Blog

  • বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের দলকে ৯৮–১২০ আসনের ইঙ্গিত

    বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের দলকে ৯৮–১২০ আসনের ইঙ্গিত

    তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সবার নজর এখন বুথফেরত জরিপের দিকে। এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন দক্ষিণী সুপরিচিত অভিনেতা থালাপতি বিজয় ও তাঁর freshly-formed দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে), যারা মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্টালিনের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমেছেন।

    নির্বাচনের আগের জনসভা ও প্রচারণায় বিজয়ের ব্যাপক উপস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে ছাপ ফেলেছে। অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, যদি বুথফেরত জরিপের পূর্বাভাস মেনে চলে, তাহলে তামিলনাড়ুতে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

    বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিজয়ের দল 98 থেকে 120 আসন পর্যন্ত পেতে পারে। অন্যদিকে পিপলস পালস ও পিপলস ইনসাইট অনুমান করছে, ডিএমকে ও তার জোট 120–145 আসনে এগিয়ে থাকতে পারে এবং এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে 60–80 আসনের মতো শক্ত অবস্থান।

    প্রজা পোল ও পি-মার্কের জরিপে মোটমিলিয়ে ডিএমকে জোটকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে — প্রজা পোল টিভিকেকে মাত্র 1–9টি আসন দিলে, পি-মার্ক বলেছে তারা 16–26টি আসন পেতে পারে। ম্যাট্রিজ ও জেভিসি-এর জরিপে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের মধ্যে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাতে contrast-এ কামাখ্যা অ্যানালিটিক্স একটু ভিন্ন স্বর রাখে — তাদের অনুসারে, যদি টিভিকে 67–81 আসন পায়, তাহলে রাজ্য সরকার গঠনে তাদের বড় ভূমিকা থাকতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যে বলা হয়েছে, 23 এপ্রিল তামিলনাড়ুর 234টি আসনে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে; বিকেল 5টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল 82.24 শতাংশ। এখন ফলাফল ঘোষণা ও পরবর্তী রাজনৈতিক রকমফের যে পথে যাবে, তা নির্ভর করছে যেমন বুথফেরত জরিপের ধারাবাহিকতার উপর, তেমনই আসন্ন সরকারি ফলাফলের ওপর।

  • পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কারিশমা কাপুর

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কারিশমা কাপুর

    সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিজীবন ও লাইফস্টাইল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সবসময়ই থাকে। এদের পেছনেই ছায়ার মতো লেগে থাকেন পাপারাজ্জিরা—আলোচিত ব্যক্তিদের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতে তারা পিছপা হন না। সম্প্রতি পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলার কারণে পাপারাজ্জিদের ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন বলিউড নায়িকা কারিশমা কাপুর।

    পেছন থেকে জুম করে ছবি তোলা অনেক তারকাই ভালোভাবে নেন না, বিশেষত মহিলারা। কারিশমাও এ বিষয়ে অসহযোগী—একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি পাপারাজ্জিদের এমন আচরণ নিয়ে সরাসরি সতর্ক করেন এবং কঠোর ভঙ্গিমায় বিরক্তি প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তাঁর রাগ অনায়াসে চোখে পড়ে।

    ঘটনাটি ঘটে ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন ৫’-এর শুটিং সেটে; সেখানে তিনি বিচারকের আসনে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে বিচারক হিসেবে আছেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফরি। শুটিংস্থলে ঢোকার আগে সবাই আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দেন; সেই সময় কারিশমা ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশে সতর্ক হয়ে বলেন এবং পোজ নেওয়ার এলাকা থেকে সরে পড়েন। তিনি বলেছিলেন, “বেশি জুম করবেন না। আপনাদের অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।” অভিনেত্রী এমন মনোভাবকে ‘অসুস্থ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

    কারিশমার কড়া বার্তার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকেই তার জন্য সমর্থন জানিয়েছেন। সম্প্রতি আরেকটি বিতর্কিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, যখন এক অনুষ্ঠানে সিড এবং কিয়ারা পোজ দিচ্ছিলেন; তখন পাপারাজ্জিরা ভিডিও থেকে সিডকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করেন, যা নিয়ে প্রচুর সমালোচনা ওঠে।

    বলিউডে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখা কারিশমাকে অনেকে তাঁর সচেতনতা প্রদর্শনের জন্য প্রশংসা করছেন। ঘটনাটি পাপারাজ্জিদের আচরণ নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু করেছে—নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অধিক শ্রদ্ধাশীল আচরণ জরুরি বলে many অনুরাগীরা মনে করছেন।

  • জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী: নারীদের জন্য এলপিজি কার্ডে ভর্তুকি মূল্যে সিলিন্ডার

    জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী: নারীদের জন্য এলপিজি কার্ডে ভর্তুকি মূল্যে সিলিন্ডার

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশের নারীদের রান্নার কাজ সহজ ও সাশ্রয়ী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘এলপিজি কার্ড’ প্রদানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এই কার্ড পেলে গৃহিণীরা ভর্তুকি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে পারবেন।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, যশোর থেকে আনা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভবিষ্যতে প্রত্যেক মহিলাকে রান্নার কাজ সহজ করতে একটি করে এলপিজি কার্ড প্রদান করা হবে। কার্ডধারীরা সরকারি ভর্তুকি সুবিধা পেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে সিলিন্ডার কিনতে পারবে, ফলে গ্যাসের খরচে পরিবারের উপর চাপ অনেক কমবে।

    এই আলোচনা চলাকালে প্রতিমন্ত্রী একটি দুঃখজনক স্মৃতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গতকাল রাজপথের সাথি কচুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন ইরান উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসার পথে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, যশোরে একটি পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ ২০ বছর আগে নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বাক্সবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে। তার ফলে হৃদরোগীরা ঢাকা বা খুলনা জেতার পথে প্রাণ হারাচ্ছেন; এই বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আরও স্মরণ করান, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শায় এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘এলপিজি কার্ড’ চালুর কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলছেন, পারিবারিক সচ্ছলতার জন্য চালু থাকা ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর পাশাপাশি গৃহিণীদের রান্নার জ্বালানি সংকট দূর করতে এই বিশেষ কার্ড ব্যবহার করা হবে।

    সরকারি এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গৃহিণীদের দৈনন্দিন রান্নার খরচে লক্ষণীয় সুবিধা আসার পাশাপাশি গ্রামীণ ও নগর ভোক্তাদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সংসদের রীতি মেনে প্রধানমন্ত্রীর আচরণ প্রশংসিত

    সংসদের রীতি মেনে প্রধানমন্ত্রীর আচরণ প্রশংসিত

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যাহ্ন বিরতির পর সংসদের বিকেল অধিবেশনে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন কক্ষে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি নিজ আসনে না বসে বক্তার সামনের সারির ওপর দিয়েই পেছনে দুই সারি বসেন এবং আইনমন্ত্রীর বক্তৃতা শেষ হওয়ার পরে নিজের আসনে ফিরে যান।

    সংসদের চলমান রীতির মধ্যে আছে—যখন কোনো সদস্য কেন্দ্রীয় মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন তাঁর সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা ওই লাইনের সামনে বসা উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণকে সেই রীতি মেনে চলা হিসেবে দেখা হয়েছে।

    এ ঘটনার পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তা উত্থাপন করে সংসদ সদস্যদের কাছে এ থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমরা মহান জাতীয় সংসদে সর্বদা একটি শৃঙ্খলা চাই। আজকে মাননীয় সংসদ নেতা যে ডিসেন্সি এবং শৃঙ্খলার নিদর্শন দেখিয়েছেন, আমরা অন্যান্য সম্মানিত সদস্যরা তা পর্যবেক্ষণ করব। মাননীয় আইনমন্ত্রীর সামনের আসন ছিল মাননীয় সংসদ নেতার; যেহেতু ফ্লোর ক্রসিং হবে, তাই তিনি দুই সারি পেছনে বসেন। এটা আমি একটা উদাহরণ দিচ্ছি, আসুন আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি।”

    ডেপুটি স্পিকারের মন্তব্যে সংসদিক শৃঙ্খলা ও পার্লামেন্টারি রীতির প্রতি গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে। সংসদ সদস্যদের মধ্যে ভদ্রতা ও নিয়মাবলীর প্রতিফলন বজায় রাখার আহ্বানও তিনি জানান।

  • জামায়াত আমির শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে

    জামায়াত আমির শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটে চলছে। এসব মন্তব্য তিনি শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে করেন।

    ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘একসময় আমরা একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই—আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।’’

    তিনি সতর্ক করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, তবে কটূক্তি করে বলেন, আজ তাদের সেই ‘লাঠিয়াল’দের কেউ পাশে এসে দাঁড়ায়নি।

    জামায়াত আমির অভিযোগ করেন যে রাষ্ট্রসংস্থাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে সুশাসন নিশ্চিত করা যাবে না। তিনি বলেন, ‘‘রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার—সুশাসন স্থাপন ও সত্যিকার স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার লক্ষ্যে—প্রতিটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলেছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।’’

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, বিএনপি তাদের ইশতেহারে থাকা ৩১ দফা কর্মসূচিরই বিরোধিতা করছে এবং কখনো কখনো নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও ভুলে যাচ্ছে। তিনি জেলহ্যাঁত সহকর্মীদের স্মরণ করে বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন তারা জাতীয় পরিবর্তনের সুবাদে দেশে ফিরতে পেরেছেন; কিন্তু কিছু নেতা এখন মহিমা দাবি করে আন্দোলনের একনায়ক হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে—যা ভুল দাবি, বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    অতীতের ত্যাগ ও শহীদ পরিবারদের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির অনুরোধ করেন, তাদের সম্মান করতে শিখুন। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই আন্দোলনের নায়করা জীবন বাজি রেখে তরণী নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, ছাত্র সমাজ, শ্রমিক, মায়েরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে—এই বিজয় ও ত্যাগ ভুলে যাবেন না।’’

    সংসদে প্রথম দিন থেকেই তারা সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি তোলেন এবং শপথ গ্রহণ করে থাকলেও অন্যরা তা করেনি—এমন অভিযোগও তোলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, জরুরি আইন সংশোধন এবং অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে স্বৈরাচারী মনোভাব পরিবর্তন হবে না, আর বিএনপি সেই পুরোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকে বজায় রাখতে চাইছে বলে তিনি মনে করেন।

    সমাবেশে তিনি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিভিন্ন স্থানে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে সংঘটিত সহিংসতার কথা উল্লেখ করে বলেন, গণভোটের রায় অস্বীকার করার পর থেকেই বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে।

    শেষে ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে শিশুরা, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতীরা, আমাদের মা-বোনেরা নিরাপদে সড়কে বের হতে পারবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই-কলম দেখতে চাই; হাতে দা-কুড়াল দেখতে চাই না। যদি এই সংস্কৃতি বন্ধ না করা হয়, তখন প্রতি বছর ‘জুলাই’ ফিরে আসবে এবং ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর লেখা হবে। জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান; গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও এবং খোলা ময়দানেও চলবে, ইনশাআল্লাহ।’’

  • ২৪ ঘণ্টায় আবারও কমল স্বর্ণের দাম

    ২৪ ঘণ্টায় আবারও কমল স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার সকালেই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ২,২১৬ টাকা কমিয়ে নতুন করে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২,৪২,৪৯৫ টাকা। অন্যান্য ক্যার্টের দাম হলো: ২১ ক্যারেট — ২,৩১,৪৭২ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ১,৯৮,৪০৫ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতিতে প্রতি ভরি স্বর্ণ — ১,৬১,৬০৫ টাকা।

    এর আগে, ২৮ এপ্রিলেও বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল; তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি ২,৪৪,৭১১ টাকা ছিল। সেই সমন্বয়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২,৩৩,৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২,০২১৩০ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির মাপকাঠিতে প্রতি ভরি স্বর্ণ ১,৬৩,০৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে স্বর্ণের দাম মোট ৫৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে বৃদ্ধি ঘটেছে ৩২ দফায় এবং কমেছে ২৬ দফায়। গত বছর (২০২৫) মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; সেগুলোর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

    স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের মধ্যে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫,৪৮২ টাকায়; ২১ ক্যারেট — ৫,১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ৪,৪৯১ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩,৩৮৩ টাকায়। চলতি বছর রুপার দাম মোট ৩৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে; তাতে ১৯ বার দাম বাড়ানো ও ১৭ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল ও ৩বার কমেছিল।

    বাজারের এই ওঠানামা গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে, তাই স্বর্ণ-রুপা ক্রয়-বিক্রয় করার আগে সর্বশেষ মূল্য জানাশোনা করে নেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছে।

  • সিঙ্গার‑বেকো’র ‘ঈদুল আযহা ভরপুর সল্যুশন অফার’: ঘষলেই জেতার সুযোগ হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স ও উপহার

    সিঙ্গার‑বেকো’র ‘ঈদুল আযহা ভরপুর সল্যুশন অফার’: ঘষলেই জেতার সুযোগ হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স ও উপহার

    ঈদুল আযহার আনন্দকে আরও উৎসবমুখর করতে সিঙ্গার‑বেকো আয়োজন করেছে ভরপুর ‘সল্যুশন অফার’ ক্যাম্পেইন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাহকরা এখন আকর্ষণীয় ছাড় ও হাজার হাজার বিনামূল্যে পণ্যের সুযোগ পাচ্ছেন।

    কোনোও সিঙ্গার‑বেকো রিটেইল স্টোর কিংবা অনুমোদিত ডিলার পয়েন্ট থেকে কেনাকাটা করলে গ্রাহকদের অনন্য ‘সল্যুশন কার্ড’ দেওয়া হবে। সেই কার্ড ঘষলেই পাওয়া যাবে অবাক করা পুরস্কার—অর্থাৎ মুহূর্তেই জিতে নিতে পারেন বিশেষ হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স।

    হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে রয়েছে একটানা গৃহস্থালির সব প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির পূর্ণ সেট: টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার ও গ্যাস বার্নার।

    মেগা প্রাইজ ছাড়াও প্রতিটি নির্দিষ্ট কোটার কেনাকাটায় গ্রাহকরা টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার বা গ্যাস বার্নারের মতো একটি আকর্ষণীয় পণ্য জেতার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি রয়েছে নিশ্চিত ডিসকাউন্ট, যা দিয়ে গ্রাহকরা এই উৎসবে তাদের প্রয়োজনের পণ্যগুলো আরও সহজে আপগ্রেড করতে পারবেন।

    আধুনিক পরিবারের চাহিদা ও আনন্দকে মাথায় রেখে সাজানো এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি পরিবারের ঈদ কেনাকাটাকে স্মরণীয় ও সুবিধাজনক করে তোলা। ক্যমপেইনটি ঈদুল আযহার আগের দিন পর্যন্ত চলবে এবং সারা দেশের সব সিঙ্গার‑বেকো আউটলেট ও অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে পাওয়া যাবে।

    বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ সিঙ্গার‑বেকো আউটলেটে যোগাযোগ করুন বা ২৪/৭ টোল-ফ্রি কাস্টমার সার্ভিস নম্বরে কল করুন: ০৮০০০০১৬৪৮২।

  • মমতার হুঙ্কার: ‘দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসছি’

    মমতার হুঙ্কার: ‘দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসছি’

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতিবিখ্যাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তার দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আবারো ক্ষমতায় ফিরবে। বুধবার বিকাল সওয়া ৩টায় ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    মমতা বলেন, ‘আমার কাছে যে তথ্য আছে, সে অনুযায়ী বিজেপি হারছে। তৃণমূল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।’ তিনি আত্মবিশ্বাসী ভাষায় দলের জয়ের পূর্বাভাস দেন।

    আরেকদিকে ভবানীপুর কেন্দ্রেই এই নির্বাচনের তোলপাড়কারী প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী সকালের সময় নিজের ভোট দেওয়ার পর হাসিমুখে বেরিয়ে মমতাকে আক্রমণ করেছেন। শুভেন্দু দাবি করেন, তিনি ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতে বাড়ি ফিরবেন এবং মমতার বয়সের উল্লেখ করে বলেন, ‘ওনার বয়স হয়েছে, এবার ভোট দিয়ে বাড়ি চলে যান।’

    নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বুধবার বিকেল ৩টায় রাজ্যজুড়ে গড় ভোটহার দাঁড়িয়েছে ৭৮.৬৮ শতাংশ। জেলার হিসাবে পূর্ব বর্ধমানেই সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি—৮৩.১১ শতাংশ; তার ঠিক পরে হুগলি ৮০.৭৭ শতাংশ ভোটহারে রয়েছে।

    এই দফায় মোট ১৪২টি আসনে ভোটাভুটি চলছে এবং লাইভ ভোটের জন্য নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ২১ লাখ। উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

    এটি রাজ্যের নির্বাচনপ্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্ব; ফলে আজকের ফলই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই ১৪২ আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ১২৩টি আসন, বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি এবং বামফ্রন্ট ১টি। ফল গণনা ও ঘোষণা হবে ৪ মে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, জি নিউজ

  • চীন মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানি অনুমোদন, তালিকায় বাংলাদেশ

    চীন মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানি অনুমোদন, তালিকায় বাংলাদেশ

    চীন মার্চে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পর মে মাসে মোট ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই পরিমাণটি সম্ভাব্য এপ্রিল রপ্তানির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

    সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা বেড়ে যাওয়ায় কাঁচা তেল ও জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। নিজেদের অভ্যন্তরীণ জোগান ও বাজার সুরক্ষায় বেইজিং মার্চ থেকে রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালু করেছিল।

    রয়টার্সের অনুসারে, মে থেকে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হতে পারে। চীন নিজেই রপ্তানির পরিমাণ ও গন্তব্য ঠিক করবে, তবে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ নিয়ে তৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি।

    জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী কেপলার ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর চীন হংকং এর বাইরে মাসে গড়ে প্রায় ১৬ লাখ টন পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করত। আন্তর্জাতিক বাজারে লভ্যাংশ বেশি হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত শোধনাগারগুলোও রপ্তানি পুনরায় চালুর জন্য চাপ দিচ্ছিল। অন্যদিকে, চীনের অভ্যন্তরীণ জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় স্থানীয় শোধনাগারগুলোর মুনাফা সংকুচিত হয়েছে।

    অনুমোদিত ৫ লাখ টনের মধ্যে শীর্ষ শোধনাগার সিনোপেক সবচেয়ে বেশি অংশ পেয়েছে; পেট্রোচায়নাকে অনুমতি দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টন এবং সিএনওওসিকে ৪০ হাজার টন রপ্তানি করার। বিশ্লেষকরা বলছেন, মোট রপ্তানির অন্তত ৪০ শতাংশ ডিজেল ও জেট ফুয়েল হতে পারে।

    এসব সিদ্ধান্ত এলাকার জ্বালানি চাহিদা পূরণে কিছুটা সহায়ক হবে বলে আশা করা হলেও, বেইজিং কেবল নিয়ন্ত্রিতভাবে ও প্রয়োজন অনুযায়ী রপ্তানি বাড়াচ্ছে। বাজার এবং জ্যামিতিক সরবরাহ পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে রপ্তানির আরও পরিবর্তন আসতে পারে।

  • সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটানো এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলা উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬ শুরু হয়েছে।

    বুধবার সকালেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ‘ডাবলু’, জেলা জামায়াতের উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম (মিনি), জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম এবং জেলা ফুটবল কোচ ইকবাল কবির খান (বাপ্পি) প্রমুখ।

    টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বালিকা বিভাগে মাঠে নামে আশাশুনি শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বালক বিভাগের উদ্বোধনী খেলায় আশাশুনি আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দেবহাটা টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা, পাশাপাশি জেলা জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া চেতনা জাগ্রত করবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ গঠনে সহায়ক হবে।