Blog

  • চীনের ছয় শীর্ষ জেনারেলসহ মোট নয়জন সামরিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

    চীনের ছয় শীর্ষ জেনারেলসহ মোট নয়জন সামরিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

    চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের nine জন শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করেছে, যা দেশের সামরিক শুদ্ধিকরণের বৃহত্তম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই পদক্ষেপকে তারা কার্যত দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান的一 অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পদক্ষেপটি কেবল দুর্নীতি মুক্ত করার নয়, বরং রাজনীতি ও সংগঠনের শুদ্ধিকরণেরও সূচনা নির্দেশ করতে পারে।

    চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই নয়জন আপাতত মারাত্মক আর্থিক অপরাধের সন্দেহে রয়েছে। তাদের বেশিরভাগই তিন তারকা জেনারেল এবং পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফোরামের সদস্য। সংস্থাটির মতে, এই বরখাস্তের সিদ্ধান্তটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি কঠোর অভিযানের অংশ, তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা হয়তো রাজনীতি শুদ্ধিকরণের ধারাও হতে পারে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এই সব জেনারেলরা দলের শৃঙ্খলা লঙ্ঘন এবং দায়িত্বে অবহেলার জন্য দায়ী। তারা এখন সামরিক আদালতের বিচারে আছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের সূত্রপাত চলতি বছরের জুলাই মাসে, যখন সামরিক বাহিনীতে দূষিত প্রভাব ও অপবিত্রতা দূর করতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগে, অস্ত্রের শুদ্ধিকরণের লক্ষ্য্যে চলা এই অভিযানে সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীও তাদের শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য ইতিমধ্যেই শাস্তি পেয়েছেন।

    অর্থনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শি জিনপিং এর এই শুদ্ধিকরণ উদ্যোগ আসলে নিজ ক্ষমতা প্রমাণের একটি চেষ্টাই। তারা মনে করেন, এই প্রচেষ্টা পার্টিকে অন্তর থেকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার মনোভাবকে দৃঢ় করতে পারে।

    বিশ্লেষকরা আরো উল্লেখ করেছেন, এই ধরনের শুদ্ধিকরণ কার্যক্রম অপ্রতিরোধ্যভাবে চলবে, যাতে করে শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও আরেকটু অধিক শৃঙ্খলিত সামরিক বাহিনী গড়ে উঠতে পারে। এখন দর্শকদের নজর থাকবে ২০ শে অক্টোবরের দলীয় পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে কোন মহল বা নেতারা যোগ দেন এবং তার মাধ্যমে এই আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বোঝা যাবে।

  • মাদাগাস্কারের নতুন প্রেসিডেন্ট কর্নেল রান্দ্রিয়ানিরিনা

    মাদাগাস্কারের নতুন প্রেসিডেন্ট কর্নেল রান্দ্রিয়ানিরিনা

    মাদাগাস্কারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেনাবাহিনীর কর্নেল মাইকেল রান্দ্রিয়ানিরিনা। এর আগে দেশ থেকে পালিত হয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনা। এরপর সামরিক বাহিনী পাল্টা আঘাত হেনে ক্ষমতা কব্জা করে। দেশটির উচ্চ সাংবিধানিক আদালত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে রান্দ্রিয়ানিরিনার নিয়োগ অনুমোদন দেয়, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশজুড়ে পানি ও জ্বালানি সংকটের কারণে ভয়াবহ বিক্ষোভ শুরু হয়, যার কারফিউ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ১০০ জন। এই খবর দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আল-জাজিরা অনলাইন।

    আল-জাজিরার রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুক্রবার প্রতিদ্বন্দ্বী রান্দ্রিয়ানিরিনা বলেছেন, ‘আজ আমাদের দেশ ঐতিহাসিক মোড় নিয়েছে। দেশের মানুষের পরিবর্তনের জন্য আমাদের তীব্র আকাঙ্খা ও ব্যাপক ভালোবাসা আমাদের নতুন যাত্রার পথ দেখিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, দেশবাসীর স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদসহ বিশিষ্টজনেরা, সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক দূতিপূর্ণ দল, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা।

    নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সময় রান্দ্রিয়ানিরিনা বলেন, ‘দেশের সকল বাহিনী ও সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমরা একটি সামগ্রিক পরিবর্তন আনতে কাজ করব। আমরা অতীতের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবং দেশের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। এর আগে সামরিক বাহিনী পুরো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং পার্লামেন্ট ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দিয়েছে।’

    আল-জাজিরার সাংবাদিক ফাহমিদা মিলার মন্তব্যে দেখা যায়, রান্দ্রিয়ানিরিনা দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তার পরিকল্পনাগুলো সাবধানে নির্বাচন করেছেন। তিনি মনে করেন, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো সাংবিধানিক নির্দেশিকা ও শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করা। ৫১ বছর বয়সী এই ক্যাপটেন ইউনিটের কমান্ডার অরক্ষিত ১৮-২৪ মাসের মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সর্বসম্মত প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক সমালোচনার মধ্যে তিনি সেনাবাহিনী বা সরকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো অপ্রত্যাশিত কর্মকাণ্ডের অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং তার নতুন ভূমিকা গ্রহণের সময় সাংবিধানিক আদালতের সমর্থন ও স্বীকৃতি পেয়েছেন।

    অন্যদিকে, রাজোয়েলিনার সমর্থকেরা এই পরিস্থিতিতে তার প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, সাবেক এই প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে দেশের রাজনৈতিক সংকটের সমাধানে তার ভূমিকা অপরিহার্য। এরই ফলস্বরূপ, ২৫ সেপ্টেম্বর দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ ও অভ্যুত্থানের খবর ছড়িয়ে পড়ে। সরকারি বাহিনী এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অনেকের আহত ও হতাহত হন। আদালত এই ঘটনার পর নেওয়া আইনি ব্যবস্থা ও পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। এরপর ১১ অক্টোবর ক্যাপসাটের সামরিক কর্তারা ঘোষণা করেন, তারা কোনোভাবেই বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির আদেশ দেবে না বলে জানান। এই সব ঘটনাক্রম দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।

  • আনসার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও বরখাস্ত

    আনসার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও বরখাস্ত

    বেনাপোল স্থলবন্দরে অবৈধ পণ্যচালান পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে আনসারের দুই প্লাটুন কমান্ডার অব্যাহতি পেয়েছেন এবং বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরভেড় বাইপাস সড়কের ট্রাক টার্মিনালের সামনে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ঢাকা মেট্রো ট-২২-৭৫৬৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে অবৈধ পণ্যচালান আটক করে। এর পর ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যানেপোলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে উঠে আসে, ওই দিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের ৯, ১০, ১১ নম্বর গেট ও ছোট আচড়া মোড়ে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা অবৈধ পণ্যচালানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ দলের মধ্যে নাজমুল হক, কৃষ্ণ কুমার দাস, আনন্দ কুমার দাস ও মোঃ রাসেল শেখ ছিলেন। এছাড়াও, বন্দরের আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার অসিত কুমার বিশ্বাস ও ইয়ামিন কবিরের নাম ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্তের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব আনসার সদস্যের অবিলম্বে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ১৫ অক্টোবর থেকে তাদের বায়োমেট্রিক হাজিরাও স্থগিত করা হয়েছে।

    মাঝে, বেনাপোলের বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানি আল আরাফাত সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এর ফলে, কর্তৃপক্ষ তাকে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বরখাস্ত করে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপ-সচিব) শামীম হোসেন রেজা নিশ্চিত করে বলেন, ‘যাতে কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তি গোষ্ঠী সন্দেহের আওতায় আর বন্দরে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে বন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও কঠোর নজরদারি ও নজরদারি জোরদার করা হবে।

  • দেশ থেকে দেড় যুগে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার: অ্যাটর্নি জেনারেল

    দেশ থেকে দেড় যুগে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার: অ্যাটর্নি জেনারেল

    অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত এক দশকের বেশি সময়ে দেশে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে। এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে খবর বেরিয়েছে। তিনি শুক্রবার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জিয়া সাইবার ফোর্সের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরেন।

    প্রধান আলোচক বলেন, “৮০-এর দশক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশের বিপুল অর্থ বাইরে চলে গেছে, যার পরিমাণ প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ডলার। এ মানে, প্রতি বছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বা দেশের মোট অর্থের ২১ লাখ কোটি টাকার সামান্য একটু বেশি। দেশের এক বছরের বাজেটের পরিমাণ প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা, আর এই অঙ্কের তুলনায় তিন বছরের বাজেটের সমান অর্থ লুটপাটের শিকার হয়েছে।”

    আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “এই লুটেরা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে শান্তিতে বসবাস করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের বিরুদ্ধে যারা অর্থ লুট করছে, তারা সবাই এই লুটেরাদের কথা জানে। সাইবার ফোর্স এই লুটেরাদের চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে তথ্যবহুল রিপোর্ট দিচ্ছে, যাতে জনগণ জানতে পারে কে আসল দোষী।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ লুটপাটের পক্ষে নয়। তারা লুটের বিরুদ্ধে, হত্যা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। এই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য জিয়া সাইবার ফোর্সের মতো সংগঠন তৈরি হয়েছে, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে।”

    উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা সমন্বয়ক মাহাবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, পৌর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বাবলু।

  • দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে

    দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে

    দিঘলিয়ার আলহাজ্ব মদিয়া স্বাধীন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ১৬ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল; মাদক ছেড়ে খেলাধুলায় নিজের শক্তি ও মনোবল গড়ে তুলো। মূল বার্তা হলো, তরুণ সমাজকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দিঘলিয়ার মাঠগুলো উন্নত হলে এখানকার তরুণরা দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরে। শুক্রবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে দিঘলিয়াকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলা হবে, যেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে থাকবে ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সুযোগ। আজিজুল বারী হেলাল জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের তরুণরা যদি খেলাধুলায় যুক্ত হয়, তাহলে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা শক্তভাবে লড়াই করে উঠতে পারবে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, দিঘলিয়ার মাঠ ও ক্লাবগুলোকে নতুনভাবে গড়ে তুলবেন তাঁরা। তিনি জানিয়ে দেন, দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে। বিএনপি খেলাধুলা ও ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি স্মরণ করেন, দিঘলিয়া ওয়াইএমএ ক্লাব একসময় খুলনার প্রথম বিভাগ ফুটবলে পরিচিত দল ছিল। এখানকার ক্রীড়াবিদরা জাতীয় পর্যায়ে দেশের সুনাম কুড়িয়েছেন। তারাই আবার সেই গৌরব ফিরে পাবে, বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যুব সমাজের হাত ধরে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় হাজীগ্রাম একাদশ ট্রাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে পানিগাতী একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি আজিজুল বারী হেলাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মল্লিক, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা ও অন্যান্য। সভাপতিত্ব করেন হাজীগ্রাম ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস এম মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান শেখ। მათের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন পর্যায়ক্রমে শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, শেখ মোসলেম উদ্দিন, খন্দকার ফারুক হোসেন, মোল্লা বেলাল হোসেন, বাদশা গাজী, কুদরত-ই-এলাহী স্পিকার, আবুল কালাম আজাদ, জিয়াউর রহমান, আব্দুল কাদের জনি, গাজী মনিরুল ইসলাম। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের উপচেপড়া আগ্রহে এই ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করা হয়।

  • রাজনৈতিক সহযোদ্ধার শূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবে না

    রাজনৈতিক সহযোদ্ধার শূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবে না

    জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপি বিভাগের সবস্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর সীমাহীন নির্যাতন চালানো হয়েছে। হামলা, মামলা, খুন, গুমের মতো সহিংসতার পাশাপাশি পুলিশি হয়রানীতে অনেককে ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজন থেকে একান্তে থাকা পর্যন্ত করতে হয়েছে বছরের পর বছর। তবুও কেউ যেন জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী থেকে পিছপা হননি। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরা ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। তিনি আমৃত্যু জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তার মতো রাজনৈতিক সহযোদ্ধারShূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবার নয়। তবে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি তেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে হাজারো নেতা-কর্মীর আত্মার শান্তি ফিরবে। তাদের এই চিরস্মরণীয় সংগ্রামের স্বার্থকতার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীদের জয় করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকার। যার যোগ্যতা ও ক্ষমতা আছে, তার প্রতি ভোট দিতে হবে। আর যারা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি, তাদের জবাবদিহি করতে হবে না, এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। এক পর্যায়ে একটি চক্র ষড়যন্ত্র চালিয়ে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে, যাতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হয়। এ ষড়যন্ত্র মোকাবিলার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতেই হবে। মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বোঝাতে হবে, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের জন্য বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যক্তির প্রচার-প্রচারণার পরিবর্তে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের পক্ষ থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিষয়টি তুলে ধরতে হবে।

    প্রবন্ধে আরও বলা হয়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনুর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও যুগ্ম-আহবায়ক তৈয়েবুর রহমান। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, আনোয়ার হোসেন আনো, মোঃ আবুল কাশেম, হুমায়ুন কবির রুবেল, মোঃ রফিকুল ইসলাম, এমডি আনিসুর রহমান, লিটন মোল্লা, মাহাবুর রহমান নান্টু, পিন্টু জোমাদ্দার, মোঃ রুবেল, মেহেদী হাসান বাবু, হাফিজুর রহমান, কামাল ব্যাপারী, সালমা হায়দার সেলিম, মোল্লা জাহিদুর রহমান, কামরুল ইসলাম ভুট্টো, আরমান হোসেন শিকদার, নয়ন মোড়ল, আলী পাকবাজ জুয়েল, মোঃ মাসুদ হোসেন, অমল মন্ডল, মাহিনুর রহমান, আবু তাহের মাতব্বর, মোঃ রয়েল, মোঃ শামিম সরদার, জিএম হারুন অর রশীদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবুল কাদের জনি, ব্রজন ঢালী, আবু তাহের, শাহাবুদ্দিন, যোগেশ্বর সানা কার্তিক, নিয়াম মল্লিক, আজাদ, সাঈদ ও হাবিব প্রমুখ।

    অবশেষে উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর কয়রায় যুব সমাবেশে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরা পাইকগাছায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে দলটি।

  • নগরীতে যুবকের উপর হামলা, স্ত্রী ও সন্তানের সামনে গুলি চালানো

    নগরীতে যুবকের উপর হামলা, স্ত্রী ও সন্তানের সামনে গুলি চালানো

    নগরীর কাস্টমস ঘাট এলাকায় শুক্রবার দুপুরে এক যুবকের জীবন ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। সোহেল নামের ওই যুবক his স্ত্রী টুম্পা বেগম ও সন্তান তাসকিনের সঙ্গে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনটি মোটরসাইকেলে করে এসে ছয় দুর্বৃত্ত ওই পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ঘরে প্রবেশ করে সোহেলের দিকে গুলি চালায়। বিশেষ করে এক গুলি তার চোখের নিচে বিদ্ধ হয়, যার ফলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। চিৎকার শুনে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

    সোহেল বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মিশনবাড়ীয়া গ্রামের স্বপন শিকদারের ছেলে। এর আগে, ৩ আগস্টও একই স্থানে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল, তখনও তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসা নেন। পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সোহেলের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা, একটি মাদক মামলা এবং একটি নারী নির্যাতনের মামলাও রয়েছে। তবে তিনি আগেও জামিনে ছিলেন।

    উপ-পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি মাদক মামলা নিয়ে তার সঙ্গে বিরোধ ছিল। তার উপর হামলার পেছনে মাদক বিরোধী শত্রুতা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে এর আগে গ্রেফতারও হয়েছিল। এখন অতি দ্রুত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও আটক করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর কাস্টমস ঘাট এলাকায় ইমরান মুন্সিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই মাসে নগরীতে চারটি খুনের ঘটনা ঘটেছে, যা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে সমাজে।

  • সোনা-রুপার দামে রেকর্ডের নতুন উচ্চতা, এক দিনে সোনার দাম ভরিতে ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    সোনা-রুপার দামে রেকর্ডের নতুন উচ্চতা, এক দিনে সোনার দাম ভরিতে ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে মূল্যবান স্বর্ণ ও রুপার দাম আবারো আকাশচূড়া হল। স্বর্ণের দাম এক দিনের ব্যবধানে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে, যেখানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ৯০৫ টাকা, যার ফলে বর্তমান দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকায়। এ নতুন মূল্যSenseisদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম।

    বাজারের এই ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের দাম আগের দিন থেকে আরও বেড়ে গেল, যা দেশের বিভিন্ন জুয়েলার্সসহ সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের চিন্তার কারণ। এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে, যেখানে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়ানো হয়, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকায়, যা এরপর থেকে দেশের সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল। এখন আবার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রেকর্ড ভেঙে গেছে।

    নতুন কোনো দাম নির্ধারণে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য বেড়ে ৬ হাজার ৯০৫ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। এর পাশাপাশি ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন মূল্য ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকায় পৌঁছেছে। সনাতন পদ্ধতিতে ভরি মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা, যেখানে আগের থেকে যথাক্রমে যথাসম্ভব বেশি।

    অন্যদিকে, রুপার দামের বিরাট বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি মূল্য বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা করা হয়েছে, যা আগের থেকে ৩২৬ টাকা বেশি। অন্যান্য মানের রুপার দামও বেড়েছে, যেমন ২১ ক্যারেটের রুপা এক ভরি হচ্ছে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ ও রুপার কেনাকাটা আরও কঠিন হয়ে পড়বে, তবে দেশের বাজারে প্রভাব বিস্তার করছে এই অস্থিরতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনমন এই দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

  • সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার বিষয়ে

    সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার বিষয়ে

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে, এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল ভিন্ন একটি মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে যে, ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণ ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশাল ক্ষতির মুখোমুখি হবে। এই বিষয়টি সরকারের নজরদারিতে এসেছে এবং অবিলম্বে এই গুজবের এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হবে। ব্যাংকগুলো একীভূত করার বিষয়ে সরকারের লক্ষ্য হলো খেটেখে নেওয়া হয়ে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ চলছে। এ জন্য, সবাইকে এ ধরনের গুজবের প্রতি সন্দেহজনক দৃষ্টিতে দেখা ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বেড়েছে, যার ফলে সেটি এখন নতুন শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (প্রায় ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম বেড়েছে চার হাজার ৬১৮ টাকা। ফলে এখন প্রতিটি ভরি স্বর্ণ কেনার জন্য আপনাকে দিতে হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম বলে গণ্য হচ্ছে। এই দাম বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি সবচেয়ে বড় কারণ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, নতুন দাম আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম চার হাজার ৬১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা. এই উচ্চমূল্য দেশের স্বর্ণ বাজারে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে, রুপার দামেরও বৃদ্ধি হয়েছে। এখন এক ভরি ভালো মানের রুপার দাম প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগের তুলনায় বেশি।

    অতিরিক্ত, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকায় ছিল। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা, আগের ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকার চেয়ে বেশী।