Blog

  • ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ঘুরছে এক ছবির স্টিল—যাকে অনেকেই বলছেন হ’ল সিনেমা ‘রাক্ষস’-এর আইটেম গানের শুটিং দৃশ্য। এই ছবি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা বাড়তেই প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি মুখ খুলেছে।

    রিয়েল এনার্জির কর্ণধার আজিম হারুন জানান, যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে সেটি সত্যিই তাদের ছবির আইটেম গানের একটি শুটিং দৃশ্য। তিনি বলেন, “কীভাবে জানি সেটি শুটিং সেট থেকে লিক হয়েছে, তাতে আমাদেরও অবাক লাগছে। ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচেছেন। মনে হয় এটি তাঁর প্রথম বাংলা ছবিতে অংশগ্ৰহণ।”

    নাতালিয়াকে নানাভাবে পরিচিত করা হয়েছে—ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এই অভিনেত্রী বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও কাজ করেছেন বলে ভরতীয় প্রেক্ষাপটে জানানো হচ্ছে। তার নাম বিভিন্ন জনপ্রিয় ছবির তালিকাতেও দেখা যায়, আর তিনি টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশ নিয়েছেন।

    প্রযোজনা সংস্থার অন্য কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানান, গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত প্রধান করেছেন জিএম আশরাফ, আর গানের কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও শিল্পী দোলা। তিনি আরও বলেন, “আইটেম গানটি আমরা বড় বাজেটে তৈরি করছি। দেশের বাইরে বেশ বড় আয়োজনে এর শুটিং সম্পন্ন হচ্ছে। আশা করছি দর্শক গানটি পছন্দ করবেন। আমাদের বিশ্বাস, এবারের ঈদে ‘রাক্ষস’ হবে অন্যতম সেরা ছবি।”

    ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়। প্রধান চরিত্রে রয়েছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি।

    উল্লেখ্য, রিয়েল এনার্জি পূর্বে হলে ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যেখানে শাকিব খান অভিনীত সেই ছবি ব্যবসায় সাফল্য দেখিয়েছিল।

    প্রযোজনা সংস্থার বক্তব্য থেকে লিক হওয়া স্টিলের বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার হলেও আনুষ্ঠানিক সম্পূর্ণ মুক্তি ও গান প্রকাশের অপেক্ষায় দর্শক-শ্রোতা রয়েছেন।

  • আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সরকার দুইটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলালকে পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী করা হয়েছে।

    পটভূমিতে ছিল গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন—মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্পিকার ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তাদেরকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ করান। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তারা আর মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। ফলে একজন নতুন মন্ত্রী নিয়োগ এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। এই সিদ্ধান্তে মন্ত্রিসভায় সাময়িক পরিবরতন আনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

  • শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়ে তার ছেলে হত্যার দায় আর্থিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে থাকা কয়েকজনের ওপর চাপিয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আদালতে তিনি নিজের বিবৃতি দেন এবং ঘটনার বর্ণনা দেন।

    এর আসামি তালিকায় থাকা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়; আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে গवाही দেন। ৬৫ বছরের আল আমিন একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক। তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন।

    সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আল আমিন বারবার কণ্ঠভঙ্গ করে পড়ে যান। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বিকেল নাগাদ ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল—পরবর্তীকালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুর-১০ এলাকার ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে গেলে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন—এমন দৃশ্য দেখে তিনি সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে শুরু করেন এবং নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন।

    আল আমিন আরও জানান, হাসপাতালের মেঝেতে রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে তিনি অসুস্থ বোধ করেন; সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহ। পরে তিনি আনোয়ারের লাশ হাসপাতালে থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন ও মৃত্যুসনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে দশটায় রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা পড়ে এবং পরে আনোয়ারকে লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামটিতে দাফন করা হয়।

    তিনি বলেন, ছেলের হত্যার পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনাকে দায়ী করে তিনি সংবাদমাধ্যম ও লোকমুখে শুনেছেন যে—শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীদের সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ অনেকে বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমন ও ছাত্র-জনতাকে নিধন করার সিদ্ধান্ত নেন। এই কারণেই তিনি ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ছেলের হত্যার দায় করছেন। আল আমিন ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সে ধরনের শান্তি চান।

    সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আল আমিনকে জেরা করেন আসামি সালমান ও আনিসুলের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলাটিতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ৫ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে সময়কার প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা।

  • সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ওই দিন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন—তবে তা নিয়েও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

    বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছেন, তারা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সংসদে ভাষণ দেয়া থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে বিরোধী দলের একটি বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি ফ্যাসিস্টদের দোসর।’’

    অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বলছে, নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সংসদ ভবন ত্যাগের সময় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে জুলাই সংক্রান্ত সব বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আগামীকাল বেলা ১১টায় অধিবেশন হবে, সেখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।’’

    আজ সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় দলের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা ও দলের প্রধান তারেক রহমান; আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া অধিবেশন, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য সূচ্যসূচি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

    একই সময় বিরোধী দলের এমপিদের বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকের পর জামায়াতের তরফে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, ‘‘আগামীকাল যে সংসদ বসবে, সেখানে আমাদের কী ভূমিকা হওয়া উচিত—এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ সংসদ সদস্য নতুন হওয়ায় আমরা সংসদের চরিত্র ও আচরণ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছি।’’

    ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘যখন প্রস্তাব আসবে তখন আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো। কালকে বিষয়টি খোলাসা হবে।’’ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেই তারা তা প্রকাশ করবেন, যোগ করেন তিনি।

    দুই পক্ষের এই অবস্থানবৈষম্য আগামীকাল সংসদের শুরু থেকেই প্রতিফলিত হতে পারে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন—এসব কার্যক্রমেই আজকের রাজনৈতিক বিবেচনা ও সহমতের ধারা পরীক্ষার সামনা-সামনি দেখা যাবে।

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় সংসদ কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে না এবং এখানে দেশের মানুষকে কল্যাণমুখী বিষয়গুলোতেই আলোচনা হবে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের সংসদগুলিতে জাতীয় কল্যাণ ও জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনেক কম হয়েছে, বরং অনেক সময় ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নজির পুনরাবৃত্তি না হওয়া তাঁর প্রত্যাশা।

    তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে অনুরোধ করেন যে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে বৈষম্য থাকবে না, সব দলের সদস্যই সমানভাবে সুবিচার ও সুযোগ পাবেন। জাতির কল্যাণে যা বলা প্রয়োজন, সেগুলো বলার সুযোগ দিতে স্পিকারের কাছে তিনি উল্লেখ করেন।

    নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল সংসদ গঠিত হবে, এটাই আমরা আশা করি।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন এবং বয়সে তিনি যেহেতু একটু বেশি তবু নিজেকে তরুণদের মধ্যেকার একজন মনে করেন—এটাই তার প্রথম সংসদ।

    বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান অতীতের নানা নির্যাতন ও নিপীড়নের কথা স্মরণ করেন—জুলাই অভ্যুত্থানসহ অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কেউ কেউ জীবনও হারিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি পুনরায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান এবং বলেন, ‘‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’’—এই চাওয়া এখনো তাঁর কাছে অটল।

  • সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এবার ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

    বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন এই দাম বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি এবং তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম কয়েকটি অঞ্চলে ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার একটি সার্কুলার জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে খেলাপি ঋণ সম্পর্কিত বিরোধগুলো আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ বা এডিআর পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এই উদ্যোগ বিচারব্যবস্থায় মামলার চাপ কমিয়ে ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    সার্কুলারে নির্ধারণ করা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। বর্তমান সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ অনাদায়ী ঋণ থাকা এবং দীর্ঘ আদালত প্রক্রিয়ার কারণে এই টার্গেটকে দেশের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনাটি ২২ মে ২০২৪ জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংককে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা গঠিত প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে।

    সংশ্লিষ্ট প্যানেলে থাকতে পারে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবী। সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন সংক্রান্ত ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কে প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না হওয়া ও আর্থিক সক্ষমতা ইত্যাদি।

    মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর কাছে নির্দেশনা আছে যে, গ্রাহকদের কাছে এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সক্রিয় তথ্য সরবরাহ করতে হবে, যাতে তারা আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার সুযোগ সম্পর্কে সচেতন হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি দাঁড়িয়ে দিলেই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে একটি কার্যকর কাঠামো গড়ে উঠবে, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

  • জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েল দ্বারা ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারি (ইউএনএইচসিআর) এক বিবৃতিতে বলেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৬ থেকে ১০ লাখ পরিবারের অন্তত ৩২ লাখ মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

    ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তা আয়াকি ইতো বলেন, বাস্তুচ্যুতদের বেশিরভাগই তেহরানসহ বড় শহরগুলো থেকে দেশটির উত্তর ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তার সন্ধানে গেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ চলবে বলে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে এবং এতে মানবিক চাহিদা গুরুতরভাবে বাড়বে।

    এর আগে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে চলমান যুদ্ধের কারণে ইরানজুড়ে অন্তত ১৯ হাজার ৭৩৪টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ও সহায়তা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে কমপক্ষে ৭৭টি চিকিৎসা কেন্দ্র ও হাসপাতাল এবং ৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট additionally জানিয়েছে তাদের ১৬টি সুবিধাও মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দা ও উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ১,৩০০-এর বেশি ব্যক্তি নিহত এবং প্রায় ১০ হাজার বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে, তাদের সামরিক বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোপন গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের সদরদপ্তরসহ দু’টি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক সূত্র এসব হামলার কথা জানায়।

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে হামলার লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় শহর ইভনের পশ্চিমের পালমাহিম বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটি। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে হামলাটি ড্রোন কেন্দ্রীক ছিল এবং তা পরিকল্পনামাফিক পরিচালিত হয়েছিল।

    ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওই হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই অবস্থা হালকা। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরায়েলে ইরানের হামলায় মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৭৪৫ জনে।

    অন্যদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়েও ড্রোন আঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

    ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের স্বাধীনভাবে যাচাই-বাছাই চলছে এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সূত্র: আইআরএনএ, কুনা, আল জাজিরা, এএফপি।

  • মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক ও রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলার আসামি ও অর্থ যোগানদাতাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্যে অংশ নেওয়া নেতারা দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচারের জোরালো呼য় জানান। সভার সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবার রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক ও যুগ্ম-আহবায়ক লাভলু শেখ।

    অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদার ও নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইন। বক্তারা সবাই মিলিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত, হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে আরোপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।