Blog

  • বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার কারণ জানাতে পারলেন না বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলন

    বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার কারণ জানাতে পারলেন না বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলন

    বিএনপি নেতা ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন অভিযোগ করেছেন, তাকে বিদেশে যাত্রা করতে না দেওয়ার কারণ সম্পর্কে কোনও সন্তোষজনক উত্তর পাননি। তিনি বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন।

    এহসানুল হক বলেন, আমি ব্যাংকক থাকাকালে জানতে পারি, বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এক সভায় আমাকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশে আমি চিকিৎসা অর্ধেক রেখে ২৫ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে আসি। এরপর সাময়িকভাবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ৩০ অক্টোবর আবার ব্যাংকক যাওয়ার প্রস্তুতি নিই। তবে বিমানবন্দরে গিয়ে জানতে পারি, আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার কারণ সম্পর্কে আমি কোনও স্পষ্ট উত্তর পাইনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ব্যক্তি। কখনো কোনও চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলাম না। দেশ ও মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা আমাকে আমেরিকার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে রাজনীতিতে আসতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রীরা মনে করেন, বিগত সরকারের আমলে তার পরিবারসহ বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো। সেই সময় বিরোধী পক্ষের অনেককে বিদেশে যাওয়া থেকেও বাধা দেওয়া হতো, যা এক ধরনের অত্যাচার ছিল।

    তিনি সরকারের কাছে জানতে চান, কেন তাঁর বিদেশ যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি শুরু থেকেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সরকারের কোনও সংস্থা বা বিভাগ ভুল তথ্য বা ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত হয়নি। আশা প্রকাশ করেন, সরকারের পাশাপাশি দেশে বিভিন্ন নাগরিকের মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা হবে।

  • নুরের অভিযোগ: গণভোট ধান্দাবাজি ও স্বার্থপরতা

    নুরের অভিযোগ: গণভোট ধান্দাবাজি ও স্বার্থপরতা

    গণ অধিকার পরিষদের জন নেতা নুরুল হক নুর হামেশাই গণভোটের দাবির পিছনে রাজনৈতিক স্বার্থ ও মানুষের বিভ্রান্তির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে এই দাবি করা হয়ে থাকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে মূল উদ্দেশ্য ঢাকার চেষ্টায়। নুর উল্লেখ করেন, ‘গণভোটের দাবি প্রচার করা হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য। এর পেছনে রয়েছে অনেকেরই বিরোধী দল হওয়ার জন্য দান-দরবার বা নিজস্ব সুবিধা আদায়ের চেষ্টাই।’

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জেএসডির এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘গণভোটের এই দাবি মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য; দেশের ও জাতির স্বার্থে নয়। এতে নির্বাচনের সময় ক্ষুণ্ণ হবে এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে। যদি সরকার তিন মাস আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ করত, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্ভব হতো। প্রতি নির্বাচন আগে এক মাসের মধ্যে গণভোটের জন্য সময় পাওয়া সম্ভব। তবে দুর্বল প্রশাসন এবং সরকারের বদলে যাওয়া রূপ দেখছি, যারা সময়ের সাথে সাথে চরিত্র পরিবর্তন করে যাচ্ছে।’

    নুর জানিয়েছেন, ‘সত্তর দশকের স্বাক্ষরিত সাংবিধানিক সনদ অনুযায়ী এখন আর নির্বাচনে বাধা নেই। তিনি সরকারকে আহ্বান জানান, জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের, যাতে নতুন বছরের প্রথম মাসে জাতীয় নির্বাচন হয়। এর সাথে গণভোটের পরিকল্পনা থাকলেও, সময়ের জন্য তা সম্ভব।’

    নুরের মতে, ‘গণভোট নিয়ে যদি বিরোধ বা বিভাজন সৃষ্টি হয়, তাহলে আমরা যারা স্বৈরাচার ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, তাদের সুযোগ নেওয়া হবে। আমরা চাই এই ধরনের অপ প্রয়াস প্রতিহত করে গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকুক।’

  • বৃষ্টির মধ্যে সই করে দল বিশ্বাসঘাতকতা: মির্জা ফখরুলের ক্ষোভ

    বৃষ্টির মধ্যে সই করে দল বিশ্বাসঘাতকতা: মির্জা ফখরুলের ক্ষোভ

    একটি মহল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিলম্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই মহলটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে অমান্য করে আসছে। বিএনপি এ দৃঢ়ভাবে বলছে, তারা সেই জনগণের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, যা দেশের মানুষ চায়।

    বিএনপি মহাসচিব জানিয়েছেন, দলটি সংস্কারের জন্য বৃষ্টি উপেক্ষা করে জুলাইয়ে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কমিশন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সংকটের মূল দায় বরং সরকারের উপর থাকছে। তাঁর এই বক্তব্য শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রকাশিত হয়।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা অবশ্যই নির্বাচন করব। বয়সী একজন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার সঙ্গে আমরা একমত, তাই আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে চাচ্ছি।’ তিনি অভিযোগ করেন, একদল কিছু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রের মূল সমস্যা সৃষ্টি করছে, যাতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য এখন আর সুযোগ নেই; প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচন হবে এবং তার সঙ্গে একটি গণভোটের কথাও উল্লেখ করেছেন।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের দিন দুইটি ব্যালটে ভোট দেওয়া হবে—একটি আসন্ন নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য। আমি মনে করি, এ বিষয়ে কোনও দ্বিমত থাকা উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা বর্তমানে গোলমাল সৃষ্টি করছে, রাস্তায় নেমেছে, তাদের অনুরোধ করি, জনগণকে বিভ্রান্ত না করে আবেগে না গিয়ে নিজেদের দায়িত্ব নিন। আমাদের মনে রাখতে হবে, এই দেশের মানুষ যাদের বিশ্বাসঘাতক বলে মনে করে, তারা ক্ষমা পায় না।’

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে। যেখানে সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্বাক্ষর জমা দেওয়ার সময় বছরের শুরুতে বৃষ্টি হচ্ছিল, সেখানে তারা নানা বাহানায় সই করেছেন। তবে, তারপর দেখা গেল, ঐকমত্যের অনেক অংশ উপেক্ষা করা হয়েছে এবং ‘নোট অব ডিসেন্ট’ গুলোর কথাও উল্লেখ করা হয়নি। আমাদের মনে হয়েছে, এই আচরণ বিশ্বাসঘাতকতা।

    তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, তারা বিশ্বাস হারিয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।’

    তিনি বলছেন, বিএনপি মূলত সংস্কারকামী দল। এই দল প্রায় চার দশক ধরে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই দলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেন, সে সময় সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল—তবে জিয়াউর রহমান সেটিকে খোলার ব্যবস্থা করেছিলেন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন।

    ফখরুল বলেন, ‘শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের সূচনা হয়। পরে, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রেসিডেন্টশিপ থেকে পার্লামেন্টারী পদ্ধতিতে ফিরে আসেন। বিভিন্ন নির্বাচনেও এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে, যেখানে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় সংস্কারের জন্য কাজ করছি। ১০ দফা, ২৭ দফা, ৩১ দফা—সবই ছিল পরিবর্তনের চেষ্টার অংশ। আমরা সব সময় ঐক্যবদ্ধ থেকেছি এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সকল সম্মতিতে স্বাক্ষর করেছি। তবে বিভ্রান্তির জন্য দায়ী ঐকমত্য কমিশনের কিছু পক্ষ।’

    ফখরুল পরিকল্পনা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আমাদের সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। সকলের সহযোগিতা নিয়ে দেশের জন্য একটি কার্যকর, মসৃণ নির্বাচন এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব শেখাতে চাচ্ছি।’

    এ ছাড়াও, তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য মূল দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার ও তার নেতৃত্ব। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে গণভোটের সুযোগ নেই এবং নির্বাচনের দিন দুটি ব্যালটে ভোটের হতে হবে—একটি রাজনৈতিক প্রার্থী নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। বিএনপি বিশ্বাস করে, এই বিশ্বাসঘাতক আচরণ ও বিশ্বাসের সেতু ভেঙে দেওয়ার জন্য এই সরকার দায়ী।

    সবশেষে, মির্জা ফখরুল সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দেশের চলমান অচলাবস্থা পুরোপুরি সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, এই আলোচনা চলাকালীন তারা অনেক ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলেও, কিছু মতভেদের কারণে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন যা মূল আলোচনা থেকে বাদ যায়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, তাহলে আমরা নতুন পরিবর্তন আনতে পারবো।

  • প্রধান বিচারপতির ডাকে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতির ডাকে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নির্দেশনায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতি উপস্থিতিতে আগামী মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় এক গুরুত্বপূর্ণ ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকটি সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. আসিফ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই ফুলকোর্ট সভায় অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়সমূহের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফুলকোর্ট সভা হলো দেশের বিচারপতিদের নিজস্ব একটি আঞ্চলিক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান, যেখানে বিচার বিভাগকে পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • মাদারগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ শিশু মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা ৪

    মাদারগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ শিশু মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা ৪

    জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ঝিনাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত চারজন। এদিকে, এখনও একজন শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

    আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে নদীর চর কুলছুম নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে, শুক্রবার বিকেলে সিধুলি ইউনিয়নের চরভাটিয়ানি আমতলা এলাকায় আনার সরকারবাড়ির ঘাটে গোসলে নেমে পাঁচ শিশু নদীতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায়। সন্ধ্যার দিকে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হলেও দু’জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

    নিহত শিশুরা হলেন: চরভাটিয়ানি এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার মেয়ে পলী আক্তার (১২) ও ছেলে আবু হাসান (৮), পাশাপাশি বাউসী এলাকার নুর ইসলামের মেয়ে সাবেরা আক্তার (৮)।

    নিখোঁজ রয়েছেন একই এলাকার কুলছুম ও বৈশাখী (১২) নামে দুই শিশু।

    মাদারগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল্লাহ সাইফ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে ফুটবল খেলাধুলার পরে শিশুদের বাইরেটি নদীতে গোসল করতে যায়। এর মধ্যে পাঁচ শিশু ডুবে যায়। পরে একজন শিশুর বাড়ি থেকে খবর পেয়ে স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

  • নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্নের প্রস্তুতি নিচ্ছে: ইসি আনোয়ারুল

    নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্নের প্রস্তুতি নিচ্ছে: ইসি আনোয়ারুল

    নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, সরকার শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েছে যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব হয়। সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নির্বাচনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে।

    আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারীদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জ ও সমাধান’ শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে, যা কিছু বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। তবে এসব বিষয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। সরকারের সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এই দেশ আমাদের, আমরা সবাই মিলে এটি গড়ে তুলছি। দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি আমাদের সকলের উপর নির্ভর করে। যদি প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসাররা দায়িত্বশীলভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করেন, তবে কোনো জেলায়ই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন থেকে বিচ্যুতি হবেনা বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এসময় কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপপ্রধান মুহাম্মদ মোস্তফা হাসান।

    কর্মশালায় পটুয়াখালী জেলার আট উপজেলার মোট প্রায় ৬০ জন নির্বাচন কর্মকর্তা ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

  • নারায়ণগঞ্জ ত্বকী হত্যা মামলার তদন্ত শেষ, শিগগির চার্জশিট দাখিল: র‍্যাব

    নারায়ণগঞ্জ ত্বকী হত্যা মামলার তদন্ত শেষ, শিগগির চার্জশিট দাখিল: র‍্যাব

    নারায়ণগঞ্জে মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এই হত্যা মামলার বিচারবিন্যাসের কাজ দ্রুত শেষ করে শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন জানান। আজ শনিবার (১ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গত ১ অক্টোবর, র‍্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার এবং সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ত্বকী হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, সেপ্টেম্বরে, প্রায় ২২ দিন ধরে ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব অভিযুক্ত আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক মো. জামশেদসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আজমেরী ওসমানের সহযোগী কাজল হাওলাদার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

    অপর দুই আসামি শাফায়েত হোসেন (শিপন) ও মামুন মিয়াকে দুই দফায় ৯দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গাড়িচালক জামশেদকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ছাড়াও, ইয়ার মোহাম্মদ নামে আরেকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেলে শহরের কালীরবাজারের বাসা থেকে নিখোঁজ হন ত্বকী। দুদিন পরে, ৮ মার্চ, শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনি খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ত্বকী ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র, ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞানে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেন।

    তাঁর বাবার দাবি, সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নির্দেশে ত্বকী অপহৃত হয়। পরে, শামীমের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের টর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। আসামিদের মধ্যে দুজন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিদের মাধ্যমে কীভাবে ত্বকীকে হত্যা করা হয়, তার বিবরণ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে অনেক আলামত সংগ্রহ করেছে।

  • অবৈধ মোবাইলের ব্যবহার বন্ধে নতুন নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা

    অবৈধ মোবাইলের ব্যবহার বন্ধে নতুন নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা

    আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হচ্ছে ডিজিটাল ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর), যা দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ ও ক্লোন ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই নতুন ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, বৈধভাবে আমদানি করা ও মানসম্পন্ন মোবাইল ফোনের ব্যবহার বৈধ বলে স্বীকৃতি পাবেন। ক্লোন আইএমইআই ফোন বা অবৈধ ফোন কখনো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না। একইসাথে, বিদেশ থেকে ব্যক্তিগতভাবে ক্রয় বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল ফোনগুলো ব্যবহার করতে হলে অনলাইন মাধ্যমে নিবন্ধন আবশ্যক হবে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, প্রথমে এই নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটগুলো দেশের নেটওয়ার্কে সচল থাকবে। তবে গ্রাহকদের জন্য SMS এর মাধ্যমে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হবে, যাতে তারা অনলাইনে সংশ্লিষ্ট তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে কেবল বৈধ হ্যান্ডসেটগুলোই নেটওয়ার্কে চালু থাকবে, অবৈধ বা ক্লোন ফোনগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

    নিবন্ধনের জন্য গ্রাহকদের প্রথমে neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে। এর পর ‘Special Registration’ বিভাগে মোবাইলের IMEI নম্বর দিতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট— যেমন পাসপোর্টের ভিসা বা ইমিগ্রেশন পাতা, ক্রয় রশিদ ও শুল্কের প্রমাণপত্র (যদি হয়)—স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্টসের সত্যতা অনুযায়ী সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্যান্ডসেটের বৈধতা পরীক্ষা করবে। যদি বৈধতা পাওয়া যায়, সেটি নিবন্ধিত হয়ে নেটওয়ার্কে সচল হবে; অন্যথায় গ্রাহককে এসএমএসে জানানো হবে যে, এটি বৈধ নয় এবং নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে।

    ব্যবহারকারীরা চাইলে মোবাইল অপারেটরদের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ারে সহায়তা নিতে পারবে।

    নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা চেলে এভাবে:
    – বিদেশ থেকে ক্রয় করা হ্যান্ডসেটের জন্য:
    ১. পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্য পৃষ্ঠার ছবি
    ২. ইমিগ্রেশন সিলযুক্ত পৃষ্ঠার ছবি
    ৩. ক্রয় রশিদ
    ৪. শুল্ক প্রদানের প্রমাণপত্র (যদি একাধিক হ্যান্ডসেট হয়)
    – উপহারপ্রাপ্ত হ্যান্ডসেটের জন্য:
    উপহারদাতা কর্তৃক প্রত্যয়পত্র প্রদান করতে হবে।
    – এয়ারমেইলে প্রাপ্ত হ্যান্ডসেটের জন্য:
    ১. প্রেরকের পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি
    ২. প্রাপকের জাতীয় পরিচয়পত্র
    ৩. ক্রয় রশিদ
    ৪. শুল্ক প্রদানের রশিদ (যদি একাধিক হয়)

    এছাড়া, বর্তমান ব্যাগেজ নিয়ম অনুসারে একজন ব্যক্তি একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অশুল্কে এবং অতিরিক্ত একটিতে শুল্কের মাধ্যমে আনতে পারবেন। তবে উল্লেখ্য, নিবন্ধন ছাড়া কোনো বিদেশি ফোন দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু রাখা সম্ভব নয়। বিটিআরসি নিশ্চিত করেছে যে, এই নতুন নিয়ম ও প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবৈধ ও ক্লোন ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে সুবিধা হবে এবং দেশের মোবাইল সেক্টর আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে।

  • পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাট থেকে তরুণ অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার নিজ ফ্ল্যাটে উদ্ধার করা হয়েছে। পুণের এ ফ্ল্যাট থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তার পরিবার দ্রুতই মরদেহটি উদ্ধার করে।

  • শাবনূর বলেন, সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছেন তা আমি জানি না

    শাবনূর বলেন, সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছেন তা আমি জানি না

    ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকাল মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু নিয়ে নানা ধরনের রহস্য ও সংশয় সৃষ্টি হলেও, এই বিষয়ে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে ছিলেন তাঁর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। সময়েরReviewer: এই মৃত্যু মামলার তদন্ত প্রায় তিন দশক পর আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তের জন্য পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, যা ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ২০ অক্টোবর রাতে সালমান শাহর মরদেহের মামলায় তার মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। এর সাথে যুক্ত অন্য আসামিরা আছেন – প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। এই মামলা নিয়ে নাটকীয়তা ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর, বিষয়টি স্পষ্ট করতে সম্প্রতি শাবনূর তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘২৯ বছর আগে, তারকা নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় এক আদালত এই হত্যা মামলা রুজু করেছেন। তিনি আরও জানান, তিনি বিদেশে থাকাকালীন এই বিষয়ে গণমাধ্যমের খবরের মাধ্যমে অবহিত হন। অপ্রত্যাশিত ও ভিত্তিহীন গুজবের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে শাবনূর বলেছেন, কিছু ব্যক্তির অসৎ উদ্দেশ্য এই মামলার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, সত্যের বাইরে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকুন। শাবনূর তার স্মৃতিতে বলেন, সালমান শাহ অপূর্ব একজন শক্তিশালী ও প্রতিভাবান অভিনেতা। তিনি তার সাথে অভিনয় করে তার ক্যারিয়ার উজ্জ্বল ও বিকশিত হয়। সালমান শাহর অকাল মৃত্যুতে গভীরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, তিনি কোনওভাবেই জানেন না কীভাবে মারা গেছেন সালমান। তবে তিনি তাঁর সঠিক তদন্ত ও ন্যায্য বিচার কামনা করেন, এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান। সালমান শাহের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শাবনূর বলেন, সন্তান হারানোর বেদনাটা কতোটা কষ্টকর, সেটা তিনি সালমানের মায়ের সহানুভূতি দেখলে বোঝাতে পারবেন। তিনি আন্তরিকভাবে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন, যেখানে প্রধান আসামি হিসেবে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক সহ আরও ১০ জনের নাম যুক্ত হয়। এরমধ্যে আছেন প্রযোজক, খলনায়ক, অভিনেতা ও অন্য যারা এই মামলার অভিযুক্ত। সালমান শাহের প্রথম জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায় শাবনূর সঙ্গে, যেখানে তারা একসঙ্গে ১৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। মাত্র চার বছর ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি ব্যবসায়িকভাবে সফল সিনেমা উপহার দেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’, ‘প্রেম যুদ্ধ’, ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’, ‘বিচার হবে’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।