Blog

  • মিরপুরে ‘প্রতিশোধ’ নয় — শ্রদ্ধা ও প্রস্তুতিই চান সালমান

    মিরপুরে ‘প্রতিশোধ’ নয় — শ্রদ্ধা ও প্রস্তুতিই চান সালমান

    রাওয়ালপিন্ডির দুর্দশাজনক স্মৃতি পাকিস্তানের কাছে এখনও কষ্টদায়ক। নিজেদের মাঠে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ হারানো, সিরিজ হাতে না থাকা ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাফল্য—এসব মিলিয়ে ২০২৪ সালের সেই সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা ছিল। তবু মিরপুরে নতুন সিরিজ শুরুর আগেই পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক সালমান আলী আগা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি অতীতকে ‘প্রতিশোধ’ কথায় টিকিয়ে রাখতে চান না।

    মিরপুর টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে সালমান বললেন, ‘আমাদের দলে প্রতিশোধ-জাতীয় কোনো শব্দের সঙ্গে নিজেদের জড়াই না। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ যেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসে খেলেছিল, তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে।’ তিনি বাংলাদেশের পরিকল্পনা ও মানসিকতাকে সম্মান জানালেন।

    সালমান মনে করিয়ে দিলেন, পাকিস্তান ধারণা করেছিল ঘরের কন্ডিশনে তারা সুবিধা নেবে। কিন্তু ম্যাচের ভেতরে বাংলাদেশ বারবার ফিরে এসেছিল—বিশেষ করে ২৬ রানে ছয় উইকেট হারানোর পরও লড়ে উঠে ম্যাচ জেতা ছিল তাদের দৃঢ়তার স্পষ্ট উদাহরণ। তাঁর কথায়, সেটিই বাংলাদেশের স্কিল ও মানসিক শক্তির প্রমাণ।

    এই অভিজ্ঞতা পাকিস্তানকে আরও সতর্ক করেছে। সালমান বলেন, বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। ‘আমরা কোনো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেব না। প্রতিশোধ শব্দটা খুঁজব না। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রক্রিয়া এবং আমরা কীভাবে খেলি,’ তিনি যোগ করেন। পাকিস্তানের লক্ষ্য এখন শুধুই জেতা নয়, জেতার অবস্থান থেকে ম্যাচ শেষ করা—আগের সিরিজে ঠিক এখানেই তারা ভেঙে পড়েছিল।

    সালমান বাংলাদেশকে তিন বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে দেখছেন—ব্যাটিং, পেস বোলিং ও স্পিন। তাঁর মতে বর্তমান দল আগের দলের সঙ্গে বেশ কাছাকাছি এবং খুবই স্কিলফুল। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এখনো খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, খুব স্কিলফুল। ব্যাটিং, পেস বোলিং, স্পিন—সব বিভাগেই তারা কভারড।’

    পাকিস্তানের ব্যাটিং বিভাগেও তিনি আত্মবিশ্বাসী। সালমান উল্লেখ করেছেন যে মিডল অর্ডারই দলের ইঞ্জিনরুম; সেখানে বাবর, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল আর নিজে সালমান অনেক দিন ধরে একসঙ্গে খেলছেন এবং এটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থিতি। তিনি আরও জানান, টপ অর্ডারে যেসব পরিবর্তন দেখা গেছে, সেগুলো মূলত ইনজুরি বা অনুপস্থিতির ফল।

    ইমাম-উল-হকের দলে ফিরে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন সালমান। ‘গত তিন-চার বছরে ইমাম টেস্ট ইউনিটের নিয়মিত অংশ ছিলেন। অভিজ্ঞতা ও টেস্ট রান নিয়ে তিনি দলে ফিরছেন, যা আমাদের জন্য ভালো সুযোগ,’ তিনি বললেন।

    তবে মিরপুরে কাজটা সহজ হবে না—এতথ্যটাও তিনি স্বীকার করলেন। বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাককে খুবই ভারসাম্যপূর্ণ বলে বর্ণনা করে তিনি বলেন, বাঁহাতি ও ডানহাতি পেসার আছে, গতি ও স্কিল আছে; এটি সম্ভবত তিনি দেখেছেন সেরা বাংলাদেশ আক্রমণ।

    শেষ পর্যন্ত সালমান ও তাঁর দল স্ট্র্যাটেজি ও ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে খেলতে চান—যেতে পারলে ম্যাচ শেষ করা এবং ভালো ব্র্যান্ডের ক্রিকেট উপস্থাপন করাই তাদের লক্ষ্য।

  • বিজয় ভাগ বসালেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের রেকর্ড

    বিজয় ভাগ বসালেন তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের রেকর্ড

    দক্ষিণ ভারতের সুপরিচিত অভিনেতা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি চলচ্চিত্র জগতে ‘থালাপতি বিজয়’ নামে পরিচিত, রাজনৈতিক মঞ্চে প্রথম নির্বাচনে নামেই অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছেন। তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুধু ব্যক্তিগতভাবে জয় অর্জনই নয়—একটি ৪৯ বছরের পুরনো রেকর্ডও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

    ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রন (এমজিআর) চলচ্চিত্র জগত থেকে এসে নিজের দল গঠন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন—এমন ঘটনা তার পর আর বের হয়নি। যদিও পরবর্তীকালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়ললিতা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন, তিনি নিজেই নতুন দল গঠন না করে এমজিআর-এর এআইএডিএমকে-র নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর পর থেকে আর কোনো অভিনেতা নিজস্ব দল গঠন করে মুখ্যমন্ত্রীত্বে পৌঁছাননি।

    এবার বিজয় তার নতুন দল তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম (টিভিকে) নিয়ে নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪; এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। এবারে বিজয় নিজে জয়ী হয়েছেন এবং তার দল টিভিকে ১০৮টি আসনে জয় পেয়েছে—একটি মাত্র ধাপ দূরে থেকেই আগ্রাসী ফল। ২০২৪ সালে গঠিত এই নতুন দলের জন্য এই পরিমাণ আসন জয় বিস্ময়কর।

    আইনি ও সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী টিভিকে এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না; ফলে কোনো না কোনো রাজনৈতিক জোট গঠন করেই সরকার গঠন করতে হবে। তথাপি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জোট গঠিত হলেও সেটির প্রধান চালক শক্তি টিভিকেই থাকবে এবং বিজয়ই তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দাবিদার হবেন বলে দেখা হচ্ছে। এভাবেই এমজিআরের দীর্ঘদিনের রূপকথার মতো রেকর্ডটি এবার ভাগ করে নিয়েছেন বিজয়।

    বিজয়ের এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের সংগঠন গঠনের কাজ আছে। ২০০৯ সাল থেকে তিনি ভক্তদের সংগঠিত করা শুরু করেন এবং বিভিন্ন ভক্ত গ্রুপকে সমন্বিত করে ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যমঞ্চ তৈরি করেন। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মঞ্চটি এআইএডিএমকে-কে সমর্থন দিয়েছিল; কিন্তু ২০২১ সালে তাকে থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় গঠনে মনোযোগ দেন বিজয়। ২০২৪ সালে তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম গঠন করে তিনি সরাসরি ভোটে নামেন এবং এখন মুখ্যমন্ত্রীত্বের শপথ গ্রহণ অপেক্ষায় রয়েছেন।

    (সূত্র: এনডিটিভি)

  • রুনা লায়লা গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি, সুস্থ আছি’

    রুনা লায়লা গুজব খণ্ডন: ‘আমি বেঁচে আছি, সুস্থ আছি’

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যু সংক্রান্ত অপ্রতিষ্ঠিত গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় নিজেই তা খণ্ডন করেছেন। তিনি জানান, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য রয়েছেন।

    এই মর্মে রুনা লায়লা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বলেন, “আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে।” তিনি ওই গুজবকে ভিত্তিহীন হিসেবে বর্ণনা করে সবাইকে অনুরোধ করেন যে, এমন কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এসব কী তাঁর এবং তাঁর পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক।

    বহু ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীর উদ্বেগ প্রশমন করতে রুনা লায়লার এই প্রতিক্রিয়া timely বলে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি বিদেশে অবস্থানরত হওয়ায় সংবাদটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিভ্রান্তি তৈরী হয়েছিল।

    সঙ্গীতজগতের একটি উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব হিসেবে ১৯৬৬ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘হাম দোনো’র গান ‘নাজরোঁ সে মোহাব্বত কা জো পয়গম মিলা’ দিয়ে রুনা লায়লা প্রথমবার আলোচনায় আসেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি নিয়মিত পাকিস্তান টেলিভিশনে পরিবেশন শুরু করেন এবং পরে ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ জাতীয় হিট গানগুলো তাকে ভারতসহ সমগ্র উপমহাদেশে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

    শেষে তিনি ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল,’ এবং অনুরোধ করেন—ভুল সংবাদ রোধে সতর্কতা ও তথ্য যাচাই অত্যান্ত জরুরি।

  • সালমান খানের কাছের বন্ধু সুশীল কুমার মৃত্যুবরণ করেছেন

    সালমান খানের কাছের বন্ধু সুশীল কুমার মৃত্যুবরণ করেছেন

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান একটি মর্মান্তিক খবর ভক্ত ও দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। তার ৪২ বছর ধরে কাছের বন্ধু, মঞ্চ ও সিনেমার সহকর্মী সুশীল কুমার আর নেই। সামাজিক মানুষের মাধ্যমে এক পোস্টে সালমান এই বেদনার খবর নিশ্চিত করেছেন এবং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    সালমান তাঁর বন্ধু সুশীলকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করতেন। বন্ধুর মৃত্যুতে তিনি গভীর মনোভাব প্রকাশ করে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেন এবং মন্তব্য করেন, সুশীল ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি জীবনের কঠিন সময়েও হেসে এগিয়ে যেতে জানতেন। তিনি সবসময় বলতেন, সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে, কোন কিছুতেই বেশি মনোযোগ দিতে হয় না।

    সালমান আরও লেখেন, সুশীল মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন যেন এক হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের মতো। তার জন্য তার চোখে এখন কেবলই স্মৃতি আর হাসি। তিনি মনে করেন, কাউকে আগে বা পরে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়; তাই আমাদের উচিত জীবনে মানুষের জন্য কিছু করতে থাকা।

    একই সঙ্গে বিভিন্ন পোস্টে সালমান উল্লেখ করেন, যাঁদের চলে যাওয়ার সময় হয়েছে, তাঁদের আটকানো সম্ভব নয়। তবে নিজের জীবন থেকে দ্রুত চলে যাওয়া ভালো মানুষরা, কারণ তাদের এত বেশি সময় পায় না, যতটা দুর্গতির মধ্যেও থাকতে হতে পারে। আর যারা দুর্নীতিগ্রস্ত বা অসৎ, তাদের জন্য সময় আরও পরে আসে।

    বন্ধুর মৃত্যুতে কান্না করা সহজ হলেও সালমানের চোখে একফোঁটা জল আসেনি। সামাজিক মাধ্যমে ‘আরআইপি’ (RIP) সম্বোধন এড়িয়ে তিনি স্পষ্ট করেছেন, তিনি সুশীলকে মৃতদেহ হিসেবে দেখতে চান না; বরং তাকে তার নামেই ডাকতে চান, যেমনটি ছিল তার প্রিয়।

    সবশেষে, সালমান উভয়ের মধ্যে দেখা একাকীত্বের কথা প্রকাশ করে বলেন, সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল, কিন্তু বন্ধুকে হারিয়ে এই একাকীত্বের কারণে তার শরীরের লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই শোকজনক সময়ে কান্না না করে তিনি নিজের গভীর মনোভাব জানিয়েছেন।

  • সিনেমা নিষিদ্ধ করেছিল মমতা, পতনের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী

    সিনেমা নিষিদ্ধ করেছিল মমতা, পতনের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী

    বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল পরাজয় হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই পরাজয়কে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে সরব ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রী। তার নতুন পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কীভাবে তার ছবি মুক্তি ও প্রদর্শন নিয়ে বাধা-প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল, যা তার পুরনো ক্ষতগুলোকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তার এই পোস্টটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

    এখানে তার কারণও রয়েছে। যখন মমতা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘ফাইলস ট্রিলজি’—’দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ও ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’—সিনেমাগুলোর মুক্তি খুবই কঠিন করে দেওয়া হয়েছিল। বিবেকের নির্মিত এসব সিনেমাকে বেশ হেনস্তা ও নিষিদ্ধ করা হয়, যা তার জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। তার মতে, তার সিনেমাগুলো বলে মোটেও যেন ঠেকানো সম্ভব হয়নি, কারণ দর্শকদের কাছে তা পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।

    বিবেক এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মুক্তির পর আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সিনেমা হলে তা তুলে নেওয়া হয়, আর বলা হয় আমাকে বাংলায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়, যার জন্য ট্রেলার লঞ্চও বন্ধ করে দেওয়া হয়। হামলা ও শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে। অভিযোগে ডজনডজন এফআইআর দায়ের করা হয় এবং এমনকি রাজ্যপাল থেকে পুরস্কার নেওয়া তো দুরের কথা।’

    তবুও তিনি হাল ছাড়েননি। বলেন, ‘নিরাপত্তা বজায় রেখে যত সম্ভব বাংলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছে সিনেমাগুলো পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। আমরা লড়াই চালিয়ে গেছি, আর অবশেষে আমাদের এই অসাধারণ জয় পেয়েছি। বাংলার মানুষদের আন্তরিক অভিনন্দন। এখন তারা স্বচ্ছন্দে মাথা উঁচু করে চলতে পারবেন।’

    বর্তমানে বিবেক তার নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তার নতুন প্রকল্পের নাম ‘অপারেশন সিঁদুর’, যা ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি হচ্ছে। এই সিনেমার মাধ্যমে আবারও তিনি সিনেমাপ্রেমীদের বড় কিছু উপহার দিতে প্রস্তুত।

  • কলকাতায় জনপ্রিয় মালায়লাম অভিনেতা সন্তোষ নায়ার নিহত

    কলকাতায় জনপ্রিয় মালায়লাম অভিনেতা সন্তোষ নায়ার নিহত

    মালায়লাম সিনেমা ও টেলিভিশনের পরিচিত মুখ সন্তোষ নায়ার এক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এই ভারতীয় সিনেমার সিনেমা জগতের একজন জনপ্রিয় নাম, তিনি ভারতের কেরালায় পাথানামথিট্টা জেলায় একটি গাড়ির দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। এর আগে তার অভিনীত বহু সিনেমা দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে পুরো সিনেমা অঙ্গন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্তমানে তার শেষ ছবি ‘মোহিনিয়াট্টম’ এখনও প্রেক্ষাগৃহে চলছে।

    মঙ্গলবার সকালে কেরালার অদূরে পাথানামথিট্টা জেলার এনায়াথু এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিনেতার গাড়িটি দ্রুতগতির লরির সঙ্গে ধাক্কা খায়। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে তার স্ত্রীও গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সন্তোষ নায়ার বিশেষ করে খলচরিত্রে অভিনয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন। তার অভিনয়শৈলী খুবই সাবলীল ও প্রাণবন্ত ছিল। ১৯৮২ সালে ‘ইথু জঙ্গালুদে কথা’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয়। অপ্রত্যাশিতভাবে এই অভিনেতার মৃত্যুতে সিনেমা প্রোযোজকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার শেষ ছবি ‘মোহিনিয়াট্টম’ এখনও দর্শকদের মন জয় করছে।

    মালায়লাম চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় তারকার মৃত্যুতে ভক্ত ও অনুরাগীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • রুনা লায়লার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে, তিনি সুস্থ আছেন

    রুনা লায়লার মৃত্যু নিয়ে অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে, তিনি সুস্থ আছেন

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়ে। এই অপ্রত্যাশিত গুজবের কারণে তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি সরাসরি এই বিভ্রান্তি বাতিল করেন। রুনা লায়লা বলেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং ভালো আছেন। এই গুজবের জন্য তিনি খুবই দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আমি জানাতে চাই, আমি এখন সুস্থ আছি। এটি একটি ভিত্তিহীন খবর যা আমাকে এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কষ্টদায়ক। আমি অনুরোধ করছি, এই ধরনের খবর শেয়ার করার আগে সঠিক তথ্য যাচাই করুন।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে রয়েছি এবং ‘মিনার-ই-দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণের অনুষ্ঠান অংশ নিচ্ছি। এতে আমি শান্ত, সুস্থ ও সুখী আছি।”

    প্রসঙ্গত, রুনা লায়লার জন্ম ১৯৭০ সালে পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯৬৬ সালে উর্দু ভাষার হাম দোনো চলচ্চিত্রে ‘নাজরোঁ সে মোহাব্বত কা জো পয়গম মিলা’ গান দিয়ে তিনি সংগীতজগতে প্রবেশ করেন। তিনি ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তান টেলিভিশনে নিয়মিত পরিবেশনা করতেন। ভারতেও তার খ্যাতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে ‘ও মেরা বাবু চেল চাবিলা’ ও ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ গানের মাধ্যমে। তার অসাধারণ কণ্ঠস্বর ও সংগীতের মাধ্যমে তিনি উপমহাদেশের অধিক মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

  • তামিলনাড়ুর নির্বাচনে বিজয় রেকর্ড ভেঙেছেন, প্রথমবারের মতো ভোটে জয় লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী

    তামিলনাড়ুর নির্বাচনে বিজয় রেকর্ড ভেঙেছেন, প্রথমবারের মতো ভোটে জয় লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী

    নিজের প্রথম নির্বাচনের সেটিই ছিল বিরাট এক সফলতা। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিতে পা রাখতে গিয়ে জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি এখন তামিলনাড়ুর প্রথম অভিনেতা-নেতা, যিনি নিজের প্রথম নির্বাচনে জয় লাভ করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন। এই ঘটনা এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতির ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    ১৯৭৭ সালে তামিল সিনেমার একজন তারকা অভিনেতা এমজি রামাচন্দ্রান প্রথমবারের মতো নির্বাচনে জিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন। এরপর থেকে এই চিত্রটি দেখা যায়নি, কারণ অধিকাংশ চলচ্চিত্র তারকা বা অভিনেত্রী রাজনৈতিক সফলতা অর্জন করতে পারেননি। এমজি রামাচন্দ্রান জন্মগতভাবে রাজনীতি শুরু করেননি, তবে তিনি তার দলের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান গড়েন। এরপর বেশ কিছু চলচ্চিত্র তারকা নিজেকে রাজনীতির সমর্থকদের জন্য প্রস্তুত করলেও, তারা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার মতো উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারেননি। জয়ললিতা, যারা একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন, তিনি একসময় এআইএডিএমকে দলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও, তিনি নিজে কোনো নতুন দল তৈরি না করে ঐ দলের মধ্যেই থেকে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। তবে তিনিও এরপর আর কখনো এই চূড়ান্ত পদে পৌঁছাতে পারেননি।

    বিজয় এখন সেই ঐতিহ্যকে ভেঙে দিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নিজের দল তামিলাগা ভেট্টরি কোজাগাম (টিভিকে) এর প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। এই নির্বাচনে তিনি নিজে বিজয়ী হয়েছেন, পাশাপাশি তার দল ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে বিরাট সাফল্য দেখিয়েছে। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট ২৩৪ আসন রয়েছে, যেখানে সরকার গঠন করতে হলে কমপক্ষে ১১৯ আসনে জয়প্রাপ্ত হতে হয়। তবে এই ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি স্পষ্ট করে দেয় যে বিজয় তার দলসহ পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। পররাষ্ট্রে বিধানসভা সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দল বা জোটের সঙ্গে জোট বেঁধে কাজ করতে হবে। তবে এই ফলাফল নিশ্চিত করে দেয় যে, বিজয় ও তার দল এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন।

    এটা সম্ভব হয়েছে মূলত এমজি রামাচন্দ্রান রাজনীতির কৌশল অনুসরণ করে। তিনি তার বিশাল ভক্তশ্রেণিকে ভোটার ও রাজনীতির কর্মী হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন। বিজয়ও একই পথে হাঁটছেন। ২০০৯ সালে তিনি তার ভক্তদের সংগঠিত করতে শুরু করেন, বিভিন্ন গ্রুপের সমন্বয়ে ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যবদ্ধ সংগঠন গড়ে তোলেন। এটি সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি এই দলের সমর্থন নিয়েছেন। ২০২১ সালে তিনি এই দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজে একটি স্বতন্ত্র দল গঠন করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে নতুন দলের নাম রেখেছেন তামিলাগা ভেট্টরি কোজাগাম, এবং তিনি সেই দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।

    এভাবে একদিকে যেমন তিনি দর্শকের বিনোদন দুনিয়া থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, অন্যদিকে এমজি রামাচন্দ্রনের মতো কৌশল অবলম্বন করে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। এটি তামিলনাড়ুর রাজনীতির এক নতুন অধ্যায়, যেখানে প্রথমবারের মতো একজন চলচ্চিত্র তারকা সরাসরি নির্বাচনে জয় লাভ করে রাজ্যের শীর্ষ পদে উঠছেন।

  • ঢাকার অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমী কাপ ফুটবলে এসবিআলী সেমিফাইনালে

    ঢাকার অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমী কাপ ফুটবলে এসবিআলী সেমিফাইনালে

    বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরাম এর উদ্যোগে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহযোগিতা এবং বসুন্ধরা কিংসের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা কিংস বিএফএসএফ অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমী কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পৌঁছেছে এসবিআলী ফুটবল একাডেমী খুলনা।

    সোমবার (৪ মে) ঢাকার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল এসবিআলী ফুটবল একাডেমী খুলনা এবং হরিয়ান ফুটবল একাডেমী রাজশাহী। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে এসবিআলী ক্লাব ৩-১ গোলে হারায় রাজশাহী বিভাগের হরিয়ানা একাডেমিকে। গোলগুলো করেন ইমরান, শিশির এবং অন্তর। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন এসবিআলী ফুটবল একাডেমীর ইয়াসিন।

    আগামী ৬ মে বিকেল ৪টায় সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    এসবিআলী ফুটবল একাডেমীর খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন আকাশ, হামিম, হোসাইন, জামিল, রিফাত, ইয়াসিন, শিশির, অন্তর, সুজন, সাব্বির, অংকন, বাইজিদ, সৌরভ, অনিক, রোহিত, তাজ, ইমরান, আবির, নাফিস, রাফি ও আইয়ান। দলের সঙ্গে রয়েছেন টিম ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, প্রধান কোচ শহিদুল ইসলাম এবং সহকারী কোচ নুরুল ইসলাম শিমুল।

  • বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ জুনের র‍্যাঙ্কিং আপডেটে দেখা গেছে, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে। এই উন্নতি এসেছে বাংলাদেশের বার্ষিক রেটিং হালনাগাদে।

    বর্তমান র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, শীর্ষে রয়েছে ভারত, যারা সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তাদের পয়েন্ট এখন ২৭৫। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড (২৬২ পয়েন্ট), আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া (২৫৮ পয়েন্ট)। আইসিসির এই র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ সাত দলের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

    নিউজিল্যান্ড চার্থে রয়েছে ২৪৭ পয়েন্টের সঙ্গে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা আছে পঞ্চম স্থানে (২৪৪ পয়েন্ট), পাকিস্তান ষষ্ঠ (২৪০ পয়েন্ট), এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সপ্তম স্থানে (২৩৩ পয়েন্ট)।

    অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট কমিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে। তুলনায়, বাংলাদেশ ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে উঠে এসেছে অষ্টম স্থানে, যেখানে আগের আপডেটে তাদের পয়েন্ট ছিল কম। এই ফলাফলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে গেছে পাকিস্তানকে, যার পয়েন্ট ২৪০।

    বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ এই আপডেটে মোট ১ পয়েন্ট অ্যাড করেন।

    এছাড়া, ১০ম স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান (২২০ পয়েন্ট), যেখানে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড যথাক্রমে অনির্বাচিত অবস্থানে থাকছে।

    অন্য দিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ উন্নতি করে ১৩তম স্থানে উঠেছে, যেখানে তারা এখন ৬ পয়েন্ট বেশি অর্থাৎ ২১১ পয়েন্ট। তারা এই অবস্থানে এসে নেদারল্যান্ডস এবং স্কটল্যান্ডের বাইরে চলে গেছে। উভয়ে যথাক্রমে ১৪ ও ১৫ নম্বরে অবস্থান করছে।