Blog

  • এই বছরে এলপিজি দুর্ঘটনায় ক্ষতি ২০ কোটি টাকার বেশি

    এই বছরে এলপিজি দুর্ঘটনায় ক্ষতি ২০ কোটি টাকার বেশি

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডীয় জেনারেল মোহাম্মদ জাহেদ কামাল জানিয়েছেন, চলতি বছর দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা হয়েছে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে, যার সংখ্যা এখন ৫৮০টির বেশি। এসব দুর্ঘটনায় আনুমানিক ২০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও, গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের মোট সংখ্যা প্রায় এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০টির কাছাকাছি পৌঁছেছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

    ডিজি মোহাম্মদ জাহেদ কামাল আরও জানান, উদ্ধারকাজের মাধ্যমে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তবে এ সময় অনেক ফায়ারফাইটার আহতও হয়েছেন। সম্প্রতি একটি কেমিক্যাল কারখানার দুর্ঘটনায় তিনজন সহকর্মী শাহাদতবরণ করেছেন, যা আমাদের আরও সতর্ক হওয়ার প্রেরণা দিয়েছে।

    তিনি এও বলেন, এলপিজি খাতটি ক্রমশ বিস্তার লাভ করছে এবং এর ব্যবহার ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি এখনই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। যেহেতু ব্যবহার বাড়বে, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়বে, তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলাই একান্ত দরকার।

    ডিজি জানান, ফায়ার সার্ভিস ইতোমধ্যে স্কুলের শিশুদের অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়টি অবগত করার জন্য পাঠ্যপুস্তকে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করতে একটি লেসন প্ল্যান জমা দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের বইগুলোতে এটি অন্তর্ভুক্ত হবে।

    এছাড়াও, তৈরি পোশাক খাতের মতো অন্যান্য খাতে সমন্বিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণে আগের তুলনায় অগ্নিদুর্ঘটনা কমেছে। এলপিজি খাতেও বর্তমানে ৫৩৭টি স্টেশনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে ৯৯৭টি স্টেশনে পৌঁছাবে। ব্যবসায়ী ও অপারেটররা সহজেই এই স্টেশনে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এবং অনেকে।

  • র‍্যাবের পিকনিকের গাড়ির সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২২

    র‍্যাবের পিকনিকের গাড়ির সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২২

    পটুয়াখালী সদরে র‍্যাব সদস্যদের পিকনিকের গাড়ি ও যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন শিশু দুই বছর বয়সী। এছাড়া, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। হতাহত সবাই র‍্যাবের গাড়িতে ছিলেন।

    ঘটনা ঘটেছে আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালী জেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ফতুল্লার পক্ষিয়া এলাকায়, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায়।

    পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, র‍্যাব-৮ এর একটি গাড়ি বরিশাল থেকে কুয়াকাটায় পর্যটনে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, কুয়াকাটা থেকে বরিশালগামী ধানসিঁড়ি ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাস একই সড়ক দিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসছিল। উভয়ের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুই বছর বয়সী এক শিশু নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনায় র‍্যাবের সহকারে অন্তত ২২ জন আহত হন। আহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র‍্যাবের গাড়িতে প্রায় ৩০ জন সদস্য ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ চালায় এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

    পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে আমরা ১৩ জনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। সেখানে একজন দুই বছরের শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তামান্না রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে ২০-২২ জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি দুই বছরের শিশু নিহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালসহ বিভিন্ন হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ টাকার বেশি

    সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ টাকার বেশি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য উর্ধ্বমুখী হয়েই চলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও স্বর্ণের দাম ঝাঁকুনি খেয়েছে। সোমবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

  • সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া Light , যেখানে এই হার ছিল আগের মাস আগস্টে ৮.২৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সোমবার প্রকাশিত মাসিক ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ মাসে দুটোই অর্থাৎ খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও সরকারের নানা উদ্যোগের পরও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টাগুলো অকার্যকর साबित হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

    সিপিআই অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। এর অর্থ, যা পণ্য একবছর আগে যদি ১০০ টাকায় কেনা হতো, তাহলে এখন তা কিনতে গিয়ে লাগছে ১০৮ টাকা ৩৬ পয়সা। এই বৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় বেশিই।

    মূল্যস্ফীতি একটি অর্থনৈতিক করের মতো, যা সাধারণ মানুষের জন্য 부담ের কারণ। ধরা যাক, একজনের মাসিক আয় যদি পুরোপুরি খরচ হয়ে যায় এবং জিনিসপত্রের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়, তবে তাকে ধারদেনা করতে হয় বা খরচ কমাতে হয়। এতে করে জীবনযাত্রার মান কমে যায়। মূল আয়ে যদি মজুরি বা আয় বাড়ে না, তবে সাধারণ মানুষের জীবন আরও কষ্টদায়ক হয়ে উঠে।

    অর্থ বছর ২০২৩-২৪ এর গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের বেশি। চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারের লক্ষ্য হলো এই হার ৬.৫ শতাংশের মধ্যে রাখা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্যপণ্য ও সেবা সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। খাদ্যবইভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৭.৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাস আগস্টেও ছিল প্রায় একই। পাশাপাশি, খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগস্টে ছিল ৮.৯ শতাংশ।

    বাংলাদেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে এবং এটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারত ২.০৭%, পাকিস্তান ৫.৬%, শ্রীলঙ্কা ১.৫%, নেপাল ১.৬৮%, আফগানিস্তান ২.২%, মালদ্বীপ ৪.৬% এবং ভূটান ৩.৬% হারে মূল্যস্ফীতি নিয়ে এগোচ্ছে।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামে জীবনযাত্রার খরচ বেশি। এ মাসে গ্রামাঞ্চলে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৭% এ দাঁড়িয়েছে, যা শহরে ৮.২৮ শতাংশ।

    এডিবি (আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক) পূর্বাভাস দিয়েছে, চলমান অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে এটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ হার হবে বলে সতর্ক করেছে।

    সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছে। তবে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ কিছু দেশ এখনও খাদ্য ও জ্বালানি খাতে মূল্যস্ফীতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে, ভারতে ও শ্রীলঙ্কায় দৃঢ় মুদ্রানীতি ও কার্যকর বাজার তদারকির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।

  • মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বেড়ে যাচ্ছে, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বেড়ে যাচ্ছে, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট সংসদীয় উৎপাদন বা জিডিপি যেখানে প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশের সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে যাওয়ার ফলে এখন বেসরকারি ভোগের সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে, এই সময়ে অর্থনীতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অপ্রত্যাশিত নয়।

    বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনটি আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি এতে এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট আপডেট শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনের তথ্যও তুলে ধরা হয়।

    বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জেন পেসমি, সংস্থার চীফ ইকনোমিস্ট ফ্রানজিসকা লেসলোট ওহসেজ এবং অন্য কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের অর্থনীতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সংস্থার ইকনোমিস্ট নাজসুস সাকিব খান ও সিনিয়র এক্সটারনাল অফিসার মেহেরিন এ মাহবুব।

    প্রতিবেদনটি বলছে, চলমান অর্থবছরে বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এই বৃদ্ধির গতিকে বাধা দিতে পারে। আমদানিতে স্বাভাবিকতা আসলে চলতি হিসাবের ঘাটতি কিছুটা বাড়তে পারে। এর পাশাপাশি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতির ফলে রাজস্ব আয়ের বৃদ্ধির সঙ্গে জিডিপির অনুপাতের রাজস্ব ঘাটতি ৫ শতাংশের নিচে রাখতে পারা সম্ভব হবে।

    মুদ্রাস্ফীতির দিকেও এ প্রতিবেদন আন্তরিক মনোযোগ দেয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা কমলেও, ২০২৫ সালের আগস্টে তা ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ২০২৪ সালের নভেম্বরের ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালের আগস্টে ৭ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। এর পেছনে নিয়মিত বিনিময় হার এবং খাদ্য সরবরাহের পুনরুদ্ধার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

    নিম্ন-আয়ের মানুষের মধ্যে মজুরির বৃদ্ধির হার মুদ্রাস্ফীতির থেকে বেশির ভাগই বেশি হলেও, সম্প্রতি এই ব্যবধান কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। তবে, দারিদ্রের হার এখনও বাড়ছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২৪ সালে ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। শ্রমশক্তির অংশগ্রহণও কমে গেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ হার ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে, যেখানে নারীর অংশগ্রহণে সবচেয়ে বেশি হ্রাস ঘটেছে। এই সময়ে প্রায় ৩০ লাখ কর্মক্ষম বয়সী ব্যক্তি শ্রমবাজারের বাইরে রয়েছেন, এর মধ্যে ২ দশমিক ৪ মিলিয়ন নারী। এর ফলে, মোট কর্মসংস্থান প্রায় ২০ লাখ কমে ৬৯ দশমিক ১ লাখে দাঁড়িয়েছে। কর্মক্ষম জনসংখ্যার সাথে কর্মসংস্থানের অনুপাত ৫৬ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগে আরো বেশি ছিল।

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এখনও উদ্বেগের কারণ। খেলাপি ঋণ মূল মূলচ্যালেঞ্জ হিসেবে বিদ্যমান। মূলধন ঝুঁকি বাড়াতে সম্পদের অনুপাত ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সাধারণত ১০ শতাংশের নিচে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে মার্জ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাসনব্যবস্থা ও পরিচালনাগত স্বাধীনতা শক্তিশালী করতে নানা প্রচেষ্টা চলমান। এ ছাড়া, ব্যাংকের কর্পোরেট শাসন উন্নত করার জন্য আইনি কাঠামো নির্মাণ এবং জরুরি তরল্য সহায়তা ব্যবস্থা চালু করার কাজ চলছে।

    প্রতিবেদনটি আরও উল্লেখ করে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সামান্য হ্রাস পেয়ে ৪ দশমিক ০ শতাংশে দাঁড়াবে, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ২ শতাংশ। দুর্বল বিনিয়োগের কারণে এই প্রবৃদ্ধি মাত্র ০ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়া রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসা পরিচালনায় উচ্চ ব্যয়ের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগও কমে গেছে। সরকারি বিনিয়োগের গতি আরও ধীর।

    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি, প্রতিবেদনে কর-রাজস্ব বৃদ্ধি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে কর-জিডিপি হার দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম, যা দেশের টেকসই উন্নয়নের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

  • সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    দেশের বাজারে সোনার দাম প্রথমবারের মতো ভরিতে ২ লাখ টাকার নিচে নামলেও তেমন ছাড় থাকেনি। এক দিনের মধ্যে আবার দাম বৃদ্ধি পেয়ে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকায় পৌঁছেছে। এটি ছিল গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর ঘোষণা অনুযায়ী। এতে গত চার দিনেই ভরি অনুযায়ী সোনার দাম মোট ৬ হাজার ৮৪৮ টাকা বেড়েছে। নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের তথ্যমতে, দাম বাড়ার এই প্রভাবে দেশের বাজারে আজ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ভরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের সোনার সর্বোচ্চ দাম ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকায়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম আরও ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ভরি ২১ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৩৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ২০২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ২৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেরও সাম্প্রতিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এখন এক ভরি রুপার সর্বোচ্চ বিক্রির মূল্য ১ হাজার ২৬ টাকা। পাশাপাশি, বিশেষ মানের ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ২ হাজার ৮৫৮ টাকা। এভাবে প্রতি ভরিতে ২১ ক্যারেট রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৪০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ৬৩০ টাকা।

  • সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এক দিনেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) মূল্য বিশ্ববাজারের পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এর ফলে এক ভরি স্বর্ণের দাম আগের চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সঙ্গে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জন্য নতুন মূল্য কার্যকর হবে আজ বৃহস্পতিবার। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদন করে, যেখানে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

    এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা ছিল, যা এখন আরেক ধাপ উঁচুতে উঠে গেল। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম আরও ৬ হাজার ৯০৫ টাকা করে বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা এলো। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৬৫৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ хувের অসামান্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৫৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্যও ৪৮২৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    আগের দিন, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম বেশ কিছু ক্যাটেগরিতে আরও বেড়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২৫৭৮ টাকায় উঠেছিল। পাশাপাশি সনাতনী পদ্ধতির দামের বৃদ্ধি ছিল ২ হাজার ১৯২ টাকা।

    এদিকে, রুপার দামে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। করোনাকালীন সময়ের প্রচলিত দামের তুলনায় আজ অনেক বেশি। স্বর্ণের মতো রুপার দামও বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১২ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা আগের তুলনায় considerably বেশি। অন্য ক্যাটেগরির ক্ষেত্রে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৯৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৩৯ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৮০২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৬৩০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এভাবে নিয়মিত দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দেশের মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজার মূল্য ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, যা কাতর দামে স্বর্ণার ও রুপার চাহিদাকে আরও জোরদার করছে।

  • আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন প্রত্যাশা তারেক রহমানের

    আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন প্রত্যাশা তারেক রহমানের

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন এবং সহযোগিতা চান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, দেশের ক্ষমতা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ হবে। গত মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নেন। তাদের মূল দাবি ছিল, অবসর বয়স ৬৫ বছর নির্ধারণ, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ এবং অন্যান্য চার দফা দাবির প্রতি সরকার মনোযোগী হোক। তারেক রহমান আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের সফল দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রভাবশালী একটি রাষ্ট্র হিসেবে উন্নত মেধা, মনন এবং জ্ঞানে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এক্ষেত্রে, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হলে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে। দুর্নীতিবিরোধী একটি সমাজ তৈরিতে স্কুল পর্যায়ে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এর পাশাপাশি তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন এবং এ জন্য একটি সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন।

  • নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে সতর্ক থাকুন: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে সতর্ক থাকুন: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক চোখে চোখে সংকেত দিয়েছেন যে, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আয়োজিত এক শিক্ষক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এই সমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, অবসর বয়স ৬৫ বছর নির্ধারণ, নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করা। মির্জা ফখরুল শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন,

  • নির্বাচন কাকে দিয়ে হবে তা জনগণই ঠিক করবে: আমীর খসরু

    নির্বাচন কাকে দিয়ে হবে তা জনগণই ঠিক করবে: আমীর খসরু

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিদেশিদের উপর নয়, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন কেমন হবে, তা নির্ধারণ করবে মূলত দেশের জনগণ। বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    এ prior, ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ একদল বিএনপি প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমীর খসরু বলেন, বিএনপি স্বাগত জানায় যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে আগ্রহী। অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তারা অবজারভার দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে তারা।

    আমীর খসরু বলেন, আমাদের কাছে বিদেশিদের কাছে কোনও অভিযোগ বা নালিশ নেই। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোনো বিদেশির হাতেও নয়, বরং এর সিদ্ধান্ত হবে দেশের জনগণের ভোটের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক 유지 করে আসছে এবং এই সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়। এছাড়া তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে দৃ solid করার জন্য, সংসদকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিতে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করতে চায়।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

    অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসায় কিছু বিদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে সম্প্রতি যে বৈঠক হয়েছে, সে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, এসব বৈঠক কোথায় and কবে হয়, তা ব্যক্তি বিশেষের বিষয়। এ ব্যাপারে তাঁদের কোনও মন্তব্য নেই বোঝাতে চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের স্বার্থে ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাই সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেবে।