Blog

  • রাফসান ও জেফার কল্যাণে বিবাহের শুভ খবর

    রাফসান ও জেফার কল্যাণে বিবাহের শুভ খবর

    দীর্ঘ সময় ধরে চলা গুঞ্জন এবং ভক্তদের কৌতূহলের অবসান ঘটল। অবশেষে জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেফার রহমান رسمیভাবে একসঙ্গে বসবাসের ঘোষণা দিলেন। এই সংবাদটি শোবিজে এক নতুন সূর্যোদয় যেন। ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে পরিচিত এই তারকা জুটির প্রেম এখন পরিণয় লাভ করল।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের খুশির খবর শেয়ার করে রাফসান সাবাব লিখেছেন, ‘পরিবারের ও প্রিয়জনের মাঝে আমরা আমাদের নতুন জীবন শুরু করছি। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন, এই কামনাই করি। আজ থেকে আমাদের দুই জীবন এক হয়ে গেছে, নতুন পথে আমাদের শুরু হয়েছে এক সুন্দর পথে চলার গল্প।’

    রাফসান ও জেফার কি করে একে অন্যের প্রেমে পড়লেন—এই বিষয়ে শোবিজ দুনিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় তাদের একসাথে দেখা যাওয়া ভক্তদের মধ্যে বিভিন্ন কৌতূহল সৃষ্টি করত। তবে তারা সবসময় এই বিষয়ে ব্যক্তিগত রাখতে চেয়েছিলেন।今, এই বিবাহের ঘোষণা দিয়ে সেই সমস্ত গুঞ্জনের সমাপ্তি ঘটল।

    উল্লেখ্য, এই সুখবর প্রকাশের পর থেকেই শোবিজের সহকর্মী, অনুরাগী এবং সাধারণ নেটিজেনরা নবদম্পতিকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন।

    রাফসান সাবাব বহু দিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপন করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গানের কেরিয়ার ও ফ্যাশন সেন্সের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এই দুই সফল ব্যক্তির এই নতুন পথচলা শিল্পাঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই। তিনি মোট ৭৪ বছর বয়সে ১২ জানুয়ারি লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। এই সুখ্যাতি সম্পন্ন শিল্পীর মৃত্যুর খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমার মামি জয়শ্রী কবির বিখ্যাত নায়িকা, এককালের ‘মিস ক্যালকাটা’, শান্তিপূর্ণ জীবন থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে ছিলেন। উনি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা ‘প্রতিদ্ব›দ্বী’, আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন।” নায়িকার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে জাভেদ মাহমুদ জানিয়েছেন, তিনি অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।

  • অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। দীর্ঘ দিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে ৮২ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে পরিবারসহ পাঞ্জাবে স্থানান্তরিত হলেও, নিয়তি তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

    জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, সকাল থেকেই তার শারীরিক অবনতি হচ্ছিল। হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চলে আসছিল, তবে তার শরীরের তাপমাত্রা কমে গেলে অবশেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    তার অভিনয় জীবন শুরু ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে। তবে প্রথম বড় সাফল্য পায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমায়, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। এই সিনেমার মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। পরিচালক মুস্তাফিজ তাকে জাভেদ নামে ডাকতেন।

    এরপর তিনি অসংখ্য সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

    অংকিতা নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি নৃত্য পরিচালনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, পরে নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার অভিনীত শতাধিক চলচ্চিত্র রয়েছে। ১৯৭০ ও ৮০ শতকের ডিজনি দর্শকদের কাছে তিনি ছিলেন পর্দার উত্তেজনাপূর্ণ নাচ ও অ্যাকশনের সমাদৃত শিল্পী।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের শেষের আলো। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত এই গুণী শিল্পী নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

    তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী, আবদুল্লাহ।

  • বলিউড অভিনেতা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

    বলিউড অভিনেতা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

    ভারতের মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউডের অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান ওরফে কেআরকে-কে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলমান।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই ঘটনা চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ঘটেছে, যেখানে ওশিওয়ারা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে চারটি গুলি ছোড়া হয়। স্থানীয় সিসিটিভি ক্যমেরার ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে- বলেন, গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। নিজেদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, বন্দুক পরিষ্কার করার সময় সেটি পরীক্ষা করার জন্য তিনি গুলি ছুড়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, গুলি চালানোর সময় বাতাসের কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিগুলো পাশের এক ভবনে গিয়ে লেগেছে।

    কামাল আর খান বলিউডে এক বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০২২ সালে এক যৌন হেনস্তার মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের নিয়ে কটাক্ষমূলক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে।

  • বিসিবির আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ

    বিসিবির আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের এখনো নিশ্চিত নয় দেশের বাইরে গিয়ে খেলবে কি না। তা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা চাইছে, বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজন করা হোক। এই প্রস্তাবের জন্য তারা আইসিসির স্বাধীন বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-তে বিষয়টি পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

    দৃশ্যত, ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিসিবি এই বিষয়ে আরেকটি চিঠি পাঠিয়েছি আইসিসি को। ডিআরসি হচ্ছে আইসিসির একটি স্বাধীন সালিশি সংস্থা, যা বোর্ডের সদস্য, খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে। সাধারণত, সব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এই কমিটি হস্তক্ষেপ করে। বিসিবির আশা, আইসিসি তাদের এই অনুরোধ গ্রহণ করবে এবং বিষয়টি ডিআরসিতে পাঠাবে।

    এর আগে বোর্ডের সচিব আকরাম খান জানিয়েছিলেন, বুধবারের বোর্ড সভায় আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন নাকচ করে দেয় এবং টুর্নামেন্টের সূচি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে, তারা এখনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাতে চায়। আইসিসির এই সিদ্ধান্তের পর, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, শ্রীলঙ্কায় খেলার দাবিতে তারা এখনও আশাবাদী এবং এই আশা ছাড়ছেন না।

  • বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী, চট্টগ্রামকে হারালো

    বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী, চট্টগ্রামকে হারালো

    বিপিএল ফাইনালের শুরু থেকে ঘণ্টা দেড়েক আগে হাসির রঙ ছিল মাঠেক। তখনই হেলিকপ্টার থেকে ট্রফি নিয়ে মাঠে এলেন রাজশাহীর জনপ্রিয় ক্রিকেটার এবং অধিনায়ক আকবর আলী, সঙ্গে ছিলেন সালমা খাতুন। আকবর, যিনি বাংলাদেশকে যুব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার পরিচিতি তৈরি করেছেন, তিনি সেই ট্রফি হাতে মিরপুরের দর্শকদের দেখায় উচ্ছ্বাসে মূর্চ্ছিত করলেন। এই বিপিএলে তিনি ডানহাতি উইকেটকিপার ও ব্যাটার হিসেবে রাজশাহীর জন্য খেলেছেন। অন্যদিকে, শেখ মেহেদী ব্যতিক্রমী ফটোসেশন করলেও পুরো দলের অন্য সদস্যরা ট্রফির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পাননি। তবে নাইম শেখের জন্য সেই সুযোগটি কেড়ে নিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বিপিএলের ফাইনালে সেঞ্চুরি করে সবাইকে অভিভূত করেছেন। তার এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে রাজশাহী দলের সংগ্রহ হয় ১৭৪ রানের বিশাল পুঁজি। লক্ষ্য তাড়ায় চট্টগ্রাম দল নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। দ্রুতই চট্টগ্রামকে চেপে ধরেন রাজশাহীর স্পিনার বিনুরা ফার্নান্দো, এরপর উইকেটের পর উইকেট লাভ করেন হাসান মুরাদ। শেষ দিকে অসাধারণ বোলিং করে বিনুরা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে তোলেন। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার কারণেআরটু বেশি রান তোলা সম্ভব হয়নি চট্টগ্রামের। তারা শেষ করে ৬৩ রানে অল আউট, আর এই জয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী, যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শন্ত ও মুশফিকুর রহিম। মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই দুষ্টু দিক দেখিয়েছে চট্টগ্রাম। তারা শুরু থেকেই ধীরেসুদে খেলেছে, তবে পাওয়ার প্লে শেষে হাত খুলে খেলতে থাকেন ওপেনার তানজিদ। সাতের ওভারে তিনি দু’টি ছক্কা হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক ভাব প্রকাশ করেন। ৯ম ওভারে তিনি আবার দুই ছক্কা মারেন, আর প্রথমে নিজের পারফরমেন্সে আস্থা বাড়ান। তবে সাহসের ঝলক দেখিয়ে ইনিংসের ১৬তম ওভারে উইলিয়ামসনকে দূরে সরিয়ে বড় শট খেলতে গেলে ব্যর্থ হন। এরপর অধিনায়ক জাহিদুজ্জামান সাগর এবং অন্য ব্যাটাররা দ্রুত ফিরে যান। শেষ দিকে, দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তানজিদ ৬১ বলের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস রচনা করেন। বিপিএলের ইতিহাসে ত্রাণ্য বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দ্বিতীয়বার ফাইনালে সেঞ্চুরি করেন তিনি, এর আগে ২০১৭ সালে ক্রিস গেইল এবং ২০১৯ সালে তামিম ইকবাল করেছিলেন। তার এই রেকর্ডি পারফরমেন্সের কারণে তিনি এখন বিপিএলে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। শেষ পর্যন্ত, রাজশাহীর হয়ে শান্ত ৭ বলে ১১ এবং নিশাম ৬ বলে ৭ রান করেন। এই সেঞ্চুরির যুগে রাজশাহী করে ১৭৪ রানের সংগ্রহ। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা শেষ কিছু ওভারে দ্রুত রান করলেও শেষ অবধি তারা ১১১ রানে সব উইকেট হারিয়ে যায়। আবহমের রাজশাহী দলের পুরো পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন বিনুরা চারটি, এবং মুরাদ নিয়েছেন তিনটি। এই জয়ে রাজশাহীর ট্রফি ঘরে ফেরে। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা চট্টগ্রাম দলের শুরুটা ছিল ধীর, তবে উইকেট হারানোর পরে তারা ধীরে ধীরে খেলতে থাকেন। ওপেনার সাহিবজাদা শুরুতেই ৩০ বলে ৩০ রান করে উইকেট হারান। এরপর দ্রুতই ফিরে যান তিনে নামা মাহমুদুল হাসান জয়, যিনি ১০ বলে ৯ রান করে সাজঘরে। পরে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মির্জা এবং হাসান নাওয়াজ, কিন্তু নাওয়াজ যতটুকু সম্ভাবনাময় ছিল, তা পূরণ হয়নি। মুরাদের বল থেকে আউট হন নাওয়াজ। এরপর, তাহির ও আসিফ আলীর ব্যর্থতা দলের মানসিকতাকে দুর্বল করে দেয়। তাহির ৩৬ বলে ৩৯ রান করে স্টাম্পিং হন, আর আসিফ দ্রুত ফিরে যান। শেষের দিকে, ব্যাটসম্যানরা রানের গড় চালিয়ে যান এবং তানজিদ নিজেকে বিপিএলের ফাইনালে সেঞ্চুরির স্বীকৃতি দেন। তিনিই ফাইনালসেরা নিজ দেশের ব্যাটার হিসেবে তৃতীয় বার সেঞ্চুরি করেন রিপোর্ট অনুযায়ী। এই দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য তিনি এখন বিপিএলে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। দলের অন্যান্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে অবদানের মাধ্যমে রাজশাহীর শিরোপা নিশ্চিত করেন। এই ফাইনালে রাজশাহীর হয়ে শেষ দিকে অধিনায়ক শান্ত ৭ বলে ১১ এবং নিশাম ৬ বলে ৭ রান করেন। তানজিদের অসাধারণ শত্যাক্রান্তি আর দলের একজোট প্রচেষ্টা শেষে রাজশাহী জেতার সেই স্বপ্ন সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই জয়ে, শরিফুল ব্যাপক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেনও, সেক্ষেত্রে তিনি বিপিএলে এক আলাদা রেকর্ড গড়েছেন। তিনি এখন এক আসরে সর্বোচ্চ ২৬ উইকেট সংগ্রহকারী একজন ক্রিকেটার। তার এই পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবিদার, আর রাজশাহীর ট্রফি জয় শুধু দলের জন্যই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার।

  • বিপিএলের সর্বোচ্চ পুরস্কারজয়ী খেলোয়াড় ও সেরা পারফরমাররা

    বিপিএলের সর্বোচ্চ পুরস্কারজয়ী খেলোয়াড় ও সেরা পারফরমাররা

    বিপিএলে এই আসরে কিছু তারকা নিউজে নিজেদের দক্ষতা ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছেন। টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন সাহিবজাদা ফারহান, তানজিদ হাসান ও তামিম ইকবাল। তামিম ইকবাল ৬২ বলে ১০০ রান করে ফাইনালে অসাধারণ সেঞ্চুরি করে সেরা খেলোয়াড় হিসেবে পুরস্কৃত হন। তার এই ব্যাটিং জাদুর জন্য তিনি ৫ লাখ টাকার পুরস্কার পান।

    রাজশাহী ওয়ারিয়র্স দলের নেতৃত্বে থাকাকালীন ম্যাচ জয়ের জন্য ব্যাটিং ও বলের দিক দিয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ফাইনালে তিনি পুরো টুর্নামেন্টে ৩৫৬ রান করেছেন, যা তাকে বিশিষ্ট রান সংগ্রাহক হিসেবে তুলে ধরেছে।

    অন্যদিকে, ফাইনালের সেরা পারফরমার হিসেবে নির্বাচিত হন পারভেজ হোসেন ইমন। সিলেট টাইটান্সের এই বাঁহাতি ব্যাটার ৩৯৫ রান করে পুরো টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন, আর তাঁর জন্য পুরস্কার হিসাবে পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।

    অপরদিকে, বলের দিক দিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের শরিফুল ইসলাম রেকর্ড করেছেন এক আসরের সর্বোচ্চ উইকেট নেয়ার কীর্তি। ১২ ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট, যা বিপিএলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য তিনি পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা পুরস্কার।

    শরিফুলের পারফরম্যান্সের মধ্যে রয়েছে দারুণ পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভারে বল ধারাবাহিকতাও। তিনি বলছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো লাগছে, তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হলে আরও বেশি আনন্দ হতো।’

    পাশাপাশি, টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে শরিফুলের নাম ঘোষণা করা হয়, যা তিনি আরও ১০ লাখ টাকার পুরস্কার পান। এই পুরস্কার তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি। বিপিএল এবার অনেক রোমাঞ্চকর ও בלתי প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল, যেখানে বিভিন্ন খেলোয়াড়ের অসামান্য পারফরম্যান্স দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

  • বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের পদত্যাগ

    বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের পদত্যাগ

    সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে গুরুতর ম্যাচ ফিক্সিং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে। এই খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর, তিনি বিপিএলের ১২তম আসরের ফাইনাল ম্যাচের মাঝেই নিজের সব দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে জানান, তাঁর বিসিবি পরিচালক এবং অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। এর মূল কারণ, অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে যেন কোনও আপস না হয়, সে জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ফেসবুক পোস্টে শামীম লিখেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে, আমি বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের অডিট কমিটির চেয়ারম্যানসহ আমার সব দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াচ্ছি, যেন একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা যায়। এটা কোনোভাবেই দায় স্বীকার নয়, বরং দেশের ক্রিকেট ও প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার দায়বদ্ধতার অংশ।’

    শামীম আরো জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টের হলেও তিনি দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে আপোস করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের সুনাম অনেক বড়। তদন্তে আমি পুরোপুরি সহযোগিতা করব এবং বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা হবে। সবসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।’

  • আইসিসি কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার চিন্তা করছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে

    আইসিসি কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার চিন্তা করছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ যদি ভারতে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে আইসিসি কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটির কর্তৃপক্ষ। দুবাইয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ বর্তমানে এই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন, বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

    ২০২৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি এখন নতুন সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং আইসিসির মধ্যে এই বিষয়ে মতান্তর চলছিল, যা এখন আরও জোরালো আকার ধারণ করেছে।

    সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, যদি বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ে ভারতের মাটিতে না অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নায়, তাহলে আইসিসি কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বর্তমানে জয় শাহ দোাবাইয়ে অবস্থান করছেন, যেখানে তিনি এই সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছেন। তবে কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, তা সম্পর্কে এখনও কিছু জানাননি আইসিসি কর্তৃপক্ষ।

    অন্য এক প্রতিবেদনে সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর সূত্র অনুযায়ী, আইসিসি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ। কারণ, বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এই বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করার আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অবহিত করেননি। তার উপরে, ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকেও আইসিসির কাছে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ অর্থাৎ অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    এই পরিস্থিতিতে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডের নামও এখন আলোচনায় আসতে পারে। আইসিসি আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে, অন্য কোনও দলের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এখন দেখা যেতে পারে, এই সংকট সমাধানে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়।

  • অন্ধ্রপ্রদেশে বাংলাদেশি মুসলিমকে به হত্যা করে পিটানো

    অন্ধ্রপ্রদেশে বাংলাদেশি মুসলিমকে به হত্যা করে পিটানো

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার একজন মুসলিম শ্রমিককে অন্ধ্রপ্রদেশে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে তাকে মুসলিম বলে অপবাদ দিয়ে চুরির অভিযোগ এনে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বাংলাভাষী মুসলিমদের ওপর চলমান সহিংসতারই এটি একটি tristeতম ঘটনা।

    নিহত ব্যক্তির নাম মঞ্জুর আলম লস্কর, তাঁর বয়স ৩২ বছর। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারোলু এলাকায় হিন্দুত্ববাদীদের হামলার শিকার হয়ে মারা যান। মঞ্জুরের বাড়ি রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে জরির কাজ করতেন। দীর্ঘ সময় থাকায় স্থানীয়রা তাঁকে ভালোভাবেই চেনেন। তবে এর পরেও তাঁকে বাংলাদেশি হিসেবে আখ্যায়িত করে সেখানে থেকে চলে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল।

    মঞ্জুরের পরিবার জানিয়েছেন, তাকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ হাজার রুপি চাপানো হয়। তার স্ত্রী বলেন, বুধবার এক অচেনা নম্বর থেকে ফোনে তাদের মুক্তিপণের জন্য বলা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তারা ৬ হাজার রুপি জোগাড় করেন। তবে পরের দিন তারা জানতে পারেন, মঞ্জুরকে হত্যা করা হয়েছে।

    মঞ্জুরের পরিবারের দাবি, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত ধরা ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। তারা পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন এই মামলার বিচারের জন্য। তারা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট السلطات দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।