Blog

  • ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের সময় দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি হারজগ

    ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের সময় দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি হারজগ

    উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে সোমবার (২৩ মার্চ) সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সময়ে একটি ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগকে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আল জাজিরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে দেখা যায় সংবাদ সম্মেলন শেষ হবার পর কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দেই তিনি সঙ্গী নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দ্রুত সরে যাচ্ছেন এবং নিরাপদ স্থানে আনা হচ্ছেন।

    ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হারজগ ওই সফরের আগে তেহরানের অভিযানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শন করেছিলেন এবং পরে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আগেই বলেছেন যে ইসরায়েল আগের স্থিতাবস্থায় ফিরে যেতে পারবে না এবং লেবাননের ভেতরে কৌশলগত সুবিধা নিশ্চিত করার অগ্রাধিকার বজায় রাখতে হবে।

    এ সময়ের ঘটনা সম্পর্কে সরকারিভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত না হলেও, প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইরানের পাল্টা হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের স্বরূপের কারণে এ অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ ও তার পরবর্তী পাল্টা হামলার পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেলআবিভি উদ্বিগ্ন বলে বিভিন্ন সংবাদ সূত্রে বলা হচ্ছে।

    কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদপত্রে এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার কথাও বলা হয়েছে; তবে তা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি এবং নেতানিয়াহুকে নিয়েও ধারণা মিলছে না এমন কোন চূড়ান্ত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

    সংক্ষেপে, কিরিয়াত শমোনায় সংবাদ সম্মেলনের সময় সামনে থেকে অনুভূত বিস্ফোরণ ও আঘাতের পর থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন—এটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদনেই প্রতিফলিত হয়েছে। ঘটনার পূর্ণ বিবরণ ও কোনো হতাহতের তথ্য থাকলে কর্তৃপক্ষ পরে তা জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • কালীগঞ্জে কৃত্রিম তেল সংকট: খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

    কালীগঞ্জে কৃত্রিম তেল সংকট: খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ না থাকায় গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবুও স্থানীয়দের অভিযোগ, একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে অতি লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে তেল সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটির পরে কর্মস্থলে ফিরতে যাওয়া মোটরসাইকেল আরোহীরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশের অবৈধ দোকান এবং গ্রামের পাইকারি বাজার থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনতে হচ্ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তা ড্রামভর্তি অবস্থায় বাহিরে নিয়ে আসে এবং পরে বোতলে ভরে প্রতি লিটারে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে সমস্যা ছাড়াও পরিবহন খরচ বেড়েছে।

    ঢাকাগামী এক মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পগুলোতে তেল নেই বলে লোকজনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করছে। এটা স্পষ্ট যে এক কুচক্রী চক্রই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা নিচ্ছে।’’

    পাম্প মালিকেরা বলে থাকেন, ডিপো থেকে সরবরাহ কম আসছে—এটাই তাদের পক্ষ থেকে দায় এড়ানোর যুক্তি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের দাবি, দেশের কোথাও বাস্তবিক তেলের তীব্র সঙ্কট নেই; বরং কৃত্রিমভাবেই সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা লভ্যাংশ বাড়াচ্ছেন।

    প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের ফলে পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টা ঘন্টা অপেক্ষার পর অল্প পরিমানে তেল দেওয়া হলেও অনেকে বলছেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই মেশিন বিকল বা তেল শেষ হওয়া–এই অজুহাতে আবার সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে অনেক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ছে এবং পরিবহণ পরীক্ষাহীনভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    অতিরিক্ত দামে তেল কেনায় পরিবহন চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকেও বেশি ভাড়া নিচ্ছেন, যা জনভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় নীরবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।

    কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক যদি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ স্থানীয়রা অপেক্ষা করছেন যে কেবল ঘোষণাই নয়—বাস্তবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।

  • খুলনায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনা মহানগরীর ৪৮ জাহিদুর রহমান ক্রস রোড এলাকায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে করা হলেও ঘটনাটি ঘিরে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

    নিহতকের পরিচয় পাওয়া যায় কুলসুম আক্তার সাথী (২৮) হিসেবে। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার গোয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। খুলনায় তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্র্যান্ড প্রোমোটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ঘটনাস্থলের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কয়েকবার দরজায় ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে এক ব্যক্তি দরজায় জোরে ধাক্কা দেন। আসতে রবিকে (বাড়ির মালিক) খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ভাঙা দরজা দেখেন এবং ভেতরে ঢুকে কুলসুমকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন। একই সময়ে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, দরজার সামনে থেকে একটি অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্রুত সরে যায়—যা ঘটনাটিকে আরও অনিশ্চিত করেছে।

    খুলনা থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পুলিশ বলছে, প্রথম দৃষ্টিতে এটি আত্মহত্যার মতো মনে হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ выяс করার জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    পুলিশ নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • কাজী হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচক ঘোষণা, প্যানেলে নাঈম, নাদিফ ও হাসিবুল

    কাজী হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচক ঘোষণা, প্যানেলে নাঈম, নাদিফ ও হাসিবুল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নতুন নির্বাচক প্যানেল ঘোষণা করেছে। সোমবার প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই দায়িত্বে সাবেক অধিনায়ক কাজী হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে।

    ৫৩ বছর বয়সী হাবিবুল বাশার আগে থেকেও পুরুষ ও নারী দলের নির্বাচক হিসেবে অভিজ্ঞতা রাখেন। খেলায় তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটিং স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং দেশে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘকাল ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। এই দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে তাকে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে।

    নতুন প্যানেলে বাশারের সঙ্গে আছেন সাবেক পেসার হাসিবুল হোসেন। হাসিবুল সম্প্রতি পর্যন্ত গাজী আশরাফ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আগের নির্বাচক প্যানেলের সদস্য ছিলেন, এবং দলীয় নির্বাচনে তার শৈলী ও পেসারদের মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও দুজন নির্বাচক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী। ৩৯ বছর বয়সী নাঈম ইসলামের ক্যারিয়ার প্রায় দুই দশক ধরে চলেছে; সব ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি বহু রান করেছেন এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৪টি সেঞ্চুরি রয়েছে, যা দেশের ব্যাটারদের মধ্যে গৌরবজনক সংখ্যা।

    ৩৮ বছর বয়সী নাদিফ চৌধুরীরও দীর্ঘ কেরিয়ার রয়েছে। তিনি বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং অবসরের পর থেকে বয়সভিত্তিক দলগুলোর নির্বাচক হিসেবে কাজ করছেন, যা তাকে তরুণ খেলোয়াড় শনাক্ত ও গড়ে তোলায় সহায়ক করবে।

    বিসিবি জানিয়েছে, এই নতুন নির্বাচক প্যানেলের মেয়াদ চলবে ২০২৭ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দল নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত। বোর্ডের উদ্দেশ্য হলো নতুন দলে ভারসাম্য রাখা ও ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপের জন্য শক্ত শিরা নির্মাণ করা।

  • পিএসএল: সংঘাতের ছায়ায় ভেন্যু বদল, মুস্তাফিজদের ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে

    পিএসএল: সংঘাতের ছায়ায় ভেন্যু বদল, মুস্তাফিজদের ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে

    মুস্তাফিজুর রহমানসহ ছয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার আগামী পিএসএলে খেলতে নামছেন — কিন্তু টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও প্রতিবেশী অঞ্চলের উত্তেজনা ও গ্লোবাল সঙ্কটের পরে পাকিস্তানের ভেন্যু-বাঁধছেঁড়া করে পিএসএলের পরিধি কমিয়ে আনা হলো।

    আগে যেখানে পাকিস্তানের ছয়টি শহরে খেলা হওয়ার কথা ছিল, এখন টুর্নামেন্ট সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে কেবল লাহোর ও করাচিতে। পাশাপাশি নিরাপত্তা-বায়বহাব ও জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণে সব ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে বৃহৎ জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।

    পিসিবি প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি বলেন, প্রতিদিন মোট কয়েক হাজার বাসিন্দা স্টেডিয়ামে যাতায়াত করলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে, তাই চলমান সংকট না টিকে পর্যন্ত দর্শক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটি কঠিন হলেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    টাইমলাইন ঠিক রাখা হয়েছে: ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত চলবে পিএসএল। প্রথম পর্বে ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪টি ম্যাচ হবে লাহোরে, এরপর করাচিতে ১৫টি ম্যাচ নিয়ে টুর্নামেন্ট চলবে। ২১ এপ্রিল থেকে আবার লাহোরে ফিরবে ম্যাচসমূহ। কোয়ালিফায়ার রাউন্ড মূলত রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরিয়ে ২৮ এপ্রিল করাচি ও লাহোরে আয়োজন করা হবে। ফাইনাল হবে ৩ মে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে।

    টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ ২৬ মার্চে লাহোর কালান্দার্স ও হায়দরাবাদ কিংসমেনের মধ্যে খেলানো হবে, যেখানে মুস্তাফিজ বিরলভাবে লাহোর দলকে শক্তি যোগ করবেন বলে দেখা যাচ্ছে।

    বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিম পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলবেন এবং তাদের প্রথম ম্যাচ ২৮ মার্চ রাওয়ালপিন্ডির বিরুদ্ধে। পিসিবি ও টুর্নামেন্ট আয়োজকদের সিদ্ধান্ত এখনই সূচি অপরিবর্তিত রেখে ভেন্যু ও দর্শক নীতিতে পরিবর্তন আনার ওপর কেন্দ্র করে।

    আয়োজকদের লক্ষ্য টুর্নামেন্টটি নিরাপদ ও ঝক্কিমুক্তভাবে শেষ করা—তাই এই সংশোধিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দর্শক ছাড়া খেলা হলেও মাঠে উপস্থিত না থেকে টিভি ও অনলাইনে সমর্থকরা খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

  • ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    রণবীর সিং দীর্ঘ আড়াই বছরের বিরতির পর সেদিনই প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন—আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি ‘ধুরন্ধর টু’ দিয়ে। প্রথম অংশ মুক্তির পর থেকেই সিক্যুয়েলের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে, এবং ১৯ মার্চ মুক্তির পর সিনেমাটি বক্স অফিসে নতুন লহর সৃষ্টি করেছে।

    বক্স অফিসে বিভিন্ন সূত্র থেকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা প্রকাশিত হলেও ধারণাটাই স্পষ্ট: মুক্তির প্রথম চার দিনে ছবিটি বিপুল আয় করেছে। Sacnilk-এর রিপোর্ট অনুযায়ী চার দিনে ভারতের আয় (গ্রস) ৫৪১.৯৭ কোটি রুপি, আর বিশ্বব্যাপী আয় ৬৯১.৩২ কোটি রুপি। এই হিসাব বাংলাদেশি মুদ্রায় হলে প্রায় ৯০৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার সমান। অন্যদিকে কিছু অন্যান্য প্রতিবেদনে (Bolly Movie Review/News18) চার দিনের বিশ্বব্যাপী আয় ৬৯৫ কোটি রুপি হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯০৯ কোটিরও বেশি। মোটমিলিয়ে বলা যায় চার দিনে আয়ের অনুমানটি প্রায় ৯০৪–৯০৯ কোটি টাকার দিকেই দাঁড়িয়েছে।

    সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র

    ‘ধুরন্ধর টু’ নিয়ে সমালোচকদের মতামত মিশ্র। দ্য টেলিগ্রাফের সমালোচক মনে করেছেন, ছবিতে অতিরিক্ত রক্তরঞ্জিত দৃশ্য ও প্রকাশ্য সহিংসতার উপস্থিতি বেশি; সেই সূক্ষ্মতা বা ব্যালান্স কিছু অংশে ছেঁড়া পড়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের ঋষভ সুরি ছবিটিকে ৫-এ ৪ রেটিং দিয়ে বলেছেন, এটি রোলার-কোস্টারের মতো একটি থ্রিলার; প্রথম পার্টের সঙ্গে পুরোপুরি মিল না থাকলেও রণবীর সিংয়ের শক্তিশালী অভিনয় এবং দ্বিতীয়ার্ধের টান ছবিটিকে উঠে যেতে সাহায্য করেছে। এনডিটিভির রাধিকা শর্মা ৫-এ ৩ রেটিং দিয়ে মন্তব্য করেছেন যে ‘ধুরন্ধর টু’ মূলত রণবীর সিং-এর প্রদর্শনী—কিছু দৃশ্যে কাজটি প্রচণ্ড ও সরাসরি। নিউজ১৮-এর চিরাগ সেহগাল সাড়ে ৩ রেটিং দিয়ে ছবির গল্প বলা ও বর্ণনার গভীরতাকে প্রশংসা করেছেন; তিনি লিখেছেন, বারবার টুইস্ট ও মোড় গল্পকে রোমাঞ্চকর রাখে।

    রেকর্ড ও তুলনা

    প্রথম দিনের আয়ে ‘ধুরন্ধর টু’ একাধিক রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে—প্রথম দিনে (পেইড প্রিভিউসহ) এটি ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে উঠে এসেছে; সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকেও ‘ধুরন্ধর টু’ উচ্চ অবস্থানে—’পুষ্পা টু’ একদিনে ২৬০ কোটি রুপির শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছিল; তাতে ‘ধুরন্ধর টু’ তার পাশে রয়েছে। একদিনে সবচেয়ে বেশি আয়কারী হিন্দি ভার্সনের ছবির তালিকায়ও রণবীরের এই ছবি ‘জওয়ান’ ও ‘পুষ্পা টু’কে ছাপিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে বলে প্রাথমিক খবর। তুলনায় ‘ট্রিপল আর’ ও ‘বাহুবলি টু’–র একদিনের আয়ের রেকর্ডও আলোচনায় এসেছে।

    ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী ও প্রত্যাশা

    রিলিজের আগেই অনেক বক্স অফিস বিশ্লেষক বলছিলেন ‘ধুরন্ধর টু’ ভারতের বাজারে ১ হাজার কোটি রুপি পর্যন্ত আয় করতে পারে—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১৩২১ কোটি টাকার সমান। বিশ্লেষক তরণ আদর্শও আশা প্রকাশ করেছেন যে সিনেমাটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে; দর্শকদের চাহিদা মিটিয়ে বড় ব্যবসা হওয়াই সম্ভব। সিনেমার মালিক বিশেক চৌহান স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি ছবি ১ হাজার কোটি রুপি আয় না করে তিনি সন্তুষ্ট হবেন না; অন্য প্রযোজকরা মনে করেন আগে এমন ঘটনায় দেখা গেছে কোনো ছবি তার আগের পার্ট বা রেকর্ডকে টপ করে।

    অভিনয় ও বাজেট

    ছবিতে রণবীর সিংয়ের বিপরীতে রয়েছেন সারা অর্জুন—যিনি বড় পর্দায় তার অংশগ্রহণ শুরু করেছিলেন এবং দ্বিতীয় অংশেও তিনি রণবীরের সঙ্গে আছেন। এ ছাড়াও উপস্থিত আছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খন্না, আর. মাধবন প্রমুখা শিল্পীরা। প্রায় ২৮০ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন আদিত্য ধর, লোকেশ ধর ও জ্যোতি দেশপান্ডে।

    মোটমিলিয়ে বলা যায়, ‘ধুরন্ধর টু’ মুক্তির শুরুতেই ব্যবসা এবং দর্শক-প্রতিক্রিয়া দুই দিকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। চার দিনের শক্তিশালী আয় প্রমাণ করেছে ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে; আগামী দিনগুলোতে টিকে থাকার ফলে ও সমালোচনার ধরণ দেখে চূড়ান্ত ব্যবসা এবং সমালোচকদের চূড়ান্ত রায় আরও স্পষ্ট হবে।

  • এক ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল ৮০ শতাংশ

    এক ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল ৮০ শতাংশ

    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক জরুরি সিদ্ধান্তে এক ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) জরুরি জুম সভায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন। সভায় পদ্মা অয়েল, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম bisherigen ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বেড়ে এক লাফে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা, যা আনুমানিক ৮০ শতাংশ বাড়ি। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে; বৃদ্ধির হার প্রায় ৭৯ শতাংশ।

    সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, এই নতুন দাম মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে এবং রাতেই বিইআরসি প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারে।

    এর আগেও মাসের শুরুতে বিইআরসি একবার মূল্যসমন্বয় ঘোষণা করেছিল, তখন অভ্যন্তরীণ রুটে দাম লিটারে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল (লিটারে বাড়তি ৮১ টাকা ৭৭ পয়সা)। কিন্তু গত ১৮ মার্চ বিমানের জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি স্থগিত করেছিল কমিশন। কদিনের মধ্যেই এবার আরও বড় অনুপাতে মূল্য পুনর্গঠন করা হলো।

    বিগত সিদ্ধান্ত ও আজকের সমন্বয় মিলিয়ে যাত্রী পরিবহন ও বিমান খাতের খরচে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিমান সংস্থা ও শিল্প সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

  • আইজিপি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ সমাজের জন্য পুলিশের আরও পেশাদার ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

    আইজিপি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ সমাজের জন্য পুলিশের আরও পেশাদার ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

    ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের আরও পেশাদার ও ফলপ্রসূভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালেই পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পবিত্র ঈদুল ফিতর-পরবর্তীকালের প্রথম কর্মদিবসে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই আবেদন জানান।

    আইজিপি বিশেষভাবে হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা পুলিশের তৎপরতা ও নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “প্রতিটি ইউনিটের আন্তরিক ও পেশাদারিত্বপূর্ণ দায়িত্বপরায়ণতার ফলে জনরূপে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি যাচ্ছেন এবং উৎসব উদযাপন করতে পেরেছেন।” এই সফল ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নির্দেশ দেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে আইজিপি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত সকল স্তরের কর্মকর্তা, সদস্য ও সিভিল স্টাফের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের উদ্দীপনা ও যোগদানের জন্য অভিনন্দন জানান।

    পুলিশের অতিরিক্ত আইজিরা, ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং হেডকোয়ার্টার্সের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদে মনিরুল হকের মন্তব্য

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদে মনিরুল হকের মন্তব্য

    বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনেই জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সরাসরি মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরও এক সময় মেধাবী একটি শ্রেণি এসেছিল, তারা জাসদ গঠন করেছিল; পরে বাড়াবাড়ি করে দেশের ক্ষতি হয়েছে—দেশ ও জাতিও হারিয়েছে। তিনি আশা করেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছু হজম করার তৌফিক দেয়।’’

    রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জামায়াতকে রাজনীতিতে আনতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘৯১-এর সংসদে আপনারা সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। যখন কেউ প্রবেশ করেছিল, তখন মনে হচ্ছিল—এই দেশে গত ১৫ বা ২০ বছর ধরে বিএনপি ছিল না। কিন্তু দেশনেত্রী নানা বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। আপনারা আজকে রাজনীতিকে যেখানে এসেছেন, তার পেছনে তৎকালীন দেশনেত্রীরও একটি অংশিক অবদান আছে—সেটা একটু স্মরণ করা উচিত।’’

    তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষা নিয়ে ভয় লাগে; আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চেনতাম, কিন্তু আজ যারা বিরোধী দল তাদেরও আমি পুরোপুরি চিনি না। নেতৃবৃন্দ নেতারকথা তুলে ধরে বলেন, তারেক রহমান বলেছিলেন ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেটা তখন অনেকে বুঝেননি, কিন্তু পরে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গিয়ে তা অনুভব করা গেছে।

    মনিরুল হক দাবি করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সেই রাজনৈতিক শক্তিকে—যা এখানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবে তিনি বিরোধিতার প্রয়োজনীয় প্রশ্নও তুলেছেন—আজ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে; মুক্তিযুদ্ধকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনার কথা বলেন তিনি।

    সংক্ষিপ্তভাবে তিনি বলেন, জামায়াতকে নিয়ে মহান সংসদে একটি কথা বলতে চাই—স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতৃত্ব বয়সে যুবক হলেও তাদের সাহসী বলে শ্রদ্ধা করেন; কারণ তা এই যুগের দাবি।

  • কোনো কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কোনো কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুবার ভাইরাল হয়েছে এবং তাঁর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

    বুধবার সকালে এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, কোনো কথায় বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি কারো কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছিল। সবার কাছ থেকে মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন বলেন যে তিনি বিনয়ের সঙ্গে এই পরামর্শগুলো গ্রহন করছেন এবং ভবিষ্যতে আরও শান্তিশীল ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি আবারও বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার চলার শক্তি।’’

    এনসিপির এই নেতা আরও জানান, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন—এমন প্রার্থনা করেছি।’’