Blog

  • লিটন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ২ হাজার রানের ক্লাবে

    লিটন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ২ হাজার রানের ক্লাবে

    ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন লিটন দাসকে যে ভাবে হারানো হয়েছে, তা দেখে অনেক ভক্ত যেন খানিকটা অপমানবোধ ও হতাশা পেয়েছেন। কিন্তু আউট হওয়ার আগেই তিনি এমন একটি অর্জন করে গেছেন যা তার দিনের ভুলটাকে স্মরণীয়ভাবে বদলে দিয়েছে — বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (WTC) প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ২ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করা।

    প্রথম দিন শেষে ৮ রানে অপরাজিত থাকার পর আজ লিটন ৩৩ রানে আউট হন। ঘটেছে ৯৭তম ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে, বোলার ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। অফ স্টাম্পের বাইরে এসেছে বলে বলটি, লিটন পুল করার চেষ্টা করছিলেন এবং মিড অনের ওপর দিয়ে টেনে পাঠাতে চেয়েছিলেন—তবে বলটি আমাদ বাটের হাতে গিয়ে ধরা পড়ে। আউট হওয়ার ঠিক আগে লিটন তাঁর WTC রানসংখ্যা দুই হাজার ছুঁয়ে ফেলেন, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন এক ব্যক্তিগত ও দলগত মাইলফলক।

    এই মাইলফলকপূরণের ফলে লিটনের WTC রানের পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে: ৩১ টেস্টে ৫৫ ইনিংসে ২,০০৯ রান, গড় ৩৭.২০, এবং চারটি সেঞ্চুরি।

    বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে WTC-তে লিটনের পরে দ্বিতীয় স্থানে আছেন মুশফিকুর রহিম — ২৬ টেস্টে ৪৮ ইনিংসে ১,৮৭৬ রান; গড় ৪৩.৬২, এবং তারও পাশে আছে চারটি সেঞ্চুরি। পাকিস্তান সিরিজে মুশফিকের সামনে ২ হাজার রানের ক্লাবে পৌঁছানোর সুযোগ আছে।

    তালিকার তৃতীয় স্থানে নাজমুল হোসেন শান্ত; ৩০ টেস্টে ৫৭ ইনিংসে তার সংগ্রহ ১,৬৫৫ রান, গড় ২৯.৫৫, এবং সেঞ্চুরি পাঁচটি। চতুর্থ অবস্থানে মুমিনুল হক; ৩২ টেস্টে ৬১ ইনিংসে ১,৫৯৪ রান, গড় ২৭.৯৬, তিনটি সেঞ্চুরি। সেরা পাঁচে পঞ্চম হয়ে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ—৩০ টেস্টে ৫৫ ইনিংসে ১৩২৪ রান, গড় ২৫.৯৬।

    যদিও লিটনের শেষ আউটটি ভক্তদের মন খারাপ করেছে, তার এই ব্যক্তিগত মাইলফলক বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিং ইউনিটের ধারাবাহিকতা ও অবদানের প্রতিফলন। 앞으로ও তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করে যাবেন বলে ধরে নেয়া যায়।

  • বাংলাদেশ ৪১৩, এরপর আওয়াইস-ফজলের ব্যাটে পাকিস্তানের দাপট

    বাংলাদেশ ৪১৩, এরপর আওয়াইস-ফজলের ব্যাটে পাকিস্তানের দাপট

    নাজমুল হোসেন শান্তের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে প্রথম দিনেই চারশ রানের বেশি সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ৭১ রানের নির্ভরযোগ্য ইনিংস খেলেন এবং শেষ দিকে তাসকিন আহমেদ আক্রমণাত্মক অগ্রযাত্রায় দলের স্কোর ৪১৩ রানে পৌঁছে দেন।

    পাকিস্তান অভিষিক্তআজ হওয়া আজান আওয়াইসের হাফ সেঞ্চুরি এবং আব্দুল্লাহ ফজলের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে ১ উইকেটে ১৭৯ রান করে—বাংলাদেশের ইনিংস থেকে তারা এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে আছে।

    বোলিং দিক থেকে বাংলাদেশের শুরুটা সন্তোষজনক ছিল না; পেসাররা লাইন ও লেন্থ ধরে ধারাবাহিকতা রাখতে পারেননি। পাকিস্তানের ওপেনাররা ওয়ানডে মেজাজে তাড়াতাড়ি খেলা শুরু করে; প্রথম ১০ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়েই ৫০ করে তারা এবং ২০.৪ ওভারে দলীয় শতক টাকা পড়ে। আবিষিক্ত ওপেনার আওয়াইস ৬৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন।

    প্রথম ১৫ ওভার পর্যন্ত স্পিনার ব্যবহার করেননি বাংলাদেশ; পরে মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়মানুগভাবে বোলিংয়ে পাঠানো হয়। ২২তম ওভারে মিরাজই প্রথমে ওপেনিং জুটি ভাঙেন—ইমাম উল হককে লেগ-বিফোরের ফাঁদে ফেলে তিনি ফিরিয়ে দেন। ইমাম ৭২ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছয়টি চারের দেখা মিলেছিল। ইমামের বিদায়ের সঙ্গে শেষ হয়েছিল ওপেনিং জুটির ১০৬ রানের অংশীদারিত্ব।

    ৩৬.৩ ওভারে পাকিস্তান দলীয় ১৫০ রানে পৌঁছায়। আনোয়ার আওয়াইসের সঙ্গে আক্রমণাত্মক খেলায় যোগ দেন অভিষিক্ত আরেক ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজল। ফজল প্রথম আটচল্লিশ বলের মধ্যে কিছুটা ধীর শুরু করলেও পরে গতিতে আসে; ২৯ সংখ্যার মুহূর্তে সাদমান ইসলামের হাতে একটি ক্যাচ মিস হওয়ায় তার ইনিংস বাঁচে। দিনশেষে আওয়াইস অপরাজিত ১৩৩ বলে ৮৫ রানে ছিলেন, আর ফজল অপরাজিত ছিলেন ৭৮ বলের ৩৭ রানে।

    এর আগে দিনের শুরুতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ৪ উইকেটে ৩০১ রান থেকে। মুশফিকুর রহিম এবং লিটন দাস শুরুটা ভালোভাবে সামলে ছিলেন, তবে লিটন মোহাম্মদ আব্বাসের অফস্টাম্পের বাইরের একটি ডেলিভারিকে টানতে গিয়ে মিড-অনে ধরা পড়েন; তিনি ৩৩ রান করেন।

    মিরাজও বড় ইনিংস গড়তে পারেননি; তিনি ১০ রানে উইকেট হারান—অফস্টাম্পের বাইরের একটি শট খেলতে গিয়ে উইকেটকিপার ইমামের হাতে ক্যাচ দেন। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশ ৩৫৬ রানে তাদের ষষ্ঠ উইকেট হারায়। পরে তাইজুল ইসলামও আব্বাসের বাউন্সি ডেলিভারিতে খোঁচা দিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন; তিনি ২৩ বলে ১৭ রানে আউট হন। লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ ছিল ৭ উইকেটে ৩৮০ রানেই।

    বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরে ফিরেন মুশফিকুর রহিম—শাহীন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তিনি বোল্ড হয়ে যান; ১৭৯ বলের তার ইনিংসে ছিল আটটি বাউন্ডারি। পরে ইবাদত হোসেন রানে প্রতিষ্ঠা করতে না পারলেও, মোহাম্মদ আব্বাস এই ধাক্কায় ফিরে গিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট সম্পন্ন করেন। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারানো অবস্থায় তাসকিন আহমেদ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আক্রমণ করে দলকে চারশ পেরিয়ে দেন; শেষ পর্যন্ত তিনি ১৯ বলে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ২৮ রান করেন।

    সারমর্ম: প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪১৩, দিনের শেষে পাকিস্তান ১ উইকেটে ১৭৯—অভিষিক্ত আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটে পাকিস্তান এখনো জয় মাত্রা থেকে দূরে থাকলেও চাপ সামলাচ্ছে।

  • রুনা লায়লা মৃত্যু গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি’

    রুনা লায়লা মৃত্যু গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি’

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যুর গুজব সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু নিজে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তিনি সুস্থ আছেন।

    বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েই শনিবার এসব গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রুনা লায়লা লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে।’

    ভিত্তিহীন এই খবর নিয়ে কষ্ট প্রকাশ করে তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘তবে আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে আমি বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আমি সবাইকে অনুরোধ করছি এ ধরনের কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।’

    রুনা লায়লার এই বার্তা ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে। তার কণ্ঠ ও সংগীতজীবনকে স্মরণ করে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্মানজ্ঞাপন জানিয়েছেন এবং গুজব রুখে তথ্য যাচাই করার অনুরোধ করেছেন।

    সংগীতজীবনের প্রসঙ্গটিও আলোকপাতযোগ্য—১৯৬৬ সালে উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রে ‘নাজরোঁ সে মহাব্বত কা জো পয়গম মিলা’ গান দিয়ে রুনা লায়লা প্রথম আলোচনায় আসেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশনা করতেন এবং পরবর্তীতে ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’সহ বহু হিট গীতের মাধ্যমে ভারতেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে এবং কোনো খবর শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে রুনা লায়লা আবারও ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

  • লাইফ সাপোর্টে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

    লাইফ সাপোর্টে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। তাঁকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    কামরুন নাহার ‘ডানা’ অভিযোগ করেছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন কারিনা। হঠাৎ জ্ঞান হারানোর ফলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডানার এক পোস্টে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরীক্ষায় কারিনার হেপাটাইটিস এ ও ই শনাক্ত হয়েছে, যা লিভার ফেইলারের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে তিনি আইসিইউতে ছিলেন, কিন্তু গত রাত থেকে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। কারিনার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবার তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।

    ডানা ভক্ত এবং শুভানুভূতিশীলদের কাছে কারিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়ার অনুরোধ করেছেন। তিনি লিখেছেন, কারিনা একজন প্রতিভাবান ও অসাধারণ মানুষ — আমরা এভাবে তাঁকে হারাতে পারি না।

    ডানা আরও জানান, চিকিৎসার জন্য কোনো আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন পড়লে পরে সেটি জানানো হবে। আপাতত তার একমাত্র অনুরোধ—সবাই মন থেকে কারিনার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করবেন।

  • ১৭ বছরের ওয়াকিমুলের ‘এ টু আই স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ বছরের ওয়াকিমুলের ‘এ টু আই স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম যে গাড়িটি বানিয়েছেন—‘এ টু আই স্মার্ট কার’—সেই ছোট ব্যাটারি চালিত বাহনে কিছু সময়ের জন্যই correct প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে প্রদর্শনী চালিয়ে দেন তিনি। শনিবার (৯ মে) সকালে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে উষ্ম অভ্যর্থনা জানান এবং এই কৃতিত্বকে উৎসাহিত করেন।

    ওয়াকিমুল সামান্য ডিহবিল্ট শিশুর মতো নয়—তিনি নিজেই গাড়িটি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন এবং মুহূর্তেই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেখান। প্রধানমন্ত্রীর পেছনে বসে গাড়িটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে তিনি ১৭ বছর বয়সী এই তরুণকে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এরকম সৃজনশীল উদ্যম প্রকাশ করার জন্য প্রশংসা করেন।

    প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে কম খরচে আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শ দেন এবং এমন সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে সমর্থনের আশ্বাসও দেন।

    ওয়াকিমুল সাক্ষাৎকালে জানান, আগে সারাদিন বাড়িতেই থাকতেন, একা বাইরে যেতে পারতেন না—এই সমস্যা থেকেই তিনি নিজেভাবে চলাফেরার উপায় খুঁজতে গিয়ে গড়েছেন এই স্মার্ট কার। তিনি প্রয়োজনে সহায়তা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও উন্নত মডেল তৈরি করতে পারবেন এবং সেই গাড়ি কেবল বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদেরই নয়, বয়স্কদের জন্যও ব্যবহার উপযোগী হবে বলেও জানান।

    ওয়াকিমুল যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তাঁর পিতা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাঁর পাশে ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার দুলাল, যিনি জানান—গাড়িটি একবার চার্জে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এবং সর্বোচ্চ গতি প্রায় ৪৫ কিমি/ঘণ্টা।

    সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    ওয়াকিমুলের পরিচ্ছন্ন ও পরিষ্কার ধারণা, সহজগতির ডিজাইন ও দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি—সব মিলিয়ে এই উদ্যোগ থেকে ভবিষ্যতে আরও সাশ্রয়ী ও বহুমুখী স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলে সরকারিভাবে সহযোগিতা দিলে তা দ্রুত বাস্তবে রুপ নেবে, এটাই অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট ছিল।

  • নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ‘নতুন সংগ্রামে’ নামার আহ্বান

    নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ‘নতুন সংগ্রামে’ নামার আহ্বান

    বিএনপি চেয়ারেন তারেক রহমান দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকারের কাজ সফল হবে না—তাই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য এখনই ‘নতুন সংগ্রামে’ নামতে হবে।

    শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভায় দলের যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

    তারেক রহমান বলেন, ‘‘এক যুদ্ধ শেষ হয়েছে, এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে—এটা হলো আমরা জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়ন করা।’’ তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাঠে থাকা নেতাকর্মীরা নির্বাচনটি কতটা কঠিন ছিল তা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং মানুষ আমাদের ম্যানিফেস্টো ও ইশতেহারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

    চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের আগে তাদের দেওয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে রূপ নিয়েছে। ‘‘নির্বাচনের আগ পর্যন্ত এটা ছিল বিএনপির ম্যানিফেস্টো; নির্বাচন ও সরকার গঠনের পরে এটা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে,’’ তিনি যোগ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশব্যাপী ভোটারদের প্রায় ৫২ শতাংশ ম্যানিফেস্টোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাই সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, নির্বাচনের আগে তারা সুশাসন, শিক্ষার উন্নয়ন এবং নারী-পুরুষ-শিশু সবাইকে নিরাপদ পরিবেশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এক সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে লড়াই চলাকালে যে অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-হত্যার ঘটনা ঘটেছে, সেই পরিস্থিতি বদলে Debated ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে আনাই তাদের লক্ষ্য ছিল।

    তিনি বলেন, সরকার আছে, কিন্তু বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে many ক্ষেত্রেই সরকার সফল হবে না। বিএনপির সাফল্য নির্ভর করে এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের সরকারের পাশে দাঁড়ানোর ওপর—তারই জন্য মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

    সকাল পৌনে ১১টায় শুরু হওয়া মতবিনিময় সভাটি দিনব্যাপী রুদ্ধদ্বারের আয়োজন ছিল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভার সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    এটি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওই সংসদীয় নির্বাচনের পর দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারেন তারেক রহমানের প্রথম বড় মতবিনিময় সভা বলে জানানো হয়েছে।

  • মন্ত্রী না থাকলে কি উন্নয়ন থেমে যাবে? প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের

    মন্ত্রী না থাকলে কি উন্নয়ন থেমে যাবে? প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের

    জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রশ্ন তুলেছেন: প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকেন না এমন এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না?

    শুক্রবার কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়িজ লীগের কেন্দ্রীয় দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘যে এলাকার নেতারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা আইনমন্ত্রী হবে না, সেই এলাকায় কি কোনো উন্নয়ন হবে না? উন্নয়নকে বৈষম্যহীন করতে হলে জাতীয়ভাবে জরিপ করে দেখা উচিত—কোথায় রেল বা সড়ক যোগাযোগ বেশি প্রয়োজন। ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সরকারকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।’’

    তিনি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগ ও শহীদদের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, ‘‘হাজারো মানুষের রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে সরকার ক্ষমতায় এলেও এখন আবার বৈষম্যমূলক সমাজ গঠনের চেষ্টা চলছে। হাজার রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসে ন্যায়বিচার না দিয়ে অন্যায় করা হচ্ছে; সেটা শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’’

    রেল যোগাযোগের বেহাল দশার কারণ হিসেবে তিনি দুর্নীতিকেই দায়ী করেছেন। বলেন, ‘‘বিশ্বে রেল যোগাযোগ উন্নতির শিখরে উঠছে, অথচ বাংলাদেশে রেল খাত পিছিয়ে যাচ্ছে। এত বড় নেটওয়ার্ককে আমরা আধুনিকায়ন করতে পারিনি।’’ আগামী বাজেটে প্লেস্কেল আর রেলের শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবি মেটানো ও আধুনিক রেলপথ গড়ে তোলার জন্য সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।

    দেশীয় সিদ্ধান্তমূখী নীতির প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘বাংলাদেশ এখন নিজস্ব সিদ্ধান্তে চলবে; কোনো বিদেশি শক্তির প্রেসক্রিপশন বা রিমোট কন্ট্রোল মানি না। পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাখতে সব ধরনের বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।’’

    তিনি ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকান্ড সংকুচিত করার নীতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, সরকার শ্রমিক ও শ্রমসংগঠনের ওপর নানা সীমাবদ্ধতা আরোপ করে শ্রমিকদের অধিকার নিলে গণতন্ত্র ও শ্রমিকদের কল্যাণ ক্ষুণ্ন হয়।

    গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ‘‘একটি কারখানায় বেশি সংখ্যক ট্রেড ইউনিয়ন থাকা উচিত—কারখানা যত বড় হবে, তত বেশি ট্রেড সংগঠন থাকা প্রয়োজন। সংগঠনের সংখ্যা বেশি হলে মালিকপক্ষের সঙ্গে বসে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সুবিধা হবে।’’

    সম্মেলনে তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ রাখেন—উন্নয়ন ন্যায়ভিত্তিক ও স্বচ্ছভাবে করতে হবে, রেল ও যোগাযোগ খাতে দুর্নীতি রোধ করে অবকাঠামো উন্নয়নে ত্বরান্বিত উদ্যোগ নিতে হবে এবং শ্রমিক-সংগঠনের মেধা ও অধিকার রক্ষা করতে হবে।

  • জুলাই সনদ ইস্যুতে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    জুলাই সনদ ইস্যুতে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সরকারকে Juli সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেছেন।

    শনিবার (৯ মে) রাজধানীর এক হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, সরকার এ ইস্যুকে এড়িয়ে যেতে চায় এবং সময় টানছে। তাঁর দাবি, সাংবিধানিক সংস্কার সম্পন্ন হবে ধরাবাঁধা, জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে—এটাই গ্রহণযোগ্য।

    নাহিদ ইসলাম অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান। তিনি বলেন, এই কাউন্সিল গঠনেই হবে জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের পথ।

    বিএনপির বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে বললেও ক্ষমতায় আসার পর তারা সেই অবস্থানকে ত্যাগ করেছে। এভাবে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রত্যাখ্যান করছে বলে তিনি আক্রমণ করেন।

    নাহিদ আরও বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা ও কর্মসূচি চলবে, পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিও চালানো হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার ইতিবাচক সাড়া না দেয় তাহলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

    আলোচনায় তিনি জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছ ও সার্বভৌম ভিত্তিতে সাংবিধানিক পরিবর্তন আনা না হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্বাচনী বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে না—এ ধরনের বার্তাও দেন নাহিদ ইসলাম।

  • সোনার দাম কমল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য কত?

    সোনার দাম কমল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ভরিতে ২ হাজার ২৫৮ টাকার পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার ভরি গতকাল সোমবার (৪ মে) যে দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা ছিল, তা থেকে কমেছে। নতুন দাম মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    অন্যান্য মানের সোনার প্রতি ভরির নির্ধারিত দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেট — দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট — এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা — এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    রুপার দাম এই রাউন্ডে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নির্ধারিত তালিকায় ২২ ক্যারেট রুপার এক ভরির দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও সোনার মূল্যকে প্রভাবিত করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংক্রান্ত উত্তেজনার পর миров বাজারে সোনার দাম বাড়ার পরে মূল্যসমন্বয়ের কারণে ওঠানামা দেখা গেছে। বিশ্ববাজারের গতিপথ সম্পর্কে গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে বলা হয়েছে, এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগের কিছু ডেটাও উল্লেখ করা হয়েছে — ৩০ জানুয়ারি তখন দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বাজারের ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বাজুসের এই নতুন মূল্য তালিকা এখন থেকেই প্রযোজ্য থাকবে। কিনতে বা বিক্রি করতে যাওয়ার আগে স্থানীয় বজারের আপডেট দেখতে এবং কাছে থাকা জুয়েলারি সংস্থার নোটিশ খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • টানা দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে সোনার দাম

    টানা দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে সোনার দাম

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত দর বাড়ানোর ফলে ২২ ক্যারেট সোনার ভরিপ্রতি দাম গতকালের তুলনায় বাড়ে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে নতুন দাম বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী গতকাল ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা; সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ালে ২২ ক্যারেটের এক ভরি এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের নির্ধারিত অন্যান্য মূল্যগুলোও এভাবে সংশোধন করা হয়েছে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও সামঞ্জস্য করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট ভিত্তিক এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেটে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা প্রতি ভরি রুপা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস বলেছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ার কারণে স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে লাগাতার উর্ধ্বমুখী হারের কারণ হিসেবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল উত্তেজনা উল্লেখ করা হয়েছে। অনলাইন সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছেছে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ৩০ জানুয়ারিতে আউন্সপ্রতি সোনার দাম ছিল আনুমানিক ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি বাড়তে বাড়তে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠেছিল। এছাড়া গত মাসের শেষে বিশ্ববাজারে দর দ্রুত বাড়ার প্রভাব国内 বাজারেও পড়ে; ২৯ জানুয়ারি সকালেই বাজুস একধাক্কায় ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরি দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে গিয়েছিল— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং একবারে এত বড় বৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি।

    গ্রাহক ও সোনার ব্যবসায়ীদের জন্য এসব নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে প্রযোজ্য।