Blog

  • ৯ মার্চ দেশে আসছে দুই তেলবাহী জাহাজ: তেলের মজুত পর্যাপ্ত — জ্বালানি মন্ত্রী

    ৯ মার্চ দেশে আসছে দুই তেলবাহী জাহাজ: তেলের মজুত পর্যাপ্ত — জ্বালানি মন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে তেলের যথেষ্ট মজুত আছে; তাই সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ণ হওয়ার দরকার নেই। তিনি জানান, আগামী ৯ মার্চ দেশে তেলবাহী দুটি জাহাজ পৌঁছাবে।

    শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হওয়া বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হচ্ছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে ব্রিফ করেছেন মন্ত্রী।

    টুকু জানান, সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত পরিসরে রেশনিং ব্যবস্থা নিয়েছে; কিন্তু কিছু মানুষ এই রেশনিং দেখে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করায় স্থানীয় কিছু পেট্রল পাম্পে সাময়িকভাবে তেলশূন্যতা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমাদের মজুত রয়েছে এবং ৯ তারিখে আরও দুইটি ভেসেল আসছে; তাই তেলের কোনো ঘাটতি হওয়ার কথা নয়।’’

    মন্ত্রী জনগণকে অহেতুক প্যানিক না করে স্বাভাবিকভাবে তেল কেনার আহ্বান জানান। তিনি মিডিয়াকে অনুরোধ করেন, জনগণকে জানান যেন তারা দ্রুত তেল কিনতে না ছুটে ভীড় না করে—রাতভর লাইনে থাকার প্রয়োজন নেই।

    কিছু পাম্পে তেল না পাওয়া সম্পর্কিত প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণে সরবরাহ করে। কোনো পাম্প যদি দ্রুত তেল বিক্রি করে ফেলে, তবে তাদের পরবর্তী সরবরাহ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। একই সঙ্গে তিনি জানান, পাম্পগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি মুনাফার আশায় তেল সরবরাহ বন্ধ করে রাখছে কি না—তারও তদন্ত করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট নামিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।

    মোটরসাইকেলের জন্য দুই লিটার তেলের রেশনিং বাড়ানো হবে কি না—এই বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আপাতত এরকম কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘‘কোথাও তেল নেই—এরকম কোনো পরিস্থিতি নেই, তবে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা আছে, তাই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’

    এলএনজি নিয়ে তিনি জানান, সরকার কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে এবং বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে সমস্যা না হয়। বর্তমানে দেশের এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলেও মন্ত্রী জানিয়েছেন।

    সবশেষে মন্ত্রী দেশবাসীকে হুঁশিয়ার করে বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই; তাও সচেতন থাকতে হবে এবং জ্বালানি দায়িত্ববলভাবে ব্যবহার করতে হবে। গণমাধ্যমকে তিনি পুনরায় অনুরোধ করেন—সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিন যাতে প্যানিক কেনাকাটা রোধ হয়।

  • ৯ মার্চ দুই তেলবাহী ভেসেল আসছে, উদ্বেগের কারণ নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    ৯ মার্চ দুই তেলবাহী ভেসেল আসছে, উদ্বেগের কারণ নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী ৯ মার্চ দুইটি তেলবাহী ভেসেল দেশে পৌঁছবে।

    শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সংলগ্ন স্থানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকার প্রধানমন্ত্রীর নিকটও বর্ণনা করেছেন মন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত পরিসরে তেলের রেশনিং ঘোষণ করা হয়েছে। কিন্তু রেশনিংয়ের খবরে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে তেল জমাতে শুরু করেছেন, যা স্থানীয়ভাবে সরবরাহ চেইনকে জটিল করে তুলছে। মন্ত্রী পুনরায় জানিয়েছেন, দেশের কোনো তেলের ঘাটতি নেই।

    কিছু পেট্রল পাম্পে তেল না পাওয়া যাচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে। কোনো পাম্প দ্রুতই স্টক বিক্রি করে ফেলে গেলে তাদের পরবর্তী সরবরাহ না আসা পর্যন্ত গ্রাহককে অপেক্ষা করতে হয়। বিষয়টি সরকার মনিটর করছে এবং দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

    মন্ত্রী বলেন, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি বিক্রি বন্ধ করে রাখছে কি না—এই ধরনের অনিয়ম তদন্ত করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোবাইল কোর্ট চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাল থেকে মোবাইল কোর্ট নামিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

    মোটরসাইকেলের জন্য থাকা দুই লিটার রেশনিং বাড়ানোর কোনো চিন্তা এখনই নেই—এ কথাও মন্ত্রী স্পষ্ট করেন।

    এলএনজি সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি জানান, সরকার কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করছে এবং পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলছে, যাতে ভবিষ্যতে সংকট না হয়। বর্তমানে দেশে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

    মন্ত্রী গণমাধ্যম এবং জনগণকে অনুরোধ করেন—হঠ করে তেল কিনতে যাবেন না, প্যানিক করবেন না। পেট্রল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ চলছে; মানুষ চাইলে তেল পাবে, সারারাত লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই।

    সবশেষে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি অদৃশ্য পর্যন্ত অনিশ্চিত থাকতে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। তবুও আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই; সবাইকে সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহার করার আহ্বান জানাচ্ছেন মন্ত্রী।

  • মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধে ৮ দিনে ২৬৮ ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধে ৮ দিনে ২৬৮ ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তাহীনতার প্রেক্ষিতে কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ রাখায় গত অল্প দিনের মধ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বহু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করে এবং ওই সময় থেকেই বাতিলের তালিকা বাড়ছে।

    বেবিচক সূত্রে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকা ছাড়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের বহু রুটে ফ্লাইট চলাচলে ব্যাঘাত আসে।

    তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত সূত্র বলছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি এবং ৬ মার্চ ৩৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। পাশাপাশি শনিবার (৭ মার্চ) বাতিল হয়েছে ২০টি ফ্লাইট। কর্তৃপক্ষের হিসাবে সাময়িকভাবে মোট ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিলের বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে।

    শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, গালফ এয়ারের ২টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট।

    বেবিচকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত আকাশপথে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যাত্রীরা তাদের নির্ধারিত বিমানের অবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আপডেট নিয়মিত দেখে যোগাযোগ করতে বলেন। বিমানযাত্রীরা বিকল্প রুট, ভ্রমণ পরিবর্তন ও প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত নীতিও আগে থেকে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

  • দিঘলিয়ার ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    দিঘলিয়ার ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অন্তর্গত দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    এর পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অধীন অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠন সূত্রে জানানো হয়েছে, উভয় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সভায় গ্রহণ করা হয়।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেন। সংগঠন সিদ্ধান্ত কার্যকরের পর এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে।

  • বিএনপি সংসদের খারাপ সংস্কৃতি বদলে নতুন সংস্কৃতি গড়তে চায়: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপি সংসদের খারাপ বা মন্দ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ও পেশাদার সংস্কৃতি গড়তে চান—এমন মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের নতুন সংসদ সদস্যদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন বলেন, কর্মশালায় সাংবিধানিক বিধি, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর, প্রচলিত রীতি-নীতি—কাস্টমস ও হাউস কনভেনশনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিশ্বে যেসব দেশ শক্তিশালী গণতন্ত্র চালায়, সেইসব সংসদের কার্যপ্রণালি ও শিষ্টাচার কিভাবে চলে তা নিয়েও প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন জেলায় জনগণ একপ্রকার নিশ্চিন্ত হবে এবং বলবে—এমনই সংসদ আমরা দেখতে চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, অতীতে সংসদে যেসব নেতিবাচক আচরণ গড়ে উঠেছে সেগুলো ধীরে ধীরে মানুষের মনে থেকে মুছে ফেলা হবে।

    নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে তিনি বলেন, যারা প্রথমবার সংসদে এসেছেন, তারা নতুনভাবে রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু করবেন এবং ভালোভাবে শিখবেন। ‘‘নবীনদের মধ্যে যদি খারাপ কোনো সংস্কৃতি না থাকে, তারা সুষ্ঠু শিক্ষা পাবে,’’ তিনি তুলে ধরেন এবং নবীন এমপি-দের সতেজ ও শালীন সাংস্কৃতিক ধারায় অভ্যস্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন এমপি-দের জনপ্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

    এ কর্মশালায় প্রথমবার নির্বাচিত বিএনপি সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যক্রম, বিধি-বিধান ও শালীন আচরণ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দুদিনের কর্মশালার শেষ দিনের সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের পাশাপাশি ফরিদপুর জেলার সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বিকেলের সেসনে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যরা থাকবেন।

    বিএনপির এক কর্মকর্তা জানান, আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরূপীদের লক্ষ্য করে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন অভিজ্ঞ সাবেক আমলা, একাডেমিশিয়ান ও প্রাক্তন সংসদ সদস্যরা এমপিদের দায়িত্বশীলতা, মন্ত্রিসভার членовর সংসদীয় রেওয়াজ ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় কৌশলগত ভূমিকা কিভাবে পালন করবেন—এসব বিষয়ে নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

  • শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অধীনস্থ দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অধীনস্থ অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উভয়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের উপর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। দল সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যালোচনার পর গৃহীত হয়েছে।

  • সংসদের খারাপ সংস্কৃতি বদলাতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন

    বিএনপি সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়—এমন কথা বলেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই তথ্য জানান।

    সালাহউদ্দিন বলেন, প্রশিক্ষণকালে সংবিধান, রুলস অব প্রসিডিউর, সংসদের রক্ষা-রীতিনীতি ও হাউস কনভেনশনের মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বের শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশের সংসদে যেসব পারদর্শী প্রথা চর্চা হয়, সেগুলো কেমন—সেবিষয়েও সদস্যদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়েছে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী সংসদ অধিবেশন তারিফ পাবে এবং এটি দেখে জনগণ আশ্বস্ত হবে। ‘‘এমন একটি সংসদই আমরা দেখতে চাই—যেটা মানুষ আশা করে। অতীতে সংসদের যে নেতিবাচক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, সেটি ধীরে ধীরে মানুষের মনে থেকে আমরা মুছে ফেলতে চাই,’’ বলে যোগ করেন তিনি।

    নবনির্বাচিত সদস্যদের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘‘নতুনরা নতুনভাবে যাত্রা শুরু করবে, শিখবে ভালো কাজের নিয়ম। একজন শিশুর মতই যখন সে পরিবেশে প্রবেশ করে তখন সতেজ সংস্কৃতি শেখে—ঠিকও সেই মনোভাব নিয়ে নবীন সাংসদদেরও তৈরি করছি।’’

    তিনি আরও বলেন, এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হচ্ছে সংসদ সদস্যদের জনপ্রতীক্ষা অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম করা। প্রথমবার নির্বাচিত বিএনপি এমপিদের জন্য দুই দিনের কর্মশালাটি মূলত সংসদীয় কার্যক্রম, বিধি-নিষেধ ও সংসদীয় শিষ্টাচার সম্পর্কিত।

    কর্মশালার শেষ দিনে সকালের সেশনে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের সঙ্গে ফরিদপুর জেলার সংসদ সদস্যরা অংশ নিয়েছেন; বিকেলের সেশনে অংশ নেবেন সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের এমপিরা।

    বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালায় অভিজ্ঞ সাবেক আমলা, একাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা অংশ নিয়ে এমপিদের দায়িত্ববোধ, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রীতিনীতি ও মন্ত্রণালয় পরিচালনার কৌশলগত ভূমিকা সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

  • মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় তেল দুই বছরে সর্বোচ্চ — বিশ্বঅর্থনীতিতে বড় ঝুঁকি

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় তেল দুই বছরে সর্বোচ্চ — বিশ্বঅর্থনীতিতে বড় ঝুঁকি

    মধ্যপ্রাচ্যে তল্লাশা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম দ্রুত উঠছে। গত দুই বছরের মধ্যে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বিকাশ পেয়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৩ ডলার স্পর্শ করেছে, যা আগের বছরের শরতের পর সর্বোচ্চ। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, উপসাগরীয় তেল ও গ্যাস রফতানিকারক দেশগুলো সামনের কয়েক দিনে উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হতে পারে—যা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।

    কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, বর্তমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতির উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি সতর্ক করেছেন, যদি যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয় তাহলে আন্তর্জাতিক তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    বাজার বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, তেলের এমন উত্থান সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়িক খাতে তীব্র প্রভাব ফেলবে। পরিবহন খরচ বাড়া ছাড়াও হিটিং, খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহণ খরচ বাড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দামও বড় মাত্রায় ওঠে যাবে। কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ব্যয় বেড়ে গেলে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

    কাতার এনার্জি জানিয়েছে, তাদের একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) উৎপাদন কেন্দ্রে সামরিক হামলার কারণে সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে। একই সঙ্গে, হরমুজ স্রোত—যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহন করে—এই সংকটকালে খুবই সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহে ইরান ও মার্কিন-ইস্রায়েল সম্পর্কিত সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই জলপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হয়েছে, ফলে চীন, ভারত ও জাপানসহ রফতানিকারক দেশগুলোর জন্য সংকট তৈরি হয়েছে।

    রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিওন এই পরিস্থিতিকে “বাস্তব ঝুঁকি” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে আছি যেখানে পরিষ্কার নয় এটি কি কেবল সাময়িক অস্থিরতা নাকি একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সূচনা। যদি সরবরাহ ব্যবস্থা দুই সপ্তাহের বেশি স্থবির থাকে, তাতে বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

    যুক্তরাজ্যের বাজার তদারকি সংস্থা সিএমএ এবং জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফজেম পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্যে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, যদিও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে কিছুদিনের তেল মজুত রয়েছে, কিন্তু সেই মজুত শেষ হলে এবং যদি উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ থাকে, তবেই বিশ্ববাজার পরিস্থিতি সামলাতে কঠিন হবে।

    পরিস্থিতি শান্ত না হলে সরকারগুলো জরুরি তেল মজুত মুক্ত করার মতো পরিকল্পনা নিতে পারে—যেমনটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দেখা গিয়েছিল। তবে তা সাময়িক সমাধান; দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত মজুত বৃদ্ধি ও বৈকল্পিক রুট নিশ্চিত করাই বাজারকে স্থিতিশীল রাখার চাবিকাঠি হবে। ইতিমধ্যেই বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকরা অনিশ্চয়তার প্রভাব মোকাবিলায় তৎপর। বিশ্ববাজারে তেলের ভবিষ্যৎ গতিবিধি এবং সংঘাতের মেয়াদই এখন নির্ধারণ করবে আগামীর দাম ও অর্থনীতির টেকসইতা।

  • আন্তর্জাতিক পতনে সোনার দাম ভরিতে ৯,২১৪ টাকা কমল

    আন্তর্জাতিক পতনে সোনার দাম ভরিতে ৯,২১৪ টাকা কমল

    আন্তর্জাতিক বাজারে বড় পতনের প্রভাব পড়ে দেশি বাজারেও সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বাজুস জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকার মতো দাম কমানো হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরিপ্রতি দাম কমে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায়, যা গতকাল ছিল দুই লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা।

    বাজুস বুধবার (৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র দরপতনের কারণে স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    বেঁধে দেওয়া আনুষ্ঠানিক দামের বিস্তারিত অনুসারে: ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম দুই লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম দুই লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা; ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম দুই লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন তালিকায় ২২ ক্যারেট রুপার এক ভরির মূল্য ৬ হাজার ৫৩২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ২৪০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা রাখা হয়েছে।

    রাজনীতি ও নিরাপত্তগত উত্তেজনার প্রেক্ষিতে গত কয়েকদিনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ওঠানামা করেছিল। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংক্রান্ত উত্তেজনার ফলে গত তিনদিন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়তে থাকে, কিন্তু আজ তা বড় আকারে পড়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি–র তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৫ হাজার ১৬৪ ডলার, যেখানে গতকাল সেটি ছিল ৫ হাজার ৩৫৯ ডলার।

    এর আগে ভারতের বাজারে ও বিশ্ববাজারে গত মাসের শেষ দিকে সোনার দাম দ্রুত বেড়ে রেকর্ড স্পর্শ করেছিল। বিশেষ করে ২৯ জানুয়ারিতে দেশে একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ইতিহাসে সর্বোচ্চ দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেই সময় থেকে দাম ওঠানামা করেই চলেছে।

    শেয়ারবাজার ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির প্রভাবের কারণে মূল্যবৃদ্ধি ও হ্রাস দুটোই বাজারে দেখা যায়। যেখানে সোনার দাম কমেছে সেখানে ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা এই সুযোগে কেনাকাটা বিবেচনা করতে পারেন, আবার বিগত ওঠানামা বিবেচনায় সতর্কতা বজায় রাখাই যুক্তিযুক্ত হবে।

  • বিশ্ববাজারে পতনের প্রভাবে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৯,২১৪ টাকা কমল

    বিশ্ববাজারে পতনের প্রভাবে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৯,২১৪ টাকা কমল

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর নেমে আসায় দেশের বাজারেও সোনার দাম কমানো হয়েছে—এমন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৯,২১৪ টাকা পর্যন্ত দাম কাটা হয়েছে।

    বাজুস বুধবার (৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন মূল্যসুচি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর। এতে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা; গতকাল একই ছিল ২৭৭,৪২৮ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের দামও এই অনুপাতেই কমানো হয়েছে—২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২,৫৬,০২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২,১৯,৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি ১,৭৯,১৫৯ টাকা করা হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। সোনার সঙ্গে রুপার (রুপা) দামও সমন্বয় করা হয়েছে—২২ ক্যারেট রুপার এক ভরি ৬,৫৩২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬,২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪,০২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত কয়েক দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংক্রান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ছিল। তবে আজ আন্তর্জাতিক দর দুর্বল হয়ে ১ আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৫,১৬৪ ডলারে; গতকাল এটি ছিল ৫,৩৫৯ ডলার—অর্থাৎ мировবাজারে দরপতন দেখা গেছে। (সূত্র: গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি)।

    সূত্রে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের শেষ জানুয়ারিতে সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল—৩০ জানুয়ারি এক আউন্সের দাম ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার তোলা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারের উত্থানের প্রভাব পড়ে; ২৯ জানুয়ারি একবারে প্রতি ভরিতে ১৬,২১৩ টাকা বৃদ্ধির ফলে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম রেকর্ডভাবে উঠে দাঁড়ায় দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

    সংক্ষেপে, আন্তর্জাতিক বাজারে পতনের ছায়া পড়ায় বাজুস দেশি বাজারে এক ধাপে দাম কেটে স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য সামঞ্জস্য করেছে। আগামীদিনে আন্তর্জাতিক দর কেমন ওঠানামা করবে, সেটিই ভবিষ্যৎ দামের নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।