Blog

  • যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকার বিদ্যুৎ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনের আলো থেকে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যা মানুষের জীবনযাত্রা খুবই ব্যাহত করে তুলেছে। এসব সমস্যার বিরুদ্ধে মঙ্গলবারের মধ্যে অবিলম্বে শান্তিপূর্ণ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে সংযোগের দাবি জানিয়ে ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ হয়, যেখানে তারা নানা স্লোগান দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই ভুগতে হচ্ছে। ফেজের সমস্যা থাকায় হালকা বাতাস বা ঝড়-ঝাপে বিদ্যুৎ চলে যায়, এবং নতুন করে আর ফিরে আসে না। দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, তিন-চার বছর ধরে এই সমস্যা চলছে। কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, ‘২৪ ঘণ্টায় মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই, কখন আসে, কখন যায় ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েছে প্রতিবাদে নামতে।’ তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ গেলে সকাল ১১টার মধ্যে বিদ্যুৎ এসেছিল মাত্র দুই মিনিট, এরপর আবার দুপুর ২টার দিকে আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতের সময়ও এই অবস্থা চলমান। এসএসসি পরীক্ষার্থিনী সোহানা খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় খুব বিপর্যয় হচ্ছে, এর ফলে ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাছের পাতা নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়, যা তারা অবহেলা হিসাবে দেখছেন। ঝিকরগাছা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বহুবার যোগাযোগ করেও সমাধানসূত্র বের হয়নি। ঝিকরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এলাকাবাসী বিদ্যুৎ সমস্যায় ক্ষুব্ধ থাকায় পরিস্থিতি বুঝে আলোচনা করি ও পরিস্থিতি শান্ত করি। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন।’ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, ‘সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল। দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠানো হবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে সার্বিক বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা বেড়ে গেছে, সবাইকে ধৈর্য্য ধরে থাকতে হবে।’

  • শৈলকুপায় বিএনপি“两পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    শৈলকুপায় বিএনপি“两পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দলের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন নিহত এবং কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে। সংঘর্ষের সময় দেশীয় ভেরোয় আঘাতে গুরুতর আহত হন মহন শেখ নামে এক ব্যক্তি, যিনি পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আহতদের মধ্যে আরও অনেকেই রয়েছে, যারা শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। দ্রুত স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এর প্রভাব পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মনোহরপুর ইউনিয়নের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম সাদাত ও জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরে, ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি ইউপি সদস্য সের আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান দুলাল একে অন্যের বিরোধী শক্তি গড়ে তুলতে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া চালিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে বুধবার রাতে সাদাতের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যখন তারা লক্ষিপুর গ্রামে এক সামাজিক সভা শেষে বাড়ি ফিরছিল। হামলার পর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, সের আলী ও তার অনুসারীরা মহন শেখের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনাটি দ্রুত জানাজানি হলে, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়, এবং দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আহত হন মহন শেখসহ আরও ৩০ জন, যাদের মধ্যে মহন শেখ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু ঘটে।

    অন্য আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের মধ্যে বরিশাল, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা আহতরা রয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, এটি পলাতক পরিকল্পিত হামলা এবং গত রাতে সাদাতের সমর্থকরা লিটন নামের একজনকে হামলার লক্ষ্য করে। তিনি বলেন, প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, যে কারণে বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় এই সংঘর্ষ ঘটে।

    উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, এই সংঘর্ষের সঙ্গে যুবদলের সরাসরি কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম বললেন, এটি একটি সমাজিক সহিংসতা, যার সঙ্গে যুবদলের কেউ জড়িত নয়।

    নিহত মহন শেখের ছোট ভাই আফসার উদ্দিন শেখ বলেন, তাঁর ভাই সকালে দোকানে চা পান করতে যাচ্ছিল, তখনই সের আলীর সমর্থকদের হামলার শিকার হন। গতিপ্রকৃত এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক আধিপত্যের জের ধরে এই সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীরা বৈধ পথে মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ পরিমাণ অর্থের বাংলাদেশি মুদ্রায় মূল্য প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি ডলার মূল্য ধরা হয়েছে ১২৩ টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র আফর Ö˙ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি অর্থ বছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা前年ের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এর আগে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এর ফলে এই সময়ের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, বিভিন্ন প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নত ব্যবস্থাপনা রেমিট্যান্স আয়ের বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের সর্বশেষ তথ্যগুলো হলো: জুলাইয়ে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৮ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৫ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৫৬.২৪ কোটি ডলার, নভেম্বর ২৮৮.৯৭ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২.৩৬ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭.১৬ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫.৫০ কোটি ডলার। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য এক আশা জাগানো প্রবৃদ্ধির সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

  • ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই বাংলাদেশের বাইরে থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ পৌঁছেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর ফলে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একই সময় গত বছর দেশে এসেছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা বছরান্তরভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থপূর্ণ এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা ইতিহাসে একক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ডিসেম্বরে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরের সময়ে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স জমা পড়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে এর বিনিময় হার বেড়ে গেছে, যার ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি টাকা পান।

    অর্থনীতিবিদরা বিষয়ে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট দীর্ঘায়িত হয়, তবে এর প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। তারা সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ বিলিয়ন ৬০৭ মিলিয়ন ডলার (৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার), যা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে, প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এই তথ্য জানতে চান।

    রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত? এর পরিশোধে এখন পর্যন্ত কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোন ঋণ কি পরিশোধ করেছে?

    উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের হিসাব অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ৭৮.০৬৭.২০ বিলিয়ন ডলার।’ তিনি আরও জানান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছরই এই পরিমাণের ভিত্তিতে ঋণের মূলধন ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয় নিরীক্ষিত হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করে। এরপর বাজেটের অর্থ ব্যয় করে সুনির্দিষ্ট সময়সূচী অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ সম্পন্ন হয়।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ হয়েছে।’ এভাবে অর্থনীতির স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

  • ২২ দিনে রেমিট্যান্স আড়াই বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    ২২ দিনে রেমিট্যান্স আড়াই বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    চলতি মাস এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনে বাংলাদেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি হয়েছে। এই সময়ে প্রবাসীরা মোট ২.৪২ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) প্রায় ২৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই তথ্য প্রকাশিত হয়। গত বছরের একই সময় এ আদানপ্রদানের পরিমাণ ছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এই সময়ে গত বছরের তুলনায় ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় সপ্তম মাসে মার্চে রেকর্ড করে, যখন প্রবাসীদের পাঠানো ডলারের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অন্যদিকে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ছিল গত বছরের মার্চে, যেখানে হয় ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যেখানে প্রবাহ ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আর চতুর্থ বৃহত্তম অঙ্কটি ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, যেখানে প্রবাসী আয় ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও। তাই এই ঝুঁকি মোকাবিলায় দৃঢ়ভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ জরুরি বলে মত দিয়েছেন তারা।

  • জ্বালানি সংকটের কারণে পোশাক শিল্পের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বাড়ছে

    জ্বালানি সংকটের কারণে পোশাক শিল্পের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বাড়ছে

    দেশের সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন অর্ডার স্থগিত করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে, এই আশঙ্কায় অনেক ক্রেতা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে সতর্ক হয়েছেন। এর ফলে তৈরি পোশাক শিল্পসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারি খাতে বড় ধরনের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাক-বাজেট আলোচনা চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিসিআই সভাপতি জানান, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে, আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে সম্ভাব্য অনেক বড় অর্ডার ইতোমধ্যে ধীরগতিতে জমা পড়ছে। কিছু বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নেতিবাচক বার্তা পাঠাতে শুরু করেছে এবং কিছু অর্ডার বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশে, যেমন ভারতে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের ঢাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে চেষ্টা করছে, কিন্তু শীর্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে হাত ধরে ফেলছেন। এর পাশাপাশি, বর্তমান কর কাঠামো ব্যবসার জন্য বেশ অপ্রোডাকটিভ বলে তিনি অস্বস্তি প্রকাশ করেন। আনোয়ার-উল আলম বলেন, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের নিয়ম অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য। এতে অনেকেরই লাভ না থাকলেও কর দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের টিকে থাকা কঠিন করে তুলছে।

    তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য করের কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দেন এবং রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোেও আহ্বান জানান। তবে, এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমন খান এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেছেন, কর কমানোর ধারণা ব্যবসার জন্য সুবিধাজনক নয়।

    আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতি বলেছেন, কর যাচাইয়ের নাম করে যেকোনো ব্যবসায়ীর কম্পিউটার বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এতে ব্যবসার পরিবেশে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দাবি করে, ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামানো এবং নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বন্ধ করতে হবে। এছাড়া, করের বোঝা কমিয়ে ব্যবসা-সহায়ক কর কাঠামো গড়ে তোলার জন্য তাদের আহ্বান জানানো হয়। শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, যদি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় এবং কর কাঠামো সহজ করা না হয়, তবে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

  • আফরোজা আব্বাস, পাপিয়া ও কনকচাঁপাসহ হেভিওয়েটরা নেই বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর তালিকায়

    আফরোজা আব্বাস, পাপিয়া ও কনকচাঁপাসহ হেভিওয়েটরা নেই বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর তালিকায়

    বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর দলটি ক্ষমতায় ফিরেছে, আর এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে তারা নতুন চেহারা ও নতুন মুখের প্রার্থী নির্বাচন করেছে। তবে আশাব্যাঞ্জক এই প্রক্রিয়াতে জনপ্রিয় ও পরিচিত কিছু নেত্রী বাদ পড়েছেন।

    বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী এবং পরিচিত কিছু নারী নেত্রী, যেমন আফরোজা আব্বাস, যিনি দীর্ঘদিন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মির্জা আব্বাসের স্ত্রী, সেইসাথে সাবেক সাংসদ সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া এবং কণকচাঁপার মতো জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীও এখন তালিকায় স্থান পাননি। এটি অনেকের জন্যই চমকপ্রদ সংবাদ, কারণ তারা দলের সাবেক এবং জনপ্রিয় একজন সদস্য।

    এছাড়াও, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নারী নেত্রীও এই তালিকা থেকে বাদ গেছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন, মহিলা দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সেলিনা হাফিজ, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, প্রয়াত নেতা মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দীন মওদুদ, খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী, এবং সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন দিতে দলটি দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। এসব সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেছে।

  • নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আখতার

    নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আখতার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, শ্রমজীবী ও সংগ্রামী ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আখতার। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তার নাম ঘোষণা করেন।

    মানসুরা আখতার বর্তমানে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ছাত্রদল এই সংগঠনের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দলের রাজপথে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ওপর মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে।

    ২০২২ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের একটি মিছিলের সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত হন মানসুরা। তখন তার হাত ভেঙে যায় এবং তার সহকর্মীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি ছাত্রলীগের ৩৩ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    অতিরিক্তভাবে, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আবারও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন মানসুরা আখতার। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বহির্বিভাগের গেটের সামনে অবস্থানকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তিনি ছাড়াও আরও কিছু ছাত্রদল নেতা আহত হন। এই অসাধারণ সাহসী সংগ্রামী নেত্রী এবার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন লাভ করে দলের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছেন।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নতুন মুখ ২৮, পুরাতন ৮

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নতুন মুখ ২৮, পুরাতন ৮

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে ৩৬ জনের নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেছে বিএনপি ক্ষমতাসীন দল। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনে দল কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কিবরিয়া রিজভী।

    বিএনপির এই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবারের মনোনয়ন সকলের মধ্যে নতুনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ২৮ জন প্রথমবারের মতো বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হচ্ছেন। পাশাপাশি, এই তালিকায় ইতিমধ্যে সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন এমন ৮ জনের নামও রয়েছে।

    তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, রেহানা আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা, বিলকিস ইসলাম, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সুলতানা আহমেদ ও নেওয়াজ হালিমা আর্লি।

    এছাড়াও, এই তালিকায় এমন দুজন নারী রয়েছেন, যাদের স্বামী বা বাবা এবং শ্বশুর সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী। এগুলো হলো—বিএনপি নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, যাঁর বাবা সাংস্কৃতিকমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, আর শ্বশুর বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। অন্য এক জন হলেন শিরিন সুলতানা, যাঁর স্বামী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

    বিএনপির ঘোষিত তালিকায় দেখা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইনও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

    প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত তিনজন সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে আছেন ঢাকা-১৪ আসনের সানজিদা ইসলাম তুলি, যশোর-২ আসনের সাবিরা সুলতানা ও শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন।

    মহিলা দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান।

    বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে মনোনয়ন লাভ করেছেন মাহমুদা হাবিবা ও শাম্মী আক্তার।

    ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির কমিটি থেকেও তিনজন মনোনয়ন পেয়েছেন: ফেরদৌস আহমেদ, আরিফা সুলতানা ও নাদিয়া পাঠান, যারা সবাই ঢাকার মহানগর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

    অপর দিকে, বর্তমান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে একটি মনোনয়ন পেয়েছেন—যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তার। তিনি এবারের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে কনিষ্ঠ। তার বাবা ছিল প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী।

    তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দলের সক্রিয় রাজনীতি সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন কয়েকজনকেও সংরক্ষিত কোটায় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজন হলেন জহরত আবিদ চৌধুরী, যিনি মোবাইল অপারেটর বাংলা লিংকের সিইও।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান বলেছেন, অভিজ্ঞ ও রাজপথে নিপীড়িত ও নির্যাতিত নেতাদের উৎসাহিত করে এসব মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সুসমন্বয় করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।