Blog

  • ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জানাজা সম্পন্ন

    ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জানাজা সম্পন্ন

    যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে ফ্লোরিডার টাম্পা এয়ারিয়ার ইসলামিক সোসাইটি অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারে এই জানাজা সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিও এতে অংশগ্রহণ করেন।

    অপরদিকে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মরদেহটি এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রথমে দুবাই নেওয়া হবে, এরপর সেটি সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটে ৯ মে ঢাকায় পৌঁছাবে।

    জেনাজার আগে জানা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। কিছু দিন পরে, হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছে তাদের দেহাবশেষ বিভিন্ন দফায় উদ্ধার করা হয়।

    এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে জামিলের রুমমেট ও মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    অন্ধকার এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহের জন্য তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চান কানাডার আর্জেন্টিনার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় নতুন করে গভীর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, নিহত এই দুই শিক্ষার্থীকে করতে যাচ্ছে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি, যা তারা পেয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পক্ষ থেকে। আগামী ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে তাদের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। এই তথ্য মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসিয়ালি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে একটি চিঠির মাধ্যমে।

    একই চিঠিতে নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারের প্রতিনিধির জন্য উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    জামিল আহমেদ লিমন (২৭), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছেন। তিনি ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন।

    সাথে নিখোঁজ হন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭), যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছিলেন।

  • পদত্যাগ করব না, ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক: অনড় মমতা

    পদত্যাগ করব না, ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক: অনড় মমতা

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না এবং এই সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া নিন্দা ও ক্ষোভের মধ্যেও তিনি বলেছেন, ‘ওরা যদি আমাকে বরখস্ত করে, তাহলে আমি চাই সেই দিনটিকে একটি কালো দিন বলে মনে রাখা হোক।’ এই খবরটি ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    গতকাল দলের বিধায়কদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা জানান, ২৯ এপ্রিল থেকে চলা নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁর দল আদালত যাবে। এই সময় তিনি দলের কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি একটি সতর্কবার্তাও দেন—যদি কেউ প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে কথা বলে, তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা কমিটি কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

    অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ঘটছে না। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যা কিছু ঘটনা ঘটছে, তা ২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তুলনায় অনেক কম। কিছু মানবগোষ্ঠী এখনও সক্রিয় থাকলেও বিজেপি সরকার বলছে, তারা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলকে আন্দোলনের ঝাঁকিতে রাখার জন্য প্রস্তুত করছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, বিধানসভা শুরুর দিনটিকে ‘কালো পোশাক দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা পর থেকেই তাঁর অবস্থানে অটুট থাকছেন এবং হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘নোংরা খেলা’ চালানোর অভিযোগ তুলেছেন এবং মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও বিহারের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী জোটের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন।

    এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা ভাবছেন, কি ভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত বা তার অবস্থা পরিবর্তন করা যায়। সাধারণ ধারনা অনুযায়ী, রাজ্যপাল বা গভর্নর technically মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন, কারণ তারা পদে থাকতেই পারেন শুধু বিধানসভা ভেঙে না গেলে। আস্থা ভোটের মাধ্যমে বরখাস্তের বিধান থাকলেও, নতুন নির্বাচনের ফলাফল আসার পর তা কার্যকারিতা হারায়। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা একচেটিয়া পদক্ষেপ, যা রাজ্যপাল চাইতে পারেন।

    বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে, আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে, এবং এর ফলে পরিস্থিতির সমাধান খুব দ্রুত সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাই মমতার বরখস্ত চেয়ে মন্তব্য করেছেন।

  • বিশ্বকবির শ্বশুরবাড়ি দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সের উন্নয়নে অর্ধযুগের বেশি সময়ের অপেক্ষা

    বিশ্বকবির শ্বশুরবাড়ি দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সের উন্নয়নে অর্ধযুগের বেশি সময়ের অপেক্ষা

    বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শ্বশুরবাড়ি খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহির ‘রবীন্দ্র কমপ্লেক্স’ দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়নি। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এর উন্নয়ন এখনো অর্ধেকের বেশি অপ্রাপ্ত। ফলে, এই ঐতিহাসিক স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য বিরামহীন হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ ভবনগুলো দেখার সময় সেখানে যেতেও তেমন কোনও যোগাযোগ বা সংস্কার করা হয়নি। এর মধ্যেই আগামীকাল (৮ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী রবীন্দ্রনাথের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী ও লোকমেলা আয়োজন, যা দক্ষিণডিহি মহাশহরে উৎসবের রূপ নেবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৫ সালে খুলনা জেলার তখনকার জেলা প্রশাসক কাজী রিয়াজুল হক এই স্থানে রবীন্দ্রনাথের শ্বশুরবাড়ির দখলমুক্তির উদ্যোগ নেন। অবৈধ দখল ও অবহেলা মুক্ত হয়ে স্থানটি সংরক্ষণ ও সংস্কারের জন্য ঠিক করা হয়। এরপর ২০০০ সালের ৮ আগস্ট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এই বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরবর্তীতে, দক্ষিণডিহি এলাকায় পূর্ণাঙ্গ রবীন্দ্র কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৯ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি পাঠায়; এর মধ্যে ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়।

    ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই তহবিলের অর্থ ব্যয়ে ভবন সংস্কার, বাউন্ডারি ওয়াল, বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়। এর আগে, ভবনের সামনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার পত্নী মৃণালিনী দেবীর বিশাল আক্ষরিক মূর্তি স্থাপন, পুরোনো ছবি দেওয়া ও মৃণালিনী মঞ্চের নির্মাণ হয়। তবে কবির কর্মময় জীবনের উপর সংগ্রহশালা, লাইব্রেরি, অডিটোরিয়াম, রবীন্দ্র চর্চা কেন্দ্র ও রেস্ট হাউসের মত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণের দাবি এখনও সম্পন্ন হয়নি। এ ছাড়াও পর্যটন কেন্দ্র, পিকনিক স্পট ও প্রবেশের রাস্তা প্রশস্ত করার কাজের অগ্রগতি খুব কম। একমাত্র সীমানা প্রাচীর, মূল ভবনের সংস্কার, লাইব্রেরি ও দর্শনার্থীদের জন্য নির্মিত ছাউনী ও টয়লেটের কাজ দৃশ্যমান।

    ফুলতলার সাবেক ইউএনও সাদিয়া আফরিনের সময় দৃষ্টিনন্দন পার্কের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এর পাশাপাশি, ২০১৬ সালে এই স্থানটি ‘দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র স্মৃতি যাদুঘর’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এরপর থেকে দেশি-বিদেশি দর্শকদের জন্য টিকেটের মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে দেশের দর্শকদের জন্য ২০ টাকা এবং বিদেশীদের জন্য ৫০ টাকা নির্ধারিত।

    করোনা মহামারীর কারণে গত তিন বছর ভ্রুক্ষেপে অনুষ্ঠান হয়নি। তবে এখন, রবীন্দ্রনাথের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে, ২৫ থেকে ২৭ বৈশাখ পর্যন্ত এই কমপ্লেক্সে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, লোকমেলা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই উদযাপন খুবই উৎসাহের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। বিশেষ করে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কবি রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য এই কমপ্লেক্সকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

    আগামীকাল বিকেল ৩টায় এই তিন দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধান অতিথি হিসেবে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান এমপি। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিদ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদ হুইপ রকিবুল ইসলাম এমপি, খুলনা-৫ ও ৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: আলি আজগার ও এস কে আজিজুল বারী, খুলনা বিভাগের কমিশনার মোঃ আব্দুল্লাহ হারুন, ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক প্রমুখ। জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের সমন্বয় করবেন।

    ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচি রানা সাহা জানান, সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই সহযোগিতা করলে এই অনুষ্ঠান সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। এ অনুষ্ঠানমেলায় সাধারণ মানুষের আগমন বেশি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • চিতলমারীর পরিত্যক্ত হেলিপ্যাড হতে পারে ভবিষ্যতের মিনি স্টেডিয়াম

    চিতলমারীর পরিত্যক্ত হেলিপ্যাড হতে পারে ভবিষ্যতের মিনি স্টেডিয়াম

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরিত্যক্ত হেলিপ্যাড ভবিষ্যতে একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়ামে রূপান্তর হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর এই আবদার ছিল, এবং সম্প্রতি ক্রীড়া সচেতন নেতৃবৃন্দ এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের আশার বাতিসো করে তুলেছেন। জানানো হয়েছে, কাউন্সিল বা পরিকল্পনাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার জন্য একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের চিন্তাভাবনা করছেন, কিন্তু উপযুক্ত স্থান না পাওয়ায় সেই পরিকল্পনা বারবার পিছিয়েছে। এখন সেই মনোভাবের প্রতিফলন ঘটতে পারে হেলিপ্যাডের পরিত্যক্ত জমিতেই, যেখানে খেলাধুলার জন্য সুবিধাজনক স্থান সৃষ্টি করে এলাকার যুবকদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে এক সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। মাঠের পাশাপাশি শিশুদের জন্য ছোটখাট রাইডার ও বিনোদনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করলেও এলাকার মানুষের প্রতিদিনের চাহিদা পূরণ হবে।

    চিতলমারী সদর ইউনিয়নের ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ সরকারের আমলে আড়–য়াবর্নী গ্রামে নির্মিত এই হেলিপ্যাডের নামানুসারে ৩ একর ৩৬ শতক জমি বিআরএস রেকর্ডে রয়েছে। বর্তমানে ওই স্থানটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যেখানে কিছু মৌজা মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন এবং বিভিন্ন সুস্থতা ও অপবিত্রতা দেখা দিয়েছে।

    অন্যদিকে বাজারের ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পাশের বাসিন্দা শেখ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এখন আর হেলিকপ্টার ওঠানামা করে না। অনেক বছর ধরে এটি পরিত্যক্ত পড়ে আছে। কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সেখানে কলাগাছ ও পেঁপেঅগাছ লাগিয়ে জমি দখল করেছেন, আর পাশে ফেলা হয় ময়লা-আবর্জনা। এর ফলে দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষ বসবাস করতে পারছেন না। রাতে মাদকসেবীদের আড্ডাও চলে এখানে। ফলে, এই জমিটিকে সচেতনতা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে এলাকার যুবসমাজ সুস্থ ধারায় ফিরবে।’

    বিশিষ্ট ক্রীড়া শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বিন্দু, ক্রীড়াবিদ সত্যজিৎ মন্ডল এবং যুব নেতারা জানান, এই অঞ্চলে খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত মাঠের খুব অভাব। দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা পূরণের জন্য হেলিপ্যাডের জায়গায় একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম বা খেলার মাঠ গড়ে তোলার প্রয়োজন। এতে করে যুব সমাজ আবারও খেলাধুলায় ফিরবে এবং সুস্থ জীবনধারায় অনুপ্রাণিত হবে।

    অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নেতৃত্বে থাকা চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য জেলা পর্যায় থেকে একটি খেলার মাঠের জন্য জায়গা নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে, জেলা প্রশাসক প্রত্যেক ইউনিয়নের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোর তালিকা পাঠিয়েছেন। আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করছি, এবং হেলিপ্যাডের পরিত্যক্ত জমি ক্ষেত্রবিশেষে বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে একটি বিখ্যাত খেলা মাঠের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি।’

  • চিতলমারীতে জামায়াত নেতা হত্যা: দোকানে ঝগড়া থেকে হত্যা

    চিতলমারীতে জামায়াত নেতা হত্যা: দোকানে ঝগড়া থেকে হত্যা

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে জুস ক্রয়কে কেন্দ্র করে মোঃ মোজাহিদ মোল্লা (৪২) নামে এক মুদি দোকানীকে ক্রেতা কুপিয়ে হত্যা করেছে। বুধবার (৭ মে) ভোর ৭টার দিকে উপজেলার হিজলা ইউনিয়নের হিজলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মোজাহিদ মোল্লা ওই এলাকার সরোয়ার মোল্লার ছেলে এবং বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর হিজলা ইউনিয়ন শাখার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান এবং স্থানীয় জামায়াত ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। অপ্রত্যাশিত এই হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি ঘটনার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের স্বজনরা জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে মোজাহিদ বাড়ির সামনে একটি দোকানে বসে ছিলেন। সেই সময় বায়জিদ শেখ নামের একজন তার হাতে থাকা জুস ক্রয় করেন। জুস হাতে নিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা ভালো না।’ এই কথা শুনে মোজাহিদ জুসটি খেয়ে বলেন, ‘এটা খারাপ না।’ দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে বায়জিদ তাঁর হাতে থাকা হাসুয়া (ঘাস কাটা কাস্তে) দিয়ে মোজাহিদ মোল্লার গলায় কোপ দেয়। এতে গুরুতর আহত হন মোজাহিদ, তাকে দ্রুত চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার সময় মোজাহিদ দোকানে বসে ছিলেন। বায়জিদ তার কাছে থেকে জুসটি নেওয়ার পর বলে, ‘এটা ভালো না।’ কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে, বায়জিদ হাসুয়া দিয়ে মোজাহিদকে কোপ দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বায়জিদ শেখকে গ্রেফতার করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। নিহতের পরিবারে রয়েছে তার স্ত্রী ও তিন সন্তান—হাফিজ, ফারিয়া ও ফারহানা। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গণতান্ত্রিক শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • খুলনা মহিলার মানববন্ধনে মেলার প্রতিবাদ: খেলার মাঠের অবনতি রোধের আহ্বান

    খুলনা মহিলার মানববন্ধনে মেলার প্রতিবাদ: খেলার মাঠের অবনতি রোধের আহ্বান

    খুলনা বিভাগের মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে মেলার বিরুদ্ধে খুলনা ক্রীড়াঙ্গনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এ কর্মসূচি পালিত হয়। অভিমত প্রকাশকারী বক্তারা বলেন, ‘খেলার মাঠে মেলা নয়’—এটাই এখন তাদের মূল প্রতিপাদ্য। তারা বলেন, যুব সমাজকে মোবাইলের বেশি আসক্তি ও মাদক থেকে রক্ষা করতে খেলার মাঠের গুরুত্ব অপরিসীম, যেখানে শিশু, কিশোর ও যুবকরা সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। কিন্তু সম্প্রতি এসব খেলার মাঠে মেলা বসানো শুরু হওয়ায় অবক্ষয় শুরু হয়েছে।
    বক্তারা আরও বলেন, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক একজন খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, জেলা পর্যায়ে খেলার মাঠে মেলা বসানো যাবে না। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে খুলনায় ক্রীড়াঙ্গন এখন ব্যথিত এবং প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে।
    মানববন্ধনের নেতৃত্বে ছিলেন দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য আরাফাত রহমান কোকো। তিনি বলেন, ‘খেলার মাঠকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।’ এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা টাউন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়াসংঘের সচিব মোঃ তরিকুল ইসলাম, অন্য দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ক্লাবের কর্মকর্তারা ও খেলোয়াড়রা। বিভিন্ন স্কুল ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নিয়েছেন। কর্মসূচি শেষে বক্তারা অবিলম্বে মাঠে মেলা বন্ধের দাবি তুলে পরিস্থিতির সচেতনতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান, যেন ভবিষ্যতে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ খেলার পরিবেশ নিশ্চিত হয়।

  • কেসিসি তেল চুরির বিরুদ্ধে তিন দফা কমিটি গঠন

    কেসিসি তেল চুরির বিরুদ্ধে তিন দফা কমিটি গঠন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) কর্তৃপক্ষ তেল চুরির কারণে চক্রের তদন্তে আরও সক্রিয় হয়েছেন। এই লক্ষ্যে তারা তিন দফায় আলাদা কমিটি গঠন করেছে। সর্বশেষ, গত ৪ মে তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করা হয়, যার নেতৃত্বে রয়েছেন কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোঃ আনিসুজ্জামান। এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত আছেন কেসিসির কনজারভেন্সি অফিসার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ও উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিমুল আজাদ।

    প্রথম কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয় ৪ মে, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে। এতে জানানো হয়, ১৯ মার্চ দুপুর সোয়া বারোটার দিকে খালিশপুরের এসটিএস এর ভিতর একটি ব্যাক হুইল লোডার জ্বালানি তেল চুরির অভিযোগ উঠলে, প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে জব্দ করা হয় তেলসহ যানবাহনটি। দ্রুত তদন্তের জন্য তিন সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়, এবং পঞ্চাশির মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

    ঘটনার পর, কমিটিতে একজন সদস্যের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি ওঠায়, ওই সদস্যকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। বাদ পড়েন কেসিসির এস্ট্রেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন। পরিবর্তে, আবার সদস্য হিসেবে যোগ দেয়া হয় নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামানকে।

    দ্বিতীয় দফায় গঠিত কমিটির প্রধান হন মোঃ আনিসুজ্জামান। তবে, কমিটির অন্য একজন সদস্য, কনজারভেন্সি অফিসার মোঃ অহেদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে, তদন্তের সময়সীমা পাঁচ কর্মদিবস শেষ না হওয়ার আগেই আবার কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

    উল্লেখ্য, এর পূর্বে, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এর সময় দুই ড্রাম চোরাই তেলসহ দু’জনকে আটক করে কেসিসি। কিন্তু, সেই তদন্তের রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। অনেকে মনে করেন, যদি সেই তদন্ত রিপোর্ট পুনরায় খতিয়ে দেখা হয়, তবে চোরাই চক্রের মূল মুখোশ উন্মোচন সম্ভব হবে।

    নতুন কমিটির অন্যতম সদস্য কনজারভেন্সী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এই ব্যাপারে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি এ ঘটনায় বাদী। কিন্তু আমাকে কীভাবে কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেটি আমাদের জন্য খুব অবাক বলেই মনে হয়েছে।’

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র, বিজয়ীদের পুরস্কার ঘোষণা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র, বিজয়ীদের পুরস্কার ঘোষণা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্রটি অনুষ্ঠিত হলো বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে। এ অনুষ্ঠানে ছয় লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হলো সিরিজ নম্বর ০০০১০৩৫, যা দুর্লভ একটি নম্বর। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, এর নম্বর ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দুইটি নম্বর শুনানো হয়, যথাক্রমে ০৫৩৮২৮৯ და ০৬৭৫৩৮২, প্রত্যেকের মূল্য এক লাখ টাকা। এছাড়া চতুর্থ পুরস্কার পেয়েছেন দুজন—নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪, প্রত্যেকের মূল্য ৫০ হাজার টাকা।

    এবার ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি নম্বর পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এই ড্র সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্বাচন করা হয়। প্রাইজবন্ডের আওতাভুক্ত সিরিজগুলো হলো—কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গথ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ, ঘচ৷

    প্রাথমিকভাবে, আরও ৪০ জনকে ১০ হাজার টাকার পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের নম্বরগুলো হলো—০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ۰৭৫۹۹۰৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪۵৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩, এবং ০৯৪৭৬৬৫। এই সংখ্যা মিলল প্রাইজবন্ডের ড্রয়ের মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে মোট রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে মোট রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের ২৯ দিনেই দেশের ব্যক্তিপর্যায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছুঁইছে তিন বিলিয়ন ডলার (৩০০ কোটি ডলার)—একটি ঐতিহাসিক milestone। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ মাসের প্রথম ২৯ দিনে মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দৈনিক গড়ে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহের সূচক।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবাহ একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থানের সংকেত, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। রাজধানীর অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এ ধরনের রেমিট্যান্সের যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে।

    আরিফ হোসেন খান আরো জানান, শুধু ২৯ এপ্রিলেই দেশে এসেছে ৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ে (এপ্রিল ২০২৫) ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই সমন্বিত প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন।

    দেখা যাচ্ছে, এপ্রিলের এই পরিস্থিতি গত মার্চের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেছে। মার্চ মাসে ৩১ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার)। এর আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল।

    এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ আরো উজ্জ্বল হবে বলেই সাধারণ মত।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্সে নতুন উচ্চতা, ৩১৩ কোটি ডলার প্রবাহ

    এপ্রিলে রেমিট্যান্সে নতুন উচ্চতা, ৩১৩ কোটি ডলার প্রবাহ

    সদ্য বিদায়ী April মাসে দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অঙ্কের রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা গেছে। এ মাসে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখা সময়ের ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড। প্রতিদিন গড়ে দেশের শেয়ারবাজারে প্রবাসীর মার্চেন্টের হাতে এসে পৌঁছেছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেছেন, এপ্রিল মাসে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড। অন্য মাসগুলোতেও প্রবাহ ছিল উল্লেখযোগ্য: জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩০২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আর আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    বর্ষশেষে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর জুড়ে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একটি নতুন সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে এবং মুদ্রানীতির বহুমুখী শক্তিকে আরও সুসংহত করছে।