Blog

  • জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট সমাপ্ত

    জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট সমাপ্ত

    জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় খালিশপুর পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ওই অনুষ্ঠান হয়।

    উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক খান জুলফিকার আলী জুলু এবং খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ। শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীরা সনদপত্র ও পুরস্কার গ্রহণ করে।

    টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা মাঠে হার-জয় উভয় থেকেই মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। জেলা পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতা প্রাথমিক স্তরের খেলাধুলা ও প্রতিভা উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভবিষ্যতে অধিকতর ক্রীড়া সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত করবে—এমনটাই জানান আয়োজকরা।

  • বিপিএলে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পাঁচজনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করল বিসিবি

    জরুরি সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ২০২৬ সালের বিসিএল (বিপিএল) সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে অভিযুক্ত পাঁচজনের নাম প্রকাশ ও তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংবাদ সম্মেলনে ডিসঅ্যাড-কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল আগেই দ্রুত নাম ঘোষণা করার ব্যাপারে ইঙ্গিত দেন; এরপরই বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    বিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের সন্দেহে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ তাওহিদুল হক তৌহিদ, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিক এবং ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমান—এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) পরিচালিত তদন্তে মূলত ২০২৬ সালের বিপিএলকে কেন্দ্র করে দুর্নীতিমূলক আচরণ, জুয়া-সংক্রান্ত কার্যক্রম, তদন্তে সহযোগিতা না করাসহ তদন্তে বাধা দেওয়ার ঘটনাগুলো浮 উঠে এসেছে। তদন্তে অভিযোগে বলা হয়েছে, কথিত জুয়া সংক্রান্ত যোগাযোগ, দুর্নীতির প্রস্তাব ও আইসিসি কোডের ৪.৩ ধারায় জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থতা, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ মুছে ফেলা এবং মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার (ড্যাকো) সাথে সহযোগিতা না করা—এসব প্রশ্ন রয়েছে।

    কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ এসেছে

    – লাবলুর রহমান (চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার): ধারা ২.৪.৬ অনুসারে তদন্তে ড্যাকোকে যথাযথ সহযোগিতা না করা বা ৪.৩ ধারার ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থ হওয়া এবং ধারা ২.৪.৭ অনুসারে তদন্তে বাধা বা বিলম্ব ঘটানো; প্রাসঙ্গিক যোগাযোগ ও তথ্য গোপন বা ধ্বংস করার অভিযোগ রয়েছে।

    – মোহাম্মদ তৌহিদুল হক তৌহিদ (নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-স্বত্বাধিকারী): ধারা ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ অনুসারে তদন্তে সহযোগিতা না করা, নোটিশ না মানা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করার অভিযোগ।

    – অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার): ধারা ২.২.১ অনুযায়ী ম্যাচে বাজি বা বেটিং কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ।

    – রেজওয়ান কবির সিদ্দিকি (টিম ম্যানেজার): ধারা ২.২.১ অনুসারে ম্যাচ-সংক্রান্ত বেটিং কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অভিযোগ।

    – সামিনুর রহমান (ক্রিকেট সংগঠক): ৯ম, ১০ম ও ১১তম বিপিএলে দুর্নীতির জড়িত থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’ অনুযায়ী একটি এক্সক্লুশন অর্ডার জারি করা হয়েছে; তদন্তে দেখা গেছে তিনি জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রমে ও খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার অনুশীলনে জড়িত ছিলেন এবং বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে বহিষ্কারাদেশটি মেনে নিয়েছেন।

    বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এবং অভিযোগপত্র পাওয়ার পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে তারা তাদের জবাব দিতে পারবেন। আপাতত বিসিবি এই বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

    বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই ধরনের অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর নীতির আওতায় দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচারের প্রতি বোর্ডের জোর।

  • ‘থালাপতি’ বিজয় ভাঙলেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছর পুরনো রেকর্ড

    ‘থালাপতি’ বিজয় ভাঙলেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছর পুরনো রেকর্ড

    নিজের প্রথম নির্বাচনে বিশাল সাফল্য এনে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করেছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, সাধারণভাবে ‘থালাপতি বিজয়’ নামেই পরিচিত। মাত্র ২০২4 সালে রাজনৈতিকভাবে আত্মপ্রকাশ করা তার দল তামিলাগা ভেট্টরি কোজাগাম (টিভিকে) বিধানসভা নির্বাচনে দুর্দান্ত ফল করে—বিজয় নিজে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন।

    তামিলনাড়ুর ইতিহাসে চলচ্চিত্র জগত থেকে এসে নিজ দলের নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার নজির ছিল মাত্র একবার: ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রান (এমজিআর) দেশীয় সিনেমা থেকে রাজনীতিতে এসে নির্বাচিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন এবং ১৯৮৭ সালের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন। পরবর্তীতে তামিল ফিল্মের বড় নায়িকা জয়ললিতা মুখ্যমন্ত্রী হলেও তিনি নিজে নতুন কোনো দল গঠন না করে এমজিআরের এআইএডিএমকে-র মধ্যেই থেকে অভ্যুত্থান করেছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন কোনো অভিনয়শিল্পীও সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেননি।

    এবার বিজয় তার প্রথম নির্বাচনী প্রচারণা ও শক্ত ভক্তশ্রেণীর ভিত্তিতে সেই পুরনো ছবিটিকে পুনরায় অনুলিপি করেছেন—যেটি ৪৯ বছর আগে শুরু হয়েছিল। তামিলনাড়ুর মোট বিধানসভা আসন সংখ্যা ২৩৪; একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ১১৮টি আসন। টিভিকে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ১০৮ আসন নিয়ে এটি নির্বাচনের অন্যতম প্রধান চালক শক্তি হয়ে উঠেছে। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের জন্য টিভিকেকে অবশ্যই কোনো সমঝোতা বা জোট করতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জোট যেভাবেই গঠিত হোক, সেটির কেন্দ্রীয় ভূমিকায় টিভিকেই থাকতে হবে—এবং সে কারণেই বিজয়কে তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে অনেকে সম্ভাব্য মনে করছেন।

    বিজয়ের রাজনৈতিক যাত্রাও ছিল পরিকল্পিত। ২০০৯ সালের দিকে নিজের ভক্তসমর্থকদের সংগঠিত করা শুরু করেন তিনি; ভক্তদের সংগঠনকে কেন্দ্রীয় করে গড়ে তোলেন বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম। ২০১১-২০২০ সময়ে এই সংগঠন আংশিকভাবে এমজিআর-নেতৃত্বাধীন এআইএডিএমকে-কে সমর্থন করলেও ২০২১ সালে সমর্থন প্রত্যাহার করে বিজয় নিজেই রাজনৈতিকভাবে স্বতন্ত্র পথ বেছে নেন। ২০২৪ সালে তিনি তামিলাগা ভেট্টরি কোজাগাম গঠন করে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে নামেন এবং সেই দলকে নিয়ে এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আনে।

    এই নির্বাচনের ফলাফল নজিরবিহীন হলেও রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুযায়ী টিভিকেকে জোটবদ্ধ করে সরকার গঠন করতে হবে; তারপরেই নিশ্চিত হবে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রীত্ব। ভক্তনির্ভর সাংগঠনিক শক্তি ও দ্রুত রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ—এই দুইয়ের সমন্বয়েই বিজয় ৪৯ বছর পুরনো এমজিআর-রেকর্ডের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছেন।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • রুনা লায়লা জানালেন: আমার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব, আমি সুস্থ

    রুনা লায়লা জানালেন: আমার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব, আমি সুস্থ

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত গায়িকা রুনা লায়লার মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি অদ্ভুতরকম এক গুজব ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বাড়লে নিজেই সর্তকভাবে বিষয়টি খণ্ডন করেছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী।

    রুনা লায়লা বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবার জন্য অবস্থান করছেন। এ সময়ই দেশ-বিদেশে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে এসে অনেকে হতবাক ও চিন্তিত হয়ে পড়েন।

    ঘটনা নজরে আসার পরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে স্পষ্ট করে বলেন, “আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে — আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে।” পোস্টে তিনি ব্যক্ত করেন যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং ভালো আছেন।

    ভিত্তিহীন এই খবরটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রুনা লায়লা আরও লিখেছেন, “আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে আমি বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি। অনুগ্রহ করে এমন কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন; এ ধরনের গুজব আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক।”

    তার এই পোস্টে অনেক অনুরাগী সহজে শ্বাস ফেলেছেন এবং অনেকে দ্রুত গুজব ঠেকানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে সংগীতাঙ্গনের একজন কিংবদন্তি হিসেবে তার স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা না করে মিথ্যা খবরে কান না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৬৬ সালে লায়লা উর্দু চলচ্চিত্র ‘হাম দো’তে গাওয়া ‘নাজরো সে মোহাব্বত কা জো পয়গাম মিলা’ গানেই তিনি প্রথমবার খ্যাতি পান। ১৯৬০-এর দশকে নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশনা শুরু করেন এবং ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ প্রভৃতির মতো গান দিয়ে ভারতের মধ্যেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

    শেষে রুনা লায়লা তার ভক্তদের উদ্দেশ্যে ভালোবাসা জানিয়ে বলেছেন, “সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।”

  • রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয়

    রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয়

    রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহার আগে রেলওয়ের খোলা অবস্থান, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা ও রেলস্টেশনের প্রবেশপথে কোরবানির পশুর হাট স্থাপন নিষিদ্ধ। এসব স্থানে হাট বসাতে হলে রেলওয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক হবে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদকে এই নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তায় কোন বিঘ্ন না ঘটে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অভ্যন্তরে যদি পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হলে হাটটি মৈত্রী সংঘ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রেললাইনের খুব কাছাকাছি কোনো স্থানে হাটের অনুমোদন দিলে, ইজারাদারকে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর লক্ষ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বাঁশ বা উপযুক্ত উপকরণ দিয়ে মজবুত বেষ্টনী নির্মাণ করতে হবে।

    বেষ্টনী এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে ট্রেন চলাচল স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে এবং হাটে আসা মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হয়। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে সমন্বয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে, যাতে ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তা নির্বিঘ্নভাবে বজায় থাকে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে নির্বিঘ্ন ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। মন্ত্রণালয় এই সব নির্দেশনা দিয়ে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও রেলসেবা স্বচ্ছন্দ রাখতে চাইছে।

  • ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস

    ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস

    জামালপুরের ইসলামপুরে নবম শ্রেণির একটি স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। একই সাথে মামলার প্রধান আসামি সাদিককে খালাস দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের শীলদহ গ্রামের মো. শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ।

    সংক্ষিপ্তভাবে মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ওই স্কুলছাত্রী ও তার চাচাতো ভাই সাদিকের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাত প্রায় ৯টার দিকে সাদিক ছাত্রীটিকে ডেকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যায় ও তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ওত পেতে থাকা শিপন, ইব্রাহিম ও ইউসুফ তখন যায় এবং সাদিক পালিয়ে যায়। পরে তারা পালাক্রমে ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। সবচেয়ে মারাত্মকভাবে, ঘটনার পর আক্রান্ত কলেজছাত্রী জ্ঞান হারায়; পরে জ্ঞান ফিরলে স্থানীয়রা তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়।

    মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথম দিকে মামলা করা যায়নি; এরপর গ্রামবাসীর সহায়তায় ভুক্তভোগীর বাবা ঘটনার ১৬ দিন পর ইসলামপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

    মামলা দায়েরের تقریباً দুই বছর পর, ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেয়। রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োগযোগ্য আইন অনুযায়ী শাস্তি ও আর্থিক জরিমানা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

  • এনসিপিতে যোগ দিলেন নিজামীর ছেলে, হাজী শরীয়তুল্লাহর উত্তরসূরি ও ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ সদস্যরা

    এনসিপিতে যোগ দিলেন নিজামীর ছেলে, হাজী শরীয়তুল্লাহর উত্তরসূরি ও ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ সদস্যরা

    জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) নতুন করে যোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছোট ছেলে ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান, ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, গাজীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম এ এইচ আরিফ এবং ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ সংগঠনের বহু সদস্য। মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামটর রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁরা এনসিপিতে যোগ দেন।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান বর্তমানে তুরস্কের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি অনলাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন এবং দলীয় আনুষ্ঠানিকতা অনলাইনে সম্পন্ন করেন। आयोजকরা দাবি করেছেন যে ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ সংগঠনের প্রায় চার হাজার সদস্য দলটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যদিও ওই সংখ্যার মধ্যে সবাই উপস্থিত ছিলেন না — সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মাত্র ৫০ জন সদস্য।

    হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি নিজেকে হাজী শরীয়াতুল্লাহর উত্তরসূরি হিসেবে দেখলেন, তবে দলভিত্তিক কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপিতে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করবেন। তিনি বলেন, “হাজী শরীয়াতুল্লাহ কোনো রাজা ছিলেন না; তিনি সাধারণ কৃষক জনগণের নেতা ছিলেন। নেতা আর রাজা হওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে। আমরা কোনো নেতার উপাসনা করি না। আমরা দল করি যাতে যদি কোনো নেতা বিপথগামী হয়, আমরা তাঁকে ভুল থেকে ফিরিয়ে আনতে পারি এবং দলের ভুল সিদ্ধান্তে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে পারি।”

    এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, দেশের পথ হারানো রাজনীতির নেতৃত্ব ধরে নেয়া হবে এনসিপির মাধ্যমে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংসদে প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিচ্ছে বিএনপি এবং এর ফল ভালো হবে না। তিনি অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

    দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জানালেন, স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে সরকার নিজেদের ভাগবাটোয়ারা ও লুটপাটের একটি মাধ্যম বানানোর চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং তা এ বছরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।

    দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং সেটা তারা সংসদে বুক ফুলিয়ে বলছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, যারা জনগণের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নেয়, তাদেরই জনগণ নিকৃষ্ট স্থানে ঠেলে দিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সময়ের মতো প্রশাসক নিয়োগের ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটছে এবং কিছু নেতারা গণতন্ত্রকে কেবল তাদের রাজনৈতিক উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে নতুন যোগদানের অংশগ্রহণকারী নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং দলীয় নেতৃত্ব ভবিষ্যতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানায়।

  • এনসিপি ১০ মে ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর তালিকা

    এনসিপি ১০ মে ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর তালিকা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, তারা আগে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত ও সংগঠনিক কিছু কারণে এ সময়সূচি পিছিয়ে গেছে।

    তিনি জানান, এখন আশা করা হচ্ছে আগামী ১০ মে’র মধ্যে এনসিপি প্রাথমিকভাবে সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করতে পারবে। এই কথা তিনি মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ টাওয়ারে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে নাগরিক, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি যোগদান অনুষ্ঠানে বলেন।

    সারজিস আলম আরও বলেন, এ মাসে সাতটি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে এনসিপি ১১ দলের জোটে রয়েছে এবং বিরোধী ভূমিকা পালন করলেও দলটি এককভাবে সংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে স্থানীয় নির্বাচনে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    তিনি বিএনপির প্রতি কড়া আক্রমণ করে বলেন, বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে টালবাহানা করে তা পিছিয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। একই সঙ্গে, বিএনপির কর্তারা জেলা ও সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ করেছে—এছাড়া উপজেলা পরিষদকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

    সারজিস আলম বলেন, উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিতভাবে কার্যকর চেয়ারম্যান নেই বলে পরিস্থিতি অনিরাপদ হয়ে পড়ছে এবং উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে যে হাতখড়গোড় চলছে, সেটা তাদের জন্য হিতের বিপরীত হচ্ছে। এজন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন এ বছরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত করতে হবে।

  • সোনার দাম কমল: প্রতি ভরি নতুন দাম কত?

    সোনার দাম কমল: প্রতি ভরি নতুন দাম কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কাটা হয়েছে। নতুন দর সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

    বাজুসের নির্ধারিত দামের অনুসারে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৪০,৩৩৭ টাকা। এতে এর আগের (সোমবার, ৪ মে) যে দাম ছিল—২,৪২,৪৯৫ টাকা—তার তুলনায় পতন হয়েছে।

    অন্য কেরাটভিত্তিক দামগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২,২৯,৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ১,৯৬,৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৬০,১৪৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। একই সময়ে রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নির্ধারিত অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫,৪৮২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪,৪৯০ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩,৩৮৩ টাকা প্রতিভরি রয়েছে।

    বিশ্ববাজারে গত কয়েক মাসে মূল্য ওঠানামা করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নিয়ে উত্তেজনার পর আন্তর্জাতিকভাবে সোনার দাম প্রথমে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল, পরে দর সামান্য নামজাদা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে প্রায় ৪,৫০০ ডলার। তুলনামূলক হিসেবে বলা যেতে পারে—আগের দিকে ৩০ জানুয়ারি এমন দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থানীয় দর ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা নজর রাখাই উপযোগী হবে, কারণ বিশ্ববাজারে ওঠা-নামা স্থানীয় দরে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে।

  • বাজুস আবার বাড়ালো সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ২,44,711 টাকা

    বাজুস আবার বাড়ালো সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ২,44,711 টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ভরিতে দাম সর্বোচ্চ ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে—ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হলো ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। গতকাল এ সুস্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন এই মূল্য বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকরি হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এই সমন্বয় আনা হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী অন্যান্য কেরাটের দামগুলো হলো:

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা

    সোবার পাশাপাশি রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। অনুযায়ী রূপার ভরিডে দামগুলো হল:

    – ২২ ক্যারেট রূপা: ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা

    – ২১ ক্যারেট রূপা: ৫ হাজার ৫৪০ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট রূপা: ৪ হাজার ৭২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির রূপা: ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা

    বিশ্ববাজারে চলমান উত্তেজনা—ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষকালীন পরিস্থিতি—সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী রাখছে। আন্তর্জাতিক সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি জানিয়েছে, বর্তমানে আউন্সপ্রতি সোনার দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলার। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারিতে আউন্সপ্রতি দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারিতে তা পৌঁছে গিয়েছিল ৫,৫৫০ ডলারে।

    গত মাসের শেষের দিকেও বিশ্ববাজারে সোনার দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারে স্পষ্ট হয়েছিল। তখন বাজুস এক ধাপে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য এক সময়ে বেড়ে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।