Blog

  • বালিকা বিভাগে আদাঘাট, বালক বিভাগে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    বালিকা বিভাগে আদাঘাট, বালক বিভাগে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    রামপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ সমাপ্ত হয়েছে। বুধবার উপজেলা মাঠে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুর রহমান। টুর্নামেন্টের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রামপাল সরকারি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। খেলা পরিচালনা করেন গোলাম আক্তার বাচ্চু, নাহিদুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম।

    ফাইনালে বালিকা বিভাগে বড়কাটাখালী সপ্রাবি ও আদাঘাট সপ্রাবি একাদশের মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াই টাইব্রেকারে সর্বশেষ আদাঘাট সপ্রাবি বালিকা একাদশকে চ্যাম্পিয়ন করে। অপর ফাইনালে কুমলাই সপ্রাবি বালক একাদশ ২-০ গোলে গিলাতলা সপ্রাবি বালক একাদশকে হারিয়ে বালক বিভাগে শিরোপা জিতেছে।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যৌথভাবে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দেরকে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি মিজ তামান্না ফেরদৌসি। এতে প্রশাসন, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    টুর্নামেন্টটি স্থানীয় ফুটবলারদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছে এবং ক্রীড়াবিকাশ ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

  • জুম করে ছবি তোলায় পাপারাজ্জিদের সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    জুম করে ছবি তোলায় পাপারাজ্জিদের সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    তরুণ-প্রবীণ—সবাইই তাদের প্রিয় তারকার ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল নিয়ে আগ্রহী। সেই আগ্রহের ফলসে বিনোদন জগতের আলোকচিত্রীরা—পাপারাজ্জিরা—প্রায়শই সেলিব্রিটিদের আধার হয়ে বেড়ে ওঠেন। তবে সম্প্রতি পেছন থেকেই জুম করে ছবি তোলার আচরণ নিয়ে তীব্র রেগে যান বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

    ঘটনাটি ঘটেছে রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন ৫’-এর শুটিং সেটে, যেখানে কারিশমা বিচারক হিসেবে অংশ নেন। তার সঙ্গে জুড়েছেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফর। শুটিং হলে আগমনের সময় সবাই আলোকচিত্রীদের সামনে pose দেন, তখনই কারিশমা ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশে খোলাখুলি সতর্ক করে বলেন— বেশি জুম করবেন না।

    তিনি পোজ দেওয়ার জায়গা থেকে সরে গিয়ে সরাসরি জানিয়ে দেন, ‘‘বেশি জুম করবেন না। আপনাদের মধ্যে অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।’’ এ সময় তার ভঙ্গি ও কণ্ঠেই রাগ ও বিরক্তির ছাপ ছিল; তিনি এমন মনোভাবকে ‘অসুস্থ’ বলে মন্তব্য করেন। এই পুরো ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়।

    অনেকে কারিশমার এই সতর্কতাকে সমর্থন করেছেন। সামাজিক ও ভার্সটাইল কনটেন্ট নির্মাণের নামে ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তার কড়া বার্তাকে প্রশংসা করা হয়। এর আগে কিছুদিনে একটি অনুষ্ঠানে সিড ও কিয়ারা একসঙ্গে পোজ দিয়েছিলেন; তখন পাপারাজ্জিরা ভিডিও থেকে সিডকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করে ক্যামেরায় তুলে দেন, যে ভিডিও তোলপাড় তৈরি করেছিল।

    দীর্ঘকাল ভারতীয় চলচ্চিত্রে সক্রিয় থাকার পরও কারিশমা এবার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সচেতনতা বাড়াতে এগিয়ে এসেছেন। বহু অনুরাগী ও নেটিজেন তার এ পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছেন এবং পাপারাজ্জি সংস্কৃতি সম্পর্কে জোরালো কথাবার্তা শুরু হয়েছে। সূত্র: এই সময় অনলাইন।

  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) নবাবগঞ্জ থানার এসআই রাজিবুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, “আমিনুর শাহকে আজ (বুধবার) আদালতে তোলা হয়েছে।”

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ অনুসারে গত রোববার (২৬ এপ্রিল) আমিনুর শাহ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ধর্মীয়ভাবে বেধক মন্তব্যসহ পোস্ট করেন। সেই পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে সাধারণ জনমানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

    পোস্টের পরদিন সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করলে আপত্তিকর বিষয়টি উপলব্ধি করে আমিনুর শাহ প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তবুও মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসীরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জানালে পুলিশ তাকে আটক করে।

    দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে আমিনুর শাহের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া গ্রামের স্থানীয় গ্রাম-পুলিশ মো. আলাউদ্দিন।

    স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, আমিনুর শাহ মহিষদিয়া গ্রামের চান মিয়া বয়াতির ছেলে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আরও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় রীতি মেনে চলাকে প্রশংসা করলেন

    ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় রীতি মেনে চলাকে প্রশংসা করলেন

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যাহ্ন বিরতির পর বিকেলের অধিবেশন শুরু হওয়ার সময় আইনমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন। ঘটনাটি নজরে আসলে প্রধানমন্ত্রী নিজের নির্দিষ্ট আসনে না বসে দুই সারি পেছনে বসে থাকেন এবং আইনমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হলে আবার নিজ আসনে ফিরে যান।

    সংদীয় রীতি অনুযায়ী কোনো সদস্য যখন ফ্লোরে বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন তার সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা তার সামনে দিয়ে আসা-যাওয়া করা অভিহিত নয়। প্রধানমন্ত্রী এই রীতি মেনে চললেন, যা পরিপাটি সংসদীয় শৃঙ্খলার একটা উদাহরণ হিসেবে ধরা হলো।

    ঘটনাটি সামনে আনা হলে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সদস্যদের উদ্দেশ্য করে এটিকে শিক্ষণীয় ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন যে মহান জাতীয় সংসদে সর্বদা শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং মাননীয় সংসদ নেতার এই ডিসিপ্লিন অন্যদের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, আসুন আমরা এই আচরণ থেকে শিক্ষা নেব।

  • সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রস্তাব; বিরোধী দল বলল—আলোচনার পর জানাবো

    সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রস্তাব; বিরোধী দল বলল—আলোচনার পর জানাবো

    জুলাইয়ে জাতীয় সনদকে সামনে রেখে সংবিধান সংশোধনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার।

    ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারপক্ষ জানায় তারা ইতোমধ্যে ট্রেজারি বেঞ্চের ১২ জন সদস্যের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং বিরোধী পক্ষ থেকে আরও পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে, যাতে মোট ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা যায়।

    আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংসদে বলেন, দেশে সাংবিধানিক চর্চা যতটা বিস্তৃতভাবে চলে, ততটাই এখানেও সেই চর্চা প্রয়োগ করতে চান তারা। বিধি ২৬৬ অনুসারে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠনের অনুকূলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই কাজকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে আগামীকালই কমিটি গঠন করা হলে সুবিধা হবে।

    আইনমন্ত্রী বলেন, ট্রেজারি বেঞ্চের প্রস্তুত ১২ সদস্যের তালিকায় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি এবং কিছু স্বতন্ত্র সদস্যের নাম রাখা হয়েছে। তিনি জানান, ওই ১২ জনের মধ্যে বিএনপির সাতজন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্রদের থেকে পাঁচজন সদস্য রয়েছেন।

    বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্বের প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, গণনার ভিত্তিতে বিরোধী অংশীদারদের অংশীদারিত্ব প্রায় ২৬ শতাংশ আসে, তাই তাদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে। তিনি অনুরোধ করেন, যদি বিরোধী দল কাল থেকে তাদের পাঁচজনের নাম জানায় তাহলে কমিটি দ্রুত গঠন করে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কার্যক্রম এগোনো যাবে।

    তবে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান জানান, এই বিষয়ে তাদের ধারণাগত কিছু পার্থক্য আছে, তাই এখনই চূড়ান্ত নাম বা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন তারা এ বিষয়টি দলীয়ভাবে আলোচনা করে পরে জানান দিতে চান।

  • জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটেছে

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটেছে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের পথ বেছে নিয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াত আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ডা. শফিকুর বলেন, একসময় বিএনপি ও জামায়াত একযোগে নির্যাতিত ছিল; কিন্তু এখন বিএনপি সেই ভুল পথ ধরেছে এবং গতিপথ বদলে এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী নীতিকে সমর্থন করছে। তিনি সতর্ক করে জানান, তারা একইভাবে জনগণের ওপর দমনকারীর ভূমিকা নিতে শুরু করেছে যেটা একসময়ের আওয়ামী লীগের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল।

    তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যে কুক্ষিগত সময়গুলোতে লাঠিযুদ্ধ করে সমাজে ঘাসফুলের মতো কর্তৃত্ব গড়ে তুলেছিল, আজ সেই সময়গুলোতে তাদের পক্ষে দাঁড়ানো কেউ নেই — কিন্তু বিএনপি সেই একই কৌশল প্রয়োগ করছে।

    বক্তব্যে তিনি দেশের মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সুশাসন, প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি অহরহ বিরোধিতা করছে — যা দেশের জন্য প্রতারণার শামিল, মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

    ডা. শফিকুর বলেন, বিএনপি তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা ৩১ দফা কর্মসূচির বিরোধিতা করছে; এমনকি কিছু বিষয়ে তাদের বোধ ও নীতিগত জ্ঞান পর্যন্ত লোপ পেয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

    তিনি স্বাধীনতার জন্য যে আত্মত্যাগগুলো হয়েছিল সেই আত্মত্যাগকেন্দ্রিক স্মৃতিকে ভুলে যাওয়ার নিন্দা জানান। ‘জুলাই’ আন্দোলনের নাম টেনে তিনি বলেন, যদি সেই জীবনবল-নৈকট্য না থাকত, আজকার ক্ষমতাভোগীরা টিকে থাকতে পারত না। শহীদ পরিবার, আহত ও প্রতিবাদী নাগরিকদের ত্যাগকে ছোট করে দেখার বিরুদ্ধে তিনি কড়া ভাষায় বলেন — তাদের সম্মান করতে শেখো, তাদের তুচ্ছ করা যাবে না।

    ডা. শফিকুর একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিকথাও শেয়ার করেন; তিনি বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, দেশে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছেন—এ জন্যও সেই বিপ্লব দায়ী। জেলখানায় তাঁর সহকর্মী আল্লামা মামুনুল হক বলেছিলেন, কিছু নেতারা তখন মনে করতেন ৪১-এর আগে বর্তমান শাসনকে সরানো সম্ভব নয়; কিন্তু পরবর্তীতে ঘটনাবলী পরিবর্তিত হয়, যা ঈশ্বরের দান বলে অভিহিত করা হয়েছিল। এখন সেই দানকে ভুলে একজন আলাদা ‘মাস্টারমাইন্ড’ দাবি করাকে তিনি ভুয়া বলে আখ্যা দেন।

    জামায়াত আমির সংসদে সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির সংঘাতের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার শপথ নিয়েছিল কিন্তু প্রতিশ্রুতি রেখা ভঙ্গ করেছে; এরপর যেখানে আলোচনার দরকার ছিল আমরা নোটিশ দিয়েছি, কিন্তু তাদের বিরোধী মনোভাবই দেখেছি। কিছু আইন ও অধ্যাদেশ সংশোধন না হলে দেশ থেকে স্বৈরাচার দমন নীতি কেটে যাবে না বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি সাম্প্রতিককালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কিছু গোষ্ঠী থানা পর্যন্ত ঢুকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা করেছে; এগুলো হচ্ছে ফ্যাসিবাদের নমুনা। তিনি জানালেন, যে দিন কেউ গণভোটের রায় অস্বীকার করে, সেই দিন থেকেই বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা শুরু করেছে।

    শেষে ডা. শফিকুর বলেন, তারা এমন একটি বাংলাদেশ চান না যেখানে মানুষ নিরাপদে বাইরে বের হতে না পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দা-কড়াল নয়, খাতা-কলম দেখতে চান তিনি। যদি এই ক্ষমতাবান সংস্কৃতি ঠেকানো না হয়, জুলাইয়ের আন্দোলন বারবার ফিরে আসবে এবং একদিন ফ্যাসিবাদের কবর রচনাই ঘটবে—এটাই তার দাবি। তিনি জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং চলমান গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে সবাইকে আহ্বান জানান, নচেৎ লড়াই সংসদে ও খোলা ময়দানে অব্যহত থাকবে।

  • নাহিদ: ‘সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি তরুণদের সমর্থন দেবে’

    নাহিদ: ‘সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি তরুণদের সমর্থন দেবে’

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তরুণদের শক্তির জয়ের মাধ্যমে এনসিপি সংহত ভূমিকা নিতে পারবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। এনসিপি আপনাদের সমর্থন জানাবে।”

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে নাহিদ এসব কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল (ফ্লোরা), কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন।

    বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীনরা গণভোটকে অপমান করেছে এবং নির্বাচনকে সাধারণ ক্ষমতার বদলের উৎসবে পরিণত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সংবিধান ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো একে একে বাতিলের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আঘাত দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যাংক লুটেরাদের জন্য সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় আছেনে রূপান্তর করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশিশক্তি ও ক্ষমতার রাজনীতি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’’

    নাহিদ সতর্ক করে বলেন, যদি ফ্যাসিবাদ বা নতুন-পুরনো কোনো স্বৈরতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়, জনগণ পুনরায় সংগঠিত হয়ে উঠবে এবং এনসিপির ছায়াতলেই ঐক্যবদ্ধ হবে। তিনি দাবি করেন, দেশের নানা প্রান্ত থেকে দলের কর্মসূচিতে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

    দলীয় কার্যক্রম প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ‘‘এনসিপি সারাদেশে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি সপ্তাহেই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। আমরা রাজনীতিসচেতন মানুষ এবং তরুণদের আহ্বান জানাচ্ছি—সবার দায়িত্ব আছে; এই দেশকে আর বিপথে যেতে দেওয়া যাবে না। যারা রাজনীতি করতে চান, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, তারা ঐক্যবদ্ধ হোন। এনসিপি আপনাদের ধারণ করে সামনের দিকে এগোতে চায়।’’

    বর্তমান সরকারের কর্মদক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করে নাহিদ বলেন, ‘‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত, দেশের গণতন্ত্র সংকটাপন্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা যাচ্ছে। সেই অবস্থায় ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া আমাদের কোনো পথ নেই। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি, ইনশাআল্লাহ।’’

    যোগদানের অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম ও দলীয় শীর্ষ নেতারা নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। ফেরসামিন বিদেশে থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে যোগদানের মাধ্যমে বিএনপির নিষ্কাশিত নেতা ইসহাক সরকারসহ কয়েক জন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।

  • সিঙ্গার-বেকো’র ঈদুল আযহা ‘ভরপুর সলিউশন’—ঘষলেই জিতুন হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স

    সিঙ্গার-বেকো’র ঈদুল আযহা ‘ভরপুর সলিউশন’—ঘষলেই জিতুন হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স

    ঈদুল আযহার আনন্দ আরও বাড়াতে সিঙ্গার-বেকো নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘ভরপুর সলিউশন’ অফার ক্যাম্পেইন। দেশজুড়ে গ্রাহকরাই এখন এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে হাজার হাজার ফ্রি পণ্য ও আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট পেতে চলেছেন।

    যেকোনো সিঙ্গার-বেকো স্টোর থেকে কেনাকাটা করলে গ্রাহকরা একটি সলিউশন কার্ড পাবেন। ওই কার্ড ঘষলেই জেনে নেওয়া যাবে ভাগ্যের ফল—আপনি যদি ভাগ্যবান হন, জিততে পারেন পুরো একটি হাউসফুল অ্যাপ্লায়েন্স সেট। এই সেটে রয়েছে টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার ও গ্যাস বার্নারের মতো গৃহস্থালির মৌলিক পণ্য।

    মেগা প্রাইজ ছাড়াও নির্দিষ্ট মূল্যমানের কেনাকাটায় গ্রাহকদের জন্য আলাদা পুরস্কারের ব্যবস্থা আছে—যেখানে টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্রাইন্ডার বা গ্যাস বার্নারের মতো যে কোনো একটি आकर्षণীয় পণ্য জেতার সুযোগ থাকবে। তাছাড়া প্রত্যেক ক্রয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে নিশ্চিত ডিসকাউন্ট, যাতে উৎসবের সময় পরিবারের প্রয়োজন অনায়াসে আপগ্রেড করা যায়।

    এই ঈদ ক্যাম্পেইনটি আধুনিক পরিবারের প্রয়োজন ও আকাঙ্ক্ষাকে মাথায় রেখে সাজানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য—ঈদের কেনাকাটাকে আরও আনন্দদায়ী, স্মরণীয় ও সাশ্রয়ী করা।

    ক্যাম্পেইনটি ঈদুল আযহার আগের দিন পর্যন্ত চলবে এবং সারা দেশের সকল সিঙ্গার-বেকো রিটেইল স্টোর ও অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে প্রযোজ্য হবে। বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ সিঙ্গার-বেকো আউটলেটে যোগাযোগ করুন অথবা ২৪/৭ টোল-ফ্রি কাস্টমার সার্ভিস নম্বর ০৮০০০০১৬৪৮২-এ কল করুন।

  • একদিনের ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম

    একদিনের ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম

    ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫টাকায়। এই নতুন দাম আজ সকাল ১০টাদ থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর মূল্য কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম):

    ২২ ক্যারেট—২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা; ২১ ক্যারেট—২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা; ১৮ ক্যারেট—১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

    এর আগে গত ২৮ এপ্রিল সকালে বাজুস দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করেছিল। ওই সময়ও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি দাম ছিল ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    চলতি বছর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩২ দফা এবং কমানো হয়েছে ২৬ দফা। গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, তাতে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

    স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়; ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    চলতি বছর রুপার দাম বাজারে মোট ৩৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ১৯ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ দফায় দাম কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়েনি এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।

  • ‘ভালো মানুষের দিন শেষ’ — ট্রুথ সোশ্যালের পোস্ট ঘিরে ট্রাম্প-ইরান উত্তেজনা

    ‘ভালো মানুষের দিন শেষ’ — ট্রুথ সোশ্যালের পোস্ট ঘিরে ট্রাম্প-ইরান উত্তেজনা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালের সাম্প্রতিক একটি পোস্টে ‘ভালো মানুষের দিন শেষ’—এই সংক্ষিপ্ত, তীক্ষ্ণ বার্তাটি আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ককে বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। পোস্টে লেখা ছিল No more Mr. Nice Guy!—যা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে।

    ট্রাম্পের পোস্টে তিনি ইরানকে একটি চুক্তি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন এবং তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, তাদের হাতে সময় কমে এসেছে। পোস্টের সঙ্গে যে ছবিটি দেওয়া হয়েছিল তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হয় এবং এটি আলোচনার নতুন পাল্লা তৈরি করেছে।

    পোস্টে ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘ইরান তাদের কাজ গুছিয়ে নিতে পারছে না। তারা জানে না কিভাবে একটি পরমাণুহীন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হয়। তাদের আরও স্মার্ট হওয়া উচিত!’—পোস্টের শেষে তিনি ‘প্রেসিডেন্ট ডি.জে.টি.’ নামও যোগ করেছেন।

    চলতি মাসের শুরুতেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ওয়াশিংটন তেহরানকে একটি ন্যায়সংগত ও যুক্তিসংগত চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল এবং তা প্রত্যাখ্যান করলে ইরান ‘‘ভয়াবহ পরিণতির’’ মুখে পড়বে। এই বাগালেবাজি এবং সতর্কবার্তাগুলো কূটনৈতিক ভাষা থেকে অনেকটাই সরাসরি হয়ে ওঠায় বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোড়ন তোলে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান আলোচনা এখনও জটিল অবস্থায় আছে। আলোচনার মূল ইস্যুগুলোতে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। রয়টার্স উল্লেখ করেছে যে ট্রাম্প বলছেন ইরান আবারও আলাপ-আলোচনার পথ খুঁজছে, কিন্তু তেহরান সেই দাবি প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছে।

    ট্রাম্পের ক্ষেত্রে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ এখন পররাষ্ট্রনীতির একটি প্রধান বার্তা দেয়ার মঞ্চে পরিণত হয়েছে। প্রথাগত কূটনৈতিক ভাষা এড়িয়ে সরাসরি দেওয়া তার এই ধরনের পোস্টগুলো মুহূর্তেই খবরে পরিণত হয় এবং ধাক্কা-বাঁক উভয়কেই প্রচার করে।

    এই পোস্টটি কি চাপ সৃষ্টির কৌশল, রাজনৈতিক সংকেত, নাকি ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর মার্কিন নীতির পূর্বাভাস—সব কিছুই আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হবে। তবে আপাতত এটি ওয়াশিংটনের ইরান নীতিকে আবারও বৈশ্বিক মনোযোগের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

    বিশ্বজুড়ে কড়া নজর এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের প্রতিটি পরিবর্তন ও সংকটের দিকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী—এই কৌশলগত ছোট নদীর মুখে বিশ্বের বড় পরিমানের জ্বালানি পরিবহন হয়ে থাকে—এটির ওপর নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সংঘটিত হামলার পর থেকে এই জলপথকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও চলাচলের ওপর প্রভাব পড়েছে এবং তেহরান এটি কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

    সংক্ষেপে, ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টটি কেবল একটি টুইট বা স্টেটমেন্ট নয়—এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন করে চাপ তৈরি করেছে, এবং তা কিভাবে পরিণত হবে তা বিশ্ব এখন গোচরে রয়েছে।