Blog

  • বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে তাকে হাজির করা হয়।

    গবেষণাটি ঘটে বগুড়ায়, বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে হিরো আলমের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার সহযোগী পরিচালক রবিন খান। তিনি জানান, বগুড়ার বনানী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

    একটি সূত্র বলছে, হিরো আলম নিজ এলাকা থেকে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করছিলেন। তবে যখন পুলিশ তার খোঁজে যায়, তখন তিনি ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করেন। শেষমেশ গাড়ি চালিয়ে শাজাহানপুর থানার কাছাকাছি এলাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

    বগুড়া সদর থানার পুলিশ সূত্র জানায়, গত বছরের ৬ মে এক নারীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। ওই সময় অভিযোগকারিনী বগুড়ার নারী ও শিশুশিল্প নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলায় অন্তর্ভুক্ত হন। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    অভিযোগের বিশদে জানা গেছে, হিরো আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নায়িকা বানানোর আশ্বাসে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি তিনি একজন মৌলভী ডেকে তাঁর স্বীকারোক্তি করান এবং বিয়ের কথা বলে নানা স্থানে বাসা ভাড়া করে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। এ সময় মহিলার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, গত বছরের ১৮ এপ্রিল তার নিজ বাড়িতে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি রাজি না হলে, ২১ এপ্রিল হিরো আলম ও অন্যান্য অভিযুক্ত তাকে মারধর করে। ঘটে গুরুতর রক্তক্ষরণ, ফলে তাকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং গর্ভপাত সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

    অন্য এক অভিযোগে বলা হয়, সিনেমা তৈরির কথা দিয়ে হিরো আলম ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা দর করেন।

  • স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুল এবং তার ভাই নান্নু মিঞা ও বোন মহিমা বিবির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে। বাদী পক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযোগ মতে, মোছাম্মৎ সুরভী বেগম নামের এক নারী ২৯ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সেই দিনই আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করে। তবে, অর্ণব জানান, আজ তারা আদালতে হাজির হননি, তাই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সুরভী বেগম ও নিঝুম পূর্ব পরিচিত। রুবিনা ও রাহুল সুরভীর বিশ্বাসযোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে সুরভীর কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়ে সেগুলো সময়মতো ফেরত দেন। ২০২০ সালের ১অক্টোবর থেকে তারা সুরভীর কাছ থেকে মোট সাড়ে ১২ লাখ টাকা ধার করে। ওই টাকা তিন দফায়, ১১ থেকে ২০ অক্টোবর, সুরভীর কাছ থেকে নেন। চুক্তি অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা ছিল, এবং রাহুলের টাকা ফেরত দিতে অক্ষম হলে তার ভাই নান্নু টাকার ভার নেবেন বলে চুক্তি হয়।

    পরবর্তীতে, সুরভী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছরের ১ মে, জরুরি প্রয়োজনের জন্য, আবার টাকা ফেরত চান। কিন্তু রুবিনা ও রাহুল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ২২ সেপ্টেম্বর, সুরভীর সমর্থনে রামপুরার বনশ্রীস্থ রুবিনার বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত দাবি করলে, তাদের সঙ্গে ঝগড়া বাধে। টাকার দাবি অস্বীকার করে রুবিনা ও অন্যরা সুরভীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনার কারণে সুরভী রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

  • বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি), বিশ্বকাপজয়ী জার্মান ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার’-এর আধুনিকায়ন এবং নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মিনহাজ উদ্দীন বলেন, মেসুত ওজিল আগামীকাল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করবেন।

  • আইসিসি নিশ্চিত করেছে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ

    আইসিসি নিশ্চিত করেছে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অংশগ্রহণের ভবিষ্যৎ এখন পরিষ্কার হয়েছে। ভারতের শ্রীলঙ্কায় চলা অন্যান্য আসরের মতো, বাংলাদেশ গত বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়ার পর নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে তারা। আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থান র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয়েছে।

    বর্তমানে চলা বিভিন্ন ম্যাচের ফলাফলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সুপার এইটের চূড়ান্ত লাইনআপ ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সুপার এইট একসঙ্গে চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায়, এরা সরাসরি ২০২৮ আসরে খেলার প্রত্যাশী। বিশেষ করে, নিউজিল্যান্ডটি স্বাগতিক হিসেবে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া এই আসরে সরাসরি जगह পেলেও, তারা এই সুপার এইটে উঠতে পারেনি।

    আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০ দলীয় বিশ্বকাপে বাছাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হবে আরও ৮টি দেশ। এর মধ্যে, ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে যে, ৯টি দল পারফরম্যান্স ও স্বাগতিকতা (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড) এর ভিত্তিতে জায়গা করে নেবে। বাকি তিনটি দল হবে র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে। ৯ মার্চ, ফাইনালে শেষ হওয়ার দিন, এই র‌্যাঙ্কিংৰ তালিকা চূড়ান্ত হবে।

    বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের অবস্থান যথাক্রমে ৯, ১০ ও ১২ নম্বরে। এই তিন দলের জন্য বড় খবর হলো, ৯ মার্চের মধ্যে কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হওয়া নেই যেগুলো র‌্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন আনতে পারে। ফলে, এই তিন দল সরাসরি ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে খেলতে পারবে, যা তাদের জন্য এক বড় সাফল্য। বাংলাদেশ এখনই নিশ্চিত হয়েছে যে, আগামী আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

  • বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, জানুন বেতন কত

    বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, জানুন বেতন কত

    বাংলাদেশ Cricket Board (বিসিবি) সম্প্রতি চলতি বছরের (২০২৬) জন্য ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে মোট ২৮ জন ক্রিকেটার স্থান পেয়েছেন। এবারের চুক্তিতে ‘এ’ ক্যাটাগরি থাকছে না, যা আগে থেকে জানা গিয়েছিল। প্রথমবারের মতো এই চুক্তিতে স্থান পেয়েছেন পারভেজ ইমন, তানভীর ইসলাম, হাসান মুরাদ। বরং, অনেক পুরনো ক্রিকেটার তারই সঙ্গে আবারো চুক্তিতে ফিরেছেন, যেমন সাইফ হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাঈম হাসান, শামীম হোসেন। কোন ক্রিকেটারই এই বার চুক্তি থেকে বাদ পড়েননি।

    চুক্তির গ্রেড অনুসারে ক্রিকেটারদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৮ লাখ টাকা বেতন) – নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ।

    বি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৬ লাখ টাকা) – মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান, নাহিদ রানা, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, তামিম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান।

    সি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা) – সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, খালেদ আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব।

    ডি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা) – পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম, হাসান মুরাদ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন। এই তালিকা অনুযায়ী, ক্রিকেটারদের বেতন ও গ্রেড নির্ধারিত হয়েছে, যা তাদের পারফরমেন্স ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়েছে।

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে ওজিলের গাড়িবহর দুর্ঘটনায় পড়ল

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে ওজিলের গাড়িবহর দুর্ঘটনায় পড়ল

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে গুরুতর একটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে জার্মানির সাবেক ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টের পুত্র নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানের গাড়িবহর। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া কুতুপালং এলাকায়।

    বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, এতে ওজিল বা তার দলের কেউ এখনও পর্যন্ত আহত হননি। তবে দুর্ঘটনার শিকার হয় একটি অটোরিকশা, যেটি বহরটির সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের ফলস্বরূপ অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়, এবং এর চালক গুরুতর আহত হন। আহত চালকের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    উখিয়ার শাহপুরী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে সাবেক ফুটবলার মেসুত ওজিল ও নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানের গাড়ির বহরটি ভিআইপি প্রোটোকল ভেঙে একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।’ তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় জব্দ করা হয়েছে অটোরিকশাটিকে।

    অটোরিকশাটি ভেঙে গেছে এবং এর চালক আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ পরিস্থিতি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ওজিল ও তার দলের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছিলেন। বিকেলে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ফুটবল খেলেন ওজিল, আর সন্ধ্যায় ইফতারে অংশ নেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

  • বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বলে সালাউদ্দিনের ক্ষোভ

    বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বলে সালাউদ্দিনের ক্ষোভ

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ উদ্যোগে অব্যাহত থাকা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দল এবারের আসরে অংশ নিতে পারেনি। ভারতের মাঠে খেলতে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবে হয়নি, যা খুবই রাজনৈতিক ও নাটকীয় মুহূর্ত সৃষ্টি করে।

    বিশ্বকাপের শুরু আগেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপে না খেলা সরকারের সিদ্ধান্ত। তবে কিছুদিন পরে তিনি তাঁর ভাষ্য পাল্টে বলেন, এই সিদ্ধান্ত আসলে সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্ত ছিল।

    এই বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিসিবির সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুক্রবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দুর্ভাবনার সঙ্গে জানান, তিনি অবাক হয়েছেন যে কেউ এমন মিথ্যা কথা বলতে পারেন। তিনি বলেন, ‘উনি (আসিফ নজরুল) খাঁড়ার ওপর এভাবে নিজের সত্যতা না যাচাই করে মিথ্যা কথা বলছেন, আমি ভাবতেও পারছি না। আমি কিভাবে আমার খেলোয়াড়দের সামনে মুখ দেখাবো? উনি একজন শিক্ষকের মানুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক এইভাবে মিথ্যা বলবেন — এটা মানতে পারছি না।’

    সালাউদ্দিন আরও যোগ করেন, ‘আমি জানি আমার দুই খেলোয়াড় কোমায় চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল তারা। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরে আনার জন্য অনেক কষ্ট করেছি। এইটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। তবে, আপনি যদি এক সেকেন্ডে দলের বেশ কিছু কিছুকে ধ্বংস করে দেন, সেটিই বড় দুর্ভাগ্য।’

    এর আগে, ফেব্রুয়ারি মাসের ১০-এ তিনি বলেছিলেন— দল বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশের বোর্ড ও খেলোয়াড়ের সিদ্ধান্ত ছিল। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমরা দেশের ক্রিকেটের জন্য নিজেদের ত্যাগ স্বীকার করেছি, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। মানুষের মর্যাদার জন্য আমাদের ভূমিকা রেখেছি।’ তবে, সেই বক্তব্যে সমালোচনার মুখে পরে তিনি নিজেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেন।

  • করাচিতে গ্যাস বিস্ফোরণে আবাসিক ভবন ধসে নিহত ১৬

    করাচিতে গ্যাস বিস্ফোরণে আবাসিক ভবন ধসে নিহত ১৬

    পাকিস্তানের করাচি শহরের সোলজার বাজার এলাকায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক গুরুতর বাসাবাড়ির গ্যাস পাইপলাইনের অগ্নিসংযোগে একটি ভবন ধসে পড়েছে। এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও আরও ১৮ জন আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটে গুল রানা কলোনির একটি ভাড়াবাড়িতে, যা ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়। করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সাবির মেমন জানান, এখন পর্যন্ত ১৩টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা চলমান।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এই বিস্ফোরণের কারণ সম্ভবত গ্যাস পাইপলাইনে লিকের জন্য। বিস্ফোরণের ফলে ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়ে এবং আঘাতপ্রাপ্তদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুতই উদ্ধারকারী দল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। উদ্ধারকারীরা জীবিতদের খোঁজা ও নিখোঁজদের উদ্ধারে তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ ওই ঘটনার খবর নিয়েছেন এবং এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি অচিরেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার ও আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য বলেছেন এবং ঘটনার কারণ তদন্তের জন্য করাচি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসানও এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি উদ্ধার কাজ চালানোর গতি বাড়াতে এবং আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

  • পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ৮ মাসে ৯২৪ জনকে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনার উদ্বেগ

    পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ৮ মাসে ৯২৪ জনকে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনার উদ্বেগ

    গত নভেম্বরের এক দিন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা বাহাওয়ালপুরে ঘটে এক চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। সেই দিন পাঞ্জাব পুলিশে ক্রাইম কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্ট (সিসিডি)-এর একটি সশস্ত্র দল বাড়িতে প্রবেশ করে ধরপাকড় চালায়। তারা জুবাইদা বিবি ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মোবাইল ফোন, ঘরে থাকা নগদ অর্থ ও অলঙ্কার লুট করে নেয় এবং ধরিয়ে নিয়ে যায় তার তিন ছেলে ও দুই জামাতাকে।

    ঘটনার মাত্র ঘণ্টা খানেকের মধ্যে পাঞ্জাবের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার হয় মোট পাঁচজনের লাশ। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিন ছেলে—ইমরান (২৫), ইরফান (২৩) এবং আদনান (১৮)— রয়েছেন। এই ঘটনার বিস্তারিত ছবি ভারতের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অব পাকিস্তান (এইচআরসিপি)-এর নথিতে উঠে এসেছে। এইচআরসিপিকে জুবাইদা বিবি বলেন, “তাদের ঝড়ের মতো বাহাওয়ালপুরে ঢুকে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে সব Some মূল্যবান জিনিস লুট করে নিয়ে যায়।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের ছেলে-জামাতাদের ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য আমরা লাহোর পর্যন্ত গিয়ে চেষ্টা করেছি, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। পরবর্তীতে তাদের লাশ উদ্ধার করে আমরা জানতে পারি, তারা হত্যা করা হয়েছে।” এই ঘটনার বিচার চেয়ে জুবাইদা বিবি ও তার স্বামী আবদুল জব্বার আদালতেও গিয়েছিলেন। কিন্তু পাঞ্জাব পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হয়, যদি অভিযোগ প্রত্যাহার না করেন, তাহলে পরিবারের সবাইকেই হত্যা করা হবে। এই ভয়াবহ হুমকির মুখে বাধ্য হয়েই অভিযোগ প্রত্যাহার করেন তারা।

    আবদুল জব্বার বলেন, “আমরা তাদের অপরাধী বলছি না। তারা খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ছিল, বিবাহিত এবং সন্তানের পিতা-মাতা।” গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এইচআরসিপি এই ঘটনা নিয়ে একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মাত্র ৮ মাসে পাঞ্জাবের সিসিডি ৬৭০টি ‘এনকাউন্টার’ অভিযান পরিচালনা করে, যার نتیجے ৯২৪ জন নিহত হয়েছেন।

    পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের নেতৃত্বে ২০২৫ সালে গঠন করা হয় এই বিভাগ। মূল উদ্দেশ্য ছিল গুরুতর অপরাধ ও সংঘবদ্ধ গ্যাংদের দমন। তিনি এক ভাষণে ঘোষণা করেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে পাঞ্জাবকে অপরাধমুক্ত করার জন্য আমরা কঠোর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সিসিডি একটি প্রশিক্ষিত বাহিনী, যারা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কঠিন অপরাধীদের ধরতে সক্ষম।”

    সিসিডির কার্যক্রম কেবল পাঞ্জাবের ভেতর সীমিত। এই বাহিনী অলিখিতভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এইচআরসিপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাহিনী ‘সমান্তরাল পুলিশ’ হিসেবে কাজ করছে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে।

    পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন জোটের অন্তর্গত পাকিস্তান মুসলিম লীগের অবদান আর রাজনৈতিক যোগসূত্রের কথাও উল্লেখ করা হয়। মরিয়ম নওয়াজ, যারা পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের নেত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের চাচী, তারাও এই সিসিডির গুড পারফরম্যান্সের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

    তবে, এইচআরসিপির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সিসিডি ‘সমান্তরাল পুলিশ’ হিসেবে কাজ করে আসছে এবং অলিখিত দায়মুক্তি সুবিধা নিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধির প্রবণতা প্রবল হয়ে পড়েছে। এর পরিচালক ফারাহ জিয়া আলজাজিরাকে বলেন, “১৯৬০ সালের পর থেকেই পাঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলার নামে হত্যা বেড়ে চলেছে। তবে বর্তমানে এই প্রবণতা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। ২০২৪ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঞ্জাব ও সিন্ধু মিলিয়ে ৩৪১টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রেকর্ড করা হয়। কিন্তু ২০২৫ সালে মাত্র আট মাসে পাঞ্জাবেই নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৯২৪। এটি খুবই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি।”

  • দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে দেশের একটি আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তাকে ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যা তিনি রাষ্ট্রদ্রোহের মূল অভিযোগের আওতায় করেছেন। একইসঙ্গে তার কারাদণ্ডের সঙ্গে সামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনকেও ৩০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের তিন বিচারকের প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। শুনানিতে জানা যায়, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি জে মোংকে সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে আটক করার জন্য নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগেও ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

    প্রসিকিউটররা এই মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্টের দণ্ড হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের জন্য আবেদন করেছিল, তবে আদালত বোঝে ৬৫ বছর বয়সী ইউন ইওলকে আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

    অপরদিকে, একই মামলায় সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোহ সাং-উনকে ১৮ বছর, সাবেক পুলিশ প্রধান চো জি-হোকে ১২ বছর, সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক প্রধান কিম বং-সিককে ১০ বছর এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি পুলিশ গার্ডের সাবেক প্রধান মোক হিউন-তায়েকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সবাই এক সপ্তাহের মধ্যে আপিল করতে পারবেন বলে আদালত জানিয়েছে।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি, দেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকেও ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার জন্য সাত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৬১ বছর বয়সী লি কেএনপি-র পুলিশের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসকে সরকারের সমালোচক মিডিয়া ও গণমাধ্যমের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন।

    এছাড়াও, জানুয়ারিতে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুককে ২৩ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি সামরিক আইন জারির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং এই মামলার দ্বিতীয় মন্ত্রী হিসেবে দণ্ডিত হয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল শক্তিশালী ও প্রচণ্ড বিতর্কিতভাবে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন। তবে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে একই দিন সন্ধ্যায় মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে সেই ঘোষণা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। এই ঘটনার পর, ১৪ ডিসেম্বর, ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং তার সাময়িক পদচ্যুতি ঘটে। এরপর, ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়। সূত্র: রয়টার্স