স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী Миржа ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি অব্যাহত, সমৃদ্ধ দেশ গড়া, যেখানে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ চলছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রতি জবাবদিহি করা, কারণ আমরা সবাই মিলেই দেশের ভবিষ্যত নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় তিনি এই কথা বলেন, যেখানে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনাও দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর নেতৃত্বে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি সফল রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরগুলো অত্যন্ত অপরিহার্য। ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে সবাই যদি দলগতভাবে একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো নির্মাণ নয়, বরং জনগণের বিশ্বাসও পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী আরো যোগ করেন, গ্রামে বসবাসরত মানুষগুলো কষ্টে রয়েছেন — এটি শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য সমাজ, সরকার ও আগ্রহী নাগরিকদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ধাপে ধাপে গ্রামীণ জনগণের সংকট কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত। সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে অটুট রেখে, জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একটি অবিচ্ছিন্ন সামাজিক চুক্তি। তাই, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য এই মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সার্বিকভাবে, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিলে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন দ্রুত হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগ অন্যতম চালিকা শক্তি হবে বলে তিনি বিশ্লেষণ করেন।
