Blog

  • খাদ্যের মান যাচাইয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলেন উপাচার্য

    খাদ্যের মান যাচাইয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলেন উপাচার্য

    দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) খাদ্যের মান যাচাইয়ে ডাইনিং পরিদর্শনে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা। 

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) আইভি রহমান হলের ডাইনিং পরিদর্শন এসে উপাচার্য খাবারের মান যাচাইয়ে তিনি এমনটা করেন। এসময় তার সঙ্গে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন হলের হল সুপার, প্রক্টর, বিভিন্ন শাখার পরিচালক ও অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, উপাচার্য  শিক্ষার্থীদেরকে হলের ডাইনিং এ নিয়মিত খাওয়ার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেন। ছাত্রীরাও তার এ ধরণের উদ্যোগের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

  • সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম গ্রেপ্তার

    সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম গ্রেপ্তার

    ঢাকা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে ডিবি কার্যালয়ে  আনা হচ্ছে।

  • তিতুমীর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘শাটডাউন’ ঘোষণা

    তিতুমীর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘শাটডাউন’ ঘোষণা

    অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কলেজ শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৮ নভেম্বর) দিবাগত রাতে শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

    শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছি। যদি সেখানে পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, আমাদের যদি মুলা ঝুলিয়ে বিদায় করে দেয়, আমরা এর চেয়ে বৃহৎ কিছু করবো।’

    তারা বলেন, ‘আমাদের তিতুমীরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিকেল চারটা পর্যন্ত রাস্তায় ছিল। আগামীকাল আমাদের সঙ্গে বসবে, মুলা ঝুলাক আর যাই করুক, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বসার সিদ্ধান্ত এসেছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে চাচ্ছি না।’

    ‘আমাদের সিদ্ধান্ত এটাই তিতুমীরের ক্যাম্পাসের গেট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। কোনো পরীক্ষা-ক্লাস হবে না,’ যোগ করেন তারা।

    শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছি, যদি পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, তাহলে শুধু রেলগেট নয়, আমরা আরও এক্সট্রিম হতে বাধ্য হবো। তবে আমরা কালকে রাজপথ অবরোধ করছি না, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা রেলপথ অবরোধ করছি না। আমরা ক্যাম্পাস গেটে অবস্থান করবো এবং সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যদি না আসে, তাহলে আমাদের পূর্বঘোষিত জায়গায় আমরা ফেরত যাব।’

    চার দিন আগে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছিল উল্লেখ করে তারা বলেন, ‘আমাদের সকাল ১১টায় কর্মসূচি পালন করার কথা জেনেও তারা ট্রেন ছেড়ে দেয়। মহাখালী পয়েন্টে যখন ট্রেন চলে আসে, তখন সেখানে আমাদের চার হাজার শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। ট্রেনের গতি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে আশে পাশে কয়েকজন আশে পাশে পড়ে যায়। আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থী ১২ জন আহত হয়। আহত হওয়ার কারণে দুএকজন হয়তো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং ঢিল ছুড়েছে।’

    তারা বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। অনেকেই বলছেন, তিতুমীরের সন্ত্রাস বাহিনীর হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এখানে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী নেই।’

  • আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি

    আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি

    আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি। বিএনপি এটা করেছে, বলেছে সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সুতরাং তারা ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা দেশের একটি প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।’

    তাহলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আপনার কোনো আপত্তি নেই—সে প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘কোনো একটি দল বা আরেকটি দলকে বেছে নেওয়ার জন্য আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। আমি রাজনীতিকদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করছি।’

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ঢাকার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকার আজ সোমবার হিন্দুর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে।

    সাক্ষাৎকারে খেলাপিঋণসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগ ও সেগুলোর সফলতার কথা তুলে ধরেন ড. ইউনূস।

    এ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে দেওয়া বিবৃতির কথা তুলে ধরে হিন্দুর সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টার কাছে জানতে চান, নতুন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সময় আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত থাকার বিষয়ে তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী।

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।’

    তখন হিন্দুর সাংবাদিক বলেন, ‘তিনি দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে…।’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘ভালো। এখন বাংলাদেশ ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে বলি। সম্ভবত তিনি সঠিকভাবে অবগত নন। এটা অপপ্রচার, যা বিশ্বজুড়ে চলছে। কিন্তু যখন তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বাস্তবতা সম্পর্কে জানবেন, তখন জনাব ট্রাম্প অবাক হবেন যে তাঁকে কতটা ভিন্নভাবে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানানো হয়েছে। আমি মনে করি না, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে একজন নতুন প্রেসিডেন্টের কারণে সবকিছু বদলে যাবে। পররাষ্ট্রনীতি ও দেশের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের কারণে সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। তা ছাড়া ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যদি পরিবর্তন হয়ও তাহলে আমাদের মনে রাখতে হবে এটাও বাংলাদেশ ২, যেটাকে আমরা বলছি নতুন বাংলাদেশ। সুতরাং আমরা অপেক্ষা করব এবং যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা আসেন ও দেখেন এবং আমাদের অর্থনীতি যদি ভালো করতে থাকে তাহলে তারা খুবই আগ্রহী হবে। তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি ক্রেতা, আমাদের দিক থেকেও তাই। এটা খুবই ভালো সম্পর্ক, যা আমরা বছরের পর বছর গড়ে তুলেছি। আমাদের আশা, এটা আরও জোরদার হবে।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ট্রাম্পের কথাকে আপনি অপপ্রচারের ফল বলছেন। কিন্তু শুধু তিনি নন, ভারত সরকার বাংলাদেশে হিন্দুদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে, এমনকি ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি বিবৃতি দিয়েছেন। আপনি এটার ক্ষেত্রে কী বলবেন?

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রথম ফোন কলে (১৬ আগস্ট) তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বলেছিলেন যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে এবং এ রকম আরও অনেক কিছু। আমি তাঁকে খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, এগুলো অপপ্রচার। অনেক সাংবাদিক এখানে আসার পর কিছু উত্তেজনা নিয়ে কিছু খবর প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু মিডিয়ায় যেভাবে এসেছে, সেভাবে হয়নি।’

    প্রশ্নে বলা হয়, ‘তাহলে এর পেছনে কে আছে বলে আপনি মনে করেন?’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি জানি না। কিন্তু এসব প্রচারণা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। সব ঘটনার পেছনে একদল ব্যক্তি রয়েছেন।’

    হিন্দুর সাংবাদিক বলেন, ‘আমি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা আতঙ্কিত বোধ করছিলেন। তাঁদের মনে হচ্ছিল, তাঁদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ফেসবুক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভিডিও আছে যেগুলোতে বলা হয় যে বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ হবে। এখন ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের আমরা বলতে শুনেছি যে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিতে সংস্কার হচ্ছে। এখানে একটি প্রশ্ন আসে যে বাংলাদেশে পরে কী হচ্ছে এবং গত ১৬ বছরের তুলনায় আপনার সরকারের সময়ে অনেক ইসলামের প্রভাব দেখছি। এসব সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে এগুলো কাজে দেবে?’

    এর জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা কি আমার সঙ্গে যায়? উপদেষ্টা পরিষদের প্রতিটি সদস্য হয় মানবাধিকারকর্মী, যাঁরা নিজেরা ভুক্তভোগী হয়েছেন, অথবা পরিবেশ অধিকারকর্মী, অথবা নারী অধিকার বা অন্য অধিকারকর্মী। সুতরাই তাঁরা সবাই অধিকারকর্মী। আপনি যেসব কথা বললেন, সেগুলো যদি তাঁদের সামনে বলেন, তাহলে তাঁরা আপনার ওপর খেপে উঠবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের প্রত্যেকের জীবনের অতীত কর্মকাণ্ড দেখুন।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন: ‘তাহলে আপনি বলছেন, আপনার উপদেষ্টা পরিষদে ইসলামপন্থী এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার মতো কেউ নেই।’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনের গল্পগুলো দেখুন। এঁরা সবাই খুবই নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি। এখানে নারী অধিকারকর্মীরা রয়েছেন।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’–এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেপ্টেম্বরেই রাজনৈতিক সহিংসতায় ৮৪১ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং আটজন ব্যক্তি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। আমরা জানতে পেরেছি, অনেক সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, আপনার সরকার অতীতের আচরণ অব্যাহত রেখেছে।’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘মানুষকে বিচার করতে দিন। এই সরকার কী করেছে এবং অন্য সরকার কী করেছে, তা তুলনা করে দেখুন। আমি বিতর্ক করতে যাচ্ছি না। আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছি। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অ্যাক্রিডিটেশন আইন আমরা প্রণয়ন করিনি। আমরা শুধু এর প্রয়োগ করেছি এবং আপনি এটা নিয়ে বিতর্ক করতে পারেন যে, এই প্রয়োগ সঠিক কি না। আমি আইনটি পরিবর্তনের পক্ষে।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘৫ আগস্টের ঘটনা কীভাবে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে? এটা কি একটা ধাক্কা হিসেবে এসেছে?’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা কেন হবে? বাংলাদেশ এমন একটি শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে, যেখানে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, অনেকে নিহত হয়েছেন, অনেককে গুম করা হয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের এই মুক্তিকে বন্ধুদেশ হিসেবে ভারতের উদ্‌যাপন করা উচিত। অনেক রাষ্ট্র যেমনটি করেছে, তেমন ভারতেরও আমাদের তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত এবং একসঙ্গে উদ্‌যাপন করা উচিত।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘আপনি বলেছেন, ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি (ভারত–বাংলাদেশ) সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করছে…’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘(শেখ হাসিনা) অন্তত এ সময় ভারতে অবস্থান করছেন, এটা কোনো সমস্যা নয়। বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর কথা বলাটা সমস্যা। তিনি বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, আর সেগুলো রাজনীতি নিয়ে। তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন, এটাই সমস্যা।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘সেটা কীভাবে?’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) মানুষকে (ঘর থেকে) বেরিয়ে আসতে বলছেন এবং ঢাকা ও অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে বলছেন। তাঁর অডিও ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে তিনি তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি (ঢাল হিসেবে) সঙ্গে রাখতে বলছেন, যেন পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা বলতে পারেন, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এটি অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনার সরকার ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে। ভারতকে সরাসরি এ অনুরোধ করা হলো না কেন? এ ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা রয়েছে।’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তাঁকে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব আইনি পথ অবলম্বন করব।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে এখনো আপনার সরকার (শেখ হাসিনার) প্রত্যার্পণের অনুরোধ জানায়নি। (ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে) একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে।’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, কিছু আইনি ধাপ রয়েছে। আমরা সেগুলোর দিকে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা এখনো ওই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।’

    হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচার করা হচ্ছে—এমন যুক্তি দেখিয়ে ভারত যদি (বাংলাদেশের) অনুরোধ না রাখে তাহলে কী হবে?’

    জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আপনি কি বলছেন, ভারত চুক্তি লঙ্ঘন করবে? হ্যাঁ, (চুক্তিতে) এমন কিছু ধারা রয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার যদি তাঁকে (শেখ হাসিনা) সেখানে রাখতে এগুলো প্রয়োগ করে, তাহলে সেটা আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলবে না। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ খুব কম। তাই এই সময়ে হয়তো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সবকিছু মীমাংসা করা যাবে না। তবে আমাদের পরে যে সরকারই আসুক না কেন, তারা এটা ক্ষমা করবে না।’

  • হোয়াটসঅ্যাপ এবার নিয়ে এলো ড্রাফটস ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপ এবার নিয়ে এলো ড্রাফটস ফিচার

    জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে এবার নিয়ে এলো ড্রাফটস ফিচার। নতুন এ ফিচারে খসড়া বার্তা লেখার ফিচার যুক্ত হয়েছে। অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এই ফিচারটি আগে থেকেই চালু থাকলেও প্রথমবারের মতো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এই সুবিধা পাবেন। 

    মূলত এই ফিচারের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা আনসেন্ট মেসেজ সেভ করতে পারবেন। এর ফলে অসমাপ্ত মেসেজ আর হারিয়ে যাবে না। কেননা ই-মেইলের মতোই তা ড্রাফট হিসেবেই সেভ হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয় ভাবে।

    অনেক সময়ই এমন হয় কোনো মেসেজ টাইপ করার পর হয়তো তা আর পাঠানো হয় না। এক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ সেটাকে সবুজ রঙের ড্রাফট হিসেবে লেবেল করে দেবে চ্যাট লিস্টে। ফলে অনায়াসেই ব্যবহারকারী ড্রাফট প্রিভিউ ও লেবেলের সাহায্যে সেগুলোকে শনাক্ত করতে পারবেন। চাইলে সেটিকে সম্পূর্ণ করে পাঠিয়ে দিতে পারবেন নির্দিষ্ট নম্বরে।

    এ ছাড়াও বিভিন্ন মানুষের সাথে কথোপকথন ট্র্যাক করতে বা আলাদাভাবে দেখার জন্য কাস্টম লিস্ট তৈরির ফিচার যোগ হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে।  সেই সঙ্গে চালু হয়েছে নতুন এক প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীদের যেকোনো ডিভাইস থেকে কন্টাক্ট যোগ করার সুযোগ করে দেবে।

  • নিষিদ্ধ হচ্ছে সিঙ্গেলব্যান্ড রাউটার, বাধ্যতামূলক ডুয়াল বা ট্রাইব্যান্ড

    নিষিদ্ধ হচ্ছে সিঙ্গেলব্যান্ড রাউটার, বাধ্যতামূলক ডুয়াল বা ট্রাইব্যান্ড

    বাসা কিংবা অফিসে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় ডিভাইস হলো ওয়াই-ফাই রাউটার। দেশের বাজারে এখন সিঙ্গেল, ডুয়াল বা ট্রাই-ব্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের রাউটার পাওয়া যায়। তবে শীঘ্রই নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে সিঙ্গেল ব্যান্ডের সকল রাউটার, ব্যবহার করা যাবে শুধু ডুয়াল বা ট্রাই-ব্যান্ড। 

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী বছর থেকে ডুয়াল বা ট্রাই ব্যান্ড সাপোর্ট করে শুধু এমন রাউটারই বিদেশ থেকে আমদানি এবং দেশে উৎপাদন করা যাবে। যে সব ওয়াইফাই রাউটার বাংলাদেশে বাজারজাত করা হবে সে সব রাউটারকে বাধ্যতামূলকভাবে ২.৪-২.৪৮৩ গিগাহার্জ এবং ৫.৭২৫-৫.৮৭৫ গিগাহার্জ, উভয় ব্যান্ড সাপোর্ট করতে হবে। এর মধ্যে যে কোনো একটি ব্যান্ড সাপোর্ট করে এমন ওয়াইফাই রাউটার বাজারজাত করা যাবে না।

    এতে নিম্নমানের এবং কম ব্যান্ডের রাউটার বিদেশ থেকে আমদানি ও দেশে উৎপাদনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। ইন্টারনেটের মান উন্নয়ন ও উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফারের সুবিধা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

  • মেটাকে ৮৪ কোটি ডলার জরিমানা করলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে ৭৯ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার ইউরো (৮৪ কোটি ডলার) জরিমানা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোম্পানিটি ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসে শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবায় ব্যবহারকারীদের স্বয়ংক্রিয় প্রবেশাধিকার দেয়ার মাধ্যমে একচেটিয়া ব্যবসা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, কোম্পানিটি নিজেদের প্রভাবশালী অবস্থানের অপব্যবহার করেছে। ইউরোপীয় কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মেটার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অন্য যেসব অনলাইনভিত্তিক শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবাদাতা বিজ্ঞাপন দেয়, তাদের ওপর অন্যায্য বাণিজ্যিক শর্তারোপ করে ব্যবসা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে মেটা।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিযোগিতা বিভাগের প্রধান মারগ্রেথ ভেসটাগার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইইউর একচেটিয়া ব্যবসা সংক্রান্ত আইনের অধীনে এটি বেআইনি। মেটার এ ধরণের আচরণ অবশ্যই বন্ধ করা দরকার।’

    “মেটার ‘অপব্যবহারমূলক অনুশীলন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, যেহেতু ফেসবুক মার্কেটপ্লেস ফেসবুকের সঙ্গে সংযুক্ত, তাই এটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিতরণ সুবিধা পায়। ফলে এর সঙ্গে প্রতিযোগিরা তাল মেলাতে পারে না।”

    কমিশন আরও বলেছে, ‘ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে সব ব্যবহারকারীর সয়ংক্রিয় প্রবেশাধিকার আছে। ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছা স্বত্তেও নিয়মিতভাবে এটি তাঁদের সামনে চলে আসে।’

    এদিকে এ বিষয়ে মেটা বলেছে, ইইউর করা জরিমানার বিপক্ষে আপিল করবে তারা। কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের মার্কেটপ্লেসে যুক্ত হবেন কি হবেন না, তা তারাই ঠিক করেন। বাস্তবতা হচ্ছে, মানুষ ফেসবুকের মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে চায় বলেই করে। তারা এটি ব্যবহার করতে বাধ্য নয়।’

    এ ছাড়া ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে যারা বিজ্ঞাপন দেয় তাদের জন্য শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষবার ক্ষেত্রে মেটা অন্যায্য শর্ত বেধে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ইউরোপীয় কমিশন। এই শর্তের কারণে অন্যান্য বিজ্ঞাপনদাতাদের বিজ্ঞাপনভিত্তিক তথ্য একচেটিয়াভাবে ব্যবহারের সুবিধা পায় মেটা।

    তবে মেটার দাবি, তারা এই উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপনদাতাদের তথ্য ব্যবহার করে না। আর এমনটি যাতে না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য তারা একটি ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া তৈরি করেছে।

  • পাকিস্তানের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আকিব জাভেদ

    পাকিস্তানের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আকিব জাভেদ

    হুট করে পাকিস্তানের সাদা বলের কোচের দায়িত্ব ছাড়ছে গ্যারি কার্স্টেন। এরপর লাল বলের কোচ জেসন গিলেস্পিকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। স্থায়ী কোচ নিয়োগের আগ পর্যন্ত তারই দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল। তবে নতুন করে সাদা বলের জন্য আকিব জাভেদকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পিসিবি।

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে সাবেক পাক পেসার আকিব জাভেদকে ওয়ানডে এবং টি টোয়েন্টি দলের কোচ হওয়ার কথা জানিয়েছে পিসিবি। তবে এখনই দায়িত্বে যোগ দিচ্ছেন না তিনি। আফ্রিকা সফরে থাকছেন গিলেস্পিই। ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত এই পদে থাকবেন আকিব। একই সঙ্গে নির্বাচক কমিটির সদস্যও থাকবেন তিনি।

    পিসিবি তাদের বিবৃতিতে এটাও জানিয়েছে যে সাদা বলের জন্য শিগগিরই স্থায়ী কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। হয়তো সেটা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর। পাকিস্তানে আগামী বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত হওয়ার কথা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

    পাকিস্তানের পরবর্তী সূচিতে আছে জিম্বাবুয়ে সফর। ২৪ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে তারা।

  • পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো অস্ট্রেলিয়া

    ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হাতছাড়া করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছিল অজিরা। এবার তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বড় জয়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো স্বাগতিকরা। 

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) হোবার্টে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অজিরা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অজি বোলারদের তোপে ১৮ ওভার ১ বলে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা।

    দলের পক্ষে বাবর আজম করেন সর্বোচ্চ ২৮ বলে ৪১ রান। এছাড়া হাসিবুল্লাহ খান ১৯ বলে ২৪ ও শাহীন আফ্রিদি করেন ১২ বলে ১৬ রান, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে অ্যারন হার্ডি নেন ৩টি উইকেট।

    ১১৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। দলীয় ৩০ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় তারা। ম্যাথুউ শর্ট ৪ বলে ২ ও জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ১১ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।

    এরপর জস ইংলিশকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চড়াও হন মার্কাস স্টোনিয়াস। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৫৫ রানের জুটি গড়েন দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৮৫ রানে ২৪ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান ইংলিশ।

    এরপর ক্রিজে আসা টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন স্টোনিয়াস। ফিফটি তুলে নেন তিনি। আর কোনো বিপদ না ঘটয়ে ৫২ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন এই দুই ব্যাটার। স্টোনিয়াস ২৭ বলে ৬১ ও টিম ডেভিড ৩ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

  • প্রেসিডেন্ট হয়ে গার্দিওলাকে ব্রাজিলের কোচ বানাতে চান রোনালদো

    প্রেসিডেন্ট হয়ে গার্দিওলাকে ব্রাজিলের কোচ বানাতে চান রোনালদো

    বাজে সময় পার করছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় সেলেসাওরা। ব্যর্থতার দায়ে কোচের পদ ছাড়েন তিতে। এরপর অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে কিছু দিন দায়িত্ব পালন করেন ফার্নান্দো দিনিজ।

    তখনই গুঞ্জন রটে, সেলেসাওদের দায়িত্ব নিচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) সঙ্গে আলোচনাও নাকি চূড়ান্ত হয়ে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ সংকটের জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন আনচেলত্তি এবং রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গেই চুক্তি নবায়ন করেন।

    এরপর ব্রাজিলের দায়িত্ব নেন দরিভাল জুনিয়র। শুরুটা ইতিবাচক হলেও ধারাবাহিকতা হারিয়েছে ব্রাজিল। কোপা আমেরিকা ব্যর্থতার পাশাপাশি বিশ্বকাপ বাছাইয়েও বেশ ধুঁকছে সেলেসাওরা।

    ব্রাজিলের এমন বাজে অবস্থায় সামনে এসেছে নতুন খবর। যাতে ২০২৬ সালে আমূল বদলে যেতে পারে ব্রাজিল দল। শুধু কোচ নয়, বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে সিবিএফের ভেতরেও।

    সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও নিজেই নাকি সিবিএফের সভাপতি হতে চান। সেইসঙ্গে তিনি কোচ হিসেবে দলে আনতে চান ইউরোপের প্রভাবশালী কোচ পেপ গার্দিওলাকে। ‘দ্য ফেনোমেনন’ খ্যাত রোনালদো আগামী বছর সিবিএফের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান।

    বর্তমান প্রেসিডেন্ট এনদালদো রদ্রিগেজের মেয়াদ ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হলেও সিবিএফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালে। ধারণা করা হচ্ছে, রদ্রিগেজ আবারও নির্বাচনে লড়বেন। তবে রোনালদোও যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের লড়াইয়ে আসেন, তাহলে বেশ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হবে রদ্রিগেজকে।

    স্পোর্তের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রোনালদো তার খেলোয়াড়ি জীবনের সময় থেকেই ব্যবসা ও সামাজিক–রাজনৈতিক দুনিয়ায় নিজের নেটওয়ার্ক তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এমনকি বিচারিক ক্ষেত্রেও নাকি তার ভালো যোগাযোগ আছে, যা নির্বাচনে দাঁড়ালে তার পক্ষে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে আলাদা দ্যুতির বিষয়টি তো রয়েছেই।

    রোনালদো সিবিএফের সভাপতি হলে তার প্রধান লক্ষ্য ব্রাজিলের কোচ হিসেবে পেপ গার্দিওলাকে নিয়ে আসা। ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে গার্দিওলার চুক্তির মেয়াদ এ মৌসুমের পরই শেষ হয়ে যাবে। বতর্মানে সিটির নড়বড়ে পারফরম্যান্সসহ নানা কারণে সিটির সঙ্গে গার্দিওলার চুক্তি নবায়ন নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

    এছাড়া গার্দিওলাও একাধিকবার জাতীয় দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছার কথা বলেছিলেন। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চান রোনালদো। স্প্যানিশ কিংবদন্তিকে নিয়ে আসতে চান ব্রাজিলে।