Blog

  • কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘোষণা: যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে ‘অস্ত্র হাতে নিতে’ প্রস্তুত

    কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘোষণা: যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে ‘অস্ত্র হাতে নিতে’ প্রস্তুত

    কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার সরকার বা দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তিনি অস্ত্র হাতে নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। পূর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এই কথা বলেন তিনি। এক্সে এক পোস্টে পেত্রো মাদক পাচার বিরোধী তার সরকারের উদ্যোগ এবং সেই সঙ্গে ট্রাম্পের সমালোচনার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র কলম্বিয়ায় মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে এতে শিশুপালনের ঝুঁকি তৈরি হবে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সদস্য যোগানোর সুযোগ তৈরি হবে। গুস্তা আরও বলছেন, ‘এমন একটি প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করলে, যার প্রতি দেশের বড় অংশের সমর্থন ও সম্মান রয়েছে, সেটি গণঅভ্যুত্থান ডেকে আনতে পারে।’ একুশের গেরিলা গোষ্ঠীর সাবেক সদস্য হিসেবে গুস্তা বলেন, তিনি নিজেও দেশ রক্ষা করতে লড়াই করবেন। যদিও আগে তিনি শপথ করেছিলেন, আর কখনো অস্ত্র হাতে নেবেন না, তবে দেশের জন্য আবার অস্ত্র ধরার সংকল্প ব্যক্ত করেন তিনি। সূত্র: সিএনএন।

  • দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন

    দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন

    খুলনা-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলি আসগার লবি বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনড় ও অসাম্প্রদায়িক নেত্রী। তিনি একজন দৃঢ় নেত্রী হিসেবে দলীয় বা ব্যক্তিগত অস্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কখনো আপোষ করেননি। এর ফলশ্রুতিতে তাকে জেলো, নানান অপপ্রচার, প্রচুর মিথ্যা মামলা, গৃহবন্দি থাকা ছাড়াও বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক হিংসে-বিদ্বেষের শিকার হতে হয় তাকে। তবে মৃত্যুর পর তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, দেশবাসীর হৃদয়ে তিনি এক স্বর্ণময় স্থান পেয়েছেন। এই সব কিছুই স্পষ্ট করে দেয় যে, খালেদা জিয়া দেশের মানুষের জন্য একজন অবিচল ও প্রিয় নেত্রী। সোমবার দিনব্যাপী উপজেলা বিএনপি ও শ্রমিক দলের আয়োজনে পৃথক তিনটি শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। দুপুর ১টায় উপজেলা শ্রমিক দলের আয়োজন করা ফুলতলা বিএনপি কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবাদুল হক রুবায়েত, জেলা বিএনপির নেতা এস এ রহিমান বাবুল, ওয়াহিদ হালিম ইমরান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মনির হাসান টিটো, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সেলিম সরদারসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক নেতা জাহিদ হাসান লাভলু, বকুল ভূঁইয়া, ইসমাইল হোসেন মোড়ল, তুহিন খন্দকার, আবুল কালাম, ইলিয়াজ হোসেন ভূঁইয়া, চান মিয়া, বোরহান গাজী, কালাম হাওলাদার, হান্নান সরদার, লুৎফর হাওলাদার, হাবিবুল্লাহ, শাহাবুদ্দিন, সোহেল, মামুন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ আঃ মতিন। পরে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগদান করেন, যার মধ্যে রয়েছে মোঃ আকতার মাহমুদ মোড়লের সভাপতিত্বে এবং ৬ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠান। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১১টায় প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার লবি ইউএনও সুচি রানী সাহার সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ ইছহাক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক হাওলাদার, মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, আইসিটি কর্মকর্তা অজয় কুমার পালসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • খালেদা জিয়া একান্তন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন

    খালেদা জিয়া একান্তন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রের জন্য তার অসাধারণ অবদান এবং দেশ ও জনগণের প্রতি তার ত্যাগ সব সময় আমাদের স্মৃতিতে বিরাজ করবে। তিনি ছিলেন একজন আপোষহীন নেতা, যিনি প্রতিনিয়ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়েই সংগ্রাম করে গেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে একটি স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এড. শফিকুল আলম মনা। দোয়া অনুষ্ঠানে মরহুম নেত্রীর রুহের শান্তি এবং দেশ ও জাতির অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইফতেখার হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির, ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনসহ আরও অনেক নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্নয়ের পাশাপাশি অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ নেতাকর্মীরা। সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা জানান, দেশ ও মতের শান্তি ও স্বস্তির জন্য।

  • খালেদা জিয়ার জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া: নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে নানা অনুষ্ঠান পরিচালনা

    খালেদা জিয়ার জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া: নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে নানা অনুষ্ঠান পরিচালনা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক বলে মন্তব্য করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সাধারণ গৃহিণী থেকে দেশের নেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, যা তার দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। তিনি সর্বদা আপোষহীন ছিলেন এবং মানুষের হৃদয়ে নিজেকে অমোহন করে তুলেছেন।

    সোমবার জোহর অৱধি শতরূপা মোড়ে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই দোয়ায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আসাদুজ্জামান।

    এরপর, আসর নামাজের পরে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে পুরোনো ইমাম ও খতিব হাফেজ মোঃ মাকসুদুর রহমানের জানাজার মাধ্যমে তার শেষ বিদায় জানানো হয়। এছাড়া তিনি ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে ফেরিঘাট জিন্না মসজিদে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অংশ নেন। সেই সাথে, কুবা মসজিদে মরহুমা নেত্রীর রুহের শান্তির জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    এছাড়া, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমানের উপস্থিতিতে মরহুমার জন্য দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ ও দোয়া পরিচালনা করেন মারুফ বিল্লাহ। অনুষ্ঠান শেষে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

    এমন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, জালাল শরীফ, একরামুল হক হেলাল, গিয়াস উদ্দিন বনি, আল জামাল ভূঁইয়া, মারুফ আল রশিদ, নাজমুল হক মুকুল, শাসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, মোজবাহ উদ্দিন মিজু, আজিজুর রহমান আজিজ, মঞ্জুর হাসান অপু, আসিফ ইকবাল লিটন, মেহেদী হাসান সোহাগ, তরিকুল ইসলাম সোহান, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, বাচ্চু মীর, শাহানুর কবির অয়ন, এডভোকেট হাফিজুর রহমান হাফিজ, খাঁন শহীদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবু, আলমগীর হোসেন আলম, মিজানুজ্জাক তাজ, ইকবাল হোসেন, নাহিদ মোড়ল, জাবির আলী, মোস্তফা কামাল, মনিরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আব্দুল হাকিম, মোস্তফা জামান মিন্টু, গোলাম নবী ডালু, লিটু পাটোয়ারী, শাকিল আহমেদ, মোল্লা ফিরোজ, ওয়াহাব শরীফ, সুলতান মাহমুদ সুমন, শামীম খান, শরিফুল ইসলাম সাগর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, তালুকদার রাজিব, মিজানুর রহমান মিজান, ইমরান হোসেন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মহিদুল হক টুকু, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শহিদুল ইসলাম লিটন, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, হারুন হাওলাদার, সুলতান হোসেন, সজল আকন নাসিব, রোকেয়া ফারুক, শামীম রেজা, জাহাঙ্গীর হোসেন, খান রাজিব, মাসুদ রানা, এরশাদুল হক চান, মানিক, ইকবাল হোসেন, মাহবুবুর রহমান লিটু, দুলাল চৌধুরী, শাহানা রহমান, বিলকিস বেগম প্রমুখ।

  • চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতে তাপমাত্রা পড়ে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতে তাপমাত্রা পড়ে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    চুয়াডাঙ্গা জেলা তীব্র শীতের কবলে পড়েছে, যা জীবনযাত্রাকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। এই শীতকালীন আবহাওয়ায় মানুষের জীবন অচল হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে শ্রমজীবী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এই শীত আরও বেশি দুর্ভোগের কারণ बने।

    বুধবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৯টায়, স্থানীয় প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার হার ছিল ৯৭ শতাংশ। এই শীত মৌসুমে এটাই জেলাটির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

    শীতের এই তীব্রতায় সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড এবং চায়ের দোকানসহ আড়ত-পথে অগ্নি জ্বালিয়ে ঠাণ্ডা নিবারণে ব্যস্ত মানুষজন। অনেকেরই মত, এই ঠাণ্ডায় স্বাভাবিক জীবনে চলা অনেক কষ্টের হয়ে পড়েছে।

    কৃষকদের জন্য ভোরে কাজে বের হওয়া অনেকটাই ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তারা বলেন, হাত-পা এখনও বরফের মতো জমে যাচ্ছে, যেন ঠান্ডা ফ্রিজের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকছি। তবুও পেটের দায়ে কাজের জন্য বের হতে হয়। কাজ না পেলে খালি হাতে ফিরে আসতে হচ্ছে।

    শীতের এই দাপটে শিক্ষার্থীও বিপাকপূর্ণ পরিস্থিতিতে পড়েছেন। ভোরে স্কুল বা কোচিংয়ে যাওয়ার জন্য তাদের কষ্টকর আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। এক শিক্ষার্থী বলছে, আগে ভ্যান বা ইজিবাইকে করে যেতাম, এখন শীতের কারণে লম্বা হাঁটাপথ পার হতে হচ্ছে। হাত-পা জমে যাচ্ছে, তবে হাঁটলে শরীর গরম হচ্ছে।

    চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান জানান, আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

  • মোংলায় পর্যটক পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘট, সুন্দরবনে ভ্রমণে দুর্ভোগ

    মোংলায় পর্যটক পরিবহন শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘট, সুন্দরবনে ভ্রমণে দুর্ভোগ

    মোংলার সুন্দরবনে পর্যটক পরিবহন নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নাুমোংলা নৌযান মালিক ও শ্রমিক-কর্মচারীরা। আজ সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতিতে সব ধরনের জালিবোট, ট্রলার ও পর্যটকবাহী নৌযান বন্ধ রয়েছে, যার ফলে আটকা পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকরা।

    নৌযান মালিক ও শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, রবিবার নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হঠাৎ অভিযান ও হয়রানির প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ঘোষণা তারা দিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, কিছুদিন ধরেই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অনিচ্ছারভাবে নানা অনুমতিপত্র ও লাইসেন্সের জন্য চাপ দেন, এমনকি অতিরিক্ত টাকা ঘুষের দাবি করে থাকেন। পরে রবিবার বিকালে হঠাৎ নৌপরিবহন কর্মকর্তারা ও প্রশাসনের লোকজন অভিযান চালায়, যেখানে মূল্যবান মালামাল ভাঙচুর, নৌযান কেটে নিয়ে যায় ও শ্রমিকদের বিরক্ত করে হয়রানি করে। এমনকি শ্রমিকদের ভয় দেখানো হয় মামলা ও গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে।

    এরপর থেকেই মালিকরা আতঙ্কিত হয়ে আড়াই থেকে তিনশোর বেশি নৌযান বন্ধ করে দেন। সুন্দরবনের গহীন অঞ্চল থেকে আসা পর্যটকদের জন্য এই বন্ধের ফলে সারিবদ্ধভাবে থামানো হয়েছে শত শত জালি বোট ও ট্রলার, নদীঘাটে ভিড় জমেছে অসংখ্য পর্যটক। আশপাশের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা বলছেন, সুন্দরবনের প্রকৃতি দেখার বড় স্বপ্ন ছিল, কিন্তু এখন সব অন্ধকারে ডুবে গেছে।

    যশোর থেকে আসা স্বর্ণা আক্তার বলেন, ‘আমরা পরিবার ও প্রতিবেশীদের নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে এসেছি। এখন দেখলাম নৌযান মেয়াদ বন্ধ, তাই বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।’ একইভাবে ঢাকার মিরপুর থেকে আসা আফরোজা বেগম বলেন, ‘একদমই ভালো লাগছে না, আর যেতে পারছি না। অনেক আশা ছিল, অনেক টাকা খরচ করলাম, এখন ফিরে যেতে হচ্ছে।’ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা ৫৪ জনের বাসে এসেছিলাম, কিন্তু এখন সব বন্ধ। শিশুসহ সবাই অপেক্ষায়, কীভাবে সুন্দরবন দেখব বুঝে উঠতে পারছি না।

    মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংগঠনের নেতা মোঃ সোহাগ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে নৌপরিবহন দপ্তরের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সব নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছি। জরুরি শর্ত ও অতিরিক্ত ফি চাপানোর জন্যই এই ধর্মঘট, যা পর্যটনশিল্পের জন্য বড় ধাক্কা। এখনো অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তারা নানা শর্ত চাপাচ্ছেন, যা মানা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আরও সময়ের জন্য ধর্মঘট চলবে।’

    সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, ‘সোমবার ভোর থেকে কোনও পর্যটক বা নৌযান আসতে পারেনি। নৌপরিবহন দপ্তর রোববার অভিযান চালিয়েছে বলে জানি, তাই মালিকেরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছেন।’

    নৌপরিবহন দপ্তর খুলনার পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম জানান, ‘জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পর্যটকদের নিরাপদে ভ্রমণের আয়োজন করা, এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আমরা হয়রানি করতে চাই না, বরং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’

    প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, বোটে ১৬ হর্স পাওয়ার কম ইঞ্জিন চালানোর জন্য ট্রেড রাইসেন্স ও পোর্ট ডিউস লাগলেও, বোট সার্ভে নামে হয়রানি করছে ডিজিশিপিং। এই সব কারণেই তারা এই অস্থায়ী ধর্মঘট শুরু করেছেন।

  • ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

    ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

    দিন দিন দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এই অর্থের বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকার হার ধরে গণনা করা হয়)। এটি এখন পর্যন্ত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার প্রবাসী আয়ের রেকর্ড ছিল। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকার মতো। আর আগের অর্থবছরে একই সময়ের মধ্যে তা ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের তুলনায় এই সময়ের রেমিট্যান্সে প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৩১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে প্রবাসী পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ডলার। এই সময়ের মধ্যে মোট রেমিট্যান্স বেড়ে গেছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৮ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা, এবং ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নয়ন রেমিট্যান্সের অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ দেখানো হলো: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অপর দিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সর রেকর্ড প্রবাহ দেখা গেছে। ওই অর্থবছর শেষে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরির দাম কমে ১৪৫৮ টাকায়

    বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরির দাম কমে ১৪৫৮ টাকায়

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে আবারো সোনার মূল্য কমানো হয়েছে। সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যার ফলে এখন একটি ভরি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের হারগুলি আবারো চালু করেছে। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই পরিবর্তন ঘোষণা করে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসূত্রে মুনাফা দেওয়া হতো, সেই হারগুলো দুই বছর মেয়াদে আবারো কার্যকর হবে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছিল, যা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল থাকায় এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও ক্ষতিকর ছিল।

    সূত্রে জানা যায়, রোববার অফিস খোলার পরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আবারো আগের হারগুলো ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর এ বিষয়ে chief advisor এর অনুমোদন নিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    বর্তমানে সরকার সঞ্চয়পত্রের চার ধরনের স্কিম চালু রেখেছে, যার মধ্যে পার্সোনাল, পরিবার ও পেনশনভিত্তিক সংকলন রয়েছে। প্রতি ক্ষেত্রে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত মুনাফা হার ছাড়াও, বৃহৎ বিনিয়োগের জন্য আলাদা হারে মুনাফা দেওয়া হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। এর পাশাপাশি, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যদি সঞ্চয়পত্র ভাঙানো হয়, তবে মুনাফা কম পাওয়া সম্ভব।

    পরিবার সঞ্চয়পত্রে, ৫ বছরের মেয়াদে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের জন্য পূর্বে ১১.৯৩% মুনাফার হার ছিল, যা কিছু দিন আগে ১০.৪৪% এ নামানো হয়েছিল। তবে প্রজ্ঞাপনে এখন আবার সেটির হার আগের মতো রেখে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

    ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী নির্ধারিত হচ্ছে। ৫ ও ২ বছরের মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সর্বশেষ নিলাম ভিত্তিক সুদ হার অনুসরণ করে সেটি নির্ধারণ হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদ হার কমায়, ফলে গত বৃহস্পতিবার সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কেনা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমে এসেছে।

    সাধারণ গ্রাহকরা মূলত: দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো, যারা অর্থের অপ্রত্যাশিত প্রয়োজন বা জরুরি সময়ে সঞ্চয়পত্র ভেঙে থাকেন। পাশাপাশি, প্রতিমাসে সংসার চালানোর জন্য টাকা ছাড়াও এই বিনিয়োগ থেকে উপার্জিত মুনাফা তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে দাম বৃদ্ধির হার ৮-৯% এর কাছাকাছি থাকায়, এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাজে ফেলে। বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার না কমানোই উচিত ছিল। প্রাথমিকভাবে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, এখনও এর স্থিতিশীলতা পুরোপুরি আসেনি, তাই নিয়ে সরকারের সমালোচনা চলছে।

  • একদিনের ব্যবধানে সোনার দামে ফের বড় লাফ

    একদিনের ব্যবধানে সোনার দামে ফের বড় লাফ

    বাংলাদেশে একদিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বড় ধরনের বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এ ঘোষণা দিয়েছে যে, দেশের বাজারে প্রতি ভরির সোনার মূল্য সর্বোচ্চ দুই হাজার ৯১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ, উচ্চমানের সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

    বাজুসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। সংগঠনটির মতে, বিশ্ববাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে স্বর্ণের মূল্যও বেড়েছে।

    বিশ্ববাজারের ধাপগুনে স্বর্ণ ও রুপার দামের পরিবর্তন অনুযায়ী জানা যায়, প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এখন ৪ হাজার ৪৪৫ ডলার। এই দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরির স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। অন্য কেরেটের স্বর্ণের দাম হলো— ২১ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    অন্যদিকে, রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য পূর্বের তুলনায় বাড়ে ৫ হাজার ৯২৫ টাকায়। তদ্ব্যতীত, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য হয় ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।