Blog

  • শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়ে সিরিজ এখন সমান বাংলাদেশের

    শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়ে সিরিজ এখন সমান বাংলাদেশের

    তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার কাছে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফেরল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ আগে থাকা নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারাকে ধরে রাখতে পারেনি। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে আগামী শনিবার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হবে।

    বাংলাদেশ এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি টপঅর্ডারের — মাত্র ৪ রানে অনুষ্ঠিত অবস্থায় দুই ব্যাটার আউট হয়ে যান। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ২ রান করে ও শারমিন আক্তার সফোর্টলি শূন্য রানে ফিরে যান।

    দলে একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক জ্যোতি; তিনি এক পৃষ্ঠের ইনিংস খেলেন এবং ১০১ বল খেলে ৫৮ রান করে আউট হন। তার ইনিংসটি চারটি চারে সাজানো ছিল। দলের অন্য ব্যাটারদের উপস্থিতি ছিল সীমিত: শারমিন সুলতানা ২৫, সোভনা মোস্তারি ৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতুমনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০, রাবেয়া খান ১৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১। বাংলাদেশের ইনিংস থামল ১৬৫ রানে।

    শ্রীলঙ্কার জবাবে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু হয় থ্রিলার লড়াই। ওপেনার হাসিনি পেরেরা মাত্র ৫ রান করে ফেরেন, আর ইমেশা দুলানি আউট হন ৮ রানে। দলের হয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন অধিনায়ক চামারি আতাপাতু; ৩৯ বলে তার ইনিংস ৪০ রান, যার মধ্যে ছিল আটটি চার।

    চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুণারত্নের ৭৭ রানের জুটিই শেষে ধরেছিল সফরকারীদের জয় পথ। সামারাবিক্রমা ৫০ ও করুণারত্ন ৪০ রান করে আউট হন। এরপর কৌশানি মাত্র ৪ রানে ফেরেন। শেষদিকে কাভিশা ও নীলাক্ষী মিলে দায়িত্বশীলভাবে ইনিংস শেষ করে দেয় এবং শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেটে লক্ষ্যটি পূরণ করে জয় নিশ্চিত করে।

    বাংলাদেশের হয়ে বোকিং-লড়াইয়ে নাহিদা আক্তার সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন। এছাড়া সুলতানা খাতুন ও রিতুমনি এক করে উইকেট পান। শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন অধিনায়ক চামারি আতাপাতু; আরও তিনজন বোলার করে দুটি করে উইকেট নেন।

    ম্যাচ শেষে দুই দলই şimdi তৃতীয় ম্যাচে সব রকমের প্রস্তুতি নিচ্ছে—যেখানে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের জন্য এটি পুনরুদ্ধারের সুযোগ, আর শ্রীলঙ্কার জন্য সিরিজ জয়ের স্বপ্ন পুরো করার মঞ্চ।

  • খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক কর্মসূচি ২০২৫-২৬-এর আওতায় খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে খুলনা জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের জন্য অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান। তিনি ফেস্টুন ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার শুরুর ঘোষণা করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিভাগীয় ফুটবল কোচ শেখ আশরাফ হোসেন, অ্যাথলেটিক্স কোচ মোঃ আমির আলী, মোঃ আবুবক্কার ও শেখ ইদ্রিস আলী। সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান।

    প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দৌড়, লং জাম্প ও অন্যান্য ট্র্যাক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য স্কুল পর্যায়ের ক্রীড়া চর্চা উৎসাহিত করা, মেধাবী খেলোয়াড়দের চিনে নেওয়া এবং ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও প্রসারিত করা।

    অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে мед্যাল, শংসাপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং ক্রীড়া কর্মকর্তারা সব শিশু-কিশোরকে নিয়মিত অনুশীলন ও স্বাস্থ্য সচেতনতার পরামর্শ দেন। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় পড়ে মারা গেলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় পড়ে মারা গেলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী

    অকালেই থেমে গেল অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর জীবন ও কর্মের পথচলা। মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান; বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।

    সূত্র বলছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়িতে আচমকাই মাথা ঘোরা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি ঘরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মাথায় আঘাত পান। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দিব্যাঙ্কা বুলন্দশহরে জন্ম; পরিবারসহ গাজিয়াবাদেই থাকতেন।

    বুধবার সকালে গাজিয়াবাদে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। প্রযোজক জিতু ও শিল্পী বিকাশসহ হরিয়ানভি চলচ্চিত্র অঙ্গনের বহু পরিচিত মুখ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষাগতভাবে দীব্যাঙ্কা চৌধরী চরণ সিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং সিকিমের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। আঞ্চলিক বিনোদন জগতে ধীরে ধীরে নিজের স্থান তৈরি করছিলেন; বিশেষ করে গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে ক্ষণিকের মধ্যে নজর কাড়েন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমানেও তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।

    একটা সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। অভিনয়ভঙ্গি ও আবেগপ্রকাশের জন্য ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোই তাকে বেশি পরিচিতি এনে দেয়।

    সূত্র: বলিউড লাইফ

  • গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা-সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডি তলব

    গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা-সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডি তলব

    ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) গম পাচারের অভিযোগে অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে তলব করেছে। ভারতের একাধিক মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত দিয়ে খাদ্যশস্য পাচারের মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

    সূত্র বলছে, করোনাকালীন সময়ে সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল। এসব ট্রাকে সরকারি রেশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত গম এবং চাল থাকার অভিযোগ উঠেছে এবং সন্দেহ করা হচ্ছে সেগুলো অবৈধভাবে বাংলাদেশে পাচার করা হয়েছিল। 당시 বসিরহাট থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন নুসরাত জাহান—তাই তদন্তকারীরা তার ভূমিকা ও সম্পর্কিত কিছু বিষয় খতিয়ে দেখতে চান।

    ইডি তাকে কলকাতার সিজিও (Central Government Offices) কমপ্লেক্সে নির্ধারিত দিনে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই তলব গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়; এটি কেবল তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা নির্দেশ।

    এ ব্যাপারে এখনও নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মামলার বিবরণ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে ইডি থেকে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে।

    গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির এই প্রশ্নটি এবার নতুনভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও আলোচনা সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি সরাসরি তৎকালীন স্থানীয় প্রশাসন ও জননেতাদের দায়িত্ব-পরিসরের দিকে নজর আকর্ষণ করছে। তদন্তে যাদের নাম জড়ানো থাকবে, তাদের সম্পর্কে ইডি প্রয়োজনীয় করা পদক্ষেপ নেবে—তাই সংবাদ অনুসরণ করে পরবর্তী আপডেট জানা যাবে।

  • সেনাপ্রধান: যুদ্ধের জন্য নয়, যুদ্ধ এড়াতেই আমরা প্রস্তুতি নেই

    সেনাপ্রধান: যুদ্ধের জন্য নয়, যুদ্ধ এড়াতেই আমরা প্রস্তুতি নেই

    সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আমরা যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিই না; আমাদের প্রস্তুতির লক্ষ্য হলো দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে সংঘাত এড়িয়ে যাওয়া। কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য — এই ভাবনাই তার বক্তৃতার মূল ভিত্তি ছিল।

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুরের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’–এর সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিন সপ্তাহব্যাপী কোর্সটি ৫ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছে এবং এতে মোট ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন; তাদের মধ্যে সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীরাও ছিলেন।

    সেনাপ্রধান জোর দিয়েছেন যে দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে তিনি বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নেরও গুরুত্ব তুলে ধরেন — দক্ষ নৌ ও বিমান শক্তি না থাকলে আন্তর্জাতিক মেরুদণ্ড ধরে রাখা কঠিন হবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ পাঁচ দশক পার হলেও দ্বিতীয় রিফাইনারি না হওয়ার ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। দেশে মাত্র একটিই রিফাইনারি থাকায় চাহিদা মিটতে অল্প পরিমাণ তেল পরিশোধন করা সম্ভব হয় এবং বাকি জ্বালানি বহুমূল্যে আমদানি করতে হয়।

    আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাবও স্মরণ করিয়ে দেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল সম্পর্কিত উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর মতো কৌশলগত অঞ্চলের সঙ্কট সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনেও প্রভাব পড়ছে।

    রোহিঙ্গা সংকটকে তিনি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এর স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনীতি, সমাজ ও নিরাপত্তা খাত—সকলকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

    সমাপনী বক্তব্যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এনডিসিতে এ ধরনের কোর্সের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

    ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমানও কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তঃক্ষেত্রীয় সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় মেলবন্ধন গড়ে তোলার গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে একক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, এনডিসির অনুষদ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফজলুর রহমানকে নিয়ে মন্তব্য: কুষ্টিয়া-৩ এমপি মুফতি আমির হামজাকে ফের আইনি নোটিশ

    ফজলুর রহমানকে নিয়ে মন্তব্য: কুষ্টিয়া-৩ এমপি মুফতি আমির হামজাকে ফের আইনি নোটিশ

    কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে আবারও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জেলা ছাত্রশক্তি নেতা মো. আই-ইয়াশ ইমনের পক্ষে জজ কোর্টের আইনজীবী নুরুল ইসলাম এই নোটিশ দেন।

    নোটিশে বলা হয়েছে, দশ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমির হামজা কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনসম্মুখে নানা সময় অশোভন উক্তি ও অপপ্রচার করে চলেছেন। অভিযোগে বলা হয় তিনি ফজলুর রহমানকে ‘ফজু পাগলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন, পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলেছেন এবং এমনকি কুকুর মারার ইনজেকশনের মতো মন্তব্যও করেছেন। নোটিশে দাবি করা হয়েছে এসব বক্তব্য একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে এবং ফলে ফজলুর রহমান সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    নোটিশ পাঠানোর পেছনে আই-ইয়াশ ইমন বলেন, ‘ফজলুর রহমান আমার পছন্দের ব্যক্তি এবং একটি সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য চলতে দেওয়া যায় না—এজন্য আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি।’

    আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন রিসিভ করা হয়নি।

    উল্লেখ্য, চলতি মাসেই এমপি আমির হামজাকে দুই দফা আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। গত ১ এপ্রিল এক ব্যক্তি মো. হৃদয় হাসানের মাধ্যমে আইনজীবী আব্দুল মজিদকে দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়, যেখানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে ৫০ কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করার দাবি ছিল। এরপর ১৩ এপ্রিল সদর উপজেলার রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির হয়ে জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুল মজিদের মাধ্যমে আমির হামজাকে আরেকটি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, যা জেলা প্রশাসককে নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত।

    এই মুহূর্তে ঘটনাটি নিয়ে উভয়পক্ষের মন্তব্য যোগাড় না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্থির রয়েছে।

  • সরকার ভুল পথে গেলে নারী এমপিরাও সরব হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    সরকার ভুল পথে গেলে নারী এমপিরাও সরব হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকার যদি ভুল পথে চলে বা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নেয়, বিরোধীদলের অন্যান্য সদস্যদের মতো সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরাও সমানভাবে সোচ্চার হবেন। তিনি তথ্যগুলো মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানান।

    আযাদ বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি নারী আসনের জন্য যে ১৩টি কম্বাইন তালিকা জমা দিয়েছি, সেগুলোর বিরুদ্ধে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকবে না। এই ১৩টি আসন প্রতিটি তালিকার ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা; আমরা আশা করি ফলাফলও তেমনি হবে।’’

    তিনি বলেন, কমিশনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংসদও চলমান অবস্থায় রয়েছে, তাই যদি মনোনীতরা সময়মতো সংসদে যোগদান করতে পারেন তাহলে জাতি ও বিশেষত নারী সমাজের প্রত্যাশামতো নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে—এটাই তারা চান। কমিশন যেন বিপরীত কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি না করে, এটাই তাদের প্রত্যাশা এবং তারা এ বিষয়ে আশ্বাসও পেয়েছেন বলেও আযাদ জানান।

    আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মনোনীত ১৩ জন সদস্য নির্বাচিত হয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব করবেন। দেশের ও জাতির স্বার্থে আইন প্রণয়নসহ সকল কাজে নারীরা সম্পূর্ণ মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর সংসদ সদস্য হিসেবে ভূমিকা রাখবেন; সংবিধান তাদের সেই সুযোগ দিয়েছে।

    হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, এই ১৩ জন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি বিরোধীদলের সঙ্গে কাতারে থেকে দেশ গড়ায় ও জাতি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। পার্লামেন্টে জামায়াতসহ বিরোধীদলীয়দের নীতি ও ভূমিকা সবসময় ন্যায়সম্মত ও জনকল্যাণমুখী হবে—এমনটাই তাদের সিদ্ধান্ত; এ বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতের আমির) ইতোমধ্যে ভাষ্য দিয়েছেন।

    আযাদ বলেন, ‘‘যদি সরকার অন্যায় বা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নেয়, আমাদের অন্যান্য বিরোধীদলীয় সদস্যদের মতো নারী সদস্যরাও একসঙ্গে কণ্ঠ তুলে প্রতিবাদ করবেন। ৭৭ জনের সঙ্গে ১৩ জন যুক্ত হয়ে মোট ৯০ জন বিরোধীদলীয় সদস্য একসঙ্গে সংসদে ভূমিকা পালন করবে—এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’’

    গণভোট সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা আছে; তা না হওয়ায় তারা ১১ দলীয় জোট হয়ে সরকারের জনরায় উপেক্ষার প্রতিবাদ করে পার্লামেন্টের বাইরে ও ভেতরে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও রাজপথে পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।

    মনোনয়ন সম্পর্কিত বিতর্ক নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, জামায়াতে পরিবারে একাধিক সংসদ সদস্য রাখার নীতি না থাকার কারণে দলের আমিরের সহধর্মিণীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়নি; পরিবর্তে শহীদ পরিবারের একজন মা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিন সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছর পূর্ণ না হলে প্রার্থী হতে পারবেন না—এমন আলোচনার প্রেক্ষিতে আযাদ আশা প্রকাশ করেন যে এ সংক্রান্ত কোনো কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না।

    সংবিধিবদ্ধ তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল গ্রহণ ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

  • বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু ৪ নারীকে মনোনয়ন

    বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু ৪ নারীকে মনোনয়ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার নারীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মনোনীত নারীদের নাম ঘোষণা করেন। মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিনজ, সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর এবং মাধবী মারমা।

    বিএনপি মনোনয়নে বৈচিত্র্য ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে 눈에 পড়া নাম আন্না মিনজ। আন্না ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) হিসেবে কর্মরত এবং তিনি আদিবাসী ওরাও সম্প্রদায়ের একজন সফল উন্নয়নকর্মী। নাটোরের বাসিন্দা আন্না জানিয়েছেন, তিনি সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘু, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করবেন। তার স্বামী জন গোমেজ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক বলে দলীয় পরিচয় প্রচলিত রয়েছে।

    গোপালগঞ্জ থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর একজন শিক্ষক এবং মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত। সংরক্ষিত আসনে তার মনোনয়ন ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু আলোচনায় তথ্যে ভিন্নতা দেখা গেছে—কিছু তথ্য বলছে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ কমিটির সদস্য। কিন্তু তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘আমি বিএনপি’র একজন সমর্থক, কোনো স্থানীয় কমিটিতে নেই।’’ তাঁর স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর একজন সময়ের যুবদলের নেতা ছিলেন।

    বান্দরবানের মাধবী মারমা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও দলের মহিলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। দলীয় নেতারা বলেন, সংরক্ষিত আসনের এই তিনটি মনোনয়নের মাধ্যমে তারা সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।

    দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছে, এসব মনোনয়নে সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়েছে যাতে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে আসা নারীরা জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। বিএনপির এই উদ্যোগকে সমর্থকরা স্বাগত জানানোর পাশাপাশি কিছু তথ্য যাচাই-নিরীক্ষারও আবেদন করেছেন। দল এবং মনোনীত প্রার্থীরা এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দিচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

  • জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পোশাক খাতের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বেড়েছে

    জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পোশাক খাতের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বেড়েছে

    বৈদেশিক ক্রেতাদের জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত হচ্ছে—এমন চিত্র জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী।

    তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এ পরিস্থিতি তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলোকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এসব কথা তিনি বলেন বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায়।

    বিসিআই সভাপতি আরও বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ক্রেতাদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে অনুমান করা অনেক ক্রয়াদেশ ইতোমধ্যেই ধীরগতির হয়ে এসেছে। অনেক বড় ক্রেতা নেতিবাচক সংকেত দিচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে এখন পিছু হটছেন। এর ফলে অর্ডার শূন্যতাও বাড়তে পারে এবং রপ্তানি আয় সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্য দিকে, বর্তমান কর কাঠামোও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানান আনোয়ার-উল আলম। লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষত ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা অনেকের জন্য প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাওয়াকে কঠিন করে তুলছে।

    এই প্রেক্ষাপটে তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য করসংক্রান্ত প্রণালী পুনর্বিন্যাস এবং রপ্তানি আয় থেকে উৎস কর কমানোর দাবি জানান। তবে এনবিআরের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান প্রস্তাবিত উৎস কর কমানোর অনুরোধটি নাকচ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

    আয়কর আইন-২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতি বলেন, কর যাচাইয়ের নামে কোনও প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এ ধরণের ব্যবস্থা ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নামানো ও নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিলের দাবি করেন। শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে এবং কর কাঠামো সহজীকরণ না হলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

  • অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী martes বিকেলে সংসদে জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য জানান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে।

    স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করে জানতে চান, বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ কত এবং ঋণ পরিশোধে এখন পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানতে চান, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোনো ঋণ পরিশোধ করেছেন কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হিসাব অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি আরও জানান যে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ সরকারি দফতর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পরিচালনা করে।

    অর্থমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, প্রতিটি অর্থবছরে ঋণের মূল ও সুদসহ পরিশোধযোগ্য সামগ্রিক ব্যয় নিরূপণের জন্য একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে অর্থ সংরক্ষণ করা হয়। বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি ও নিয়ম মেনে বছরের বাকি সময়ে ঋণ পরিশোধ করা হয়।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।