Blog

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসছে, যার ফলে বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি হবে। এর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, চলতি অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে যাবে।

    সোমবার ১৯ জানুয়ারি রাতে গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

    আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। যেমন অক্সিজেনের অভাব শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে, তেমনি তারল্যের সংকটও অর্থনীতিকে চাপের মধ্যে ফেলে রেখেছিল। বর্তমানে সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। আগে ব্যাংকগুলো ঝুঁকি এড়াতে বেশ লাভজনকভাবে কাজ করত, তবে সরকারের সফল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ফলে এখন ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোরতা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে, যাতে সঠিক ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে পাওয়া যায়।

    তিনি আরও জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। আশার কথা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যের দাম কমায় আমদানির চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

    সুদের হার নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করে গভর্নর বলেন, বর্তমানে সেই হার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার এখন মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের মুদ্রাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মানুষ ডলার ছেড়ে টাকা সংগ্রহে আগ্রহী হচ্ছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তার চেয়েও বেশি। এর পাশাপাশি বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকার সরবরাহ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তারল্য বেড়েছে।

    গভর্নর উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক ধাক্কার ফলে কিছু ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রভাবিত হয়েছে। তবে যারা টিকে থাকার মানসিকতা দেখিয়েছে, তারা এখনো সহায়তা পেয়ে এসেছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্য করা হয়নি।

    তিনি সতর্ক করেন, তাড়াহুড়ো করে সুদের হার কমানো উচিত নয়। এতে দেশের বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, তাই এর হার সীমিত করার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামানো, যা সময়ের ব্যাপার। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতোমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনিক উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, এবং আমদানি-রপ্তানি তথ্য। রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। বর্তমানে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেশি, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। বছরে প্রথম দিকে এই প্রবাহের এই অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ও মাসিক ডেটা ছাড়াও এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির মূল মানদণ্ড বিশ্লেষণে সহজতা বৃদ্ধি করেছে।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই-এর সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্টকে উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে

    ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্টকে উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশকে আধুনিক এবং কার্যকরী ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য ক্যাশ কালেকশন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী, দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায়, নিপ্পন পেইন্টের সিস্টেম দ্বারা ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’-এর সাথে এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মাধ্যমে সংযোগ স্থাপিত হবে। এর ফলে, ২০০ জন ডিস্ট্রিবিউটর থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে নিপ্পন পেইন্টের এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP) সিস্টেমে দেখা যাবে।

    এই উদ্যোগের ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের উপর নজরদারি আরও উন্নত হবে, পেমেন্ট রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে।

    ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল সিএফএ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং এরিয়া হেড অব রিলেশনশিপ ইউনিট এস এম মুসা। আর নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

    এটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্র্যাক ব্যাংক অব্যাহতভাবে বিশ্বাস করে যে, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য আরও স্বচ্ছ, দক্ষ এবং আত্মবিশ্বাসজনক আর্থিক অংশীদার হিসেবে থাকবেন এবং তাদের টেকসই ব্যবসায়িক সফলতা অর্জনে সহায়তা করবেন।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    বাংলাদেশে সোনার বাজারে গভীর পরিবর্তন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস ঘোষণা করেছে যে দেশের বাজারে নতুন করে সোনার দাম বাড়ছে, যা এখন পর্যন্ত কখনো দেখা যায়নি। প্রতি ভরি মানের সোনার দাম বেড়ে গেছে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়; এর ফলে সোনার দাম পৌঁছে গেছে ভরি প্রতি দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকাবিশিষ্ট। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দামের রেকর্ড।

    বাজুসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, নতুন এই দামের বাণিজ্যিক কার্যকরিতা শুরু হবে আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সোনার দামের এই উত্থান। বিশ্ববাজারের নির্ভরযোগ্য সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি এর তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

    নতুন দামে দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা। একই ধরনের ২১ ক্যারেটের সোনার দাম এখন দুই লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, আর ১৮ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম পড়েছে এক লাখ ১৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাম এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    এছাড়া, সোনার পাশাপাশি রুপারও দাম বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা।

  • সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের স্বর্ণ বাজারে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ স্বর্ণ Shapes; জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই মুহূর্তে প্রিমিয়াম মানের সোনার প্রতি ভরি দাম বেড়ে গেছে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা, যার ফলে দেশে সোনার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরে পৌঁছেছে। এটি এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে, এবং নতুন এই দামের কার্যকারিতা শুরু হবে আগামীকাল, ২২ জানুয়ারি।

    সংগঠনটি বলেছে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও দাম বাড়ছে। বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ড স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের দামে প্রভাব পড়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.অর্গ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮০০ ডলারের উপরে উঠেছে।

    নতুন দামের অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতিভরি দাম এখন ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা, এবং সরাসরি সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের প্রতিভরি দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।

    অপরদিকে, সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা।

  • জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমিরের মন্তব্য

    জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমিরের মন্তব্য

    রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও হেনস্তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের আমির, ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, মানুষ এখন আরও বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে, আর সেই কারণেই জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ হয়ে গেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) হাসপাতালে আহতদের দেখতে এসে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান সতর্ক করেছেন, যদি কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকেন, তবে তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন। তবে কোনও ব্যক্তি বা দল যেনো জনমত প্রভাবিত করার জন্য অসৎভাবে মব সৃষ্টি না করে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, জামায়াত এই নোংরা মবের নিন্দা জানায় এবং প্রত্যাশা করে যে মব সৃষ্টি কার্যক্রম এখানেই শেষ হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সবাই জনগণের কাছে গিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করবেন, দলের অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরবেন, এবং নিজের চরিত্র ও কার্যক্রমের দিকে মনোযোগ দেবেন। এরপর মানুষই সিদ্ধান্ত নেবে, কার প্রতি তারা আস্থা রাখবেন—এটিই হবে সত্যিকারের ভোটের ফল। জামায়াতের আমির আরও বলেছেন, আমাদের অঙ্গীকার খুবই স্পষ্ট। আমরা একটি দুর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে চাই, যেখানে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে আসবে না। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে, আগামী দুটো নির্বাচনেও আমরা একসঙ্গে অংশগ্রহণ করব। তিনি সব নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও দলের নেতা-কর্মীদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করুন। শান্তিপূর্ণভাবে মানুষ যেন তার ভোটদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সঠিক প্রতীক ও বাক্সে ভোট দিতে পারে, সেটি নিশ্চিত করুন।

  • ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক সংগ্রহ

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক সংগ্রহ

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকার ঢাকা-১৭ আসনের জন্য ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ওই প্রতীক হাতে পান তিনি। তাঁর পক্ষে চিঠি গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রতীক পাওয়ার পর তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের জন্য ধানের শীষ প্রতীকের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিনি সবাইকে জানিয়েছেন, নির্বাচন পরিচালনাকারী সব প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা একান্ত জরুরি। তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ভোটাররা তারেক রহমানকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

    অপর দিকে, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন তার তত্ত্বাবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীপ্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত সময়ের পরে, বুধবার (২১ জানুয়ারি), নতুন করে প্রতীক বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর, প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে ভোটের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে প্রতীক নিয়ে গণভোটও।

  • সহজ ভাষায়: উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করেছিল আওয়ামী লীগ, বললেন তারেক রহমান

    সহজ ভাষায়: উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করেছিল আওয়ামী লীগ, বললেন তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরে উন্নয়নের নামে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। এই মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশের বাইরে এবং দেশে বসে তারা নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যার থেকে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পূর্বেও দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করেছে, এবং ভবিষ্যতেও করবে।’

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে তিনি বৈদেশিক পৃষ্ঠপোষকতাকে পিন্ডি বা দিল্লির দিক থেকে দেখতে চান না। তার বক্তব্য, বাংলাদেশে জনগণের অগ্রগতি ধীরে ধীরে এগোচ্ছে, এবং ১২ তারিখের ধানের শীষ মার্কা বিজয়ের মাধ্যমে এই অগ্রগতি সফল্লপূর্ণ হবে। তিনি জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দিন, আমরা কাজ করব, দেশ গড়ে তুলব।’

    তারেক রহমান গণতন্ত্রের মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, উন্নত দেশগুলোতে প্রশাসনিক ও স্থানীয় স্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সফলতা দেখা যায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখনো দুর্বল, যেখানে রোগীর তুলনায় হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা খুবই কম। এরজন্য দরকার দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা, বিশেষ করে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে।

    তিনি বলেছিলেন, প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয়, বরং দেশের বিভিন্ন নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা উচিত। এর পাশাপাশি, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে যাতে কমিউনিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পেতে পারে, যা হাসপাতালের উপর চাপ কমাবে।

    তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও স্থানীয় কমিউনিটির শক্তিশালী গণতন্ত্রের বিকল্প নেই নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য।

    বিদেশে অদক্ষ শ্রমিকের ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রতি বছরApproximately ৭০ লাখ মানুষ বিদেশে যাবে, যার বড় অংশই অদক্ষ। এটি দেশের অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় অবদান রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার আধুনিকায়নে মনোযোগ দিতে চান, যেখানে ভাষা শিক্ষাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে যেন তরুণরা বিশ্ববাজারে দক্ষ হয়ে কাজ করতে পারে।

    নারী ক্ষমতায়নে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারের নানা উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, যেমন বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা, যার ফলে গ্রামীণ নারী শিক্ষায় অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, ফ্যামিলি কার্ড চালু করে পরিবারপ্রধান নারীদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ সুবিধা ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে।

    তিনি অভিযোগ করেন, তথাকথিত উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুট করা হয়েছে, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের হাত ধরে ব্যবসা-রাজনীতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা করেছে আস্থাশীল মানুষেরা।

    তিনি নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা পুনরায় তুলে ধরেন। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এই অর্থের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করেন, যা পরিবার ও দেশের উন্নতিতে সহায়ক।

    পরিবেশ রক্ষা ও গণতন্ত্রের সংযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকার থাকলেই শহরের দূষণ ও ময়লা ব্যবস্থাপনা সমস্যাগুলি সমাধান সম্ভব। তিনি জানিয়েছেন, বিএনপি আগামী পাঁচ বছরে ৮০ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে, প্রতিটি উপজেলায় চারা বিতরণের মাধ্যমে।

    অর্থনৈতিক স্বচ্ছতার জন্য তিনি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন, যাতে কৃষকরা প্রতীকী সহায়তার পরিবর্তে প্রকৃত সুবিধা পান।

    বেলা ১০:৫০ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর বিকেল সাড়ে বারোটায় তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে আবহে উৎসাহ ও আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি, এবং জনসভার জন্য বিভিন্ন নেতাকর্মীর উপস্থিতি ব্যাপক ছিল।

  • নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম

    নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচন ঐক্য দেশের জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং তারা বিপুল ভোটে জয় লাভ করে সরকার গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তিন নেতা কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আজকের ‘১০ দলীয় ঐক্য’ দেশের জনগণের সমর্থন পেয়েছে এবং তারা নির্বাচন জয় করে দেশের অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে। তিনি অধীর আগ্রহে প্রত্যাশা করেন, এই ঐক্যের মাধ্যমে দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে। তিনি ভোটে জয়ী করতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সারাদেশের মানুষ যেন তাদের ভোটের মাধ্যমে এই ঐক্যজোটকে বিজয়ী করে। বিশেষ করে, জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩০ প্রার্থীকে ‘শাপলা কলি’ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার দাবি উঠছে, কারণ তারা কিছু দলকে সুবিধা দিচ্ছে এবং নির্বাচন প্রচারণায় কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দিন ধরে নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, আমরা চাই ১২ ফেব্রুয়ারি যেন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। এই নির্বাচনে জেতার মাধ্যমে সংসদে যাওয়ার লক্ষ্য তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। বিশেষ করে, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর জন্য তাদের ‘শাপলা কলি’ মার্কায় ভোটের আহ্বান জানান। এর পর, এনসিপির নেতারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। এই দিনে তারা গণতন্ত্রের জন্য ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে একটি নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে, যা শেষ হয় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। এই অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার

    বিএনপি ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার

    বিএনপি দলীয় সিদ্ধান্তের অমান্য করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ৫৯ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বুধবার সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    এর আগে ৩০ ডিসেম্বর, বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত প্রার্থীদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    বিভিন্ন বিভাগে বহিষ্কারকৃত নেতাদের তালিকা বিশদভাবে প্রকাশ করা হয়েছে:

    রংপুর বিভাগে তিনজন— দিনাজপুর-২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী-৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।

    রাজশাহী বিভাগে আটজন, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পাঠ্য: নওগাঁ-৩ আসনের পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর-১ আসনের তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-৩ আসনের দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী-৫ আসনের ইসফা খাইরুল হক শিমুল, ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা-৩ আসনের কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা-৪ আসনের জাকারিয়া পিন্টু।

    খুলনা বিভাগে ছয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল-২ আসনের মনিরুল ইসলাম, যশোর-৫ আসনের অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল, সাতক্ষীরা-৩ আসনের ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট-১ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ এবং বাগেরহাট-৪ আসনের প্রার্থী খায়রুজ্জামান শিপন।

    বরিশাল বিভাগে বহিষ্কৃত হয়েছেন বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী আব্দুস সোবহান ও পিরোজপুর-২ আসনের মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন।

    ঢাকা বিভাগের নেতারা হলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সদস্য মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. আতাউর রহমান খান আঙুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-১ আসনের মোহাম্মাদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৫ আসনের নির্ধারিত প্রার্থী ফরহাদ ইকবাল। এছাড়া নরসিংদী-৫ এর মো. জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ এর মো. মুমিন আলী, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের মো. মহিউদ্দিনও বহিষ্কৃত হয়েছেন।

    ময়মনসিংহ বিভাগে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ এর সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-১০ এর এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ এর মো. মোর্শেদ আলম, নেত্রকোণা-৩ এর মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, শেরপুর-৩ এর মো. আমিনুল ইসলাম বাদশাহ, মাদারিপুর-১ এর লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, মাদারিপুর-২ এর মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী-২ এর নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ-২ এর এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ এর প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

    সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জ-৩ এর আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ এর দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট-৫ এর মামুনুর রশীদ (চাকসু), মৌলভীবাজার-৪ এর মহসিন মিয়া মধু, হবিগঞ্জ-১ এর বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুजात মিয়াকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

    কুমিল্লা বিভাগে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১ এর কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫ এর কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬ এর কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা-২ এর আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ এর আতিকুল আলম শাওন ও চাঁদপুর-৪ এর প্রার্থী এম এ হান্নানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম-১৪ এর মিজানুল হক চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম-১৬ এর লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী-২ এর কাজী মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৬ এর ফজলুল আজীম ও তানবীর উদ্দীন রাজীবকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বহিষ্কার করা হয়েছে।

  • ৮ ইউএনওর বদলি বাতিল

    ৮ ইউএনওর বদলি বাতিল

    দেশের আটটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে বদলি করার আদেশ দেশের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাতিল করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০ জানুয়ারি সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা বদলির আদেশটি বাতিল করা হয়েছে। এর আগে, নির্বাচন কমিশনের সম্মতি নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৮ ইউএনওর বদলি আদেশ জারি করেছিল। তবে এখন তা বাতিল করা হলো।এনওগলির মধ্যে রয়েছে বরগুনার পাথরঘাটার ইউএনও ইসরাত জাহানকে ভোলার চরফ্যাশন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ইউএনও মো. আল-আমীনকে ফরিদপুরের নগরকান্দা, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ইউএনও রেহেনা আক্তারকে বগুড়ার ধুনট, হবিগঞ্জের বাহুবল ইউএনও লিটন চন্দ্র দেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ইউএনও হিসেবে বদলি করা হয়েছিল।এছাড়াও, বগুড়ার ধুনটের ইউএনও প্রীতিলতা বর্মনকে হবিগঞ্জের বাহুবল, ফরিদপুরের নগরকান্দার ইউএনও মেহরাজ শারবীনকে নেত্রকোণার কলমাকান্দা, নেত্রকোণার কলমাকান্দার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এবং ভোলা জেলার চরফ্যাশনের ইউএনও মো. লোকমান হোসেনকে বরগুনার পাথরঘাটার ইউএনও হিসেবে বদলি করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এসব অফিসারকে ২২ জানুয়ারির মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছিল। তবে যদি তারা নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করেন, তবে বোঝা হবে যে তারা বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবিলম্বে অবমুক্ত হয়েছেন। তবে এই সব নির্দেশনা বৃহস্পতিবার বাতিল করা হয়েছে।