Blog

  • ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন সাকিব আল হাসান

    ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন সাকিব আল হাসান

    বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ভক্ত-সমর্থকদের কাছে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিউইয়র্ক ভিত্তিক এক গণমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি সবার সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন।

    সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, “আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা।” পবিত্র রমজান মাসের ত্যাগ ও ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলতেই তিনি যোগ করেন, “আশা করি সবার রমজান মাস ভালোভাবে কেটেছে, সিয়াম সাধনার মাধ্যমে কাটিয়েছে। আল্লাহ আপনারা সকলের দোয়া কবুল করুন। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন—ঈদ মোবারক।”

    ক্রিকেট প্রসঙ্গেও বর্তমানে সাকিব নানা আলোচনায় রয়েছেন। যদিও জাতীয় দলের বাইরে থাকছেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পরে দেশে ফেরার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। কখনো–কখনো এই বিষয়ে নানা কথাবার্তা শোনা গেলেও সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে খেললেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামা হয়নি তাঁর। তবু সামনে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজকে কেন্দ্র করে ফের সম্ভাবনার কথা বেড়ে এসেছে।

    ভক্ত–সমর্থকরা এখন তার ব্যক্তিগত ও পেশাদার সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন, আর সাকিবের ঈদ শুভেচ্ছা সেই অনুভূতিটিকে আরও উষ্ণ করেছে।

  • চাঁদরাতে বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের প্রথম গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ প্রকাশ

    চাঁদরাতে বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের প্রথম গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ প্রকাশ

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী जাহিদ নিরব এবার প্রথমবার তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি গান প্রকাশ করতে যাচ্ছেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুত হওয়া কাওয়ালি ঘরানার এই গানটির শিরোনাম ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ এবং এটি চাঁদরাতে প্রকাশ করা হবে।

    গানটি জাহিদের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত হিসেবে ভিডিওটি প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেলে উন্মুক্ত করা হবে।

    জাহিদ নিরব জানান, ‘বাসায় আমরা সব সময় একসঙ্গে গান করি। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক্রোফোনের সামনে গাই—এভাবেই আমার সংগীত জীবনের শুরু। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাব বাজিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের পরিবেশনা এবার গান আকারে প্রকাশ করছি।’

    গানটি মঞ্জুর এলাহির কথায় সাজানো। মঞ্জুর এলাহি বলেন, ‘অসাধারণ কথা। আমরা প্রতিনিয়ত সৃষ্টিকর্তার যে অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে বেঁচে আছি, তার কতটুকুই বা শুকরিয়া করি—সেই উপলব্ধি থেকেই গানটি করা।’

    জাহিদ আরো জানিয়েছেন, এই গানটি মূলত প্রাইম ব্যাংক হাসানাহ-এর একটি জিঙ্গেল ছিল। ‘গানের ভাবনা ও কথাগুলো আমার খুব ভালো লেগে থাকায় অনুমতি নিয়ে পুরো গানটি বানিয়েছি,’ তিনি বললেন। গান প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিডিওর গুরুত্বও তুলে ধরে তিনি افزودেন, ‘অনেক দিনের সহযাত্রী কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তার টিম আমাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রেখেছে।’

    ব্যক্তিগত জীবনেও এবারের ঈদ জাহিদের জন্য বিশেষ—গত বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং এটি তার বিবাহোত্তর প্রথম ঈদ। তিনি বললেন, ‘এবারের ঈদ আমার জন্য বিশেষ। বিয়ের পর প্রথম ঈদ—সবকিছুই একটু আলাদা লাগছে।’

    তবে বিশ্রামের সুযোগ নেই। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ঈদের বিশেষ প্রজেক্টে তিনি ব্যস্ত। তিনি পরিচালিত করেছেন ‘বনলতা এক্সপ্রেসে’ ছবির পুরো সংগীত, তানিম নূর কাজটি সহজ করে দিয়েছেন বলে কৃতজ্ঞতা জানালেন। রায়হান রাফীর পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় একটি গান রাখা হয়েছে—গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অঙ্কন কুমার; গানটির কথা ও সুরও তারই।

    টেলিভিশনের জন্যও বেশ কয়েকটি গান করেছেন জাহিদ। নাটক ‘তবুও মন’-এ আছে একটি গান—’এভাবেও হতে পারে প্রেম’—যার কথার আয়োজন করেছেন তারিক তুহিন, সুর ও সংগীত জাহিদের, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। নাটক ‘লিলিথ’-এর ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান; কথার দায়িত্বে ছিলেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও জাহিদ সক্রিয় ছিলেন—একাধিক কাজ প্রকাশ পেয়েছে। ‘মিউ’ ওয়েব ফিল্মের ‘কেন এমন হয়’ এবং শিশুদের জন্য শোনার মতো গান ‘মিউ মিউ মিউ’ তিনি তৈরি করেছেন। এছাড়া প্রবাসীদের নিয়ে প্রাইম ব্যাংকের একটি মিউজিক ভিডিও এবং তার আনপ্লাগড ভার্সনও করেছেন; সেগুলো শিগগিরই প্রকাশিত হবে।

    তার নিয়মিত ব্যস্ততার একটি বড় অংশ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫—এ তিনি মিউজিক ডিরেক্টর। ধারাবাহিকটির জন্য ঈদে একটি বিশেষ এপিসোড আসছে। সব মিলিয়ে,今年-এর ঈদ জাহিদের জন্য কাজ ও আনন্দে পরিপূর্ণ; তার কথায়, ‘এই ঈদ যেন সোনায় সোহাগা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

  • জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন—জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকার গ্রিনরোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন ৬১ বছর বয়সী।

    মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন সহশিল্পী সুজাত শিমুল। সুজাত জানান, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার পর শামস সুমন হঠাৎই অসুস্থ বোধ করেন এবং পরে এ কথা জানান অভিনেতা শাহাদৎ হোসেনকে। শাহাদৎ দ্রুত তাকে গ্রিনরোডের ওই হাসপাতালে নিয়ে যান; সেখানে হাসপাতালে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের 初সূত্রে জানা গেছে, তার মৃত্যুর অন্যতম কারণ ছিলো কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।

    শামস সুমন নিজের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক কন্যা রেখে গেছেন। শিল্পী সংগঠনের সহ-সভাপতি হিসেবেও তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতেন। মঞ্চ, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন ও সিনেমায় বহুমাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করা এই অভিনেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য ছিলেন।

    শামস সুমন যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিনয়ে অনিয়মিত ছিলেন, তবে তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং চ্যানেল আই-র অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। এক সময়ের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা হিসেবে তিনি মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট ও বড় পর্দায় স্বকীয় ছাপ রেখেছেন।

    তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬), ‘চোখের দেখা’ (২০১৬), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২) ও ‘স্বপ্নপূরণ’—যার জন্য ২০০৮ সালে তিনি পার্শ্বচরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।

    শোক প্রকাশ ও শেষকৃত্যসূচির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলাস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

  • সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ৯টি বগি, হতাহতের আশঙ্কা

    সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ৯টি বগি, হতাহতের আশঙ্কা

    ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি বগুড়ার সান্তাহার এলাকায় লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সান্তাহার জংশন ছাড়ার পরে এটি লাইনচ্যুত হলে মৃত–আহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ পেয়েছে।

    সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানান, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে চলে এসে বেলা আড়াইটার দিকে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি নেয়। স্টেশন থেকে ছাড়ার কিছু সময় পরই লাইনে সমস্যা দেখা দেয় এবং ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এখনো কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ট্রেনের ছাদে থাকা অনেকে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রেনে তখন প্রচুর যাত্রী ছিলেন।

    আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেছেন, ট্রেনটি আদমদীঘি ও সান্তাহারের মাঝামাঝি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়েছে এবং এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী হতাহত হয়েছেন। তবে হতাহতদের সঠিক সংখ্যা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি; পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

    রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সান্তাহার ও ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। বগি উদ্ধারের কাজ ও লাইনের অবশিষ্ট অংশ দ্রুত পরিষ্কার করে পুনরায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও রেলকর্মীরা উদ্ধার কাজ এবং আহতদের সহায়তায় তৎপর রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এখনও ঘটনার কারণ চিহ্নিত করা হয়নি; সেটি তদন্ত করে জানানো হবে। পরবর্তী বৃত্তান্ত পাওয়া মাত্র পাঠককে আপডেট করা হবে।

  • ঈদযাত্রায় ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আয় সাড়ে ৬ কোটি

    ঈদযাত্রায় ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আয় সাড়ে ৬ কোটি

    ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ছাড়ার ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়কে গত ৪৮ ঘণ্টায় যানবাহনের চাপ ঊর্ধ্বগতি হয়েছে। সেতু দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক যানবাহন পারাপারের ফলে প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত রবিবার (১৫ মার্চ) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৪৮ ঘণ্টায় ৮২,৬০১টি যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এ সময় মোট টোল আদায় দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায়। এর মধ্যে শুধুমাত্র সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা।

    বিগত ২৪ ঘণ্টার উপাত্ত অনুযায়ী উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ২৭,৪৯৮টি, যেগুলো থেকে টোল এসেছে ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫০ টাকা। অন্যদিকে ঢাকাগামী ১৯,৪৪৫টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪ হাজার ৮০০ টাকা। এই সগৌরবোড় বাড়তি গতিতে টোল আদায় বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ ঈদযাত্রার চাপ ও মানুষের বাড়ি ফেরা বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলের পর সরকারি ছুটি শুরু হতেই মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা অনেকগুণ বেড়ে যায়। তবু বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বড় কোনো পরিবহনজট দেখা যায়নি। গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেনের সুবিধা থাকায় যাত্রীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। যদিও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অংশে যানজটের আশঙ্কা ছিল, তখনও পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ছিল।

    গাড়ির অতিরিক্ত চাপ সামলাতে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, টোল প্লাজায় যাত্রীদের জটলা এড়াতেই বুথ সংখ্যা ৯টি থেকে বৃদ্ধি করে ১৮টি করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেল চালকদের সুবিধার জন্য সেতুর দুই পাশে আলাদাভাবে দুটি করে বিশেষ বুথ স্থাপন করা হয়েছে, যাতে তারা দ্রুত পার হতে পারে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই টোল সংগৃহীত হচ্ছে। বর্তমানে টোল আদায়ের দায়িত্বে রয়েছে নেটওয়ার্ক (সিএনসি) চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন। ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ সতর্কতা ও তদারকি অব্যাহত রাখছে।

  • যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন মন্তব্যের সূত্রে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিলেন।

    আজ বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, তার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে সে জন্য তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলাপচারিতা হয়েছে। সেসব আলাপ থেকে আমি মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan পর আরও শান্তি ও দায়িত্ববোধ নিয়ে পথ চলার চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে চান তিনি।

    পাটওয়ারী আরও বলেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা কাজে কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তা হলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথে চলার শক্তি।’’

    এতে তিনি যোগ করেছেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কে কড়া প্রশ্ন রাখেন বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কথা বলার সময় বিভিন্ন বিষয় স্মরণ ও সমালোচনা করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পরও এক যুগে এক মেধাবী শ্রেণি গঠন করেছিল জাসদ। পরে কিছু বাড়াবাড়ি হওয়ায় দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদেরও অবস্থান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি সকলে মিলে ধৈর্য ধরে ঘটনাগুলো মোকাবেলা করার তৌফিক প্রার্থনা করেন।

    দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছেন। খালেদা জিয়া জামায়াতকে রাজনীতিতে আনতে যে ভূমিকা নিয়েছেন, সেটিও তিনি তুলে আনেন এবং অনুরোধ করেন সেদিকটাও মনে রাখা হোক। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ বিএনপিকে যেন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে অদৃশ্য করে দেখেন—মনে হয় গত দশ-পনেরো বছরে বিএনপি উপস্থিতই ছিলেন না।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে ইদানিং কাদেরকে বিরোধী মনে হচ্ছে, তাদের সবাইকে তিনি চেনেন না; আগে যাদের বিরুদ্ধে সাহস করে কথা বলা যেত, এখন সেই পরিচয় পাওয়া কঠিন। তারেক রহমান曾 বলেছেন—কঠিন নির্বাচন হবে—সেদিন অনেকেই তা বুঝেননি, কিন্তু পরে কষ্টসহকারে বোধ হয়েছে যে নির্বাচনের কতটা কঠিন পরীক্ষা পেরোয়েছেন তারা।

    মনিরুল হক বলেন, প্রসঙ্গে স্বীকার করে বলতে হয়, এত জন প্রতিনিধি নিয়ে সংসদে আসার পর যারা কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল জামায়াতে ইসলামী—তবে আজ তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে কিছু মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য ঘটনাকে একই সারিতে রাখা হচ্ছে কি না—এ ধরনের বিষয়ে মীমাংসা দরকার।

    দেশের অতীতের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে যে উত্থাপিত অভিযোগ আছে, তা নিয়ে যদি অন্যায় হয়ে থাকে সেটাও বিচারাধীন বিষয় বলে জানান তিনি। মহান সংসদে এইসব প্রশ্ন রেখে মনিরুল হক জামায়াতকে একটি আবেদন জানান և বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতাদের সবাই হয়তো তরুণ হলেও, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত কারণ তারা সাহসী ও এই যুগের দাবি অনুযায়ী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছে।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন গাইডলাইন জারি করেছে, যাতে কার্ড ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব রাখা হয়েছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

    নতুন গাইডলাইন তৈরির মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত ব্যবহারে ক্রেডিট কার্ডের চাহিদা ও ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। কার্ড সেবার পরিধি সম্প্রসারণ ও খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমাতে এবং নিরাপদ, দায়িত্বশীল আর্থিক লেনদেন নিশ্চিত করতে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।

    গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে; গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন দিকেই বিস্তারিত নির্দেশনা রাখা হয়েছে।

    একটি প্রধান পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। আগের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ লাখ টাকায় ছিল, যা বাড়িয়ে এখন ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (অসুরক্ষিত) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশিকা গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা, এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সংশ্লেষ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্রয়োজনে গ্রাহক সেবা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্ত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে গাইডলাইনে উল্লেখ রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করে এই গাইডলাইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ক্রেডিট কার্ড খাতে আরও স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে, গ্রাহকদের অধিকার মজবুত হবে এবং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নানা প্রকল্পে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    দুদক উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে মোট চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। সূত্র বলছে, এসব কমিটি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও নকশা, বরাদ্দ, ক্রয়প্রক্রিয়া ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখে অনিয়মের কোনো সূত্র সামনে আসে কিনা তা যাচাই করবে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিশেষত তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেনা হয় মাত্র চারটি। এই আলাদা হওয়ার ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার হিসাবগত অসঙ্গতি বা অনির্দিষ্টতা ধরা পড়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।

    মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে—এই প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় অন্য দলগত বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, এখনো সম্পূর্ণ তদন্ত শেষ হয়নি; প্রাথমিক কয়েকটি তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর পরবর্তী বৈঠকে তদন্তের স্বরূপ ও পরিসর নির্ধারণ করা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যদি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাব আসে, তাহলে দুদক তা অনুসরণ করবে।

  • কুয়েতেই ঈদে সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক করা হয়েছে

    কুয়েতেই ঈদে সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক করা হয়েছে

    কুয়েত সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা হিসেবে সব ধরনের জনসমাগমমূলক অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাট্যঅনুষ্ঠান, সংগীতানুষ্ঠান বা কনসার্ট, বিবাহ অনুষ্ঠানসহ সব প্রকার জনসমাগম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের এসব নির্দেশনা কড়াভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে এবং বর্তমানে কুয়েত সরকারের আইন ও সময়োপযোগী নির্দেশনা অনুসরণ করে সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।