Blog

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধি: আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধি: আইএমএফের প্রশংসা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রশংসা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বাড়াতে যে সকল প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে, তা দেশের বিনিময় হার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—তা তারা মনোযোগ দিয়ে পর্যালোচনা করবে।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপপরিচালক টমাস হেলব্লিং সাংবাদিকদের বলেন, “রিজার্ভ বৃদ্ধির পরিকল্পনা আইএমএফের समर्थन পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল। চলমান বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতির মধ্যেও বাংলাদেশ এই লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, আইএমএফের একটি দল এই মাসেই বাংলাদেশে আসবে। সফরকালে তারা পাঁচ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চলমান ঋণ কর্মসূচির পঞ্চম পর্যালোচনা করবে।

    আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এসেছে ২৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এক বছর আগে ছিল ১৯ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার—এটি বেশিই বৃদ্ধি।

    রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি আয়ের উন্নতি, ব্যয়ের তুলনামূলক কম থাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বাজার থেকে ডলার কেনাকাটা।

    2021 সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। পরে ২০২৫ সালের মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে যে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে বর্তমানে পর্যন্ত টাকার মান প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গেছে। বর্তমান অর্থবছরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ডলার কিনেছে।

  • সোনার দাম ফের কমলো দেশের বাজারে

    সোনার দাম ফের কমলো দেশের বাজারে

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একতরফাভাবে ভরিতে এক হাজার ৩৯ টাকা করে মূল্য হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে। এই নির্ধারিত দাম আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা। পাশাপাশি, অন্যান্য ক্যারেটের দামও কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে বরি (প্রতিটি ভরি) সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকায়।

    বাজুসের দাবি, এই দাম নির্ধারণের সময় বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ব্যাপারে মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    এর আগে, ২২ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ভরিতে ৮ হাজার ৩৮৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা। সেই সময়ের অন্যান্য ক্যারেটের দাম ছিল ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা। এই দাম ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।

    অতীতে, এই বছর মোট ৬৮ বার সোনার বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, এবং মাত্র ২০ বার দাম কমানো হয়েছে। ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৭ বার দাম কমানো হয়েছিল।

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশি দেশের জন্য পাঠিয়েছেন মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই পরিমাণের অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার জোগাড়ে ১২২.৫০ টাকাই ধরে নেওয়া হয়েছে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো প্রবাসী আয়ের ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সরকারের বেশ কিছু উদ্যোগ, যেমন হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি এই সাফল্যের মূল কারণ বলে তাঁরা উল্লেখ করেছেন।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো থেকে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, এর মধ্যে একটি ব্যাংক (কৃষি ব্যাংক) পাঠিয়েছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো পাঠিয়েছে ১১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২২ অক্টোবর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ মাত্রা ছিল ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাসে (সেপ্টেম্বর), প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশ পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২,৭৫৭ কোটি টাকা।

    অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অংক। এই পরিমাণ পূর্বের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। এর আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

  • আবার কমলো স্বর্ণের দাম, প্রতি ভরি ৩৬৭৪ টাকা হ্রাস

    আবার কমলো স্বর্ণের দাম, প্রতি ভরি ৩৬৭৪ টাকা হ্রাস

    দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম আবার কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। একই সময়ে রূপার দামও নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দামের এখন রয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কেটেছে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা, ফলে নতুন দাম হলো ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কমেছে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা, ফলে এখন এটি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকায়। একইসঙ্গে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম কমেছে ২ হাজার ৫৫৫ টাকা, এখন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকা।

    এর আগে, সোমবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং আলোচনা শেষে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    অন্যদিকে, ভালো মানের ২২ ক্যারেট রূপার জন্য নির্ধারিত দাম কমে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, যা আগে ছিল বেশি। ২১ ক্যারেট রূপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৪ হাজার ৪৭ টাকা। ১৮ ক্যারেট রূপার দাম এখন ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, যা আগের থেকে কম। আর সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম কমে হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা, যা আগে ছিল বেশি।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

    বাংলাদেশ ব্যাংক মন্দ খাতের খেলাপি ঋণগুলো অবলোপনে নতুন নির্দেশনা জারি করে সময়সীমা শिथিল করেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণ অবলোপনের প্রক্রিয়া সহজতর করা হয়েছে এবং এটি তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরও বাস্তবভিত্তিক করে তুলবে।

    নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্দ বা ক্ষতিগ্রস্ত মানে শ্রেণিকৃত ঋণগুলো অবলোপন করার জন্য এখন অতীতের মতো দুই বছরের পরিবর্তে আরও নমনীয় শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভবিষ্যতেও আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, এমন ঋণগুলোও অবলোপন করা যাবে। একই সঙ্গে, অবলোপনের আগে কমপক্ষে ৩০ কর্মদিবস আগে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, যাতে ঋণগ্রহীতারা তাদের দায়মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। তবে, ঋণ অবলোপনের পরও, যদি পুরো অর্থ পরিশোধ না করেন, তবে তিনি এখনও খেলাপি হিসেবে বিবেচিত থাকবেন।

    নতুন নিয়মে আরও বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে বা তার একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া ঋণ ব্যাংকের বিবেচনায় অবলোপন করতে পারবে, তবে মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি উপার্জনক্ষম কিনা তা অবশ্যই দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি, ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী, অবলোপনকৃত ঋণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নগদ প্রণোদনা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যেখানে প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নেওয়া যাবে।

    বিমান ব্যাংক বলছে, ঋণ অবলোপনের আগে সম্পত্তি বিক্রি করার সমস্ত প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং আইনি পদক্ষেপও নিতে হবে। তবে, কিছু ঋণের ক্ষেত্রে—যেমন পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ—মামলার প্রয়োজন নেই। অবলোপনের আগে, ঋণের স্থিতি থেকে সুদ বাদ দিয়ে মূল অর্থের সমপরিমাণ প্রভিশনও সংরক্ষণ করতে হবে।

    এছাড়া, নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের সুযোগ নেই।

    একশীর্ষ ব্যাংক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ডলার সংকট কমে যাওয়ায় রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ছে এবং তারা মন্দ ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে শিথিলতা আনায় তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। এতে ব্যাংক খাতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুসংহত হবে।

  • নিষিদ্ধ না করলে জাতীয় পার্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে

    নিষিদ্ধ না করলে জাতীয় পার্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর দোষারোপ করে বলেছেন, যদি জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ না করা হয়, তবে এই দলটির মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে। তিনি warned করে বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করার জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকছে, যা দেশের সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচন যদি দেরি হয়ে যায়, তবে তার ফল সকলের জন্য বিপজ্জনক হবে। এটা মনে রাখতে হবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাইলে দলগুলোকে একত্রিত হতে হবে।

    নুরুল হক নুর বলেন, শহিদদের চেতনা নিয়ে আমরা ব্যবসা করি, কিন্তু তাদের পরিবার সরাসরি কোন সহযোগিতা পাচ্ছে না। তাদের চিকিৎসা ও খোঁজখবর নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও, অন্তর্বর্তী সরকার এই দায়িত্ব পালন করেনি। এখনাকেও আহত ও পরিবারগুলোর প্রয়োজন পূরণে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, যা এই সরকারের অপরাধ। তিনি দাবি করেন, আগামী বাংলাদেশ হবে এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি শক্তিশালী ও মহান স্বাধীনতার স্মারক।

    তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, নির্বাচন যদি কোনও কারণে পিছিয়ে যায়, তবে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য পরিস্থিতি বিপর্যয়কর হয়ে উঠবে। তিনি জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কিছু বিপথগামী জেনারেল দেশের স্বার্থে ক্ষতিকর। সেনাবাহিনী এসব দায় নেবে না বলে তিনি স্পষ্ট করে বলেন।

    প্রসঙ্গত, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মন্তব্য করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ছাত্র অধিকার পরিষদ পরবর্তীতে গণঅধিকার পরিষদ গঠন করে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের পক্ষে সোচ্চার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসাথে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন চালিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালে আমাদের সুযোগ রয়েছে, উন্নত ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    রাশেদ খান দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আমরা সবাই রাজনীতিতে মত-পার্থক্য থাকলেও ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। না গেলে, আবারও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে, যা ১/১১ এর ইতিহাসকে ফিরে আনতে চাচ্ছে, এর মাধ্যমে আবারও মনুন্দ্দীন-ফখরুদ্দিন সরকারের মতো অবস্থা তৈরি করতে চায়।

  • ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন পদ্ধতিতে যাওয়া ঠিক নয়: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন পদ্ধতিতে যাওয়া ঠিক নয়: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো এমন পদ্ধতিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় যা নিয়ে পরে প্রশ্ন উঠতে পারে। রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন বলেন, ‘কেউ যেন আমাদের এই প্রক্রিয়াটাকে কখনো অবৈধ বলে আখ্যা দিতে না পারে, সে জন্য এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। এটি শুধুমাত্র আজ বা আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, ভবিষ্যতে আরও দীর্ঘ ১০ বা ১৫ বছর পরও যেন এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠতে না পারে, সে জন্য আমাদের সুন্দর ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। আমাদের অপ্রতিরোধ্য সাফল্যকে এ রকম সাবধানে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’ বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ হলো জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ দলিল, যার বাস্তবায়নের জন্য আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার জন্য সরকার একটি নির্দিষ্ট ফোরাম, অর্থাৎ নির্বাচিত সংসদ, তৈরি করেছে। এখানে কোনও দলের দ্বিমত থাকার প্রশ্নই নয়। তবে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যদি জাতীয় সংসদ বাধ্য হয়, তাহলে এর জন্য একটি প্রস্তাব নূন্যতম জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বা সরকারের কাছ থেকে প্রস্তুত করতে হবে। সেই সুপারিশ পাওয়ার পরই আমরা জানব, কারা কি কি প্রক্রিয়ায় আইনত ভিত্তি রচনা করতে চাইছে।’ তিনি সবাইকে জানিয়ে দেন, যেন কেউ আইনানুগ প্রক্রিয়া অমান্য করে অবৈধ পথে না যায়। ‘আমরা চাই যেন সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাই। এর মাধ্যমে আমাদের সমাজকে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব,’ বলেন সালাহউদ্দিন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে তা ফ্যাসিবাদের পুনরায় আবির্ভাবের পথ সুগম করে দেবে। এজন্য সকলকে একত্রে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ তিনি তাগিদ দেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে সবাই এক থাকব। পাশাপাশি, ফ্যাসিবাদ কায়েম হওয়া যেন কোনোভাবেই সম্ভব না হয়। সেই জন্য দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে সকল ফ্যাসিবাদী প্রবণতাকে দমন করতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যাতে জনপ্রিয়তা ও সংবিধান রক্ষা হয়।’ এবার, এই মন্তব্যগুলোতে তিনি গণতন্ত্রের জন্য সতর্কতা ও ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন, যা দেশের ভবিষ্যত শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিএনপি কাদের সঙ্গে বৃহৎ জোট গঠন করতে চায়, জানালেন সালাহউদ্দিন

    বিএনপি কাদের সঙ্গে বৃহৎ জোট গঠন করতে চায়, জানালেন সালাহউদ্দিন

    আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা রয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনী জোট গঠনের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি বলছে, তারা যুগপৎ আন্দোলনকারী অন্যান্য দলের সাথে মিলিত হয়ে একটি বৃহৎ জোট গঠন করতে চায়। আজ (২৭ অক্টোবর) সোমবার, যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিতে গিয়ে এই কথা জানান।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য অটুট রাখতে বিএনপি পূর্বের মতোই ঐক্যের পক্ষে। তারা চান, সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে দেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের সাথে সাথে একত্রে কাজ করতে। তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য দলীয় ও প্রার্থীদের সঙ্গে হাইকমান্ডের বৈঠক চলছে, যাতে ঐক্য বজায় রাখা যায়।

    তরুণ ও যুবকদের আলোচনায় আনা এবং তাদেরকে দেশের ভাবনাচিন্তায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। তিনি বলছেন, আগামী বাংলাদেশ হবে তরুণ-যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানসর্বস্ব, প্রযুক্তি ও মেধার ভিত্তিতে জ্ঞানতত্ত্বসমৃদ্ধ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের মতো দেশের যুবকদের একত্র করে এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন তার লক্ষ্য।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণ করে তারা তরুণদের রাজনৈতিক ভাবনা গ্রহণ করেছেন। সেই ভাবনাগুলোকে সামনে রেখে তারা কীভাবে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও জ্ঞানসমৃদ্ধ করে তুলতে পারে, সে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ দেশ একদিন পুরোপুরি তরুণ ও যুবকদের পরিচালনায় এগিয়ে যাবে। যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, চিন্তা-চেতনাকে দক্ষ করে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তরুণদের রাজনৈতিক ও চিন্তাভাবনাকে প্রকৃত উপলব্ধি করে এ জাতি আরো এগিয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এই স্বপ্নের পুরণ স্বদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও অভ্যুত্থানকারীদের স্বপ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত।

  • বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করলে কঠোর শাস্তি, বহিষ্কারসহ সম্ভাবনা

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করলে কঠোর শাস্তি, বহিষ্কারসহ সম্ভাবনা

    বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে। তিনি বলেছেন, যারা মনোনয়ন পাবেন, তাদের উচিত একদিকে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে ধানের শীষের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করা। এই নির্দেশনা দিতে সোমবার গুলশানের বিএনপি কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান।

    বৈঠকে অংশ নিয়ে উপস্থিত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জানান, মনোনিত প্রার্থী ও দলের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে, যার মধ্যে বহিষ্কারও থাকতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও কোনও মনোনয়ন দেওয়ার বা না দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, কিন্তু দলের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং একজোটভাবে কাজ করার জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে দলের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সমর্থকদের মধ্যে একতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।

  • তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্যের বার্তা

    তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্যের বার্তা

    আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনা ও সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া মনোনয়নপ্রত্যাশীরা জানিয়েছেন, বিএনপি দ্রুত সময়ের মধ্যে ৩০০টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করবে। তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ষড়যন্ত্র চলছে, এবং এই পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের একতা বজায় রাখতে হবে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি তিনি নির্দেশ দেন, যিনি প্রার্থী হবেন, তাঁর পক্ষে যুক্ত হয়ে আরো কাজ করতে হবে। বিকেল চারটার পর থেকে শুরু হয় এই বৈঠক, যেখানে প্রথমে রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় সিলেট ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং শেষ পর্যায়ে ঢাকার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসব বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ঢাকা বিভাগের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট-৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, সিলেট বিভাগের মোট ১৯টি সংসদীয় আসনের ৬৬ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী বৈঠকে অংশ নেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে এবং যিনি প্রার্থী হবেন তাঁর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে তারেক রহমান প্রায় ৪৫ মিনিট কথা বলেন, যেখানে তিনি সকলকে একযোগে ও দলীয় লিডারশিপের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে, তবে উৎসব ও আনন্দের পরিবেশে শোভাযাত্রা বা মিষ্টির বিতরণ এড়াতে বলেছেন। দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই এবং দলীয় প্রধান এই বার্তা দিয়েছেন। মনোনয়নপ্রাপ্তি বা না পায় প্রার্থীদের সবাইকে একত্রে থাকা আর দলের স্বার্থে কাজ করার জন্য তিনি ওড় চিৎকার করে বলেছেন। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ মোট ৩৫টি আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বৈঠকে অংশ নেন। এর মধ্যে খুলনা জেলায় ৬টি আসনের জন্য ১৬ জন নেতা আমন্ত্রণ পেয়েছেন। খুলনা মহানগর বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, এই নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলছেন, ব্যক্তিগত প্রচার না করে দলীয় প্রচারে মনোযোগ দিতে। শিগগিরই প্রতিটি আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়াও মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেছেন, এই বৈঠক ছিল দলীয় নির্দেশনা দেয়ার জন্য, যেখানে সবাইকে দলের হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নেতার পক্ষ থেকে ঐক্যের বার্তা এসেছে। তিনি বলেছেন শিগগিরই প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে, খুলনা–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে এবং ব্যক্তিগত প্রচার এড়িয়ে দলীয় প্রচারকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।