Blog

  • ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬ সেশনের জন্য নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুহা. মহিউদ্দিন। তাদের সাথে সার্বিক নেতৃত্বে অংশ নেওয়ার জন্য আশিকুর রহমানকে সেক্রেটারি ও মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই নির্বাচন কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন সদস্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মাহবুবুর রহমান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সদস্য সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই সমাবেশে নতুন নেতৃত্বের জন্য ব্যালট পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনার পর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত মুহা. মহিউদ্দিন খানকে শিবিরের নতুন সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    নির্বাচিত সভাপতি নির্বাচনের পর সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে তাকে শাখার সেক্রেটারি হিসেবে আশিকুর রহমান (কাজী আশিক) এবং সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে মনোনীত করা হয়। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভা সম্পন্ন হয়।

  • দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান, কারাগারে পাঠানো হলো

    দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান, কারাগারে পাঠানো হলো

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক এবং সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত তার গ্রেপ্তার দাবি গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালত জানায়, দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম আদালতে এই আবেদন করেন। পরে, আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ জানুয়ারি, দুদকের পক্ষ থেকে মামলার এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণে জানানো হয়, সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর জিয়াউল আহসান নিজ নামে অস্বাভাবিক ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকা সম্পদ অর্জন করেছেন। এই সম্পদ তার বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, ফোরেন এক্সচেঞ্জ ট্রাঞ্জেকশন (এফইপিডি) সার্কুলার-২০১৮ ও ২০২০ সালের আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে তিনি ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেন। তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে, স্ত্রীর সহযোগিতা ও যোগসাজশে অন্য ব্যক্তির নামে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। শুধু নিজ নামে, মোট ৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের পরিমাণ পাওয়া গেছে।

    উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় তাকে আদালত দ্বারা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, হাইকোর্টের শুনতে অনীহার সিদ্ধান্ত

    একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, হাইকোর্টের শুনতে অনীহার সিদ্ধান্ত

    আজ ৭ জানুয়ারি বুধবার, দেশের ঐতিহাসিক এক ঘটনা ঘটেছে যখন একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল। তবে এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। এতদিন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিতর্ক চলছিল, কিন্তু আজ হাইকোর্টের বেঞ্চের পক্ষ থেকে আশ্চর্যজনক ঘোষণা আসে। বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে অংশ নেন। তবে তারা আবেদনটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এই সিদ্ধান্তের পর, রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, বেঞ্চের এই সিদ্ধান্তের কারণে তারা এখন বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন অন্য এক বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি চালিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের অন্য এক আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিটটি হাইকোর্টে দাখিল করেছিলেন। রিটে উল্লেখ করা হয়, ১১ ডিসেম্বর প্রকাশিত একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের বিজ্ঞপ্তি স্থগিতের জন্য আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি, রিটে সুপারিশ করা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা উচিত। এই আবেদনটির বিবাদী হিসেবে ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা। ইউনুছ আলী আকন্দের যুক্তি ছিল, সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়ক কোনও বিধান নেই। তিনি বলেন, শুধু তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে, কোনও সরকারের অধীনে নয়। এই মামলার নীতিগত বিষয়গুলো এখনো ধীরেধীরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এই ঘটনার ফলে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন এক দিকপ্রাপ্ত হয়ে উঠেছে।

  • ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এই সময়ের सबसे বড় পরীক্ষা। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া নির্বাচনি ব্যবস্থা আবার গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। এ জন্য ন্যূনতম সংস্কার এবং কার্যকর ব্যবস্থা অনুসরণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার উদ্যোগে ‘অ্যলাইন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি: এএফইডি’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনি ব্যবস্থার অবস্থা ও সংস্কার প্রসঙ্গে বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি—এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার ট্রাকে ফিরিয়ে আনার মতো। এটি দরকার ন্যূনতম মেরামত ও কিছু যন্ত্রাংশ বদল। এভাবেই গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যদি এই কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সেটিই প্রধান সাফল্য হবে।

    ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, পর্যবেক্ষকদের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তারা তৃতীয় নজর। তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হওয়া আবশ্যক। মৌলিক বিষয়াদি যেন বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

    তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারম্যান তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশন এর কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব থেকে ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতের নির্দেশ জারি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দিয়েছেন, সিআইডি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, ব্যাংক হিসাবগুলো বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ায় এই অবরুদ্ধকরণ আদেশ দেওয়া হয়েছে। অ্যারপোর্টে তদন্তের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, মূল অভিযুক্তের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের অর্থনৈতিক লেনদেনের আনুসঙ্গিকতা শনাক্ত করা। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস, নে¤র-সন্ত্রাসে অর্থ জোগান, মানিলন্ডারিং এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এসব হিসাবের অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা আবশ্যক, যাতে ধরনের অর্থ বেহাত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়। অন্যদিকে, হাদি হত্যা মামলার তদন্তে ঠিকা হয়েছে আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা পুলিশের রিপোর্টে দেখা গেছে, পুলিশ এদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, তার স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বন্ধু মারিয়া আক্তার লিমা, শ্বশুর ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, ব্যবসায়ী মোফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, তার সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালানোর সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির বোন জামাই আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল। অপরদিকে, পলাতক রয়েছেন- বাপ্পি, ফয়সাল, আলমগীর, ফিলিপ, জেসমিন ও তার স্বামী মুফতি মাহমুদ। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারনা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী অটোরিকশার ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা, যারা মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। এ ব্যাপারে, ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ ডিসেম্বরের ঘটনা উল্লেখ করে, হত্যাচেষ্টার জন্য নির্ভুল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

  • নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ঢাকার বাড্ডা থানায় অস্ত্রসহ হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আবারও গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, তারা আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন, তবে এই মামলায় তারা এজাহারনামীয় আসামি।

    এদিন সকালে তাদের বিকেল সাড়ে ১০টাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। এরপর আদালতের এজলেসে বিষয়টি শুনানি হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মো. গোলাম কিবরিয়া খান তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. শামসুদ্দোহা সুমন এই বিষয়ে শুনানি পরিচালনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছর জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডা এলাকায় বিশিষ্ট ভুক্তভোগী মো. দুর্জয় আহমেদ অংশ নেন। সেই সময় মিছিলে রাস্তায় অবস্থানকালের মধ্যে আন্দোলন দমনকারী দলের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি ও পরোক্ষ নির্দেশনায় অনুসারীরা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করতে শুরু করে। গুরুতর আহত হন দুর্জয়, যার মাথা ও পেছনে গুলির আঘাত লাগে।

    চিকিৎসার জন্য তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন। দুর্জয়ের দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগী দুর্জয় আহমেদ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও ৯০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও 人শ্রেণী মামলা দায়ের করেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    আন্তর্জাতিক ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরিচিত প্রিন্স মামুন নামে। তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে একটি দুঃসংবাদ। লায়লা আখতার ফরহাদ নামে এক নারী তার বাসায় ঢুকে মারধর ও হুমকির অভিযোগে মামলার আসামি হিসেবে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর গেল বৃহস্পতিবার তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    গত বৃহস্পতিবার, মামলার অভিযোগ গঠন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল। ওই অনিবার্য কারণবশত, মামুন ওমরাহ পালনের জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন জানান, কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামলা পরিচালনা করেন এবং মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন।

    বাদীর আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মামুন তার বাসায় গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা অস্বীকৃতি জানান, তখন সে ফেসবুক লাইভে গিয়ে লায়লা ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন ও মারধর শুরু করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার প্রচেষ্টা চালান, যা মোকাবিলায় লায়লা আহত হন। এরপরই ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনি একটি মামলা করেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তে অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সেই সময় তার জামিন বাতিল করে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। এছাড়া, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, লায়লার সঙ্গে প্রিন্স মামুনের ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে বলে, আগের মামলা ও জিডি তুলে নাও। তবে লায়লা তা স্বীকার না করায় মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে গালিগালাজ ও মারধর করেন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টাও চালান। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলার অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে গত সেপ্টেম্বর মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয় এবং আদালত তার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসেছেন বলিউডের দুই তারকা, শিকার হলেন মবের

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসেছেন বলিউডের দুই তারকা, শিকার হলেন মবের

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। তাদের উন্মাদনা ছড়িয়ে জনতার মধ্যে এক ভয়ঙ্কর তাণ্ডব শুরু হয়, যা উগ্র মব বা উন্মত্ত জনতার ঘটনা হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার ঘটনায় তারা প্রাণে বাঁচলেও তাদের গাড়িটি ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছর উদযাপনের জন্য বালুরঘাটে একটি বড় কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন সাচেত এবং পরম্পরা। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটি শত শত জনতাদের ঘেরাও করে রেখেছে। জনতাটি এতটাই উন্মত্ত হয় যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।

    এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায় ও তার ভেতর থেকে সাচেতকে আঁটকে ‘ওহ শিট’ উচ্চারিত হতে শোনা যায়। পাশে থাকা পরম্পরা জনতাকে শান্ত হওয়ার জন্য বলছেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো’, কিন্তু জনতার রোষ থেকে তাদের গাড়িটিকে ছাড়ানো সম্ভব হয়নি।

    এই অপ্রত্যাশিত হামলার ঘটনায় শিল্পী জুটি হতবাক হলেও কেউ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেননি। তবে তারা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের এই দুই তারকার ওপর এমন হামলা ভারতের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এ ধরনের ‘মব কালচার’ এর ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও উন্মত্ত জনতার হামলা সংঘটিত হয়েছিল, সেটি মাঝপথে বন্ধ করে শিল্পীর মঞ্চ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

  • নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ আর আমাদের মাঝে নেই। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে তিনি ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা। তিনি জানান, গতকালই বিকেলে তাঁর সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। আজ দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয়, তিনি আর নন।

    কবি রুল ইসলাম রানা আরও বলেন, কয়েক মাস আগে আবদুল লতিফ বাচ্চু নিউমোনিয়া আক্রান্ত হন এবং তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় তাঁর পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলে, তাকে বিশেষ চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক, যাদের সবাই আমেরিকা প্রবাসী। 그의 অকাল মৃত্যু বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সমাজে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং তার কর্মমুখর জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছরকে নিয়ে বলিউডে একের পর এক চমক আসছে এবং এরই মধ্যে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো জনপ্রিয় ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের ঘোষণা। বলিউডের প্রখ্যাত পরিচালক করণ জোহর আবারও সিনেমা জগতে ফিরছেন, আর এ যাওয়া নতুন ছবিটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে। এর আগে ফ্যামিলি ড্রামা এবং পারিবারিক বিষয়ক সিনেমার জন্য পরিচিত এই এই সিনেমার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ আবেগের গল্প, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে ছিল। তবে কারো ধারণা ছিল না যে, এই নতুন প্রকল্পটি ধীরে ধীরে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল হতে যাচ্ছে।

    পিঙ্কভিলা সূত্রে জানা গেছে, করণ জোহর এই মুহূর্তে তার পরবর্তী ছবির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে মূল প্রাধান্য থাকবে পারিবারিক মানসিকতা ও সম্পর্কের আবেগের উত্তাল চিত্র। এই ছবিটি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এর প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে। শুটিং শিগগিরই শুরু হয়ে বছরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ছবিটিতে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী নায়িকা থাকবেন, এবং কাস্টিং প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে চলছে।

    এছাড়াও, অনুমান করা হচ্ছে ছবির নাম হয়তো ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে কিছু নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ হয়নি।

    ২০০১ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমার ব্লকবাস্টার হিট অবদান, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, যা দর্শকদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছিল। এই ট্রেন্ডটা পুনরায় শুরু হওয়ার গুঞ্জন এখন প্রবল।

    উল্লেখ্য, করণ জোহর তার বর্তমান কর্মজীবনে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’, এবং সর্বশেষ ‘রকি এবং রানি কি প্রেম কাহিনী’ ছবিগুলোর পরিচালনা করেছেন।