Blog

  • আইজিপি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ সমাজের জন্য পুলিশের আরও পেশাদার ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

    আইজিপি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ সমাজের জন্য পুলিশের আরও পেশাদার ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

    ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের আরও পেশাদার ও ফলপ্রসূভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালেই পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পবিত্র ঈদুল ফিতর-পরবর্তীকালের প্রথম কর্মদিবসে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই আবেদন জানান।

    আইজিপি বিশেষভাবে হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা পুলিশের তৎপরতা ও নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “প্রতিটি ইউনিটের আন্তরিক ও পেশাদারিত্বপূর্ণ দায়িত্বপরায়ণতার ফলে জনরূপে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি যাচ্ছেন এবং উৎসব উদযাপন করতে পেরেছেন।” এই সফল ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নির্দেশ দেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে আইজিপি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত সকল স্তরের কর্মকর্তা, সদস্য ও সিভিল স্টাফের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের উদ্দীপনা ও যোগদানের জন্য অভিনন্দন জানান।

    পুলিশের অতিরিক্ত আইজিরা, ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং হেডকোয়ার্টার্সের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদে মনিরুল হকের মন্তব্য

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদে মনিরুল হকের মন্তব্য

    বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনেই জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সরাসরি মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরও এক সময় মেধাবী একটি শ্রেণি এসেছিল, তারা জাসদ গঠন করেছিল; পরে বাড়াবাড়ি করে দেশের ক্ষতি হয়েছে—দেশ ও জাতিও হারিয়েছে। তিনি আশা করেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছু হজম করার তৌফিক দেয়।’’

    রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জামায়াতকে রাজনীতিতে আনতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘৯১-এর সংসদে আপনারা সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। যখন কেউ প্রবেশ করেছিল, তখন মনে হচ্ছিল—এই দেশে গত ১৫ বা ২০ বছর ধরে বিএনপি ছিল না। কিন্তু দেশনেত্রী নানা বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। আপনারা আজকে রাজনীতিকে যেখানে এসেছেন, তার পেছনে তৎকালীন দেশনেত্রীরও একটি অংশিক অবদান আছে—সেটা একটু স্মরণ করা উচিত।’’

    তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষা নিয়ে ভয় লাগে; আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চেনতাম, কিন্তু আজ যারা বিরোধী দল তাদেরও আমি পুরোপুরি চিনি না। নেতৃবৃন্দ নেতারকথা তুলে ধরে বলেন, তারেক রহমান বলেছিলেন ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেটা তখন অনেকে বুঝেননি, কিন্তু পরে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গিয়ে তা অনুভব করা গেছে।

    মনিরুল হক দাবি করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সেই রাজনৈতিক শক্তিকে—যা এখানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবে তিনি বিরোধিতার প্রয়োজনীয় প্রশ্নও তুলেছেন—আজ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে; মুক্তিযুদ্ধকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনার কথা বলেন তিনি।

    সংক্ষিপ্তভাবে তিনি বলেন, জামায়াতকে নিয়ে মহান সংসদে একটি কথা বলতে চাই—স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতৃত্ব বয়সে যুবক হলেও তাদের সাহসী বলে শ্রদ্ধা করেন; কারণ তা এই যুগের দাবি।

  • কোনো কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কোনো কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুবার ভাইরাল হয়েছে এবং তাঁর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

    বুধবার সকালে এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, কোনো কথায় বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি কারো কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছিল। সবার কাছ থেকে মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন বলেন যে তিনি বিনয়ের সঙ্গে এই পরামর্শগুলো গ্রহন করছেন এবং ভবিষ্যতে আরও শান্তিশীল ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি আবারও বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার চলার শক্তি।’’

    এনসিপির এই নেতা আরও জানান, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন—এমন প্রার্থনা করেছি।’’

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, নতুন নির্দেশনা জারি

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, নতুন নির্দেশনা জারি

    ব্যাংকিংখাতে ক্রেডিট কার্ডের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন খরচ ও অনলাইন লেনদেনে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা তৈরির প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। নতুন গাইডলাইনের লক্ষ্য হচ্ছে সেবার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাতে বিদ্যমান জটিলতা ও ঝুঁকি কমিয়ে গ্রাহক অধিকার নিশ্চিত করা।

    গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, দায়িত্বশীল ঋণপ্রদানকে উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা প্রটোকল, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতিমালা, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও বিরোধ নিষ্পত্তির পূর্ণাঙ্গ নিয়ম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। আগের সর্বোচ্চ সীমা যে ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা ঊর্ধ্বে করে নতুনভাবে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ বা আনসিকিউরড ঋণের সর্বোচ্চ সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    গাইডলাইনে গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে জটিলতা রোধ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ধারা রাখা হয়েছে। ব্যাংক ও কার্ডপ্রোভাইডারদের জন্য আরও কঠোর নজরদারি ও অভ্যন্তরীণ অডিট সংক্রান্ত নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

    আশা করা হচ্ছে এসব পরিবর্তন বোর্ডিং ও ব্যবহারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখবে, গ্রাহক নিরাপত্তা বাড়াবে এবং কার্ডসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ভবিষ্যতে প্রয়োজনে এই গাইডলাইনে আরও সংস্কার আনার কথা বিবেচনা করবে, বলেছে ব্যাংক।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পের তদন্তে নামেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ও ঘটনার পরিধি নির্ধারণ করবে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্র জানায়, প্রধানত বন্দরের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়ম এবং নিয়োগ সংক্রান্ত অবৈধতা নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তলব করে নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ শুরু করেছেন।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শিপিং করপোরেশনের এমডি থাকাকালীন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়—কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেবল ৪টি জাহাজ কেনা হয়। এই লেনদেনে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি শনাক্ত হয়েছে বলে দুদক সন্দেহ করছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের পাঁশুর চ্যানেল সংরক্ষণের জন্য পরিকল্পিত ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। দুদকের অনুসন্ধানকারীরা ওই প্রকল্পের খরচ, চুক্তি ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নথি জমা দিতে বলেছে।

    দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন প্রয়োজন অনুযায়ী আরও আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের ঘটনা ও ফলাফল সম্পর্কে দুদক পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য জানাবে।

  • কলম্বিয়ায় সামরিক সি-১৩০ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬৬

    কলম্বিয়ায় সামরিক সি-১৩০ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬৬

    কলম্বিয়ায় উড্ডয়নের পরপরই একটি সামরিক সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    দুর্ঘটনাটি আমাজন অঞ্চলের পুতুমায়ো প্রদেশের পুয়ের্তো লেগুইজামো পৌরসভায় ঘটেছে—এই এলাকা পেরু ও ইকুয়েডরের সীমান্তের নিকটবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চল। বিমানটিতে ছিল সরকারি তথ্য অনুসারে ১১৪ জন সেনাসদস্য এবং ১১ জন ক্রু।

    সামরিক কমান্ডার কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা রুয়েদা জানিয়েছেন, এ বিপর্যয়ে নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন সেনাসদস্য, ৬ জন বিমানবাহিনীর কর্মী এবং ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন—মোট ৬৬ জন মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেককে উদ্ধার করে কাছে-দূরে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

    স্থানীয় চিত্র ফুটেজে দেখা গেছে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে এবং ট্রাক, মোটরবাইক দিয়ে স্থানীয়রা আহত সেনাদের হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বেঁচে থাকা কোনো ব্যক্তির সন্ধান করছেন।

    বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে রাজধানী বোগোতা ও অন্যান্য হাসপাতালে আহতদের স্থানান্তরের জন্য দুইটি উড়োজাহাজ পাঠানো হয়েছে, যেগুলোতে মোট ৭৪টি শয্যা রাখা আছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পেদ্রো সানচিজ এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, বিমানটি পুয়ের্তো লেগুইজামো থেকে সরে মাত্র ১.৫ কিলোমিটার দূরেই বিধ্বস্ত হয় এবং ভেতরে আগুন ধরে যাওয়ার কারণে গোলোবারুদ বিস্ফোরিত হয়। তবে এখানে কোনো ‘অবৈধ গোষ্ঠীর হামলার’ নির্দেশ মিলেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।

    প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো দুর্ঘটনাকে গভীর বেদনাদায়ক আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এমনটি করা উচিত ছিল না। তিনি এক দীর্ঘ পোস্টে সশস্ত্র বাহিনীর সরঞ্জাম ও বিমানের আধুনিকায়নে প্রদর্শিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেই দায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছে যে আর দেরি সহ্য করা হবে না—তরুণ সৈনীদের জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

    কলম্বিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ সামরিক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত মাসেও প্রতিবেশী বলিভিয়ায় একই মডেলের একটি হারকিউলিস বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার খবর ছিল, যেখানে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছিলেন।

    বর্তমানে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে; দুর্ঘটনার নিখুঁত কারণ জানতে আরও সময় লাগতে পারে। কর্মকর্তারা হতাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুততম সময়ে ঘটনার পূর্ণ স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দেখে দৌড়ে পাললেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট — ভাইরাল ভিডিও

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দেখে দৌড়ে পাললেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট — ভাইরাল ভিডিও

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর পেয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন থেকে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন ইসরায়েলের রাষ্ট্রপ্রধান — এমন একটি ভিডিও জনসাধারণের মধ্যে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও অন্য কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৩ মার্চ) উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে সাংবাদিকদের সামনে ভাষণ শেষ করেই আচমকা কাছাকাছি কোনো এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত নোটিশ ধরা পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগ সঙ্গে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের কথায়-বার্তার মধ্যেই দ্রুত দৌড়ে আশ্রয়ে চলে যান এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

    কিছু প্রতিবেদন দাবি করেছে যে ত্রুটিপূর্ণ বা প্রতিরোধমূলক হিসেবে তেহরান ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে এবং এ সংঘর্ষের পটভূমি নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের উপর ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে হার্জগ আরও বলেন, ইসরায়েল গত বছর যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল তা ফের ফিরে যাওয়ার মতো নয় এবং তারা লেবাননের ভেতরে ‘কৌশলগত’ অবস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে—এমন মন্তব্যও তিনি করেন।

    এর আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু সংক্রান্ত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তাকে জনসম্মুখে কম দেখা যাওয়ার কথাও সংবাদে উঠেছিল। তেহরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে কিরিয়াত শমোনা থেকে ফিরে এসে হার্জগ ভাষণ শোনাচ্ছিলেন, সেইক্ষণের ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    এই ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্পূর্ণ বিবরণ, সূত্র ও ঘটনার সময়কার নির্দিষ্ট ক্ষতি-ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

  • কালীগঞ্জে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট: বোতলজাত তেল খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    কালীগঞ্জে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট: বোতলজাত তেল খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করে অনিয়ম চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ নেই বলে সাধারণ গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে এলাকায় তেলের সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে ও গ্রামাঞ্চলের অবৈধ দোকান থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

    অভিযোগ আছে যে কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাইরে ড্রামে রেখে পরে সেটি বোতলজাত করে প্রতি লিটার পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহনে ব্যয়ও বাড়ছে।

    এক ঢাকাগামী মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পে তেল নেই বলা হলেও রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করে। এটা দেখে স্পষ্ট যে কোনো না কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বেশি মুনাফার আশায় এই পরিস্থিতি তৈরি করছে।’’

    পাম্প মালিকরা ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকায় সমস্যাটি শুরুর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সুদৃঢ় কোনো জাতীয় বা স্থানীয় তেল সংকট নেই; বরং কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে কালোবাজারি চলছে বলে তারা দাবি করছেন।

    প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের কারণে পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অল্প পরিমাণ তেল পেলে তৎক্ষণাৎ মেশিন বিকল বা তেল শেষ হয়ে গেছে বলে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে—এই ধরনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে অনেক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

    অতিরিক্ত দামে তেল কিনে পরিবহন চালকরা ভাড়া বাড়াচ্ছেন, যা যাত্রীদের ওপর আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে জনভোগান্তি তীব্র করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন এ পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ সংবাদকারীদের বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ তবুও স্থানীয়রা আশা করছেন যে কেবল কথায় নয়, বাস্তবে দ্রুত তল্লাশি ও অভিযান করে এই সংকট নিরসন করা হবে।

  • ঈদ ছুটির পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু

    ঈদ ছুটির পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু

    পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে সাত দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

    বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার থেকে পুনরায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দুদেশের বন্দর এলাকায় যানজট দেখা দিয়েছে; পেট্রাপোল বন্দরেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, গত সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চনা হয়েছে।

    বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা বলেন, যদিও বন্দর দিয়ে ব্যবসায়িক রপ্তানি-আমদানি বন্ধ ছিল, তবুও ছুটির সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিকভাবে চলছিল। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় যাত্রী চাপ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তিনি যোগ করেন যে যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ না হয় সেজন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

    বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেনও নিশ্চিত করেছেন যে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিন বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল এবং মঙ্গলবার সকাল থেকেই কার্যক্রম আবারো শুরু হয়েছে।

    আদৌ বন্দর এলাকায় যানজট ও পণ্য জট পড়ে থাকা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, এবং ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করলে তাতে অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

  • পিএসএলেও যুদ্ধের ছোঁয়া, মুস্তাফিজদের ম্যাচ ভেন্যু বদল

    পিএসএলেও যুদ্ধের ছোঁয়া, মুস্তাফিজদের ম্যাচ ভেন্যু বদল

    মোস্তাফিজুর রহমানসহ বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটার এবারের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে যাচ্ছেন। তবে টুর্নামেন্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে—আন্তর্জাতিক সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ভেন্যু, দর্শক উপস্থিতি এবং উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আদতে ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত ৩৯ দিনে ৪৪ ম্যাচ নির্ধারিত ছিল, এবং পাকিস্তানের ছয়টি ভেন্যুতে খেলাগুলো আয়োজন করার কথা ছিল—করাচি, লাহোর, মুলতান, পেশোয়ার, ফয়সালাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডি। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা-অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়ায় টুর্নামেন্টের পরিধি সংকুচিত করে কেবল লাহোর ও করাচিতে ম্যাচ আয়োজন করার ঘোষণা করা হয়েছে।

    টিকে রাখা হয়েছে টুর্নামেন্টের সময়সূচি, তবে সব ম্যাচ লাহোর ও করাচিতে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হবে। উদ্বোধনী জমকালো অনুষ্ঠানও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। পিএসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি বলেন, এত বড় সংখ্যক দর্শকের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন; তাই চলমান পরিস্থিতি স্থায়ী না হওয়া পর্যন্ত স্টেডিয়ামে দর্শক রাখা হবে না—কঠিন হলেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন করে সাজানো সূচি অনুযায়ী ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ১৪ ম্যাচ লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পরবর্তী ১৫ ম্যাচ করাচিতে হবে। ২১ এপ্রিল থেকে টুর্নামেন্ট আবার লাহোরে ফিরে আসবে। কোয়ালিফায়ার রাউন্ড রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে করাচি ও লাহোরে, এবং ২৮ এপ্রিল এসব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ মে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে।

    প্রথম ম্যাচও নির্ধারিত রয়েছে—২৬ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে লাহোর কালান্দার্স এবং হায়দরাবাদ কিংসমেনের মধ্যে ম্যাচে মুস্তাফিজ খেলতে নামবেন।

    বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে চিত্রও পরিষ্কার: মুস্তাফিজুর রহমান ছাড়াও মোট ছয়জন বাংলাদেশি এই আসরে অংশ নিচ্ছেন। বাকি চারজনের মধ্যে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং তানজিদ হাসান তামিম পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলবেন। তাদের প্রথম ম্যাচ ২৮ মার্চ রাওয়ালপিন্ডির (পিন্ডিজ) বিরুদ্ধে রয়েছে।

    সংক্ষেপে, পিএসএল আগামী মাসে শুরু হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু গত বছরের পরিকল্পিত বহুভেন্যু, হাজার হাজার দর্শক এবং জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনের বদলে এবার নিরাপত্তা ও লজিস্টিক প্রয়োজনে সবকিছুই দুটো প্রধান শহরে কেন্দ্রভিত্তিকভাবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। দর্শক না থাকলেও আলোচনায় থাকবে খেলাধুলার প্রতিদ্বন্দ্বিতা—আর বাংলাদেশি ক্রিকেটরাও সেই মঞ্চে নিজেদের প্রতিভা দেখাবেন।