Blog

  • অস্ত্রের বাজারে প্রবেশের পথে জাপান, চীনের উদ্বেগ বেড়ে যায়

    অস্ত্রের বাজারে প্রবেশের পথে জাপান, চীনের উদ্বেগ বেড়ে যায়

    জাপান কয়েক দশকের পুরনো অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে, যা তাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী অস্ত্রের বাজারে প্রবেশ করা। মঙ্গলবার জাপানের সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো। এই নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি নিজেদের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা জোরদার করতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছে। এশিয়া অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ক্ষমতা, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা হুমকি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে টোকিও এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে বেইজিং দ্রুতেই কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে।

    প্রথমে, সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তিনি মনে করেন, এখন আর কোনো দেশ একা শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারছে না। এ কারণে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। তিনি বললেন, শান্তিপূর্ণ জাতি হিসেবে জাপানের মূলনীতি এবং ইতিহাসে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

    তবে, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এটি একটি ‘বেপরোয়া সামরিকীকরণ’ উদ্যোগ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, এই পরিবর্তন বেইজিংকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে এবং তারা জাপানের এই নতুন সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    অস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা: জাপান ১৯৭৬ সালে অস্ত্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর পর থেকে দেশটি মূলত অনুসন্ধান ও উদ্ধার, সতর্ক সংকেত, নজরদারি, মাইন অপসারণ এবং পরিবহন সংক্রান্ত সরঞ্জাম রপ্তানি করত। তবে, সদ্য সংশোধিত নিয়মে বলা হয়েছে এখন থেকে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম স্থানান্তর সম্ভব হবে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাপান শুধু সেই সব দেশে অস্ত্র রপ্তানি করবে যেগুলো জাতিসংঘের উচ্চমানের সনদ মেনে সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেবে। তবে, এই পরিবর্তন দেশটির নাগরিকদের মধ্যে কিছু অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকের মার্চ মাসের জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের ৫৩ শতাংশ এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে, যেখানে ৩২ শতাংশ সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। শান্তি কর্মীরা সারাদেশে মিছিল-মিটিং করেছেন, তাদের আশঙ্কা গভীর, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তাকাইচির প্রকাশ্য সমর্থন জাপানকে বিভিন্ন সংঘাতে জড়িয়ে ফেলতে পারে।

    প্রবীণ অধিকারকর্মী কোজি সুগিহারা এএফপিকে বলেন, জাপানের শান্তিপূর্ণ ভাবমূর্তি দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তি হিসাবে কাজ করেছে। এখন এই পরিবর্তন একটি ঐতিহাসিক মোড়, যা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিচিতির জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, এখানে কেউ চায় না যে, জাপানে তৈরি অস্ত্রগুলো মানুষ হত্যার কাজে ব্যবহৃত হোক।

  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ালেন ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ালেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আবারও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, কূটনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখবে। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখতে নির্দেশ দেন এবং উল্লেখ করেন, ইরান প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে। এই ঘোষণা এর কয়েক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ট্রাম্প ছিলেন এর বিপক্ষে, যেখানে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, তবে হঠাৎ করে এই অবস্থান পরিবর্তন নানাবিধ আলোচনার জন্ম দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। অন্যদিকে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের অবস্থান পরে সম্মতিপূর্ণভাবে জানানো হবে। খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, এই সিদ্ধান্তের পরই উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে, যেখানে ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনী অবরোধ চালাতে থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই অবরোধকে যুদ্ধকালীন পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়ে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন চালু রাখতে ও আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন সীমিত করতে চাচ্ছে, কিন্তু তেহরান তাদের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অধিকার থেকে সরে আসতে নারাজ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো মূলত কূটনৈতিক চাপ সামাল দেওয়ার একটি কৌশল। স্টিমসন সেন্টারের বিশ্লেষক বারবারা স্লাভিন বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যাশামতো এগোচ্ছে না; ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবনা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন হতে পারে। সব মিলিয়ে, যদিও যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য কৌশলগত ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে যাওয়ায় পুরোপুরি পরিস্থিতির সমাধান আসেনি। এখন নজর রয়েছে সম্ভাব্য আলোচনায় যেখানে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।

  • ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ট্রাম্প!

    ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ট্রাম্প!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এক দাবি উঠেছে, যেখানে বলা হয়েছে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক কোড ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এই খবর অনুসারে, সিআইএ বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের এক পডকাস্টে উল্লেখ করা হয়, হোয়াইট হাউসের এক জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য সংকেত দেন, কিন্তু তখন জেনারেল ড্যান কেইন, যা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, তৎক্ষণাৎ তার এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। এই পরিস্থিতিকে জনসন ‘বড় ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ওই বৈঠকের এক পর্যায়ে ট্রাম্প পারমাণবিক কোড সক্রিয় করার প্রস্তুতি নেন, কিন্তু জেনারেল কেইন সরাসরি ‘না’ বলে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেন এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে অনেক বিশ্লেষক সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ, মার্কিন আইনে প্রেসিডেন্টের একার পক্ষে সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়; এ জন্য ক্যাপ্টেন, সেনাপতি বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সম্মতি জরুরি। অন্যদিকে, সিএনএনের খবর অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে জেনারেল কেইনসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, এবং তার উপস্থিতি বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে যে, তিনি দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ও কেইনের মধ্যে ইরান সম্পর্কিত মতবিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কেইন মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘সহজেই জেতা সম্ভব’, তবে বাস্তবে মিত্রদের তথ্য বলছে, কেইনের পরামর্শ ছিল ভিন্ন। এছাড়াও, অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে আটকে পড়া মার্কিন বিমানসেনাদের উদ্ধার অভিযানের সময় ট্রাম্পকে ‘সিচুয়েশন রুম’ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, কারণ তিনি অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন এবং সহকারীদের ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিৎকার করছিলেন। এসব পরিস্থিতিতে, ট্রাম্পের পারমাণবিক হামলার স্পষ্ট কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তবে তার সাম্প্রতিক কট্টর রণনীতি এবং সামরিক নেতৃত্বের অবস্থানের মধ্যে থাকা বিস্তৃত ভিন্নতা এই দাবি আরও উসকে দিয়েছে।

  • পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির জন্য ইসরায়েল যৌন নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে

    পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির জন্য ইসরায়েল যৌন নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে

    অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও হয়রানি ব্যবহার করে বাস্তুচ্যুতির চাল চালানোর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, যেখানে আহত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দা, নারী, যুবক ও কমিউনিটি নেতাদের মত মানুষরা অংশ নিয়েছেন। তবে এই গবেষণার ফলাফল পুরো পশ্চিম তীরের জনসংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং দক্ষ শ্রমিক নেতা শফিকুল আলম নতুন আলোর মুখ দেখেছেন। তিনি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রৈমাসিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও কার্যকরী নির্বাহী পরিষদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ এপ্রিল ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে দেশের শীর্ষ শ্রমিক সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট আতিকুর রহমান, এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লস্কর মোঃ তসলিম।

    শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা অঞ্চলের শ্রমিক নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের পর শ্রমিক নেতারা বার্তা পাঠিয়ে শফিকুল আলমের এই অর্জনকে স্বাগত জানান এবং তাকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, এই পদে থাকার মধ্য দিয়ে তিনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবেন।

    অতিরিক্ত হিসাবে, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার শ্রমিক নেতারা এবং সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা শফিকুল আলমের এই সফলতাকে সম্মাননা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই নতুন তিনি শ্রমিকের স্বার্থে আরও বেশি কাজ করবেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবেন।

  • দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে শ্যামল গাইন (৩০) নামের এক যুবককে পুলিশ আটক করেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার, উত্তেজিত জনতা ওই যুবককে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশে সোপর্দ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শ্যামল গাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে অবমাননাকর মন্তব্য করার কারণে ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকার মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেন। এরপর জনতা উত্তেজিত হয়ে তাকে আটক করে এবং গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে দিঘলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, অভিযুক্তকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা করে। জানা গেছে, শ্যামল গাইন প্রায় পাঁচ বছর ধরে তার পরিবারসহ দিঘলিয়া উপজেলার একটি বন্ধপ্রেস জুট মিলের কোয়ার্টারে ভাড়া বাসায় রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত যুবক বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে প্রশাসন। কোনও অপ্রয়োজনীয় ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার। অন্যদিকে, সমস্ত ধর্মভিন্ন দলগুলো বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উপজেলা চৌরাস্তায় প্রতিবাদ সভা ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে, যেখানে সকলের উপস্থিতি মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য ইমানী দায়িত্ব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

    সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

    সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর অন্যতম সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোলা (৩৫) কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্টগার্ড আটক করেছে। মঙ্গলবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সব দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে আসছে। এই অভিযানগুলি বাস্তবায়ন হচ্ছে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ উদ্যোগের আওতায়। এরই ধারাবাহিকতায়, তৃতীয় দফায় ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনার সময় একাধিক দুষ্কৃতিকারীকে ধরে পেছনে ফেলে দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই অভিযানে, সুন্দরবনের কুখ্যাত সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোলাকে বাগেরহাটের রামপাল থানাধীনের শুকদারা বাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতে যাওয়ার পরিকল্পনায় অবস্থানকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মোংলা বেস থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, এক এয়ার গান ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মো. আব্দুস সামাদ মোল্লা বাগেরহাটের রামপাল থানার বাসিন্দা ও দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ডাকাতি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

  • বর্ধিত সময় শেষ: বেনাপোল বন্দরে ১২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি সম্পন্ন

    বর্ধিত সময় শেষ: বেনাপোল বন্দরে ১২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি সম্পন্ন

    চাল আমদানির জন্য সম্প্রতি সরকার কর্তৃক ঘোষণা করা বর্ধিত সময়সীমা শেষ হয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় মালবাহী স্থলবন্দর বেনাপোলের মাধ্যমে এই সময়ে মাত্র তিনদিনের মধ্যে ছয়টি চালানে প্রায় ১২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা এসব চালানের খালাস কার্যক্রম ইতোমধ্যেই বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে।

    গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪০ দিন মেয়াদে চলাকালে, মাত্র তিন কার্যদিবসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে এই চালগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হল মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ ও লাইবা ওভারসিস। চালগুলো বন্দর থেকে ছাড়ানোর জন্য কাজ করছে মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চালের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণে ও আমদানির পরিমাণ কম থাকার ফলে সরকার নতুন করে চাল আমদানি সময় বাড়িয়েছে। এই জন্য ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ ৪০ দিন বৃদ্ধি করা হয়। তবে এ সময়ের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ৬টি চালানে এই পরিমাণ চাল আমদানি সম্ভব হয়। এর আগে জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে মোট ৫,৫০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়। ওই সময় সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুটি লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করার অনুমতি দেয়, যার মেয়াদ ছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।

    চাল আমদানির এই সকল কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যেও, গতকাল সোমবার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এখনো নতুন কোনো সময়সীমা বৃদ্ধি বা নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

    জানানআদর্শিকভাবে, নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, বর্ধিত এই ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ভারত থেকে আনা হয়েছে ৩৪ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ১২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল। তিনি বলেন, চালের প্রতি কেজি খরচ বাবদ বন্দরের মাধ্যমে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। এর বাজারমূল্য কেজিতে বিক্রি হবে প্রায় ৫১ টাকা।

    শামীম হোসেন আরও জানান, বেনাপোল বন্দরের মাধ্যমে ৪০ দিনের সময়কালে দুইজন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই চাল আমদানি করেছেন। চালের অর্ডারগুলো ইতোমধ্যেই বন্দরে খালাস নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চালের বাণিজ্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগামী দিনেও কি ধরনের ব্যবস্থা নেবে, তা দেখার বিষয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী নির্বাচন ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে

    খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী নির্বাচন ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে

    খুলনা প্রেসক্লাবের আগামীবার্ষিক নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেকটাই কম হলেও, মোট ২৭ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন ১৫টি পদে নির্বাচনে। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ এপ্রিলে। বিশেষ বিষয় হলো, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক খুলনা গেজেটের চিফ রিপোর্টার মোहাম্মদ মিলন।

    নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, প্রধান সর্বোচ্চ পদে যেমন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সম্পাদক, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক, নির্বাহী সদস্যসহ অন্যান্য পদে বিভিন্ন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, সভাপতি পদে লড়ছেন মোস্তফা সরোয়ার, মোহাম্মদ আবু তৈয়ব এবং মোঃ মিজানুর রহমান মিল্টন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শেখ কামরুল ইসলাম, মোঃ তরিকুল ইসলাম ও মোঃ হেদায়েত হোসেন মৌলভী।

    কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এম এ হাসান ও বিমল সাহা। তিনজন সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন: মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, আতিয়ার পারভেজ ও কাজী শামীম আহমেদ।

    যুগ্ম-সম্পাদক পদে লড়ছেন শেখ মাহমুদ হাসান ও মোঃ বেল্লাল হোসেন সজল। পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বশির হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম ও মোঃ রবিউল গাজী (উজ্জ্বল)।

    এছাড়াও, ছয়জন নির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থী রয়েছেন: শেখ লিয়াকত হোসেন, সোহেল মাহমুদ, মহেন্দ্রনাথ সেন, মোঃ মেহেদী মাসুদ খান, রাজু আহমেদ, কাজী মোতাহার রহমান, মোঃ আনিস উল্লাহদ্দিন, মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) এবং কে এম জিয়াউস সাদাত।

    নির্বাচনের চূড়ান্ত তালিকা, যা প্রকাশিত হয় সোমবার (২০ এপ্রিলে) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ও নির্বাচনের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুল ইসলাম, সদস্য মোঃ মেহেদী হাসান ও খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত। নির্বাচনী এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

  • এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণে নতুন উদ্যোগ

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণে নতুন উদ্যোগ

    দেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংক এক এখনো নতুন যুগের সূচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে কুটির, Micro, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) সেক্টরের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হবে। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’ এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকার আওতায় এই সুবিধা চালু হচ্ছে, যা দ্বারা তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সেট করা হয়েছে। রাজধানীর একটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, যিনি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    চুক্তির অধীনে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের জন্য বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে স্বল্পমূল্যের ঋণ প্রদান করবে। এই ঋণ সুবিধা সহজলভ্য ও বিনামূল্যে ডিজাইন করা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির ধরন অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় উপকরণে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া সম্ভব। আর্থিক চাপ কমাতে এই কর্মসূচিতে ঋণের পরিশোধের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে সর্বোচ্চ চার বছর, যার মধ্যে ছয় মাসের গ্রীস পিরিয়ডও রয়েছে। ফলে উদ্যোক্তারা ব্যবসার সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।

    এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তহবিলের কিছু অংশ নারী উদ্যোক্তা, নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টার ও আইটি খাতের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি-প্রতিস্থাপন পণ্য উৎপাদনকারী, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিপ্রাপ্ত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া, ১০ লাখ টাকার নিচে ঋণের ক্ষেত্রে কোন জামানত বা স্থাবর সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা নেই, ফলে যারা পর্যাপ্ত সম্পদ রাখতে পারেন না, তারা নিজেদের ব্যবসা দ্রুত সম্প্রসারণে এগিয়ে আসতে পারবেন।

    উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতারা এই তহবিলের প্রভাব নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়া, এই কর্মসূচি কেবল ঋণ প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত, টেকসই শিল্পায়ন ও বিদেশ ফেরত কর্মিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতেও সহায়তা করবে। প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।