গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ মোজাহিদপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ছিনতাইকারীর সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তিন সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল ইদিলপুর ইউনিয়নের মাদারহাট ব্রিজের কাছে ছিনতাই করার চেষ্টা করে। তবে ওই এলাকায় অবস্থানকারী স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের লক্ষ্য করে ধাওয়া করে। ছিনতাইকারীরা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু খোদ্দ মোজাহিদপুরে এসে ড্রাইভিং হারিয়ে মোটরসাইকেলটি পুকুরে পড়ে যায়। সেহরির সময় খবর ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বলেন। গল্পের দুই সদস্য পুকুরে পড়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। অন্য একজন সদস্য অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিম উদ্দিন জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে তাদের পরিচয় জানার জন্য বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
Blog
-

জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী Миржа ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি অব্যাহত, সমৃদ্ধ দেশ গড়া, যেখানে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ চলছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রতি জবাবদিহি করা, কারণ আমরা সবাই মিলেই দেশের ভবিষ্যত নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় তিনি এই কথা বলেন, যেখানে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনাও দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর নেতৃত্বে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি সফল রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরগুলো অত্যন্ত অপরিহার্য। ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে সবাই যদি দলগতভাবে একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো নির্মাণ নয়, বরং জনগণের বিশ্বাসও পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী আরো যোগ করেন, গ্রামে বসবাসরত মানুষগুলো কষ্টে রয়েছেন — এটি শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য সমাজ, সরকার ও আগ্রহী নাগরিকদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ধাপে ধাপে গ্রামীণ জনগণের সংকট কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত। সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে অটুট রেখে, জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একটি অবিচ্ছিন্ন সামাজিক চুক্তি। তাই, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য এই মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সার্বিকভাবে, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিলে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন দ্রুত হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগ অন্যতম চালিকা শক্তি হবে বলে তিনি বিশ্লেষণ করেন।
-

অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, সফল অস্ত্রোপচারের পূর্বে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভালো খবর
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার এক হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন যেখানে তার ব্রেন টিউমারের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে তার অসুস্থতার খবর জানিয়ে ভক্তদের দোয়া চেয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় তানিয়া বৃষ্টি বর্তমানে শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। এই মুহূর্তে তার সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও চিকিৎসা জরুরি। অনুরোধ রইল, শুটিং বা অন্য কোনো কাজের ব্যাপারে ফোন বা খুদে বার্তা দিয়ে বিরক্ত করবেন না। সুস্থ হয়ে উঠলে নিজে থেকেই সবাইকে জানানো হবে। আপনারা দোয়া ও ভালোবাসাই এখন আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল। ভালোবাসি। রোববার আমার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে, দোয়া করবেন সবাই।’ কিছুদিন ধরে তিনি বেশ অসুস্থ বোধ করছিলেন, বিশেষ করে তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করেন। পরীক্ষাগার প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে, তাকে গুরুতর কোনও রোগের জন্যই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সোমবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তার ব্রেন টিউমার অপারেশন সম্পন্ন হয়। ডাক্তাদের মতে, অস্ত্রোপচারটি সফল হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হওয়া এই অপারেশন রাতে সাড়ে ৮টায় সমাপ্ত হয় এবং বর্তমানে তাকে পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ইতিমধ্যে উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা আগামীকাল তাকে কেবিনে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা করেছেন। পরিচালক সকাল আহমেদ জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই তানিয়া শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করছিলেন। কখনো তীব্র মাথাব্যথা, কখনো জ্বর-ঠান্ডা, এসবের জন্য অনেক সময়ই পাত্তা দেননি তিনি। তবে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠায় উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, যেখানে পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন তার চিকিৎসা চলতে থাকে এবং অবশেষে রোববার তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, এই সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার পরিস্থিতি অনেকটাই সুস্থ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। ডিজিটাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই খবরের মাধ্যমে তার শুভচেতনা ও দ্রুত সুস্থতার জন্য সকলের দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারের পক্ষ থেকে।
-

বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন
৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান টানাপড়েনের পর অবশেষে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেয়েছেন। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত তাকে জামিনের শর্ত হিসেবে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই শর্ত পূরণ করেই তার জামিন মঞ্জুর হয়।
উল্লেখ্য, এই চেক বাউন্স মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে সামনাসামনি আত্মসমর্পণের পর থেকে রাজপাল যাদব দিল্লির তিহার জেলে ছিলেন। তার এই কঠিন সময়ে অনেক বলিউড তারকা তার পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান, এমনকি নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি ও কেআর।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রাজপাল যাদবের একটি ভিডিও, যেখানে তাকে জামিন পাওয়ার পর সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেছে। তবে এই ভিডিওটি নতুন নয়, এটি মূলত ২০১৮ সালের পুরনো একটি ক্লিপ। সেই সময় প্রায় তিন মাস তিনি কারাবাস করেছিলেন। এই ভিডিওর বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে মনে করছেন এটি সাম্প্রতিক নয়।
-

সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি
খান পরিবারের জন্য এই সময়টা বেশ কঠিন করে তুলেছে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। গত বছর সালমান খানের ওপর একের পর এক হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনা স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল সবার জন্য। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা আরও বেশি নিরাপত্তার মধ্যেই থাকছেন। সম্প্রতি খবর আসে যে, সালমানের বোনের স্বামী ও এক জনপ্রিয় অভিনেতা আয়ুষ শর্মাকেও হুমকি বার্তা পাঠানো হয়েছে।
এরই মধ্যে বড় ধরনের চিন্তার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। বলিউডের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, প্রবীণ চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত চিকিৎসার জন্য মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় নিজের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি সালমান খান। তিনি কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পরনে ছিলেন, নিরাপত্তার ব্যবস্থা খুব কড়া করে রাখা হয়েছিল। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় তিনি কোনো কথা বলেননি সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের সঙ্গে। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে।
বিশেষ করে উল্লেখ্য, বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম সফল এবং প্রভাবশালী চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। তার লেখা সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলফিকার আলি ভুট্টো পরিচালিত সিনেমাগুলো; জুলফিকার রহমানের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’, ‘জঞ্জির’, ‘দিওয়ার’ এবং ‘ডন’ – এই সব সিনেমা বলিউডের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
সেলিম খানের অসুস্থতার খবর জানাজানি হওয়ায় বলিউডের তারকারা ও ভক্তরা দ্রুত তার সুস্থতা কামনা করছেন। আপদকালীন এই সময়টায় তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন সবাই।
-

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি পরিচিতজনদের কাছে হিরো আলম নামে খ্যাত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বিপুল ধরণের অভিযোগের মধ্যে অবর্তমান, এর মধ্যে অন্যতম হলো বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন। গত বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক অভিযোগপত্র অনুমোদন করে, অভিযোগের ভিত্তিতে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ফোনে যোগাযোগ করলে জানা যায়, এই ঘটনার সম্পূর্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার একাধিক সূত্র। পরিচালক রবিন খান বলেন, হিরো আলমকে পুলিশ বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁকে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির করা হয়। অন্য এক সূত্র জানায়, হিরো আলম তার নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন, এমন খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করেন। পরে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে শাজাহানপুর থানার কাছে তাকে আটক করা হয়।
বগুড়া জেলা পুলিশ সূত্র বলছে, এই মামলার পাশে ২০২২ সালের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। ওইদিনের এক জবানবন্দিতে অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করে, তবে প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে পাওয়া যায়নি এ জন্য অন্য পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রের বয়ান অনুযায়ী, হিরো আলম একজন নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এর পাশাপাশি, ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে, তিনি একজন মৌলভী ডেকে ওই নারীর স্বীকারোক্তি নেন ও বিয়ের কথা বলে তাকে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া করে একসাথে থাকেন। এরপর, যখন ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন, ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল তার গর্ভপাতের জন্য চাপ দেন। এই সময় তাকে মারধর করা হয়, যার ফলে গুরুতর রক্তক্ষরণে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে গর্ভপাত সম্পন্ন হয়। পরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া সিনেমা তৈরির নাম করে হিরো আলম ওই নারعبন্ধুক প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
-

স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুল, ভাই নান্নু মিঞা ও বোন মহিমা বিবির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি), যখন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন।
-

গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা
সুসংবাদটি ছিল আজকের দুপুরে। বাংলাদেশি ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক বড় সুখবর, যখন জানা গেছে যে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হককে নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় শপথ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। এই খবর শুনে অনেকের মনই আনন্দে ফেটে পড়েছে।
আমিনুলের পরিচয় শুধু রাজনীতিরই নয়, তিনি দেশের ফুটবল ইতিহাসের এক স্মরণীয় নাম। বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক হিসেবে তিনি দেশ সেবা করেছেন দীর্ঘ সময়। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। সেই সাফল্যের মুকুটে এবার যোগ হলো নতুন এক পালক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া। এখন তিনি গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরী থেকে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দেশের ক্রীড়াঙ্গণের প্রধান দায়িত্বে আছেন।
১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। এরপর ২০১১ সাল পর্যন্ত নিয়মিত ছিলেন দলে; চোট বা অন্য কোন কারণে খুব কম সময়ই একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ের পাশাপাশি ২০১০ সালে এসএ গেমসের স্বর্ণজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি, যেখানে তার জালে বল আটবার জড়ায়নি।
২০১১ সালে খেলাধুলা থেকে সরে দাঁড়িয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন আমিনুল। শুরুটা ছিল সীমিত পরিসরে, কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি গড়েন নিজস্ব পরিচয়। রাজপথের আন্দোলন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তিনি একটি নতুন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন। রাজনীতির এই পথে হাঁটতে গিয়ে তাকে কারাদণ্ডও ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি পুলিশি হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি মূলত ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে মনোযোগ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন, পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তার কাঁধে বড় দায়িত্ব। সংস্কারে ব্যাপকভাবে সচেতন ও সক্রিয় তিনি। সামনে রয়েছে কঠিন পরীক্ষা, যেখানে তাকে নিজের ক্ষমতাকে প্রমাণ করতে হবে।
দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্ত থেকেই তিনি খুব স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২৯৫টি উপজেলাতে একজন করে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করবেন। প্রতিটি উপজেলায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করতে পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। এর ফলে প্রতিটি অঞ্চলে একজন ক্রীড়া কর্মকর্তা ও অন্তত ১৫ জন ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। পাশাপাশি, দেশের ক্রীড়াঙ্গণে স্বনির্ভরতা আনার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। নিজেরা প্রয়োজনীয় স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট তৈরি এবং রপ্তানি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আমিনুল বিশ্বাস করেন, ক্রীড়াঙ্গন হবে গুণগত পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম। তার এই প্রয়াস দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে আরও সমৃদ্ধ ও সুনামের পথ ধরে এগিয়ে নিয়ে যাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
-

বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার
বিসিবি এবার নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে হাবিবুল বাশারকে নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু দুই বছরের জন্য প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ওই সময় তিনি চুক্তি করেন যার মেয়াদ শেষ হবে এই মাসে। গত দুই বছর তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে ব্যক্তিগত কারণের কারণে তিনি এখন আর এই দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নন। সম্প্রতি তিনি বিসিবিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদে থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, লিপুর মেয়াদ এই মাসে শেষ হচ্ছে। বিসিবি তার মেয়াদ আরও বাড়াতে চেয়েছিল, তবে পারিবারিক কারণে তিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য চুক্তিতে আগ্রহী না হওয়ায় বিষয়টি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুতই এই পদে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন চলমান পরিস্থিতিতে।
খবর অনুযায়ী, বিসিবি সাবেক নির্বাচক ও দেশের সেরা অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিসিবির কাছ থেকে। তবে এখনই এই প্রস্তাব গ্রহণ করছেন না বলে জানা গেছে। তিনি আরো কিছু দিন সময় চেয়েছেন। তবে তিনি এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। ফলে শিগগিরই নিশ্চিত হতে পারে, দেশের ক্রিকেটের দায়িত্বে থাকছেন হাবিবুল বাশার।
-

বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন জার্মানির সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল। তিনি বর্তমানে একটি আধুনিকায়ন ও নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার’-এর উন্নয়ন কাজের শুভ সূচনা করেন। নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ অন্য বিশিষ্ট অতিথিরা। মিনহাজ উদ্দীন জানান, এর পরের দিন অর্থাৎ আগামীকাল, মেসুত ওজিল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করবেন।
