Blog

  • অবস্থা সংকটজনক: লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার

    অবস্থা সংকটজনক: লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগার পর হঠাৎ করে জ্ঞান হারিয়ে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    করোনাভাইরাল নেটওয়ার্কের পরিচিত মুখ ‘ডানা ভাই’ খ্যাত কামরুন নাহার ডানা শনিবার (৯ মে) দুপুরে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা কারিনার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় হেপাটাইটিস A ও E ধরা পড়েছে, যার ফলে তার লিভার ফেলিয়ার হয়েছে। শুরুতে তিনি আইসিইউতে ছিলেন, কিন্তু গত রাত থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

    কারিনার অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ডানা তার পোস্টে ভক্ত ও শুভানুক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে লিখেছেন, সবাই জানে কারিনা কতটা মেধাবী ও প্রতিভাবান — আমরা তাকে হারাতে দিতে পারি না। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন, মন থেকে কারিনার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।

    ডানা আরও জানান, চিকিৎসার প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তার দরকার হলে তা পরে জানানো হবে, তবে এখন তাদের একমাত্র আশা হলো মানুষের দোয়া।

  • রুনা লায়লা: আমার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব, আমি সুস্থ

    রুনা লায়লা: আমার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব, আমি সুস্থ

    উপমহাদেশের খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যু সংক্রান্ত ভ্রান্ত গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে ভক্তদের জানান যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। বর্তমানে দিল্লিতে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে থাকা এই কিংবদন্তি শিল্পীর নামে দেশের ভিতরে ও বাইরে মৃত্যুর মিথ্যা খবরে উদ্বেগ ছড়ায়।

    ঘটনাটি নজরে আসার পর রুনা লায়লা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে সত্যতা তুলে ধরেন। নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে।’ ভীতিকর ও ভিত্তিহীন এই সংবাদে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে আমি বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আমি সবাইকে অনুরোধ করছি এ ধরনের কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।’

    রুনা লায়লার পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই বার্তায় সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারকারীদের তথ্য যাচাইয়ে আরো সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৬৬ সালে রুনা লায়লা উর্দু ভাষার ‘হাম দোনো’ চলচ্চিত্রে ‘নাজরোঁ সে মোহাব্বত কা জো পয়গম মিলা’ গান দিয়ে প্রথম আলোচনায় আসেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশনা শুরু করেন এবং ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ গানগুলোর মাধ্যমে ভারতজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রে নিহত নাহিদা ‘বৃষ্টি’ দাদা-দাদির কবরের পাশে সমাহিত

    যুক্তরাষ্ট্রে নিহত নাহিদা ‘বৃষ্টি’ দাদা-দাদির কবরের পাশে সমাহিত

    যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৬) শনিবার (৯ মে) বিকেলে নিজ গ্রামে দাদা-দাদির কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে।

    বৃষ্টির জানাজা বিকেল সাড়ে পাঁচটায় গোবিন্দপুর উত্তর কান্দি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামে পৃথিবীর মাটিতে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের পরে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানাজার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধু-সজনসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ শোকসভায় অংশ নেন। শোকাহত স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

    দুপুুর ১টা ১৫ মিনিটে মরদেহবাহী ফ্রিজিং গাড়ি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে শেষবারের মতো বৃষ্টিকে দেখতে ভিড় করেন। গ্রামের সঙ্গে লাগোয়া আশপাশের গ্রামগুলোতেও শোকের ছায়া নেমে আসে। আত্মীয়রা জানান, উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান বৃষ্টি; তাঁর অকাল মৃত্যু পরিবারের ও এলাকায় গভীর ধাক্কা দিয়েছে।

    আগামীজানায় আগে দিনটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে নাহিদার মরদেহবাহী কফিন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন তার মা-বাবা, মামাসহ অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা।

    পারিবারিক সূত্রে বলা হয়েছে, নাহিদা সুলতানা ২০১৪ সালে নাহার একাডেমি হাইস্কুল থেকে এসএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়েছিলেন। পরে শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসি-তেও জিপিএ ৫ অর্জন করেন। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন।

    স্নাতকোত্তর শেষ হওয়ার আগেই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা থেকে পূর্ণবৃত্তিতে পিএইচডি সুযোগ পেয়ে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে যান নাহিদা। ১৭ এপ্রিল তিনি ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক পিএইচডি প্রার্থী জামিল আহমেদ লিমন নিখোঁজ হন। লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।

    নিখোঁজ হওয়ার পরে বৃষ্টি ও লিমনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হিশাম ২৬ বছর বয়সী একজন যুবক। ঘটনার পর ইউএসএফ কর্তৃপক্ষ নিহত এই দুই শিক্ষার্থীকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে।

  • বৃষ্টি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র সচিব

    বৃষ্টি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র সচিব

    পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায্য বিচারের জন্য সরকার নিরন্তর কাজ করছে এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

    শনিবার (৯ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বৃষ্টির মরদেহ দুবাই হয়ে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দেশে পৌঁছায়। পরে তাঁর পরিবার মরদেহ গ্রহণ করেন।

    পররাষ্ট্র সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি মিশন এবং ফ্লোরিডা বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সরকারের আশা, বৃষ্টির পরিবার সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার পাবে।

    আসাদ আলম সিয়াম বলেন, সরকার বৃষ্টির পরিবারের যে গভীর শোক ও কষ্ট সেটি উপলব্ধি করে এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। তিনি বৃষ্টির আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। বৃষ্টির বাবা-মাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

    ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন বৃষ্টি (২৭) ও লিমন (২৭)। গত ১৬ এপ্রিল তাদের নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কারণ তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

    পরে গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় একটি সেতুর নিকট থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর পুলিশের তদন্তে জানানো হয় যে বৃষ্টিকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। লিমনের লাশ উদ্ধারের দিনই রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ; তার বিরুদ্ধে দুইটি ফার্স্ট ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত-প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখছে এবং সরকার বৃষ্টির পরিবারকে ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রাখে।

  • জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কারের ইস্যুতে সরকার টালবাহানা করছে। শনিবার (৯ মে) সকালে ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার এই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু সাংবিধানিক সংস্কার হবে জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে—এটাই প্রয়োজন।

    তিনি জানান, গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী অবিলম্বে একটি ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠন করা উচিত। সেই কাউন্সিল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের রায়কে সম্মান জানাতে হবে, দাবি তার।

    বিএনপির ওপর তীব্র সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন; কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা এখন সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন। এভাবে মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে, অভিযোগ তার।

    তিনি আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন। নাহিদ বলেন, ‘‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে আলোচনা চলবে, পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও নেয়া হবে। যদি সরকার ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায় করা হবে।’’

  • মন্ত্রী নেই, উন্নয়ন নেই? — গোলাম পরওয়ারের প্রশ্ন

    মন্ত্রী নেই, উন্নয়ন নেই? — গোলাম পরওয়ারের প্রশ্ন

    জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রশ্ন করলেন, প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় উন্নয়ন হলে বাকী এলাকার উন্নয়ন হবে কি না। শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে আয়োজিত বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়িজ লীগের কেন্দ্রীয় দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই উদ্বেগটি প্রকাশ করেন।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘যে এলাকায় নেতারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা আইনমন্ত্রী নয়, সেখানে কি কোনো উন্নয়ন হবে না? উন্নয়নকে বৈষম্যহীন করতে হলে জাতীয়ভাবে জরিপ করে দেখতে হবে কোথায় রেল বা সড়ক যোগাযোগ সবচেয়ে প্রয়োজন। ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফভিত্তিক একটি মানবিক সমাজ গড়ে তুলতেই সরকারের দায়িত্ব রয়েছে।’’

    তিনি জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘‘হাজার মানুষের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে যখন একটি সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন আবার বৈষম্যের সমাজ গড়ে তোলা সেই ত্যাগের অমুল্য স্মৃতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। হাজারো রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসে যদি আবারো ইনজাস্টিস পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়, তা মেনে নেওয়া যায় না।’’

    দেশের রেল যোগাযোগের বেহাল অবস্থা নিয়ে তিনি দুর্নীতি-ভিত্তিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন। ‘‘বিশ্বে রেল যোগাযোগ সাফল্যের শিখরে উঠলেও বাংলাদেশে এই খাতটি পিছিয়ে পড়েছে। এত বড় নেটওয়ার্ককে আমরা এখনও আধুনিকায়ন করতে পারিনি,’’ তিনি বলেন। আগামী বাজেটে প্লেস্কেল সংশোধন, রেলের শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া ও आधुनिक রেলপথ ও অবকাঠামো গড়ার জন্য সরকারকে পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি দাবি জানান।

    বহির্বিশ্বের চাপ বা ‘প্রেসক্রিপশন’ মেনে চলার বিরোধিতা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘বাংলাদেশ এখন থেকে নিজের সিদ্ধান্তে চলবে; কোনো বিদেশি শক্তির রিমোট কন্ট্রোলের নিচে মাথা নত করবে না। দেশকে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাখতে সব ধরনের বহির্শক্তির হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।’’

    তিনি শ্রমিক সংগঠনের ওপর বিধিনিষেধ আর ট্রেড ইউনিয়ন সংকোচনের তীব্র সমালোচনা করেন। সরকারকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, ‘‘আপনারা শ্রমিক-হিতগঠন, গণতন্ত্র ও মেহনতি মানুষের কথা বলেন; কিন্তু বাস্তবে ট্রেড ইউনিয়নকে সংকুচিত করে শ্রমিকদের অধিকার সীমিত করে চলেছেন। বর্তমান বিধি অনুযায়ী একটি কারখানায় তিনটির বেশি সংগঠন রেজিস্ট্রার করা যায় না—এমন সীমাবদ্ধতা শ্রমিকদের শক্তি প্রয়োগ ও ন্যায্য দাবি আদায়ে বাধা দেয়।’’

    গোলাম পরওয়ার যুক্তি দিয়েছেন, বড় কারখানায় বেশি ট্রেড ইউনিয়ন থাকলে মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায় সহজ হবে। তিনি সমতা, ন্যায়পরায়ণতা ও সকলের জন্য উন্নয়নের নিশ্চয়তা দাবিয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • সোনার দাম আবার বাড়ল

    সোনার দাম আবার বাড়ল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ভরি প্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত দর বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরির দাম আবারও বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা—গতকাল অর্থাৎ পূর্ববর্তী দরে যা ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে এই নতুন দাম বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করতে এই বাড়তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট করেছে—

    – ২২ ক্যারেট: এক ভরি = ২,৪৪,৭১১ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: এক ভরি = ২,৩৩,৫৭২ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: এক ভরি = ২ লাখ ২১৩ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: এক ভরি = ১,৬৩,০৬৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—

    – ২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ৫,৭৭৪ টাকা

    – ২১ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ৫,৫৪০ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ৪,৭২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি (প্রতি ভরি): ৩,৫৫৮ টাকা

    বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে বৈশ্বিকভাবে সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল এবং মূল্য ওঠানামা করছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্যমতে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি সেটা ৫,৫৫০ ডলারে উঠেছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে দেশের বাজারেও বড় মাত্রায় দর বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি একদিনে বাজুস ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম রেকর্ডভাবে দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে যায়—দেশের ইতিহাসে সে সময় এটি সর্বোচ্চ পর্যায় ছিল।

    বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক কাঁচামালের দর পরিবর্তন সোনার দামের দ্রুত ওঠানামার প্রধান কারণ।

  • সোনার দাম কমল—প্রতি ভর নতুন মূল্য কত?

    সোনার দাম কমল—প্রতি ভর নতুন মূল্য কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম সংখ্যা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রতি ভরি ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত কাটা হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম এখন নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। আগে সোমবার (৪ মে) একই মানের সোনার ভরি ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা—অর্থাৎ এক ভরিতে হাজির সর্বোচ্চ ঘাটতি প্রায় ২ হাজার ২৫৮ টাকা।

    সংগঠনটি জানায়, তেজাবি (পিওর গোল্ড) হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম নেমে আসায় স্থানীয় বাজারের মূল্যও সমন্বয় করা হয়েছে। বাতিলকৃত দাম অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেটের নতুন মূল্যগুলো হলো:

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা

    রূপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বেঁধে দেওয়া মূল্য অনুযায়ী এক ভরি রুপার দাম কাটা হয়েছে—২২ ক্যারেট: ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট: ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট: ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    গ্লোবাল প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর পরে সোনার দাম প্রথমে বাড়তে থাকে। তবে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বাজারে ওঠানামা দেখা গেছে; বিশ্বজুড়ে সোনা ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০০ ডলার নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, এর আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচিত হবে। বাজারে দাম ওঠানামা করতে থাকে, সেজন্য ক্রেতা-বিক্রেতাদের সর্বশেষ আপডেট দেখতে স্থানীয় জুয়েলারি দোকান বা সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বিজ্ঞপ্তি নজরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • অবশেষে ভিসিকের সমর্থন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

    অবশেষে ভিসিকের সমর্থন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

    তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে কয়েকদিনের নাটকীয়তার পর অবশেষে স্থিরতা এসেছে — ভিসিকে (VCK) আনুষ্ঠানিকভাবে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে (TVK)-কে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ফলে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন।

    বাংলাদেশি নয়, ভারতের খবর এনডিটিভির প্রতিবেদনে (শনিবার, ৯ মে) বলা হয়েছে যে ভিসিকে নিঃশর্তভাবে টিভিকেকে সমর্থন জানাচ্ছে। খবরটি প্রকাশ পেতেই থালাপতির চারপাশের কয়েকদিনের অনিশ্চয়তা আর উদ্বেগ কেটে গেছে।

    ভিসিকে এই নির্বাচনে দুইটি আসনে জয়ী হয়েছে। সেই দুই জন বিধায়ক শিগগিরই টিভিকের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে, যা টিভিক-সহ জোটের মোট আসনকে ১১৮টি করে তুলবে — যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের ম্যাজিক সংখ্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন ২৩৪। নির্বাচনে টিভিকে এককভাবে ১০৮টি আসন পেয়েছিল; ফলে সরকার গঠনের জন্য তাদের মোট ১০টি আসন আরও দরকার ছিল। এই অন্তরকে পূরণ করতে টিভিকে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআই (এম) ও সর্বশেষ ভিসিকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হচ্ছে।

    প্রক্রাটিতে কিছু নাটকীয়তাও দেখা গিয়েছিল — শুক্রবার ভিসিকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল, কিন্তু রাজ্যপালকে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি না দেওয়ায় কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছিল। পরে সংবাদে আসে যে তারা সমর্থনের বিনিময়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দাবি করেছিল; এমনকী এক সময় মুখ্যমন্ত্রীর পদ দাবি করার গুঞ্জনও ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত একটি সূত্র জানায়, তারা নিঃশর্তভাবে টিভিকেকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থির হয়েছে।

    এমনভাবে জোটবদ্ধ হয়ে থালাপতি বিজয় অল্প সময়ে রাজ্যের শাসন কূটনীতি কাটিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আশা করা হচ্ছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • এন.এস. রাজা সুব্রমণি সিডিএস, নৌবাহিনী প্রধান হবে কৃষ্ণ স্বামীনাথন

    এন.এস. রাজা সুব্রমণি সিডিএস, নৌবাহিনী প্রধান হবে কৃষ্ণ স্বামীনাথন

    কেন্দ্রীয় সরকার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন.এস. রাজা সুব্রমণিকে ভারতের নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) হিসেবে নিয়োগ করেছে। বর্তমানে এই পদে থাকা জেনারেল অনিল চৌহানের মেয়াদ ৩০ মে শেষ হবে এবং এরপরই সুব্রমণি এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    শুক্রবার—বা শনিবার (৯ মে) প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সূত্রে বলা হয়েছে, নৌবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথনকে নিয়োগ করা হয়েছে; তিনি ৩১ মে বর্তমান নৌপ্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠীর স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    সিডিএস হিসেবে নিয়োগ পেলে সুব্রমণি তিন বাহিনীর প্রধানদের সমন্বয় ও জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিডিএসের পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের সামরিক বিষয়ক দফতরের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।

    সুব্রমণি জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমি থেকে অনার্স শেষে ১৯৮৫ সালে গারওয়াল রাইফেলসে কমিশন পান। তিনি ব্রিটেনের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে পড়াশোনা করেছেন এবং পরে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজেও যোগ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ৩৫ বছরের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন সংবেদনশীল ও সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে দায়িত্বে ছিলেন এবং কাজাখস্তানে ভারতের দূতাবাসেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কেরিয়ারজুড়ে তার কাজকে স্বীকৃতি দিয়ে একাধিক সম্মান দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে তিনি সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডিং ইন চিফ ছিলেন এবং পরবর্তী বছর ৪৭তম ভাইস সিডিএস হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন; সামরিক অবসরগ্রহনের পর তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সামরিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করছিলেন।

    নিযুক্ত নতুন নৌবাহিনী প্রধান কৃষ্ণ স্বামীনাথন বর্তমানে মুম্বাইয়ের ওয়েস্টার্ন নেভাল কমান্ডের কম্যান্ডার হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তিনি নৌবাহিনীর উপ-প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্যারিয়ারে তিনি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরি আইএনএস বিদ্যুৎ, আইএনএস বিনাশ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী করভেট আইএনএস কুলিশ, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী আইএনএস মহীশূর এবং বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রমাদিত্যর মতো জাহাজের কমান্ডার ছিলেন।

    কেন্দ্রের এই নিয়োগগুলোর মাধ্যমে বছর শেষের দিকে দুই শীর্ষ পদে সুশৃঙ্খল হস্তান্তরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের কাছে দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতি আরও মজবুত রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।