Blog

  • শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

    শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারসহ ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবির সমর্থনে শাহবাগ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ নামে এক শান্তিপূর্ণ পথযাত্রা শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা তাদের একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ দাবি সামনে আনছেন।

    মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরবর্তীতে এটি সায়েন্সল্যাব, সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর, তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী আলোর পথে যাত্রা করে, আর শেষ হবে শাহবাগের হাদি চত্বরে এসে।

    কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পিকআপে করে ব্যাপক সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন। তারা সরকারের নীরবতা ও অবহেলার কারণে দ্রুত হত্যার বিচার অনিবার্য বলে দাবি করেন। দাবি সমর্থনে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেখানে মুখ্য ছিল— ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’; ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’; ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’; ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকায়, হাদি তোমায় দেখা যায়’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা।’

    অংশগ্রহণকারীরা এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন, দেশের আইনি কার্যক্রমে নিহতের প্রতিকার ও ন্যায্য বিচারের জন্য তারা সোচ্চার।

    ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি হলো:
    1. হত্যাকারী, হত্যার পরিকল্পনাকারী, সহায়তাকারী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত বিচার সুনিশ্চিত করতে ২৪ দিনের মধ্যে তদন্ত ও বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
    2. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
    3. ভারতের পক্ষ থেকে আশ্রিত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জোর দাবি জানিয়ে, না করলে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলাসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
    4. সিভিল, মিলিটারি ও ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা ফ্যাসিস্ট দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

  • নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা মুক্তি পেতে পারে

    নতুন বছরে শাকিব খানের চারটি সিনেমা মুক্তি পেতে পারে

    প্রভাবশালী অভিনেতা শাকিব খান এবার নতুন বছরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন চারটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল সিনেমা নিয়ে। তার অতীতের অন্যতম সফল সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তুফান’, ‘বরবাদ’ এবং ‘তাণ্ডব’, যেগুলো বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং তাকে বাংলা সিনেমার অন্যতম শীর্ষ অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে শাকিব নতুন বছরে চারটি বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন।

    মাস দুয়েক আগে শুরু হয়েছে তার অন্যতম নতুন সিনেমা ‘সোলজার’ এর শুটিং, যা মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। এই ছবিটি দিগন্ত ফাহাদ পরিচালনা করছেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, যদিও বর্তমানে এটি কিছুটা পিছিয়ে গেছে। বাংলাদেশ অংশের শুটিং ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। এছাড়া, শাকিবের অন্য দুটি সিনেমা—‘সোলজার’ ও ‘প্রিন্স’— তৈরির কার্যক্রম তুঙ্গে। ‘প্রিন্স’ সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ। এই ছবিতে শাকিবের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।

    এদিকে, চলতি বছরের ঈদুল আজহায় নির্মাতা রায়হান রাফী ও শাকিব খানের জুটিতে একমাত্র সিনেমা দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। রায়হান রাফী সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালেও তিনি শাকিব খানের সঙ্গে বড় পর্দায় ফিরবেন। যদিও সিনেমার নাম এখনও প্রকাশ হয়নি, তবে গুঞ্জন রয়েছে যে, এই সিনেমাটি ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে।

    অন্য একটি সিনেমার ব্যাপারে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি, কারণ এটি চলতি বছরের মাঝামাঝি শুরু হওয়া একটি নাট্য পরিচালকের সিনেমা। তবে পরিচালক এই বিষয়ে এখনই কোন মন্তব্য করতে রাজি নন।

    গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোর প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছেন শাকিব খান। তার সিনেমা মুক্তির পর হলে দর্শকের উপস্থিতি আবার বেড়ে যায়, যা সিনেমার ব্যবসাকে সতেজ করে তোলে। প্রযোজকরা এই অভিনেতার ওপর ভরসা রেখে থাকেন, কারণ তিনি চমৎকারভাবে লগ্নি ঘুরিয়ে আনতে সক্ষম। এর মাধ্যমে বোঝাযায়, শাকিব খানের প্রভাব বাংলাদেশি সিনেমার ব্যবসায় অটুট থাকছে এবং নতুন বছরের জন্য তিনি আরও বেশি বড় ও আকর্ষণীয় সিনেমা নিয়ে উপস্থিত হবেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    অবতরণ করেছেন ওমরাহ হজ পালনে সৌদি আরবে থাকা জনপ্রিয় টিকটকার প্রিন্স মামুন, তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। এই বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, বাসায় ঢুকে ধর্ষণের অভিযোগে লায়লা আখতার ফরহাদ নামে এক নারীর ওপর হামলার মামলায় আদালত তার জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন।

    মামলার মূল শুনানি ছিল ওই দিন, যেখানে মামুন অনুপস্থিত থাকেন কনকনে ওমরাহয়ের কারণে। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলেও, বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে জামিন বাতিলের আবেদন করতে বাধ্য হন। বাদীর আইনজীবী সরকারের সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) আদালতকে জানিয়েছেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অন্য একটি আদালতে ধর্ষণের মামলা চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান যে, মামুন এই অন্য মামলার আসামি বলে অভিযুক্ত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রদান করা হয়েছে।

    শুনানির শেষে আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে তার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং পাশাপাশি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৫ মার্চ তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

    আদালতের বিবরণ অনুযায়ী, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় ঘটে। ঘটনার দিন দেড়োটা সাড়ে পাঁচটার সময়, মামুন তার ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএসের বাসায় যান। সেখানে তিনি লায়লার আগের মামলা ও জিডি তুলে নিতে হুমকি দেন। যখন লায়লা অস্বীকৃতি জানায়, তখন মামুন ফেসবুক লাইভে এসে তাকে ও তার পরিবারকে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে দিয়ে মামুন মারধর শুরু করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ওই সময় লায়লা হাত দিয়ে রক্ষা করতে গেলে তিনি আহত হন। এ ঘটনায়, লায়লা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে বর্ষবরণের রাতে ঘটে যাওয়া একটি দুঃখজনক ঘটনা বেশ Upload হয়ে উঠেছে। বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে উত্তেজনাকর ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির শিকার হন। এই দুই শিল্পীকে উল্লাসের বদলে আতঙ্কে পরিণত করে অপ্রীতিকর এক হামলা। ভক্তদের উচ্ছ্বাসের চাপে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে, যেখানে উন্মত্ত জনতা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা তাদের বহনকারী গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এর ফলে শিল্পীরা প্রাণে বাঁচলেও, তাদের গাড়িটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    নতুন বছর বরণ করতে বালুরঘাটে এক বিশাল জমকালো কনসার্টে অংশ নেন সাচেত ও পরম্পরা। অনুষ্ঠান শেষ করে ফেরার পথে তারা একদম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শত শত উন্মত্ত জনতা তাদের গাড়ির চারপাশে ঘেরাও করে রেখেছে। জনতার মানসিকতা এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, তারই মধ্যে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। এ সময় সাচেত এসে উৎকণ্ঠিতভাবে “ওহ শিট” বলতে শোনা যায়। পাশে থাকা পরম্পরা হতভম্ব হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন, “গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।” কিন্তু, কোনোভাবেই নারকীয় এ হামলা থেকে তাদের রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়নি।

    এই হঠাৎ ঘটে যাওয়া হামলার বিষয়ে শিল্পী জুটি থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা অভিযোগ মেলেনি। তবে, তারা নিজেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে বলিউডের তারকাদের ওপর এমন হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি, ভারতের নানা প্রান্তে সম্প্রতি তারকাদের বিরুদ্ধে ‘মব কালচার’ তথা উন্মত্ত জনতার আক্রমণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও একই ধরনের অঘটন ঘটে, যেখানে মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে শিল্পী মঞ্চ ত্যাগ করেন। এই সব ঘটনা স্পষ্ট করে দিচ্ছে দেশের সংগীতপ্রেমীদের নিরাপত্তা ও আইনের কঠোরতাকার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষ্যে আরেকটি চমক নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর। তার প্রথমে ঘোষণা ছিল তিনি একটি পারিবারিক ছবি তৈরির পরিকল্পনা করছেন, যেখানে থাকবে আবেগময় ও হৃদয়ে জাগে এমন গল্প। তবে কেউ ভাবতে পারেননি, সেটি হবে cinemasের জনপ্রিয় ও প্রীতি ভরা হিট সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এর মতো রোমান্টিক কমেডি পরিচালনার পরে, করণ এখন তার পরবর্তী প্রকল্পে একটি পারিবারিক ড্রামা নির্মাণের পরিকল্পনা করে চলেছেন। এ ছবিটি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে তৈরি হবে। জানা গেছে, প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে, আর শুটিং এই বছরের শেষে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রতি খবরের মতে, ছবিতে দু’জন নায়ক ও দু’জন নায়িকা থাকবেন, এবং কাস্টিং প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু হবে। এছাড়াও, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবির নাম ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, মুক্তি পায় করণের ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’। এই বারের সিক্যুয়েলের জন্যও গুঞ্জন চলছে সবার মধ্যে।

    উল্লেখ্য, করণের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হল- ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহিনী’।

  • প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ আমরা সকলকে শোকের খবর দিলেন। তিনি আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও বন্ধু কবিরুল ইসলাম রানা। তিনি জানান,গতকাল বিকেলে তার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল, আর আজ দুপুরে খবর পেলাম, তিনি আর বেঁচে নেই।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সমিতির সর্বশেষ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলে সন্তানের জনক, যাদের সবাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তার মৃত্যুর মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

  • খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ নাজমুল হক। তিনি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দেন এবং এক সুন্দর উৎসবমুখর পরিবেশে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, খুলনা বিভাগ) প্রকৌশলী মোঃ আওলাদ হোসেন। ক্লাবের সুস্থ ও স্পোর্টসময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলীমুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। উদ্বোধনী খেলায় চুড়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ২-১ গোলে খুলনা পাবলিক কলেজকে হারিয়ে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় খেলায় ঝিনেদা রাইচরণ তারিনী চরণ ডিগ্রি কলেজ ১-০ গোলে ডুমুরিয়া কলেজকে পরাস্ত করে। তৃতীয় খেলায় চুয়াডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ৫-১ গোলে উপশহর কলেজ যশোরকে হারায়। অপর দিকে, চতুর্থ খেলায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ১-০ গোলে আমঝুপি রাজনগর বারাদি কলেজ, মেহেরপুরকে পরাজিত করে। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    দেশের ফুটবল অঙ্গনের প্রিয় মুখ, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নিরা আর আমাদের মাঝে নেই। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি খুলনা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আমরাতো আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যাবো)। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬২ বছর। নিরা ৬ নম্বর মিয়াপাড়া রোডের হোসেন ভিলার বাসিন্দা, মরহুম ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর తెలుసার পরই পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রোববার জোহর নামাজের পর মরহুমের নামাজে জানাজা মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে অবস্থিত কায়েমিয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টুটপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে তিনি খুলনা মোহামেডান ক্লাবে ছিলেন যেখানে তিনি দুজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে ইনজুরির পর ফিজিওথেরাপি দিচ্ছিলেন। এ সময় তিনি হঠাৎ বুকের মধ্যে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। দ্রুত তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়, পরে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ধারণা, তার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকের কারণে।

    নীরার শেষযাত্রায় অংশ নেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলী আসগার লবী, মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু ও বিভিন্ন ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা।

    তার এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে খুলনার ক্রীড়াঙ্গনসহ দেশের ফুটবল মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিবেদিতপ্রাণ এই ফুটবল ব্যক্তিত্বের বিদায়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও তার প্রাক্তন সতীর্থরা। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    দস্তগীর হোসেন নিরার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন, সোনালী অতীত ক্লাব, ইয়ং বয়েজ ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, মুক্তবাংলা সংস্থা, কসমস একাদশ, লিটন স্মৃতি সংসদ, এসবিআলী ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন।

    খেলোয়াড়ী জীবনে খুলনা ইয়ং মুসলিম ক্লাবের হয়ে Football playground এ তার পদচারণা শুরু। তার ক্যারিয়ার ছিল অত্যন্ত সফল ও বর্ণময়। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব ঢাকা আবাহনী, খুলনা আবাহনী ও খুলনা মুসলিম ক্লাবের হয়ে দীর্ঘকাল রক্ষণভাগের দায়িত্ব পালন করেন। তার অসামান্য দক্ষতা ও নেতৃত্বে তিনি জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।

    খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি একজন ফুটবল সংগঠক ও প্রশিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছিলেন একজন উচ্চতর ‘এ’ লাইসেন্সধারী ফুটবল কোচ। খুলনা জেলা দলের কোচের দায়িত্ব পাশাপাশি তিনি একটি ব্যক্তিগত ফুটবল একাডেমিও পরিচালনা করতেন। মৃত্যুকালে তিনি খুলনা সোনালী অতীত ক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

  • আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ভারতের জনপ্রিয় ক্রিকেট তাহলে এশিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত কোটি কোটি ভক্তের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এক সংবাদ। বাংলাদেশে তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) এর সব খেলা, অনুষ্ঠান এবং সম্প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতের ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আইপিএলে অংশ নেওয়া দেশীয় ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বা যোগ্যতা সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ এই সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    এর ফলে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আইপিএলের সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি হয়েছে। এই আদেশ জনস্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। বাংলাদেশের বীর ক্রিকেটার মুস্তাফিজের ওপর ভারতীয় কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলের কয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তাঁদের দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, এই ক্রিকেটার আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজকে সরিয়ে নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুঃখজনক সিদ্ধান্ত।

  • মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ভয়াবহ এক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি পড়েছে দলের সোশ্যাল মিডিয়া অনুসারীদের উপর। মুস্তাফিজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সব পোস্ট কেকেআরের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে মোছার কারণে বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক দিনের মধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি হারিয়ে ফেলেছে।

    প্রথম দিকে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের জন্য বাংলাদেশে কেকেআর ছিল অন্যতম জনপ্রিয় দল। গত বছর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েও সেই আগ্রহের উৎস ছিল বেশ। তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাঁকে বাদ দেওয়ার এবং সব সংশ্লিষ্ট পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই সেই ভালোবাসা ক্ষোভে রূপান্তরিত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেকেআরের অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি, কিন্তু আজকের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখে, অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ মানুষ কেকেআরের পেজ বিশ্বাসের হারিয়ে ফেলেছেন।

    অর্থাৎ, এক দিনের মধ্যে ১০ লাখের বেশি অনুসারী এই ক্লাবটিকে আনফলো করেছেন। এই ঘটনার প্রভাব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এর প্রভাব পড়েছে দেশের ক্রিকেটের পরিস্থিতিতেও। মুস্তাফিজকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন তারকারা অংশ নেওয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনাও এসে ঠেকিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত বিশ্বকাপের সময়ে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় দর্শকদের মুখোমুখি হতে চান না। আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে একটি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের খেলাগুলো অন্যান্য দেশে আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদন মতে, বিসিবির এই আবেদন আইসিসির তরফ থেকেও দেখা जा Preis aandacht krijgt যা ইতিবাচক। তারা এই পরিস্থিতিকে নাকচ করেনি, বরং আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আশা করা হচ্ছে।

    এই বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা হলো ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান জটিল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা উদ্বিগ্ন হয়ে আসন্ন আসরটি অন্য দেশে আয়োজনের জন্য চাপ দিচ্ছে।