Blog

  • বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, হতাহতদের আশঙ্কা

    বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, হতাহতদের আশঙ্কা

    ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বগুড়ার সান্তাহার মৌজায় লাইনচ্যুত হয়েছে। ট্রেনটি সান্তাহার জংশন ছাড়ার কিছু সময় পরেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    স্থানীয় রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানান, নীলসাগর এক্সপ্রেস বেলা প্রায় দুইটার দিকে সান্তাহার স্টেশনে এক বিরতি নিয়েছিল। স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর সমস্যা দেখা দেয় এবং ট্রেনের সঙ্গে থাকা নয়টি বগি রেললাইন থেকে নামলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে ট্রেনের ছাদে থাকা অনেক যাত্রী ছাদ থেকে পড়ে আহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আহতদের সংখ্যার সঠিক পরিমাণ পাওয়া যায়নি।

    আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, দুর্ঘটনাটি আদমদীঘি ও সান্তাহারের মাঝামাঝি বিভাজনে ঘটে। সেখানে ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে প্রথমোক্ত রিপোর্ট পাওয়া গেছে; বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

    রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার ও ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। উদ্ধারকার্য চলছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    নিখুঁত কারণ অনুসন্ধান ও ঘটনার প্রকৃত পরিসংখ্যান জানাতে কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের যৌথ তদন্ত চলছে। আহতদের স্বাস্থ্য অবস্থার নিরিখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ত্বরিত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নানা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। বিভিন্ন মন্তব্য ও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ও সমালোচনা দুটোই বাড়িয়েছে।

    আজ সকালে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো মন কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই কিছু মূল্যবান পরামর্শ পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, তিনি সেই পরামর্শগুলো বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছেন এবং এখন থেকে আরও শান্ত, দায়িত্বশীলভাবে কাজ চালানোর চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান তিনি।

    তিনি আবারও বলেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    পাটওয়ারী জানিয়েছেন, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল করে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সবাইকে ক্ষমা ও সঠিক পথে পরিচালনা করার দোয়া চান।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তোপ দেগে মন্তব্য করেছেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে একটি মেধাবী শ্রেণি গঠন করে জাসদ তৈরী করেছিল; তারা অতিরঞ্জনের ফলে দেশ ও জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নিজেদের অবস্থানও হারিয়েছে। তিনি মিশ্র অনুভূতিতে বলেন, আমাদের উচিত সবকিছু ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে হজম করার তৌফিক প্রার্থনা করা।

    বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকাও স্মরণ করে মনিরুল হক বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহযোগিতা হয়েছিল। তিনি কটাক্ষ করেন, যখন আপনারা প্রশ্ন তুলেন মনে হয় যেন এই দেশে বিএনপি ১৫-২০ বছর ছিলই না। এমন কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও তিনি এখন মনে করার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে কথা বলার সময় ভয়ের কথা প্রকাশ করেছেন—আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চেনতাম, কিন্তু আজকের বিরোধী দলকে তিনি এখনও পুরোপুরি চিনতে পারছেন না। সাবেক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত তত্ত্ব নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান কঠিন নির্বাচনের কথা বলেছিলেন; তখন অনেকেই বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তারা কষ্টের মাত্রা বুঝেছেন।

    মনিরুল হক উল্লেখ করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জানানোর কথা থাকলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকেও। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, আজকের দিনে কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ওঠায় মর্মাহত হচ্ছেন—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে এক কাতার করে দেখানোর প্রবণতা আছে কি না তা নিয়ে সমালোচনা তোলেন। যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, সেটি আলাদা বিষয় বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

    শেষে তিনি সংসদে জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলেন—স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির মতো সংগঠনের তরুণ নেতারা বয়সে কম হলে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। কারণ, তাদের সাহসী বলে তিনি বিশ্বাস করেন এবং বলেন, তারা এই যুগের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করছে।

  • ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন একটি ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন জারি করেছে। এতে ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত স্পষ্ট নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে। রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন খরচ ও পেমেন্টে নগদের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তি পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিধি বাড়ায় খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নতুন নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালুর প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে এই পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে বাজারে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়।

    নতুন নির্দেশনায় গাইডলাইনের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদ নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলোই গাইডলাইনের মূল অঙ্গ ও লক্ষ্য।

    সংকীর্ণ সীমা প্রশস্ত করে নতুন নির্দেশনায় সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমা ২৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ ঋণের (unsecured credit) সীমাও ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই গাইডলাইনের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড সেবায় স্বচ্ছতা বাড়বে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে এবং গ্রাহকের অধিকার বেশি সুরক্ষিত হবে। গ্রাহক ও ব্যাংক-দুটি পক্ষকেই দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে—সেবা গ্রহণের শর্তাবলী ভালোভাবে জানার পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়মকানুন মানতে হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সূত্রে জানানো হয়, এই অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার একটি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু শেষপর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজই কেনা হয়। এ কারণে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদকের তথ্যে বলা হয়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর নালা (পশুর চ্যানেল) সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দে বড় ধরনের অনিয়মেরও অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন, দরপত্র প্রক্রিয়া ও খরচের হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থায় নিয়োগ ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সম্পর্কিত অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।

    দুদক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তদন্ত চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো জানানো হবে।

  • ভারতে গ্রেপ্তার ১ মার্কিন ও ৬ ইউক্রেনী; সীমান্তে অস্ত্র ও ড্রোন প্রশিক্ষণের অভিযোগ

    ভারতে গ্রেপ্তার ১ মার্কিন ও ৬ ইউক্রেনী; সীমান্তে অস্ত্র ও ড্রোন প্রশিক্ষণের অভিযোগ

    ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন অ্যাজেন্সি (এনআইএ) ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও ড্রোন প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে একজন মার্কিন নাগরিক ও ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগটি ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    গ্রেপ্তার হওয়া মার্কিন নাগরিকের নাম ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রশিক্ষণ দেওয়ার, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। ভ্যানডাইক নিজেকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক, যুদ্ধ সংবাদদাতা ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচয় দেন। ২০১১-এর লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পান এবং সেই ঘটনার জন্য তাকে কারাবরণও করতে হয়েছিল। পরে তিনি ‘সনস অব লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ (এসওএলআই) নামের একটি সংগঠন তৈরি করেন, যা বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরামর্শ দেয় বলে জানা গেছে।

    ভ্যানডাইককে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিকের তিনজনকে লখনৌ থেকে এবং তিনজনকে দিল্লি থেকে আটক করে এনআইএ। পরে তাদের গ্রেপতার পর এনআইএ পরিচয়পত্র দেখিয়ে তাঁকে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির করে। তদন্তের স্বার্থে এনআইএ ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আগামী ২৭ মার্চ তাঁদের আবার আদালতে তোলা হবে।

    এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪ জন ইউক্রেনীয় বিভিন্ন সময়ে পর্যটক ভিসায় ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তারা প্রথমে বিমানযোগে গুয়াহাটিতে এসেছিলেন এবং এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মিজোরামে পৌঁছে অনুপ্রবেশ করে মায়ানমারে ঢুকেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের উদ্দেশ্য ছিল মায়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে (ইএজি) ড্রোন-যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেয়া — যা একটি পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা ছিল।

    পাশাপাশি অভিযোগ আছে যে, ইউরোপ থেকে ড্রোনের একটি বড় চালান ভারতে এনে সেটি মায়ানমারে পাচার করা হয়েছিল, যা ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ব্যবহার করতো। এনআইএ জানিয়েছে, মায়ানমারের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা আছে; এসব গোষ্ঠী ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলিকে অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি স্বরূপ।

    তদন্তকারীরা বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক, ড্রোন-রুট ও পাচারের পথ খতিয়ে দেখছে। গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিভাইসের ফলপ্রসূ বিশ্লেষণ চলছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং যোগসজ্জার প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

    মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা আগে থেকেই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন যে, বিদেশি সাবেক 특ফোর্স সদস্য, ভাড়াটে যোদ্ধা ও অন্যান্য নাগরিকরা মিজোরামের পথ ধরে মায়ানমারে প্রবেশ করে স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। ওই মন্তব্যও তদন্তের প্রেক্ষাপট হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    এনআইএ এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং দ্রুততম সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ করতে পারে। সরকারি এবং গোয়েন্দা সূত্রের দিকেই এখন নজর।

  • বি১-বি২ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া সম্পর্কে বাংলাদেশিদের জরুরি সতর্কবার্তা

    বি১-বি২ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া সম্পর্কে বাংলাদেশিদের জরুরি সতর্কবার্তা

    ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বি১-বি২ (ভিজিটর) ভিসা ব্যবহার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বুধবার (১৮ মার্চ) প্রকাশিত পোস্টে ভিসাটির অনুপযুক্ত ব্যবহার ও কিছু স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের তালিকা জানানো হয়েছে।

    পোস্টে বিশেষ করে কয়েকটি বিষয়কে নিষিদ্ধ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বি১-বি২ ভিসা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দেওয়া বা ‘বার্থ ট্যুরিজম’ করা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। দূতাবাস বলছে, এ ধরনের আচরণ ভিসার নিয়মের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়েছে — বি১-বি২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বেতনভিত্তিক কোনো চাকরি বা কোনো নিয়োগকর্তা/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে না। সহজ কথায়, এই ভিসায় বৈধভাবে চাকরি করা বা বেতন গ্রহণ করা অনুমোদিত নয়; কেবল ব্যবসায়িক আলোচনা, সাক্ষাৎ বা সম্মেলনে অংশগ্রহণের মতো সীমিত কার্যক্রম করা যায়।

    শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়ে দূতাবাস সতর্ক করেছে যে, ভিজিটর ভিসায় ডিগ্রি অর্জন বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেডিটের জন্য নিয়মিত পড়াশোনা করা যাবে না। পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তি হতে হলে আলাদা স্টুডেন্ট ভিসা (এফ‑১) নেওয়া আবশ্যক।

    দূতাবাস আরো জানিয়েছেন যে, মার্কিন অভিবাসন ও ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি আরোপের প্রেক্ষাপটে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মেনে না চললে ভিসা বাতিল, ভবিষ্যতে ভিসা প্রত্যাখ্যান বা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর ফলাফল ভোগ করতে হতে পারে।

    ভ্রমণ করার আগে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা বিস্তারিতভাবে দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া উচিত। নিরাপদ ও আইনগতভাবে সঠিক ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা ও অনুমোদন নিন।

  • কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালত: মাটি উত্তোলনে এককে ৫০ হাজার, সড়ক আইনে ৪ জনকে জরিমানা

    কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালত: মাটি উত্তোলনে এককে ৫০ হাজার, সড়ক আইনে ৪ জনকে জরিমানা

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির দায়ে এক ব্যক্তিকে বাড়তি জরিমানা করা হয়েছে। একই অভিযানে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে চার জনকে দণ্ড প্রদান করা হয়।

    বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের সুন্দরপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালত বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী এক ব্যক্তিকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ ছিল।

    অন্যদিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ঈশ্বরবা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ মোতাবেক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া এবং হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর দণ্ডে চারযকে মোট ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানটি পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওনা নাহিদ। তিনি বলেন, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর; এতে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আশপাশের অবকাঠামোও বিপন্ন হয়। তাই এসব অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

    রেজওনা নাহিদ আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান চলবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক—এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • সাতক্ষীরায় গলায় রশি দিয়ে তরুণ চিকিৎসকের আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরায় গলায় রশি দিয়ে তরুণ চিকিৎসকের আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরার নারিকেলতলা এলাকার কাঠিয়া কর্মকার পাড়ায় একজন তরুণ চিকিৎসক বাড়ির ঘরে গলায় রশি দিয়ে ঝূলে থাকা অবস্থায় নিহত পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৮ মার্চ) ভোররাত আনুমানিক তিনটায়।

    পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, নিহত চিকিৎসকের নাম ডাঃ সঞ্জীব দত্ত (২৭)। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন এবং পরে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে এফসিপিএস করার জন্য লন্ডনেও যাওয়া ছিল। লন্ডন থেকে তিনি সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে বাড়ি ফিরে আসেন।

    কাঠিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সমিতির সভাপতি গৌর দত্ত বলেন, সঞ্জীব দীর্ঘদিন ধরে পড়ালেখার চাপ ও নানা কারণে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। সোমবার বাড়ি ফেরার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তার মানসিক অবসাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি বাড়ির নিজের ঘরে ঘুমাতে যান এবং বুধবার ভোরে ওই ঘরেই গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

    নিহতের বন্ধু অমিত বলেন, সঞ্জীব সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের এসএসসি ব্যাচের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সবার সঙ্গে নম্র ও সদালাপী ছিল; অভিভাবকদের অনুপ্রেরণায় চিকিৎসাবিদ্যায় যোগ দিলেও পরবর্তীতে নানা চাপের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    সঞ্জীবের বাবা তপন কুমার দত্ত বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ছেলে ঘরে ঘুমাতে যায়। বুধবার সকালে তার মা কাঞ্চন দত্ত দরজায় ধাক্কা দিলে প্রতিক্রিয়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলে ছেলেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এব্যাপারে পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোক ও হতবাক অবস্থায় রয়েছেন।

    সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাঃ মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    নিহতের অকালপ্রয়াণে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্কুল-কলেজের সহপাঠীরা গভীর শোকে আচ্ছন্ন। স্থানীয়রা জানান, সঞ্জীবকে নিয়ে এলাকার মানুষের মনে দুরন্ত স্মৃতি রয়েছে এবং এই ক্ষতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে আইসিসির সুখবর পেলেন মিরাজ ও নাহিদ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে আইসিসির সুখবর পেলেন মিরাজ ও নাহিদ

    বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে আইসিসির ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি করেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তার সক্ষমতা বোলিং ও অলরাউন্ডিং—দু’দিকেই স্পষ্ট ছিল, যা তাকে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং তালিকায় সাফল্য এনে দিয়েছে।

    ঘরের মাঠে সিরিজে মিরাজ বল হাতে দলকে গুরুত্বপূর্ন সহায়তা করেছেন। তিন ম্যাচে পাঁচ উইকেট তুলে নেওয়া ছাড়াও কড়া ও কিপটে বোলিং ও ভালো ইকোনমি রেটে তিনি বাংলাদেশের 2-1 ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই অর্জন র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রকাশিত হয়েই মিরাজ ওয়ানডে বোলারদের তালিকায় ৯ ধাপ উঠে যৌথভাবে সপ্তম স্থানে পৌঁছেছেন, আর অলরাউন্ডারদের চূড়ায়ও তিনি দুই ধাপ এগিয়ে এখন দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন।

    মিরাজ ছাড়াও অন্যান্য বাংলাদেশি ক্রিকেটাররাও র‍্যাঙ্কিংয়ে ভালো উন্নতি দেখিয়েছেন। বোলারদের তালিকায় তাসকিন আহমেদ ১২ ধাপ উন্নতি করে ২৮তম স্থানে উঠে এসেছেন, মুস্তাফিজুর রহমান ১৩ ধাপ এগিয়ে ৪৭তম স্থানে পৌঁছেছেন। সবচেয়ে বড় লাফ নিয়েছেন নাহিদ রানা—৬৫ ধাপ উঠে এখন তিনি ৯৮তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    ব্যাটারদের তালিকায় তানজিদ হাসান তামিম ৩১ ধাপ উঠিয়ে ৫৫তম স্থানে ওঠেন; লিটন দাসও ১০ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে ৮২তম স্থানে রয়েছেন।

    পাকিস্তান দলের কিছু খেলোয়াড়ের র‍্যাঙ্কিংতেও উন্নতি দেখা গেছে। সালমান আলি আঘা ব্যাটারদের তালিকায় ৯ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে নবম স্থানে আছেন এবং অলরাউন্ডারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে দশম স্থানে উঠে এসেছেন। অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিও অলরাউন্ডারদের তালিকায় চার ধাপ উঠে এখন যৌথভাবে ২৫তম স্থানে রয়েছেন।

    আরেক দিকে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার কড়া পারফরম্যান্সের ফলে বড় উন্নতি করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালো বোলিং করে তিনি টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় ১১ ধাপ ওঠে ১৩তম স্থানে পৌঁছান। অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও তিনি দুই ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার-সেরা রেটিং নিয়ে যৌথভাবে সপ্তম স্থানে নাম লিখিয়েছেন।

    নিউজিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন বোলারদের তালিকায় ১৮ ধাপ উঠে ৫১তম স্থানে পৌঁছেছেন। ব্যাটারদের তালিকায় ডেভন কনওয়ে চার ধাপ উন্নতি করে ৭০তম স্থানে উঠেছেন; ওই তালিকার শীর্ষে ভারতের অভিষেক শর্মা রয়েছেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকার জর্জ লিন্ডে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩ রান করে অলরাউন্ডারদের তালিকায় ১১ ধাপ উঠে ২৩তম স্থানে পৌঁছেছেন। পাশাপাশি অটনিল বার্টম্যান ২৩ ধাপ উন্নতি করে টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় ৭৩তম স্থানে দাঁড়িয়েছেন।

    সামগ্রিকভাবে সিরিজের ফল ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে অনেক খেলোয়াড়ের র‍্যাঙ্কিংয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে, যা আগামী ম্যাচগুলোর আগেই দলগুলোর আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।