Blog

  • সড়ক দুর্ঘটনায় ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার রাজেশ বনিকের মৃত্যু

    সড়ক দুর্ঘটনায় ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার রাজেশ বনিকের মৃত্যু

    ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও দলের সাবেক অধিনায়ক রাজেশ বনিক অকালেই চলে গেছেন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে পশ্চিম ত্রিপুরার আনন্দনগরে এক বেদনাদায়ক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি প্রাণ হারান। রাজেশের মৃত্যুর খবর শোকে ভারি পুরো ক্রিকেট অঙ্গন।

    রাজেশ বনিক ত্রিপুরার জন্য ৪২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ এবং ২৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছিলেন। তিনি দলের নেতা ছিলেন এবং খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পরে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার যদিও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খুব বেশি পরিচিতি পাননি, তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তিনি একজন সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দলে গৌরবোজ্জ্বলভাবে খেলেছেন তিনি, সঙ্গে ছিলেন আম্বাতি রায়ডু এবং ইরফান পাঠানের মতো তারকাদের সঙ্গে। ২০০০ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের অনূর্ধ্ব-১৫ আসরে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সফরেও গিয়েছিলেন।

    জাতীয় পর্যায়ে বড় সাফল্য না পেলেও, ত্রিপুরা দলের হয়ে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অসংখ্য ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সেই সময়ে তিনি দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন। তার ক্রিকেট জ্ঞানের কারণে পরে তাকে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    রাজেশের মৃত্যুতে আজ আগরতলায় বাংলার বিপক্ষে রাঞ্জি ট্রফির ম্যাচে ত্রিপুরার ক্রিকেটাররা কালো ফিতা পরে খেলেছেন। শনিবার ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তরে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এক বিশেষ আয়োজনের আয়োজন করা হয়।

    ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুভ্রত দে বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমরা একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের নির্বাচককে হারালাম। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

  • দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    অভিজ্ঞতা এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল তাদের প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল। এর আগে ভারত দুবার ফাইনালে পৌঁছালেও শিরোপা এই প্রথম তাদের ঝুলিতে উঠল। এই গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, যা ৫২ রানের ব্যবধানে হার মানল।

    ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে যাওয়া হতাশা কাটিয়ে এবার ভারতের নারী ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রমাণ করলেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের কাছে উড়ে যাওয়া স্বপ্নও শেষ হয়েছিল সেই সময়; কিন্তু এবার ভারতের নারী দল তাদের পরিশ্রম, ডেডিকেশন এবং দলের একতায় এক অনন্য শিরোপা জিততে সক্ষম হয়েছে।

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে বাদ দিয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হলো। সাধারণত এই দুই দেশই এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশ নিতো, তবে এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা থাকলেন বাইরে। ফলে নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা হলো ভারতের নাম।

    ২ নভেম্বর, রোববার সকালে nariz ধনী ম্যাচটি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে শুরু হয়। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের শুরুটা ছিল অসাধারণ, স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি বর্মার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৪ রানের দুর্দান্ত শুরু। তারা দুইজনই ফিফটি করে দলের স্কোর বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এই জুটির উপর ভিত্তি করে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে।

    বিরুদ্ধ দলের জন্য এই রান মনে হতে পারে চ্যালেঞ্জিং, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার লরা ভলভার্ট ও তাজমিন ব্রিটস শুরুতেই বেশ ধীরগতিতে খেলতে থাকেন। তবুও তারা প্রথম উইকেটের জন্য ৫৭ বলে ৫১ রান যোগ করেন। এরপর ব্রিটস ২৩ রান করে রান আউটে পরিণত হন। পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা যথেষ্ট সুবিধা করতে না পারায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং অচল হয়ে পড়ে। লরা ভলভার্ট একাই লড়ে যান এবং এক সময় তিনি সেঞ্চুরি করেন—তবে শেষ পর্যন্ত ৯৮ বলে ১০১ রান করে আউট হন।

    বাকিদের ব্যর্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস ৪৫ ওভারে ২৪৬ রানে গুটিয়ে যায়, ফলে ভারত তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে।

    খেলার শুরুতেই বৃষ্টির কারণে ফাইনালের টস বিলম্ব হয় এবং ম্যাচও দেরিতে শুরু হয়। ভারতীয় দলের শুরুটা ছিল খুবই প্রাণবন্ত, ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালি বর্মার ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান আসে। স্মৃতি ৩৫ বলে ৪৫ রান করেন, তার বিদায়ের পর জেমিমা রদ্রিগেজ মাঠে নামেন ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময়ে তিনি ৮৭ রান করেন। এর মধ্যেই দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা কিছু সুবিধা করতে পারেননি।

    দলের স্কোর ২৯২ পর্যন্ত পৌঁছলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা তাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৪৬ রানে, এক বিশাল ব্যবধানে হার স্বীকার করে।

    অভিনন্দন জানানো হয়েছে ভারতীয় দলের সব সদস্যকে, যারা ধারাবাহিক কঠোর পরিশ্রম এবং মনোবল দিয়ে এই ইতিহাস গড়েছেন। দেশের প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠেছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ teams এর মধ্যে দাগ কেটে থাকবে বিচিত্র ইতিহাসের পাতায়।

  • রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    উদ্যোক্তা ও প্রখ্যাত ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত করেছে। আজ বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তিনি নতুন পরিচালক হিসেবে যোগ দেবেন।

    রুবাবা দৌলা এখন বিসিবির দ্বিতীয় নারী পরিচালক। এর আগে, এনএসসির মনোনয়নে বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন ইশফাক আহমেদ। তবে, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হলে, রুবাবাকে নতুন করে এই পদে মনোনীত করা হয়।

    অতীতে, তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গ্রামীণফোনে ১১ বছর ধরে প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হয় গ্রামীণফোন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতায়, রুবাবা ঢাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও, স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আঞ্চলিক মান্যতায় পরিচিত। শিল্পী কামরুল হাসানের ভাতিজি এবং বিখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের ভাতিজি তিনি। বাংলাদেশের নারীদের বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে, ২০০৬ সালে তিনি অনন্যা শীর্ষ দশ নারী পুরস্কার অর্জন করেছেন।

  • বিদেশে সরকার উৎখাতের মার্কিন নীতি শেষ: তুলসী গ্যাবার্ড

    বিদেশে সরকার উৎখাতের মার্কিন নীতি শেষ: তুলসী গ্যাবার্ড

    আন্তর্জাতিকভাবে নানা দেশের সরকার উচ্ছেদ ও শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়ার পুরোনো মার্কিন নীতির দিন শেষ বলে জানিয়েছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের এই বহুপাক্ষিক নীতিগুলি কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষে যায়নি; বরং এর ফলে বিশ্বে অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং প্রকৃতিগত নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে এক নজির হলো ইসলামী জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএসের উত্থান, যা বিশ্বের বহু অঞ্চলে অকার্যকর এবং ধ্বংসের মুখে পরিণত করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে নতুন মার্কিন প্রশাসন এই পুরোনো নীতিগুলি পরিত্যাগ করে শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক পথ গ্রহণ করতে চায়।

    গত ৩১ অক্টোবর বাহরাইনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সিকিউরিটি স্টাডিজ (আইআইএসএস) এর বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলন ‘মানামা সংলাপে’ এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন গ্যাবার্ড। তিনি বলেন, “পুরোনো ওয়াশিংটনের চিন্তাধারা আজকের বিশ্বের জন্য আর উপযোগী নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমরা পিছিয়ে এসে এক অকার্যকর পর্যায়ে বন্দী হয়েছি, যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল অন্য দেশের শাসন পরিবর্তন বা সরকার পুনর্গঠন। এই ‘একই সাইজ সমস্ত জন্য’ নীতির ফলে, যেখানে অন্য দেশের সরকার উৎখাত করে নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হত, সেখানে ফলাফল ছিল আরেকটি শত্রুতা, অর্থহানিসহ আইএসআইএসের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি।”

    তুলসী গ্যাবার্ড আরও বলেন, বর্তমানে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য তারা আব্রাহাম চুক্তির পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে Mỹ এখন জোর দিচ্ছে কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে। উদাহরণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন, কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা কমানোর জন্য ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনা ও যোগাযোগের উদ্যোগ। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি এক প্রজন্মের জন্য স্থবির পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছেন।

    গ্যাবার্ড উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বমঞ্চে নতুন করে শক্তি অর্জন করেছে। তিনি বলছেন, সার্বিয়া ও কসোভোর মধ্যে অর্থনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠা, বলকান অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনা, ভারতের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নয়ন, ইসরায়েল-ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি, রুয়ান্ডা ও ডিআরসি’র মধ্যে শান্তিচুক্তি—এই সকল সফলতা ট্রাম্পের রাজনৈতিক және কূটনৈতিক কৌশলের ফল। এমনকি, মিসর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতও তিনি রুখতে সফল হয়েছেন।

    সর্বশেষ, তিনি উল্লেখ করেন, হামাসের হাতে আটকমাত্র কয়েকজন জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগে এক ঐতিহাসিক অগ্রগতি দেখানো যাচ্ছে। যদিও পরিস্থিতি এখনও সূক্ষ্ম, তবে এই শান্তিচুক্তি ধীরে ধীরে ফলপ্রসূ হচ্ছে এবং এই সংলাপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা এই প্রক্রিয়াকে সহজতর করে তুলছেন।

    গ্যাবার্ড বললেন, এই সব প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি হলো, ‘যৌথ স্বার্থের উপর গুরুত্ব দেয়ার’ ভাবনা। যেখানে স্বার্থের মিল রয়েছে, সেখানে পারস্পরিক লাভজনক সমাধানের খোঁজ করা; মতপার্থক্যসমূহ সংলাপে সমাধান করা। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উপলব্ধি করেন, সবাই আমাদের মতো একই মূল্যবোধ বা শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করে না, যা স্বাভাবিক। তাই গুরুত্বপূর্ণ হলো—অভিন্ন স্বার্থগুলো চিহ্নিত করে, সেই অনুযায়ী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা। জ্বালানি নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন, বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নই স্থায়ী সম্পর্কের মূল ভিত্তি।”

    গ্যাবার্ড আরও বলেন, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মানে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া নয়। বরং ট্রাম্প দেখানো চেস্টা করছেন, সরাসরি কূটনীতি ও সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে, যেখানে অন্যরা ভয় পায় সেখানে অগ্রগতি হয়। এতে বিশ্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হয়।

    শেষে, বাহরাইনে উপস্থিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে গ্যাবার্ড বলেন, ‘আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে। বাহরাইন এই ধরণের সংলাপের জন্য আবারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির পথে আমাদের পথপ্রদর্শক।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে এর থেকে শিক্ষা নিয়ে যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করতে হবে।’

    গ্যাবার্ড বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এখন শান্তির পক্ষে, যেখানে যুদ্ধের বদলে সহযোগিতা নিরাপত্তার মূল ভিত্তি হবে। এই শান্তিই হবে দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।’

  • আমাদের পারমাণবিক শক্তি দিয়ে বিশ্বকে ১৫০ বার নিধন করা যাবে: ট্রাম্প

    আমাদের পারমাণবিক শক্তি দিয়ে বিশ্বকে ১৫০ বার নিধন করা যাবে: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তাদের হাতে পর্যাপ্ত পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্বকে ১৫০ বার ধ্বংস করা সম্ভব। এ ছাড়াও, রাশিয়া ও চীনও তাদের পারমাণবিক বাহিনী আরও জোরদার করছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের মতে, এই তিন দেশের কাছেই বিশালস্ত পারমাণবিক শক্তি রয়েছে, যা বিশ্বকে নিশ্চিন্তে উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    রাশিয়া ও চীন গোপনে তাদের পারমাণবিক পরীক্ষাগুলো চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন, যদিও কেউ প্রকাশ্যে এই বিষয়গুলো স্বীকার করছে না। সিএবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের কাছে যথেষ্ট পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা দিয়ে বিশ্বকে ১৫০ বার উড়িয়ে দিতে পারি। রাশিয়ারও অনেক আছে, চীনও দ্রুত এগোচ্ছে।”

    সোমবার (৩ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এই তথ্য প্রকাশ করে। ট্রাম্প আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া একমাত্র দেশ নয় যে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে; রাশিয়া ও চীনও এই অস্ত্র পরীক্ষা করছে, তবে তারা এটাকে মিডিয়ার সামনে আসতে দেয় না। তিনি উল্লেখ করেন, সিএবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ৬০ মিনিটস-এ দেখা যায় এমন এক সাক্ষাৎকারে, “রাশিয়া পরীক্ষা চালাচ্ছে, চীনও করছে— কিন্তু এসব নিয়ে কিছু বলছে না।”

    উপস্থাপিকা নোরা ও’ডনেল তাঁকে জিজ্ঞেস করেন যে, বর্তমানে কেবল উত্তর কোরিয়াই পারমাণবিক পরীক্ষা করছে কি না, তখন ট্রাম্প পাল্টা বলেন, ‘‘সহস্রাব্দেরও বেশি সময় পর আবারও পারমাণবিক পরীক্ষা শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া।’’ তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, আবারও পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে। আমরাই একমাত্র দেশ যারা এই পরীক্ষা করি না। আমি চাই না যে আমরা একমাত্র দেশ হিসেবে থাকি যারা পরীক্ষা চালায় না।’’

    তিনি আরও যোগ করেন, “পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে পরীক্ষা না করলে আপনি জানতে পারবেন না তাতে কাজ করে কি না। অস্ত্র বানালেন, কিন্তু পরীক্ষা না করলে এর কার্যকারিতা বোঝা যায় না।’’

    অন্তর্বর্তীভাবে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তির প্রশংসা করে বলেন, “আমাদের কাছে বিশাল পারমাণবিক শক্তি রয়েছে— যা অন্য কোনও দেশের নেই। রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে, আর চীন অনেক পিছিয়ে। তবে আগামী পাঁচ বছরে তারা আমাদের সমান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।”

  • আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত ১০, আহত আড়াই শতাধিক

    আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত ১০, আহত আড়াই শতাধিক

    উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে সোমবার ভোরের সময় একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে এবং আহত হয়েছে প্রায় ২৬০ জন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রবিবার রাত ১২:৫৯ মিনিটে ঘটে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ২৮ কিলোমিটার গভীরতায়, মাজার-ই-শরিফের আশেপাশে— যেখানে লোকসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ ২৩ হাজার।

    তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বালখ ও সমানগান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকাগুলো। তারা বলছে, জরুরি উদ্ধার ও সহায়তা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে, আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শরফত জামান বলেন, উদ্ধারকার্য চলছে এবং মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি আশ্বাস দেন, স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা ইতোমধ্যেই এলাকায় পৌঁছে গেছেন এবং আশপাশের হাসপাতালগুলোকে জরুরি অবস্থায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    USGS তাদের PAGER সিস্টেমে কমলা সতর্কতা (orange alert) জারি করেছে, যা নির্দেশ করে যে, এই ভূমিকম্পে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণত এ ধরনের সতর্কতা আঞ্চলিক বা জাতীয় পর্যায়ের জরুরি পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজন হয়।

    বালখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি যায়েদ জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্পে মাজার-ই-শরিফের ঐতিহাসিক পবিত্র নীল মসজিদ (ব্লু মসজিদ) আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এটি আমাদের জন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে এক বড় ক্ষতি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্স (X)-এ উদ্ধার কাজের বিভিন্ন ভিডিও এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার কার্যক্রমের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃতদেহ তুলে নিচ্ছেন। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, এই ভিডিও ও ছবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

    আফগানিস্তান ভূতাত্ত্বিকভাবে দুটি সক্রিয় ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্প বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। চলতি বছরের আগস্টে দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানে ভূমিকম্প ও এর পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ২,২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজারো মানুষ আহত হন।

  • আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০

    আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০

    আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছাকাছি এলাকায় শনিবার রাত ১২:৫৯ মিনিটে ৬.৩ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে, এবং উদ্ধার কাজ চালানোর কারণে হতাহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    এই ভূমিকম্পটি দেশটিতে ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ঘটে যাওয়া অন্যতম ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মাত্র দুই মাস আগে, আফগানিস্তানে 강 তেজস্বী ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

    মাজার-ই-শরিফ এলাকার বাসিন্দারা ভয়ঙ্কর এই ভূমিকম্পে অনেকের ঘরবাড়ি বিধ Başkan, বাড়ির ধ্বংসের আতঙ্কে মধ্যরাতে রাস্তায় নামেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, এই শক্তিশালী কম্পনটি গভীরতার ২৮ কিলোমিটার তলদেশে অনুভূত হয়।

    সাধারণ মানুষের কাছে আশঙ্কার বিষয় হলো, বহু ভবন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ধ্বংসের শঙ্কা রয়েছে। খবরে জানা যায়, পবিত্র নীল মসজিদসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বরকতপুরের মুখপাত্র হাজি জায়েদ বলেন, মধ্যরাতে এই ভূমিকম্পের কারণে অনেক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়ে গেছে।

    মাজার-ই-শরীফ শহরে মোট জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এই বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

  • ওবামা ডেমোক্র্যাটদের ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানালেন

    ওবামা ডেমোক্র্যাটদের ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানালেন

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ডেমোক্র্যাট দলকে আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের যেন ট্রাম্পের সাধারণ আইনবিরোধী শাসন ও অপ্রদর্শিত মনোভাবের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে সোচ্চার হয়। রোববার তিনি এই ডাক দিয়েছেন, যখন তিনি ভার্জিনিয়া এবং নিউ জার্সির গভর্নর নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দলীয় প্রার্থীদের পাশে থেকে গুজব ছড়াচ্ছেন। আজ সকালেই ওবামা ভার্জিনিয়ার নরফোক শহরের ওল্ড ডমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাষণ দেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমাদের এখন একসাথে দাঁড়ানোর সময়, কারণ এই আইনবহির্ভূত ও বেপরোয়া শাসনের মুখোমুখি হতে হবে। এটি এখন খুবই জরুরি, কারণ আমাদের দেশ ও গণতন্ত্রবান্ধব প্রতিষ্ঠান এখন গভীর অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।”
    তবে, এই সংগ্রাম সহজ নয়, এটা তিনি স্বীকার করেছেন। বলেছেন, “প্রতিদিনই হোয়াইট হাউস থেকে আসা তথ্যগুলো মানসিক ভারসাম্যহীনতা বিষয়ে ইঙ্গিত করে, যেখানে নিয়মিতই অবাক করার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্য শুল্কনীতি নিয়ে আমি খুবই বিস্মিত, কেননা ব্যবসায়ী নেতাদের জন্য এই ভয়াবহ নীতিগুলো এত সহজে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।”
    তিনি আরও বলেছেন, “সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে শহর শহর সেনা মোতায়েনের বিষয়গুলোও উদ্বেগের কারণ। কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যরা এই পরিস্থিতি অনুধাবন করেছে, তবে তারা ট্রাম্পকে থামাতে পারছে না। এজন্য আমাদের ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে আসতে হবে।”
    একই দিনে নিউ জার্সির নেওয়ার্ক শহরেও ওবামা বক্তৃতা দেন। সেখানে তিনি বলেন, “ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিদিনই আমাদের জন্য একটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের সরকার অচল হয়ে পড়ছে, জরুরি পরিষেবাগুলোর অর্থ কেটে দেওয়া হচ্ছে এবং এর মধ্যেই তিনি লাখ লাখ ডলার ব্যয়ে বিলিয়ার্ড বলরুম তৈরি করছেন।”
    প্রসঙ্গত, বারাক ওবামা একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি দুইবার ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তার শাসনকাল শেষের পর পুরোপুরি রাজনীতিতে নিয়োজিত হন। বর্তমানে তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। সম্প্রতি কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ভোটে ট্রাম্পের শুল্কনৈতিকনীতির বিরোধিতা করে রেজোল্যুশন পাস হয়, যেখানে প্রথমবারের মতো রিপাবলিকান দলের চারজন সদস্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।

  • টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে

    টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে

    গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুল জলিল বলেছেন, খুলনা অঞ্চলের নারীরা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে đang। সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রচার এবং নারীদের অগ্রগতির জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর নিরলস কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার সকল ক্ষেত্রে নারীর উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় বটিয়াঘাটার প্রদ্যুৎ কুমার রায়ের বাসভবনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন ‘শিশু, কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম’ শীর্ষক প্রকল্পের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জিওবি ফান্ডের অধীনে উঠান বৈঠকের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

    মহাপরিচালক বলেন, সকল ধর্ম মানুষের মধ্যে সদাচার প্রচার করে। সৃষ্টিকর্তা নারীদের বেশি মূল্য দিয়েছেন। একজন মেয়ে মা হিসেবে সর্বাধিক গুরুত্ববাণ। সন্তান যদি খারাপ পথে চলে, তাহলে মা অনেক কষ্ট পায়। সুতরাং সন্তানদের শিক্ষিত ও সুশিক্ষিত করা প্রয়োজন এবং অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের কোথায় যায়, কি করে তা খেয়াল রাখা।

    তিনি আরও জানান, সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে। Nine মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে এই টিকা দিতে হবে। এর পাশাপাশি কিছু মানুষ সমাজে গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টাও চালাচ্ছে। এই গুজব রুখতে সকলের একযোগে সচেতনতা ও প্রচেষ্টা দরকার।

    অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেন, আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপ-প্রধান এ এস এম কবীর, বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ ইব্রাহিম-আল-মামুন, শিক্ষক প্রভাস চন্দ্র গাইন, সাবেক শিক্ষক নিরঞ্জন কুমার রায়, প্রদ্যুৎ কুমার রায়, সহকারী শিক্ষক নমিতা রানী মন্ডল ও আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    উঠানে এই বৈঠকে স্থানীয় নারীরা অংশ নেন। খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অপর ঁপরে মহাপরিচালক খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

    বিকেলে তিনি নগরীর নূরনগরে প্রস্তাবিত আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের স্থান পরিদর্শন করেন।

  • ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে বিএনপি

    ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে বিএনপি

    জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেশের ক্রান্তিকাল সময়গুলোতে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইতিহাসে দেখা যায়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু করে আজকের দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সংকটকালে জনগণের সেবা ও সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। শনিবার রাতে গুলশানের অফিসে তাকে ডেকে পাঠান ও স্কাইপে এক দীর্ঘ আলোচনায় অংশ নেন তারেক রহমান। এই কথোপকথনের এক পর্যায়ে আবেগের বশবর্তী হয়ে আবেগে ভেসে যান তিনি। তখন হযরত তিনি জানিয়েছেন, তিনি আগামী দিনগুলোতে জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে, যা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং বিশ্বাসের ব্যাপার। তিনি বলেন, রাজপথে শ্রম দিয়ে সূর্যসন্তান হিসেবে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন নেতা-কর্মীরা; তাদের শ্রম ও ভালোবাসার মূল্যায়ন করেছেন তারেক রহমান। আজ তিনি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন মহান আল্লাহর কাছে, পাশাপাশি দলের শীর্ষনেতা ও খুলনার রাজনৈতিক অভিভাবকদের প্রতি অকৃত্রিম শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করে দেশ পরিচালনা করতে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সোমবার দুপুর ১১টায় খুলনা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক দোয়া অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া ও আবু হোসেন বাবুর দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী, সমর্থক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক অসিত কুমার সাহা, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আশরাফুল আলম নান্নু, বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সহ অন্যান্য الدعهدানরা। তারা সবাই নেতাকর্মীদের একত্রীকরণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই দিনটিতে নেতারা তাদের সম্মিলিত শক্তি দিয়ে দেশের উন্নয়নে এবং জাতির স্বার্থে আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার শপথ নেন।