Blog

  • অ্যাটর্নি জেনারেল জানালেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হবে

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান। তিনি এ কথা বলেছেন চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলাকালে, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য ৯ম দিনের আপিল শুনানিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    অপরদিকে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষের শুনানি আজ শেষ হয়েছে। এই দিন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি হয়। উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। এর আগে, বুধবার প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এই বিষয়ে তিনি বক্তব্য দেন।

    শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায়টি বাতিল হওয়া দরকার। তিনি বলেন, রায়ের পরিবর্তন প্রয়োজন, কারণ সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের সিদ্ধান্তের ফলে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়েছে।

    গত ২৭ আগস্ট, সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের ওপর পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন মঞ্জুর করেন এবং আপিলের অনুমতি দেন। এরপর বিভিন্ন পক্ষ, যেমন ড. বদিউল আলম মজুমদার সহ আরও পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার, আপিল করেন।

    অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত ২০১১ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে আপিল বিভাগে নেওয়া রায়ের মধ্যে রয়েছে, যেখানে এ বি এম খায়রুল হক পদত্যাগের জন্য রায় দেন। এই রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়।

  • আট দলের প্রতিনিধি যমুনায় স্মারক লিপির জন্য গেলেন

    নির্বাচন কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ দফা দাবি পথ্য নিয়ে সোমবার সকালে আয়োজন করা হয় এক বর্ণময় গণজমায়েত। এই সমাবেশের মাধ্যমে আটটি ইসলামী দল তাদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোর প্রতি সরকার ও সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিল। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে উদ্বিগ্ন মুখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। এই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল নির্বাচনের অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য রূপায়ন নিশ্চিত করা। বিশেষ করে, জুলাইয়ে জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি এবং এর ওপর ভিত্তি করে ঐচ্ছিক গণভোটের মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি ছিল অন্যতম।”

  • চট্টগ্রামে আবার গুলিবিদ্ধ বিএনপির পাঁচ কর্মী, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

    চট্টগ্রামে খুব দ্রুতই আবারো বন্দুকের গুলির শব্দ শুনলাম। এই ঘটনার ফলে বিএনপির পাঁচজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই গুরুতর এবং আশঙ্কাজনক। বুধবার (৫ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া চৌধুরী পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ সুমন, ইসমাইল, খোরশেদ, রুবেল ও সোহেল। স্থানীয়রা জানায়, দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল ও একটি গাড়িতে করে এসে যেনো এক সমবেত আতঙ্ক তৈরি করে গুলি চালায়। পরে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। গুলিবিদ্ধরা স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে; এর মধ্যে সুমনের বুকের মধ্যে গুলি লেগেছে, এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন। রাউজান–রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গুলির ঘটনায় তদন্ত চলছে, আর খতিয়ে দেখা হচ্ছে আহতদের পরিচয় ও হামলার কারণ।’ এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনার পর পুলিশ অনেক দেরিতে উপস্থিত হয় এবং হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়। এই রাতের গুলির ঘটনায় পুরো কোয়েপাড়া এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক। এর আগে একইদিন সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হন। এই সময় গুলির আঘাতে তার সঙ্গে থাকা এক কর্মী সরোয়ার বাবলা নিহত হন। বিএনপি প্রধান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগের সময় গুলির ঘটনায় সরকার কঠোর বিবৃতি দিয়ে বলে, এ ঘটনা একটি পরিকল্পিত অপরাধ, জড়িতদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই রাতে আবারো সংঘটিত হলো গুলির ঘটনা, যা এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

  • দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমবে

    দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমবে

    বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী কয়েকদিন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অংশে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতর আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আগামী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মায়ানমার উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপান্তরিত হয়েছে। এই ঘনীভূত লঘুচাপ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে অবস্থান করছে। এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।

    তিনি আরও বলছেন, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশ কটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া বেশ শুষ্ক থাকতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা একটু কমে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও, অন্যান্য বিভাগে তা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, তবে সারাদেশে আবহাওয়া বেশ শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    শুক্রবার (৭ নভেম্বর) থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক দিন ধরে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ দেশের আবহাওয়া বেশিরভাগ সময় শুষ্ক থাকতে পারে। রাত আর দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

    বিশেষ করে শনিবার ও রোববার (৮ ও ৯ নভেম্বর) সময়েও আবহাওয়া বেশিরভাগ সময় শুষ্ক থাকবে, তবে রাতে ও দিনে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, পরবর্তী পাঁচদিনে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এই সময়ে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

  • টেকনাফে ব্রিজের নিচে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইউনুছের লাশ উদ্ধার

    টেকনাফে ব্রিজের নিচে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইউনুছের লাশ উদ্ধার

    কক্সবাজারের টেকনাফে একটি বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে যখন ব্রিজের নিচ থেকে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইউনুছের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা রঙিখালী সড়কের পাশে অবস্থিত হ্নীলা ইউনিয়নের ব্রিজের নিচে তার মরদেহ দেখার খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

    নিহত ইউনুছ বয়স ৪৫ বছর, তিনি টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য এবং উপজেলা ভিত্তিক ক্রীড়া সংগঠন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের একজন সচিব। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মরদেহের পরনে ছিল প্যান্ট, তবে গায়ে ছিল না কোনো জামা বা পোশাক। স্থানীয়জনরা আরো জানান, মঙ্গলবার রাতের পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

    অফিসাররা বলছেন, নিহতের মরদেহটি পুলিশির প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী আহত অবস্থায় পড়ে ছিল। টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে ও ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এই মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এই ঘটনায় জড়িত থাকলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • দেশের জনগণ এখন নির্বাচনে মনোযোগী, কোনও হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দেশের জনগণ এখন নির্বাচনে মনোযোগী, কোনও হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    গাজীপুরে প্রশাসন, পুলিশ ও আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখন নির্বাচনে পুরো মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনও ধরনের হুমকি নেই এবং এই নির্বাচন সম্পন্ন হবে অত্যন্ত সুন্দর, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। এর জন্য প্রশাসন কঠোর পরিশ্রম করছে।

    আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন আইনবাহিনী। সাংবাদিকদের আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা আলোচনা করেছেন। এছাড়াও গাজীপুরের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়েও সেখানে আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গুজব না ছড়ানোর জন্য সাংবাদিকদের সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে, ফলে গুজবগুলি অনেকখানিই কমে গেছে।

    উপদেষ্টা আরও বলেন, সমাজের সবচেয়ে বড় দুটির সমস্যা হলো দুর্নীতি ও মাদক। এই দুটিকে সমাজ থেকে দূর করতে সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতা করতে হবে। বিশেষ করে মাদক এখন গ্রামগঞ্জেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা একদিনে নিরসন সম্ভব নয়। সবাইকে একত্রে কাজ করে এর বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে হবে।

    তিনি জানান, গাজীপুরের শিল্প এলাকার কারণে এখানে নানা ধরনের নাগরিকেরা আসে, তারা এখানকার বাসিন্দা নয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও কর্মীদের সম্পর্ক সুন্দর রাখার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়া এখানকার ঝুট ব্যবসায়ীর সংখ্যাও বেশি, এবং এদের মধ্যে নিচু স্তরের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যাচ্ছে। চাঁদাবাজির মতো অপরাধের ক্ষেত্রেও নজরদারি বৃদ্ধি করার ওপর আলোচনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, গাজীপুরে পুলিশসংকট রয়েছে; সংগঠিতভাবে অধিক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের জন্য সাড়ে ছয়শত পুলিশ সদস্য অতিরিক্তভাবে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনের সময়ে পুলিশের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো যদি জামিনে মুক্ত হন, তবে তারা যদি কোনও অপকর্মে লিপ্ত হয়, তবে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হবে। আদালত তাদের জামিনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে আইনের আওতায়।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে প্রায়ই বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তবে, সাংবাদিকরা সত্য ঘটনা তুলে ধরায় এসব গুজব অনেকাংশে কমে এসেছে। তিনি আরও জানান, দেশের সাংবাদিকদের সততা ও সত্য অনুসন্ধান এই ধরনের গুজব রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সত্য তথ্য প্রকাশ করলে সবাই বুঝতে পারবে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

    একই সঙ্গে, নির্বাচনকালীন সময়ে বিভিন্ন দলের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোরও দায়িত্ব আছে। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকলে কোনও সমস্যা হবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব সময় সৎ ও সদূরদর্শী কাজ করছে।

    অবশেষে, একটি রাজনীতি দলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্মসূচি নিষিদ্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সহযোগিতায় অনেক অপকর্ম ও বিভ্রান্তি কমে এসেছে। সেখানে মিথ্যা রটনা প্রচুর, কিন্তু সত্য প্রকাশের মাধ্যমে বেশির ভাগ সমস্যা দূর হয়। তিনি সবাইকে সচেতন থাকতে আহ্বান জানান।

  • অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা

    অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা

    অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, তিনি ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন এবং বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই আসনে তিনি মনোনয়নপত্র পাবেন। বিএনপি সম্প্রতি (৩ নভেম্বর) দেশের ২৩৭টি নির্বাচনী আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। এখনো ৬৩টি আসন খালি রয়েছে, যার মধ্যে ঝিনাইদহ-১ আসনও রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আসাদুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে লড়বেন। এদিকে, ২৪ বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি নিয়োগ লাভ করেন। এর আগে, তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।

  • অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা: ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার পাবেন জনতা

    অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা: ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার পাবেন জনতা

    পুলিশের কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদের সন্ধানদাতাদের জন্য বিশাল পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তর মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, যদি কেউ লুণ্ঠিত অস্ত্র বা গোলাবারুদের প্রকৃত সন্ধান দিতে পারেন, তবে তিনি অর্থনৈতিক পুরস্কার পেতে পারেন। পুরস্কারের পরিমাণ ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা অস্ত্রের ধরন ও পরিমাণের উপর নির্ভর করবে। যেখানে এলএমজি বা লং আর্টিলারির জন্য পুরস্কার সাত লাখ টাকা, এসএমজির জন্য দেড় লাখ টাকা, চায়না রাইফেলের জন্য এক লাখ টাকা ও পিস্তল বা শটগানের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি উদ্ধারকৃত গুলির জন্য তার জন্য ৫০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্ধানদাতাদের নাম বা পরিচয় অবশ্যই গোপন রাখা হবে। সকল নাগরিকের অনুরোধ করা হচ্ছে, যদি কেউ অস্ত্র বা গোলাবারুদ সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানেন, তবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অপরাধী ও লুণ্ঠিত অস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা আরো দৃঢ় হবে।

  • নন-এমপিও শিক্ষকদের কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি নয়

    নন-এমপিও শিক্ষকদের কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি নয়

    স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিও শিক্ষকরা দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছেন। তারা বলছেন, যদি তাদের দাবি বিবেচনা না করা হয়, তবে তারা কঠোর ও রাত্রির কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। আজ ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার, দুপুর থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে শিক্ষকরা এই কর্মসূচি পালন করছেন।

    শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো স্বীকৃতি পেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এর ফলে তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষা জাতির মূল ভিত্তি, কিন্তু এই শিক্ষকদের জীবন বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে দাঁড়িয়ে। তারা সরকারের কাছে অতি দ্রুত এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা আরো ঘোষণা দিয়েছেন, যদি দ্রুত দাবি না মানা হয়, তবে তারা অবিরত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং সরকারের কোন আশ্বাসের প্রতিফলন না ঘটলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, সারাদেশে দুই সহস্রাধিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা সব শর্ত পূরণ করেছে, এগুলোর মধ্যে বোর্ড পরীক্ষার জন্য নিবন্ধনও রয়েছে এবং তারা ভালো ফলাফলও দিচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, সরকারের তরফ থেকে তাদের দিকে কোনো নজর দেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

    বক্তারা আরো বলেন, আমরা সবাই মানুষ, দেশের নাগরিক। কিন্তু এক দেশের মধ্যে দুটি নীতি চালু থাকাটা মানা যায় না। তাই তারা এখন রাজপথে उतरেছেন। দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তারা বলছেন, তারা এখনই তাদের দাবির জন্য কর্মসূচি অব্যাহত রেখে থাকবে এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

  • আগামী সপ্তাহে শেখ হাসিনার বিচারের রায় হবে: মাহফুজ আলম

    আগামী সপ্তাহে শেখ হাসিনার বিচারের রায় হবে: মাহফুজ আলম

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আমরা যে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম, সেই বিচারের কাজ শুরু করতে পেরেছি। আগামী সপ্তাহে শেখ হাসিনার, অর্থাৎ ফ্যাসিস্ট খুনি শেখ হাসিনার বিচার হবে এবং একটি রায় প্রতিষ্ঠিত হবে। এর ফলে জুলাই শহীদদের পরিবারগুলো কিছুটা হলেও বেদনার প্রকৃতির লাঘব পাবেন।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি এ সব কথা বলেন।

    উপদেষ্টা আরও জানান, আরও অনেকেরই ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যারা ছাত্রজনতাকে হত্যা এবং গুমে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তাদের সবারই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো হবে। আত্মপ্রকাশের পরবর্তী সরকারের দায়িত্ব হবে এই বিচার প্রক্রিয়াকে আরও সক্রিয় ও দ্রুততর করা।

    তিনি বলেন, আমরা সংস্কার ও বিচার কাজের জন্য অনেক দূর এগিয়ে গেছি। রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে এসে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট অর্জন। সবাই একযোগে একত্রিত হয়ে এই ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় শুরু হয়েছে।

    মাহফুজ আলম আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ এবং সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যে কোনো নির্বাচিত সরকার যদি এই কাজগুলো চালিয়ে যায়, তবে আমরা চাই যে বাস্তবায়িত হবে একটি নতুন বাংলাদেশ, যেখানে দায়িত্বের ভারসাম্য থাকবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, সুবিচার থাকবে। গুম-খুনের নিরপরাধ মানুষ আর ফিরে আসবে না।’