্য আমি মনে করি, এই শান্তির উদ্যোগ ছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা।’  তিনি যোগ করেন, সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফোন করে পাকিস্তানের প্রশংসা করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের ভূমিকা স্বাগত জানিয়েছেন। ইউরোপীয় নেতাদের কাছ থেকেও শুভেচ্ছা ও প্রশংসা লাভের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার ও প্রতিরক্ষা প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের অবদানকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেন, যারা পাকিস্তানের দৃঢ় নেতৃত্বে দুই পক্ষের মধ্যকার এই যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফিল্ড মার্শাল এবং তার দলের বিনিদ্র প্রয়াসের কারণেই এই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব হলো।’  একই সঙ্গে তিনি গোপনীয়তার ব্যাপারে সতর্ক থাকছেন বলেও জানান, তবে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের আড়ম্বরপূর্ণ বিবৃতি থেকে বোঝা যায়, তারা শান্তি আলোচনাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকে প্রশংসা করেছে। শেহবাজ শরীফ বলেন, ‘আল্লাহ আমাদের এত বড় সুযোগ দিয়েছেন, যেখানে ৪৭ বছর ধরে একে অপরের সঙ্গে দ্বিধায় থাকা দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করা সম্ভব হলো। এটি ২৪ কোটি পাকিস্তানের জন্য গর্বের মুহূর্ত।’ এই ধরনের পরিস্থিতি ও পরিস্থিতির সমাধান নিয়ে তিনি এক আবেগপূর্ণ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সূত্র: ডন

  • পোপকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলায় ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ইতালির প্রধানমন্ত্রী

    পোপকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলায় ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ইতালির প্রধানমন্ত্রী

    ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোপ লিও সম্পর্কে মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের দ্বারা এই ধরনের শব্দচয়ন সম্পূর্ণই অগ্রহণযোগ্য। পোপ লিও ক্যাথলিক চার্চের উচ্চ ধর্মগুরু, যিনি শান্তির বার্তা প্রচার এবং সব ধরনের যুদ্ধের নিন্দা করার দায়িত্বে আছেন। তার সম্মানের প্রশ্নে ট্রাম্পের মন্তব্যের একজন নেতা হিসেবে একরকম আপত্তি জানিয়েছেন মেলোনি।

    সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের অস্তিত্ব ধ্বংস করার হুমকি দিলে পোপ লিও এর নিন্দা জানান। এরই জবাবে ট্রাম্প তাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে আখ্যা দেন, যা আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার ঝড় তোলে। এই মন্তব্যের পর অনেকেই মনে করেন, ট্রাম্পের এই আচরণ তার রাজনীতির ধূসরতা ও ধর্মীয় অজ্ঞতা প্রকাশ করে।

    গত রোববার ট্রাম্প আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, তিনি মনে করেন না পোপ খুব ভালো কাজ করছেন, বরং তার উচিত কট্টর বামপন্থিদের খুশি করার চেষ্টা বন্ধ করা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিনি পোপ লিওর ভক্ত নন। এরপরে, সোমবার, ইতালির প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ করে বলেন, পোপের সম্মানে ট্রাম্পের মন্তব্য অগ্রহণযোগ্য। তিনি নিশ্চিত করেন, পোপ শান্তির বার্তা জারি করে থাকবেন, কারণ এটি তার নৈতিক দায়িত্ব ও অধিকার।

    উল্লেখ্য, জর্জিয়া মেলোনি অনেকের কাছেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক আদর্শের পাল্লায় পড়েন। তবে পোপের সম্মান রক্ষার্থে তিনি তার মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের জবাবে পোপ লিও চতুর্দশ বলেন, তিনি দুঃখিত ট্রাম্পের এই মন্তব্যে, তবে বিশ্বজুড়ে গির্জার লক্ষ্য ও শান্তির আহ্বান তিনি বজায় রাখবেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের সমালোচনা করা অন্য কারো জন্য নয়, এটি একটি প্রগতিশীল ও শান্তিপূর্ণ মানবতার জন্য।

    সূত্র: বিবিসি

  • অমিত শাহের ঘোষণা: বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে

    অমিত শাহের ঘোষণা: বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের প্রচারণার সময় কঠোর বার্তা দিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, যদি বিজেপি সরকার গঠনে সক্ষম হয়, তাহলে রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে। সোমবার বীরভূমের খয়রাশোড়ে এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। অমিত শাহ আরও বলেন, “বিজেপি সরকার গঠিত হলে, রাজ্যে যারা সিন্ডিকেটবাজি করছে, তাদের উত্থাপন এবং দমনপীড়ন করা হবে, পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীদের লাগামহীনভাবে তাড়িয়ে দেয়া হবে।” তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস এসব অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেয়। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো ব্যক্তিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। “৫ মে এর পরে, প্রয়োজন হলে, পিছু হটে না গিয়ে, পাতাল থেকেও তাদের তুলে এনে বিচার করা হবে,” বলছিলেন অমিত শাহ। তার সাথে তিনি রাজ্যের নেতৃত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন। বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন ‘বাংলার ভূমিপুত্র’, তবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর পরিবারের কেউ নন। “যিনি বাংলায় কথা বলেন, লেখেন এবং এই মাটির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রাখেন, তারাই মুখ্যমন্ত্রী হবেন,” যোগ করেন তিনি।

  • ইরানের যুদ্ধের কারণে ৩ কোটি বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, জাতিসংঘের আশঙ্কা

    ইরানের যুদ্ধের কারণে ৩ কোটি বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, জাতিসংঘের আশঙ্কা

    ইরানের যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রাহ্মণসংস্থা জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে ৩ কোটি ২০ লাখেরও বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের কবলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই বিপদ তো শুধু উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির শেকড়ে অসুস্থতা ডেকে আনছে। খাবার, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আগের অবস্থা থেকে অন্যরকম একটি ঝড় এমনকি তৈরি হতে চলেছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনটি জানায়, সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিভিন্ন সফলতা ফের অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছে। এটি এক ধরনের বিপদের সংকেত, যা বিভিন্ন অঞ্চলের জীবনে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রতিফলিত হবে। সংস্থার প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেছেন, যুদ্ধের অবসান হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব এখনও কাটেনি আর চলমান এই পরিস্থিতি আরও বেশি দুর্দশার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

    বিশ্বের নেতৃত্বরা এই সময়ে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আলোচিত হচ্ছে – কীভাবে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা দেয়া যায়। বিশেষ করে, ইউএনডিপির বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, যদি তেল ও গ্যাস উৎপাদনে ছয় সপ্তাহের বেশি বিঘ্ন ঘটে এবং উচ্চ মূল্য চলমান থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের অতল গহ্বরে পড়ে যেতে পারেন।

    এই প্রতিবেদনে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বব্যাংকের নির্ধারিত ‘আপার-মিডল-ইনকাম’ বা উচ্চ-মধ্যম আয়ের দারিদ্র্যসীমা। এর মান অনুযায়ী, যাদের দৈনিক আয় ৮ দশমিক ৩০ ডলারের কম, তারা এই সীমার মধ্যে आते ہیں।

    বিশ্বের দারিদ্র্য বৃদ্ধির এই হারে অর্ধেকের বেশি হয়তো দেখা যাবে সেই ৩৭টি দেশ যেখানে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা, এশিয়া এবং ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • আলিগের ছত্রছায়ায় বিপুল সম্পদ দখলকারী পবিত্র কারাগারে

    আলিগের ছত্রছায়ায় বিপুল সম্পদ দখলকারী পবিত্র কারাগারে

    স্বৈরাচারাজ্ঞ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একসময় শূন্য হাতে সাতক্ষীরা থেকে খুলনায় এসে পবিত্র কুমার সরকার নামে একজন ব্যবসায়ী সাফল্য অর্জন করেন। তার পিতা মৃত তারাপদ সরকার। শুরুতে নানা অভিযোগের কারণে বন্ধ হয়ে যায় তার দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম, যেখানে তিনি জাল সার্টিফিকেট বিক্রি করতেন। এরপর তিনি একটি ট্রাস্টির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং কিন্ডারগার্টেনের মালিক হন। তদন্তে দেখা গেছে, বটিয়াঘাটা উপজেলার রাজবাধ গ্রামে তার একটি বিশাল বাড়ি রয়েছে। এছাড়া হোগলাডাঙ্গা মোড়ে অবস্থিত তার মালিকানাধীন উদয়ন বুটিক স্কুল ও কলেজের ক্যাম্পাসও পরিচিত হয়ে উঠেছে।বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পবিত্র এক সময় একটি মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেছিলেন। তবে সন্তানের দাবি ওঠার পর, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন দলের দ্বারা হুমকি পান তিনি। এর ফলে সে মহিলাকে খুলনা ছাড়তে বাধ্য করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি অফিস ভাঙচুর এবং জনসভায় হামলার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কাজ করেন। ৫ আগস্টের পর ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর বিক্ষোভ পরিচালনার চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি পোস্ট মুছে ফেলেন, তবে স্ক্রিনশটগুলো ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া, বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলীয় কোনও পদে থাকেন না বলে তিনি গোপনে খুলনা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করেন। সর্বশেষ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী প্যানেলের পক্ষে কাজের অভিযোগ রয়েছে। খুলনা আদালতপাড়ায় তার অবাধ আসা-যাওয়া ছিল, জমি দখলে সহায়তা ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। তার বাড়ি সাতক্ষীরা থাকায় সীমান্ত দিয়ে অবাধে ভারতে যাতায়াত করতেন। ৫ আগস্টের পর, এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের নাম ভুয়া পরিচয়ে তার চালানো বেনামে ঠিকাদারি কাজের খবর প্রকাশিত হয়। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কাজ দেখাশোনা করতেন বলে জানা গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে গোয়েন্দারা তাকে গ্রেপ্তার করেন। পরের দিন আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

  • দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় উপশিল্পে চিংড়ি ও মাছের রোগ মোকাবেলায় বড় চ্যালেঞ্জ

    দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় উপশিল্পে চিংড়ি ও মাছের রোগ মোকাবেলায় বড় চ্যালেঞ্জ

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Harnessing the Potential of Phytobiotics by Metagenomics and Immunogenomics approaches for Green Solutions of Aquaculture Pathogens in the Southwest Coastal Bangladesh’ শীর্ষক হিট সাব প্রকল্পের ইনসেপশন কর্মশালা। সোমবার সকালে নগরীর কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম, যাঁর বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও মাছের বিভিন্ন রোগ সম্প্রতি বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ খাতের জন্য। এ পরিস্থিতির মোকাবেলায় ফাইটোবায়োটিকস, মেটাজেনোমিকস এবং ইমিউনোজেনোমিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই ও পরিবেশবন্ধু সমাধান বের করার ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে হবে বলে তিনি জোর দেন। এতে করে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা সম্ভব হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান, যিনি বলেন, দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এখানকার শিক্ষকরা নিয়মিত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। এই প্রকল্পের গবেষণাগুলো ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের একোয়াকালচারের ব্যাপক চাহিদাকে সামনে রেখে গবেষণার ফলাফল আমাদের গর্বের বিষয় হবে। প্রকল্পের ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা নিয়ম কানুন মেনে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনর রশীদ খান, जिन्होंने বলেন, দেশের গবেষণা ক্ষেত্রে কৃষি ও মৎস্য খাতে অনেক সফলতা এসেছে। তবে এক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ব্যবহারে মানবস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এই গবেষণার মাধ্যমে প্রকৃতি-সন্মত সমাধান গড়ে উঠলে দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে এটি গুরুত্ব রাখবে। ডঃ শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের উপ পরিচালক বিপুল কুমার বসাক। প্রজেক্টের ফ্রেমওয়ার্ক ও কাজের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এএসপিএম প্রফেসর ড. গোলাম সরোয়ার, এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রজেক্টের আরআরপি প্রফেসর ড. শিকদার সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান ও নবনিতা রায়। উদ্বোধনী পরবর্তী ধাপে মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্টের সদস্য প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রজেক্টের এএসপিএম প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ। এতে অংশগ্রহণ করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা।

  • নগরীতে বিএনপি’র উদ্যোগে নববর্ষের বর্ণাঢ্য উৎসব

    নগরীতে বিএনপি’র উদ্যোগে নববর্ষের বর্ণাঢ্য উৎসব

    নগরীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছেন বিএনপি। এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ৬টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু হবে। এর পরে সকাল সাড়ে ৭টায় পালন করা হবে পান্তা উৎসব, এবং সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের מגוון আয়োজন। এই সকল অনুষ্ঠান কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বিএনপি খুলনা মহানগর এবং সহযোগীতায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস খুলনা মহানগর। আয়োজকদের মতে, এই উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো ঐতিহ্য ও নান্দনিকতায় সমৃদ্ধ এক স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে উচ্ছ্বসিত করে তোলা। নতুন উদ্যম, আশা ও স্বপ্ন নিয়ে পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে সকলকে এই সার্বজনীন উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জাসাস খুলনা মহানগর এর আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নূর ইসলাম বাচ্চু ও সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) কাজী জলিল সকলকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন।

  • চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

    চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

    খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি বলেছেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত ও সহজলভ্য চিকিৎসা সেবার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রত্যয়বদ্ধ। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র মোটিভেশন বা আশ্বাস নয়, বরং কার্যকর পরিকল্পনা ও পরিশ্রম দরকার যাতে সাধারণ মানুষ সত্যিই উপকৃত হন। অসহায় দুঃস্থ মানুষদের চোখের দৃষ্টি ফেরানো এবং তাদের জীবনমান উন্নত করতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন এবং সততার সঙ্গে কাজ করলে এই চক্ষু হাসপাতালই একদিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম আধুনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান এই হাসপাতালকে আরও সুন্দর, সুশোভিত ও আধুনিক করে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় শিরোমনিস্থ বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অন্যান্য বক্তা, উপস্থিত ছিলেন মীরকায়শেদ আলী, ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, এস এ রহমান বাবুল, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, হাসিবুল হাসান, মোলা সোহাগ, শেখ আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর খোকা, এম নুরুল ইসলাম ও ঝর্ণা আকতারসহ অনেকে। সভার শেষে সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেনের কবর জিয়ারত করেন এবং রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। এর পাশাপাশি বিকেল ৪টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণও করেন।