Blog

  • লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

    লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করে জ্ঞান হারানোর পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই তথ্য জানিয়েছেন তার প্রিয় বন্ধু, ‘ডানা ভাই’ খ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কামরুন নাহার ডানা।

    শনিবার (৯ মে) 오후 এক পোস্টে ডানা লিখেছেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন কারিনার শরীরে হেপাটাইটিস এ এবং ই ধরা পড়েছে, যার ফলে তার লিভার ব্যর্থতা দেখা দিয়েছে। এখন তিনি আইসিইউতে রয়েছেন, তবে গত রাতে তার জীবন রক্ষার্থে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

    কারিনার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তার পরিবার তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ডানা তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন—দয়া করে ওর জন্য দোয়া করুন, যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি ও কতটা মেধাবী ও অসাধারণ একজন মানুষ। এইভাবে ওকে হারতে দেব না। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, মন থেকে কারিনার জন্য প্রার্থনা করুন।’

    ডানা আরও জানিয়েছেন, যদি চিকিৎসার জন্য অর্থের দরকার হয়, তবে সেই বিষয়ে পরবর্তীতে সবাইকে জানানো হবে। তবে এই মুহূর্তে তার একমাত্র চাওয়া—সবাই যেন মনোযোগ দিয়ে কারিনার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন।

  • হলিউডে দিশা পাটানি মাতাবেন সেজে

    হলিউডে দিশা পাটানি মাতাবেন সেজে

    সিনেমার জন্য স্বপ্ন দেখেন অনেক তারকা, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের মনে নিজের আলোর ঝলক ছড়িয়ে দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বলিউডের কিছু তারকা ইতিমধ্যে হলিউডের দুনিয়ায় নিজের স্থান করে নিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাড়ুকোনের মতো অভিনেত্রীরা সফলতার সঙ্গে এই পথে এগিয়ে গিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন আরও একজন বলিউডের চমকপ্রদ সুন্দরী—দিশা পাটানি।

    দিশা তার পর্দায় অন্যরকম উষ্ণতা এবং চূড়ান্ত রুচিশীল সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। শুধুমাত্র সিনেমায় নয়, সামাজিক মাধ্যমে তার অনবদ্য সৌন্দর্য ও ঝলকানি দর্শকদের মনকে জয় করে নেয়। নানা ধরনের অ্যাকটিভ লুকে তিনি নানা সময়ে উপস্থিত হন, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত। বিশেষ করে তার ‘বাঘি’ সিরিজের মতো সিনেমায় ঘষ দেখানো রূপ দেখে অনেকেই মুগ্ধ হন।

    এবার তিনি হলিউডে পা রাখতে চলেছেন কিছু চমকপ্রদ প্রজেক্টের মধ্য দিয়ে। তিনি অভিনয় করবেন অ্যাকশন-থ্রিলার সিরিজ ‘স্ট্যাটিগার্ডস ভার্সেস হোলিগার্ডস সাগা’ তে, যেখানে তার চরিত্রের নাম হবে ‘জেসিকা’। প্রথম কিস্তি হিসেবে এটি মুক্তি পাবে ‘দ্য পোর্টাল অব ফোর্স’ নামে। এর ট্রেলার ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দেখা যায় ছবিটি বোল্ড এবং অ্যাকশনের ঝলক।

    জানা গেছে, এই সিনেমায় দিশা প্রধান চরিত্র ‘জেসিকা’র ভূমিকায় অভিনয় করবেন। হলিউডে তার কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গল্প বলার জন্য কোনো ভাষা বা দেশের সীমা নেই। আমি সবসময় অ্যাকশন ঘরানার ছবি পছন্দ করি।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রথম আন্তর্জাতিক কাজে অংশ নেওয়ার জন্য আমি অনেক উচ্ছ্বসিত। এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। খানিকটা ভয় থাকলেও এই সুযোগটা আমাকে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার এক অসাধারণ সুযোগ দিয়েছে।’

    অতএব, এখন আর দেরি না করে অপেক্ষায় থাকুন—প্রিয়াঙ্কা, দীপিকা এবং এখন দিশা পাটানির মতো বলিউডের হট কীর্তি কিভাবে হলিউডের পর্দায় নিজের ঝলক দেখাচ্ছেন। দর্শকদের মনে এই নতুন অর্জন কতটা সাড়া জাগায়, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

  • বিশ্বকাপে ঝড় তুলবেন ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা

    বিশ্বকাপে ঝড় তুলবেন ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা

    অল্প কিছু দিন বাকি, আর তারপরই বিশ্বজুড়ে ফুটবল উৎসব শুরু হবে। এই মহাযজ্ঞের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে কেনাকাটাও শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে, আবারও আলোচনায় এসেছে আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিসা, যিনি এবার ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন বলে নিশ্চিত হয়েছে। এই আসর চলবে আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো মিলিয়েই, যেখানে তিন দেশ একত্রিতভাবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আয়োজন করছে। সংগঠকরা জানিয়েছেন, এবারের উদ্বোধনী কনসার্টে পারফর্ম করবেন ব্যান্ড ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্য লিসা। এর আগেও, বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে একজন নারী কেপপ শিল্পী অংশ নেবেন— এই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করে, লিসাই এ বার সেই দুর্দান্ত সুযোগ পাচ্ছেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে বিটিএসের জাংকুক ‘ড্রিমার্স’ গানটি পরিবেশন করেছিলেন, সেটিও ছিল একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

  • জয়া আহসানের হাইকোর্টে রিট: ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধের দাবি

    জয়া আহসানের হাইকোর্টে রিট: ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধের দাবি

    বাংলাদেশে ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য ও পুনরায় বিক্রির মতো গুরুতর কারিগরি বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। এই আবেদনটি করেছেন বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসান। তারা এই রিটের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার (১১ মে) ঢাকার হাইকোর্টে এই রিটটি দায়ের হয়, যেখানে আইনজীবীরা উল্লেখ করেন যে, অসুস্থ এবং অসুন্দরভাবে হত্যা করা ঘোড়াগুলোর মাংস প্রতারণামূলকভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন অনুরোধ ও অভিযোগের পরও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।

    রিটে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে প্রাপ্ত আলামত ও তথ্য, যেখানে অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির চক্রটি ধরা পড়েছে। অভিযানে প্রায় ৩৬টি অসুস্থ ঘোড়া, বেশ কিছু মৃতদেহ ও বিপুল পরিমাণ অস্বাস্থ্যকর মাংস উদ্ধার হয়। এই মাংসের মধ্যে কিছু এমন ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়, যা মানুষের জন্য মারাত্মক সুস্থতার ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় দেখা যায়, এই মাংসের মধ্যে পরজীবী, ছত্রাক, যক্ষা সংক্রমণ ও অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি।

    অভিযানের সময় জানা যায়, এসব বিষাক্ত ও অস্বাস্থ্যকর মাংস কোনও প্রকার নিয়ন্ত্রিত আইনের আওতায় আসছে না, এবং বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এই বিষয়ে কার্যকর ও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    তবে, বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ও পর্যাপ্ত মনিটরিং-এর অভাবের কারণে অবৈধ এই চক্রটি এখনও চালু রয়েছে। বারবার গাজীপুরের পুলিশ ও প্রশাসন এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের জন্য নির্দেশনা দিলেও তার যথাযথ অনুসরণ হয়নি। এর ফলে, অবৈধ এই ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ ও অস্পষ্ট অবস্থায় থাকা ঘোড়াগুলি নিলামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে জোড় দাবি, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি কার্যকরি জাতীয় পরিকল্পনা ও নির্দেশিকা প্রস্তুত করা, উদ্ধারকৃত অসুস্থ প্রাণীগুলোর জন্য যথাযথ যত্ন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। এর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও প্রাণী কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, এই অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এর ফলে মানুষের মধ্যে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা অতি ঝুঁকিপূর্ণ। গাজীপুরের বিভিন্ন অভিযানে এসব অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক মাংসের অস্তিত্ব ধরা পড়লেও, কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে এই অবৈধ বাণিজ্য এখনো চালু রয়েছে। এ কারণে জনস্বার্থে এই বিষয়ে কঠোর হস্তক্ষেপ ও সম্পূর্ণ কার্যপ্রণালী গ্রহণের জন্য বারবার সচেতনতা ও আহ্বান জানানো হচ্ছে।

  • 17 বছর পর বাংলাদেশের টেস্টে তাসকিনের ব্যক্তিগত অর্জন

    17 বছর পর বাংলাদেশের টেস্টে তাসকিনের ব্যক্তিগত অর্জন

    বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে আজ। দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে একজন পেস বোলার টেস্টে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন। তিনি হলেন তাসকিন আহমেদ, যিনি দেশের তৃতীয় পেসার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন।

    ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন তাসকিনের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, শরীর হয়ত পুরোপুরি সতেজ নয়। রান-আপে ক্লান্তি, গতি কমে যাওয়া ও ধারহীন স্পেল—সব মিলিয়ে একদমই স্বাভাবিক ছিল না তার মনোভাব। তবে পরের দিন সকালে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ফিরে আসলেন, দেখালেন পরিকল্পনা, ধৈর্য্য ও অভিজ্ঞতার জয়। গতি বা বাউন্সে অগ্নিশিখা না ছড়িয়ে, ব্যাটারদের চাপের মধ্যে রাখতে সক্ষম হয়েছেন নিরবচ্ছিন্নভাবে। জোড়া উইকেট নিয়েছেন, আর যদি নো-বলের দুর্ভাগ্য না থাকত, তাহলে আরও একটি উইকেট তুলে নেওয়ার সুযোগও থাকত।

    ২০০৯ সালে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শাহাদাত হোসেন প্রায় সেসময়ই এই মাহফিলে পৌঁছেছিলেন। এরপর আর কেউ এই স্বীকৃতি পাননি। সময়ের সাথে সাথে অধিনায়ক বদলেছে, নতুন প্রজন্ম এসেছে, কিন্তু পেস আক্রমণে ৫০ উইকেটের সংখ্যাটা ছিল অধরা। আজ তাসকিন সেই অপেক্ষা শেষ করেছেন।

    বিশ্ব ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে ৫০ উইকেট খুব বড় কোনো মানদণ্ড না হলেও, বাংলাদেশের জন্য এটি এক বিশাল অর্জন। ২৬ বছর দীর্ঘ টেস্ট ইতিহাসে মাত্র তিনজন পেসার এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তাসকিন করেছেন মাত্র ১৮ টেস্টে, যেখানে মাশরাফি লেগেছিল ১৯টি এবং শাহাদাতের প্রয়োজনে ছিল ২১টি। মাশরাফি ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৭৮ উইকেট নিয়ে, শাহাদাতের সংগ্রহ ছিল ৭২।

    এখন দেখা হচ্ছে, কি তাসকিন আরও কি পারবেন? কি পারবেন আরও ৫০ বা ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করতে? বয়স এখন ৩১, পথটা বেশ কঠিন হলেও অসম্ভব নয়—প্রেরণা ও মনোবল থাকলেই এই লক্ষ্য পূরণ সহজ হবে।

  • বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল ঘোষণা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু

    বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল ঘোষণা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের মূল আসর হিসেবে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের নারী ক্রিকেট দল ঘোষণা করেছে। এই দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি, যিনি দলের অধিনায়ক থাকবেন। পাশাপাশি সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন নাহিদা আক্তার।

    বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত এই স্কোয়াডে শারমিন সুলতানার জায়গা হয়নি। তার পরিবর্তে দলে ফিরেছেন তাজনেহার, যিনি এখন পর্যন্ত মোট আটটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৪৪ রান করেছেন। সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, তার নির্বাচনের মূল কারণ হলো একাধিক পজিশনে ব্যাট করতে পারার ক্ষমতা—অর্থাৎ তিনি এক থেকে ছয় নম্বর পজিশনে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে খেলতে পারেন।

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ নারী দল আগামী ২৫ মে স্কটল্যান্ডের এডিনבורে উড়াল দেবে। সেখানে তারা স্বাগতিক স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ, যা তাদের জন্য প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হওয়ার পর, টাইগ্রেসরা যাবে ইংল্যান্ডের লংবরোতে। সেখানে তারা বিশ্বকাপের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে, যেখানে মূল লক্ষ্য হলো কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়া এবং আসরের জন্য সেরা সমন্বয় গড়ে তোলা।

    আগামী ১৪ জুন এজবাস্টনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এই বৈশ্বিক আসরে ভালো পারফরম্যান্সের আশা করছে বিসিবি, এবং তাই দলটি গঠন করেছে অভিজ্ঞ এবং তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে।

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের স্কোয়াডে থাকছেন: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুরাইরিয়া ফেরদৌস এবং তাজনেহার।

  • মিরাজের পাঁচ উইকেটে বাংলাদেশের দৃঢ এগিয়ে থাকা

    মিরাজের পাঁচ উইকেটে বাংলাদেশের দৃঢ এগিয়ে থাকা

    বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের জবাবে পাকিস্তান শুরুটা দুর্দান্ত করে। প্রথমে ওপেনার আজান অভিষেকের প্রথম ইনিংসেই ক্যারিয়ার সেঞ্চুরি করে ৮৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৫৩ বলের মোকাবেলায় ১৪ চার হাঁকিয়ে জীবনবৃত্তান্তে এই বিরল সাফল্য তুলে আনেন তিনি। তবে এর কিছু সময় পরেই পাকিস্তানকে প্রথম সুরঞ্জনা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ, তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের দলের জন্য প্রথম ব্রেকথ্রু সৃষ্টি করেন। আজানের ১৬৫ বলের ইনিংস ছিল ১০৩ রান, যেখানে ১৪টি চারে তিনি নিজের ব্যাটিংয়ের দক্ষতা দেখিয়ে যান।

    এরপর দলের দ্বিতীয় অর্ধেকের শুরুতে, ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটার দ্রুত ৫০ পেরিয়ে যান। পরবর্তীতে তিনি ৬০ রান করে সাদমানের ক্যাচে পরিণত হন। এরপরই পাকিস্তানি গ্রুপে কিছুটা ধস নামে, কারণ বাংলাদেশ দ্রুত তিন উইকেট হারায়। অধিনায়ক শান মাসুদ (৯) ও সৌদ শাকিলকে (শূন্য) তুলে নেওয়া হয় তাসকিনের হাত ধরে।

    অভিষেকের পর ফজল মাসুদ ৬০ রান করে মারাত্মক উদ্বেগ সৃষ্টি করেন, যদিও এরপর তাকে মেহেদী হাসানের বলেই আউট করা হয়। এই সময়ে, পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে পাকিস্তানি ফজল ১০৩ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

    পাকিস্তান ১ উইকেটে ২১০ রান সংগ্রহ করে, কিন্তু এরপরই তারা ব্যাটিং ধস নামে। সালমান আগা ও রিজওয়ান দলের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যান। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের যোগফল ১১৯ রান, যেখানে রিজওয়ান ৫৯ এবং সালমান ৫৮ রান করেন।

    অবশেষে, বাংলাদেশের স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ তার দুর্দান্ত ফাইফোলে পাকিস্তানের ৫ উইকেট শিকার করেন, যার ফলে পাকিস্তান ২৩০ রানেই অলআউট হয়। এই জুটির মাধ্যমে তারা বেশ আরামদায়ক লিড নিয়েছেন, অন্তত ২৭ রান।

    বাংলাদেশের জন্য মূল অবদান রাখেন শান্ত (১০১), মুমিনুল হক (৯১) ও মুশফিকুর রহিম (৭১)। পাকিস্তানের পক্ষে ৫ উইকেট নেন মুহাম্মদ আব্বাস। এই কার্যদক্ষতা ও দলের পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছে গেছে, যার ফলে পরিস্থিতি এখন তাদের পক্ষে রয়েছে।

  • বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপ খেলেনি, খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়ের কমিটি গঠন

    বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপ খেলেনি, খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়ের কমিটি গঠন

    সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। এ বিষয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এই জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অণুবিভাগ) কেএম অলিউল্ল্যাকে। সাথে রয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এবং আইনজীবী ফয়সালা দস্তগীর। এই তিন সদস্যের কমিটিকে নিযুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন অংশগ্রহণ করেনি, তার কারণ খুঁজে বের করার দায়িত্ব। আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব অংগ্যজাই মারমা এই অফিস আদেশ স্বাক্ষর করেছেন।

  • শেষ দিনের উত্তেজনার জন্য প্রস্তুত মিরপুর টেস্ট

    শেষ দিনের উত্তেজনার জন্য প্রস্তুত মিরপুর টেস্ট

    চতুর্থ দিন শুরুতেই বাংলাদেশের দুই ওপেনার সুবিধা করতে না পারলেও, সংশ্লিষ্ট কৌশলে এগিয়ে যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। তাদের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দেয় এবং পরিস্থিতি তাদের পক্ষে এগিয়ে নেয়। তবে বড় সংগ্রহের লক্ষ্য থাকলেও বৃষ্টির কারণে দিনের দ্বিতীয় সেশনটি সম্পূর্ণই বাতিল হতে বাধ্য হয়। চা বিরতির পর খেলা চালু হলেও আলো কম থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই খেলা শেষ করতে হয় আম্পায়ারদের, ফলে ম্যাচটি গড়ায় পঞ্চম দিনের দিকে।

    চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫২ রান, যেখানে তারা এখন ১৭৯ রানের লিড পেয়ে গেছে। এর আগের দিন বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান সংগ্রহ করে, আর পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে।

    দিনের শুরুতে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৫) ও সাদমান ইসলাম (১০) কিছুটা চাপের মধ্যে পড়লেও, পরে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক দুর্দান্ত শুরুর ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। তারা ১০৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে পরিস্থিতি বাংলাদেশে ফেরান। ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূরণ করেন দুজনই। তবে ১২৮ রানে আমিরের বলেই মুমিনুল হক ৫৬ রান করে আউট হলে জুটি ভেঙে যায়।

    এ ছাড়া, এই ইনিংসসহ টেস্টে গত পাঁচ ইনিংসে টানা হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড করেন মুমিনুল, এর আগে এমন কীর্তি গড়েছিলেন তামিম ইকবাল, যিনি ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মার্চ থেকে জুনের মধ্যে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করেছিলেন। সেই সময়ে লর্ডস ও ম্যানচেস্টারে তার দুটো অসাধারণ সেঞ্চুরি ছিল।

    মুমিনুল আউট হওয়ার পরে, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৬ বলে ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকেন, আর তার সাথে ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

    প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৪১৩ রান করে, যেখানে শান্ত ১০১, মমিনুল ৯১ এবং মুশফিক ৭১ রান করেন। উত্তর এ ব্যাটিং করে পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রানে অলআউট হয়। অভিষিক্ত আজান আওয়াইস ১০৩-এর সেঞ্চুরি ও আব্দুল্লাহ ফজল ৬০-এর হাফসেঞ্চুরি করেন, তবে মেহেদী হাসান মিরাজের ৫ উইকেটের কারণে বড় লিড নিতে পারেনি পাকিস্তান। ফলে, প্রথম ইনিংস শেষে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিড নেয়।

    চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশের দখলদারিত্ব স্পষ্ট হয়ে গেছে, আর পঞ্চম দিন তারা দ্রুত রান সংগ্রহ করে বড় লক্ষ্য তৈরি করতে চায়। এই ম্যাচে তাদের লক্ষ্য হবে পাকিস্তানের সামনে বড় সংগ্রহ তুলে ধরা। চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা শেষ দিনে অপেক্ষায় থাকবেন দ্রুত কিছু রান তুলে মনোযোগ দেয়ার জন্য, যেন সম্ভব হয় জয় ছিনিয়ে নেয়া ও ম্যাচ জয়।

  • যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বশান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি: ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বশান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি: ইরান

    ইরান আবারও যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সম্প্রতি তেহরানের পক্ষ থেকে এক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি ও তাদের সামরিক স্থাপনা সহিংসতা ও দাদাগিরির চক্র সৃষ্টি করছে, যা অঞ্চলটিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি অযৌক্তিকভাবে উপস্থাপন করছে, যেখানে এর বিপরীতে ইরানের দাবিগুলো হলো—অবরোধ তুলে নেওয়া, ইরানের সম্পদ মুক্তি দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা।

    বাঘাই বলেন, ‘ইরান নিজেকে একটি দায়িত্বশীল আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে প্রমাণ করে আসছে। আমরা কোনো দাদাগিরি করছি না; বরং দাদাগিরির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছি।’ তিনি বিস্তারিতভাবে ইরানের দাবিগুলোর তালিকা তুলে ধরেন, যেখানে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা, দেশের অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার করা এবং পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।

    ইরানের এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে উদার ও দায়িত্বশীল বলে অভিহিত করে বাঘাই বলেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ইরান লেবাননসহ অন্যান্য এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংকল্পবদ্ধ। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো বা অবরোধে সহায়তা দেওয়া থেকে বিরত থাকার। বাঘাই জানান, ‘যদিও এই যুদ্ধের ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, তবে এটি শুধুমাত্র অনৈতিক নয়, বরং অবৈধও।

    তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সৃষ্টি করছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত নয় এই ফাঁদে পা দেওয়া। সকলের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল