Blog

  • অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    অভিনেতা হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    প্রিয় অভিনেতা ও সাংবাদিক হাসান মাসুদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে তার স্বজনরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও খিঁচুনি শুরু হলে তাকে অবিলম্বে চিকিৎসকদের কাছে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষার পর নিশ্চিত করেন, তিনি ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। additionally, তার হার্টে মাইল্ড অ্যাটাকের ঘটনাও ঘটেছে।

    হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলছেন, হাসান মাসুদ ইস্কেমিক স্ট্রোক করেছেন এবং তার হার্টে সামান্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তিনি নিউরোলোজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। সাধারণত এই ধরনের রোগীদের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    দীর্ঘ সময় অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও সম্প্রতি তিনি আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য। তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি আর অভিনয়ে ফিরতে চান না। বরং তিনি এখন একজন স্থায়ী চাকরি খুঁজছেন, যেখানে তিনি নিজেকে আরও প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

    হাসান মাসুদ ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। সাত বছর পরে, ১৯৯২ সালে ক্যাপ্টেন পদ থেকে তিনি অবসর নেন। এরপর তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলায় কাজ করেন।

    সাংবাদিকতা ছাড়ার পরে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ছবি ‘ব্যাচেলর’-এর মাধ্যমে তার অভিনয় পেশায় অভিষেক হয়। এরপর তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমায় অভিনয় করেন এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকে কাজ করে দর্শকের মন জয় করেন।

    তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে – হাউসফুল, ট্যাক্সি ড্রাইভার, এফডিসি, বউ, খুনসুটি, গ্র্যাজুয়েট, রঙের দুনিয়া, আমাদের সংসার, গনি সাহেবের শেষ কিছুদিন, বাতাসের ঘর ও প্রভাতী সবুজ সংঘ।

  • চেন্নাইয়ে রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি, পুলিশ তৎপর

    চেন্নাইয়ে রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি, পুলিশ তৎপর

    তামিল সিনেমার দুই জনপ্রিয় তারকা রজনীকান্ত ও ধানুশের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি এসেছে ভারতের চেন্নাই পুলিশের কাছে। পাশাপাশি স্থানীয় এক রাজনীতিবিদের বাড়িও লক্ষ্য করে বোমা নিষ্ক্রিয় করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের(alert) তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে, শহরজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    রোববার সকালে তামিলনাড়ু পুলিশের মহাপরিদর্শকের (ডিজিপি) দপ্তরে পাঠানো এক ইমেইলে বলা হয়, তাদের বাড়িতে বিস্ফোরক স্থাপন করা হয়েছে। এই হুমকি পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল ও অনুসন্ধানী স্কোয়াড রজনীকান্ত, ধানুশ এবং অপ্রকাশ্য এক রাজনীতিবিদের বাড়ি তল্লাশি করে। কয়েক ঘণ্টা তল্লাশির শেষে পুলিশ জানায়, কোনও সন্দেহজনক বস্তু তাদের পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, এটি ছিল একটি ভুয়া হুমকি, যেখানে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য ঐসব বার্তা পাঠানো হয়েছিল।

    এর আগে, অক্টোবরে অভিনেত্রী ত্রিশা কৃষ্ণন, রাজনীতিক ও অভিনেতা এস. ভি. শেখর এবং সুরকার ইলাইয়ারাজারের স্টুডিওতেও একই ধরণের হুমকি এসেছিল— যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

    অক্টোবরের শুরুতে অভিনেতা বিজয়ের বাড়িতেও এই ধরনের বোমা হুমকি দেওয়া হয়, যেখানে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তের প্রতিষ্ঠানের মতে, এসব অপ্রীতিকর ঘটনা মূলত ইমেইল ও ফোনকলের মাধ্যমে উদ্দিষ্টভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্যে করা হয়েছিল।

    চেন্নাই পুলিশ জানিয়েছে, ডিজিপি অফিস ও গ্রেটার চেন্নাই সিটি পুলিশের যৌথ তদন্ত টিম এসব হুমকির উৎস শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত এই ঘটনার পেছনে কোনও স্পষ্ট উদ্দেশ্য বা সংগঠন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

  • সালমান শাহ হত্যা মামলায় সামিরার মায়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সালমান শাহ হত্যা মামলায় সামিরার মায়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় তিন নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে সালমান শাহর প্রাক্তন স্ত্রীর মা, লতিফা হক লিও ওরফে লুসি (৭১)। ঢাকার একটি আদালত তার দেশের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছে রমনা থানা পুলিশ।

    লুসি এই মামলার এজাহারে তিন নম্বর আসামি হিসেবে স্বীকৃত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের অনুমতির প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান এ নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন।

    এর আগে, ২৭ অক্টোবর সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক ও তার সহকারী আশরাফুল হক ডনের বিদেশে যাওয়া নিষিদ্ধের জন্য নির্দেশনা দেন ঢাকা আদালত। এর ফলে, এই মামলায় মোট তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হলো।

    সালমান শাহের মৃত্যু ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনে এক বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে এইঘটনা সম্পর্কিত তদন্ত চলতে থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি অপমৃত্যু হিসেবে রায় দেয়া হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত করে, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন। এই মামলার ধারাবাহিক তদন্ত ও বিচারে, তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও, স্বাভাবিকভাবে আজও এটি এক রহস্যময় ঘটনা রয়ে গেছে।

  • অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট বলের আঘাতে ১৭ বছর বয়সী ক্রিকেটারের মৃত্যু

    অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট বলের আঘাতে ১৭ বছর বয়সী ক্রিকেটারের মৃত্যু

    অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কিশোর ক্রিকেটার ক্রিকেট অনুশীলনের সময় ক্রিকেট বলের আঘাতে মারা গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ফের্নট্রি গালি ক্রিকেট ক্লাবের নেটে। ১৭ বছর বয়সী বেন অস্টিন অনুশীলন করছিলেন যখন মাথায় হেলমেট পরা সত্ত্বেও ঘাড়ের সুরক্ষা ছিল না। তখনই একটি লঞ্চার দিয়ে ছোড়া বল সরাসরি তার ঘাড়ে আঘাত করে।

    স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা কর্মীরা পৌঁছান। গুরুতর আহত বেনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

    বেনের বাবা জেস অস্টিন বলেন, ‘পরিবারের সবাই আমাদের প্রিয় বেনকে হারানোর শোক সহ্য করতে পারছেন না।’ ক্রিকেটে তরুণ প্রতিভাবান এই ক্রিকেটারের অকাল মৃত্যুতে গোটা দেশের ক্রিকেট মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

    এক বিবৃতিতে জেস অস্টিন বলেন, ‘ট্রেসি আর আমি বেনকে আমাদের স্নেহের সন্তান, পরিবারের প্রিয় ভাই, এবং আমাদের জীবনের আলো হিসেবে দেখতাম। এই দুর্ঘটনা আমাদের কাছ থেকে তাকে নিয়ে গেছে, তবে আমাদের শান্তি এই যে, সে তার প্রিয় কাজ—বন্ধুদের সঙ্গে নেটে ক্রিকেট খেলছিল। ক্রিকেট ছিল তার জীবনের অন্যতম সুখের মুহূর্ত।’

    তিনি আরও জানান, নিহতের সতীর্থরা এই দুর্ঘটনার সময় নেটে ছিল এবং তাদের জন্যও পরিবারটি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। ‘এই দুর্ঘটনা দুই তরুণের জীবনকেও নাড়াচাড়া করেছে। আমরা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।

    ক্রিকেট ভিক্টোরিয়ার প্রধান নির্বাহী নিক কামিন্স এই ঘটনাকে ফিল হিউজের পরিচিত মর্মান্তিক মৃত্যুর সাথে তুলনা করছেন। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই কঠিন সময়। বলটি তার ঘাড়ে লেগেছিল, যা ২০১৪ সালে ফিল হিউজের মৃত্যুর ওই দুর্ঘটনার মতোই খুবই দুঃখজনক।’

    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ফিলিপ হিউজ ২০১৪ সালে শেফিল্ড শিল্ডে ব্যাটিংরত অবস্থায় ঘাড়ে বলের আঘাতে মারা যান, তার পর থেকে ক্রিকেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হয়।

    অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এই শোকাবহ পরিস্থিতিতে বলেন, ‘গোটা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সংসার এই দুঃখে একসঙ্গে। এই ক্ষতি দীর্ঘদিন আমাদের মনে থাকবে। বেন ছিল এক প্রতিভাবান খেলোয়াড়, সকলের প্রিয় সতীর্থ ও নেতৃত্ব। মেলবোর্নের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অর্ধশত ক্রিকেটার তাকে চেনে। এমন একজন তরুণের মৃত্যু খুবই বেদনাদায়ক।’

  • মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসলেন শ্রেয়াস আইয়ার

    মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসলেন শ্রেয়াস আইয়ার

    সিডনির মাঠে এক ভয়ংকর সময়ের ঘটনা ঘটেছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সময় এক দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচ ধরতে গিয়ে হঠাৎই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শ্রেয়াস আইয়ার। দর্শকদের উল্লাসের মুহূর্তটি মুহূর্তে স্তব্ধতায় রূপ নেয়। প্রাথমিকভাবে সবাই ভাবছিলেন, সেটি শুধুই একটি সামান্য চোট, কিন্তু পরে জানা যায়, এটি ছিল জীবনকে হুমকির মুখে ফেলার মতো এক গুরুতর ইনজুরি।

  • খুলনায় সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    খুলনায় সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    তারুণ্যের উৎসব উদ্যাপন করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় সাঁতার প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিং পুল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌফিকুর রহমান, যিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। খুলনা মহানগরী ও আশপাশের বিভিন্ন স্কুল থেকে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রায় ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সাঁতার প্রতিযোগিতার পরিচালনা করেন খুলনার বিভিন্ন স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক ও শিক্ষিকারা। সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান। এই আয়োজন তরুণদের স্পোর্টসের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ও মেধার পরিচয় দিতে অনন্য এক মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

  • বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে সৌদি আরব

    বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে সৌদি আরব

    সৌদি আরব ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপের জন্য অনন্য ও স্মার্ট স্টেডিয়াম নির্মাণে, যার মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। এটির নাম রাখা হয়েছে ‘নিওম স্টেডিয়াম’, যা আকাশের উচ্চতা থেকে আন্ডারগার্ডে মাঠের দৃশ্য দেখতে সক্ষম হবে। এই উদ্যোগটি বেশ অবাস্তব মনে হতে পারে মনে হলেও, সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। সৌদি আরবের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, এই স্টেডিয়ামসহ দেশটির অপর ১১টি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং ৪টি বিদ্যমান স্টেডিয়াম সংস্কার করতেGoing করেছে। ফিফার বিড_FLAGS_ এর মধ্যে সৌদি আরবের বিশাল প্রবর্ণা জারি হয়েছে, যেখানে নিওম স্টেডিয়ামকে বিশ্বের অন্যতম অনন্য স্টেডিয়াম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। মাঠটি থাকবে ৩৫০ মিটার উচ্চতায়, যেখানে বিশাল শহরের কাঠামো দিয়ে ছাদ তৈরি হবে, যা দর্শকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হবে। এই স্টেডিয়ামটি ‘দ্য লাইন’ নামের ভবিষ্যতনির্ভর স্মার্ট সিটির অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। এই শহরটি এখনও নির্মাণাধীন, তবে এর সম্পূর্ণতা আশা করা হচ্ছে ২০৩৪ সালের মধ্যে, বিশ্বকাপের প্রায় ১১ বছর আগে। প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, নিওম স্টেডিয়ামে ধারণক্ষমতা থাকবে ৪৬,০০০ দর্শকের, যা ৩৫০ মিটারে মাঠ থেকে ওপরে অবস্থান করবে। এর পাশাপাশি রিয়াদ, জেদ্দা, আল খোবার ও আভা শহরেও নির্মিত হবে আধুনিক স্টেডিয়াম। প্রতিটি স্টেডিয়ামের ডিজাইন হবে আলাদা এবং অনন্য, যেখানে রঙিন আলোকসজ্জা, স্ফটিকের মতো নকশা বা স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করা হবে। দিনক্ষণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ফিফার সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সৌদি আরবকে ২০৩৪ বিশ্বকাপের স্বাগতিক হিসেবে। উল্লেখ্য, এই আসরে কমপক্ষে চারটি স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতাসহ ৪০,০০০ দর্শকের বেশি স্থান থাকলেই বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব। এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলো থেকে এই আয়োজনের জন্য শুধু সৌদি আরবই বিড জমা দেয়। ফিফার রোটেশন নীতিমালা অনুযায়ী, এই আয়োজন হবে ২১শ শতাব্দীর তৃতীয় বিশ্বকাপ। এর আগে ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান এবং ২০২২ সালে কাতারে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ভবিষ্যতে, ২০৩৬ সালে বা পরবর্তীতে, এই অঞ্চলে আরও একটি বড় আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সৌদি আরবের সামনে এখনও অনেক সময় রয়েছে বিনিয়মের শেষ ধাপে পৌঁছানোর জন্য, তবে তার আগেই নজর রাখা হবে ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে যেখানে সম্ভবত দেখা যাবে দুই লেজেন্ডের—ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসিকে, তাদের ক্যারিয়ারের বিদায়ী মুহূর্তগুলো।

  • অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

    অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

    আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই তারকা এখনো ঘরোয়া লিগে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। তবে সম্প্রতি কিছুদিন ধরে ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি এখন আরও এক বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা হলো অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    সম্প্রতি এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে দুইটি ম্যাচ খেলার পর তিনি আবারো ইনজুরিতে পড়েছিলেন, যার কারণে এরপর আর কোনো ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। তবে তার ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি, পাশাপাশি নিয়মিত রিহ্যাভ সেশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে এ সময়েই ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হন এই সাবেক ক্রিকেটার।

    গত চার দিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। প্রথমে জ্বর নিয়ে সমস্যা শুরু হলেও পরে চিকিৎসকদের পরীক্ষার পর জানা যায় তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। এরপরই তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আপাতত হাসপাতালে রয়েছেন তিনি, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে তার শারীরিক পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ট্রাম্পের বিস্ফোরক বক্তব্য: মোদি দেখতে সুন্দর, খুনি

    ট্রাম্পের বিস্ফোরক বক্তব্য: মোদি দেখতে সুন্দর, খুনি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দর্শনে খুবই প্রশংসা করেছেন, তাকে দেখলে মনে হয় তিনি মানুষের চোখে অনেক সুন্দর। তবে একই সাথে ট্রাম্প আবার তাকে খুনিও বলে থাকেন। বর্তমানে এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় রয়েছেন ট্রাম্প, যেখানে তিনি এপেক সম্মেলনে অংশ নেবেন। এর আগে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মধ্যকার চারদিনের যুদ্ধের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, তিনি এই যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছেন।

    ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি প্রথমে এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য দুই দেশের নেতাদের আহ্বান করেছিলেন, কিন্তু তারা এক্ষেত্রে রাজি হয়নি। পরে তিনি দ্বিপাক্ষিক এই সংঘর্ষ বন্ধ করতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়কেই রাজি করান এবং যুদ্ধ না করলে ওই দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য চুক্তি বন্ধের হুমকি দেন।

    তিনি বলেন, “আমি ভারতের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছি। আমার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একইভাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও একজন অসাধারণ ব্যক্তি। পাকিস্তানের একজন ফিল্ড মার্শাল আছেন—কারণ তিনি একজন অভিজ্ঞ ও সালিল্যজনক সৈনিক। আমি তাদের সবাইকে চিনি।

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল, এবং তারা ছিল দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তিনি বলেন, “আমি মোদিকে ফোন করে বলি, আমাদের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব নয়, কারণ আপনি পাকিস্তানের সঙ্গেও যুদ্ধ করছেন।” মোদি তখন বলে, ‘না, আমাদের চুক্তি করতে হবে।’ ওই সময় ট্রাম্প আবার বলেছিলেন, ‘না, আমরা চুক্তি করব না, কারণ আপনি পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।’

    অন্যদিকে পাকিস্তানকেও ট্রাম্প জানান, তারা তাদের সঙ্গে বাণিজ্য করবে না কারণ তারা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত। ট্রাম্প বলেন, “পাকিস্তান বলে, ‘না, আমাদের যুদ্ধের জন্য দিন নাই।’ উভয় দেশই বলেছে, তারা শক্তিশালী ও লড়াকু।

    ট্রাম্প মোদির আচরণে কিছুটা অবাক হয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দেখলে মনে হয়, তাকে আপনি আপনার বাবা বলে মনে করতে পারেন। ওঁকে দেখে মনে হয়, ওঁর জন্য অনেক ভালোবাসা জাগে। কিন্তু এই মোদি তো একজন খুনি। ওঁর রূপ বেশ কঠোর। ওঁকে আমি বলি, ‘না, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করব।’ তখন আমাকে আশ্চর্য মনে হয়, এটি কি সেই মোদি?”

    প্রায় দুই দিন পর ট্রাম্পের সন্দেহের অবসান ঘটে এবং মোদি ও পাকিস্তান উভয়ই যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং ঘটনার বিবরণ সমালোচকদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

  • কলকাতায় সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি কনিকা বিশ্বাসের মৃত্যু

    কলকাতায় সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি কনিকা বিশ্বাসের মৃত্যু

    কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রবীণ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য কনিকা বিশ্বাস। তিনি বুধবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা সংলগ্ন সল্টলেকের মণিপাল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি এবং ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সময় ছিল বয়স ৮০ বছর।

    কনিকা বিশ্বাসের জন্ম বাংলাদেশের ওড়াকান্দিতে হলেও বেশ কিছু বছর ধরে তার পরিবার বসবাস করছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হৃদয়পুরে। তিনি ১৯৭৩ সালে প্রথম নারী আসন-১১ থেকে বাংলাদেশ সংসদে মনোনীত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগঠক হিসেবে অংশ নেন। এক সময় তাঁর ঠিকই স্বামী বীরেন রাজ বিশ্বাসও স্বজনতায়ক ছিলেন।

    তাঁর আত্মীয়, চিকিৎসক ডাঃ সুবোধ বিশ্বাস জানান, কনিকা বিশ্বাস দীর্ঘদিন অসুস্থতার কারণে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরই মধ্যে বুধবার বিকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে।