Blog

  • মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: পিআর বা গণভোট মানুষের বোঝার বাইরে

    মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: পিআর বা গণভোট মানুষের বোঝার বাইরে

    বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো ‘পিআর’ বা ‘গণভোট’ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ এখনো অবগত নয়। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে ‘মউশিক কেয়ারটেকার কল্যাণ পরিষদ’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাব বললেন। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখনো গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বোঝে না এবং শেষ পর্যন্ত বুঝবে কি-না, সন্দেহ আছে। বিগত সরকারগুলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে দেশে একটি ভয়ংকর ও দানবীয় সরকার শাসন পরিচালনা করেছে। তারা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিজেদের লোক বসানোর জন্য দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে, শহীদ জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি সব সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি সমাজে নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন, এত ধর্মপ্রিয় দেশের মধ্যে কেন এত অন্যায়, কেন এত পাপ, এবং মানুষ কেন চুরি-দুর্নীতি করে সম্পদ বিদেশে পাচার করে দেয়। তিনি বলেন, একটি মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তৈরির জন্য সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও একটি ভালো মানুষ তৈরি করার ক্ষেত্রে সেই আগ্রহ কোথায় চলে যায়। আলোচনা সভাসংলগ্ন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর প্রিন্সিপাল মাওলানা শাহ মো. নেসারুল হকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজের খতিব ও ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

  • নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন: ইসি সানাউল্লাহ

    নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন: ইসি সানাউল্লাহ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এশিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এই নির্বাচনকে এক ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অংশগ্রহণ করবেন, যা নির্বাচনটির স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস এর এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি জানান, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতৎপরতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ করাই এই নির্বাচনকে ঘিরে একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি তুলে ধরেন।

    সানাউল্লাহ আরও বলেন, এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা রেকর্ডের মতোই অত্যন্ত বেশি হবে। তারা সবাই এ নির্বাচনকে একটি ইতিহাসের অংশ হিসেবে নিতে চান এবং দেশীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

    নির্বাচনের তফসিল সংক্রান্ত কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্ধারিত তারিখ ধরে প্রায় ৬০ দিন সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও দিনক্ষণ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি, তবে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই তফসিল ঘোষণা হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় এসে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি খোঁজ নিলেন

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় এসে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি খোঁজ নিলেন

    আজ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকায় পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সংক্ষিপ্ত এক বৈঠক করেন। এই সময় তিনি গতকালের (২১ নভেম্বর) ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির বিষয়ে জানতে চান এবং নিহত পরিবারের জন্য গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এটি নরসিংদীর মাধবদী থেকে উৎপত্তি হয়ে রিখার্টার স্কেলে ছিল ৫.৭ মাত্রার। এই ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও বাবুবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে; পাঁচজনের মৃত্যুর পাশাপাশি বেশ কয়েকশ মানুষ আহত হয়েছেন।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ড্রুকএয়ার এয়ারলাইনের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এ সময় তাঁকে লালগালিচায় শুভেচ্ছা জানানো হয় ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দুই নেতা একসংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণverlies নিয়ে প্রশ্ন করেন ও শোকপ্রকাশ করেন। এরই সঙ্গে তাঁকে ১৯ বন্দুক স্যালুট ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

    বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

    এছাড়াও জানা গেছে, দুপুরে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ভুটানের এই নেতার বৈঠক হবে। বিকেলে শেরিং তোবগে তেজগাঁওয়ের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একটি একান্ত বৈঠক ও সন্ধ্যায় সরকারি এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর), পররাষ্ট্র সচিব মো. আসাদ আলম সিয়াম সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী একান্ত বৈঠকের পর দুই দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পর্যটন, সংস্কৃতি ও সমাজের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে আলোচনা হবে।”

    তিনি আরো জানান, এই বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে, যেমন স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি, কৃষি ও পর্যটন। ভুটান মূলত বাংলাদেশের পেশাদারদের নিয়োগ, পানি ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহযোগিতা চাইবে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়েও আলোচনা সামনে আসতে পারে।

    পররাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, বৈঠকের শেষে ভুটানের সাথে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে — যেমন আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ও কৃষি বিষয়ক। আগামী ২৩ নভেম্বর তিনি বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বাংলাদেশের উপদেষ্টাদের সাথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • দেশের পরিবর্তন সন্দেহ ও অবিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্ভব নয়: রিজওয়ানা

    দেশের পরিবর্তন সন্দেহ ও অবিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্ভব নয়: রিজওয়ানা

    সন্ধেহ এবং অবিশ্বাসের ভিত্তিতে দেশের পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সময় তিনি এই বক্তব্য রাখেন।

    উপদেষ্টা বলেন, উপদেষ্টা পরিষদমাত্র কিছু করতে পারবে না; দেশের পরিবর্তন করতে চাইলে নাগরিকদের নিজেদেরই পরিবর্তন করতে হবে। পুরোনো রাজনীতির আইডিয়াকে ধরে রেখে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়, তাই প্রত্যাশা দৃঢ় করে তিনি বলেন, সন্দেহ ও অবিশ্বাসের ভিত্তিতে দেশের পরিবর্তন আসবে না।

    তিনি আরও বলেন, আসল পরিবর্তন আনতে হলে মানুষ নয়, নিয়ম-নীতি বদলাতে হবে। নিয়ম ঠিক থাকলে ফলাফলে পরিবর্তন আসবে এবং আমরা সেই নিয়মগুলো নির্ধারণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

    নদী দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর দিকনির্দেশনা আসবে বলেও জানান রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, দূষণের এক একট ঘাটে কাজ করলে হবে না; বরং একটি সমন্বিত ও বৈশ্বিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।

    তিনি আরও জানান, বায়ুদূষণ, বনধ্বংস ও নদী দূষণের মতো সমস্যা এক রাতের মধ্যে সমাধান সম্ভব নয়। তবে ধাপে ধাপে কাজ করা গেলে পরিবর্তন আনাও সম্ভব। ইতোমধ্যে নদী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চালু হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়া চলমান। এই সকল উদ্যোগ আরো গতিশীল করার জন্য যথাযথ সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

    প্রাণীকল্যাণের গুরুত্ব তুলে ধরে রিজওয়ানা বলেন, ধর্ম আমাদের শিখায় দয়া করে প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি সহানুভূতিশীল হতে। অথচ অনেক সময় মানুষ বা প্রাণীদের প্রতি বর্বরতা দেখা যায়। এক সভ্য ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে আমাদের সকলেরই প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি সদয় হওয়া জরুরি।

    ভালো প্রজন্ম গঠনে পরিবার, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। এক বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের সকলের নিজ নিজ জায়গায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা জরুরি। তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের অন্যায়-বিরোধ ও চ্যালেঞ্জের মুখেও মানুষের স্বপ্ন এবং সাহস ছাড়া সমাজের অগ্রগতি ব্যর্থ হবে না।

  • প্রধান বিচারপতি: জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি

    প্রধান বিচারপতি: জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশকে তার সংবিধানিক জীবনযাত্রার পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তম্ভকেই মনে করিয়ে দিয়েছে যে আইনের শাসন কোনো আমলাতান্ত্রিক রীতিনীতি বা ঐতিহ্যবাহী অলঙ্কার নয়, বরং একটি নৈতিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আইনের শাসন মানে হচ্ছে সাংবিধানিক ব্যবস্থার একটি প্রেরণা যা ন্যায্যতা, যুক্তি এবং জনগণের সম্মতির ওপর ভিত্তি করে। এটি অধিকারকে নিশ্চিত করে, সীমাবদ্ধ করে এবং শাসিতদের মর্যাদা বাড়ায়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।

  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে আরও ঘনীভূত হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বিস্তৃতি উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

    আগামী কয়েক দিনজুড়ে আবহাওয়ার পরিস্থিতির পূর্বাভাসের মধ্যে রয়েছে: শনিবার রাতের সময় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। ভোরের দিকে কিছু এলাকা হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার প্রভাবেও পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে, আর দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    রোববার (২৩ নভেম্বর): সকালের সময় আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর): একই রকম আকাশ থাকবে, যেখানে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর): আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকবে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে, সঙ্গে দিনের তাপমাত্রাও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর): আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এই দিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ এসেছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে, যা বিচারক আফরোজা তানিয়ার আদালত পরিচালনা করেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গােপন খবর প্রকাশের পর তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিজ অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব গুজব উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    মেহজাবীন তার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি এক ভুয়া ও মিথ্যা মামলার খবর শুনে অবাক হয়েছি। আমার ধারণা, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানো মাত্র। আমি কোনো ব্যবসায়িক বা পেশাগত কাজে এই ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িত নই। যারা এসব ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছেন, তাদের আমি চিনি না। যারা আমাকে জানতে পারেন, তারা জানেন আমি কেবল আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত। আমার কোন এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই যেখানে আইনি জটিলতা আসবে।’

    তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়মনীতি ও সামাজিক দায়িত্বের প্রতি বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে আমার আইনজীবী এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেন এসব গুজব ও মিথ্যা প্রচারনা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়।’

    মেহজাবীন আরো বলেছেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্য করে আসছি। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে কঠোর কর্মনীতি ও নিষ্ঠার সাথে মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছি, যার সাক্ষ্য আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।’

    সবশেষে, তিনি আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করে বলেন, ‘আমি সকল সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য শেয়ার না করুন। আমার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলবো, আপনারা ভালোবাসা ও আস্থাই আমার প্রধান শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। এর পাশাপাশি তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও আদালত জামিন দিয়েছেন।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর আদালত-আফরোজা হক তানিয়া মেহজাবীন এবং তার ভাইয়ের জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, জামিনের শুনানি বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা অনেক দিন ধরে একটি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হওয়ার প্রলোভনে মোট ২৭ লাখ টাকার বেশি টাকা বিভিন্ন সময় নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে ধার্য করেন। পরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী অনেক সময় টাকা চাইলেও তারা সময়ের পরিবর্তে ‘আজকে দিব’, ‘কালকে দিব’ বলে কালক্ষেপণ করেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা চাইতে গিয়ে আসামিরা অজ্ঞাতনামী ৪-৫ জনের সঙ্গে বাদীর মধ্যে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলে, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, নইলে আমরা জানো মারবো।’ এই ঘটনায় বাদী আমিরুল ইসলাম ভাটারা থানায় মামলা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হওয়ার কথা বলে আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন। দুর্ব্যবহার ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বাদী মামলা দায়ের করেন।

  • শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে আয়োজিত অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফের বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে দুটি বুলডোজার সেখানে পৌঁছানো হয়। এ সময় ট্রাকের উপরে হাতের মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের পরিচয় জানাতে চাইলে একজন বলেন, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দলকে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি বিবিসি বাংলার সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে-মাটিতে মিশে আছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই, রাজাকার বাহিনী!’ এই পোস্টে শাওন হ্যাশট্যাগ হিসেবে দিয়েছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২। এর আগে, গত বছর ৫ আগস্ট, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে এক আন্দোলনের সময় এই বাড়িটি ভাঙা হয়। হাজারো মানুষের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সেদিন রাত نصفের দিকে একটি ক্রেন এসে পৌঁছায়, যা মূল সড়ক থেকে ৩২ নম্বরের রাস্তার দিকে ঢুকে পড়ে। এরপর উঠে আসে এক্সক্যাভেটর। রাত সোয়া ১১টার দিকে এই ক্রেন ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিনতলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, কিছুক্ষণ বিরতির পর আবার ভাঙার কাজ চালিয়ে যায়। মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় বাড়ির সামনে পৌঁছালে ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়, এরপর সেনাবাহিনী সরে যায়। গভীর রাতে মাইকের গান বাজিয়ে কিছু মানুষ নাচতেও দেখা যায়। অবশেষে বাড়িটিকে অর্ধেকের বেশি ভেঙে দেওয়া হয়। তবে এই ভাঙা বাড়ির সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    চলচ্চিত্রজগতে ‘কাস্টিং কাউচ’ নতুন কোনও বিষয় নয়; এটি বহু আগেই পর্দার আড়ালে চলমান। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীরা এর শিকার হয়ে থাকেন বেশি। বহু নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের দ্বারা লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের পরিচিত মুখ পায়েল সরকারও এই তালিকার অংশ। সম্প্রতি তিনি কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক ব্যক্তিগত পডকাস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, এক নির্মাতা তার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন। সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করেন, যৌন সুবিধা কি? এর জবাবে পায়েল স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ তিনি জানান, তখন তার ক্যারিয়ারের একটি খারাপ সময় চলছিল। ওই সময়ে একজন পরিচালক তার সাথে বাজে আচরণ করেন। পায়েল আরও বললেন, ‘তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখতেন, আমার ছবি নিয়ে আপত্তিজনক মন্তব্য করতেন, পুরোপুরি একজন সাইকো হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি ফিরে আসি। এরপর আমার প্রেম হয়, এবং কিছু সময় পরে আমি দুটি ছবির শুটিং সম্পন্ন করি, এক বছরের মধ্যে।’ এই পরিস্থিতি কীভাবে তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে, তা বললেও, তিনি দৃঢ়ভাবে অনিবার্যতার কথাটি তুলে ধরেছেন।