Blog

  • ফকিরহাটে অপহৃত ১৮ মাসের রাফছা উদ্ধার, নয়ন গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে অপহৃত ১৮ মাসের রাফছা উদ্ধার, নয়ন গ্রেপ্তার

    ফকিরহাট থেকে অপহৃত ১৮ মাস বয়সী শিশুকন্যা রাফছাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও র‌্যাব-৬-এর একটি যৌথ দল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নয়ন শেখ (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উদ্ধার করা হয়।

    অপহৃত রাফছা ফকিরহাট উপজেলার ছোট বাহিরদিয়া গ্রামের আ: রশিদ খানের মেয়ে। অভিযুক্ত নয়ন শেখ খুলনার টুটপাড়া এলাকার আসলাম শেখের ছেলে বলে পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো: আলমগীর হোসেন জানান, বুধবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে নয়নের কাছের একজন—স্থানীয়ভাবে পরিচিত ভারাটিয়া নয়নের স্ত্রী—শিশুটিকে কোলে নিয়ে চলে যাওয়ার কথা বলে রাফছাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় প্রসারিত হওয়া ও ফিরে না আসায় শিশুটির পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। পরে তারা খোঁজ করে জানতে পারে নয়ন শিশুটিকে বাইরে নিয়ে গেছে। রশিদ খান যখন মোবাইল ফোনে নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন নয়ন অসাংলগ্ন কথাবার্তা বলতেও থাকা এবং শিশুটিকে ফিরিয়ে পেতে টাকা দাবি করে; টাকা না পেলে ক্ষতের হুমকিও দেয়।

    র‌্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো: নাজমুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাতেই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় এবং নয়নকে আটক করা হয়েছে।

    অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য ফকিরহাট মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুকন্যা বর্তমানে সুস্থ আছে এবং পরিবারের কাছে ফিরে গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং অন্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিশ্বকাপের ৪৮টি দল চূড়ান্ত, গ্রুপিং ও ফিকশ্চারও সম্পন্ন

    বিশ্বকাপের ৪৮টি দল চূড়ান্ত, গ্রুপিং ও ফিকশ্চারও সম্পন্ন

    আড়াই মাসেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হওয়া ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে। শেষ প্লে-অফ ম্যাচগুলো গতকাল ও আজ (বুধবার) মিলিয়ে খেলা হয়ে যাওয়ায় ২০২৬ সালের আপনারী মেগা টুর্নামেন্টের সব ৪৮টি দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে এবং গ্রুপিং-ফিকশ্চারও নিশ্চিত হয়েছে।

    দুইদিনের প্লে-অফে ছয়টি দলের যোগের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের মূলপর্বের সব আসন পূর্ণ হলো। আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার স্বপ্ন পূরণ করল ইরাক — এভাবেই তারা চূড়ান্ত ৪৮তম দল হিসেবে যোগ করে ফেলল।

    প্লে-অফ থেকে আরোহীদের মধ্যে রয়েছেন বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, চেক প্রজাতন্ত্র, তুরস্ক, সুইডেন এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো)। সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দেখা গেল চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালির বিশ্বকাপ বর্জন — প্লে-অফে বসনিয়ার কাছে পেনাল্টি শুটআউটে তারা হারিয়ে টানা তিনটিতে বিশ্বকাপের মূলপর্বের বাইরে রইল।

    ইতালি-বসনিয়া ম্যাচে নিয়মিত সময় শেষে স্কোর ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। শুটআউটের প্রথম শটে বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ গোল করলে ইতালির পিও এস্পোসিতো প্রথম শটটা পায় না। পরে দুই দলের দ্বিতীয় শটে উভয়েই গোল পেলেও শুটআউটে বসনিয়া পরের রাউন্ডগুলোতে ভালো করে এবং ইতালিয়ানদের কয়েকটি শট ভাঙায় বসনিয়া ৪-১ ব্যবধানে জয়ী হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায়।

    পোল্যান্ডও রবার্ট লেভানডอฟস্কির নেতৃত্বে টিকে থাকতে পারেনি; তাদের বিরুদ্ধে সুইডেন ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় এবং সুইডেন ২০২৬ বিশ্বকাপে স্থান করে নেয়। কসোভোকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এল তুরস্ক।

    চেক প্রজাতন্ত্র ও ডেনমার্কের লড়াইও টাইব্রেকারে নিষ্পন্ন হয়েছে — নিয়মিত সময়ে ২-২ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে চেকরা ৩-১ গোলে জয়লাভ করে এবং ২০ বছর পর আবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে (সর্বশেষ তারা ২০০৬ সালে অংশ নিয়েছিল)। অন্যদিকে জ্যামাইকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কেটে নেয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো।

    প্লে-অফের এই ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে এখন মার্চেন্ট টুর্নামেন্টের গ্রুপগুলো চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। আসন্ন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচসহ সূচি ঘনিয়ে আসায় সব দল তাদের প্রস্তুতি জোরদার করতে শুরু করেছে। ফাইনাল টুর্নামেন্ট হবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত, প্রথমবারের মতো ৪৮ দল অংশগ্রহণ করবে এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    চূড়ান্ত গ্রুপসংকলন (A–L):

    এ গ্রুপ : চেক প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া

    বি গ্রুপ : বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড

    সি গ্রুপ : ব্রাজিল, হাইতে, মরক্কো, স্কটল্যান্ড

    ডি গ্রুপ : অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র

    ই গ্রুপ : জার্মানি, কুরাসাও, ইকুয়েডর, আইভরি কোস্ট

    এফ গ্রুপ : নেদারল্যান্ডস, জাপান, সুইডেন, তিউনিসিয়া

    জি গ্রুপ : বেলজিয়াম, মিশর, ইরান, নিউজিল্যান্ড

    এইচ গ্রুপ : স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব, কেপ ভার্দে

    আই গ্রুপ : ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে, ইরাক

    জে গ্রুপ : আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান

    কে গ্রুপ : পর্তুগাল, কলম্বিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উজবেকিস্তান

    এল গ্রুপ : ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা, পানামা

    নোট: প্লে-অফ পরিণতি অনুযায়ী জ্যামাইকাকে স্থান থেকে সরিয়ে ডিআর কঙ্গো গ্রুপ কেএর সদস্য হয়েছে এবং ইরাক আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উঠে গেছে।

    আগামী সময়ে প্রত্যেক গ্রুপের প্রথম ম্যাচ দেখে টুর্নামেন্টের চেহারা আরও স্পষ্ট হবে; জল্পনা-কল্পনা কমবে এবং দলগুলোর প্রকৃত প্রস্তুতি ও মানচিত্র দেখা যাবে। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায় — কোন দল সফল করবে, কারা সাড়া দেবে, তা জানা বাকি।

  • মানিকের গোলেই নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফাইনালে বাংলাদেশ

    মানিকের গোলেই নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফাইনালে বাংলাদেশ

    সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে একমাত্র জয়ী গোলটি করেন মানিক; ম্যাচটি বাংলাদেশি সময়ে আজ অনুষ্ঠিত হয়।

    ২০২৪ সালের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা ধরে রাখাই এবারের দলের বড় লক্ষ্য। নেপালকে হারিয়ে লাল-সবুজরা আবার শিরোপা লড়াইয়ে রয়েছে। রাতে ভারত ও ভুটানের ম্যাচের ফলের ওপর থাকবে বাংলাদেশের ফাইনালের প্রতিপক্ষ নির্ভর।

    সেমিফাইনালে বাংলাদেশের শুরুই ছিল আক্রমণাত্মক। ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মধ্যেই আক্রমণ থেকে আসে সুযোগ—মোর্শেদের চিপ পাস বক্সে পৌঁছানোর পর লাফ দিয়ে হেড করে গোল করেন মানিক। মালে স্টেডিয়ামের গ্যালারীরা ঐ গোলের পর উৎসবমুখর হয়ে ওঠে; অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী দর্শকও সশ্রদ্ধ উপস্থিত ছিলেন।

    এর পরের সময়ে বাংলাদেশ আরেকটি গোলও করেছিল; আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভান দক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তবে রোনান বল গ্রহণের সময় নেপালের ডিফেন্ডারদের চেয়ে এগিয়ে থাকায় সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তুলেন এবং গোলটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। বেঞ্চ থেকে ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করা হয়।

    হাফটাইমে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২০-৩০ মিনিট নেপাল বেশ চাপ সৃষ্টি করে; একের পর এক আক্রমণ হলেও গোলরক্ষক মাহিন Several ভাইভঁর Several Several Several Several SeveralSeveral Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several Several SeveralSeveral

  • প্রতারণা মামলায় গায়ক নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগরে পাঠানোর আদেশ

    প্রতারণা মামলায় গায়ক নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগরে পাঠানোর আদেশ

    বিয়ে প্রতিশ্রুতি ভেঙে প্রতারণার অভিযোগে ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিচারক রাজু আহমেদের কোর্টে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

    বাদী পক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স) আদালতের এ সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করে জানান, আসামি জামিনের আপসের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। পরিবারের সঙ্গে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও মুক্তি পেয়ে বিয়ে করেননি এবং পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণও দেননি—এমন কারণে তাদের অনুরোধে আদালত জামিন বাতিল করেন।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, নোবেল বাদীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ে ভান দেখিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণা করে নিয়েছেন। বাদীকে আটকে রেখে তাকে শারীরিকভাবে হয়রানি করার চেষ্টা এবং আপত্তিকর ছবি তোলারও চেষ্টা করা হয়; আর এতে অন্য আসামিরাও সহযোগিতা করেছেন।

    নোবেলকে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়; পরে একই আদালত ২৪ ফেব্রুয়ারি আপসের শর্তে তাকে জামিন দেন, যা চলতি শুনানিতে বাতিল করা হলো।

    মামলাটি গত ১৩ আগস্ট বাদী আনাননিয়া শবনম রোজ (অনন্যা) দায়ের করেন। মামলার তদন্তের জন্য আদালত পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-কে নির্দেশ দিয়ে ছিল। পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান গত ৭ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করে অভিযোগের যথাযথতা পেয়েছেন বলে জানান। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    অভিযুক্তদের মধ্যে নোবেলের মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, নোবেলের পরিচিত ছোটভাই মাসুদ রানা ও তার অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিকের নাম রয়েছে। বর্তমানে আদালতের নির্দেশনায় নোবেল কারাগারে রয়েছেন এবং মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • ইডেন শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গায়ক জাহিদ অন্তু কারাগারে

    ইডেন শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গায়ক জাহিদ অন্তু কারাগারে

    ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গায়ক জাহিদ অন্তুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত। বুধবার (১ এপ্রিল) এ আদেশ দেওয়া হয়।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই কে এম রাশিদুর রহমান আদালতে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে রিমান্ডভিত্তিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার এই তথ্য জানিয়েছেন।

    ঘটনার পর প্রযোজনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার গায়কের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)-তে গিটার ক্লাসের সূত্রে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় ঘটে এবং পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি এবং সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যায়।

    মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাহিদের কাছে একটি পণ্যের ফটোশুট করার কথা থাকায় তিনি ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ছয়টায় হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেন এবং বাসায় যাওয়ার কথা বলেন। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর অভিযোগ তিনি গুলশানের জাহিদের বাসায় যান। সেখানে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে অশালীন স্পর্শ করা হয় এবং বাধা দিলে গায়ক তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর মুখ, গলা ও মাথায় জখম হওয়া নিয়ে মামলায় বলা হয়েছে।

    কাহিনীর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং মামলার আইনী প্রক্রিয়া অক্ষরশ: চলছে।

  • সরকারি অফিসের সময়সূচি নিয়ে ছড়ানো পত্রটি ভুয়া: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    সরকারি অফিসের সময়সূচি নিয়ে ছড়ানো পত্রটি ভুয়া: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দুটি দিনব্যাপী হোম অফিস সংক্রান্ত একটি নথি ভাইরাল হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন অফিস পরিচালনার বিষয়ে গত ১ এপ্রিল একটি স্মারকপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ধরনের কোন পত্র জারি করেনি। সবাইকে বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়।

    বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ঘরে বসে কাজ করার সুবিধা, এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। তবে এই বিষয়ে এখনো কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হলেও, তার আগের দিন বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হোম অফিস সংক্রান্ত একটি ভুয়া নথি ছড়িয়ে পড়ে। এ নথিতে বলা হয়, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর কর্মচারীরা সপ্তাহে দু’দিন এইভাবে ঘরে থেকে কাজ করবেন। বাকি তিন দিন—রবি, সোম ও মঙ্গলবার—অফিসে উপস্থিত থাকবেন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঘরে থেকে কাজের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। এছাড়া, শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে।

    নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই তিন দিন অফিস খোলা থাকলে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজ চলবে। অন্য দিনগুলোতে দফতর খোলা থাকলেও, কর্মচারীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে কাজ করবেন। তবে, জরুরি পরিষেবা দানকারী সংস্থাগুলোর (হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ সংস্থাগুলো) এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না, তারা নিজস্ব বিধি অনুসারে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলে ও প্রচারিত নথিতে উল্লেখ করা হয়।

  • অপ্রতিরোধ্য ধারণা: এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না, জানালেন জ্বালানি সচিব

    অপ্রতিরোধ্য ধারণা: এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না, জানালেন জ্বালানি সচিব

    জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, আগামী এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের কোনো ধরনের সংকট দেখা দেবে না। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অপচেষ্টাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অবৈধ মজুতদারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলেছেন তিনি।

    মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির অবনতি স্বত্ত্বেও, মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহে হয়তো কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে এবং অনুমোদন পেলে দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।

    বর্তমানে দেশের জ্বালানি আমদানির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে পরিশোধিত জ্বালানি তেল স্বাভাবিকভাবে সরবরাহিত হচ্ছে, এর পাশাপাশি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল পরিশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে, কোনো জ্বালানি ঘাটতি থাকছে না বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

    মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, সরকার ইতিমধ্যেই কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা অভিযান চালাচ্ছে। অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করলে প্রচলিত আইনের আওতায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, যেখানে সম্ভব হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল সরাসরি দেশের খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়।

    কৃষকদের জন্য ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে জেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে, এ বিষয়ে কঠোর নজরদারির কথা জানান।

    ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিআইপিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, এরকম কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সবাইকে সমান গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের নীতিতে স্থান দেওয়া হয়।

    জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ও ব্যক্তিগত পর্যায়েও সাশ্রয়ী হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই সমস্যা বৈশ্বিক, তাই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এর সমাধানের মূল চাবিকাঠি।

    বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের সরবরাহ গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানো হয়েছে কিনা, সেটির উত্তর দিয়ে তিনি জানান, চাহিদার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে।

    অতএব, নতুন কোন উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান, ভবিষ্যতে সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করতে মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান, কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, সিঙ্গাপুরসহ আঞ্চলিক বাজার থেকে জ্বালানি সংগ্রহের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

  • সরকার হাম মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সরকার হাম মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সারা দেশের মধ্যে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক বিষয়। বিভিন্ন স্থান থেকে শিশু হামের ছোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে, এবং এ পরিস্থিতি সবার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বচ্ছন্দে বলেছেন যে, সরকার হাম প্রতিরোধে পুরোটাই প্রস্তুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল), রাজধানীর শিশু হাসপাতালে হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগিদের জন্য বাবল সিপ্যাপের ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান তিনি।

    সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, হাম যেন বজ্রপাতের মতো এসেছে — একেবারে ঝড়ের মতো। আগে এ ধরনের কোনও প্রস্তুতি ছিল না, কিন্তু বর্তমানে অল্প সময়ের মধ্যে হাম মোকাবিলায় আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। স্বাস্থ্য বিভাগ সবসময় যথাযথভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং শর্টকাটে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

    মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কিছু হাসপাতালের অবহেলার কারণে অনেক শিশু মারা গেছে, যা তিনি খুবই দুঃখজনক বলে মনে করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলতে চান, এই ধরনের ঘটনা আর কখনো ঘটবে না।

    চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আল্লাহ বিপদ দেন, পাশাপাশি তিনি সাহায্যও করেন। আপনাদের যদি এই পেশায় অবহেলা থাকে, তাহলে একবার চিন্তা করুন— আপনি কারা? আর আপনারা যদি দায়িত্বশীল থাকেন, তবে দেশের জন্য বড় ক্ষতি থেকে রেহাই পাবেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ডাক্তাররা পেশাগত দায়িত্বে অবিচল থাকলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পান।

    বিশেষ করে, তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, করোনা মহামারীর সময়ে চিকিৎসকদের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল, এবং সবাই এর জন্য তাদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আপনাদের সেই সব অবদান স্মরণ করবে সবাই, এর জন্য তারা গর্বিত।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক সংকটের মধ্যে আছেন, কিন্তু তিনি আশ্বাস দেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সকল সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালানো হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, সবাই একযোগে কাজ করে গেলে হাম প্রতিরোধ সম্ভব।

    তিনি বলেন, ঢাকাসহ রাজশাহী এলাকাতেও হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিছু হাসপাতালে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে হামের চিকিৎসার জন্য। রাজশাহী ও মানিকগঞ্জে ভেন্টিলেটর সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে এবং অন্যান্য হাসপাতালেও এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সেরা প্রস্তুত রয়েছেন আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করতে।

    মন্ত্রী আরও জানান, ২০১৮ সালের পর থেকে দেশের কোন করোনাভাইরাস রোগের টিকা ক্যাম্পেইন চালানো হয়নি। তবে, নতুন করে টিকা সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই ইউনিসেফের মাধ্যমে এই জরুরি টিকা সরবরাহ শুরু হবে, ফলে হামের বিস্তার রোধের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হবে।

  • হামের প্রকোপ মোকাবিলায় স্কুল বন্ধের জন্য হাইকোর্টে রিট

    হামের প্রকোপ মোকাবিলায় স্কুল বন্ধের জন্য হাইকোর্টে রিট

    হামের গুরুতর প্রকোপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিবেদন এসেছে, যেখানে হামের কারণে গত কিছুদিনে অন্তত ৪৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাগুলোর উপর উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনেরও দাবি জানানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট জমা দেওয়া হয়। আশাকরা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে এই বিষয়ে একটি ডিভিশন বেঞ্চের শুনানি হবে।

    এদিকে, এর আগের দিন, বুধবার (১ এপ্রিল), বাংলাদেশ সরকারের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামের টিকার ব্যবস্থা করা জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশটি বাংলাদেশ মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া কর্তৃক পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে হামের কারণে শিশুদের অসুস্থতা এবং মৃত্যুর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান না হলে, হাইকোর্টে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট দায়ের করা হবে।

    নোটিশে আরও জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর খবর এবং উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার শতাধিক প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে। মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, যদি পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে এই রোগের প্রকোপ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে সরকার।

  • প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য: কৃষক ও নারীরা কার্ডের টাকা বিদেশে পাচার করবেন না

    প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য: কৃষক ও নারীরা কার্ডের টাকা বিদেশে পাচার করবেন না

    ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডে ব্যয় হওয়া অর্থের কারণে যদি মূল্যস্ফীতি ঘটে, এই বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করেন, ‘আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, যা থেকে মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হবে। সুতরাং, এই লক্ষ্য নয় যে মূল্যস্ফীতি হবে। বরং আমরা যারা এই টাকা পাবেন, অর্থাৎ কৃষক ও নারীরা, তারা নিশ্চয়ই এই অর্থ বিদেশে যেমন সিঙ্গাপুর কিংবা অন্য কোনো দেশে পাচার করবেন না। বরং এই টাকা এদেশের অর্থনীতিতে সরাসরি ব্যয় হবে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।’ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে চলমান অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ প্রশ্নোত্তর কার্যক্রমের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তাঁর সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, ‘কত জন এবং কত পরিবারকে কার্ড প্রদান করা হবে, এই প্রকল্পের জন্য মোট কত বাজেট বরাদ্দ হয়েছে? এছাড়াও, যদি এই প্রকল্পের চলাকালে বা বাস্তবায়নের সময় মুদ্রাস্ফীতি বা মূল্যস্ফীতি বাড়তে শুরু করে, তখন সরকারের অবস্থা কী হবে?’