Blog

  • বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    নগ্নের দীর্ঘ নাটকীয়তার পর অবশেষে জামিন পেলেন বলিউডের প্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব। এই ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে দিল্লি হাইকোর্টে, যেখানে চেক বাউন্স মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলায় রাজপালের বিরুদ্ধে ৯ কোটি টাকার জন‍্য দায়ের করা হয় অভিযোগ, যা দীর্ঘ সময় ধরে জটিলতা ও টানাপড়েন চলতে থাকায় তিনি বেশ চাপের মধ্যে ছিলেন। অবশেষে আদালত তাকে জামিনের শর্তে মুক্তি প্রদান করে।

    আদালত নির্দেশ দেয়, রাজপালকে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জরিমানা বা জমা দিতে হবে। এই শর্ত পূরণ হলে তার জামিন কার্যকর হয়। আগের দিনগুলোতে এই অভিনেতা চেক বাউন্সের কারণে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং তিহার জেলে থাকতে হয়।

    এর মধ্যে বলিউডের কিছু তারকা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান, এমনকি নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি ও কেআরও তার প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতা দেখিয়েছেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, জামিন পাওয়ার পর তিনি সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। তবে, এই ভিডিওটি আসলে ২০১৮ সালের পুরোনো একটি ক্লিপ, যেখানে তিনি তিন মাস জেল জীবন কাটিয়েছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিও সৃষ্টি হয়েছে।

  • সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এই সময়টা বেশ অlasτη হয়ে উঠেছে। গত বছরে সালমান খানের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যার হুমকি প্রকাশ পেলে পুরো বলিউডে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে এই তারকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি জানা গেছে, সালমানের বোনের স্বামী ও অভিনেতা আয়ুষ শর্মাও হুমকি পেয়েছেন।

    এর মধ্যেই এক নতুন দুশ্চিন্তার খবর এসেছে। বলিউডের বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে যে, প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাঁকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সালমান নিজেই তার বাবাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে জানা গেছে যে, বার্ধক্যজনিত সমস্যা যেমন—বয়সের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে থাকাকালে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি এবং কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যান। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে যায়।

    উল্লেখ্য, বলিউডের স্বর্ণযুগে অন্যতম সফল চিত্রনাট্যকার ছিলেন সেলিম খান। জাভেদ আখতারের সঙ্গে মিলেমিশে লিখেছেন বহু জনপ্রিয় সিনেমা—যেমন শোলে, জানজির, দিওয়ার এবং ডনের মতো কালজয়ী সিনেমা। এই সিনেমাগুলোর মাধ্যমে তিনি বলিউডের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    সেলিম খানের অসুস্থতার খবর প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বলিউডের তারকারা ও অনুরাগীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।

  • ১৪ সাবেক অধিনায়কের পাকিস্তান সরকারকে ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য চিঠি

    ১৪ সাবেক অধিনায়কের পাকিস্তান সরকারকে ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য চিঠি

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চৌদ্দজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতে তারা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেটার ইমরান খানের স্বাস্থ্যের প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাকে মানবিক ও সম্মানের সাথে চিকিৎসা দেওয়ার আহ্বান জানান।

    সম্প্রতি ইমরান খানের চোখের জটিলতা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার পরিবার জানিয়েছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় চিকিৎসার অপ্রতুলতায় এক চোখে তার দৃষ্টিশক্তি প্রায় সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়। এই পরিস্থিতি শুধু পাকিস্তানই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গণেরও গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারী এই বিখ্যাত অধিনায়কদের মধ্যে ক্রিকেট বিশ্বের অনেক সুপরিচিত ব্যক্তির নাম রয়েছে। অধিকাংশই খেলোয়াড়ি জীবনেও ইমরান খানের বিপক্ষে খেলে এসেছেন। এই চিঠির খসড়া তৈরি করেছেন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেট কোচ গ্রেগ চ্যাপেল। এতে বিভিন্ন দেশ থেকে ইয়ন চ্যাপেল, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ক্লাইভ লয়েড, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল অ্যাথারটন, নাসের হুসেইন, মাইকেল ব্রিয়ারলি, ডেভিড গাওয়ার, স্টিভ ওয়াহ, জন রাইট, কিম হিউজ ও বেলিন্ডা ক্লার্ক স্বাক্ষর করেছেন।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, “তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রতিবেদন—বিশেষ করে তার দৃষ্টিশক্তির আশঙ্কাজনক অবনতি ও গত দুই আড়াই বছর ধরে কারাবাসের পরিস্থিতি—আমাদের গভীর উদ্বিগ্ন করেছে।” সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, ইমরান খানের ক্রিকেটে অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি পাকিস্তানকে ১৯৯২ সালে তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয় এনে দিয়েছিলেন, যা ছিল তার দক্ষতা, দৃঢ়তা, নেতৃত্ব ও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই জয় তাকে এক প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস করে তুলেছে।

    এটি এমন সময়ে লেখা হয়েছে, যখন তার স্বাস্থ্যের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও কারাগারে তার চিকিৎসা নিয়ে পাকিস্তান সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কয়েক মাস ধরে তার পরিবারের জন্য সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তারা তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সাক্ষাৎ চাইলেও এখনও তা মঞ্জুর হয়নি। এর মধ্যে গত সপ্তাহান্তে তার হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে বলে খবরও প্রকাশ পেয়েছিল, কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত সত্য হয়নি।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও তার বন্ধু ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস ও শোয়েব আখতার সম্প্রতি ইমরান খানের উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক অজয় জাদেজা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের প্রতি মানবিক দায়িত্ববোধের পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইমরান খান, কিন্তু তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলায় দণ্ড হয়। তাকে বিভিন্ন সময়ে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও, তিনি ও তার সমর্থকরা এসবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। নির্বাচনের আগে তার দলকে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার জন্য নানা অজুহাত সৃষ্টি হলেও, ২০২৩ এর বড় ভোটে তার দল সর্বাধিক ভোট ও আসন পেয়েছে। তবে, আদালত তাকে একাধিক মামলায় দণ্ড দিলেও, সেই সাজাগুলো পরে বাতিল হয়।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, “ক্রিকেট মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের মধ্যে সম্মান ও শ্রদ্ধার সম্পর্কটি অটুট। ইমরান নিজের ক্যারিয়ারে সেই নীতিকে সম্মান করেছেন। এখন কর্তৃপক্ষের উচিত মানবিকতা দেখিয়ে তার চিকিৎসার জন্য যথাযথ ও ন্যায়বিচারে ব্যবস্থা নেওয়া।”

    মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলিও তার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তার পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাকে বিশেষ কৌঁসুলির মতো এক ‘মৃত্যুকূপ’ এর মধ্যে রাখা হয়েছে এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

  • গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    সুখবরটি ছিল সোমবারই। বিএনপির নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট ক্যাটাগরিতে শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। এই খবরের পর থেকে দেশে মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে আমিনুলের সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন अनुभवी ফুটবলার, বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক, এবং ২০০৩ সালে দেশের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মঙ্গলবার তিনি সেই প্রাপ্তির খেতাবের সঙ্গে আরও এক নতুন পরিচয় যোগ করলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে। এখন তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গণের একনায়ক, গোলপোস্টের মাঠে ছিলেন অতন্দ্র প্রহরী, আর এখন তিনি রাজপথের লড়াকু সৈনিক। তিনি দেশের ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে এক স্পষ্ট দিশারী।

    ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়লাভ করতে পারেননি। কিন্তু এর মাঝেও তার প্রতি দেশের মানুষের আস্থা কমেনি। নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে তার প্রতি আস্থা ও সম্মান অব্যাহত ছিল, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

    ফুটবলই আমিনুলের জীবনের মূল পরিচয়। ১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে তিনি জাতীয় দলে অভিষেক করেন। এরপর এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিত দলে থেকেছেন, চোট ছাড়া খুব বেশি সময় একাদশের বাইরে যেতে হয়নি তাকে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জয়ে দলের নেতৃত্বদান করেছেন, এবং ২০১০ সালে এসএ গেমসে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়িতার সম্মান অর্জন করেছেন। সেই টুর্নামেন্টে তার জালে বল জড়ায়নি একবারও।

    ২০১১ সালে ফুটবল থেকে অবসরে গিয়ে তিনি রাজনীতিতে মন দেন। প্রথমে সীমিত পরিচিত হলেও ধীরে ধীরে তিনি সক্রিয় ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। রাজপথে নানা আন্দোলন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার মধ্য দিয়ে তার নতুন পরিচয় গড়ে ওঠে। এই পথচলায় তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে, পুলিশি নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে তার জীবনে।

    রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিনি ক্রীড়াঙ্গনে বেশি সময় কাটাচ্ছেন। দেশের নানা প্রান্তে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানো, পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার এই অবদান স্বীকৃতি পেয়েছে সম্প্রতি। দীর্ঘ পথচলা, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে এখন তার কাঁধে দায়িত্ব, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গণের সংস্কারের বড় হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

    আগামী দিনে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাকে, যেখানে তার সক্ষমতা প্রমাণের প্রয়োজন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি বড় স্বপ্ন দেখালেন—দেশের ২৯৫টি উপজেলায় প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা; সেখানে পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করে প্রতিটির জন্য তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। এর ফলে, প্রতিটি উপজেলায় একজন ক্রীড়া অফিসার ও ১৫ জন ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। পাশাপাশি, তিনি দেশের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিকে জোরদার করার পরিকল্পনাও রেখেছেন। তিনি চান, দেশের প্রয়োজনীয় স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট দেশেই তৈরি ও রপ্তানি হোক, যাতে ক্রীড়াঙ্গনে স্বনির্ভরতা আসে। গ্রামীণ পর্যায়ে ক্রীড়া প্রসারে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রধানমন্ত্রী থেকে দেশের তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য এক নতুন দিশারী হতে চলেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, ক্রীড়াঙ্গণ হবে তার গুণগত পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম।

  • বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের চুক্তিতে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। সে সময়ের অধীনে তিনি এই পদের দায়িত্বে ছিলেন, তবে দুই বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি এই পদে থাকতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। চলতি মাসের ৫ তারিখ লিপু বিসিবিকে লিখিত চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি আর এই দায়িত্ব পালন করতে চান না।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তার মেয়াদ এই মাসেই শেষ হবে। বিসিবি কিছুদিন আগে চেষ্টা করেছিল তাকে আরো দীর্ঘ সময়ের জন্য ধরে রাখতে, কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে লিপু এই প্রস্তাবে রাজী হননি। এর ফলে শীঘ্রই প্রধান নির্বাচকের পদ শূন্য হয়ে যাচ্ছে।

    অন্যদিকে, এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে যে, সাবেক নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দিতে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবটি মূলত ক্রিকেট অপারেশন্সের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    তবে, এখনই এই প্রস্তাবে তিনি সম্মত হননি বলে জানা গেছে। কিছু দিন সময় চেয়ে নিয়েছেন, তবে মৌখিকভাবে দেশের ক্রিকেটের এই প্রিয় তারকা প্রধান নির্বাচক হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। ফলে, বোঝা যাচ্ছে যে, শিগগিরই বিসিবির পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হতে চলেছেন হাবিবুল বাশার।

  • বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেছেন জার্মানির ইতিহাসের একজন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা, মেসুত ওজিল। তিনি ক্যাম্পাসে এসেছেন আধুনিকায়ন ও নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। এই অনুষ্ঠানে তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা মেডিকেল সেন্টার-এর আধুনিকায়ন কাজের উদ্বোধন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। মিনহাজ উদ্দীন জানান, আগামীকাল তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করতে যাবেন।

  • ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, আইসিসির নিশ্চিতকরণ

    ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, আইসিসির নিশ্চিতকরণ

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবে? এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই ছিল, বিশেষ করে চলমান বিশ্বকাপটি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় না হওয়ার কারণে। অবশেষে বুধবার এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৮ সালের আসরে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবে খেলতে পারবে। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে, যেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে। বুধবার কলম্বোতে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের ফলে এই খেলার সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। সুপার এইটের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের বাছাইবিধি অনুযায়ী, এই সুপার এইটে ওঠা সব দলই ২০২৮ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড অবশ্য আগে থেকেই আয়োজক হিসেবে নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া এই আসরেও অংশ নিবে তবে সুপার এইটে উঠতে পারেনি, তবে স্বাগতিক হিসেবে তাদের খেলার যোগ্যতা স্বীকার হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের এই বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করবে ৮টি দল। বাকি ১২টি দলের মধ্যে ৯টি নিশ্চিত হয়েছে এবারের বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ও স্বাগতিক হওয়ার ভিত্তিতে। অন্য তিনটি দল চূড়ান্ত হবে টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের ওপর নির্ভর করে, যা নির্ধারিত হবে আগামী ৯ মার্চ র‌্যাংকিংয়ের আপডেটের পর। এই তালিকায় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডই থাকছে, কারণ তারা বর্তমানে যথাক্রমে ৯, ১০ ও ১২ নম্বরে অবস্থান করছে। এই তিন দলের জন্য আগামী ৯ মার্চের পর কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকছে না যা তাদের র‌্যাংকিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে, এই তিন দল ইতিমধ্যেই ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে খেলার জন্য নিশ্চিত ঘটনা।

  • কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

    কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

    পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা পুলিশ মেয়াদোত্তীর্ণ মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতের অবস্থানের অভিযোগে ছয় বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে। এরা সবাই নিজেদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী পরিচয় দিয়েছেন বলে অপর এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে।

    ২৬ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার তাদের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তারা পার্কস্ট্রিটের একটি হোটেলে অবস্থান করে থাকছিলেন। এই খবর পেয়ে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ ওই হোটেলে অভিযান চালায় এবং ছয়জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বয়স হয় ২৫ থেকে ৩৫ বছর। এদের কাছ থেকে সবকিছু মিলিয়ে বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজনের নাম হলো আজম মোল্লা, আবির হোসেন, মোহাম্মদ মামুন রশিদ, মোহাম্মদ আলিমুন গাজী, ফয়জল আমিন এবং জায়দুল ইসলাম। এর মধ্যে আজম মোল্লা নিজেকে একজন বাংলাদেশি গায়ক হিসেবে পরিচয় দেন এবং কলকাতায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে আয় করার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছেন বলে জানায় পুলিশ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা স্বীকার করেন, তারা সবই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ভয়ে তারা মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারা মেডিকেল ভিসা সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু নভেম্বরে থেকে জানুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হলেও তারা ভয়ে দেশে ফেরেননি। বরং কলকাতা থেকে অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনায় ছিলেন তারা।

    কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল (১৬ ফেব্রুয়ারি) ওই ছয়জনকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছে।

  • এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানদের উপস্থিতি বাড়ল প্রশান্ত মহাসাগরে রণতরীর পর

    এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানদের উপস্থিতি বাড়ল প্রশান্ত মহাসাগরে রণতরীর পর

    আমেরিকা-ইরান পারমাণবিক চুক্তি এখনো অনেক দূর। দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও কোনও স্পষ্ট সমাধান আসেনি। এর মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক কার্যকলাপ নতুন করে বেড়ে গেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে।সূত্রের খবর, এই অঞ্চলে এখন কার্যত ৫০টির বেশি মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে মার্কিন সরকার এখনও কিছু জানাননি।গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি মার্কিন যুদ্ধবিমানদের উপস্থিতি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে খবর প্রকাশ করছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এফ-১৬, এফ-২২ এবং এফ-৩৫ সহ আরও অনেক উন্নত যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, আরও কিছু উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমান পশ্চিম এশিয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।দিন কয়েক ধরে পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে মার্কিন পুলিশের উপস্থিতি ও শক্তি প্রর্দশন বেড়েই চলছে। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু হয়েছিল মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের অভিযাত্রা। এটি নিমিটজ-শ্রেণির একটি রণতরি, যার সঙ্গে রয়েছে তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার। এই মুহূর্তে, এই সমস্ত জাহাজগুলো ইরানের উপকূল থেকে খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ আমেরিকা উপকূলে মোতায়েন আরও একটি মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডও পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। মার্কিন শক্তির এই প্রভাব বিস্তার চলাকালীন, ইরান পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে, যা পর্যবেক্ষকদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। ঘটনাচক্রে, হরমুজ প্রণালী এখনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-সহ বেশ কয়েকটি রণতরীর উপস্থিতিতে ঘিরে রয়েছে। ইরানের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ পরীক্ষা মাত্র, তবে অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে, এটি হয়তো ‘প্ররোচনামূলক’ পদক্ষেপ হতে পারে।এই উত্তেজনা চলাকালীন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে, বৈঠকের ফলাফল নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভি ভান্স জানিয়েছেন, ইরান তাদের মূল দাবিগুলিকে মানতে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ, ইরান এখনো আমেরিকার শর্তগুলোর সঙ্গে সম্মতি দিতে প্রস্তুত নয়। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তারা ইরানের জন্য আরও দু’সপ্তাহ সময় extending করতে রাজি। তবে, ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভবিষ্যতের জন্য ধারণা দিচ্ছে, এবং শিগগিরই পারমাণবিক চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

  • আল আকসায় প্রথম রমজানের তারাবি আদায় মুসল্লিদের জমায়েত

    আল আকসায় প্রথম রমজানের তারাবি আদায় মুসল্লিদের জমায়েত

    মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের মতো ফিলিস্তিনেও গতকাল মঙ্গলবার চাঁদ দেখা গেছে, যার ফলে ইসলাম ধর্মের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর হাজারো মুসল্লি আল আকসা মসজিদে উপস্থিত হয়ে এই প্রথম রমজানের তারাবি নামাজ সম্পন্ন করেন। তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই ঐতিহাসিক ঘটনার সময় আল আকসা মসজিদে ইমামতি করেন আল-আকসার খতিব শেখ ইউসুফ আবু স্নেইনেহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ইসরায়েলি পুলিশ বাধ্যতামূলক উপস্থিতি ছিলেন। বুধবার ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেইন রমজানের শুরুতে চাঁদের দেখা যাওয়ার ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, মুসল্লিরা ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী সন্ধ্যার পর আল আকসা চত্বরে জড়ো হয়ে প্রথম তারাবি নামাজ আদায় করেন। উল্লেখ্য, আল-আকসা মসজিদ পশ্চিম জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী। অতীতে এই অঞ্চলটি মুক্ত ছিল, তবে ১৯৫৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ইসরায়েল ওই এলাকাটির দখল নেয়। বর্তমানে তা ইসরায়েলের অধীনে রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে জেরুজালেমে মুসল্লিদের প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে, ২০২৫ সালে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরে এই নিষেধাজ্ঞায় কিছু শিথিলতা দেখা গেছে।