Blog

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের খ্যাতিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। এই দুঃখজনক খবরটি শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় মুম্বাইয়ের একজন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর আড়াইটার সময় কিডনি বিকল হয়ে তিনি মারা যান। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে চিকিৎসকরা তাকে আর ভোগান্তি থেকে উদ্ধার করতে পারেনি।’

    অশোক পণ্ডিত আরো বলেছেন, ‘এটি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহুবার কাজ করেছি। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা ছাড়াও একটি ভালো মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ जैसी বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পান। সিনেমার পাশাপাশি ছোট পর্দায়েও তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য; বিশেষ করে কমেডি ধারার ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ ছিল তার শেষ সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি, ২০০৮ সালে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানেও তিনি সহ-অভিনেতা ও জজ হিসেবে কাজ করেছেন। বলিউডের এই জনপ্রিয় মুখের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মনে।

  • রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার বৈচিত্র্যময় এবং সংকেতপূর্ণ গানের জগৎ আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এই সংগীতের জগতে তার অবদান কেবল সাধারণ শ্রোতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংগীতজ্ঞরাও তাকে গভীর শ্রদ্ধায় দেখে থাকেন। এরই বাংলায় একবার দেখা গিয়েছিল, অন্যতম মহান এই গায়ক মোহাম্মদ রফি হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন রুনাকে দেখে। এটি ঘটে যখন তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুনা লায়লার সঙ্গে। সেই স্মৃতি আজও যেন মানুষের মনে দমক সৃষ্টি করে।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ দীর্ঘ ১৪ বছরের বিবাহিতা জীবনের ইতি টানতে চলেছেন। এই দম্পতি এখন বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে। তাদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জয় ও মাহি। ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন এখন সমানভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দুজন।

    বিবাহের ছয় বছর পরে, সন্তান না থাকায় তারা ২০১৭ সালে রাজবীর ও খুশি নামের দুই সন্তান দত্তক নেন। এরপর ২০১৯ সালে তাদের জীবনে একমাত্র মেয়ে তারা আসে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত সংসার ছিল খুবই সুন্দর ও সুখী। তবে, ২০২৩ সালের জুনের পরে তারা আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একসাথে পারিবারিক ছবি শেয়ার করেননি। সবশেষ দেখা গিয়েছিল আগের বছর আগস্টে, যখন তারা তাদের মেয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

    তবে এর দুই মাসের মধ্যে, তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন। জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিশ্বাসের ব্যাপারটি তাদের সম্পর্কের breakdown এর মূল কারণ। দুজনের পক্ষ থেকেই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাও অকার্যকর হয়। এজন্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

    জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। সিরিয়াল অভিনয়, উপস্থাপনা, ও মডেলিংসহ নানা রকম কাজে তারা সফল। জয় সিনেমা নিয়েও কাজ করতেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ও ‘এক পেহেলি লীলা’। অন্যদিকে, মাহি মূলত হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’ এর জন্য পরিচিত। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন একটি অধ্যায় শুরু করছে, যা অনেকের কাছেই গভীর আলোচনার বিষয়।

  • শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকাল মৃত্যুর কলঙ্কে আক্রান্ত হন। তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এতদিন আলাদা আলাদা গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কেউ কিছু জানেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তার প্রিয় সহ-অভিনেত্রী শাবনূর।

    সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যু সংক্রান্ত মামলা এখন হত্যা মামলার পর্যায়ে রূপ নিয়েছে। ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম এই হত্যার দাবিতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে শোনা যায়, মামলার সঙ্গে ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    শাবনূর এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) তার ফেসবুক পেজে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “২৯ বছর ধরে আমাদের প্রিয় সালমান শাহের অকাল মৃত্যু নিয়েই নানা গুঞ্জন চলে আসছে। ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একজন অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা আমি বিদেশে থাকাকালীন জানতে পেরেছি।

    তিনি আরও বলেন, “অসৎ উদ্দেশ্যে আমার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ যেনো বিভ্রান্তি না তৈরি করে, এ জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমি বলতে চাই, আমার জানা নাই সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছে। আমি কেবলপ্রিয় তার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।”

    শাবনূর সালমানের সঙ্গে কাজের স্মৃতি শেয়ার করে বলেন, “সে যেমন একজন শক্তিমান ও প্রতিভাবান অভিনেতা, তেমনি আমাদের এক সঙ্গে কাজ করে ক্যারিয়ারে বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছিল। আমি তার সঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। তার মৃত্যু আমাদের জন্য এক বিরাট ক্ষতি, যা আমি আজও গ্লানি ও বিষাদে ভুগি।”

    অভিনেত্রীরা আরও স্পষ্ট করে বলেন, “সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ জানি না। তার অকালপ্রয়াণে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের জন্য এটা এক অপূরণীয় ক্ষতি। আশা করি, সত্য কেউ আড়াল করবে না এবং দোষীর বিচার হবে।”

    শাবনূর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সালমানের মা নীলা আন্টির গ্লানি ও বিষাদ আমি দেখতে পেয়েছি। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সালमान যে কতটা আপন ও প্রিয় ছিল, তা বলো যায় না। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”

    মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে, ২০ অক্টোবর রাতের মধ্যরাতে রমনা থানায় গুরুতর এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এতে মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

    অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেকআপ শিল্পী রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

    সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম একসঙ্গে জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে ২৭টি সিনেমা উপহার দেন, যার মধ্যে অনেকগুলো ব্যবসা সফল ছিল। সালমান শাহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হলো—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’ এবং ‘প্রেম যুদ্ধ’, ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ চলতি জীবনে তিনি তার এই সাফল্য ও এগিয়ে যাত্রা দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, কেন তিনি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ছিলেন।

  • পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেতা। শচীনের অকাল মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হিন্দি ও মারাঠি শোবিজ অঙ্গনে। তিনি ‘জামতারা ২’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে নবাগতদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, শচীন চাঁদওয়াড় শুধুমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি পেশায় ছিলেন একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। পুণের একটি পরিচিত আইটি পার্কে কাজ করতেন তিনি। পরিবার ও বন্ধুদের কাছে তিনি সদা হাসিখুশি ও প্রাণোচ্ছল মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠরা স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    গত ২৩ অক্টোবর সকালে পুণের তাঁর ফ্ল্যাটে শচীনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও আপাতত কোনও সুফল হয়নি। শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। কিন্তু সংক্ষিপ্ত চিকিৎসার পর ২৪ শে অক্টোবর দুপুরে মারা যান তিনি। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনসহ তার পরিবার, বন্ধু ও অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • বিসিবির চাকরি ছাড়লেন ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি

    বিসিবির চাকরি ছাড়লেন ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) থেকে মহামান্য ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণের কারণে তিনি বিসিবির সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ করেছেন, এটি নিশ্চিত করেছে বিসিবি ও ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের সদস্যরা।

    নাথান কেলি গত বছর এপ্রিল মাসে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে যোগ দিয়েছিলেন। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরিবারকে আরও বেশি সময় দেয়ার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুর ১টায় বিসিবিকে আনুষ্ঠানিক মেইল পাঠিয়ে নিজের অবসরের খবর নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে, এশিয়া কাপের সময়কার একটি পিতৃত্বকালীন ছুটিও নিয়েছিলেন কেলি। ২৪ সেপ্টেম্বর তার বাবা হওয়ার পর তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে আর যোগ দেননি। এর ফলে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজটি ও দেশসেরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে তাকে পাওয়া যায়নি। এই সময় দেশের জন্য ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ইফতেখার রহমান।

    নাথান কেলি যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন, তখন তিনি ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষায় কিছু নতুনত্ব এনেছেন। প্রচলিত বিপ এবং ইয়ো-ইয়ো টেস্টের বাইরে তিনি চালু করেছিলেন ‘টাইম ট্রায়াল’। এই পরীক্ষায় ক্রিকেটারদের চার চক্করে ১,৬০০ মিটার দৌড় সম্পন্ন করতে হত এবং সময় অনুযায়ী পাস বা ফেল নির্ধারিত হতো। এশিয়া কাপের আগে ও ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেক ক্রিকেটার এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

    নাথান কেলি এই পরীক্ষাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছিলেন। এর আগে, তিনি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস দলের ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে কাজ করেছেন এবং একটি রাগবি দলের ফিটনেস ট্রেনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

  • আফিফের দুর্দান্ত ঘূর্ণিতে আড়াই দিনে খুলনার সহজ জয়

    আফিফের দুর্দান্ত ঘূর্ণিতে আড়াই দিনে খুলনার সহজ জয়

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে খুলনা বিভাগ বরিশালের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। চার দিনের এই ম্যাচটি মাত্র আড়াই দিনে সম্পন্ন হয়, যেখানে খুলনা এক বলেও পাত্তাকরমে পাননি বরিশালকে। শেষ দিন তারা মাত্র ৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে সহজ জিতে যায়। এটি ছিল একটি অসাধারণ ম্যাচ যেখানে অফ স্পিনের জাদু দেখে মুগ্ধ হন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এমসাজে, ম্যাচ সেরা হিসেবে উঠে এসেছেন খুলনার অধিনায়ক আফিফ হোসেন ধ্রুব, যিনি দুই ইনিংসেই তার স্পিন বলের জাদু দেখিয়েছেন।

    ম্যাচের তৃতীয় দিনে খুলনা তাদের লক্ষ্য অর্জন করে বরিশালকে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে দেয়। প্রথম ইনিংসে ৩১৩ রান করে খুলনা, যেখানে তাদের দুই ব্যাটসম্যান – জিয়াউর রহমান ও শেখ পারভেজ জীবন – বিশাল অবদান রাখেন। জীবন ৯১ বলে ৬৯ রান করেন চারটি চারের মাধ্যমে, আর জিয়াউর ৯৮ বলে ৭৩ রান করেন পাঁচটি ছক্কাসহ। বরিশাল প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানে অলআউট হয়, যেখানে আফিফ ৩১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

    দ্বিতীয় ইনিংসেও আফিফ দেখিয়েছেন তার বিস্ময়কর বোলিং দক্ষতা, ৫ উইকেট সংগ্রহ করে দলের জন্য বড় অবস্থান তৈরি করেন। এরপর বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন শামসুর রহমান শুভ, ইফতেখার হোসেন ইফতি ৪০ রান করেন। সব মিলিয়ে বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৪ রানে গুটিয়ে যায়। খুলনার লক্ষ্য তখন খুবই ছোট, মাত্র ৩৮ রান। দিন শেষ হওয়ার আগে, এনামুল হক বিজয়, সৌম্য সরকার ও ইমরানুজ্জামান বাংলাদেশের এই ম্যাচে জয় নিশ্চিত করতে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান। শেষ দিকে, অমিত মজুমদার অপরাজিত থেকে ২২ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে নেন। এই জয়ে খুলনা তাদের দুর্দান্ত ঘূর্ণি বলে দর্শকদের মন জয় করে তুলল।

  • খুলনায় ম্যাচ চলাকালে বরিশাল ফিজিও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু

    খুলনায় ম্যাচ চলাকালে বরিশাল ফিজিও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু

    জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খুলনা-বরিশাল ম্যাচের তৃতীয় দিনে এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল দলের ফিজিও হাসান আহমেদ (৪৭) হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ইসলামি ভাষায়, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    আজ (২৭ অক্টোবর, সোমবার) সকাল যখন খেলা চলছিল, তখন খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। দ্রুত চিকিৎসকদের বরাবর নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই খবর নিশ্চিত করেছে বরিশাল দল ম্যানেজমেন্ট।

    হাসান আহমেদ দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে বরিশাল বিভাগের দলের ফিজিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি আজও সেই দায়িত্বে মাঠে উপস্থিত ছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার ফর ট্রমা ভিকটিমসের (বিআরসিটিভি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন।

    ফিজিও হাসানের আকস্মিক মৃত্যুর কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গভীর শোক প্রকাশ করেছে। এক শোকবার্তায় বিসিবি জানিয়েছে, তার প্রতি সম্মান জানাতে আজ (সোমবার) চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ দল কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবে। এছাড়াও, তার আত্মার শান্তির জন্য ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালিত হবে।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, চলমান এনসিএলের চতুর্থ দিনের খেলার শুরু থেকেই হাসান আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নীরবতা পালন করা হবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে এই আসরের প্রথম দিনেই বরিশালের ব্যাটার ফজলে মাহমুদ রাব্বি ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। তবে তাকে হাসপাতালে নিতে হয়নি এবং বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।

  • লিটন-সাইফদের ব্যর্থতায় হারলো বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচ

    লিটন-সাইফদের ব্যর্থতায় হারলো বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচ

    তানজিদ হাসান, তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, লিটন দাস, শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও নুরুল হাসান সোহান— এই ক্রিকেটাররা কেউই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেখাতে পারেননি। মাঝে তাওহীদ হৃদয় খানিকটা চেষ্টা করলেও তা বেশি কিছু কাজে আসেনি। প্রথমে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর। এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলার জন্য এগিয়ে আসেন তানজিম হাসান সাকিব ও নাসুম আহমেদ। তাদের দুজনের ২৩ বলে ৪০ রানের জুটি কিছুটা আশা দেখালেও শেষ পর্যন্ত হেরে যায় বাংলাদেশ। এই জুটি ম্যাচের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও আদৌ সেটা সম্ভব হয়নি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ১৬ রানে হেরে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হারলো স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

    চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাট করে ১৬৬ রানের লক্ষ্য নির্ধারিত করে। ইনিংসের তৃতীয় বলেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আকিল হোসেনের ডেলিভারিতে ছক্কা মারেন। পরের বলে চার মেরে শুরু করেন ভালোভাবেই। দ্বিতীয় ওভারও শুরু হয় দারুণ, জইডেন সিলসের সংক্ষিপ্ত বলে চার মারেন বাঁহাতি ওপেনার। তবে পরের বলেই সে ফিরে যান ক্যাচ দিয়ে।

    তানজিদের ওই সমাপ্তির জন্য রোমারিও শেফার্ডের দুর্দান্ত ক্যাচ ছিল কারণ তিনি আর পারেননি। তিনি ৫ বলে ১৫ রান করে আউট হন। চোট কাটিয়ে ফিরে আসা লিটনও পারেননি খুব ভালোভাবে মনোযোগ দিতে। আগের বলেই আকিলের রিভার্স সুইপ করে চার মারলেও পরের বলেই লিডিং এজ হয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। তিনি ৮ বলে ৫ রান করেন।

    সাইফ হাসানও একইভাবে আউট হন আকিলের বলে প্যাডেল সুইপ করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে শেফার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে। মাত্র ৭ বলে ৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর শামীম হোসেন পাটোয়ারি আউট হন জেসন হোল্ডারের সুইং ডেলিভারিতে। ৪ বল খেলা এই বাঁহাতি ব্যাটার করেছেন মাত্র ১ রান। ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটে powar প্লেতে। এর মধ্যে দলের অন্যতম উপভোগ্য ব্যাটসম্যান হৃদয়ও পারেননি নিজেকে আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে রাখতে।

    উল্লেখ্য, খ্যারি পিয়েরের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ব্যাকফুটে কাট করতে চেয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে তা সরাসরি স্টাম্পে লাগে। ফলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। ১০ বল খেলে ২৫ রান করে ফিরে যান সোহান। তিনি একসময় দলের আস্থারপুর্ন ওপেনার হলেও, শেষমেষ নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

    ডানহাতি এই ব্যাটার ফেরার পর তানজিম ও নাসুম ঝড় তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। তারা দ্রুত রান তোলার জন্য চেষ্টা করলেও হোল্ডার জানিয়ে দেন। ডেপুটি পেসার হোল্ডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল ডিপ পয়েন্টে খেলতে গিয়ে ২৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। এরপর নাসুম করেছেন ১৩ বলে ২০ রান। শেষ দিকে দলের জন্য বড় সংগ্রহের আশা থাকলেও, রিশাদ জ্বলে ওঠার আগেই বাংলাদেশ ম্যাচ হেরে যায় ১৪৯ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সিলস ও হোল্ডার তিনটি করে উইকেট সংগ্রহ করেন।

    এর আগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুটা ভাল হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৯ রান যোগ করেন গোল্ডেন ডাক মারেন শেরফানে রাদারফোর্ড। তবে শেষের দিকে শাই হোপ ২৮ বলে ৪৬ এবং রভম্যান পোলের ৪৪ রান করে যথাক্রমে দলকে ১৬৫ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন। বাংলাদেশের জন্য দুটি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, আর একজন উইকেট নেন রিশাদ।

  • মেসির ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার স্পষ্ট বার্তা

    মেসির ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার স্পষ্ট বার্তা

    দীর্ঘ তিন দশকের শিরোপা অপেক্ষার শেষটুকু করে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জিতেছিল তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসির নেতৃত্বে। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—আরে, কি আসছে পরবর্তী বিশ্বকাপেও কি দেখা যেতে পারে এই আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে?

    তারপর, এবার মেসি স্পষ্ট করে দিলেন, তিনি যদি শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট থাকেন, তাহলে ২০২৬ সালে তার খেলার সম্ভাবনা বেশ শক্ত। এনবিসি নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সিদ্ধান্ত পুরোপুরি শারীরিক প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করছে।

    মেসি বললেন, আমি যদি পুরোপুরি সুস্থ থাকি এবং দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারি, তাহলে বিশ্বকাপে খেলা অসাধারণ হবে বলে মনে করি। আমি চাই, দলের অন্য ফুটবলাররা যেমন কাঙ্ক্ষিত, আমিও সেখানে থাকতে চাই। কিন্তু সব কিছুই আমি ডে-টু-ডে মূল্যায়ন করে দেখছি। যখন ইন্টার মায়ামির প্রি-সিজন শুরু হবে, তখন বুঝতে পারব কী আমি পুরোপুরি প্রস্তুত কিনা। যদি মনে হয়, আমি সিদ্ধান্ত নেব।

    বর্তমানে ৩৮ বছর বয়সী এই ফুটবল তারকা যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইন্টার মায়ামির জার্সিতে খেলছেন। ইউরোপে তার পথচলা ছেড়ে তিনি ২০২৩ সালে ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাবে যোগ দেন নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে। দুই মৌসুমের সফলতা শেষে সম্প্রতি তিনি আরও তিন বছর জন্য মায়ামির সাথে চুক্তি নবায়ন করেছেন। ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই সিদ্ধান্তই ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে মেসির অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

    মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৪ সালে, মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেকের মাধ্যমে। এর পর থেকে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে অসংখ্য ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতেছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ২০২২ বিশ্বকাপ শিরোপা।

    বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির অনুভূতি স্পষ্ট—এটি তার জীবনের স্বপ্ন ছিল। তিনি মনে করেন, পেশাদার ক্যারিয়ারে কেবল এই একটি ট্রফিই তাদের পাওয়ার বাকি ছিল। নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন, তার অর্জন ও জয়ের সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য।

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৫ ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে করেছেন রেকর্ড ১১৪ গোল। যদি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে মাঠে নামেন, তাহলে এটি হবে তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য নজির হয়ে থাকবে।