Blog

  • হরমুজ প্রণালী থেকে আদায় করা টোলের প্রথম অর্থ ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা

    হরমুজ প্রণালী থেকে আদায় করা টোলের প্রথম অর্থ ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা

    ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত টোল থেকে সংগৃহীত প্রথম অর্থ ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। এই তথ্য তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে জানান।

    ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবেই বলেন, ‘‘হরমুজ থেকে পাওয়া টোলের প্রথম অর্থ ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকেছে।’’ তিনি toutefois কীভাবে এই রাজস্ব সংগ্রহ করা হয়েছিল বা কে তা পরিশোধ করেছে—তাদের পরিচয় কিংবা সংগ্রহের পদ্ধতি—এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।

    এর আগেই তেহরান জানিয়েছিল তারা কেবল ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলোর জাহাজকে হরমুজে চলাচলের অনুমতি দেবে এবং প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ ডলার পর্যন্ত টোল নেওয়া হবে। তবে সেই ঘোষণার সময় কীভাবে টোল নির্ধারণ করা হবে কিংবা বাস্তবে আদায় হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা ছিল না।

    অন্যদিকে, সংসদের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য আলিরেজা সালিমি তাসনিমকে বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে শুনেছেন যে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলো থেকে টোল আদায় করেছে। তিনি জানান, ‘‘প্রতি জাহাজ থেকে সংগৃহীত রাজস্বের পরিমাণ ভিন্ন হয়—এটি নির্ভর করে পণ্যের ধরন ও পরিমাণ এবং বহন করা ঝুঁকির মাত্রার ওপর। এই রাজস্ব কীভাবে ও কী পরিমাণে আদায় করা হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করে।’’

    এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও উত্তপ্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১২ এপ্রিল নিজের ট্রুথ স্যোশাল পেজে জানান যে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা প্রতিটি জাহাজকে খুঁজে বের করে আটক করতে, যেগুলো ইরানকে টোল দিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন যে ‘‘যে অবৈধ টোল দেবে, গভীর সমুদ্রে তার যাত্রা নিরাপদ থাকবে না।’’

    ইরানের টোল আদায় ও তার বাস্তব প্রভাব কিভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কেমন হবে—এসব নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে। সরকারি ঘোষণাপত্রে পাওয়া সীমিত তথ্য অনুযায়ী প্রথম অর্থটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ঢুকেছে, কিন্তু পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও টোলাদায়ের বিস্তারিত এখনো পরিস্কার নয়।

    সূত্র: তাসনিম নিউজ, বিবিসি

  • ট্রাম্পের পোস্টে দাবি: ভারত ও চীনের মানুষ শুধু সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে

    ট্রাম্পের পোস্টে দাবি: ভারত ও চীনের মানুষ শুধু সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিতর্কিত পডকাস্ট শেয়ার করে বলছেন, ভারত ও চীন থেকে আসা অনেকে কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যায়। ট্রাম্প যে পডকাস্টটি শেয়ার করেছেন সেটি মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের ‘‘স্যাভেজ নেশন’’ প্রোগ্রাম। সেখানে স্যাভেজ দুই দেশকে ‘জাহান্নাম’ হিসেবে উল্লেখ করে অভিবাসনবিরোধী তীব্র মন্তব্য করেছেন।

    স্যাভেজের মূল অভিযোগ ছিল, এই দুই এশীয় দেশের মানুষরা গর্ভাবস্থার নবম মাসে যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করে, তারপর তাদের পরিবারের সবাইকে এখানে নিয়ে আসে। তিনি এমনকি ভারতীয় ও চীনা অভিবাসীদের ‘ল্যাপটপধারী গ্যাংস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার সম্মান ভঙ্গ করেছে এবং দেশের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি করেছে—এমন অভিযোগও করেছেন।

    পডকাস্টে স্যাভেজ আরও বলেন, তিনি একসময় ভারতীয়দের সমর্থক ছিলেন, কিন্তু পরে অনলাইন ও হাই-টেক খাতে তাদের প্রভাব দেখে বদলে গেছেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের ধারণাটিকে সমালোচনা করে বলেন, এই বিষয়টি কেবল আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়—এটি নিয়ে জাতীয় গণভোট হওয়া উচিত।

    স্যাভেজের বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকে ‘‘বিমানযাত্রার যুগের আগে’’ লেখা বলে মন্তব্য করে বলেন, এখন মানুষ গর্ভাবস্থার নবম মাসে প্লেনে করে এখানে আসে—এই নতুন বাস্তবতাকে ন্যায্যভাবে বিচার করতে সংবিধান আপডেট হওয়া প্রয়োজন, এমনই তত্ত্ব তিনি উত্থাপন করেছেন।

    ট্রাম্প এই পডকাস্টটি শেয়ার করেছেন এমন সময় যখন এক দিন আগেই তিনি সিএনবিসি-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন যে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব অন্য কোনো দেশে নেই। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো সেই দাবি তথ্যগতভাবে ভুল বলে উল্লেখ করেছে। বাস্তবে বিশ্বের তিন ডজনেরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব প্রদানের বিধান আছে; এর মধ্যে রয়েছে কানাডা, মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ দেশ।

    ট্রাম্পের পোস্টটি প্রকাশের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; বিশেষ করে ভারত ও চীনের মধ্যে ক্ষমতাসীন ও সাধারণ স্তরে ক্ষোভ ও সমালোচনা ছড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনী অঙ্ক গুণে ট্রাম্প আবারও কঠোর অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিচ্ছেন এবং নির্বাচনী কৌশল হিসেবে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করছেন।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • শার্শায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, ১২ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তায়

    শার্শায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, ১২ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তায়

    যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষার অভিযোগে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী ফেলনির্ভর অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার সময়। বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র (কেন্দ্র নং-৫৩১)-এর ২০৬ নম্বর কক্ষে ওই দিন ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে এক পরীক্ষার্থী বুঝতে পারেন যে তিনি ২০২৫ সালের পুরনো সিলেবাস অনুযায়ী ছাপানো প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা দিয়েছেন, যদিও তিনি নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থীর সতর্কতার পর আরও ১১ জন শিক্ষার্থীর একই ভুল হয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

    এই তথ্য জানা গেলে কেন্দ্র ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৎক্ষণাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র ত্যাগ করতে বললে অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং কয়েকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করছেন—একই কক্ষের একই সময়ে একই পরীক্ষার দুটি ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে পৌঁছালো? দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র আগে যাচাই করেননি কেন? এই ভুলের দায় কে নেবে? এসব প্রশ্ন নিয়েই তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ।

    অভিভাবকরাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এমন গাফিলতির কারণে তাদের সন্তানদের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা অভিযোগের গঠনমূলক তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

    এই বিষয়ে হল সুপার ও সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, ‘‘একই কক্ষে ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে এলো, তা আমরা নিজেও বুঝতে পারছি না। বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডকে জানানো হবে।’’ শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেন, ‘‘ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’’

    শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    বর্তমানে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে এবংffected শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য ক্ষতি কীভাবে নিরসন করা হবে সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সমাধান যেন নিশ্চিত করা হয়, এই দাবিতেই সমতল করছে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

  • খুলনায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    খুলনায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) খুলনার শহিদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এবারের সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’।

    প্রধান অতিথি বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু সবাইকে প্রতিদিন শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্যাকেটজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে এবং খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রান্নায় পুষ্টিগুণ বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। এমন খাবার মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়—এ কারণে পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণে সকলকে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    অনুষ্ঠানটি খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে কেসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। আয়োজনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন এবং পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্বকে সামনে রেখে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

    আয়োজকরা জানিয়েছেন, পুষ্টি সপ্তাহে বিভিন্ন সচেতনতা কার্যক্রম, পরামর্শ সেবা ও খাদ্য সম্পর্কিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণকে পুষ্টির বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হবে। সকলেই মেলে পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্যের অভ্যাস গড়ে তুললে সুস্থ ও স্বনির্ভর সম্প্রদায় গঠনে সহায়ক হবে—এই প্রত্যাশা করা হয়।

  • স্লো-ওভার রেট: আইসিসি দিল বাংলাদেশকে ১০% ম্যাচ ফি জরিমানা

    স্লো-ওভার রেট: আইসিসি দিল বাংলাদেশকে ১০% ম্যাচ ফি জরিমানা

    মিরপুরে গত পরশু দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। দবা ম্যাচে জয় দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দুদল আগামীকাল চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে।

    তবে এই ম্যাচের আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) স্লো ওভার রেটের কারণে বাংলাদেশ দলকে শাস্তি দিয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলে প্রতি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি’র ১০ শতাংশ করে জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। আইসিসি আজ ম্যাচ রেফারির রিপোর্টকে ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্তের কথা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে।

    মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দুই ওভার কম বোলিং করায় মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও গাজী সোহেল, তৃতীয় আম্পায়ার নিতিন মেনন এবং চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল এই বিষয়ে নোট করা ছিলেন। আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট শাস্তি প্রদান করেছেন।

    আইসিসির খেলোয়াড় ও স্টাফদের আচরণবিধির অনুচ্ছেদ 2.22 অনুযায়ী প্রতি কমওভারের জন্য ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি’র ৫ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুই ওভার কম বোলিং করায় মোট ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। মিরাজ এই অভিযোগ স্বীকার করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন, তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

    সেই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিং করেছিল নিউজিল্যান্ড। সফরকারীদের ইনিংস চলাকালে ৪৭ ওভারের সময় আম্পায়াররা স্লো ওভার রেটের সতর্কতা দেখান। মাঠে তার প্রভাবও পড়েছিল—শাস্তি হিসেবে শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশকে বৃত্তের ভেতরে একজন ফিল্ডার বেশি রেখে ফিল্ডিং করতে বলা হয়েছিল। কিউইরা ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।

    প্রতিপক্ষের লক্ষ্যের জবাবে বাংলাদেশ উল্লসিতভাবে খেলতে নেমে ৮৭ বলে ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয়। নাহিদ রানা পাঁচ উইকেট নেন এবং ম্যাচসেরা হন। দল এখন তৃতীয় ওয়ানডেটাই সিরিজ নির্ধারণ করবে—সেখানে কিভাবে পারফর্ম করে বাংলাদেশের নির্ভরতা থাকবে।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হার, সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হার, সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ নারী দল

    রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হার নিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ সিরিজে প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারা বজায় রাখতে পারেনি নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল। সিরিজ নির্ণায়ক তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার।

    বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ১৬৫ রানে অলআউট হয়। টপ অর্ডার ভাঙার পর দলকে একপ্রান্তে ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি—তাঁর ১০১ বলের ৫৮ রানের ইনিংসে ছিল চারটি চার। অন্যদের হাতে বড় কোনো অবদান না থাকায় স্কোর বোর্ড বড় রপ্তানি করতে পারেনি বাংলাদেশ। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস মাত্র ২ এবং শারমিন আক্তার শূন্য রানে ফেরেন। শারমিন সুলতানা ২৫, নাহিদা আক্তার ২০, রিতুমনি ১৭ ও রবেয়া খান ১৫ রান করেন। মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুন ১ করে রান নিয়ে ফিরে যান।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে ভালো বোলিং করেন অধিনায়ক চামিরা আতাপাতু; তিনটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া তিনজন বোলার সমানভাবে দুই করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তারই সেরা বোলার—তিনি চারটি উইকেট নেন, আর সুলতানা খাতুন ও রিতুমনি একটি করে উইকেট নেন।

    শ্যুটিং চেসে চ্যায়ারের রেকর্ড অনুযায়ী ১৬৬ রানের জবাবে ব্যাটিং করা শ্রীলঙ্কা আগ্রাসী শুরু নিয়েছিল। ওপেনার হাসিনি পেরেরা মাত্র ৫ রানে ফিরলেও ইমেশা দুলানি ৮ রানে আউট হন। দলের ভার যোগান চামিরা আতাপাতু ছিলেন; তিনি ৩৯ বলের মধ্যে ৪০ রান করেন এবং তার ইনিংসে আটটি চার ছিল।

    ম্যাচটিতে निर्णায়ক ভূমিকা রাখে চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নের ৭৭ রানের জুটি। উভয়ের জয়ের চেষ্টা দলকে পাকা জায়গায় নিয়ে আসে। শেষপর্যন্ত করুনারত্নে ৪০ এবং সামারাবিক্রমা ৫০ রানে আউট হন। পরে কৌশানি মাত্র ৪ রান করে ফেরেন, আর শেষদিকে কাভিশা ও নীলাক্ষী মিলে ম্যাচটি বাঁচিয়ে মাঠ ছাড়েন।

    এই জয়ের ফলে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়; নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচে দুই দল শনিবার মুখোমুখি হবে। রাজশাহী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দর্শকরা তৃতীয় ম্যাচে যারা দেখবেন, তাদের জন্য উত্তেজনা ও ভিন্নমুখী খেলাই বড় আকর্ষণ হবে।

  • গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডির তলব

    গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডির তলব

    ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে তলব করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত দিয়ে খাদ্যশস্য পাচারের একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

    সূত্র বলছে, কোভিডকালীন সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল; ওই ট্রাকগুলোতে সরকারি রেশন ব্যবস্থার থাকা গম ও চাল বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে। সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান, তাই তদন্তকারীরা তার ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য জানতে চান।

    এডির তলব সরাসরি কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়; এটি তদন্তের অংশ হিসেবে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশনা। এ বিষয়ে নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    এই অভিযোগ ও তদন্ত নুসরাত জাহানের নাম আবারও সামনে নিয়ে এসেছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

  • বাড়িতে মাথা ঘোরা করে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর অকাল মৃত্যু

    বাড়িতে মাথা ঘোরা করে পড়ে অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর অকাল মৃত্যু

    অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর অকাল মৃত্যুতে বিনোদনজগৎ স্তব্ধ। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ মাথা ঘোরা শুরু করলে একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং মাথায় আঘাত পান। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর।

    দিব্যাঙ্কা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের পরিচিত মুখ; বুলন্দশহরে জন্ম, পরিবারসহ থাকতেন গাজিয়াবাদে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত প্রায় ৮টায় অস্বস্থি শুরু হওয়ার পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের তরফে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে যে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

    বুধবার সকালে গাজিয়াবাদে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। প্রযোজক জিতু এবং শিল্পী বিকাশসহ হারিয়ানভি চলচ্চিত্র ও স্থানীয় বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষাজীবনে দিব্যাঙ্কা চৌধরী চরণ সিংহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং সিকিমের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। আঞ্চলিক বিনোদন শিল্পে তিনি ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান গঠন করছিলেন; বিশেষ করে গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। সামাজিক মাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।

    এক সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল এবং এক বিশেষ অভিব্যক্তির ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অকাল প্রয়াণে পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তরা শোকাহত।

    সূত্র: বলিউড লাইফ

  • আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি ও তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস

    আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি ও তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস

    আবহাওয়া অধিদফতরের রিপোর্ট: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে এবং তা আরও কিছুদিন স্থায়ী থাকতে পারে। একই সময়ে অনেক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি, কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে — এমনই সতর্কতা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিনের) পূর্বাভাসে এই তথ্য দেয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে। এ অবস্থার প্রভাবে আভাস অনুযায়ী কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি-বজ্রসহ ভারী বাতাস বয়ে যেতে পারে।

    পূর্বাভাসের সারমর্ম:

    – বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত: ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বজ্রবৃষ্টি ও বিদ্যুৎচমক সহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আভাস রয়েছে। দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা থাকতে পারে; সাধারণত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    – সাধারণত খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল, ফরিদপুরসহ রাজশাহী বিভাগের কয়েকটি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে এবং তা অব্যাহত থাকার সম্ভবনা আছে।

    – শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত: ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অধিকাংশ অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকায় চলতি তাপপ্রবাহ বজায় থাকবে।

    – শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত: রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশের মধ্য দিয়ে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এই দিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    – রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত: রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা থেকে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। এ সময়ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার কথা বলা হয়েছে।

    পাঁচ দিনের সম্প্রসারিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মোটমিলিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। জনসাধারণকে হঠাৎ বজ্রসহ ঝড় বা শিলাবৃষ্টির সম্ভাব্যতা নিয়ে সতর্ক থাকার এবং দরকারে বাইরে গেলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাপপ্রবাহের সময় জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

  • ভাইরাল ভিডিওতে হাইকোর্টের বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরালেন প্রধান বিচারপতি

    ভাইরাল ভিডিওতে হাইকোর্টের বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরালেন প্রধান বিচারপতি

    হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি — এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সামাজিক এক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর।

    প্রধান বিচারপতির দফতর বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জানিয়েছে, ওই ভাইরাল ক্লিপটি সম্পর্কিত ঘটনাটি ৩ এপ্রিল কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে ঘটে। সেখানে বিচারপতি আব্দুল মান্নান আচক্ষুণিকভাবে চিৎকার করেন এবং এক পর্যায়ে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। ঘটনাস্থলে তিনি এপেক্স ক্লাবের এক নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা গেছে।

    ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য বিচারপতিকে ঘিরে নিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

    ঘটনার পর প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান বিচারপতির দফতর তাকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের পুনর্গঠিত বেঞ্চ ও কজলিস্টেও তার নাম রাখা হয়নি।

    মো. আব্দুল মান্নানকে ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এর আগে তিনি পিরোজপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

    প্রধান বিচারপতির দফতর ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ বা তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেনি। ঘটনার পূর্নাঙ্গ ব্যাখ্যা ও ভবিষ্যতে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা জানাতে আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অপেক্ষা করতে হবে।