Blog

  • হাথুরুসিংহের ‘চড় মারা’ প্রসঙ্গে যা বললেন নাসুম

    হাথুরুসিংহের ‘চড় মারা’ প্রসঙ্গে যা বললেন নাসুম

    ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভরাডুবি হয় বাংলাদেশের। তবে দলের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে আলোচনা হয় অন্য এক ইস্যু নিয়ে। গণমাধ্যমে চাউর হয় বিশ্বকাপ চলাকালীন স্পিনার নাসুম আহমেদকে চড় মেরেছিলেন তৎকালীন হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে!

    তবে সে সময় বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ প্রসঙ্গে নিশ্চুপ ছিলেন নাসুমও। তবে অবশেষে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন এই টাইগার স্পিনার।

    ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে নাসুম বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে (শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত) কিছুই বলতে চাই না। গত এক বছরে এই বিষয়ে আমি কারো সঙ্গে কথা বলিনি। আমি সবকিছু আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছিলাম এবং তিনি আমাকে ফেরত দিয়েছেন। এক বছর পর আমি যেখানে ছিলাম (জাতীয় দলে) সেখানে ফিরে এসেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন এটি আমাকে ধরে রাখতে হবে এবং আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। অতীত আপনি জানেন, সারাদেশ জানে (যা ঘটেছে) এবং আমি এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে একটি শব্দও বলিনি। আমি এ সম্পর্কে কথা বলতে চাই না।’

  • মারা গেছেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

    মারা গেছেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

    মারা গেছেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু। সোমবার (১৮ নভেম্বর)  রাজধানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে এগারোটার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই ফুটবলার। তার ছেলের স্ত্রী ও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সহ-অধিনায়ক প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    বার্ধক্য ও নানা রোগে ভুগছিলেন ৮১ বছর বয়স্ক জাকারিয়া পিন্টু। গতকাল বাসায় আকস্মিকভাবে পড়ে যাওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন তার পরিবারের সদস্যরা। জাকারিয়া পিন্টুর বড় ছেলে তানভীরের স্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ কিডনির সমস্যার জন্য অন্য হাসপাতালে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর আগেই বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।’

    স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সহ-অধিনায়ক প্রতাপ শঙ্কর বলেন, ‘পিন্টু ভাই গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হলেন। এত দ্রুত আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন ভাবতে পারিনি। পিন্টু ভাই আমার খেলা নয় জীবনেরও অধিনায়ক।’

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের শীর্ষ ফুটবলাররা গঠন করেছিলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। ফুটবল খেলার মাধ্যমে দেশের মানুষের মুক্তির পক্ষে বিশ্বজনমত তৈরি করেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। সেই দলের গর্বিত অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।

    কিংবদন্তি এই ফুটবলারের নেতৃত্বে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ১৬টি ম্যাচে অংশ নিয়েছিল। এর ১২টিতেই জিতেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। ওই ম্যাচের টিকিট বিক্রির অর্থ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল তুলে দিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের তহবিলে।

    এছাড়া ১৯৭৩ সালে মালয়েশিয়ার মারদেকা কাপে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে নেতৃত্ব দেন জাকারিয়া পিন্টু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলেরও প্রথম অধিনায়ক।

  • চলে গেলেন ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা

    চলে গেলেন ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা

    কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায় নির্মিত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পথের পাঁচালীতে ‘দুর্গা’ চরিত্রে অভিনয় করে সবার নজর কেড়েছিলেন উমা দাশগুপ্ত। সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৮ নভেম্বর) কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। 

    ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবর, মরণঘাতি ক্যানসারের কাছে হার মেনে সোমবার সকাল ৮টার দিকে না ফেরার দেশে চলে যান উমা। এদিকে উমার একই আবাসনের বাসিন্দা ছিলেন চিরঞ্জিত। অভিনেতার কথায়, ‘সকালে উমার মেয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তখনই জানালেন, উমাদি চলে গেছেন। কয়েক বছর আগে ক্যানসার হয়েছিল তার।’

    উমা চিকিৎসায় সাড়াও দিয়েছিলেন প্রাথমিকভাবে। কিন্তু নতুন করে ফিরে আসে মারণরোগ। অসুস্থ হয়ে পড়েন উমা। চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করানো হয়েছিল এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই প্রয়াত হলেন উমাদেবী।

    মাত্র একটি ছবিতে অভিনয় করেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছিলেন উমা। ১৯৫৫ সালে সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’তে ছিলেন ‘অপু’র দিদি ‘দুর্গা’। কিশোরী বয়সের সেই চরিত্রকে পর্দায় জীবন্ত করেছিলেন উমা। এরপর তাকে আর পর্দায় দেখা যায়নি। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন শিক্ষক।

  • কপিল শর্মার শোতে ফিরবেন সিধু, তবে দিলেন একটি শর্ত

    কপিল শর্মার শোতে ফিরবেন সিধু, তবে দিলেন একটি শর্ত

    ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় কপিল শর্মার কমেডি শো এক দশক পেরিয়ে এখন ওটিটির পর্দায়। চলতি বছরেই টিভি ছাড়িয়ে ওটিটির পর্দায় নতুন নামে এই অনুষ্ঠান যাত্রা শুরু করেছে। নেটফ্লিক্সে দেখা যাচ্ছে এই শো। নাম বদলে হয়েছে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’।

    ২০১৩ সালে ছোট পর্দার একটি জনপ্রিয় চ্যানেলে শুরু হয় ‘কমেডি নাইটস উইথ কপিল’। যেই শো দিয়ে সঞ্চালকের ভূমিকায় রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান কপিল শর্মা।

    শো-তে কপিল ও অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি অতিথির চেয়ারে বসেন অর্চনা পূরণ সিং। অর্চনার আগে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্বেও সামলেছিলেন সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবীদ নভোজিৎ সিং সিধু। এবার ফের কপিলের শো-এ ফিরলেন সিধু!

    কপিলের শো-তে তার নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার পাশাপাশি জড়িয়ে পড়েছিলেন বিভিন্ন বিতর্কেও। শেষমেষ বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার কারণেই কপিল শর্মার শো ছাড়তে হয় তাকে। এরপরই সেই জায়গা ভরাট করতে পা রাখেন অর্চনা। তিনিও দারুণ জনপ্রিয় লাভ করেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আজকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কপিলের শো-তে অতিথি হিসাবে সস্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন সিধু। স্বভাবতই সিধুকে দেখে বেশ খুশি হয় নেটপাড়া। শো চলাকালীন কপিল তাকে অনুরোধ জানান, শো’য়ের আগামী সিজনে যেন পাকাপাকিভাবে ফিরে আসেন সিধু। একেবারে আগের মতো।

    শোনামাত্রই সম্মতি জানান সিধু। তবে রাখেন একটি শর্ত। সেটি পূরণ হলেই আসবেন তিনি। কী সেই শর্ত? সিধু জানান, আগামী সিজনে অর্চনাও তার সঙ্গে থাকবেন এবং অর্চনার আসনের পাশেই তার আসন রাখতে হবে, এতটুকুই।

    এই শর্ত পূরণ হলেই তিনি আবারও ফিরবেন কপিল শর্মা শো’তে। সিধুর মুখ থেকে এই কথা শুনে অভিভূত হয়ে পড়েন অর্চনা। তিনি সিধুকে ধন্যবাদও জানান।

  • সৌদি আরবে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন জেমস

    সৌদি আরবে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন জেমস

    জনপ্রিয় রক ব্যান্ড নগরবাউল মানেই জেমস। সবসময়ই কাজের বেশ ব্যস্ততায় থাকেন এই গুণী শিল্পী। দেশ ছাড়াও বিদেশেও কনসার্ট মাতান তিনি। সুখবর হলো এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে কনসার্ট করবেন জেমস।

    আগামী ২২ নভেম্বর সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রাজধানী রিয়াদে যাচ্ছে জেমস। সেখানে একটি কনসার্টের আয়োজন করবে জেমস ভক্তরা। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছে নগরবাউল ব্যান্ডের ব্যবস্থাপক রুবাইয়াৎ ঠাকুর।

    এ বিষয়ে ঠাকুর বলেন, ‘২২ নভেম্বর সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রিয়াদে যাচ্ছে নগরবাউল। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইবেন জেমস।

    এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনসার্ট করলেও সৌদিতে এটি আমাদের প্রথম সফর। এখানে দর্শকরা বিনামূল্যে গান শুনতে পারবেন। কনসার্ট করতে আগামী ২০ নভেম্বর দেশ ছাড়বে দলটি।”

    এছাড়াও জানা যায়, ২২ নভেম্বর রিয়াদের আল-সুওয়াইদি পার্কে গান শোনাবেন নগরবাউল। আয়োজনটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলাদেশ কালচার’, এটি সৌদি সরকারের আয়োজন রিয়াদ সিজনের অংশ।

  • এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে টাকা আদায় করবে ইসলামী ব্যাংক

    এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে টাকা আদায় করবে ইসলামী ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংক পিএলসির যেসব শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে, সেগুলো বিক্রির পরিকল্পনা করছে ইসলামী ব্যাংক। এই শেয়ার বিক্রি করে ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে চায় ব্যাংকটি।  এই শেয়ারগুলোর বেশিরভাগ ছিল বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন।

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংকের  চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পাচার করা টাকা পুনরুদ্ধার কৌশলের অংশ হিসেবে এসব শেয়ার বিক্রি করা হবে।

    ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ ও আমানতের মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার ব্যবধান রয়েছে। এস আলম গ্রুপের শেয়ার বিক্রি এবং নতুন শেয়ার ইস্যু করে এই ঘাটতি কমানো হবে।

    এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন শেয়ারের ফেস ভ্যালু (অভিহিত মূল্য) ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতিটি শেয়ারের দাম ৬০ টাকা হিসেবে এওবস শেয়ারের বর্তমান মোট বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

    বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা নতুন শেয়ার ইস্যু করে সংগ্রহ করা হবে বলে জানান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।

    তিনি আরও বলেন, ব্যাংকটি আইএফসি ও সৌদি আরবের বিনিয়োগকারী আল রাজি গ্রুপের মতো পুরনো বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। জানুয়ারি মাসের মধ্যে তাদেরকে আবার বিনিয়োগ করতে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগের বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ফিরে এলে ইসলামী ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। রবিবার (১৭ নভেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্ধারিত ছিল ৩০ নভেম্বর। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়ানো হয়েছে।

    গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের জন্য কোম্পানি ছাড়া সব শ্রেণীর করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ছিল আগামী ৩০ নভেম্বর। আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পেশার করদাতাদের পক্ষ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়। করদাতাদের সুবিধার্থে কোম্পানি ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে ই-রিটার্ন ও অফলাইনে কাগজের রিটার্ন দাখিল উভয় ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি আদেশ জারী করেছে। আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির ফলে অনলাইন ও অফলাইন উভয় প্রকার রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোম্পানি ছাড়া সব করদাতার জন্য জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অবস্থিত সব সরকারি কর্মচারী, সারা দেশের সব তফশিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সারা দেশের সব মোবাইল টেলিকম সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ওই আদেশে উল্লিখিত বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    ইতোমধ্যে ৩ লাখ ৭৫ হাজার করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। এ বছর করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের অভিজ্ঞতা ঝঞ্জাটমুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

  • দেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

    দেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

    ‘মিলগুলো অনেকদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল। মিলগুলো লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। দেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজন আছে। এতে দেশের টাকা দেশে থাকবে। অনেকে টাকা দেশের বাইরে নিয়ে গেছে। তাতে দেশের উপকার হয়নি। বর্তমানে দেশে দুর্নীতি, ঘুষ নেই। তাতে বিনিয়োগের জন্য অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’

    রবিবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২টি টেক্সটাইল মিলের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা বলেন।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দেশে বর্তমানে চাহিদার সাথে পাটের দাম বেড়েছে। পাট চাষীরা আগামী সিজনে পাটের দাম আরও পাবেন। পাটকে “গোল্ডেন ফাইবার অফ বাংলাদেশ” নামে জিআই করা হবে।’

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ভালিকা উলেন মিলস এবং সিলেটের সিলেট টেক্সটাইল মিলস লি. বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের (বিটিএমসি) সাথে যথাক্রমে লয়েল টেক্স লিঃ এবং ফাস্ট আইকন লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২টি টেক্সটাইল মিলের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

    বিনিয়োগের আশাবাদ ব্যক্ত করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আব্দুর রউফ বলেন, ‘বর্তমানে পিপিপি এবং লীজের মাধ্যমে পরে থাকা মিলগুলো পূনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। লীজ পদ্ধতি সহজ ও দ্রুত হয়ে থাকে।’

    অনুষ্ঠানে বিটিএমসি’র চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জিয়াউল হক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুব্রত শিকদার, আরিফুর রহমান খান, যুগ্মসচিব ড. আমিনুল ইসলামসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় লয়েল টেক্স লিঃ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা মো: জমশেদ আলী এবং ফাস্ট আইকন লি. চেয়ারম্যান মো: ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী চুক্তি স্বাক্ষরের প্রতিক্রিয়ায় মিল দুটিতে কর্মসংস্থান তৈরি হবে ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন।

  • ২৮ সাংবাদিকের ব্যাংক লেনদেনের খোঁজ নিচ্ছে বিএফআইইউ

    ২৮ সাংবাদিকের ব্যাংক লেনদেনের খোঁজ নিচ্ছে বিএফআইইউ

    দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ২৮ জন সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) তাদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    বিএফআইইউ ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে যে সব সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে, সেই তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিএফআইইউর কর্মকর্তারা বলছেন, গণমাধ্যমে প্রচারিত ও  প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনেকের লেনদেনের খোঁজ নেওয়া হয়। একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো তালিকাকেও আমলে নেওয়া হয়।

    তালিকায় থাকা সাংবাদিকেরা হলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ডিবিসি নিউজের হেড অব নিউজ জায়েদুল হাসান পিন্টু, এবিনিউজ২৪ ডটকমের প্রধান সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, এটিএনের জ ই মামুন, বাংলা ইনসাইডারের সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল ও চিফ রিপোর্টার জুলকারনাইন রনো, সমকালের সম্পাদক আলমগীর হোসেন, বাসসের মধুসূদন মণ্ডল, ডিবিসির মাসুদ আইয়ুব কার্জন, আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক মইনুল ইসলাম, সাংবাদিক ফরাজী আজমল হোসেন, বৈশাখী টিভির অশোক চৌধুরী ও ইডির এক্সিকিউটিভ এডিটর রাহুল রাহা।

    এ তালিকায় আরও আছেন, ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ডেপুটি চিফ নিউজ এডিটর আশিকুর রহমান শ্রাবণ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি (সাবেক) আবদুল্লাহ আল মামুন, স্বদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন, দৈনিক মুখপাত্রের সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন, ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি আদিত্য আরাফাত, এটিএন নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি তাওহিদুল ইসলাম সৌরভ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ মামুনুর রশীদ, সাংবাদিক শ্যামল সরকার, দৈনিক ইত্তেফাকের নগর সম্পাদক আবুল খায়ের এবং দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা।

    বিএফআইইউ তালিকা থাকা সাংবাদিকদের নামে কোনও ব্যাংকের লকার, সঞ্চয়পত্র, ক্রেডিট কার্ডসহ অন্যান্য কোনও আর্থিক উপকরণ রয়েছে কি না বা টাকাপয়সার লেনদেন হয়েছে কি না, এসব তথ্য জানতে চেয়েছে।

  • ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানি: গ্রাহক পর্যায়ে সুবিধা মিলবে?

    ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানি: গ্রাহক পর্যায়ে সুবিধা মিলবে?

    ভারতের পর নেপাল থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে। নেপাল থেকে যে বিদ্যুৎ আনা হচ্ছে তা প্রতি ইউনিটের দাম ৬ দশমিক ৪ সেন্ট, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকা। কিন্তু জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি খরচ শূন্য হওয়ায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়ে ৩০ পয়সা থেকে ১ টাকার মধ্যে। কিন্তু সেই বিদ্যুৎই নেপাল থেকে সাড়ে ৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানিতে বুঝে-শুনে এগোনো উচিত।

    নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির প্রতিক্রিয়ায় এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন তারা। তাদের মতে, ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতের পর নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সফল হয়েছে বাংলাদেশ। উপমহাদেশে বাংলাদেশই প্রথম কোনও দেশ— যারা একসঙ্গে ভারত এবং নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই নীতি অনুসরণ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরস্পর সহযোগী হলে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান হতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে রাষ্টগুলোর পরস্পর সহযোগী মনোভাব প্রয়োজন।

    শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) নেপাল থেকে ভারতীয় গ্রিড লাইন দিয়ে বাংলাদেশে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ প্রবেশ করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে এদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে নেপাল। দেশটি থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করা হয়েছিল। তবে পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৮ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে এসেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, নেপাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর বিষয়টি ছিল পরীক্ষামূলক। সব কিছু ঠিক আছে কিনা, যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে সহসাই বাণিজ্যিক সরবরাহ শুরু করবে নেপাল।

    ভারতের সঙ্গে নেপালের গ্রিড লাইন রয়েছে। সেই লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ ভারতে প্রবেশ করছে। সেখান থেকে ভারতীয় গ্রিড লাইন ব্যবহার করে ভেড়ামারা দিয়ে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

    ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন— জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘এর আগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি আমাদের সঙ্গে একপক্ষীয় চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোতে আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি। নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎও বাড়তি দামে কেনা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে কমদামে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে চিন্তা, তা এই চুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হবে না।’

    জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, ‘আমি বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখি। আমাদের দেশে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে; যেগুলো অলস পড়ে আছে। সেখানে কেন আমাদের অন্য একটি দেশ থেকে এত অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানি করতে হবে?’

    তিনি বলেন, ‘সরাসরি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হলে আমাদের জন্য লাভজনক হতো। কিন্তু ভারত হয়ে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসায় সেখানে আমাদের বিরাট অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে।’ ফলে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, নেপাল এবং ভুটানে প্রায় ১ লাখ মেগাওয়াট জলবিদ্যুতের উৎস রয়েছে। এসব উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে প্রতিবেশীরা ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু ভারত তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় কোনও দেশকে গ্রিড লাইন নির্মাণ করতে দিতে চায় না। এ বিষয়ে আগে আইন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল দেশটির সরকার। বর্তমানে আইনটি বাতিল করা হলেও তাদের অবস্থান একই রয়েছে। ভারত তাদের দেশের কোনও কোম্পানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির কাজ করে দিতে চায়। সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করলে যে সুবিধা পাওয়া যেতো ভারতীয় কোম্পানির মাধ্যমে আসলে তা পাওয়া সম্ভব না।

    সম্প্রতি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষিণ এশিয়াতে একটি কমন গ্রিডলাইন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।