খুলনায় অটো রাইস মিলের ফোরম্যান ইমরানের বাড়ির দিকে দুর্বৃত্তরা গুলি চালিয়েছে। এই ঘটনাটি রোববার রাত ৯টার দিকে নগরীর লবণচরা থানাধীন মুক্তার হোসেন সড়কে ঘটেছে। ইমরান লবণচরা এলাকার রূপসা রাইস মিলের একজন ফোরম্যান হিসেবে কাজ করেন। লবণচরা থানার অফিসার ইনচর্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধের জের ধরে দুর্বৃত্তরা তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছুঁড়লে গুলি জানালা ভেদ করে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
Blog
-

চিতলমারীতে সেচ্ছাসেবক দলের কর্মিসভা অনুষ্ঠিত
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারী ইউনিয়নে এই সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় চরবানিয়ারী ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে এই সভা παράσিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ডালিম ফকির। বক্তৃতা করেন চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস।
সভাপতিত্ব করেন চরবানিয়ারী ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ আল আমিন সরদার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. ফজলুল হক, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা এ্যাড. অসীম কুমার সম্মাদ্দার, চিতলমারী উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ নিয়ামত আলী খান, সদস্য সচিব কাশীনাথ বৈরাগী ও উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু খান।
প্রধান বক্তারা বলেছেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশের সেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই কর্মিসভা তৃণমূলের স্বার্থে ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আয়োজন করা হয়েছে।’ এই সভার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয় এবং দলীয় কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
-

ঝিনাইদহে আধিপত্য বিরোধে সংঘর্ষে ১০ জন আহত
আজ সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঝিনাইদহের সদর উপজেলায় কলমনখালী বাজারে সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দলের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের গা ও শরীরে ধারালো অস্ত্র ও ইটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জেলার কলমনখালী এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য চিহ্নিত বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে মূল দুই পক্ষ হলো, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আসাদ চৌধুরী এবং বিএনপির একজন জোয়ার্দার সমর্থক। এই বিরোধের জের ধরে কিছুদিন আগে দু’পক্ষের মধ্যে ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছিল। আজ সকালে ওই বাজারে অবস্থান নেয়া দু’দল সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা প্রকাশ পায়, আর হঠাৎ করে তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও ইট-পাটকেলসহ নানা ধারালো ও নিঃশব্দ পদ্ধতিতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দাঙ্গা শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেয় পুলিশ। আহতদের উদ্ধারের পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আন্দোলন ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের সকল امکانات ব্যবহার করছি।’
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুলতনা মেফতাহুল জান্নাত বলেন, ‘আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্র এবং ইটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে, তাদের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল, কোনও জীবনঝুঁকি নেই।’
-

সোনার দাম ফের কমলো
এক দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে সোনার মূল্য আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর ফলে দেশের বিভিন্ন বাজারে মানসম্পন্ন সোনার দাম অনেকটা কমে গেছে, বর্তমানে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে দু’লাখ টাকার নিচে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকালের তুলনায় আজকের দিনে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এই দাম কমের ফলে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি এখন নেমে এসেছে ২ লাখ ৯৫ টাকায়, যা আগের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই নতুন দামের কার্যকর হবে আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমার জেরে সোনার মূল্যে সমন্বয় আনা হয়েছে, তবে মূলত এই দাম কমার পিছনে প্রধান কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ডলার হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিচে দেওয়া হলো: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি দাম এখন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা।
তবে, রুপার দাম উন্নতি হয়নি; বরং অপরিবর্তিত থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি রুপা ৪ হাজার ০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ২ হাজার ৬০১ টাকা।
-

স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা
স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুটির দাম হ্রাস করা হয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ৯৩৪ টাকা। এখন নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। এই সিদ্ধান্ত রোববার থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে।
শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এই দাম কমানোর জন্য বৈঠক করে। বৈঠক শেষে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন এক মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।
নতুন মূল্যে, ২২ ক্যারেটের সবচেয়ে মানসম্পন্ন স্বর্ণের সাথে সাথে অন্যান্য ক্যারেটের দামও কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯১০ টাকা কমে এখন ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমেছে ৭৮১ টাকা, এখন সেটি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮২ টাকা। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৬৬৫ টাকা কমে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
অতীতে, গত ৩০ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ৯০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ০৬৯ টাকায় ছিল। তার আগে, ২৯ অক্টোবরে দাম কমে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা হয়, ২৮ অক্টোবর কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা, ও ২৭ অক্টোবর ১ হাজার ৩৮ টাকা কমে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা নির্ধারিত হয়। আবার, ২৩ অক্টোবর দাম কমে ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা হয়।
অপর দিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রূপার মূল্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। মানসম্মত ২২ ক্যারেটের রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
-

অক্টোবরের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, আগের বছর ছিল ২৫ বিলিয়ন
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এর মূল কারণ হচ্ছে রেমিট্যান্সের প্রবাহে জোয়ার। চলতি বছরের অক্টোবরে, ৩০ তারিখ পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক সূচক অনুযায়ী, ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে এই রিজার্ভ প্রায় ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক হিসাব অনুযায়ী, প্রকৃত নিট রিজার্ভের পরিমাণ ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এই তথ্যগুলো রোববার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ১৯.৮৭ বিলিয়ন ডলার। এই তুলনায় দেখাযায়, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের একই সময়ে, মোট রিজার্ভ ছিল ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল প্রায় ১৯.৮৭ বিলিয়ন ডলার। ফলে, এক বছরেই দেশের রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
অর্থনৈতিক জরিপে দেখা যাচ্ছে যে একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা উচিত। এই মানদণ্ডে বাংলাদেশ বর্তমানে অবশ্যই বেশ এগিয়ে রয়েছে না বলে মনে করা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা প্রবাসী আয়, রফতানি, বিদেশি বিনিয়োগ, ঋণ, শ্রমিকের পাঠানো অর্থ ও পর্যটকদের খরচের মাধ্যমে তৈরি হয়। যদি ব্যয় বেশি হয়, তাহলে রিজার্ভ কমে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে রিজার্ভে চাপ কমে এসেছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রির পরিবর্তে, ব্যাংকগুলো থেকে ডলার সংগ্রহ করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৭.৭৯ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.২০ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার আর অক্টোবরের মধ্যে ২৫৬ কোটি ডলার।
অতীতের রেকর্ডে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই বছর মোট প্রবাসী আয় ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।
প্রথম দিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ১০ বছর আগে ২০১৩ সালের জুনে দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫.৩২ বিলিয়ন ডলার। এরপর ধারাবাহিকভাবে এই সংখ্যা বাড়ে এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ পৌঁছায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার। তারপর ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর নতুন মাইলফলক স্পর্শ করে, যখন রিজার্ভ ছুঁয়েছিল ৪০ বিলিয়ন ডলার। অতপর, কোভিড-১৯ মহামারির মাঝেও এই রেকর্ড ছিল। ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৮.০৪ বিলিয়ন ডলার। এরপর থেকে নানা কারণের জন্য রিজার্ভ ক্রমশ কমতে থাকে।
অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২১.৫ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪-১৫ এ ছিল ২৫.০২ বিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ এ দাঁড়ায় ৩০.৩৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর ২০১৬-১৭ এ রিজার্ভ বেড়ে ৩৩.৬৭ বিলিয়ন ডলার হয়। ২০১৭-১৮ এর শেষে ছিল ৩২.৯৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১৮-১৯ সালে ছিল ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯-২০ এ রিজার্ভ কিছুটা কমে ৩৬.৩ বিলিয়ন ডলার হলেও, ২০২০-২১ এ আবার বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার। এরপর ধাপে ধাপে কমে বর্তমানে ৩১.৬৮ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।
-

প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র: প্রথম পুরস্কার জিতলেন নম্বর ০১০৮৩৩১
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১০০ টাকার মূল্যমানের এই সঞ্চয় পরিকল্পনায় প্রথম পুরস্কার জিতেছেন নম্বর ০১০৮৩৩১। এই নম্বরের বিক্রয়কারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মাত্র ৬ লাখ টাকার মূল্যের এই পুরস্কারটি পেয়েছেন। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা জিতেছেন নম্বর ০১৫৬৮৯৭। এছাড়া, তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকার দুইটি নম্বর নির্ধারিত হয়েছে: ০০৫৬৩৬২ ও ০৪৫৩৬৬৮। চতুর্থ পুরস্কার যথাক্রমে ৫০ হাজার টাকা করে জিতেছেন ০৯১২৪৪৪ ও ০৯৮৩৫৭২ নম্বর দুটি।
রোববার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোট ৪৬টি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৩৮১৮টি প্রাইজবন্ডের টিকিট।
বাংলাদেশ ব্যাংकেকা জানিয়েছে, ড্রয়ের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে পুরস্কার দাবি করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কার ফেরত যেতে পারে।
২০২৩ সালের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থের ওপর ২০ শতাংশ করও প্রযোজ্য।
-

সোনার দাম এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বেড়েছে, পতনের পর ফিরে এসেছে নতুন উচ্চতায়
দেশের বাজারে বিভিন্ন দফা পতনের পর আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, এবার ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামের ফলে দেশের স্বর্ণশিল্পে ব্যবহৃত ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, এই মাসের ২০ তারিখে সোনার দাম আকাশছোঁয়া হয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় পৌঁছেছিল, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ দর। তারপর চার দফায় ব্যাপক হারে দাম কমে যায়, এবং শেষত: দাম পড়ে এক লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকায়। তবে আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বাজুস এখন আবার উচ্চতায় ফিরতে যাচ্ছে।
সংগঠনটি বলেছে, বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। মূল কারণ হলো, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনারের দাম এখন ৪ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে।
নতুন দামে দেশের স্বর্ণের বিভিন্ন মানের দাম এই রকম: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ هزار ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা।
অপরদিকে, রুপার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ০৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।
-

মির্জা ফখরুল: ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর আমাদের জন্যে এবং গোটা জাতির জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক দিন। আজকের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে যখন মানুষজন নানা অনিশ্চয়তা ও হতাশার মুখোমুখি, তখন আবারো দেশের শত্রুরা মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে— এই পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরের ঐক্যের চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। তিনি রোববার (২ নভেম্বর) নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। ১৯৭৫ সালে এই দিনই সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীরা তার বিরুদ্ধে যুঝে, তাকে বন্দি করে রেখেছিল। এই অবস্থা থেকে দেশের প্রবল বিপ্লবী ও জনগণ তাকে মুক্ত করে আনে। এরপরই বাংলাদেশের নতুন সাফল্যের ধারাবাহিকতা শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আসেন এবং দ্রুতই দেশকে সেই অবস্থানে নিয়ে যান যেখানে আগে বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ বলা হতো। তিনি দেশকে সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে নিয়ে যান। তার আমলে বাংলাদেশ পুনর্জাগরণের পথে হাঁটে, একটি emerging tiger হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বিএনপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক ক্ষণজন্মা নেতা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে, ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে একটি অবিচল ঘোষণায় ঘোষণা দেন—‘I hereby declare the independence of Bangladesh.’ এরপরের পাঁচ বছর ছিল দুঃশাসনের অভিশাপে আক্রান্ত। সেই সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি খুবই দুর্বল ছিল, শ্রমিক সংকট, দুর্নীতি ও অপশাসন প্রসারিত। ১৯৭৪ সালে দারুণ দুর্ভিক্ষের ঘটনা ঘটে, লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তখন স্বয়ং শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে স্বর্ণমন্দিরে ওই অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের অগ্নিপরীক্ষা নিশ্চিত হয়।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেন। তিনি প্রথমে রাজনৈতিক সংস্কার শুরু করেন এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে নিয়ে আসেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, নিষিদ্ধ পত্রিকা আবার চালু করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন। অর্থনীতিতে তিনি সূচনা করেন নতুন যুগের। তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠে গার্মেন্টস শিল্প, বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা রেমিটেন্সের মূল উৎস। নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে তার যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল, কৃষিতে খাল খনন, উচ্চফলনশীল বীজ ও সার ব্যবস্থার সংস্কার, শিল্পে তিন শিফটে উৎপাদন—এসব উদ্যোগে দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
তবে দুঃখের বিষয়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে নির্মমভাবে হত্যা হন। তবে তার দর্শন ও আদর্শ আজও জীবিত। তার প্রদত্ত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভাবনা কখনো পরাজিত হয়নি। তাই বিএনপিও হার মানেনি, তারা বারবার ধ্বংসের আদলে শক্তি ফিরে পেয়েছে এবং তারেক রহমান প্রবাস থেকে আওয়াজ তুলে দেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিনটি আমাদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই দিনটি স্মরণ করি, কারণ এখান থেকেই জেগে উঠে জাতির চেতনাবাহিনী। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দর্শনকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাব — গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে।
-

নতুন প্রতীকে ‘শাপলা কলি’ গ্রহণ করবে এনসিপি
নির্বন্ধনপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের আওতায় নিজেদের দলীয় প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল হক মুসা।
রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচনী কমিশনের সদর দপ্তরে সিইসির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে যান এনসিপির প্রতিনিধিরা, যার মধ্যে ছিলেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তারা এসব তথ্য ব্যাখ্যা করেন।
জহিরুল হক মুসা জানান, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন শপিলা, সাদা শাপলা এবং শাপলা কলি এই তিনটি প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, প্রথমে ছিল শাপলা, দ্বিতীয় ছিল সাদা শাপলা, এবং তৃতীয়ত শাপলা কলি। এনসিপি এই তালিকা থেকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী একটি প্রতীক নির্বাচন করে আবেদন করেছে। যদি শাপলা কলি তাদের দেওয়া প্রতীকের মধ্যে থাকে তাহলে তারা এই প্রতীককে মেনে নেবে বলে স্পষ্ট করে বলেন তিনি।
নিবন্ধনের জন্য তারা এনসিপি পক্ষ থেকে ‘শাপলা’, ‘সাদা শাপলা’ এবং ‘শাপলা কলি’ এই তিনটি প্রতীককে পছন্দ করে আবেদন জানিয়েছে। তারা আবেদন করে বলে, এই প্রতীকগুলো তাদের পছন্দের বিষয়, এবং তারা চাইছে নির্বাচন কমিশন দ্রুত এক জনস্বেবাজ্ঞানপত্র জারি করে এই প্রতীকগুলোকে অনুমোদন দিক।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভোটের প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা’ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক হয়। কিন্তু প্রচুর দাবির পরও, নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এখনো কোনও দলকে ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, নির্বাচন বিধিতে এই প্রতীকের ব্যবহার বা বরাদ্দের জন্য হুকুম বা ব্যবস্থা এখনও যথাযথভাবে নিশ্চিত হয়নি। এ কারণে, এনসিপি এখনও তাদের পছন্দের শাপলা প্রতীকের জন্য অপেক্ষা করছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়, যেখানে নিবন্ধিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তাতে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক যুক্ত থাকলেও, দীর্ঘদিন ধরে এনসিপি এই প্রতীককে তাদের দলের প্রতীক হিসেবে দাবি করে আসছে।
২০২৪ সালে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে নির্বাচন কমিশন দুটি দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে এনসিপি রয়েছে এবং তাঁদের প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা কলি’ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চলমান প্রক্রিয়া চলছে। তবে, এখনও এই বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়ায়, এনসিপি শীঘ্রই এই প্রতীকের স্বীকৃতি পাবে বলে আশা করছে।
